বিতর্কিত আলো
Статистикаhttps://www.facebook.com/Bitorkitoalo?mibextid=LQQJ4d
- Последний пост
- 10 мая
- Последнее чтение
- 15 авг.
- Постов за неделю
- 0
- Всего постов
- 25
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- Категория
- Новости и СМИ (по похожим)
- В каталоге с
- 13 авг.
- 1/24сутки в ленте
- —
- 1/48двое суток
- —
- 1/72трое суток
- —
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
"অস্ত্রের শক্তির চেয়ে মানবিকতা, ন্যায়বিচার ও জাতীয় ঐক্যই প্রধান শক্তি।" — তারেক রহমান.... আমরা করবো জয় আমরা-করবো জয়, আমরা করবো জয় নিশ্চয় আহা বুকের গভীর, আছে প্রত্যয়, আমরা করব জয় নিশ্চয়। আমাদের নেই ভয় আমাদের-নেই ভয়, আমাদের নেই ভয় আজ আর, আহা বুকের গভীর, আছে প্রত্যয়, আমরা করব জয় নিশ্চয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট পরিচালিত ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে একাধিক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। তাদের অভিযোগ, স্কুলে স্যার হিজাব পরিহিতদেরকে জিন্স ও টপসে দেখতে চান। এছাড়াও উনি স্কুল ক্যাম্পাসে ছেলে আর মেয়ে শিক্ষার্থী একসঙ্গে কথা বললে ভিডিও করে রাখেন। পরে সেটি অধ্যক্ষ ও তাদের বাবা-মাকে পাঠাবেন বলে হু মকিও দেন। অভিযুক্ত ওই শিক্ষকের নাম বরুণ কুমার সাহা। তিনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। জানা গেছে, শিক্ষক বরুণ কুমার সাহা অনেক দিন ধরে স্কুলের ছাত্রীদের সঙ্গে আপত্তিকর আচরণ করে আসছেন। শুরুতে বিষয়টি নিয়ে মুখ না খুললেও আজ রবিবার (মে১০) দুপুরে স্কুলে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন একাধিক ভুক্তভোগী ছাত্রী। তারা অভিযোগ করে বলেন, ‘বরুণ কুমার সাহা সিনিয়র টিচার হওয়ার কারণে প্রায়ই তিনি ক্লাসে আগের ব্যাচের শিক্ষার্থীদের কথা বলেন। তখন নাকি তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্র্যাক্টিকাল ক্লাস করতে গিয়ে একজন শিক্ষার্থী তার হাত বেধে দেয়। তিনি ক্লাসে এসে আমাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, সাদিয়ার কাছ থেকেও আমি এটা আশা করি। একজন টিচার কীভাবে এসব কথা বলেন?’ হিজাব পরিহিত এক ছাত্রী বলেন, ‘একদিন আমাকে তিনি বলেন তার প্রাক্তন শিক্ষার্থীরদের সঙ্গে নাকি তিনি ওয়েস্টার্ণ ড্রেস নিয়ে কথা বলতেন। তিনি আমাকে বলেন তুমি ২০ বছর পরে টপ আর জিন্স পড়ে আসলে আমি তোমাকে চিনতেই পারবো না। একজন শিক্ষকের মুখে কী এসব কথা মানায়? আমি তখন প্রশাসনকে জানাই বিষয়গুলো। তখন তারা আমাকে জানায় তারা এসব ঘটনা তদন্তে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছি।’ ওই শিক্ষার্থী আরও জানান, ‘আমি এরপর প্রতিদিন গিয়ে জিজ্ঞেস করতাম যে স্যার/ম্যাম বরুণ স্যারের ব্যাপারে কোনো তথ্য আছে কিনা। তখন তারা আমাকে জানায় তদন্ত কমিটিতে যেসকল শিক্ষক আছেন তারা এখন বাইরে। তারা আসলে দেন তদন্ত চলবে- এই দোহায় তারা দিচ্ছিল।‘ আরেক নারী শিক্ষার্থী অভিযোগ করেন, তিনি (বরুণ স্যার) ক্লাসে খারাপ ব্যবহার করেন, কুরুচিপূর্ণ ইঙ্গিত দিয়ে কথা বলেন। যা আমাদের কাছে অনেক খারাপ লাগে। ওনি কোনো ছেলে আর মেয়ে কথা বলতে দেখলেই সেটাকে প্রেমের সম্পর্ক টানেন। কাউকে যদি বাহিরে দেখে কথা বলতে তাহলে ওনি সেটি ভিডিও করেন। ভিডিও করে বলে সেটা ওনি প্রিন্সিপালের কাছে দেবে। গার্ডিয়ানকে দেবে বলে থ্রেট দিয়েছে ও ব্ল্যাকমেইলও করেছে। অপর শিক্ষার্থীরও একই অভিযোগ। তিনি জানান, ‘একদিন অফ পিরিয়ডে আমরা খেলছিলাম। আমি আমার ছেলে বন্ধুর পেছনে দৌড়াচ্ছিলাম। সেটা ওনি (বরুণ কুমার সাহা) ভিডিও ধারণ করে করেছেন। পরে আমাকে একা ডেকে তিনি এই ভিডিও আমার বাবা-মাকে পাঠাবেন বলে হুমকি দেন। এছাড়া তিনি প্রায়শই আমাকে ইঙ্গিতপূর্ণ কথা বলতেন।’
видео или голосовое, без подписи
স্ত্রীর সঙ্গে প রকীয়া করায় প্রেমিককে হ ত্যা করে ঘরের নিচেই ঢালাই করেছে স্বামী.....
তারেক রহমানের সাথে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাত🫶🤝
“যেখানেই তুমি (কাট মোল্লা) মুসলিম দেখবে, সেখানেই কেচি বের করো—বলবে সম্পূর্ণ পু রু ষা ঙ্গ কে’টে দেবো। জায়গায় জায়গায় শুয়োরের দোকান খোলা শুরু করো।” এমন ভয়ংকর উসকানিমূলক বক্তব্যই প্রকাশ্যে দিচ্ছে বিজেপির নারী নেত্রী—পুলিশের উপস্থিতিতে, হাজারো উন্মত্ত জনতার উৎসাহে। আর মজার বিষয় হলো, আমাদের দেশের কিছু সুশীল সংখ্যালঘু এসব সাম্প্রদায়িকতা আর ঘৃণার প্রকাশ্য বক্তব্য কখনো দেখে না। মুসলিমদের বিরুদ্ধে বিষোদগার হলে তারা নীরব থাকে, কিন্তু বাংলাদেশে তাদের নিয়ে সামান্য কিছু হলেই “সংখ্যালঘু কার্ড” খেলতে শুরু করে। -ইফতেখার বিন রশিদ
মহিউদ্দিন নামক রামের ছানাটি সারাদিন ফেইসবুকে এসে অসাম্প্রদায়িক চেতনা কপচায়৷ অথচ শুভেন্দুর মতো সাম্প্রদায়িক একটা দানবের প্রশংসা শুনে লেজ নাড়তে নাড়তে শুভেন্দুর পদলেহন করে প্রভুভক্তি প্রকাশ করছে। ভারত যার প্রশংসা করবে নিঃসন্দেহে সে বাংলাদেশের জন্য ক্ষতিকর। ওর মতো আরো কয়েকটা দেশদ্রোহী আছে অনলাইনে ভারতের পক্ষে দালালী করে। কাগজ-কলমে মুরতাদ মহিউদ্দিনদের পিতা মুসলমান হলেও বায়োলজিকালি এদের বাবা কোনো হিন্দু। অবৈধ পরকীয়ার ফসল। ভারতীয় বীর্য থেকে জন্ম। নয়তো লাজ শরমের মাথা খেয়ে আহ্লাদে এমন গদগদ হতো না। কারণ, ভারতের হিন্দুরাও জানে মোদি, অমিত, যোগী, শুভেন্দুরা একেকটা ক সা ই। মোদির ঘেঁটুপুত্র মহিউদ্দিনদের অসাম্প্রদায়িকতা মানে ইসলামবিদ্বেষ ও হিন্দুদের ধুতির নিচে মাথা গুঁজে আকাটা লি ঙ্গ কে সাষ্টাঙ্গ প্রণাম করা। ভারত থেকে এদের জীবিকা আসে ইসলামের বিরুদ্ধে ঘৃণা উৎপাদন করে। এরা ভারতীয় রাজাকার। আমরা সারাদিন 'র'-এর এজেন্ট খুঁজি। 'র'-এর এজেন্ট তো নিজে এসে নিজের পরিচয় দেবে না; কাজ দেখে বুঝে নিতে হবে। এই বাটপার মহিউদ্দিনরাই ভারতীয় এজেন্ট। ভারতের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে এরা একটা শব্দও উচ্চারণ করেনি কখনো। অথচ দেশপ্রেমিক ভাব দোচাবে, বাঙালী সংস্কৃতি নিয়ে হ্যা** ভরা চেতনা মারাবে। এসব দূর্বৃত্তরা লেখক ছদ্মবেশে ভারতের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে। বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের স্বার্থবিরোধী, রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। ভারত মহিউদ্দিনদের দিয়ে ফ্যাসিবাদের চাষাবাদ করায়। হাসিনাকে ফ্যাসিস্ট ও খু'নি বানিয়েছিল এই মুরতাদ মহিউদ্দিনরা। এরা যতদিন বাংলাদেশে টিকে থাকবে, ততদিন হাসিনার মতো খু নি ও ফ্যাসিস্ট তৈরি হতে থাকবে। এদেরকে কঠোর হাতে দমন করতে হবে। -করিম শাওন
видео или голосовое, без подписи
সীমান্ত বাঁচাতে চাইলে ঘাস খেয়ে হলেও অ'স্ত্র বানাও বাংলাদেশ: শহীদ উসমান হাদী
ভারতীয় বিএসএফের বিপরীতে বীরত্বপূর্ণ বাংলাদেশ বিজিবি বিএসএফ গু লি করে আমাদের ভাইদের মারে, আর আমাদের বিজিবি তাদেরকে কুড়াইয়া আনে। আজ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্তে ভারতীয় বিএসএফের গু লিতে দুই বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহতও হয়েছেন। চিন্তা করেন, এই ঘটনা যদি পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী এলাকায় ঘটত, কী হইত? এটাই তাদের ও আমাদের মধ্যে পার্থক্য।
জুলাই আন্দোলনের প্রথম শহীদ রবীন্দ্রনাথ। (খুব শীগ্রই এই কথা বলতে পারে) বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ মোঃ নূরুল ইসলাম বলেন, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথের কবিতা আমাদের প্রেরণার উৎস। তাঁর কবিতায় উদ্বুদ্ধ হয়ে বাংলাদেশের জনগণ বিগত ১৭ বছর লড়াই-সংগ্রাম করে দেশকে স্বৈরাচারমুক্ত করেছে।
২/৩ মাসের প্রেগনেন্সি গোপন করেই বিয়ে বসেছিলো বাচ্চার মা। পরবর্তীতে বাচ্চা হওয়ার পর মা এবং মায়ের নতুন স্বামী (বাচ্চার বাবা নয়) দুজনে মিলে গলায় ব্লে'ড দিয়ে জ'বা ই করে পাশের পুকুরে ফেলে দেয়। পুলিশ দুজনকেই গ্রেফতার করছে.....
২/৩ মাসের প্রেগনেন্সি গোপন করেই বিয়ে বসেছিলো বাচ্চার মা। পরবর্তীতে বাচ্চা হওয়ার পর মা এবং মায়ের নতুন স্বামী (বাচ্চার বাবা নয়) দুজনে মিলে গলায় ব্লে'ড দিয়ে জ'বা ই করে পাশের পুকুরে ফেলে দেয়। পুলিশ দুজনকেই গ্রেফতার করছে.....
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи