tgindex
বাংলা কবিতা 🪶

বাংলা কবিতা 🪶

Статистика

কবিতা হৃদয়ের নীরব ভাষা, শব্দে শব্দে আঁকে ভালোবাসা। বেদনা, সুখে খুঁজে পায় ছোঁয়া, মনের আকাশে রঙ ছড়ায় স্নিগ্ধ আলোরা! 🥰 কবিতা পাঠান: @helpxRobot 💁‍♂️ Community > @Link_trees ☘️

Последний пост
14 авг.
Последнее чтение
13 авг.
Постов за неделю
2
Всего постов
21
Тип
открытый
Язык
bn
В каталоге с
13 авг.
Подписчики
1 197
+6 за 3 дн.
Сутки
+4
+0,34%
Неделя
 
Месяц
 
Просмотров на пост
645
21 постов
Вовлечённость
53,9%
к подписчикам
Постов в день
0,3
всего 21
Упоминаний
1
каналов
Охват размещения
оценка
1/24сутки в ленте
93
1/48двое суток
106
1/72трое суток
114

Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.

Посты

  • без подписи

  • তোর সাথে বিকাল বেলা একটু কিছু হইলেই দাঁড়া, নদীর পাড় যাই তারপর এই যে পকপক শুরু হয় আমার যেন একটা নন স্টপ মেশিন এত সময় ধরে এত কথা কই, তাও যেন কথা ফুরায় না কি যে করি মন ক্যান মানে না সেটা ও বুঝি না তোর সাথে কথা কইতে কইতে বিকাল পার করার অভ্যাস হয়ে গেছে সিরিয়াস বা ফানি কথা সব কিছুতেই তোর সাথে ছিল আমার পাগলামি তোর সাথে কাটানো সময় গুলো টক, মিষ্টি, ঝাল এর মতো নদীর সুন্দর দৃশ্য আর বাতাসের দোলা তার সাথে তৈরি হইছে, তোর আমার ভালোবাসা আগন্তুক (ছদ্মনাম) নাম অপ্রকাশিত রাখবেন Join ~ @Bangla_Poetry

  • কবিতা: অস্তিত্বের শিকড় কলমে:- নাজিয়া হাসান অ-আ-ক-খ ছড়া,স্মৃতির চত্বর ভরা; বাবা ছাড়া এ জীবন আঁধারে মোড়া। ছোটবেলার হাত আজ কালো রাত, বাবার শূন্যতা বুকের আঘাত। বাংলা ভাষা গান জমে অভিমান, বাবার না-থাকা বড় ম্লান। অঙ্কের খাতা সব স্মৃতি পাতা, মাথার ওপর আজ মায়েরই ছাতা। বিজ্ঞান শক্তি মায়ের ভক্তি, বাবার ওপারে শান্তি শক্তি। ইতিহাস ত্যাগ বুকের অনুরাগ, বাবা হারা মনে বিষাদের দাগ। ভূগোল ম্যাপ বুকের প্রলাপ, বাবার স্মৃতিতে চোখেতে জলমাপ। রাষ্ট্রবিজ্ঞান নীতি মায়ের প্রীতি, বাবার আদরের ফুরোলীতি। Join ~ @Link_Trees 🌿

  • MOOD OFF? 😔 জয়েন করো নিচের চ্যানেলগুলোতে। মুড অন না হলে এমবি ফেরত! 1️⃣ t.me/Bangla_Memes 2️⃣ t.me/Mood_Posting 3️⃣ t.me/MoodxBoost 4️⃣ t.me/Prank_King 5️⃣ t.me/TG_sarcasm ❇️ Check out - Click here

  • নামহীন এক গল্প গল্পটার শুরু হয়েছিল কোন এক প্রাণে সেই প্রাণ থেকে আভা ছড়িয়েছে প্রতিটি উন্মাদ সাহসীর মনে। শুরুতে কেউ বোঝেনি হঠাৎ তৈরি হওয়া বৈরী পরিবেশ অকাল বৈশাখীর সৃষ্টি করবে যার বজ্র সম তেজ। এক দুই নয় হাজারে হাজারে ছাত্র, অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে সবাই হয়েছে একত্র। কি এমন হতো যদি মানা হতো তাদের সামান্য দাবি অঙ্কুরিত হওয়ার আগেই হারিয়ে যেত সকল প্রতিবাদী! কিন্তু না, উপেক্ষিত হলো তারা বাড়লো তাদের জেদ প্রতি ঘরে ঘরে সবাই সাজলো অস্ত্রহীন রণবেশ। ছাত্রদল ওরা, ছোট ভেবে করেছে প্রথম ভুল এই বলে উড়িয়ে দিল, বেশি বলে বুলবুল।। ওরা ভেবেছিল লাঠির কাছে মাথা নোয়াবে বীর, কিন্তু ভুলে গেছিলো, তরুণরাও তো চালাতে পারে তীব্র গতির তীর। যখন দেখল দ্বিগুণ তেজে জ্বলছে তরুণ প্রাণ, সেপাইদের আদেশ দিল চালাও মেশিনগান। বন্দুকের যে গুলিতে ফোঁটো করল বুক, হারালো সাইদ প্রাণ, তার দেহ ঝরা রক্ত থেকে জন্ম হলো নতুন প্রেরণা, নতুন সুরের গান। "পানি লাগবে পানি" মুগ্ধের মুখের বাণী, তরুণরা আজ মেতেছে নৃত্যে জীবনটাও নয় দামি। ভেলকনীতে দাঁড়িয়ে মেয়ে দেখছে নতুনের আভা গুলিবিদ্ধ পড়ে রইল নাঈমা সুলতানা। দশম শ্রেণির ছাত্রী সে মনে কতই আশা বাবার কোলে গুলিবিদ্ধ রিয়া গোদের মাথা। রণ নৃত্যে মেতে ওরা প্রাণ যে দিল কত, সবার প্রাণে জ্বলছিল আগুন আফরিন আক্তারের মতো। শাসকরা কি ভেবে ছিলো পা দিয়েছে সাপের লেজে, ছিন্ন ভিন্ন হলো সব একটি মাত্র ভুলো। সেই যুদ্ধে জয়ী হয়ে দায়িত্ব নিলো কাঁধে নিজহাতে দেশ গড়তে কতই চিন্তা মনে। কিন্তু কি হলো, ফল তার! আবারো জুলাইয়ে ঘনিয়ে এলো ঘোর অন্ধকার। আবারো কাপলো ইটের দেয়াল ছাত্র শ্রেণির স্লোগানে, অন্যায়ের প্রতিবাদে তারা নামলো রাজপথে। কেন তারা থাকবে চুপ বলবে না কোন কথা আর কতবার প্রাণ দিবে প্রতিবাদী হবে তারা?? গল্পের যেন ইতি নেই খামখেয়ালে ভাসে বার বার কেন জল ঝরে বাংলা মায়ের চোখে! আর কতকাল কাদবে মা অন্ধ নয়নে? নিজের হাতে হাতে গল্প গড়েও দিতে পারলো না তারা ইতি তবে কি বাংলা চিরকাল লিখবে অসমাপ্ত কাহিনী!! ৩৬ জুলাই, ২০২৬ ✍️:- রাই কিশোরী

  • 5 авг.367142

    🌼আহারে শৈশব...!🌼 আহারে শৈশব, কোথায় হারিয়ে গেলি তুই? একসময় সুখ মানেই ছিল বৃষ্টিতে ভেজা, মাঠজুড়ে দৌড়ানো, কাদামাখা পা নিয়ে মায়ের বকুনি খাওয়া, আর সন্ধ্যা নামলেই ঘরে ফেরার ডাক। তখন সময়ের কোনো তাড়া ছিল না, ভবিষ্যতের কোনো ভয় ছিল না, ছিল শুধু আজকে বাঁচার আনন্দ। কিন্তু বড় হতে হতে আমরা ক্যালেন্ডারের পাতায় বয়স বাড়িয়েছি, আর অজান্তেই হারিয়ে ফেলেছি মনের ভেতর লুকিয়ে থাকা সেই ছোট্ট শিশুটাকে। এখন খেলনা নেই, আছে দায়িত্ব। এখন গল্পের বই নেই, আছে জীবনের কঠিন অধ্যায়। এখন চোখে স্বপ্ন আছে, কিন্তু সেই স্বপ্নের দাম দিতে হয় নিদ্রাহীন রাত আর নীরব দীর্ঘশ্বাসে। আহারে শৈশব... তুই যদি আর একবার ফিরে আসতিস, একদিনের জন্য হলেও হয়তো আবার শিখে নিতাম, কোনো কারণ ছাড়াই মন খুলে হাসতে। কারণ মানুষ বড় হয় ঠিকই, কিন্তু তার হৃদয়ের সবচেয়ে সুন্দর ঠিকানাটা চিরকালই থেকে যায় "শৈশব।" Join ~ @Link_Trees 🌿

  • আকাশ প্রেমী আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকি আমার একাকিত্বের প্রহরে, মন খারাপে সঙ্গী খুঁজি বিশাল আকাশ মাঝে। মেঘগুলো চাঁদের দুয়ারে রোজ মারে উঁকি, মনটা আমার প্রতিদিনই নিজেকে মারে ফাঁকি। কি চাই কেন চাই উত্তর নেই তার ডানা মেলে উড়ে যেতে চাই যদি খুলে দখিনা দুয়ার। মনমাঝিকে গল্প শুনাই মেঘের ভেলা চড়ে, যদি আমায় নিয়ে যায় সেই অচিনপুরে। নীল রঙের আকাশ যখন মেঘে কালো হয়, মন খুলে আকাশ তখন কাঁদে নিশ্চয়। কখনো আবার সব ভুলে লজ্জায় হয় লাল শঙ্খচিল রাগ করে কি ফুলিয়ে রাখে গাল! আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকলে কতই ভাবনা আসে, মেঘের ভেলায় আসবে কি কেউ পক্ষিরাজ নিয়ে! আকাশ সেতো বড়ই বিশাল ক্ষুদ্র চক্ষু মোর, কেমনে তারে দেখবো আমি হবো তার গোচর। আকাশ তুমি নাও আমায় মেঘের ভেলায় তুলে, তার দুয়ারে পৌঁছে দিও একটু যত্ন করে। মন খারাপের সঙ্গী হবে করবে তাহার রাণী, কুঁড়ে ঘরে রাতের বেলা চাঁদ দিবে হাতছানি। খোলা আকাশের নিচে বসে প্রাণখুলে নিবো শ্বাস, আমার সাথে জুড়ে থাকবে তার প্রতি নিঃশ্বাস। তাকে তখন জানাবো আমি শুন মোর সখা, তেমার প্রতি আমার আকাশ সমান ভালোবাসা।। ✍️:- পলি রানী দেবী Join ~ @Link_Trees 🌿

  • 🌼নীরবতার ঠিকানায়🌼 এমন এক সময়ে এসে দাঁড়িয়েছি আমি, যেখানে মানুষের উপস্থিতির চেয়ে অনুপস্থিতিই বেশি শান্তি দেয়। এখন আর কাউকে নিজেকে ব্যাখ্যা করতে ইচ্ছে করে না। কারণ যে বুঝতে চায় না, তার কাছে সত্যও একদিন মিথ্যার পোশাক পরে যায়। তাই আর কারও অভিমান ভাঙাই না, কারও মন জয় করার যুদ্ধেও নামি না। যে থাকার, সে কারণ ছাড়াই থেকে যায়; আর যে চলে যাওয়ার, তাকে আটকে রাখার ইচ্ছেটুকুও সময়ের স্রোতে হারিয়ে যায়। জীবন শিখিয়েছে সব সম্পর্ক বিচ্ছেদে শেষ হয় না, কিছু সম্পর্ক বেঁচে থাকে, শুধু অনুভূতিগুলো নিঃশব্দে কবর হয়ে যায়। আজকাল নীরবতাই আমার সবচেয়ে আপন ভাষা। কারণ নীরবতা প্রশ্ন করে না, অভিযোগ তোলে না, শুধু ক্লান্ত আত্মাটাকে একটু আশ্রয় দেয়। একা থাকতে এখন আর ভয় লাগে না। মানুষের ভিড়ে যতবার ভেঙেছি, একাকীত্ব আমাকে তার চেয়েও বেশি যত্নে জোড়া দিয়েছে। এখন আর কাউকে দোষ দিই না। দূর থেকেই দেখি, চুপচাপ হাসি, নীরবে দোয়া করি, আর নিজের মতো বেঁচে থাকি। শেষ পর্যন্ত বুঝেছি সব মানুষকে কাছে রাখার প্রয়োজন হয় না। কিছু মানুষকে দূর থেকেই ভালোবাসতে শেখা হয়তো পরিণত হওয়ার সবচেয়ে নীরব সংজ্ঞা। 🖤

  • আতঙ্কের প্রহর মুহাম্মদ লিটন ইসলাম মানুষ দেখলেই ভয় লাগে, তাদের ছোঁয়া আমাকে জখম করে। কীভাবে করে—তা জানি না, তবু মানুষ দেখলেই আমার ভয় লাগে। মেয়ে মানুষ আমার কাছে নীরব রাক্ষস; তাদের দেখলেই কলিজা কেঁপে ওঠে, দম বন্ধ হয়ে আসে। কে জানে, কখন আমার রক্ত চুষে নেয়! নিজের রক্ত দেখলেও ততটা ভয় হয় না, যতটা হয় মানুষের উপস্থিতিতে। আমার ভয় এখনও সীমাবদ্ধ থাকে, যখন মৃত্যুদেবতা আমার সম্মুখে এসে দাঁড়ায়। মানুষের ছায়াটাই আমার মাঝে অসীম ভয়ের সঞ্চার করে। কেন করে—তা জানি না! আমি চাই এক নীরব পরিবেশ, যেখানে আমি আছি, আছে গাছপালা, কিংবা পৃথিবীর সবকিছু— কিন্তু মানুষ নেই। আমি চাই একক মৃত্যুর ন্যায় একক জীবন।

  • প্রিয় ডাক নামে পলি রানী দেবী প্রিয়, তুমি আমার কাছে ভোরের শুকতারা যাকে দেখা না দেখলে আমার দিন শুরু হয় না। ওগো, প্রিয়তম, সত্যি কি কখনো এই মন পাবে তোমার দেখা! প্রিয়, তুমি আমার ভোরে গান করা পাখি রোজ সকালে আমি যার গান শুনি। ওগো প্রিয়তম, কবে শুনব তোমার কন্ঠের ধ্বনি! প্রিয়, নিরব দুপুরে তুমি অনন্ত সেই আকাশ যার দিকে চেয়ে কাটিয়ে দিই উদাসীন অবকাশ। ওগো প্রিয়তম, কখনো কি পূরবে আমার মনের আঁশ! প্রিয়, এত গল্প, এতো কবিতা এতো গান যে তোমাকে ঘিরে গড়া সেই তুমি কি কখনো দিবে আমার ছন্দে ধরা! ওগো প্রিয়তম, আমার গান,, শুনতে কি পায় তোমার দুটি কান। প্রিয়, তোমাকে নিয়ে দীঘল রজনী আমি করতে চাই যাপন, তুমিও কি স্বপ্ন দেখো ঠিক আমার মতন! ওগো প্রিয়তম, তুমি যে আমার ভীষণ আপন। প্রিয়, আমার লেখা প্রতিটি উপন্যাসের নায়ক হলে তুমি, তুমি বল কি চাও, নায়িকা বানাবে নাকি ভিলেন হবো আমি! ওগো প্রিয়তম, তোমার এক কথায় সব করতে রাজি। প্রিয়, তুমি চাইলে হাসতে হাসতে আমার ভালোবাসার দিব বলি, তোমার সুখের জন্য আমি হয়ে যাব তোমার 'চোখের বালি'। ওগো প্রিয়তম, তুমি ছাড়া আর কেউ হবে না এই বাগানের মালি। প্রিয়, তোমার জন্য রিক্ত শাখায় রোজ হবো আমি কলি। প্রিয়, তুমি চাইলে ফুল হয়ে ফুটব, নাহলে ঝরে যাব তুমি চাও যদি। ওগো প্রিয়তম, আমি ফুল হয়ে সাজাতে চাই তোমার ঘরের ফুলদানি। প্রিয়, সে আকাশের শুকতারা তুমি রোজ জ্বলে উঠো, বলতো আমায় কি উপায়ে তোমার মনের খোঁজ নিব। ওগো প্রিয়তম, বিরহিণী আমি ছন্নছাড়া বেশ, পাগলিনী হয়ে তোমার খুঁজে ঘুরে বেড়াই দেশ-বিদেশ। ব্যাকুল তোমার তরে, প্রিয় শব্দ বার বার ঢেউ তুলে আমার মন সমুদ্রে।। Join ~ @Link_Trees 🌿

  • 🦋 নীল প্রজাপতি🦋 একদিন আমিও ছিলাম রঙহীন এক শুঁয়োপোকা, স্বপ্নগুলো মাটির ধুলোয় ঢাকা, আর বুকভরা নীরবতা ছিল একমাত্র ঠিকানা। সময় আমাকে শিখিয়েছে সব হারিয়ে যাওয়া মানুষ শেষ হয়ে যায় না, কেউ কেউ নীরবে বদলে যায়, যেমন বদলে যায় একদিন প্রজাপতি। তাই আজ আমি নীল আকাশের জন্য নয়, বরং সেই গভীর রাতগুলোর জন্য, যেখানে কান্নারাও শব্দ করতে ভয় পেত। আমার ডানায় যে রঙ দেখো, তা ফুলের উপহার নয় অসংখ্য ভাঙা স্বপ্ন, আর নিজেকে হাজারবার জোড়া লাগানোর ইতিহাস। যেদিন আমি উড়ে যাব, ধরো না আমি হারিয়ে গেছি। নীল প্রজাপতিরা কখনো মরে না, তারা শুধু কারও নিঃশব্দ প্রার্থনা হয়ে অন্য এক আকাশে উড়তে শেখে। আর যদি কোনোদিন তোমার কাঁধে এসে বসে একটি নীল প্রজাপতি, তবে তাকে ধরতে যেও না। শুধু হাসবে কারণ কিছু সৌন্দর্য স্পর্শ করার জন্য নয়, অনুভব করার জন্য জন্মায়। Join ~ @Link_Trees 🌿

  • কবিতানী — মুহাম্মদ লিটন ইসলাম কেউ তো আছে, যে এই জগতে হৃদয়ে ডেকে গভীর রাতে। কারো উপস্থিতি, তার অনুভূতিতে গঠন করে, পেরিয়ে যায় সময়ের মেলবন্ধন। স্মৃতির পাতা ছিড়ে, চুরমার করে গড়ে জীবন পাতায় বৃক্ষের আকুল স্পন্দন। শত শত ক্ষতের প্রাপ্তির বেদনা, চিরতরে প্রাক্কালে, কলমের কালিতে ঝড়ে তার বেদনা। তিতলির ভেসবোসে ফুঁসে ওঠে সব, চুপিচাপে পার করে, নেই কোনো রব। চক্ষুর আদলে গড়ে তোলে নীরব সংসার, সে যেন পথি মধ্যে থাকা জীর্ণ আধার। যে বোঝার, সে বোঝেনি; বোঝানোর প্রয়োজন নেই। প্রিয়জনের প্রয়োজন হয় না, তারা বুঝে নিতে পারে। আপনার গন্তব্য বিরাট, সজল; চলুন সে পথ ধরেই। পথি মধ্যে কাঁটা না আসলে, গমনের পূর্ণতা ধোয়াশেই। তিক্ত রক্ত জমিয়ে রাখুন, হয়তো কোনো এক সময়ক্ষণ। অম্লাতার দুয়ারে, তার প্রয়োজন আসবেই— কোনো বাঁধা ছাড়া প্রাঞ্জল জীবনে। Join ~ @Link_Trees 🌿

  • প্রিয় নামের রূপকথা পলি রানী দেবী প্রিয়তম, তোমাকে চেয়েছি আমি রঙধনু আঁকা সকালে, তোমার মুখের হাসিতে দিন শুরু করব বলে। প্রিয়তম, তুমি কি আসবে তোমার হাসি দিয়ে আমার সকাল রাঙাতে! তোমাকে চাই আমি উত্তপ্ত দুপুরে, থাকতে চাই তোমার স্নিগ্ধ শীতল ছায়া তলে। ওগো প্রিয়তম, তুমিতো আমার শান্তির নীড়, ভালোবাসার কুটির। তোমাকে চেয়েছি আমি ক্লান্ত বিকেলে, যখন পাখিরাও ফিরে যায়, নিজ নিজ নীড়ে। প্রিয়তম, বল আমি যাব কোথায়, আমিতো বসে আছি তোমার অপেক্ষায়! তোমাকে চেয়েছি আমি একমুঠো আশায়, নদীতীরে বসব দুজন, সূ্র্যাস্তের অপেক্ষায়। তোমাকে চেয়েছি পূর্ণিমার রাতে, শুধু আকাশ নয়, চাঁদ-টাও দুজন ভাগ করে দেখব বলে। প্রিয়তম, তোমার কাঁধটা বাড়িয়ে দিও আমার মাথার পানে। অমাবস্যার অন্ধকারেও চেয়েছি তোমায়, নিভূতে দুজন হারিয়ে যাব বলে। তোমাকে চেয়েছি জোৎন্সা ভরা রাতে, চাঁদের ম্লান আলোয় হাটব তোমার হাতে হাত রেখে। প্রিয়তম, আমি পাগলিনী, আমি ভাসি তোমার রাজ্যে। প্রিয়তম, তোমাকে খুঁজে বেড়ায় আমার উদাসীন মন, তোমার মনে ভালোবাসার, হবে কি আগমন! প্রিয়, তোমার বুকে মাথা রেখে ভুলে যেতে চাই সব, তোমার সান্নিধ্য পেয়ে যদি থেমে যায়, আমার মনের কলরব। তোমাকে চাই, তোমাকে চাই, চাই শুধুই তোমায়, তুমি কি আসবে, ভালোবেসে আপন করতে আমায়!! ওহে প্রিয়তম, তোমাকে চেয়েছি বলে, রোজ সাজি নবরূপে হতে চাই তোমার প্রিয়তমা! তোমার কাঁধে মাথা রেখে গড়তে চাই মনরথে কোনো এক নতুন রূপকথা।। 📌 t.me/Bangla_Poetry

  • বৃষ্টির সকালবেলা! ~ পলি রানী দেবী সকাল নাকি সন্ধাবেলা বুঝতে পারছি পারছি না, সকালবেলা সূর্য-মামা দেখা দিলেন না। ঘুম থেকে উঠতে উঠতে হলো অনেক দেরি, বৃষ্টি আমার সকালবেলা করে দিল মাটি। মেঘ গড়গড় ডাকছে আকাশে বিজলি দিচ্ছে দেখা, সারা দিন কী থাকবে এমন! বেজার হলো মনটা। বৃষ্টির মাঝে তুমি কেমনে যাবে বাইরে, পুরো দিন রাখবে তোমায় ঘরের ভিতর আটকে। তবু অনেক মজা হবে মা বাঁধবে নানা রেসিপি, বৃষ্টির দিনে ভালোলাগে পিঠে, পায়েস, খিচুরি। লুডু খেলব সবাই মিলে কে মজাই হবে, বৃষ্টি তুই পারবি না সকাল মাটি করতে। সূর্য যখন উঠবে হেসে মেঘ যাবে তার বাসায়, বৃষ্টির এই সকালবেলা নিবে তখন বিদায় ।। Join ~ @Link_Trees 🌿

  • 18 июл.1 990105

    চকলেট বালিকা — মুহাম্মদ লিটন ইসলাম ঝিরঝির বৃষ্টিতে, কারো নেই দৃষ্টিতে, চুপচাপ বসে আছে, রেগেমেগে ফুলে আছে— চকলেট প্রেমিকা! ভালোবাসে ধরেছে বায়না, বুকে তুলে নেয় না, চকলেট দেয় না; মেঘে মেঘে গর্জনে, নীরবে ক্রন্দনে কেটে যায় বেলা! চকলেট বালিকার চকলেটে জীবিকা, স্বপ্নের শহরে, চকলেট নগরে সারা সময় কেটে যায়। কাল থেকে কে যেন কী হলো! কেউ এসে চলে গেল— চকলেট দিল না, ভালোবাসা নিল না। কাল শেষে বেলা রেখে, চোখে মুখে দুখ মেখে, একা একা পথে পথে পাড়ি দিল মেলা দূর; শিখে এসে ভুলে গেছে নীতিকথা, মেলা সুর। স্মৃতি পাতায় গেঁথে রেখে চকলেটী ঘ্রাণ, চুপচুপে ভরছে জীবনের অভিধান 👀 t.me/Bangla_Poetry

  • একগুচ্ছ কদম পলি রানী দেবী একগুচ্ছ কদম হাতে দাঁড়িয়ে ছিলাম আমি, কি ভাবছো গোলাপের জায়গায় কদম এনেছি, এ কেমন বোকামি! আসলে কি জানো, গোলাপে তো থাকে কাঁটা, আর তোমার মন অদ্ভুত সাদামাটা,, তাই কাঁটা যাতে না বিঁধে তোমার কোমল মনে তাই তো একগুচ্ছ কদম নিয়ে এসেছি তোমায় দেব বলে। কদমের কোমলতা আলতো করে ছুঁয়ে দিক তোমায়, তাতে তোমার কোমলতা বৃদ্ধি পাবে তার জন্য নয়, কদমের চেয়েও কতটা কোমল মন তোমার, তা বোঝানোর জন্য। কদম ফুল কিছুটা সাদা আর হালকা হলুদ, ঠিক তোমার মনের মতো কিছুটা নরম আর কিছুটা কঠোর। এই একগুচ্ছ কদম দিতে চাই, আমি তোমার স্মরণে, ভালোবাসা দিয়ে বিনা সুতের মালা পরাতে চাই তোমার গলে। রোজ তোমার জন্য সাজাব আমি, কদমের ফুলের ডালা তোমার পথ চেয়ে অগণিত প্রহর কাটাব একেলা। মালা গাঁথি, পথের পাশে বসে থাকি তোমার অপেক্ষায়, বেশি কিছু তো নয়, শুধু তোমার একটু মায়া পাওয়ার আশায়, তোমার একটু যত্ন, একটু আবেগ মাখা কথায়। এই একগুচ্ছ কদম দেখে যখন তুমি কৌতুকের হাসি হাসবে, তারপর একটু একটু করে সেই হাসি ছড়িয়ে পড়বে তোমার সমগ্র মুখে, তখন পৃথিবীর সমস্ত দুঃখ, কষ্ট ভুলে, আমি বিলীন হয়ে যাব তোমার ঐ হাসির জোয়ারে। তোমার ওই এক টুকরো হাসি, যা আমার শ্রেষ্ঠ পাওয়া, যা নিয়ে ভাবতে ভাবতে চলে যাবে মিনিটের পর মিনিট, ঘন্টার পর ঘন্টা। আমি তো জানি না কিভাবে করতে হয় প্রেম নিবেদন, তাইতো একগুচ্ছ কদম হাতে দাঁড়িয়ে আছি, যদি গলে যায় তোমার গভীর মন! তোমার খাঁড়া চুল, জোড় ভুয়া, সৌন্দর্যের সে যেন এক অভূতপূর্ব সংজ্ঞা। তোমার চোখ কদমের থেকেও শৈল্পিক, যা আমাকে বার বার ভাবিয়ে তোলে, করে তোলে কাল্পনিক। একগুচ্ছ কদম দিয়ে হোক এক নতুনের সূচনা, একে অপরকে আমরা করব রচনা। দিন শেষে তুমি নিয়ে আসবে কদমের গাঁজরা, যত্ন করে বেঁধে দিবে আমার মাথায় খোঁপা। কোনদিন অবসন্ন বিকেলে, দুজন বসবো পাশাপাশি কদমের তলে, একটি কদম হাতে নিয়ে, মৃদু হেসে জিজ্ঞেস করবে,, বলতো কি পেয়েছিলে আমাতে? তোমার হাতের ফুল নিয়ে উত্তরিত আমি, কি পেয়েছি তা তো জানে অন্তর্যামী! তুমি ছিলে আমার জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ কবিতা।। যাকে নিয়ে ভাবতে গিয়ে ঝরে যায় কদম অগোচরে, যার মায়াতে বিভোর হয়ে হলাম ভবঘুরে। তোমাতে কি পেয়েছি তা তো জানি না, তবে তোমার মাঝে আমি করে ফেলেছি নিজেকে রচনা।।

  • রক্তাক্ত জুলাই রাই কিশোরী জুলাই, কেন তুই বার বার রক্তে হোস রাঙা, কেন বার বার তোর বুকে ঘুমিয়ে যায় বাংলার তরুণরা! আজ কেন সোনার বাংলা কাঁদছে পথের পাশে, আজও কেন হাহাকার প্রতি বাঙালির বুকে! তবে কি মিথ্যে হলো আবু সাইদের প্রাণ, তবে কি মাটি ভুলে গেছে মুগ্ধের মুখের গান! আজও কি আবার ভাসতে হবে রক্ত নদীর স্রোতে, আজও কি আবার গুলি হবে আবু সাইদের বুকে! আজও কি তরুণপ্রাণ ঝরবে অকাতরে, তরুণদের এই আত্মত্যাগ ফলপ্রসূ হবে কবে? বাংলা কি আর হবে না শান্ত, থামবে না নদীর জোয়ার, আজও কি আবার ধ্বংস হবে, সব হবে ছারখার? আর কতকাল লড়বো মোরা নেই কি তাহার শেষ, আদ্যও কি গড়তে পারবো সোনার বাংলাদেশ! জুলাই যেন অভিশাপ এই বাংলার বুকে, জুলাই মাসে সাহসীরা ঘুমায় বাংলার বুকে। অভিশপ্ত জুলাই, বল কবে থামবে তোর মৃত্যুর খেলা? কবে আবার প্রাণ খুলে বাঁচবে তরুণরা? এখনো তো মুছে নাই রাজপথে রক্তের দাগ, আজও তো ভুলি নাই শহিদদের আত্মত্যাগ। বাংলা তুমি কেমন মা, সন্তান নাও কেড়ে, আর কতকাল তোমার বুকে পড়বে সবাই লুটিয়ে? সবুজে ঘেরা বাংলা মোর, জুলাই অভিশপ্ত, কালোতে আজ মোড়া পতাকা, রক্ত ঝরেছে অবিরত।। Join ~ @Link_Trees 🌿

  • 14 июл.2 459107

    ক্লান্ত পথিক! এই প্রহরের আমি এক ক্লান্ত পথিক, গন্তব্য নয় বেশি দূরে, গন্তব্য শুধুই আমার একটু খানি সুখের নীড়ে। আমার হৃদয় ভরা হাহাকার, গন্তব্য অনুকূলে হবে কি আমার? আমি লড়েছি বুক পেতে বুকটা আজ বড়ই ক্ষতবিক্ষত! টিকে আছে তবুও আকুল আকাঙ্ক্ষায়... একটু খানি সুখের আশায়। বিজয়ের এই শেষ পথে ক্লান্ত আমি বড়ই, তবুও আল্লাহর নামে "আল্লাহু আকবার" বলে ইনশাআল্লাহ আমি লড়বোই। আমি রয়েছি বন্দি সেই ফাঁদে, যেটা আমাকে বারবার ক্ষতবিক্ষত করে.... আহ্ যদি ফিরে পেতাম সুখের ঠিকানা, বুক ভরে একটু খানি শাস ছাড়া আর কিছুই চাওয়ার থাকতো না! হৃদয়ের গভীরে বয়ে যায় আর্তনাদ, কবে ফিরবো সেই সুখের ঠিকানায়, কবেই বা নিবো একটুখানি সুখের স্বাদ! ✍️ t.me/Bangla_Poetry

  • Name : Awlad Hossain Nur FB - Awlad Hossain Nur 30/06/2026(10:20pm) মায়া ---------------------------------- - ভালোবাসো? - কাকে? - আকাশ? - হ্যাঁ,, - আমিও ভালোবাসি,, - কাকে? - যে আকাশ ভালোবাসে,, - কতটা? - অন্ধের পৃথিবী দেখার আক্ষাঙ্কার সমপরিমাণ। - সাহিত্য পারো,, - নাহ,, - তবে এত গোছালো কিভাবে। - জানিনা। - রাত জাগো? - হুম অনেক - কেনো? - ঘুম আসে না। - কেনো? নেশা করো? - হুম প্রবল দুই খানা চোখের নেশা। তুমি? - হুম আমিও নেশাগ্রস্ত - কিসের নেশা, - যে দুই খানা চোখের নেশা করে, আমি তার নেশায় নেশাগ্রস্ত। - মায়ায় পরেছো কখনো? - জানিনা মায়ার জ্বালা কেমন। - জানলে কি করে মায়াতে জ্বালা,, - ভালোবাসলে তো ভুলে যেতাম,, - কাকে? - কিন্তু ভুলে যাওয়ার উপায় তো নেই, - কেনো নেই? - মায়ায় পরেছি যে,, - ওহহ,, - তুমি মায়ায় পরেছো কখনো? - হুম অনেক,, - কার মায়ায়? - যে মায়ায় পরে ভুলে যেতে পারছে না তার উপর। - আচ্ছা কতটুকু মায়া লাগে না ভুলার জন্য? - মায়ার কোনো পরিমান নেই। - কেনো? - কারন, মায়া হলো অজস্র পৃথিবীর মত। - কিভাবে? - যেভাবে তুমি মায়ায় পরেছো কেবল একজনেরই। - তাতে কি? - একজনের জন্য তুমি পৃথিবীকে ভুলে গেলে, তবে কি ওই মায়া পৃথিবীর উর্দ্ধে নয়। - হুম, তবে এজন্যই এই দুই বর্ণ কেবল দুজনের মদ্ধেই কাজ করে,, - হুম কেবল দুজনেরই উপর, তবে,,,,, - তবে কি? - এমনও হয় যে যার উপর তোমার মায়া তার মায়া অন্যের উপর। - ওহ,,,, - তোমার মায়া কার উপর? - যে বলতে পারে, মায়া কি জিনিস তার উপর। - যদি একএর অধিক জন বলতে পারে তবে? - ওই যে তুমি বললে মায়া কেবল দুইজনের মধ্যেই হয়। - হুম বললাম তো, - তেমনি জার প্রতি জন্মায় তার প্রতি নিশ্বেস হয় না। - হুম,, - আর এজন্যই এক জনকে ভালোবাসার পর অন্যজনের উপর জানার ইচ্ছাও থাকে না। - হুম ঠিকই বলেছো, - আচ্ছা মায়া আর ভালোবাসা কি এক,, - না, একই না, - কিভাবে? - ভালোবাসলে ভুলে যাওয়া যায়। - আর মায়া? - মায়ায় পরলে শেষ নিশ্বাসেও মনে রয়। - আমায় রাখবে? - কোথায়? - তোমার শেষ নিশ্বাসে। - থাকতে চাও,, - হুম,, - কেনো থাকতে চাও? - মায়ায় পরেছি তাই, - কবে? - তুমি যেমন বললে মায়ার পরিমান নেই। - হুম বলেছি। - ঠিক তেমনি এর কোনো নির্ধারিত সময়কালও নেই। - তাহলে মানলাম? - কী? - তোমায় আমার শেষ নিশ্বাসে রাখতে। - অনুগ্রহে রাখলে ? - নাতো,, - তাহলে? - মায়ার টানে, - এত মায়া, - অনেক যার কোনো পরিমান নেই। - হাতটা ধরবে? - কেনো? - নজরুল সঙ্গিন শুনতাম। - কোনটা,,? - "শুকনো পাতার নুপুর পায়ে " - ওহ,, - এবার তো হাত খানা ধর! - হুম ধরছি,, - এবার ঠিক আছে,, - এতো চেপে ধরলে যে,, - মায়ার মানুষকে হারাতে চাই না। - তাই বলে অধিকার দেখাচ্ছো, - হুম জনাব, - আচ্ছা জনাবা আপনার হুকুম জারি রাখিয়া ত্রীব্র এই বৃস্টির জলের শব্দের সাথে আপনাকে আকরে ধরলাম। - ছারবে নাতো? - না, - কতক্ষন অব্দি? - যতক্ষন না এই মহাবিশ্বের শেষ মুহুর্তে আমায় দার করানো হয়। - হুম এটিই তবে মায়া,, - হ্যাঁ এটাই মায়া। Join ~ @Link_Trees 🌿

  • বৃষ্টি মুখরীত সন্ধ্যা - আমির এই বর্ষায় !!! আজ এই বৃষ্টি মুখর সন্ধায় তুমি আমি দু জনায় চলো ঘাস হয়ে যায়। বৃষ্টির পানিতে, ডুবে যাবো দুজনে শ্যামল মেয়ের কমল পায়ে হেঁটে চলে যায়। কি যে করি এই সন্ধায় !!! বৃষ্টির ঘোলাটে আকাশে মেঘের গর্জনে নির্ভয়ে সাদা বক হয়ে যায়। ভেজা বাতাসে, ডানার ঝাপটায় মেঘের সিমানার খোঁজে পাল্লা দিয়ে যায়। এই মধুর ক্ষনে!!! বৃষ্টস্নাত ঝিলে খুব করে ডুবে তুমি আমি হাঁস হয়ে যায়। আমনের বিলে, ধানের শীরের নিচে পানিতে গা ভাসিয়ে ভিন গ্রামে ভেসে চলে যায়। বৃষ্টি মুখরিত সন্ধায়!! শ্যমা মেয়ের ভিরু চোখের তারায় হাতের কদম ফুলে ধরা খাওয়া চোর হয়ে যায়। বৃষ্টির শব্দে, বিরহী মনে কবিতার পাতায় না বলা প্রিয়ার মুখের ভাষা হয়ে যায় । Join ~ @Link_Trees 🌿