Daily News Bangla
СтатистикаAssalamu alaikum 💝 ❝Daily_News_Bangla❞ এ তথাকথিত মূলধারার (শাহবাগী চেতনার) গণমাধ্যম যে সংবাদ প্রচার করেনা, সেগুলো আমরা প্রচার করবো। 💛
- Последний пост
- 14 авг.
- Последнее чтение
- 15 авг.
- Постов за неделю
- 11
- Всего постов
- 36
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- Категория
- Новости и СМИ
- В каталоге с
- 13 авг.
- 1/24сутки в ленте
- 127
- 1/48двое суток
- 145
- 1/72трое суток
- 156
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
এটা আজকের দিনের বিশেষ দোয়া।
আজ ঐতিহাসিক বাকশালের পতন দিবস। ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট দেশপ্রেমিক সেনা কর্মকর্তারা বাকশালের জনক ফ্যাসিস্ট মুজিবকে বাংলাদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতা থেকে সমূলে উৎখাত করেছিল। অর্থনীতি পরিচালনা, দুর্নীতি দমন এবং ভিন্নমত দমনে ব্যর্থ হয়ে শেখ মুজিব সরকার চূড়ান্তভাবে গণতন্ত্রের পথ পরিহার করে একদলীয় স্বৈরতন্ত্রের দিকে ঝুঁকে পড়ে। এরই ধারাবাহিকতায় বাকশাল প্রতিষ্ঠার পর মুজিবের এই একদলীয় শাসনব্যবস্থাকে অপসারণের একমাত্র পথ ছিলো অসাংবিধানিক পদক্ষেপ। তাই বাকশাল প্রতিষ্ঠা ছিল কার্যত মুজিব সরকারের নিজেরই মৃত্যু পরোয়ানায় স্বাক্ষর করার শামিল। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ড কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা বা কিছু 'বিপথগামী সেনা কর্মকর্তার কাজ' ছিল না। এটি ছিল পূর্ববর্তী সাড়ে তিন বছরের রাষ্ট্রীয় নীতির অবশ্যম্ভাবী পরিণতি। মুজিবের একদলীয় সরকারের বিচারবহির্ভূত সহিংসতার ওপর নির্ভরতা, পদ্ধতিগত দুর্নীতিকে প্রশ্রয়, সামরিক বাহিনীকে বিচ্ছিন্ন করা এবং অবশেষে গণতন্ত্রকে সম্পূর্ণ বিসর্জন দেওয়া, এই সবকিছু মিলে এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি করেছিল, যেখানে একটি সহিংস অভ্যুত্থানকে বিরোধীরা একমাত্র বিকল্প হিসেবে দেখেছিল।
বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’—দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র পাঁচ মাসের মধ্যেই পুরো বাংলাদেশ সেই পরিকল্পনার বাস্তব রূপ দেখে ফেলেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
ছাত্রদলের সবচেয়ে শক্তিশালী ইউনিট জবি। এটা তাদেরই দাবি। সন্দেহ হয়, ছাত্রদলের আড়ালে তারা ছাত্রলীগ নাতো?
Azadi Mubarak 🇵🇰
"রঠার জন্ম প্রয়াণ এই রাষ্ট্র উদযাপন করে। অথচ যে ৪৭ এই রাষ্ট্রের ভৌগোলিক সীমানা, স্বতন্ত্র আবাসভূমি আর পরিচয় দিয়েছে সেই আজাদীকে স্বীকার করেনা, উদযাপন করেনা। কারণ এই রাষ্ট্র জন্মগত ও কাঠামোগতভাবে ভারতের গোলাম।"
আজ ১৪ই আগস্ট। ২০০ বছরের পরাধীনতার শিকল থেকে মুক্তির দিন। পাকিস্তান অর্জন বাংলার পূর্বসূরীদের সংগ্রামের ফসল। পাকিস্তান না হলে আজকের বাংলাদেশও হতো না। Happy Independence Day 🇵🇰
আমাকে মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে লাভ কি! আমি জ্বলন্ত আগুনে নিক্ষিপ্ত হওয়া সেই ইব্রাহীম আ. এর জেগে থাকা দুঃসাহসী সন্তান। শহীদ আল্লামা দেলোয়ার হোসেন সাঈদী (রহ.) — (২ ফেব্রুয়ারি ১৯৪০ - ১৪ আগস্ট ২০২৩)
আজ আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী (রহ.) এর ৩য় শাহাদাতবার্ষিকী। মৃত্যুর আগপর্যন্ত যিনি ভারতীয় আধিপত্যবাদের প্রধান এজেন্ট ফ্যাসিস্ট হাসিনার কারাগারে বন্দী ছিলেন। বাংলাদেশের এই ভূখন্ডে ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে সদা সোচ্চার ছিলেন আল্লামা সাঈদী (রহ.)। যার কারণে আল্লামাকে মরণের আগপর্যন্ত কারাগারে আটকে রেখেছিল এদেশের ভারতীয় তাবেদাররা। তিনি বন্দী অবস্থাতেই ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে শাহাদাতবরণ করেছিলেন। এদেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় এই আলেমে দ্বীন যতদিন বেচে ছিলেন ততদিন এদেশের মানুষকে ঈমানী চেতনায় উজ্জীবিত করে গেছেন। এদেশের আপামর জনতাকে সাথে নিয়ে সমস্ত দেশবিরোধী, ইসলামবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে সর্বদা কঠোর জবাব দিয়েছিলেন। যার কারণে তিনি ছিলেন এদেশের ভারতীয় গোলামদের কাছে এক মূর্তিমান আতঙ্কের নাম। #WeAreAllamaSayedee
ঘটনাটা হঠাৎ করেই ঘটল। লীগ থাকতে যেটা শোনা যায়নি সেটাই এবার হলো। ‘র’ প্রধান ঢাকা থেকে ঘুরে গেল। সরকারের মধ্যে যাদের সাথে ‘র’ প্রধানের বৈঠক হয়েছে তারাই নাকি জানছে বৈঠকের মাত্র কয়েক ঘন্টা আগে। পূর্ব নির্ধারিত কোনো শিডিউল থাকবে না এমনটা হবার কথা না। কিন্তু হয়েছে। বিএনপি এবং ভারতের সাথে গোপনে কিছু হচ্ছে। বিএনপির বাইরে একটা রাজনৈতিক দলের সাথেও ‘র’ বসেছে। ধারনা করা হচ্ছে সেটা জাতীয় পার্টি। লীগের পরে সবচেয়ে বড় মোনাফিক তো তারাই যারা এখনো দেশে আছে। ছবিতে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বৈঠক করছেন মোদির সাথে। এটা দিল্লিতে হয়েছে। ‘র’ প্রধান যখন ঢাকা ত্যাগ করল তখন ত্রিবেদীও ভারতে গেল। মোদির কাছে রিপোর্ট দিতে। বাংলাদেশ নিয়ে ভারতের ষড়যন্ত্র নতুন না। লীগের আমলে ভারত কূটকৌশলী ছিল বলা যাবে না, বরং হাসিনাকে দিয়েই সব করাতো। সে হিসেবে লীগ বিজেপি সহযোগীই বলা যায়। কিন্তু বিএনপির সাথে বিজেপি এখনো পর্যন্ত ঠিক কিভাবে আগাবে না নিশ্চত না হওয়া গেলেও সম্প্রতি ‘র’ প্রধানের ঢাকা সফর কিছুটা ইঙ্গিত দিচ্ছে। অনেক কিছুই হয়তো বিএনপি গোপন করবে কিন্তু দেশপ্রেমিক কিছু মানুষ আছে যাদের কারনে সব গোপন করতেও পারবে না।
বাংলাদেশে ‘র’ প্রধান আসলো, কার সাথে বসলো, সফর শিডিউল কেউ জানলো না। কী আলাপ হলো সেটা তো পরের কথা। বিএনপি সরকারকে জাতির স্বার্থেই পরিষ্কার করতে হবে। লীগের আমলেও বাংলাদেশে ভারতীয় গোয়েন্দা প্রধানের এত বড় সফর হয়নি। হঠাৎ করে এখন কেন হলো?
без подписи
без подписи
без подписи
অবস্থা এতই খারাপ হইসে যে মিডিয়াও আর নিউজ না কইরা পারতেসে নাহ।
‘বিএনপি ও বিদ্যুৎ এক সাথে চলে না’
এখনো গ্রেপ্তার হয়নি হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসাধীন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালানো ছাত্রদল সন্ত্রাসী জসিমসহ অন্যান্যরা।
এটা আসলে প্রধানমন্ত্রী নাকি হকার?
তারেক রহমানের এক অঙ্গে বহুরুপ। হাসিনাকে কপি করতেও কার্পন্য করেননি তিনি। মতের বিরোধীতাকারীদের হাসিনা সিস্টেমে সরিয়ে দিত। দেখা স্বাক্ষাত তো দূরের কথা চিকিসাও দিত না। একইভাবে তারেক রহমানের লাঠিয়াল সন্ত্রাসী বাহীনি, অছাত্রদলের গুন্ডারা সেদিন ঢাকা আলিয়ার হল দখল করতে গিয়ে মাদ্রাসার অধ্যক্ষকে গুরুতর আহত করে। দেশের স্বনামধন্য দ্বীনি প্রতিষ্ঠান প্রধানকে এভাবে আহত করলো এটা নিয়ে তারেক একটা বিবৃতি কিংবা সহমর্মিতা পর্যন্ত জানায়নি। এদিকে সারাদেশে প্রচার হচ্ছে তারেকের ধর্ম প্রেমের বাণী। তিনি আলেম ওলামাদের খোঁজ নেন। তাই তো বাবুনগরীর মত সিন্নিখোরকে দেখতে গেছেন। গুলশান থেকে ঢাকা আলিয়ার আলেমকে দেখতে যেতে পারলো না। অথচ তিনি চট্টগ্রাম গেছেন বাবুনগরীকে দেখতে। এক অঙ্গে কতরুপ দেখবে জাতী? শফি সাহেবের সঙ্গে হাসিনা স্বাক্ষাত করায় তাকে কওমী জননী উপাধী দেয়া হয়। এখন তারেককে কওমী জনক উপাধীটা দিয়ে দিলেই ষোল কলা পূর্ন হয়।
বছর জুড়ে করা সব চাঁদাবাজী, খুন, ধর্ষণ মাফ হয়ে গেলো। সোবহানাল্লাহ