Cover বাংলা (আপডেট)
Статистикаসাহস ও সত্য ন্যায়ের সাথে সবার আগে,সবার কাছে সংবাদ পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা।
- Последний пост
- 19 апр.
- Последнее чтение
- 13 авг.
- Постов за неделю
- 0
- Всего постов
- 27
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- В каталоге с
- 13 авг.
- 1/24сутки в ленте
- —
- 1/48двое суток
- —
- 1/72трое суток
- —
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
- অ্যামেরিকার স্থল বাহিনী যখন ইরানের কোন দ্বীপে ঘাঁটি তৈরি করা শেষ করবে। তখনই ইরান আঘাত করবে নিজদের ড্রোন এবং মি*সাইল দিয়ে। ইরান ২০ বছর ধরে এর প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে। অর্থাৎ তেল না, ইরানিরা অ্যামেরিকায় বডি ব্যাগ পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। যুদ্ধ বিরতি শেষ হতে আর দুই দিন আছে। এরপর আমরা যুদ্ধে ফিরে যাব নাকি আলোচনার মাধ্যমে যুদ্ধ বিরতি আরও বাড়বে। এটা বলা মুশকিল। তবে হরমুজ এত তাড়াতাড়ি খুলবে না। বাংলাদেশের মত দরিদ্র দেশগুলোর তেল-গ্যাস পেতেই সমস্যা হয়ে যাবে। তেল-গ্যাসের দাম বেড়ে যাবে। বাংলাদেশে মনে হয় আজকে বাড়িয়েছে। এতে দেশগুলো অ্যামেরিকার উপর ক্ষেপে যাবে এবং যাচ্ছেও। কারন ওরাই এর জন্য দায়ী। তবে সাম্রাজ্যবাদী অ্যামেরিকার প্রভাব আপাতত আর মধ্যপ্রাচ্যে নাই। প্রায় বিলীন হবার পথে। কেউই এখন আর ওদের কথা শুনছে না। এমনকি ওদের মিত্র দেশ কাতারের এক মন্ত্রী আজ বলেছেন - ট্রা*ম্পের উচিত ভদ্র ভাবে কথা বলা। ইরান একটা স্বাধীন দেশ। একটা স্বাধীন দেশকে নিয়ে যেভাবে বাজে মন্তব্য করে যাচ্ছে, সেটা শোভন নয়। এই যুদ্ধ যখনই শেষ হোক। নিশ্চিত ভাবে জেনে রাখেন- পৃথিবী আর কোন দিন আগের অর্ডারে ফেরত যাবে না। অ্যামেরিকার প্রভাবমুক্ত পৃথিবীই আমরা আস্তে আস্তে দেখতে পাব। দেশগুলো বুঝে গেছে- অ্যামেরিকাই যত সমস্যার মূল। আমার কি ধারণা জানেন? - The world is heading From a unipolar world to a multipolar world অর্থাৎ পৃথিবী একক শক্তিকেন্দ্রিক অবস্থা থেকে বহু শক্তিকেন্দ্রিক অবস্থার দিকে যাচ্ছে। মূল বিষয় হচ্ছে- অ্যামেরিকার একক শক্তি আর থাকবে না। আমরা পৃথিবীর একেক জায়গায় একেক রকম দেশের শক্তির ভারসাম্য দেখতে পাবো। যেমন-ইরান মধ্যপ্রাচ্যে মূল শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হবে।
গতকাল যা লিখেছিলাম, ঠিক সেটাই আজ হয়েছে। ইরান আজ ঘোষণা দিয়ে বলেছে - আমরা হরমুজ প্রণালি আবার বন্ধ করে দিলাম। যেহেতু অ্যামেরিকা অবরোধ চালু রেখেছে, তাই ইরান ঘোষণা দিয়ে আবার হরমুজ বন্ধ করে দিয়েছে। লাইভ ট্র্যাকিং থেকে দেখা যাচ্ছে- এই মুহূর্তে কোন জাহাজ আর হরমুজের দিকে যাচ্ছে না। সবাই আবার যার যার জায়গায় ফিরে যাচ্ছে। তবে আজকে ভারতীয় একটা জাহাজ যাবার চেষ্টা করেছিলো। ইরানি নেভির দুটো স্পিড-বোট থেকে ওই জাহাজে গু*লি করা হয়। এরপর জাহাজটি আবার নিজের জায়গায় ফিরে গেছে। প্রথমে জাহাজের নাবিকরা বলেছিল - ইরানের নেভি আমাদেরকে কোন সতর্ক বার্তা পাঠায় নাই। এরপর ভারতে থাকা ইরানের রাষ্ট্রদুতকে ভারত ডেকে পাঠিয়েছে। এর ঠিক পর পরই ইরানের নেভি একটা অডিও বার্তা পোস্ট করেছে। আল-জাজিরা কিছুক্ষণ আগে সেটা প্রচার করেছে। সেখানে পরিষ্কার শুনা যাচ্ছে ইরানের নেভির একজন বলছে - স্যার, আপনি যেতে পারবেন না। ফিরে যান আগের জায়গায়। ভারতের জাহাজ থেকে বলা হয়েছে - ঠিক আছে আমরা ফিরে যাচ্ছি। এরপর ফিরে না যাওাতে হয়ত গু*লি ছোড়া হয়েছে। এখন আপনি প্রশ্ন করতে পারেন - ইরানের নেভি ওই জাহাজে ড্রোন কিংবা মি*সাইল না মেরে গু*লি ছুরলো কেন? ব্রিটিশ টেলিভিশন স্কাই নিউজের সামরিক বিশেষজ্ঞ শন বেল আজ বলেছেন - ইরানিরা এখন পর্যন্ত এই যুদ্ধে আগ বাড়িয়ে কোন হামলা কাউকে করেনি। এখানেও ওরা হামলা করতে চায়নি। স্রেফ নিজেদের শক্তিটা দেখাতে চেয়েছে গু*লি ছুড়ে। এরপর তিনি বলেছেন - It is all about power play (অর্থাৎ সব কিছুই ক্ষমতার লড়াই) যেহেতু গতকাল ট্রা*ম্প ৭ বার পোস্ট করে নানন সব কথা লিখেছে। সে বলেছে- ইরান আজীবনের জন্য হরমুজ খুলে দিয়েছে, ইরান সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম দিয়ে দিবে, ইরানের আর্মি-নেভি কিছু নাই ইত্যাদি আরও অনেক কিছু। সেই সাথে তো বলেছেই- অ্যামেরিকার অবরোধ চলবে। তাই ইরান আজ ওদের শক্তি দেখিয়ে দিয়েছে। ইরানের যদি কোন নেভি নাই থাকে; তাহলে আজকে স্পিড-বোট আসলো কই থেকে আর গু*লিই বা করলো কীভাবে? এদিকে ইরানের ডেপুটি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আজ বলেছেন - ট্রা*ম্প বেশি কথা বলে। সে যা বলে সবই মিথ্যা বলে। তাঁর সাথে আলোচনা কীভাবে করবো বুঝতে পারছি না। অ্যামেরিকার মানুষজনে উচিত ট্রা*ম্পকে নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া। আজ অবশ্য ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নতুন খামেনি একটা পোস্ট করে লিখেছেন - ইরান অ্যামেরিকাকে হরমুজে শিক্ষা দেবার জন্য প্রস্তুত আছে। অ্যামেরিকার সংবাদ মাধ্যম সিএনএন আজ একটা বিতর্কের আয়োজন করেছে। যার বিষয় হচ্ছে - Is T*rump hyping a nonexistent deal with Iran? ( অর্থাৎ ট্রা*ম্প কি ইরানের সঙ্গে অস্তিত্বহীন কোনো চুক্তি নিয়ে বাড়াবাড়ি করে প্রচার করছে?) এরপর আলোচকরা সবাই প্রায় একমত হয়েছে- অ্যামেরিকার প্রেসিডেন্টের চাইতে ইরানের কাছ থেকে যেই বার্তা আসছে; সেটাই বেশি বিশ্বাসযোগ্য। আর ইরান আজ পরিষ্কার করে বলে দিয়েছে - হরমুজ আমাদের কন্ট্রোলেই থাকবে। অর্থাৎ ওদেরকে টাকা না দিয়ে কেউ পার হতে পারবে না। ওদের অনুমতি ছাড়াও পার হতে পারবে না। এছাড়া ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেছেন - আমরা সমৃদ্ধ ইউরনিয়াম অ্যামেরিকাকে দেয়ার ব্যাপারে রাজি হই নাই। এমনকি কোন আলোচনা করতেও আমরা রাজি হই নাই। ট্রা*ম্প যে ৭টা পোস্ট করেছে, সবগুলো মিথ্যা! আমরা স্রেফ একটা আলোচনা করার ফ্রেমওয়ার্ক দিয়েছি। আমরা আলোচনা করতেও যাব না , যদি না অ্যামেরিকা এই ফ্রেমওয়ার্কে রাজি হয়। এই যখন অবস্থা তখন ট্রা*ম্প এসে কিছুক্ষণ আগে বলেছে - Iran cannot blackmail us ( অর্থাৎ ইরান আমাদের চাপ দিয়ে কিছু আদায় করতে পারবে না।) এটা বলার পর পরই আবার বলেছে - আলোচনা চলছে। আমরা নতুন প্রস্তাব পাঠিয়েছি। ইরান থেকে কিছুক্ষণ আগে জানানো হয়েছে - আমরা নতুন প্রস্তাব পেয়েছি। বিবেচনা করে দেখছি। তাহলে কি বুঝা গেলো? যুদ্ধের টার্মগুলো কে ঠিক করছে? ইরানই এই যুদ্ধের টার্ম ঠিক করছে। তবে দেখেশুনে মনে হচ্ছে ইরন নিজেদের দাবির এক চুলও ছাড় দিবে না। আর অ্যামেরিকাও মনে হয় না মানবে। ঠিক যেমনটা অ্যামেরিকান অধ্যাপক পেপ বলেছেন -আমরা যুদ্ধ বিরতির পর আবার নিশ্চিত ভাবেই যুদ্ধে ফিরে যাচ্ছি। তিনি একটা মডেল দাঁড় করিয়েছেন। তাঁর মডেল অনুযায়ী নিশ্চিত ভাবেই সেকেন্ড রাউন্ড যুদ্ধ হবে। তবে আমি এতটা নিশ্চিত নই। ম্যানিয়াক ট্রা*ম্প আবার যে কোন মুহূর্তে লেজ গুটিয়ে পালাতেও পারে। কিন্তু পালানোর আগে যে ইরানে বড় রকম হামলা করবে না, এর তো কোন গ্যারান্টি নাই। এদিকে তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মারান্ডিও আজ বলেছেন - আমরা আসলে আরেকটা যুদ্ধের দিকেই যাচ্ছি। এরপর তিনি বলেছেন - প্রথমে অ্যামেরিকা বিমান দিয়ে হামলা করবে। পরবর্তীতে স্থল অভিযান হবে। এরপর ইরানের দুই একটা দ্বীপ দখলেও নিয়ে নেবে অ্যামেরিকা। ইরান এটা ইচ্ছে করেই করবে। এরপর অ্যামেরিকার মিডিয়ায় দেখানো হবে- অ্যামেরিকা জিতে গেছে ইত্যাদি। সব শেষে তিনি যেটা বলেছেন, সেটা হচ্ছে
চিন্তা করে দেখেন- জার্মানির প্রেসিডেন্ট এই কথা বলছে! এই যুদ্ধে ইরানের অনেক ক্ষতি হচ্ছে। তবে পৃথিবীতে থাকা সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী মানুষগুলোর জন্য ইরান একাই লড়ে যাচ্ছে। চাইনিজ অধ্যাপক জেং যেমনটা ২০২৫ সালেই বলে রেখেছিলেন- ইরানেই সাম্রাজ্যবাদী অ্যামেরিকার পতন ঘটবে আর সেই পতনটা হবে ট্রা*ম্পের হাত ধরেই।
আজ ইরানে একটা বাঙ্কার বাস্টার বো*ম ফেলা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে ইরাণের একটা অস্ত্র ভাণ্ডারে এই বো*ম ফেলা হয়েছে। অ্যামেরিকার নিজের কাছেই এই বো*ম অনেক কম আছে। তাছাড়া আজ হরমুজ প্রণালির কেশম দ্বীপের পানি শোধানাগারটি ধংস করে দিয়েছে অ্যামেরিকা। অর্থাৎ তাঁরা চাইছে এই দ্বিপে থাকা মানুষজন পানির অভাবে অন্য জায়গায় চলে যাক । যাতে খুব সহজেই অ্যামেরিকা এই দ্বীপটি দখলে নিতে পারে। কলোম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জেফ্রি সাক্স কিছুক্ষণ আগে বলেছেন - ট্রাম্প মনে হয় মানসিক রোগে আক্রান্ত হয়েছে। ওর চিকিৎসা দরকার। সে বুঝতে পারছে না-হাজারাটা না, লাখ লাখ বো*মা মেরেও ইরানকে ধ্বংস করা যাবে না। ইরান কোন সাধারণ দেশ না। ৩০ দিন এক নাগাড়ে বো*মা মেরেও ইরানের মিসাইল ক্ষমতা যারা কমাতে পারেনি। তাঁরা ৩০ বছরেও ইরান দখলে নিতে পারবে না। এর সত্যতা পাওয়া যাচ্ছে ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যমে রয়েটার্সের আজকের একটা রিপোর্টে। সেখানে বলা হচ্ছে - ট্রা*ম্প তাঁর সহযোগীদের এর মাঝেই জানিয়েছে যে, হরমুজ প্রণালি খুলে দেয়ার জন্য যদি কোন মিশন চালানো হয়। তাহলে চার থেকে ছয় সপ্তাহের যে টাইম ফ্রেমের কথা যুদ্ধ শুরু হবার পর ট্রা*ম্প বলেছিল- মানে এই সময়ের মাঝে যুদ্ধ শেষ হবে। এর চাইতে অনেক বেশি সময় লেগে যাবে। এর মাঝেই তো পাঁচ সপ্তাহ শেষ হবার পথে! অর্থাৎ ট্রাম্প নিজেও জানে হরমুজ প্রণালি খোলার মিশনে গেলে ইরানে সে আটকা পড়বে। তাহলে কি ট্রা*ম্প ইরানের শর্ত মেনে নেবে? আজ আবার আল-জাজিরা একটা খবর প্রকাশ করে লিখেছে - ইরান যুদ্ধের ব্যয় আরব দেশগুলোর কাছ থেকে নেয়ার কথা ভাবছেন ট্রা*ম্প। মানেটা কী? এর মানে কি আরবরাও এই যুদ্ধ করছে অ্যামেরিকার সাথে? নাকি ট্রা*ম্প বলতে চাইছে - আরবরা ইরানকে ক্ষতিপূরণ দেবে! যেহেতু ইরান ক্ষতিপূরণ ছাড়া যুদ্ধ থামাবে না বলেই রেখেছে। তাই ট্রা*ম্প বুঝতে পারছে না, এই ক্ষতিপূরণটা সে কীভাবে দেবে ! এদিকে ইতালি আজ জানিয়ে দিয়েছে - সিসিলিতে থাকা ঘাঁটি অ্যামেরিকাকে ব্যবহার করতে দেয়া হবে না। এমন অবস্থায় অ্যামেরিকার পক্ষে একা কি ইরানে স্থল অভিজান চালানো সম্ভব হবে? সিএনএন বলছে - অ্যামেরিকায় গ্যাসের দাম গ্যালন প্রতি আজ ৪ ডলার হয়ে গেছে! ২০২২ সালে ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হবার পর এত দাম এর আগে আর হয়নি। এমনকি ট্রা*ম্পের আগের মেয়াদেও কখনো গ্যাসের দাম ৪ ডলার হয়নি। তাহলে ঘণ্টা দুয়েক আগে যে ট্রা*ম্প পোস্ট করে ইংল্যান্ড আর ইউরোপের দেশগুলোকে উপহাস করে বলছিল- হরমুজ প্রণালি নিজেরাই খুলে তেল নিয়ে আসুক! এখন তো নিজের দেশের গ্যাসের দামই কমে রাখতে পারছে না। অর্থাৎ ট্রা*ম্পের কথা কিংবা পোস্টে এখন আর কাজ হচ্ছে না। গত সপ্তাহেও ওর এক পোস্টে দাম কমে গিয়েছিল। এখন দাম বেড়ে চলেছে। অ্যামেরিকার এই ম্যানিয়াক প্রেসিডেন্ট সাধারণ ডিম্যান্ড-সাপ্লাই তত্ত্বটাও মনে হয় জানে না। মুক্ত বাজার অর্থনীতিতে সাপ্লাই যদি কমে যায়; কোম্পানিগুলো বেশি দামেই বিক্রি করবে। সেটা অ্যামেরিকার কাস্টমারদের জন্যও একই হবে। কোম্পানিগুলো তো আর দাম কমিয়ে রাখবেন না। সে যদি অন্যদের কাছে বেশি দামে বিক্রি করতে পারে। তাহলে কেন কম দামে বেচবে? এই অবস্থায় যদি ইরানে স্থল অভিজান শুরু করে। অ্যামেরিকা সহ পুরো পৃথিবীতে তেল -গ্যাসের দাম বেড়ে যাবে। অর্থনীতিবিদ জেফ্রি সাক্স কিছুক্ষণ আগে বলেছেন - অ্যামেরিকা ইরানে স্থল মিশন শুরু করা মানেই সেখানে আটকা পড়া। আর আটকা পড়া মানেই আফ্রিকা এবং দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মানুষ আর স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবে না। কারন তেল-গ্যাস; ফার্টিলাইজারের অভাবে দরিদ্র দেশগুলোর অর্থনীতি ভেঙে পড়তে পারে। এরপর তিনি বলেছেন - ইউরোপেও এর ভয়ানক প্রভাব পড়বে। সরকারগুলো টিকে থাকতে পারবে না। এতে করে এই দেশগুলো অ্যামেরিকার বলয় থেকে সম্পূর্ণ বের হয়ে যাবে। আমি নিজেই আজ সেটা টের পেয়েছি। আমার অনেক সহকর্মী যারা এতদিন অ্যামেরিকার প্রশংসা করতো। তাঁরা এখন অ্যামেরিকার বিরুদ্ধে কথা বলা শুরু করেছে। আজকেই একজন বলেছে আমাকে- ইউরোপের উচিত অ্যামেরিকাকে ভুলে যাওয়া! অর্থাৎ দ্রুতই একটা নতুন ওয়ার্ল্ড অর্ডার দেখা যাবে। যেখানে চায়না, রাশিয়া, আফ্রিকা এবং দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো মিলে আলাদা একটা অর্ডার তৈরি করবে। ধারণা ইরানে যদি অ্যামেরিকা স্থল অভিজান শুরু নাও করে। ইরানের শর্ত মেনে নিয়ে যদি লেজ গুটিয়ে পালায় । তবুও পৃথিবী এই নতুন অর্ডারের দিকেই ধাবিত হবে। ইরান যুদ্ধের পর অ্যামেরিকাকে আর কেউ বিশ্বাস কবে না। দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের পর অ্যামেরিকার সব চাইতে কাছের বন্ধু হিসেবে দেখা হয় জার্মানিকে। সেখানে অ্যামেরিকার ঘাঁটি পর্যন্ত আছে। সেই জার্মানির বর্তমান প্রেসিডেন্ট তাঁদের সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছে - যুদ্ধের আগে হরমুজ প্রণালি খোলা ছিল। আমাদের জাহাজগুলো দিব্যি যাতায়াত করছিল। ইরান তো কোন সমস্যা করেনি। এখন বন্ধ কেন? অ্যামেরিকার অবৈধ যুদ্ধের জন্য। হরমুজ প্রণালি যদি খুলতেই হয়। অ্যামেরিকার উচিত এখনই যুদ্ধ বন্ধ করা।
ট্রা*ম্প কিছুক্ষণ আগে নিজের সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে লিখেছে - যেসব দেশ জেট-ফুয়েল পাচ্ছে না হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকার কারণে। যারা আমাদের সাথে ইরান যুদ্ধে যোগ দিতে চায় নাই; যেমন যুক্তরাজ্য; তাঁদের জন্য আমার দুটো পরামর্শ- এক, অ্যামেরিকার কাছ থেকে কিনতে পারো। আমাদের অনেক আছে। দুই, নিজেরা গিয়ে সাহস করে হরমুজ প্রণালি দখলে নাও। এরপর সে বলেছে - তোমাদের শিখতে হবে কীভাবে যুদ্ধ করে বেঁচে থাকতে হয়। আমরা তোমাদেরকে আর সাহায্য করবো না। যেমনটা তোমরা আমাদের করো নাই। সব শেষে সে বলেছে - ইরানকে আমারা ধ্বংস করে দিয়েছি। কঠিন কাজটা আমরা করে ফেলেছি। এখন তোমরা হরমুজে গিয়ে নিজেদের তেল নিয়ে আসো। যাদের ল্যাংগুয়েজ ডিসকোর্স সম্পর্কে (ভাষা বিশ্লেষণের) ধারণা আছে; যে কেউ বুঝবে- ট্রা*ম্প হতাশা থেকে এই পোস্ট করছে । ব্রিটিশ অধ্যাপক মাইকেল ক্লার্ক এই পোস্ট দেয়ার সঙ্গে সঙ্গেই স্কাই নিউজকে বলেছেন - ইংল্যান্ড এবং ইউরোপকে "সাহস" করে হরমুজ প্রণালিতে যেতে বলছে ট্রা*ম্প। এর মানে কি অ্যামেরিকা এবং ট্রা*ম্পের সেখানে যাবার সাহস নেই? তাছাড়া ট্রা*ম্প বলেছে 'ইরানকে ধ্বংস করে কঠিন কাজটা আমরা সেরে ফেলেছি" এখন প্রশ্ন হচ্ছে - কঠিন কাজটা যদি করেই থাকে; হরমুজ প্রণালি খুলে দেয়ার মত সহজ কাজটা কেন অ্যামেরিকা নিজে না করে ইংল্যান্ড আর অন্য মিত্র দেশগুলোকে করতে বলছে? সিএনএন-এর সামরিক বিশেষজ্ঞ জেনারেল মার্ক কিছুক্ষণ আগে বলেছেন - ট্রা*ম্পের এই পোস্ট একটা জলজ্যান্ত প্রমাণ যে, অ্যামেরিকা এই যুদ্ধে খেই হারিয়ে ফেলছে। আশপাশে কাউকে না পেয়ে সে এখন পাগলের প্রলাপ বকছে। এরপর তিনি বলেছেন - আপনি একটাবার চিন্তা করে দেখেন, রাশিয়া এবং চায়না চুপচাপ বসে বসে দেখছে আর ভাবছে- অ্যামেরিকা আর ইউরোপ কি করে মিত্র দেশ হয়! এদের মাঝে তো কোন মিলই নেই। আপনি যখন আপনার শত্রুর সামনে নিজেরা নিজেরা ঝগড়া করবেন । শত্রু তো বুঝেই যাবে- এরা দুর্বল। অ্যামেরিকা গত ৫০ বছরে এত দুর্বল অবস্থায় আর কখনো পড়েনি। ট্রাম্পের আজকের এই পোস্ট পরিষ্কার ভাবে জানান দিচ্ছে- মিত্র দেশগুলোর কাছ থেকে অ্যামেরিকা ইরান দখল করার ছাড়পত্র পায়নি। অর্থাৎ অ্যামেরিকার এই পরিকল্পনায় কেউই সাড়া দিচ্ছে না। এর মানে দাঁড়াচ্ছে অ্যামেরিকা এবং ই*জ*রাইলকেই ইরানে স্থল যুদ্ধ অংশ নিতে হবে। কিন্তু সেখানেও বাঁধ সেধেছে অ্যামেরিকান মিডিয়া। স্কাই নিউজের সাংবাদিক ট্রা*ম্পকে আজ জিজ্ঞেস করেছে - তুমি যে ইরানে স্থল অভিজান পরিচালনা করার পরিকল্পনা করেছো। সেখানে ই*জ*রাইলি সৈন্যরাও কি অংশ নেবে? ট্রা*ম্প একদম থমকে গিয়েছে। এরপর বলেছে - না, ওরা অংশ নেবে না। এরপর সাংবাদিক জিজ্ঞেস করেছে - কেন অংশ নেবে না? - ওদের কোন দরকার নেই। আমরা একাই পারবো। সাংবাদিক এরপর জিজ্ঞেস করেছে - অ্যামেরিকা যদি একাই পারে; তাহলে ইংল্যান্ড, ইউরোপ আর মধ্য প্রাচ্যের দেশগুলোর সাহায্য কেন তুমি বার বার চাইছো? ট্রা*ম্প এই প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে চলে গেছে। পরিষ্কার বুঝা যাচ্ছে ই*জ*রাইলি এপস্টিন ক্লাস বিলিয়নারদের কাছে ট্রা*ম্প অনেক আগেই বিক্রি হয়ে গেছে। তাছাড়া ই*জ*রাইলিদের তো মাথা খারাপ হয়েছে ইরানে স্থল যুদ্ধে যাবে! ইরানে গেলে একটাও বেঁচে ফিরতে পারবে না। সেটা ওরা খুব ভালো করেই জানে। ওরা এর মাঝে লে*বাননে ঢুকেই সুবিধা করতে পারছে না । ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যমে টেলিগ্রাফ আজ রিপোর্ট করেছে - লে*বাননে ইজ*রাইলি আর্মির সব চাইতে এলিট ফোর্স নাহাল বিগ্রেডের চার সেনা আজ নিহত হয়েছে। এর মাঝে একজন অফিসারও আছে। এই রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে - লে*বাননে স্থল অভিজান শুরুর পর থেকেই ওদের আর্মি ভালো করতে পারছে না। একাধিক সৈন্য এই রিপোর্টারকে জানিয়েছে- স্থল অভিজান চালানোর মত অবস্থায় ওরা থাকলেও জায়গা দখল করে রাখার মত অবস্থায় ই*জ*রাইলি আর্মি নেই। ই*জ*রাইলের সামরিক বাজেটেও ঘাটতি দেখা দিয়েছে। গতকাল ওদের সংসদে ১০ বিলিয়ন ডলার অতিরিক্ত বরাদ্দ করার যখন ঘোষণা করা হচ্ছিলো; ঠিক ওই মুহূর্তে ইরানের একটা মিসাইল ইজরাইলের সংসদের খুব কাছেই আঘাত হেনেছে। আঘাত হানার পর সাইরেন বেজেছে!! এবং ওদের সংসদরা তখন দৌড়ে পালিয়েছে বাঙ্কারে। এই ভিডিও এখন সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। আজও তেল আবিবের একাধিক জায়গায় সরাসরি ইরানের মিসাইল এবং ড্রোন আঘাত হেনেছে। দুবাই-কুয়েতে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শুনা গিয়েছে। অ্যামেরিকান সাবেক কর্নেল ম্যাকগ্রেগর আজ বলেছেন - ই*জ*রাইল অনেক ছোট দেশ। ইরানের ৩০ জায়গায় বো*মা মারলে ওদের যা ক্ষতি হবে। ই*জ*রাইলে একটা ইরানি মিসাইল সরাসরি আঘাত হানলে এর চাইতে অনেক বেশি ক্ষতি হবার সম্ভাবনা আছে। তবে অ্যামেরিকা একা হলেও ম্যানিয়াক ট্রা*ম্প মনে হয় হরমুজের কয়েকটা দ্বীপ দখলে নিতে চায়। কারন আরও ২০-২৫ বছর আগে থেকেই ট্রা*ম্প এটা বলে এসেছে। তাছাড়া এর কিছু লক্ষণও দেখা যাচ্ছে।
অন্যদিকে আমেরিকার হাইটেক সফিস্টিকেটেড অস্ত্র বানাতে টাকা ও সময় অনেক বেশি লাগে। যা তারা এই যুদ্ধে প্রায় অনেক বেশি খরচ করে ফেলেছে। এখন অন্যান্য দেশের জন্যে আমেরিকা একটা দুর্বল পজিশনে আছে, বিশেষ করে চীনের জন্য। চীনের অস্ত্রভাণ্ডার একদম ইনট্যাক্ট। তাদের অস্ত্র ম্যানুফ্যাকচারিং ক্যাপাসিটি হিউজ। আমেরিকার থেকে তো অবশ্যই বেশি। তাই চীন যদি তাইওয়ানের প্রতি খুব দ্রুত'ই আগ্রাসন দেখায়, তাহলে আমেরিকা আসলে চীনের বিপরীতে খুব বেশি সুবিধা করতে পারবে না। কারণ একে তো আমেরিকার অস্ত্রের মজুদ কমে এসেছে, তার ওপর অস্ত্র বানাতে তাদের অনেক বেশি সময় লাগে। অনেকেই মনে করেন আমেরিকার হাতে অস্ত্র আনলিমিটেড আছে। কিন্তু বিশ্বের বড় বড় বিশ্লেষকরা এটা মনে করেন না। কারণ—কিছু সাইন দেখলেই বোঝা যায় অবস্থা। আমেরিকা অলরেডি ইরানে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ব্যবহৃত বোমা ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এরপর আমেরিকা তাদের ওয়েপন ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানিগুলোকে অন্যান্য দেশ থেকে অর্ডার নিতে নিষেধ করেছে। এছাড়া ও বড় বড় মিসাইল, হাইটেক সফিস্টিকেটেড অস্ত্র বানাতে কাঁচামাল লাগে, যা চীন থেকে আসে। চীন অলরেডি কাঁচামালের সাপ্লাই কমিয়ে দিয়েছে। এছাড়া ও এই যুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যের ক্ষয়ক্ষতির হিসাব বাদই দিলাম, যদিও তারা আমেরিকার অ্যালাই। হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় গোটা পৃথিবীর ইকোনমিকে রিসেশনের পর্যায়ে নিয়ে গেছে আমেরিকা। যা শক্তি প্রয়োগ করে আমেরিকার পক্ষে খোলা সম্ভবও হচ্ছে না। ট্রাম্প এখন চীনের কাছে সাহায্য চাচ্ছে, চীন যাতে তাদের যুদ্ধজাহাজ নিয়ে এসে হরমুজ প্রণালী খুলে দেয়। যা আসলেই হাস্যকর। 😄 এই যুদ্ধে এখন পর্যন্ত আমেরিকা কোমড় ভাঙা অবস্থায় আছে। তাই ট্রাম্প যুদ্ধ বন্ধ করার জন্যে হাঁসফাঁস করছে। অন্যদিকে ইরান বিজয়ী অবস্থানে আছে বলেই তারা শর্ত দিয়ে রেখেছে, ক্ষতিপূরণ দাবি করে বসে আছে। যুদ্ধ বন্ধ করতে হলে ক্ষতিপূরণ দাও, নয়তো যুদ্ধ চলতেই থাকবে। যত বেশি ক্ষতি করবে, তত বেশি ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। অনেকেই মনে করেন যে, তাতে কি হয়েছে, আমেরিকা ইচ্ছে মত ডলার ছাপিয়ে ফেলবে। ইচ্ছেমত ডলার ছাপালে ডলারের মান কমবে। ডলারের জন্যে সবচেয়ে বড় বিপদ তৈরী করেছে ইরান এই যুদ্ধে। তারা চীনা মুদ্রায় ট্রেড করা জাহাজ গুলোকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে যেতে দেবে৷ এটা স্পষ্ট ইংগিত ডি-ডলারাইজেশনের দিকে। আর যদি এটা হয়, তাহলে আমেরিকার পতন নিশ্চিত। আমেরিকার এই পতনের সুযোগ চীন আর রাশিয়া তো কখোনই হারাতে চাইবে না। বিশ্ব এখন তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে। হয়ত নিউক্লিয়ার যুদ্ধের ও। ট্রাম্প বুঝতে পেরেছে ইরানে অ্যাটাক করা তারা জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল ছিলো। তাই যুদ্ধ বন্ধ করতে হাঁসফাঁস করছে।
ইরানের সাথে যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ইরানের চাইতে কমপক্ষে ২০ গুণ বেশি ক্ষতির শিকার হয়েছে আমেরিকা ও ইসরায়েল। লাইনটা শুনে অবাক হচ্ছেন? আমেরিকা এখন পর্যন্ত গোলাবারুদ খরচ করেছে প্রায় ১৬.৫ বিলিয়ন ডলারের। প্রতিদিন প্রায় ১-২ বিলিয়ন ডলার। ডোনাল্ড ট্রাম্প আমেরিকান কংগ্রেসের কাছে ৫০ বিলিয়ন ডলারের ওয়ার ফান্ড চাচ্ছে। সূত্র: CISS ইসরায়েল খরচ করেছে প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলারের গোলাবারুদ। সূত্র: টাইমস অফ ইসরায়েল। এগুলো শুধু অস্ত্র যা ব্যবহার করা হয়েছে, তার হিসাব। এছাড়া ও মধ্যপ্রাচ্যে প্রায় ট্রিলিয়ন ডলারের ঘাঁটিগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কাতারে একটা রাডারই ধ্বংস হয়েছে প্রায় ১.১ বিলিয়ন ডলারের। কয়েকটা থাড এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ধ্বংস হয়েছে। কুয়েতে ৩টা F-15 ফাইটার জেট ধ্বংস হয়েছে। ইরাকে একটা এয়ার রিফুয়েলিং বিমান ধ্বংস হয়েছে, আর একটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে কোন রকমে ল্যান্ড করতে পেরেছে। সৌদিতে মাটিতে থাকা অবস্থায় আমেরিকার ৫টা বিমান ধ্বংস করে দিয়েছে ইরান। এগুলো মিডিয়াতে কনফার্মড রিপোর্ট। এছাড়া ও ইরান দাবি করেছে, তাদের মিসাইল ও ড্রোন আব্রাহাম লিংকন এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ারে হিট করেছে। আমেরিকা তো নিজেই স্বীকার করেছে যে, তাদের আরেকটা এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার জেরাল্ড আর. ফোর্ডে আগুন লেগেছিল। ইরানের দাবি অনুযায়ী, ৮০+ ড্রোন ধ্বংস করেছে তারা। আমেরিকা স্বীকার করেছে তাদের ১৩ জন সেনা মারা গেছে, ১৫০ জন আহত হয়েছে। সূত্র: টাইম ম্যাগাজিন। ইসরায়েল স্বীকার করেছে ১৫ জন নিহত ও ৩ হাজারের কাছাকাছি আহত। এগুলো তো মিডিয়াতে প্রচার হয়েছে। আমরা জানি, ইসরায়েলে মিডিয়া ব্ল্যাকআউট চলছে। তাই সঠিক ক্ষয়ক্ষতি আমরা কখনোই জানতে পারব না। একজন ইন্ডিয়ান সাংবাদিক রিপোর্ট করছে, বাংকারের ভিতরে ও ইসরায়েলে মানুষ মারা গেছে। এমন না যে ইরানের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। এখন পর্যন্ত আমেরিকার হাতে নিউক ছাড়া এমন কোনো অস্ত্র নেই যা তারা ইরানে ব্যবহার করেনি। এত বেশি বোম্বার্ডমেন্ট করেছে যে, ইরানের হেলথ মিনিস্ট্রির রিপোর্ট অনুযায়ী ১৪৪৪ জন মানুষ মারা গেছে। আহত ১৮৫৫১ জন। আমরা অনেকেই ভেবেছিলাম যে ইরানে হাজার হাজার মানুষ মারা যাবে। একজন নিরীহ মানুষ মারা যাওয়াও কষ্টদায়ক, কিন্তু আমেরিকা ও ইসরায়েলের কার্পেট বোম্বিংয়ের পরও ক্যাজুয়ালিটি সে পরিমাণ হয়নি। কারণ ইরান অনেক বড় দেশ। আর বড় দেশ হওয়ায় মানুষ শহর ছেড়ে গ্রামাঞ্চলে চলে গিয়েছে। এছাড়া ও মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, ৭৫% মানুষকে তেহরান থেকে এভাকুয়েট করা হয়েছে। ইরানের আরেকটা অ্যাডভান্টেজ হচ্ছে, ইরানে উঁচু ভবন কম। তাই আমেরিকা ও ইসরায়েলের কার্পেট বোম্বিংয়েও হতাহত কম হয়েছে। ফাইন্যান্সিয়াল লসও কম হয়েছে। কিন্তু ছোট দেশ হওয়ায় ইসরায়েলে ক্ষতি হয়েছে বেশি।ইসিরায়েলে মিডিয়া ব্ল্যাকআউট থাকার পর কিছু ছবি ও ভিডিও প্রকাশ হয়েছে, যা দেখে বোঝা যাচ্ছে যে ইসরায়েলের অনেক উঁচু উঁচু বিল্ডিং ইরানের মিসাইল একদম ধসিয়ে দিয়েছে। সেটা ও ইসরায়েলের অনেক বড় ফাইন্যান্সিয়াল লস। ইরানের সবচেয়ে বড় ফাইন্যান্সিয়াল লস হয়েছে, অয়েল রিজার্ভের ডিপো ও রিফাইনারি উড়িয়ে দেয়ায়। ইসরায়েলেরও প্রায় একই ক্ষতি করেছে ইরান। স্বাভাবিকভাবেই ইরানের ডিসালিনেশন প্ল্যান্ট, সরকারি সব বিল্ডিং, সী পোর্ট, বিমানবন্দর—সব ধ্বংস করে দিয়েছে ইসরায়েল ও আমেরিকা। কিন্তু একই পরিমাণ বা তার কাছাকাছি ক্ষতি ইসরায়েলেরও করেছে ইরান। এছাড়া ও আমেরিকার দাবি অনুযায়ী, ইরানের ৯০+ যুদ্ধজাহাজ, অনেক বিমান, অনেক রাডার সিস্টেম, এমনকি অনেক মিসাইল স্টোরেজ ফ্যাসিলিটিও ধ্বংস করেছে তারা। ট্রাম্প দৈনিক দুইবার দাবি করে যে, ইরানের নেভি ও এয়ারফোর্স একদম শেষ করে দিয়েছে। ১০০% ইরানের সামরিক সক্ষমতা তারা শেষ করে দিয়েছে। আবার তারই ট্রুথ সোশ্যাল পোস্টে বলছে যে, এরপরও কিছু ড্রোন ও মিসাইল থাকতে পারে। ইরানের শক্তি কখনোই তাদের নেভি কিংবা এয়ারফোর্স ছিল না। তাদের শক্তি হচ্ছে মিসাইল ও ড্রোন। এগুলো তারা নিয়মিত ফায়ার করেই যাচ্ছে। যা প্রমাণ করে যে, ট্রাম্পের দাবি মিথ্যা। আমেরিকা ও ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় অ্যাচিভমেন্ট হচ্ছে, ইরানের টপ লিডারশিপকে হত্যা করা। যা আমেরিকার জন্যেই হিতে-বিপরীত হয়ে গেছে। ৮৯ বছরের ইমাম আলী খামেনি শহীদ হয়েছেন, আবার তাকে রিপ্লেস করেছেন ৫৬ বছরের ইমাম মোজতবা খামেনি। উল্টো রেজিম চেঞ্জের বদলে রেজিম শক্ত হয়ে গেছে। অন্যদিকে নেতানিয়াহুর মৃত্যুর গুঞ্জনও ছড়িয়েছে। এটা যদি সত্যি হয়, তাহলে এটা হচ্ছে ইরানের সবচেয়ে বড় অ্যাচিভমেন্ট। মানে ইরান ইসরায়েলেরও টপ লিডারকে হত্যা করতে পেরেছে। যদি ও ইসরায়েল কনফার্ম করা না পর্যন্ত আমরা কনফার্ম হতে পারব না। এখন পর্যন্ত সব হিসাব-নিকাশ অনুযায়ী ইরান এই যুদ্ধে আপার হ্যান্ডেই আছে। মানে ইরান বিজয়ী অবস্থানে আছে। ফাইন্যান্সিয়ালি তো অবশ্যই বিজয়ী। ইরান যে পরিমাণ গোলাবারুদ খরচ করেছে, তা টাকা হিসেবে আমেরিকা ও ইসরায়েলের ১০ ভাগের ১ ভাগও হবে না। কারণ ইরান লো কস্ট মিসাইল ও ড্রোন বানায়।
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
কিছুক্ষণ পূর্বে তেল আবিব 🔥🔥
৩১/ একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে ইরানে শাসন পরিবর্তন চায় না বলে বলা হলেও তারা “ভিন্ন ধরনের নেতৃত্ব” দেখতে চায় বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। ৩২/ মার্কিন গোয়েন্দা সূত্র বলছে, চীন ইরানকে আর্থিক সহায়তা ও ক্ষেপণাস্ত্রের উপাদান সরবরাহ করতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। ৩৩/ রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান সীমান্তের কাছে প্রায় ৫-৬ হাজার কুর্দি যোদ্ধা এক সপ্তাহের মধ্যে ইরানের ভেতরে অভিযান শুরু করতে পারে। ৩৪/ একই সময় ইরানি কুর্দি নেতারা যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক গ্যারান্টি চাইছে বলে খবর এসেছে। ৩৫/ বিশ্বজুড়ে তেলের দাম বাড়তে থাকায় বিশেষ পরিস্থিতিতে ভারতকে রাশিয়া থেকে তেল কেনার সাময়িক অনুমতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ৩৬/ মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাতের মধ্যে লক্ষ্য করা গেছে, কয়েকদিন ধরে তাইওয়ানের আকাশসীমায় চীনের সামরিক বিমান দেখা যায়নি, যা বিশ্লেষকদের মতে একটি অস্বাভাবিক ঘটনা। 🔴🔴🔴 চলমান যুদ্ধ এখন আর শুধু ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এতে যুক্তরাষ্ট্র, আরব দেশগুলো, ইউরোপীয় শক্তি, এমনকি পরোক্ষভাবে চীন ও রাশিয়াও জড়িয়ে পড়ছে। সামরিক সংঘর্ষের পাশাপাশি জ্বালানি বাজার, বৈশ্বিক অর্থনীতি, কূটনীতি এবং প্রযুক্তি খাতেও এর প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি এই সংঘাত আরও বিস্তৃত হয়, তাহলে এটি শুধু একটি আঞ্চলিক যুদ্ধ থাকবে না, বরং ভবিষ্যতের বৈশ্বিক শক্তির ভারসাম্য ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকেও নতুনভাবে গড়ে দিতে পারে।
ইরান–ইসরায়েল সংঘাত: Day 6 আপডেট (৭ মার্চ) আজকের দিনজুড়ে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও জটিল ও বিস্তৃত আকার নিয়েছে। বিভিন্ন দেশ, সামরিক ঘাঁটি, অর্থনীতি ও কূটনীতির নানা দিক এতে জড়িয়ে পড়ছে। আজকের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো সংক্ষেপে নিচে তুলে ধরা হলো। ১/ ইসরায়েল ও আমেরিকার সাম্প্রতিক হামলার পর ইরানের রাজধানী তেহরানের বিভিন্ন স্থানে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির ছবি সামনে এসেছে। অনেক স্থাপনা ধ্বংস ও আগুনে পুড়ে যাওয়ার দৃশ্য দেখা গেছে। ২/ ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে আলি খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনিকে তিনি গ্রহণযোগ্য মনে করেন না। তার মতে, এমন একজন নেতা দরকার যিনি ইরানে “শান্তি ও সম্প্রীতি” ফিরিয়ে আনবেন। ৩/ যুদ্ধের ষষ্ঠ দিনে ইরান তাদের সবচেয়ে বড় আকারের হামলা চালিয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে। ৪/ কুয়েতের আলী আল-সালেম মার্কিন বিমানঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতে বড় অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়া গেছে। ৫/ বাহরাইনের BAPCO তেল স্থাপনা ও কয়েকটি হোটেলেও ইরানের হামলার খবর সামনে এসেছে। ৬/ কাতারের আল-উদেইদ মার্কিন ঘাঁটির কাছাকাছি এলাকাতেও ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে বলে জানা গেছে। ৭/ ইসরায়েল বৈরুতের দাহিয়াহ এলাকা খালি করার নির্দেশ দিয়েছে। এই এলাকায় প্রায় পাঁচ লাখ মানুষের বসবাস। ৮/ হিজবুল্লাহর এলিট রাদওয়ান বাহিনীকে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি অগ্রযাত্রা ঠেকানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ৯/ লেবানন সীমান্তে সংঘর্ষে কয়েকজন ইসরায়েলি সেনা গুরুতর আহত হয়েছে। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী নতুন সংঘাতে এখন পর্যন্ত ৭৭ জন নিহত ও ৫২৭ জন আহত হয়েছে। ১০/ যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় অন্তত তিনটি মার্কিন MQ-9 Reaper ড্রোন ভূপাতিত হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। ১১/ তবে মার্কিন জেনারেল ড্যান কেইন বলেছেন, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকের তুলনায় ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ ৮৬% এবং ড্রোন হামলা ৭৩% কমেছে। ১২/ কুয়েতে মার্কিন দূতাবাস তাদের সব কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে। ১৩/ হরমুজ প্রণালী দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল প্রায় ৯০% কমে গেছে বলে জানানো হয়েছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় চাপ তৈরি করছে। ১৪/ সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েত যুক্তরাষ্ট্রে তাদের বিনিয়োগ কমানোর বিষয়টি বিবেচনা করছে বলে বিভিন্ন অর্থনৈতিক সূত্রে আলোচনা চলছে। ১৫/ আজারবাইজানের একটি বিমানবন্দরে ইরানি ড্রোন আঘাত করেছে বলে দাবি করা হয়েছে। ১৬/ ইরাকের বসরা অঞ্চলে একটি মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার খবর ছড়ালেও মার্কিন সেন্টকম বলেছে এটি শত্রুর হামলায় ভূপাতিত হয়নি। তবে ঘটনাটি ঘিরে কিছুটা ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। ১৭/ পশ্চিম ইরানের লোরেস্তান অঞ্চলে ইরানি এয়ার ডিফেন্স একটি সশস্ত্র ইসরায়েলি হেরন ড্রোন ধ্বংস করেছে বলে ছবি প্রকাশ হয়েছে। ১৮/ একই সময়ে ইসরায়েলের হার্মিস ড্রোন বিধ্বস্ত হওয়ার খবরও সামনে এসেছে। ১৯/ ইরান প্রথমবার আনুষ্ঠানিকভাবে ভিডিও প্রকাশ করে জানিয়েছে যে তারা খুররামশাহর-৪ (খাইবার) ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। ২০/ এই ক্ষেপণাস্ত্র প্রায় ২০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত আঘাত হানতে পারে এবং প্রায় ১৫০০ কেজি ওয়ারহেড বহন করতে সক্ষম বলে দাবি করা হয়েছে। ২১/ সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ভিডিওও প্রকাশ হয়েছে। হামলায় বড় ক্ষতি না হলেও কিছু মার্কিন সেনা সামান্য আহত হয়েছে বলে বলা হচ্ছে। ২২/ বাগদাদ বিমানবন্দরের কাছে মার্কিন ভিক্টোরিয়া ঘাঁটির আশপাশেও হামলার পর ধোঁয়া উঠতে দেখা গেছে। ২৩/ লেবাননে ইসরায়েলের নতুন করে শত শত হামলার খবর পাওয়া গেছে। বলা হচ্ছে, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর দেশটিতে ৫০০টির বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে। ২৪/ লেবানন সীমান্তে হিজবুল্লাহর অ্যান্টি-ট্যাংক রকেট হামলায় ইসরায়েলের গিভাতি ব্রিগেডের কয়েকজন সৈন্য আহত হয়েছে। ২৫/ ইরানের মাহাবাদ এলাকায় রেড ক্রিসেন্টের একটি ভবনে ইসরায়েলি হামলায় একজন কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ২৬/ তেহরানে একটি ভূগর্ভস্থ বাঙ্কারের ওপর প্রায় ৫০টি মার্কিন-ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান একযোগে বড় বোমা হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। ২৭/ ফ্রান্সের বিমানবাহী রণতরী “Charles de Gaulle” জিব্রাল্টার প্রণালী পেরিয়ে ভূমধ্যসাগরে প্রবেশ করেছে। ২৮/ মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিভিন্ন প্রযুক্তি ও ডেটা সেন্টার কোম্পানি সংযুক্ত আরব আমিরাতের গ্রাহকদের তাদের ডেটা বিদেশে ব্যাকআপ করার পরামর্শ দিয়েছে। ২৯/ সংযুক্ত আরব আমিরাত ইরানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোম্পানি, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও সম্পদ জব্দ করার বিষয়টি বিবেচনা করছে বলে খবর এসেছে। ৩০/ মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, এই যুদ্ধ আরও কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত চলতে পারে এবং মূল লক্ষ্য হচ্ছে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ও অস্ত্রভাণ্ডার ধ্বংস করা।
রাশিয়া ও চীন ঘোষণা করেছে—তারা ইরানের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার পাশে রয়েছে। এই দুই দেশ সতর্ক করে বলেছে, ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসন আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন এবং এর পরিণতি পুরো অঞ্চলের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে। এর দ্বারা কি বুঝলেন? রাশিয়াকে আপনার কাছে কতটুকু বিশ্বস্ত মনে হয়??
видео или голосовое, без подписи
🟥 রাতের মেগা ব্রেকিং ছিলো 🟥 একটি বিশেষ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা। এখন বিষয়টি নিশ্চিত করেছে Ali Khamenei-এর অফিসিয়াল একাউন্ট। সেখানে একটি ছবি ও পোস্ট দিয়ে জানানো হয়েছে, ফার্সি ভাষায় লেখা: “দিগন্তে দেখা গেল খোররামশাহ–৪।” এই ক্ষেপণাস্ত্রটি হলো Khorramshahr‑4 missile, যা ইরানের অন্যতম ভারী ও শক্তিশালী ব্যালিস্টিক মিসাইল হিসেবে পরিচিত। গত ৪৮ ঘণ্টার সংঘাতের পর এটি অনেকের কাছে ম্যাসিভ সারপ্রাইজ হিসেবে এসেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এটি ক্লাস্টার মাল্টি ওয়ারহেড সক্ষমতাসম্পন্ন একটি ক্ষেপণাস্ত্র, যা লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছে একাধিক ধ্বংসাত্মক আঘাত হানতে পারে। মাঠে থাকা এক ইসরায়েলি সাংবাদিক সূত্র জানিয়েছে, হামলার সময় অনেক স্থানে সাইরেনও বাজেনি। ফলে ধারণা করা হচ্ছে যে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এই আঘাতের জন্য প্রস্তুত ছিল না।
তেল আবিব পুড়ছে... ইরানের নতুন ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কেঁপে উঠেছে দখলদার ইসরায়েল। রাতের আকাশ লাল হয়ে উঠেছে বিস্ফোরণের আগুনে। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকাতে ব্যর্থ হচ্ছে বলে দাবি উঠছে। আজকের হামলাকে সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে তীব্র…
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи