tgindex
FUN FACTS ™️

FUN FACTS ™️

Статистика

Stop right there! 👮 You're about to learn some seriously interesting facts about science, history, culture and daily News that will blow your mind 🤯🔫 Community > @LINK_TREES ☘️ For any help - @HelpXRobot 🧑‍💻

Последний пост
8 авг.
Последнее чтение
15 авг.
Постов за неделю
0
Всего постов
20
Тип
открытый
Язык
bn
Категория
Новости и СМИ
В каталоге с
13 авг.
Подписчики
575
+2 за 1 дн.
Сутки
0
0,00%
Неделя
 
Месяц
 
Просмотров на пост
646
20 постов
Вовлечённость
112,3%
к подписчикам
Постов в день
0,0
всего 20
Упоминаний
2
каналов
Охват размещения
оценка
1/24сутки в ленте
5
1/48двое суток
5
1/72трое суток
6

Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.

Посты

  • MOOD OFF? 😔 জয়েন করো নিচের চ্যানেলগুলোতে। মুড অন না হলে এমবি ফেরত! 1️⃣ t.me/Bangla_Memes 2️⃣ t.me/Mood_Posting 3️⃣ t.me/MoodxBoost 4️⃣ t.me/Prank_King 5️⃣ t.me/TG_sarcasm ❇️ Check out - Click here

  • পানি ও ক্ষয়ের মাধ্যমে তৈরি এই পাঁচটি ভূগঠন আলাদা মাপ ও গভীরতার। উপত্যকা চওড়া ও মাঝখানে নদী থাকে, ক্যানিয়ন গভীর ও খাড়া পাথরের দেয়াল বিশিষ্ট। গিরিখাত সরু ও পাথুরে, রাভিন ছোট ও গভীর ক্ষয়খাত। গালি ক্ষয়খাত সবচেয়ে ছোট, সাধারণত বৃষ্টির পানির ক্ষয়ে তৈরি। প্রতিটিই ভূপৃষ্ঠের বিবর্তনের চিহ্ন। সূত্র: USGS, National Geographic Join ~ @Link_Trees 🌿

  • ১৯৯৩ সালে ক্রোয়েশিয়ায় শিকারির গুলিতে মালেনা নামে একটি সাদা সারসের ডানা ভেঙে যায়। ফলে সে আর কখনো উড়তে পারেনি এবং প্রতিবছরের দীর্ঘ পরিযায়ী যাত্রায় অংশ নিতে পারেনি। স্তিয়েপান ভোকিচ নামের একজন স্কুলের পিয়ন পাখিটিকে উদ্ধার করেন। নিজের বাড়ির ছাদে আশ্রয় তৈরি করে দেন, মাছ খাওয়ান এবং খেয়াল রাখেন। এরপর ঘটে এক অসাধারণ ঘটনা। প্রতি বসন্তে মালেনার সঙ্গী ক্লেপেটান দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে প্রায় ১৩,০০০ কিলোমিটার উড়ে শুধু তার কাছে ফিরে আসত। ঝড়, প্রতিকূল আবহাওয়া ও শিকারিদের ঝুঁকি পেরিয়ে সে ঠিক একই বাড়িতে এসে পৌঁছাত। টানা ১৯ বছর ক্লেপেটান একবারও এই যাত্রা মিস করেনি। এই দম্পতি মিলে ৬০টিরও বেশি ছানাকে বড় করেছে। মালেনা উড়তে না পারায় ক্লেপেটানই ছানাদের উড়া ও মাছ ধরা শিখিয়েছিল। প্রতি আগস্টে ক্লেপেটান ছানাদের নিয়ে আফ্রিকায় চলে যেত, আর মালেনা শীতকাল কাটাত স্তিয়েপানের সঙ্গেই। ২০২১ সালে মালেনার মৃত্যু পর্যন্ত ক্লেপেটান প্রতি বসন্তেই ফিরে এসেছিল। Join ~ @Link_Trees 🌿

  • ইরান(Iran)সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য 🇮🇷 🌍 সাধারণ পরিচিতি সরকারি নাম: ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরান (Islamic Republic of Iran) পূর্বের নাম: পারস্য (Persia) অবস্থান: পশ্চিম এশিয়া / মধ্যপ্রাচ্য রাজধানী: তেহরান (Tehran) বৃহত্তম শহর: তেহরান স্বাধীনতা বিপ্লব: ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লব সরকার ব্যবস্থা: ইসলামিক প্রজাতন্ত্র সর্বোচ্চ নেতা: আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি প্রেসিডেন্ট: বর্তমানে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি দ্বারা পরিচালিত সরকার 📏 আয়তন ও জনসংখ্যা🧑‍🤝‍🧑 আয়তন: প্রায় ১৬,৪৮,১৯৫ বর্গকিলোমিটার বিশ্বের আয়তনে অবস্থান: প্রায় ১৭তম জনসংখ্যা: প্রায় ৯ কোটি ৩০ লাখের বেশি (২০২৬ অনুমান) � Worldometer +1 জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বের শীর্ষ ২০ দেশের একটি 🗺️ সীমান্ত✅ ইরানের প্রতিবেশী দেশসমূহ: 🇮🇶 ইরাক 🇹🇷 তুরস্ক 🇦🇲 আর্মেনিয়া 🇦🇿 আজারবাইজান 🇹🇲 তুর্কমেনিস্তান 🇦🇫 আফগানিস্তান 🇵🇰 পাকিস্তান সমুদ্র: কাস্পিয়ান সাগর পারস্য উপসাগর ওমান উপসাগর জলসীমা: উত্তরে কাস্পিয়ান সাগর এবং দক্ষিণে পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগর। কৌশলগত গুরুত্ব: ইরানের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে 'হরমুজ প্রণালি', যা বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত সামুদ্রিক পথ। বিশ্বের প্রায় ২০% খনিজ তেল এই পথ দিয়েই পরিবহন করা হয়। ভূপ্রকৃতি: এটি বিশ্বের অন্যতম পর্বতময় দেশ। এশিয়ার অন্যতম সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ 'দামভান্দ' (Damavand) এখানে অবস্থিত। 🏙️ গুরুত্বপূর্ণ শহর✅ তেহরান মাশহাদ ইসফাহান শিরাজ তাবরিজ কোম 🗣️ ভাষা ও ধর্ম✅ সরকারি ভাষা: ফার্সি (Persian/Farsi) প্রধান ধর্ম: ইসলাম অধিকাংশ মুসলিম: শিয়া মুসলিম সংখ্যালঘু: সুন্নি, খ্রিস্টান, ইহুদি, জরথুস্ট্রিয়ান 💰 অর্থনীতি🔥 মুদ্রা: ইরানি রিয়াল (IRR) প্রধান সম্পদ: তেল প্রাকৃতিক গ্যাস পেট্রোকেমিক্যাল বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ গ্যাস ও তেল মজুদ রয়েছে 🛢️ প্রাকৃতিক সম্পদ✅ ইরান বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী জ্বালানি সম্পদসমৃদ্ধ দেশ। প্রাকৃতিক গ্যাসে বিশ্বের শীর্ষ দেশগুলোর একটি তেল রপ্তানিকারক দেশ। ইরানের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হলো এর বিশাল খনিজ সম্পদ। তেল ও গ্যাস: বিশ্বে তেল মজুতের দিক থেকে ইরান অন্যতম শীর্ষস্থানীয় (বিশ্বের প্রায় ১০% তেল মজুত এখানে) এবং প্রাকৃতিক গ্যাস উত্তোলনে বিশ্বে তৃতীয় (১৫% গ্যাস মজুত)। জিডিপি: ৪১৮ থেকে ৪৩৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের কাছাকাছি। মাথাপিছু আয়: আনুমানিক ৫,৪১৫ থেকে ৫,৬৬৭ মার্কিন ডলার। অর্থনীতি: এটি মূলত রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণাধীন একটি মিশ্র অর্থনীতি, তবে পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশটির অর্থনীতি প্রায়শই চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়। 🏛️ ইতিহাস✅ প্রাচীন পারস্য সাম্রাজ্যের কেন্দ্র ছিল সাইরাস দ্য গ্রেট ও দারিয়ুসের মতো বিখ্যাত শাসক ছিলেন ১৯৭৯ সালে ইসলামী বিপ্লবের মাধ্যমে রাজতন্ত্র শেষ হয় ⚔️ সামরিক শক্তি মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম শক্তিশালী সামরিক বাহিনী রয়েছে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির জন্য পরিচিত আঞ্চলিক রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ⚽ খেলাধুলা✅ সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা: ফুটবল ⚽ কুস্তি 🤼 ইরান একাধিকবার FIFA World Cup-এ অংশগ্রহণ করেছে। 🎓 শিক্ষা ও বিজ্ঞান✅ মধ্যপ্রাচ্যে বিজ্ঞান ও প্রকৌশলে উন্নত দেশগুলোর একটি মহাকাশ ও পারমাণবিক প্রযুক্তিতে গবেষণা রয়েছে ☢️ পারমাণবিক কর্মসূচি👉 ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে দীর্ঘদিন আলোচনা ও উত্তেজনা রয়েছে। বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে এ নিয়ে চুক্তি ও কূটনৈতিক আলোচনা হয়েছে। � Encyclopedia Britannica +1 🌄 বিখ্যাত দর্শনীয় স্থান👍 পার্সেপোলিস আজাদি টাওয়ার গোলেস্তান প্যালেস নাসির অল মোলক মসজিদ 📌 মজার তথ্য ইরান আগে “পারস্য” নামে পরিচিত ছিল বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন সভ্যতা এখানে গড়ে উঠেছিল ফার্সি ভাষার সাহিত্য খুব সমৃদ্ধ কবি হাফিজ ও রুমির ঐতিহ্যের জন্য বিখ্যাত 🌐 বর্তমান পরিস্থিতি✅ ২০২৬ সালে ইরান আন্তর্জাতিক রাজনীতি, আঞ্চলিক উত্তেজনা এবং অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ নিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনায় রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা, কূটনৈতিক বিরোধ ও অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক সংবাদে গুরুত্ব পেয়েছে। > @FunfactsTM

  • видео или голосовое, без подписи

  • 4 июн.1 23144

    এক দেশ, হাজার ঐতিহ্য 🇧🇩 > @FunfactsTM

  • তারিখ লেখার নিয়ম: মানচিত্রে দেখুন কোন দেশ কোন ফরম্যাট ব্যবহার করে! দৈনন্দিন জীবন, দাপ্তরিক কাজ কিংবা আন্তর্জাতিক যোগাযোগ—সবখানেই তারিখের ব্যবহার অপরিহার্য। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো, পুরো বিশ্বের মানুষ একইভাবে তারিখ লেখে না। কেউ আগে দিন লেখে, কেউ মাস, আবার কেউ বছর! কোন দেশে কোন নিয়মটি সবচেয়ে বেশি প্রচলিত, তা নিয়ে তৈরি একটি সাম্প্রতিক বিশ্বমানচিত্রে চমৎকার কিছু তথ্য উঠে এসেছে। দিন/মাস/বছর - DD/MM/YY (মানচিত্রে গাঢ় সবুজ চিহ্নিত): সবচেয়ে জনপ্রিয় ফরম্যাট: এশিয়া (যেমন: বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান), ইউরোপের সিংহভাগ দেশ, দক্ষিণ আমেরিকা, আফ্রিকা এবং অস্ট্রেলিয়ার মতো বিশ্বের বেশিরভাগ অঞ্চলে এই ফরম্যাটটি ব্যবহৃত হয়। এখানে প্রথমে দিনের সংখ্যা, তারপর মাস এবং সবশেষে বছর লেখা হয়, যা অত্যন্ত ধারাবাহিক ও যৌক্তিক। মাস/দিন/বছর - MM/DD/YY (মানচিত্রে হালকা কমলা/হলুদাভ চিহ্নিত): যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব ধারা: বিশ্বের অন্যতম ব্যতিক্রমী দেশ হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে (USA) প্রথমে মাস, তারপর দিন এবং সবশেষে বছর লেখার নিয়ম প্রচলিত। আন্তর্জাতিক অনেক ক্ষেত্রে এটি বিভ্রান্তি তৈরি করলেও সেখানে এটিই অফিশিয়াল স্ট্যান্ডার্ড। বছর/মাস/দিন - YY/MM/DD (মানচিত্রে লেবু-সবুজ চিহ্নিত): পূর্ব এশিয়ার রীতি: চীন, জাপান, উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া এবং ইরানের মতো দেশগুলোতে তারিখ শুরু হয় বছর দিয়ে, তারপর মাস এবং সবশেষে দিন লেখা হয়। কম্পিউটারের ডেটা বা ফাইল সেভ করার ক্ষেত্রে বৈশ্বিকভাবেও এই ফরম্যাটটি বেশ জনপ্রিয়। কোনো নির্দিষ্ট মানদণ্ড নেই (মানচিত্রে নীল ডোরাকাটা বা স্ট্রাইপ চিহ্নিত): মিশ্র ব্যবহার: কানাডা, সৌদি আরব, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং উত্তর ইউরোপের কিছু দেশে তারিখ লেখার ক্ষেত্রে কোনো একক বা নির্দিষ্ট বাধ্যবাধকতা নেই। সেখানে কাজের ধরন বা ভাষাভেদে একাধিক ফরম্যাটের মিশ্র ব্যবহার দেখা যায়। এই বৈচিত্র্যের কারণে আন্তর্জাতিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে অনেক সময় বড় ধরনের বিভ্রান্তি তৈরি হয়। উদাহরণস্বরূপ, "05/06/2026" তারিখটিকে একজন বাংলাদেশি পড়বেন ৫ই জুন, কিন্তু একজন আমেরিকান পড়বেন মে মাসের ৬ তারিখ! এই কারণেই বর্তমানে অনেক আন্তর্জাতিক দাপ্তরিক কাজে মাসের নাম সরাসরি (যেমন: 05 June) লেখার প্রবণতা বাড়ছে। বাংলাদেশে প্রচলিত "দিন/মাস/বছর" (DD/MM/YY) পদ্ধতিটিই কি আপনার কাছে সবচেয়ে সহজ এবং যৌক্তিক মনে হয়, নাকি আমেরিকান বা চীনা পদ্ধতিটি বেশি সুবিধাজনক? > @FunfactsTM

  • видео или голосовое, без подписи

  • ১৯৪৮ সাল। চীনের এক ছোট্ট গ্রামে হুয়াং ইয়িজুন নামের এক নারী গর্ভবতী হন। কিন্তু শুরুতেই দেখা দেয় এক বড় বিপত্তি। ❤️‍🩹 গর্ভাবস্থাটি জরায়ুর বদলে তার বাইরে বেড়ে উঠছিল, চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় যাকে বলা হয় 'এক্টোপিক প্রেগন্যান্সি' (Ectopic Pregnancy)। ডাক্তাররা জানালেন, মায়ের জীবন বাঁচাতে দ্রুত সার্জারি করতে হবে। কিন্তু সেই সময়ে অপারেশন করার মতো টাকা ওই পরিবারের ছিল না। বাধ্য হয়ে তিনি বিনা চিকিৎসায় বাড়ি ফিরে যান। তার শরীর এক অদ্ভুত উপায়ে এই বিপদ মোকাবেলা করলো। মৃ/ত ভ্রূণটি যখন বেশ বড় হয়ে যায়, তখন শরীর আর তাকে গলিয়ে ফেলতে পারে না। ফলে, মৃ/ত কোষ থেকে তৈরি হওয়া ইনফেকশনের হাত থেকে মাকে বাঁচাতে শরীর এক নীরব লড়াই শুরু করে। সে মৃত ভ্রূণটির চারপাশে ক্যালসিয়ামের আস্তরণ তৈরি করে সেটিকে পুরোপুরি জমাট বাঁধিয়ে ফেলে। এই বিরল অবস্থাকে বলা হয় 'লিথোপেডিয়ন' (Lithopedion) বা Stone Baby। চিকিৎসা সাহিত্যের ইতিহাসে আজ পর্যন্ত মাত্র ৩০০-এর মতো এমন ঘটনার প্রমাণ মিলেছে। এই নারী মাসের পর মাস নয়, বরং দীর্ঘ ৬১ বছর এই পাথরের ভ্রূণটি নিজের ভেতরে বয়ে বেড়িয়েছিলেন! কোনো বড় ধরনের ব্যথা বা উপসর্গ ছাড়াই তিনি জীবনের এতগুলো বছর পার করেছেন। ২০০৯ সালে, যখন তার বয়স ৯২ বছর, তখন অন্য একটি সমস্যার কারণে চিকিৎসকরা তার এক্স-রে (X-ray) করেন। রিপোর্ট দেখে তারা হতবাক হয়ে যান! তারা দেখেন, ওই বৃদ্ধার পেটের ভেতর ৬১ বছরের পুরনো সেই গর্ভাবস্থা পাথরে পরিণত হয়ে অবিকল রয়ে গেছে। শরীর সবসময় আমাদের প্রত্যাশামতো প্রতিক্রিয়া দেখায় না; বরং টিকে থাকার জন্য সে মাঝে মাঝে নিরবে এমন কিছু করে, যা বিজ্ঞানের ধারণাকেও হার মানায়। > @FunfactsTM

  • видео или голосовое, без подписи

  • জাতিসংঘের সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, ঢাকা এখন বিশ্বের দ্বিতীয় জনবহুল শহর যার জনসংখ্যা প্রায় ৩৬.৬ মিলিয়ন (৩.৬৬ কোটি)! পৃথিবীর প্রায় ১৫৫টি দেশের জনসংখ্যা ৩৬ মিলিয়নের কম। ভাবুন তো, আমাদের এই একটি শহরের জনসংখ্যা বিশ্বের অনেক বড় বড় দেশের মোট জনসংখ্যার চেয়েও…

  • জাতিসংঘের সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, ঢাকা এখন বিশ্বের দ্বিতীয় জনবহুল শহর যার জনসংখ্যা প্রায় ৩৬.৬ মিলিয়ন (৩.৬৬ কোটি)! পৃথিবীর প্রায় ১৫৫টি দেশের জনসংখ্যা ৩৬ মিলিয়নের কম। ভাবুন তো, আমাদের এই একটি শহরের জনসংখ্যা বিশ্বের অনেক বড় বড় দেশের মোট জনসংখ্যার চেয়েও বেশি। নিচে মহাদেশ ভিত্তিক কিছু দেশের তালিকা দেওয়া হলো যাদের জনসংখ্যা ঢাকার থেকে কম : এশিয়া: সৌদি আরব, মালয়েশিয়া, ইয়েমেন, নেপাল, উত্তর কোরিয়া, শ্রীলঙ্কা, কাজাখস্তান, কম্বোডিয়া, জর্ডান, সংযুক্ত আরব আমিরাত (UAE), তাজিকিস্তান, ইসরায়েল, সিঙ্গাপুর। ইউরোপ: পোল্যান্ড, ইউক্রেন, রোমানিয়া, নেদারল্যান্ডস, বেলজিয়াম, চেক প্রজাতন্ত্র, গ্রিস, পর্তুগাল, সুইডেন, হাঙ্গেরি, অস্ট্রিয়া, সুইজারল্যান্ড, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, নরওয়ে। ওশেনিয়া: অস্ট্রেলিয়া, পাপুয়া নিউ গিনি, নিউজিল্যান্ড। আফ্রিকা: ঘানা, মোজাম্বিক, মাদাগাস্কার, ক্যামেরুন, নাইজার, মালি, বুরকিনা ফাসো, মালাউই, জাম্বিয়া, চাদ, সোমালিয়া, সেনেগাল, জিম্বাবুয়ে। আমেরিকা: পেরু, ভেনিজুয়েলা, চিলি, গুয়াতেমালা, ইকুয়েডর, বলিভিয়া, হাইতি, ডোমিনিকান রিপাবলিক, কিউবা, হন্ডুরাস। > @FunfactsTM

  • আজকের যে মহা বিপদটা থেকে আমরা কোনরকমে বাঁচলাম, খুব সম্ভবতঃ সেটার একটা বড় কারন হল তুলনামুলক শর্ট-ডিউরেশন। ২৬ সেকেন্ড ছিল মোট সময়। ভূমিকম্প ১-২-৫-১০ মিনিট পর্যন্তও হয় (মিয়ানমারে ৮০ সেকেন্ড ছিল)। সৃষ্টিকর্তা নিজ হাতে থামিয়ে দিয়ে রক্ষা করেছেন বলা যেতে পারে! আর হ্যাঁ... '৭-৮ মাত্রার ভূমিকম্পই আসল বিপদের' ধরণের মিথ গুলা আমাদের ঢাকা কিম্বা সিলেট কিম্বা চট্টগ্রাম শহরের মত বড় শহরগুলিতে কোন কাজ করবে না। কারণ ৭-৮ মাত্রার কম্পন ঝুঁকিতে ফেলে সঠিক পদ্ধতিতে চুরি-চামারি ছাড়া বানানো ইঞ্জিনিয়ারিং স্ট্রাকচারকেও। কিন্তু আমাদের ঘরে ঘরে ছোটবেলা থেকে মিস্ত্রী খাটিয়ে বেড়ে ওঠা 'হোম-কুক্‌ড ইঞ্জিনিয়ার' দের বানানো ভবনগুলির জন্য অত কিছু লাগবে না... সাড়ে পাঁচ মাত্রার মিনিটখানে ঝাঁকিই যথেষ্ট এসব তাসের ঘর ফেলে দিতে! আসলে এসব শহরের মোটামুটি বেশীরভাগ মাটিই ক্লে (কাদা) আর বালুর মিশ্রন। পাথুরে প্রকৃতির না। যত শক্তই মনে হোক না কেন... আড়াআড়ি ঝাঁকাতে থাকলে ম্যাজিকের মত 'লিকুইফাই' হয়ে যায়। অর্থাৎ... শুকনা অবস্থাতেই এই মাটি তরল পদার্থের মত আচরণ করে ফেলে! আর যেহেতু আমরা জাতি হিসাবে খুবই 'চালাক প্রকৃতির'... মানে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, আর্কিটেক্ট দের চাইতে যেহেতু আমাদের ঘরোয়া বিদ্যায় ভরসা অনেক বেশী... সেকারণে আমরা সয়েল টেস্টে আসা ৩০-৪০ ফুট পাইলিং এর রিপোর্টকেও 'পাকনামি' বলেই মনে করি। এজন্যই আত্মবিশ্বাসের সাথেই ১০-১৫ ফুট গভীর করে মাটি খুঁড়ে কলামের 'পায়া' ঢালাই দিয়ে ৮/১০/১৫ তলা ভবন দাঁড় করিয়ে ফেলি বিন্দাস্‌! ওদিকে কিন্তু ওখানে হয়তো ৪০-৫০ ফুট পর্যন্ত 'লিকুইফাই' হবার মত মাটির স্তর... তাতে অবশ্য আমাদের কিছু যায় আসে না! 'হোম-কুক্‌ড' ইঞ্জিনিয়ার বলে কথা... মাটির উপরের 'খাঁচা' যতই মজবুত করা হোক... পায়ের নীচের মাটি গলে গেলে খাঁচা কে বাঁচাবে? আবার খাঁচারও যে চমৎকার সব ধরণ আবিষ্কার আমরা ঘরে ঘরে করে যাচ্ছি... তাও বা খারাপ কি? কয়েক হালি লিকলিকে খুঁটির উপর কোনরকমে একটা ছাদ। এর উপরে 'ভাল না লাগলে' কিছু খুঁটি আবার এদিক-ওদিক সরিয়েও করে ফেলা যেতে পারে। আমার খাবার আমি ঝাল বেশী খাবো, না লবন বেশী খাবো... তুই ব্যটা বলার কে রে?? এসব খুঁটি আর ছাদের খেলা কোনরকমে পুরো বাসার ওজনটা ধরে রাখে মাত্র। মাটি নড়লে পাশ থেকে যে অল্পবিস্তর চাপ-টাপ পড়ে... তখন একটাই উপায় থাকে এই বিল্ডিংগুলারঃ পাশের জনের গায়ে আলগোছে হেলান দিয়ে প্রেম নিবেদন করে বেঁচে যাওয়ার চেষ্টা করা!! আর... বাই দ্যা ওয়ে, 'ওইসব ক্ষতিকর ভূমিকম্প' শুধু ইন্ডিয়া/মিয়ানমারেই হয়, ওদের থেকে আমাদের এখানে হাল্কা ঝাঁকি টাকি লাগে মাঝে মধ্যে -এটাও একটা অন্তঃসারশুন্য মিথ! 'মেগাস্টার-সেলিব্রিটি' ধরণের ভয়াবহ ভূমিকম্প ঘটানোর মত বেশ কয়েকটা বিরাট বিরাট আন্ডারগ্রাউন্ড ফাঁটল বাংলাদেশের পেটের ভেতর দিয়েই গিয়েছে... যেগুলি আবার খুব ধীরলয়ে 'এক্টিভ'। তলে তলে টাইম বোমা বানিয়ে যাচ্ছে সময়ের অপেক্ষায়। তারমানে... শুধু অন্যের রান্না করা বিরিয়ানী খেয়েই আমাদের সবসময় থাকতে হবে না। ভাইরাল ধরণের বিরিয়ানী একদিন আমরাও রান্না করবো! নিজ দেশের সীমানাতেই 'কুখ্যাত ভূমিকম্প' এর এপিসেন্টার (কেন্দ্র) আমরাও দেখবো... আজ হোক কাল হোক। অবশ্য... আমরা এতসব থোড়াই পরোয়া করি! আমরা 'কুল ড্যুড...', আমরা 'চিল ব্রো... চিল'! করোনা আমাদের দেখলে পায়ে ধরে মাফ চায়... টাইফুনকে আমরা চুলের মুঠি ধরে ঝাঁকা দেই... এন্টিবায়োটিক দিয়ে আমরা ডিম-পরোটা ভেজে খাই... এনথ্রাক্স দিয়ে আমরা গোসল করি... আমরা ঈদের নামাজ সাধারণত চলন্ত ট্রেনের ছাদের উপর জামাতে পড়ি... সামান্য মাটির কিছু ঝাঁকাঝাকি নিয়ে এত মাথা ব্যথা করার সময় কোথায় আমাদের? সেই টাকাটা বরং অন্য কোন ভাল কাজে লাগাই... যতদিন ছাদ-চাপা না পড়ছি। এখন বাই বাই...

  • বিমানবন্দর বানানোর জন্য আস্ত একটা পাহাড় কেটে সমান করে দিল চীন! 🤯 চীনের চংকিং-এ রয়েছে পৃথিবীর অন্যতম এক আশ্চর্যজনক বিমানবন্দর—উশান এয়ারপোর্ট (Wushan Airport)। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১,৭৭১ মিটার উঁচুতে অবস্থিত এই বিমানবন্দরটি ২০১৯ সালে চালু হয়। কিন্তু কীভাবে পাহাড়ের চূড়ায় এই বিমানবন্দর তৈরি হলো? এটি তৈরির জন্য, প্রকৌশলীদের প্রায় ২,০০০ মিটার উঁচু একটি আস্ত পাহাড়ের চূড়া কেটে সমান করতে হয়েছিল! 🏔️➡️✈️ এটি ছিল এক বিশাল কর্মযজ্ঞ, যা সম্পন্ন করতে বহু বছর এবং উন্নত প্রযুক্তি লেগেছে। এই প্রকল্পটি চীনের প্রকৌশলগত দক্ষতার এক চরম নিদর্শন। এটি দেখিয়ে দেয় যে, ইঞ্জিনিয়ারিং-এর সীমাকে তারা কতটা ছাড়িয়ে যেতে প্রস্তুত—এমনকি সুউচ্চ পর্বতশৃঙ্গকেও তারা ভ্রমণের প্রবেশদ্বারে পরিণত করতে পারে। ✨ > @FunfactsTM

  • সংখ্যার নয়, সমীকরণের ঘড়ি। > @FunfactsTM

  • "ঘুমের অভাবে মস্তিষ্ক ধ্বংসের পথে" আমরা ঘুমকে প্রায়ই অবহেলা করি। ভাবি, একটু কম ঘুম হলে তেমন কিছু হবে না। কিন্তু বিজ্ঞান বলছে ভিন্ন কথা। ঘুম শুধু বিশ্রামের সময় নয়, এটি আমাদের মস্তিষ্কের পরিচ্ছন্নতা ও পুনর্গঠনের গুরুত্বপূর্ণ পর্ব। যখন আমরা ঘুমাই, তখন মস্তিষ্ক নিজেকে পরিষ্কার করে, ক্ষতিগ্রস্ত অংশগুলো মেরামত করে এবং স্মৃতিকে সংগঠিত করে। কিন্তু ঘুমের অভাবে এই প্রক্রিয়াগুলো ব্যাহত হয়, এমনকি ভয়ঙ্করভাবে উল্টেও যেতে পারে। গবেষণা বলছে, পর্যাপ্ত ঘুম না হলে মস্তিষ্কের কোষগুলো এতটাই সক্রিয় হয়ে ওঠে যে তারা নিজেদেরই ক্ষতি করতে শুরু করে, নিজের কাঠামো ধ্বংস করে ফেলে। - ভালো ঘুমে মস্তিষ্কের কোষগুলো বিষাক্ত পদার্থ সরিয়ে ফেলে। - ঘুম কম হলে, এই কোষগুলো অতিরিক্ত সক্রিয় হয়ে নিজেদেরই ক্ষতি করে। - অ্যাস্ট্রোসাইট কোষ "স্নায়ু সংযোগ" খেয়ে ফেলতে পারে—মনে রাখার ক্ষমতা কমে। - মাইক্রোগ্লিয়াল কোষের অতিরিক্ত কাজ অ্যালঝাইমারের ঝুঁকি বাড়ায়। - পর্যাপ্ত ঘুম না হলে, মস্তিষ্ক ধীরে ধীরে নিজের কাঠামো নষ্ট করতে শুরু করে। > @FunfactsTM

  • বিশ্বের অর্ধেক মানুষ মাত্র একটি ছোট ভূখণ্ডে বাস করে। মূলত এশিয়ার কিছু নির্দিষ্ট দেশে। বাকী অর্ধেক ছড়িয়ে আছে পৃথিবীর বাকি বিশাল অংশে। > @FunfactsTM

  • আধুনিক ব্রয়লার মুরগির আকার গত কয়েক দশকে নাটকীয়ভাবে বেড়েছে, যার পেছনে আছে নির্বাচিত প্রজনন (selective breeding) ও উন্নত খাদ্য ব্যবস্থাপনা। USDA-এর তথ্য অনুযায়ী, বাজারজাত মুরগির গড় ওজন ১৯৭৫ সালে যেখানে ছিল ৩.৭৬ পাউন্ড, ২০২৪ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬.৫৭ পাউন্ডে— যা ৫০ বছরে প্রায় ৭৫% বৃদ্ধি। আরও দীর্ঘ সময়ের দৃষ্টিতে দেখলে বৃদ্ধি আরও বেশি চোখে পড়ে: ১৯৫০-এর দশকের তুলনায় আজকের মুরগির ওজন ৪০০% বেশি। ব্রয়লার মুরগির এত দ্রুত বৃদ্ধি, যা এখন মাত্র ৪৭ দিনে অর্জন করা হয় তা ১৯২৫ সালে সময় লাগত ১১২ দিন। বিষয়টা ব্রয়লার এর খাদ্যের গুণমান, পশুর কল্যাণ ও আমরা আসলে কী খাচ্ছি এই বিষয়ে প্রশ্ন তোলে। উৎস: ন্যাশনাল চিকেন কাউন্সিল / USDA ব্রয়লার পারফরমেন্স ডেটা > @FunfactsTM

  • গুহার অন্ধকারে ১৭ দিনের লড়াই ফ্লয়েড কলিন্সের মর্মান্তিক কাহিনি 😱 আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না—তার সঙ্গে কী ঘটেছিল!” ১৯২৫ সালের জানুয়ারি মাস। আমেরিকার কেনটাকি অঙ্গরাজ্যের এক তরুণ গুহা–অনুসন্ধানকারী ফ্লয়েড কলিন্স নিজের বাড়ির পাশে একটি রহস্যময় গুহা আবিষ্কার করেন। স্বপ্ন ছিল নতুন গুহা আবিষ্কার করে পর্যটনের জন্য উন্মুক্ত করবেন, যা একদিকে রোমাঞ্চ, অন্যদিকে জীবিকা। তিনি সেই গুহার নাম দেন "স্যান্ড ক্যাভ"। ফ্লয়েড বিশ্বাস করেছিলেন, সরু প্রবেশপথের পর ভেতরে আছে বিশাল এক জগৎ। একাই গুহায় প্রবেশ করেন—সাপ, আঁধার, পিচ্ছিল পাথর উপেক্ষা করে নামতে থাকেন প্রায় ৬০ ফুট গভীরে। কিন্তু হঠাৎই ঘটে দুর্ঘটনা। একটি ভারী পাথর গড়িয়ে পড়ে গিয়ে তার পায়ের গেড়ালিতে আটকে যায়। চেষ্টা করেও আর নড়তে পারেন না, উঠতে পারেন না। পরদিন যখন তিনি আর ফিরে আসেন না, তার পরিবার উদ্বিগ্ন হয়ে খোঁজ শুরু করে। খবর ছড়িয়ে পড়ে সারা অঞ্চলে। লোকজন, পুলিশ, সংবাদমাধ্যম, এমনকি সেনাবাহিনীও যুক্ত হয় উদ্ধার অভিযানে। কিন্তু গুহাটি এতটাই সরু (মাত্র ১৪ ইঞ্চি প্রশস্ত) যে, সেখানে পৌঁছানো ছিল প্রায় অসম্ভব। তবু দড়ির সাহায্যে খাবার, আলো, পানি পৌঁছে দেওয়া হয়। ফ্লয়েড প্রথম কয়েকদিন বেঁচে ছিলেন—আশাবাদী ছিলেন, লড়াই করছিলেন। অবশেষে আবার ধস নামে গুহার ভেতরে। আর কেউ তার কাছে পৌঁছাতে পারেনি। ⏳ ১৭ দিন পর, তার মৃত্যুর খবর জানানো হয়। সেই অন্ধকারেই চিরতরে ঘুমিয়ে পড়েন ফ্লয়েড কলিন্স। এই ঘটনাটি সে সময়ের গোটা আমেরিকাকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল। সংবাদপত্রের প্রথম পাতায় ছিল তার গল্প, তার লড়াই, তার বাঁচার আকুতি। ⚰️ ফ্লয়েড কলিন্স – এক সাহসী গুহা–অনুসন্ধানকারীর শেষ যাত্রা, যিনি অন্ধকারের মাঝেও আশা হারাননি, ১৭ দিন ধরে মৃত্যুর সঙ্গে লড়েছিলেন! একা পথ চলা বিপজ্জনক হতে পারে তিনি একা গুহায় গিয়েছিলেন। এই ভুলটাই তার জন্য সবচেয়ে বড় বিপদ ডেকে আনে। জীবনে কোনো বড় পদক্ষেপ নেওয়ার সময় পাশে একজন সহচর থাকা দরকার।

  • আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে তিনটি বড় আকারের অদৃশ্য গ্রহাণু পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসতে পারে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। ২০২০ এসবি, ৫২৪৫২২ ও ২০০২ সিএল১ নামের শহর ধ্বংসকারী গ্রহাণুগুলো পৃথিবীতে আঘাত হানতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন তাঁরা। বিজ্ঞানীদের তথ্যমতে, গ্রহাণুগুলো বর্তমানে শুক্র গ্রহের কক্ষপথে অবস্থান করছে। কিন্তু মহাকর্ষীয় ত্রুটির কারণে এসব গ্রহাণু পৃথিবীর কক্ষপথে চলে আসতে পারে। এর ফলে পৃথিবীতে আঘাত হানার ঝুঁকি রয়েছে। আকারে বড় হওয়ায় গ্রহাণুগুলো শহর ধ্বংস করার জন্য যথেষ্ট শক্তিশালী। বিজ্ঞানীদের ধারণা, সামান্য মহাকর্ষীয় ত্রুটির কারণে দিক পরিবর্তন করে গ্রহাণুগুলো পৃথিবীর দিকে চলে আসতে পারে। তখন গ্রহাণুর আঘাতে তিন কিলোমিটারের বেশি গর্ত তৈরি হতে পারে পৃথিবীতে। শুধু তা–ই নয়, এসব গ্রহাণুর আঘাতে হিরোশিমায় নিক্ষিপ্ত পারমাণবিক বোমার চেয়ে ১০ লাখ গুণ বেশি শক্তি নির্গত হতে পারে। চিলির রুবিন অবজারভেটরি থেকে এসব গ্রহাণুর ওপর নজর রাখা হচ্ছে। সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হচ্ছে, গ্রহাণুগুলোর অবস্থান ঠিকমতো শনাক্ত করা যাচ্ছে না অর্থাৎ গ্রহাণুগুলো মহাজাগতিক অন্ধ স্থানে রয়েছে। এর ফলে পৃথিবীতে আঘাত হানার মাত্র দুই থেকে চার সপ্তাহ আগে গ্রহাণুগুলোর সঠিক অবস্থানের তথ্য জানা যেতে পারে। এ বিষয়ে ব্রাজিলের সাও পাওলো স্টেট ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানী ভ্যালেরিও ক্যারুবার জানিয়েছেন, গ্রহাণুগুলো সূর্যের আলোর কারণে লুকিয়ে রয়েছে। পৃথিবী থেকে কোনো টেলিস্কোপ দিয়ে গ্রহাণুগুলোর সঠিক অবস্থান শনাক্ত করা প্রায় অসম্ভব। Source : এনডিটিভি

FUN FACTS ™️ — tgindex