tgindex
RRTI

Bangladesh Today

Последний пост
23 июл.
Последнее чтение
14 авг.
Постов за неделю
0
Всего постов
21
Тип
открытый
Язык
bn
В каталоге с
14 авг.
Подписчики
1 231
+1 за 2 дн.
Сутки
0
0,00%
Неделя
 
Месяц
 
Просмотров на пост
266
21 постов
Вовлечённость
21,6%
к подписчикам
Постов в день
0,0
всего 21
Упоминаний
0
каналов
Охват размещения
оценка
1/24сутки в ленте
142
1/48двое суток
162
1/72трое суток
175

Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.

Посты

  • লাল জুলাই আইসা পড়ছে❤️ 📕 কাঁটাবন কনকর্ড, বাতিঘর ও রকমারিতে পাওয়া যাবে! 📌 বুক রিভিউর প্রথম ২০ জনের জন্য থাকছে বই উপহার। *Rokomarilink* ইকবাল, ফুকো ও জুলাই বিপ্লব: আবদুল কাদের জিলানী - Iqbal, Foucault and July Revolution: Abdul Kader Zilani | Rokomari.com https://share.google/AamWqgn73WjdsEyfF

  • সাদি মুহম্মদ একজন মুসলিম ছিলেন। আমরা দেখলাম তাঁর মৃত্যুতে আগুনের পরশমণি গান গাওয়ার হলো । এরপর রবীন্দ্র কালচার ঘিরে প্রতিষ্ঠিত ছায়ানটের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং সভাপতি সানজিদা খাতুনের মৃত্যুর পর ঘন্টা খানেক ধরে তার লাশকে ঘিরে রবীন্দ্র সংগীত গাওয়া হলো। শত শত ভক্তরা সানজিদা খাতুনের লাশ সামনে নিয়ে বিদায় জানালেন। ১৯৬১ সালে ছায়ানট প্রতিষ্ঠিত হয়। ষাটের দশকে বেতার ও টেলিভিশনে রবীন্দ্র সংগীত গাওয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। কলিম শরাফী ছায়ানট গড়ে তোলেন যেখানে সুফিয়া কামালকে সভাপতি এবং ফরিদা হাসানকে সম্পাদক করেন। প্রথমদিকে গান শেখানোর পশাপাশি গানের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হতো। তবে ১৯৬৪ সালে, বাংলা ১৩৭১ পহেলা বৈশাখ রমনায় নববর্ষ পালন করে ছায়ানট । এরপর ধীরে ধীরে হিন্দু কালচারের প্রতিটি অনুষ্ঠানে রবীন্দ্র সংগীত গেয়ে উদযাপন করা হয় । যে কোন উদযাপনে রবীন্দ্র সংগীত উপজীব্য করে কালচারাল কার্যক্রম মূলত কালচারাল প্রভুত্বের শামিল। তাই ছায়ানট অনুরাগীরা রবীন্দ্র সংগীত কেন্দ্রিক যে কালচারের হর্তা কর্তা তা মূলত রাবিন্দ্রিক কাল্ট। মোস্তফা মনোয়ার ছিলেন গোলাম মোস্তফার ছেলে। গোলাম মোস্তফা ছিলেন মুসলিম জাগরণের অন্যতম কবি। রাসূল স. এর উপর তাঁর লেখা বিশ্বনবী ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও জনপ্রিয় জীবনী। গোলাম মোস্তফার "ইসলাম ও কমিউনিজম", "আমার চিন্তাধারা" ছিল তাঁর গভীর চিন্তার ফসল। চল্লিশের দশকে যারাই ইসলাম ও মুসলিম সাংস্কৃতির পক্ষে ছিলেন তাদের সন্তানরা একাত্তর পরবর্তী সেকুলার ও বামপন্থী রাজনৈতিক দর্শনের সাথে যুক্ত হন। যেমন আবুল হাসিম, আবুল মনসুর আহমদ, ডক্টর মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ যাদের সন্তানরা বাবার চিন্তার বিপরীতে রাজনৈতিক বয়ান উৎপাদন করেন। মোস্তফা মনোয়ারের মৃত্যু পরবর্তী তার লাশ ঘিরে দিজেন্দ্রলাল রায়ের গান গাওয়া হলো। মোস্তফা মনোয়ার একজন গুণী শিল্পী ছিলেন। গত মাসে এক পোডকাস্টে কুরআন নিয়ে কথা বলতে দেখেছিলাম। তিনি হয়তো শেষ জীবনে উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন। উনিশ শতকে রাজা রামমোহনের(১৭৭২-১৮৩৩) হাত ধরে হিন্দু ধর্মের বাইরে গিয়ে নতুন ধর্ম চিন্তার কথা ভাবা হয় । এই উনিশ শতকেই বঙ্কিমের(১৮৩৮-১৮৯৪) হাতে নতুন ধর্মের রূপ তৈরি হয় । যা পরবর্তীতে দেশ ভক্তিতে রূপ নেয় । ধর্ম অর্থাৎ দেশ সেবা এবং ঈশ্বর অর্থাৎ দেশ এই মন্ত্রে হিন্দু জাতীয়তাবাদ প্রচার ও প্রসার করল । এরমধ্যেই রবীন্দ্রনাথের(১৮৬১-১৯৪১) জন্ম । রবীন্দ্রনাথ নাথ ,স্বামী ও প্রভু সম্বোধনে গান লিখেছেন । তবে তার গানে ভিন্ন ভিন্ন অনুষঙ্গ প্রকাশ পেয়েছে । কখনো আকুতি কখনো বাসনা কখনো করুনা প্রকাশ পেয়েছে । আরো গভীর পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায় এসবের পেছনে বেদ ও উপনিষদের প্রভাব রয়েছে প্রকট । মোটের উপর বলতে গেলে বাংলাদেশে যে রবীন্দ্র কালচার তা মূলত কাল্ট হিসবে প্রচার ও প্রসার হচ্ছে । যা বাংলাদেশের মুসলমানদের মনস্তত্ব ও আচারে ধীরে ধীরে গেথে যাচ্ছে । এক সময় এদেশের মুসলিমদের ধর্মচর্চার সাথে রাবিন্দ্রিক কাল্ট অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছি। ব্যক্তি ,সমাজ ও রাষ্ট্রে যা নিছক সংস্কৃতি ও সভ্যতা সমপর্যায়ের বললে ভুল হবে না। ধরেন আপনি রাবিন্দ্রিক কালচার বয়কট করলেন তার মানে এই নয় যে এই কালচার বিলুপ্ত হয়ে যাবে । যারা বিরোধীতা করছে বরং তারাই রাষ্ট্রের মূল ধারায় প্রান্তিক হয়ে যাচ্ছে । আর দিন দিন এটা আরো প্রবল হয়ে উঠবে বলে মনে হচ্ছে । চারুকলা ,ছায়ানট ,সংগীত ইনস্টিটিউট, শিল্পকলা, একাডেমি এসব মূলত রাবিন্দ্রিক কালচারের কেন্দ্র পর্যায়ের। তবে এই কালচার সমাজ ও রাষ্ট্রের সাথে যে সমন্বয় ঘটিয়েছে তাতে স্রেফ রাবিন্দ্রিক কালচার আর কালচার পর্যায়ে নাই তা এখন সভ্যতা পর্যায়ভুক্ত । এখানে সেক্যুলারিজম খুব গুরুত্বের সাথে কাজ করছে । এখানে আগুনের পরশমণি অথবা ধনধান্যে পুষ্পভরা গান গেয়ে যে কালচার তার উদ্দেশ্য অভিন্ন। রবীন্দ্রনাথ ব্রাহ্মণ্য ধর্ম, মানব ধর্ম অথবা সেক্যুলার ধর্মের ধর্ম গুরু এটা কম প্রাসঙ্গিক । এখানে তার চেয়ে বেশি প্রাসঙ্গিক হচ্ছে রবীন্দ্র সভ্যতা যারা হুমকি মনে করছে তাদের সভ্যতা নির্মাণের খোরাক কি ! এই রাবিন্দ্রিক কালচার মোকাবিলায় আপনার রসদ কি ? অথবা আপনি কি ধরনের সংস্কৃতি ও কালচার দিয়া রাবিন্দ্রিক কাল্ট মোকাবিলা করবেন ? রাবিন্দ্রিক কাল্ট বিরোধীতার চেয়ে নিজেদের চিন্তা ও দর্শনের পুনর্গঠন জরুরী । আপনি কারো পিছে পড়ে থাকলে কখনোই সামনে পৌঁছাতে পারবেন না । তাই নিজস্ব চিন্তার যথাযথ মূল্যায়ন করে সংস্কৃতি ও সভ্যতার পাটাতন তৈরি ছাড়া এদেশের মুসলিমদের রাবিন্দ্রিক কাল্ট থেকে মুক্তি মিলবে না । জুলাই যে বিপ্লবের স্পিরিট তৈরি করে গেছে সেই স্পিরিট ধারণ করে একটা কালচার গড়ে তোলাই হবে আমাদের প্রধান লক্ষ্য। সকল শহীদ ও যোদ্ধাদের লাল সালাম। জুলাই মোবারক।

  • видео или голосовое, без подписи

  • কোন যুক্তিতে আওয়ামীলীগকে সন্ত্রাসী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে- সারা হোসেন ১। সারা হোসেন জানেন না হাসিনা সরকার ২০০৯ সালে বিডিআর বিদ্রোহের নামে সেনা অফিসার হত্যাকাণ্ড দিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতা গ্রহণ করেছিলেন । ২। সারা হোসেন জানেন না ২০১৩ সালের ৫ ই মে হেফাজত কর্মীদের উপর হাসিনা সরকার ক্রাকডাউন করে নিরস্ত্র মানুষকে হত্যা করেছিল । রাতের অন্ধকারে ধর্মপ্রাণ মানুষের উপর বর্বর হামলার মাধ্যমে শাপলা চত্ত্বর রক্তাক্ত করেছিল। সেই সময়ে শেখ হাসিনা সংসদে দাঁড়িয়ে শাপলা চত্বরের ক্রাকডাউন নিয়ে মিথ্যাচার করে বলেছিল "সেদিন হেফাজত কর্মীরা রঙ মেখে শুয়ে ছিল"। ৩। সারা হোসেন জানেন না জামায়াত নেতা দেলোয়ার হোসাইন সাঈদীর রায় পরবর্তী জামায়াত শিবিরের নেতা-কর্মীদের উপর ক্রাকডাউন চালিয়েছিল স্রেফ রাজনৈতিক প্রতিহিংসা। মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের নামে জামায়াত নেতাদের জুডিশিয়াল কিলিং করা হয়েছিল। ২০১৩ সালে শাহবাগে গণজাগরণ মঞ্চ তৈরি করে হাসিনা ফ্যাসিবাদের সূচনা করেছিল। ৪। সারা হোসেন জানেন না ২০১৮ সালে কোটা সংস্কার আন্দোলনের নামে শিক্ষার্থীরা কিভাবে রাষ্ট্রের পুলিশের দ্বারা নিপীড়নের শিকার হয়েছিলেন। ৫। সারা হোসেন জানেন না ২০১৮ সালে নিরাপদ সড়ক আন্দোলনে স্কুল- কলেজের শিক্ষার্থীরা হাসিনার জুলুমের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিল। রাষ্ট্রের পুলিশ বাহিনী দিয়ে স্কুলের বাচ্চাদের রক্তাক্ত করা হয়েছিল । ৬। সারা হোসেন জানেন না ২০১৯ সালে বুয়েট সোনার ছাত্রলীগ ফেসবুকের একটি পোস্ট কেন্দ্র করে আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা করেছিল । ৭। সারা হোসেন জানেন না মুজিব শত বর্ষে ভাস্কর্য আর সৌন্দর্য বর্ধনের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা লুট হয়। মা ক্ষুধার যন্ত্রনায় নিজের সন্তানকে বিক্রি করে দিয়েছিল; অন্যদিকে মুজিবের ভাস্কর্য নির্মানের পেছনে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে ফ্যাসিবাদী সরকার। ৮। সারা হোসেন জানেন না এমপি-মন্ত্রী, মেয়র , কাউন্সিলর, চেয়ারম্যান, মেম্বর থেকে প্রতিটি রাজনৈতিক নেতা-কর্মী ত্রাণ ও টাকা চুরির পাশাপাশি করোনায় সময় টিকা বানিজ্য করেছিল। ৯। সারা হোসেন জানেন না ২০১৪, ২০১৮, ২০২৪ নির্বাচনে রাতে ভোট ডাকাতি; দিনের ভোট রাতের মাধ্যমে, গণতন্ত্র হত্যা করা হয়েছিল । ১০। সারা হোসেন জানেন না জুলাই বিপ্লব পরবর্তী দশ, পাঁচ, দুই, এক বছর মেয়াদে গুম থাকার পর অনেকেই মুক্তি লাভ করেছিল। এখনো শত শত মানুষ গুম আছে। যাদের খবর তাদের পরিবারের জানা নেই। সারা হোসেনের কাছে গুমের অপরাধ অপরাধ না। ১১। জুলাইয়ে ১৪০০ শহীদের রক্তে একটা রক্তাক্ত গণহত্যার ইতিহাস লেখা হয়েগিয়েছে। সারা হোসেনরা জানেন না এই গণহত্যা, এই রক্তের নেশা কার ছিল! হাসিনা গোটা দুনিয়ার সামনে তার উন্নয়নমূলক ফ্যাসিবাদ পবিত্র ও কল্যাণকর হিসেবে প্রচার করেছিল। জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের কাছে পরাজিত হয়ে ৫ ই আগস্ট ২০২৪ শেখ হাসিনা দেশ থেকে পালিয়ে যায়। এখন চলছে লীগ পুনর্বাসনের প্রক্রিয়া। তবে কালচারাল ফ্যাসিস্ট, সুশীল, বুদ্ধিজীবি, নারী সিম্পাথি সহ নানা ধরনের রূপ ধরে লীগ পুনর্বাসনের চেষ্টা চলছে। তবে গণহত্যার অভিযোগ কাঁধে নিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামীলীগের পুনরুজ্জীবন অসম্ভব বলে মনে করি।

  • видео или голосовое, без подписи

  • মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ১৭ জুন যুগান্তর-এ প্রকাশিত “কালচারাল রোডম্যাপ” নিয়ে কিছু কথা বলতে চাই। এ ধরনের আলোচনা আমরা প্রায়ই করে থাকি। দিল্লি ও আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক এজেন্ডা আমাদের কাছে বহু আগেই স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল। তবে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি যখন ‘কালচারাল ফ্যাসিজম’; এর ন্যারেটিভ নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলেন, তখন বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পায়। ফারুকীর বক্তব্য আরও একটি কারণে তাৎপর্যপূর্ণ; তিনি জুলাইয়ের স্পিরিটকে ধারণ করার চেষ্টা করেছেন। সেই সূত্র ধরেই আলোচনা শুরু করা যাক। ফারুকী বলেছেন, কোনো দেশকে দীর্ঘমেয়াদে উপনিবেশে পরিণত করতে চাইলে প্রথমে তার ইতিহাস ও সংস্কৃতির ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে হয়। আমার মতে, আওয়ামী লীগ ও দিল্লির যৌথ প্রচেষ্টায় বাংলাদেশে এই কাজ বহু আগেই সম্পন্ন হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার মধ্যে যত ধরনের রাজনৈতিক ও আদর্শিক উপাদান প্রবেশ করানো সম্ভব ছিল, তার প্রায় সবই করা হয়েছে। এই কাজে আওয়ামীপন্থী বুদ্ধিজীবীরা যুগের পর যুগ সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। এমন এক পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে, যেখানে আওয়ামী লীগ ও মুজিব-কাল্টকে ধর্মের কাছাকাছি, কখনো কখনো ধর্মের চেয়েও পবিত্র কিছু হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। মানুষকে বোঝানো হয়েছে যে আওয়ামী লীগের পবিত্রতার উৎস ১৯৫২, ১৯৬৯ ও ১৯৭১। ফলে গত পঞ্চান্ন বছর ধরে সমাজের একটি বড় অংশ এই পবিত্রতার বয়ানের মধ্যে নিমজ্জিত থেকেছে। খুব কম মানুষই নিজেকে প্রশ্ন করেছে; আসলে একটি রাজনৈতিক দল কীভাবে ধর্মীয় পবিত্রতার সমতুল্য হয়ে উঠতে পারে? মানুষের মগজধোলাইয়ের ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের দক্ষতা ছিল অসাধারণ। তাদের রাজনৈতিক ইতিহাসচর্চা যেন ১৯৭১, ১৯৬৯ কিংবা সর্বোচ্চ ১৯৫২ পর্যন্ত গিয়ে থেমে যায়। এর আগের ইতিহাস যেন তাদের কাছে গুরুত্বহীন। বিষয়টি শুধু রাজনৈতিক অভিনয় নয়; বরং একটি দীর্ঘমেয়াদি বুদ্ধিবৃত্তিক নির্মাণ। আওয়ামী বুদ্ধিজীবীরা এমনভাবে ইতিহাসকে নির্মাণ ও প্রচার করেছেন যে মানুষ অজান্তেই সেই বয়ান গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের দিকে তাকালেও একই চিত্র দেখা যায়। কয়েক দশক ধরে এই ক্ষেত্রের বড় অংশ আওয়ামী রাজনৈতিক আধিপত্যের মধ্যে বেড়ে উঠেছে। তাদের কাছে একটিই চশমা ছিল; যার নাম ‘প্রগতিশীলতা’; আর সেই প্রগতিশীলতার সংজ্ঞাও নির্ধারিত হতো আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক অবস্থান দিয়ে। ফলে আওয়ামী লীগের বাইরে অবস্থানকারী প্রায় সবাইকে ‘প্রতিক্রিয়াশীল’ হিসেবে চিহ্নিত করার একটি ন্যারেটিভ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। আমি ২০০৬ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত শাহবাগ ও পাবলিক লাইব্রেরি এলাকায় দীর্ঘ সময় কাটিয়েছি। সেই অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি, শাহবাগকেন্দ্রিক সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড কতটা একমুখী রাজনৈতিক আধিপত্যের মধ্যে পরিচালিত হতো। ফ্যাসিবাদী সময়ের বহু ঘটনার প্রত্যক্ষ সাক্ষী আমি। সে প্রসঙ্গ অন্য কোনো সময় বিস্তারিত বলা যাবে। সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো, ফ্যাসিবাদী আমলে সংঘটিত হত্যা, গুম, দমন-পীড়ন ও ক্র্যাকডাউনের বিরুদ্ধে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বড় অংশ নীরব ছিল। কেউ কেউ শুধু নীরবই থাকেননি; বরং সেই শাসনব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন, মিছিল করেছেন, উল্লাস করেছেন এবং রাষ্ট্রের সহিংসতাকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। জুলাই-পরবর্তী সময়ে আমরা এই সাংস্কৃতিক কাল্টের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে পারিনি। আমার কাছে এটি আমাদের অন্যতম বড় রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ব্যর্থতা।

  • Bangladesh Institute of Islamic Thought (BIIT) proudly presents a one-semester course on World Civilizations & Global Encounters, instructed by Prof. Abdullah al-Ahsan, PhD. Registration Deadline: 15 June 2026 Course Starts: 20 June 2026 Eligibility: Postgraduate…

  • Bangladesh Institute of Islamic Thought (BIIT) proudly presents a one-semester course on World Civilizations & Global Encounters, instructed by Prof. Abdullah al-Ahsan, PhD. Registration Deadline: 15 June 2026 Course Starts: 20 June 2026 Eligibility: Postgraduate (Master's & PhD) Registration Fee: BDT 1000 Limited seats available. Register now. Link: https://forms.gle/jh2wQUPFHVHHnRpQ8

  • Assalamu Alaikum, This is a kind reminder about today's Memorial Webinar on Shah Abdul Hannan (Rh.). Date: 9 June 2026 (Tuesday) Time: 9:15 PM (BD Time) Zoom Link: https://us02web.zoom.us/j/3582642960 We look forward to your participation. Jazakumullahu Khairan.

  • জুলাই-পরবর্তী ওসমান হাদি হ ত্যাকাণ্ড যে একটি পরিকল্পিত ঘটনা ছিল, তা আমরা শুরু থেকেই উপলব্ধি করতে পেরেছিলাম। আন্তর্জাতিক শক্তি, ডিপ স্টেট এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক শক্তির সমন্বিত স্বার্থ ও ইচ্ছার প্রতিফলন এই হ ত্যাকাণ্ডে ছিল; এ বিষয়টি মোটেও অস্পষ্ট ছিল না। আমরা জানি না, হাদির হত্যার ন্যায়বিচার আদৌ প্রতিষ্ঠিত হবে কি না। তবে তিনি যে নতুন রাজনৈতিক চেতনা, সংস্কৃতি ও মূল্যবোধভিত্তিক সংগ্রামের সূচনা করে গেছেন, সেই লড়াই ও চর্চা অব্যাহত থাকবে। ব্যক্তি হাদি হয়তো আর আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু তাঁর আদর্শ ও স্বপ্ন ভবিষ্যতের পথচলায় অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। ইনকিলাব কমরেড।

  • ‘ইকবাল, ফুকো ও জুলাই’ গ্রন্থটি জুলাই-পরবর্তী বাংলাদেশের অসমাপ্ত রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও রূহানি অভিজ্ঞতাকে বোঝার একটি প্রচেষ্টা। ইকবাল ও ফুকোর চিন্তার আলোকে জুলাইয়ের তাৎপর্য, সীমাবদ্ধতা এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাকে অন্বেষণ করাই এ গ্রন্থের মূল উদ্দেশ্য। খুব শীঘ্রই বের হচ্ছে ,,

  • জুলাই ও ইকবাল নিয়া দৈনিক আমার দেশের সাহিত্য পাতার আমার লেখাটি পড়তে পারেন। জুলাই পরবর্তী ইকবাল আলাপ আরো সুনির্দিষ্ট হইয়া উঠবে বলে আমার বিশ্বাস। আমার আপকামিং "জুলাই, ফুকো ও ইকবাল" গ্রন্থে বিস্তারিত থাকবে। যাই হোক লেখাটি পইড়া মন্তব্য জানাবেন। লিঙ্ক: https://www.dailyamardesh.com/literature/essay/amdnjp5kilfiz

  • https://youtu.be/nDIvq9CJY1Y

  • видео или голосовое, без подписи

  • শেরে বাংলা একে ফজলুল হক অল ইন্ডিয়া মুসলিম এডুকেশনাল কনফারেন্সে সভাপতির ভাষণে এই বক্তব্য দেন যেখানে তিনি মুসলিম শিক্ষা সংস্কৃতি ও সভ্যতার সংকট তুলে ধরেন। শেরে বাংলা বলেন মুসলিম সাংস্কৃতি ও ইসলামী নিদর্শন মুছে সেখানে হি"ন্দু কালচারাল ফ্যাসিবাদ চাপিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র দেখা যাচ্ছে। ওয়ার্ধা প্রকল্পের শিক্ষা "প্রতিটি ধর্মই সত্য এবং কোনো ধর্মই অন্য ধর্মের তুলনায় শ্রেষ্ঠ নয়"। শেরে বাংলা বলেন এই বক্তব্য ইসলামকে প্রত্যাখ্যান করার শামিল। শেরে বাংলা বলেন ভারতের ইসলামী শিক্ষার মূলমন্ত্র তিনটি বিষয়ের মাধ্যমে প্রকাশ করা যায়। এক. স্বাধীনতা। দুই. ঐক্য। তিন. উন্নয়ন। তিনি বলেন যে শিক্ষা ব্যবস্থায় মুসলমানের ভাষা, সংস্কৃতি, শরিয়াহ ও ঐতিহ্যের পূর্ণ স্বাধীনতা ও স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করে না, তা মুসলমানদের জন্য গ্রহণযোগ্য নয়। ১৯৩৯ সালে কলকাতার মোহাম্মদ আলী পার্কে শেরে বাংলা একে ফজলুল হক উর্দুতে যে বক্তৃতা দেন সেটা খুতবায়ে সদারত নামে পরবর্তীতে প্রকাশিত হয়। উর্দু বক্তব্যটি সংগ্রহ করতে আমার এক প্রফেসর সহযোগিতা করেছে। বইটি অনুবাদ করেছেন Kazi Akram বিশেষ কৃতজ্ঞতা ভাই। বইটির ভূমিকা লিখেছেন শেরে বাংলা একে ফজলুল হকের নাতনি এ কে ফ্লোরা। আমি কেবল সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। যাই হোক। খুব শীঘ্রই বইটি পাঠকের কাছে দিতে পারবো।

  • রাজনৈতিক দল হিসেবে একমাত্র আওয়ামীলীগই একটা প্যাকেজ রাজনীতি করে। একদিকে তাদের রাজনৈতিক দর্শন, কালচার,বুদ্ধিজীবি,চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব, মিডিয়া ও একনিষ্ঠ রাজনৈতিক কর্মী যেমন রয়েছে তেমনি আন্তর্জাতিক লবিং, ডিপস্টেট ও বিশ্বস্ত প্রশাসনও রয়েছে। ধরেন রাজনৈতিক দর্শন হিসেবে তারা মুজিব কাল্ট মনে প্রাণে ধারণ করেন। আওয়ামী বুদ্ধিজীবিরা কালচারাল সাইট নিজেদের দখলে রেখে সংস্কৃতিক অঙ্গন নিজেদের করে রেখেছে। তাদের কাঠামোর বাইরে আপনার কাজের গ্রহণযোগ্যতা সীমিত। উদিচি, ছায়ানট, বাংলা একাডেমি, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র, গ্রন্থাগার অধিদপ্তর সহ রাষ্ট্রের অন্যান্য সংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান হাসিনার ফ্যাসিস্ট হয়ে উঠার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। এরপর আসেন সংবাদপত্র। বিশিষ্ট সংবাদপত্রের সম্পাদকেরা পর্যন্ত এজেন্সির সাথে যুক্ত হয়ে ফ্যাসিবাদের কাঠামো মজবুত করেছিল। এরপর নাটক সিনেমা ও খেলোয়াররা প্রত্যক্ষভাবে ফ্যাসিবাদি রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হয়েছে। এরপর প্রশাসন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, আন্তর্জাতিক সমর্থন ও ডিপস্টেটের কৌশলী সিদ্ধান্ত ফ্যাসিবাদী ক্ষমতাকে দীর্ঘায়িত করেছিল। এক কথায় আওয়ামীলীগ একটা শক্তিশালী প্যাকেজ রাজনীতি করে। এবার আসেন অন্যান্য রাজনৈতিক দল কি রাজনীতি করে সেটা দেখি। বিএনপি দুর্বল বুদ্ধিবৃত্তিক বুদ্ধিজীবিতা আপহোল্ড করে। তাদের বুদ্ধিজীবিরা কালচারালি লীগের উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করে। লীগের তৈরি করা রাষ্ট্রীয় কাঠামোর উপর তারা রাষ্ট্রীয় পলিসি তৈরি করে। দিন শেষে ভূমি দখলের রাজনীতির বাইরে রাজনীতি করতে দেখি না। প্রতিটি ফ্যাসিবাদী প্রতিষ্ঠান লীগের অনুপস্থিতিতে বিএনপিকে সমর্থন দিচ্ছে। জাস্ট এতটুকু। এরপর জামায়াতের অবস্থা আরো ভয়াবহ। আওয়ামী মিডিয়া লীগের অনুপস্থিতিতে বিএনপির সেবা দেবে, তবে জামায়াতের হয়ে সে কোন দিন কাজ করবে না সেটা স্পষ্ট। আদর্শিক ভাবে জামায়াত শক্তিশালী তবে রাজনৈতিক জ্ঞানের চেয়ে তাদের সাংগঠনিক জ্ঞান ভালো। তাই দিন শেষে ভূমি দখলের রাজনীতি ছাড়া নতুন বন্দোবস্তের রাজনীতি আর হয়ে ওঠে না। জামায়াতের মিডিয়া লাগে না। বুদ্ধিজীবি লাগে না। প্রশাসন লাগে না। আন্তর্জাতিক লবিং লাগে না। ডিপস্টেটের ক্ষমতার হাত মাথায় রাখা লাগে না। দিন শেষে তাদের সাথে কথা বলে পারবেন না। তারা বলবে তারা বাংলাদেশপন্থী রাজনীতি করে। তারা ইসলামী আন্দোলনের রাজনীতি করে। রাজনৈতিক দর্শন, কালচার,বুদ্ধিজীবি,চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব, মিডিয়া ও একনিষ্ঠ রাজনৈতিক কর্মী ছাড়া ক্ষমতার রাজনীতি অসম্ভব। সেই সাথে আন্তর্জাতিক লবিং, ডিপস্টেট ও বিশ্বস্ত প্রশাসনের হাত মাথায় থাকা লাগবে। যদি ডিপস্টেট মুলা ঝুলিয়েও থাকে তাহলে সেই মুলা উগ্র জাতীয়তাবাদী মুলা সেটা বোঝার ক্ষমতা কি আছে! এই মুলা আরেকটা ফ্যাসিবাদি বন্দোবস্তের দিকে যাচ্ছে কিনা সেটা কে জানে!

  • https://www.youtube.com/watch?v=1QBbqWW2S2c

  • ২১ এপ্রিল বটতলায় আপনিও আমন্ত্রিত।

  • এসব ফিরে আসা মানে জুলাইকে ব্যর্থ হিসেবে দেখানো। জুলাই ছিল শহীদ আর আহত গাজিদের উপহার। আমরা সেই জুলাই হেফাজত করতে সক্ষম হইনাই। যাদের জন্য জুলাই ব্যর্থ হয়েছে তাদের জীবন যাপন দেইখা মরতে চাই।

  • видео или голосовое, без подписи

RRTI — tgindex