একটি বার্তা - Akti Barta
Статистикаসবার আগে সর্বশেষ সংবাদ পেতে সাথেই থাকুন। বিশ্বের সমস্থ গুরত্বপূর্ণ সংবাদের পাশাপাশি রয়েছে ব্রেকিং ও বিশ্লেষণধর্মী সংবাদ।
- Последний пост
- 8 авг.
- Последнее чтение
- 15 авг.
- Постов за неделю
- 0
- Всего постов
- 20
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- В каталоге с
- 13 авг.
- 1/24сутки в ленте
- 228
- 1/48двое суток
- 261
- 1/72трое суток
- 281
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
একটি বার্তা - Akti Barta pinned «এত বিপদের মাঝেও অ্যামেরিকান অস্ত্র ইরাকে পৌঁছায় নাই অ্যামেরিকান ব্যাক ইরাকি প্রধানমন্ত্রীর কাছে। সৌদি সহ আরব দেশগুলোর নিশ্চয় এটা জানা থাকার কথা। তাই অ্যামেরিকার অস্ত্রের উপর নির্ভরশীলতা কিংবা অ্যামেরিকা ওদের নিরাপত্তা দেবে; এটা ভেবে যদি ওরা বসে থাকে। ওদের…»
এত বিপদের মাঝেও অ্যামেরিকান অস্ত্র ইরাকে পৌঁছায় নাই অ্যামেরিকান ব্যাক ইরাকি প্রধানমন্ত্রীর কাছে। সৌদি সহ আরব দেশগুলোর নিশ্চয় এটা জানা থাকার কথা। তাই অ্যামেরিকার অস্ত্রের উপর নির্ভরশীলতা কিংবা অ্যামেরিকা ওদের নিরাপত্তা দেবে; এটা ভেবে যদি ওরা বসে থাকে। ওদের কপালে খারাপই আছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে - এই জোট কি ইরানের বিরুদ্ধে করা হয়েছে? কারন এই জোটের মূল ধারণাটাই হচ্ছে- কোন একটা দেশ আক্রমনের শিকার হলে অন্যরা ধরে নেবে তাঁদেরকেও আক্রমণ করা হয়েছে। এখন ধরেন ইরান যদি সৌদি আরবে আক্রমণ করে। আপনার কি মনে হয় পাকিস্তান কিংবা তুরস্ক ইরানে আক্রমণ করবে? অ্যামেরিকান অধ্যাপক জেফ্রি সাক্স আজ বলেছেন - রাশিয়া যখন তুরস্কের একটা বিমানে আক্রমণ করেছিল। তখন তুরস্ক তো ন্যাটোর সাহায্য চেয়েছিল। কারন ওরা ন্যাটোর সদস্য। পেয়েছে সাহায্য? পায় নাই। তখন ন্যাটো বলেছিল- আমরা দেখছি, এটা অন্য কোন ঘটনা হতে পারে ইত্যাদি। অর্থাৎ ন্যাটো রাশিয়ার সাথে যুদ্ধে যেতে চায় নাই। ঠিক একই ঘটনা ইরানের ক্ষেত্রেও ঘটবে। তিনি পরিষ্কার করে বলেছেন - Pakistan and Turkey will not go to war against Iran under any circumstances. ( ইরানের বিরুদ্ধে কোন রকম যুদ্ধে পাকিস্তান আর তুরস্ক যাবে না।) তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে - এই জোটটা করা হলো কেন? মূল কারন হচ্ছে সময়। অর্থাৎ সৌদি আরব কোন ভাবেই অ্যামেরিকার বলয় থেকে বের হতে পারছিল না। যার কারনে এখন সুযোগ বুঝে জোটটা করে ফেলেছে। যদিও এ নিয়ে কথাবার্তা অনেক আগে থেকেই চলছিল। কিন্তু ওরা করতে পারছিল না অ্যামেরিকার কারনে। এখন ওরা খুব সহজেই বলতে পারছে - You were able to provide security to Israel, but you failed to provide security for us. ( তোমরা ইজরাইলকে নিরাপত্তা দিতে পেরেছো কিন্তু আমাদেরকে পারও নাই।) সুতরাং অ্যামেরিকার Hegemon (প্রভাব) থেকে বের হবার সুযোগটা কাজে লাগিয়েছে ওরা। তাছাড়া তুরস্ক কিন্তু ন্যাটোর সদস্য। তাহলে কেন ওদের আরেকটা এমন সামরিক জোটে ঢুকতে হবে? এর তো কোন প্রয়োজন ছিল না। এখানে আমি অন্য কারও উক্তি না দিয়ে, আমার নিজের মতামত দেই। গত কয়েক মাস ধরেই ইজরাইলের মন্ত্রী-এমপিরা তুরস্কের বিরুদ্ধে কথা বলে বেড়াচ্ছে। এমনকি এটাও বলেছে- নেক্সট টার্গেট তুরস্ক! আর তুরস্ক খুব ভালো করেই জানে- ইজরাইল যদি তুরস্কে আক্রমণ করে। ন্যাটোর সদস্য হলেও ওদেরকে কেউ বাঁচাতে আসবে না। কারন ন্যাটোর মূল দেশ হচ্ছে অ্যামেরিকা। অ্যামেরিকা নিশ্চয় ইজরাইলের বিরুদ্ধে যাবে না। আর ইজরাইল একটা পারমাণবিক শক্তিধর দেশ। তাই তুরস্ক, সৌদি এবং পাকিস্তানের এই জোটে গেছে। যেহেতু পাকিস্তান পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্র। তাই এই জোটের ফলে একটা Deterrence (প্রতিরোধমূলক) ব্যবস্থা তৈরি হলো। সব চাইতে ইন্টারেস্টিং মন্তব্য আজ করেছেন তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মারান্ডি। তিনি বলেছেন - If this alliance is genuinely against Israel and imperialist America, then Iran should join the alliance. ( এই জোট যদি সত্যিই ইজরাইল এবং সাম্রাজ্যবাদী অ্যামেরিকার বিরুদ্ধে হয়। তাহলে ইরানের উচিত এই জোটে জয়েন করা।) তবে তিনি এটাও বলেছেন- আগে পর্যবেক্ষণ করতে হবে ওদের আসল উদ্দেশ্য কী। তবে একটা কথা নিশ্চিত ভাবেই বলা যায়- ইরান যুদ্ধের ফলে মধ্যপ্রাচ্য সম্পূর্ণ বদলে যাচ্ছে। ঠিক যেমনটা বেলজিয়ান সাংবাদিক অ্যালাইজা বলেছেন - Iran has created a new Middle East. ( ইরান একটি নতুন মধ্যপ্রাচ্য তৈরি করেছে।) এই লেখা শেষ করার আগে বলে নেই- আমার লেখা "ইরান যুদ্ধ ও সাম্রাজ্যবাদের পতনের সূচনা" বইটা নিয়ে এই মঙ্গলবার (১১ তারিখ) বিকেল পাঁচটায় বিশ্ব সাহিত্যকেন্দ্র ভবনের বাতিঘরে (বাংলা মোটরে) লেখক-পাঠক আড্ডার আয়োজন করা হয়েছে। আপনারা সবাই আমন্ত্রিত। রেজিস্ট্রেশন কিংবা ফি কোন কিছুই লাগবে না। স্রেফ চলে আসবেন। আমরা আড্ডা দেব। চাইলে আপনারা আমার বইটা রকমারি থেকে কিংবা সেদিন বাতিঘর থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন। যা হোক, অ্যামেরিকান সাম্রাজ্যবাদের পতনের সূচনা ইরান থেকেই শুরু হয়েছে। এটাই এখন বাস্তবতা। ইরান এই যুদ্ধে শুধু জয়ী হচ্ছে না। একটা নতুন মধ্যপ্রাচ্য গড়ে তুলছে। যেখানে থাকবে না সাম্রাজ্যবাদী অ্যামেরিকা এবং ইজরাইলের কোন রকম আধিপত্য। ইরানে এসে এই দুই সাম্রাজ্যবাদী দেশ নিজেরাই নিজেদের শোচনীয় পরাজয় ডেকে এনেছে। © Aminul Islam
ইরান আজ আরব-আমিরাতের একটা জাহাজে হামলা চালিয়েছে। প্রায় প্রতিদিনই ইরান এখন হরমুজ দিয়ে যে জাহাজগুলো লুকিয়ে পার হবার চেষ্টা করছে; সেগুলোতে হামলা চালাচ্ছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে - ট্রাম্প না বলেছিল, প্রতিটা জাহাজে হামলার ফল স্বরূপ ইরানের একেকটা বিদ্যুৎ, ব্রিজ, তেল-গ্যাস ক্ষেত্রে হামলা করা হবে? তাহলে করছে না কেন? অ্যামেরিকান সামরিক বিশ্লেষক স্কট রিটার আজ বলেছেন - With each passing day, Iran is getting stronger (দিন যত যাচ্ছে, ইরান ততই শক্তিশালী হয়ে উঠছে।) আর পেন্টাগনের যে রিপোর্ট ফাঁস হয়েছে; সেখানে তো পরিষ্কার বলা হয়েছে- অ্যামেরিকার টমাহক মিসাইলের ৫০% শেষ হয়ে গেছে। থাড ইন্টারসেপ্টরের ৮০% শেষ হয়ে গেছে এবং পেট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রের ৬৫% শেষ হয়ে গেছে। এখন তো সিনএনএন-বিবিসি সবাই এটা প্রচার করছে। এই যে রিপোর্ট ফাঁস হয়েছে। এ নিয়ে ট্রাম্পের মন-মেজাজ আজকাল ভালো নেই। সেটা আবার ব্রিটিশ মিডিয়া স্কাই নিউজ ফলাও করা প্রচার করেছে এবং স্কাই নিউজের ভূ-রাজনীতি বিশ্লেষক অধ্যাপক মাইকেল ক্লার্ক আজ বলেছেন - ট্রাম্প দোষ দিচ্ছে ওয়ার সেক্রেটারি হেগসেথকে। হেগসেথক দোষ দিচ্ছে জেনারেল কেইনকে! এদিকে জেনারেল কেইন দোষ দিচ্ছে সেন্টকমকে! আর এই নিউজ দেখে অ্যামেরিকান সামরিক বিশ্লেষক কর্নেল ড্যানিয়েল ডেভিস বলেছেন - This is what happens when incompetent people are appointed to important positions. (কিছু অযোগ্য লোককে গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় নিয়োগ দিলে যা হবার, সেটাই হচ্ছে) যা হোক, ইরানে বুর্জোয়া ট্রাম্প আর সাম্রাজ্যবাদী অ্যামেরিকার আর কিছুই পাবার নেই। শুধু হারানোরই আছে। এটি এখন মোটামুটি জগতের সকল ভূ-রাজনীতি বিশ্লেষক মেনেই নিয়েছেন। তো আজকে একটু আগে আল-জাজিরা রিপোর্ট করেছে - Araghchi says US must compensate Iran for MoU violations in order for Hormuz to reopen ( ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি বলেছেন, হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলতে হলে যুক্তরাষ্ট্রকে আগে ইরানের সঙ্গে করা সমঝোতা স্মারক (MoU) লঙ্ঘনের জন্য ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।) অর্থাৎ ট্রাম্প পড়েছে মহা বিপদে! চুক্তি (MOU) ভঙ্গ করার জন্য এখন অ্যামেরিকাকে আরও বেশি ছাড় দিতে হবে। ইরান আরও বেশি কিছু দাবি করছে। আর এই জন্যই এখন পর্যন্ত নতুন চুক্তি হয় নাই। এখন প্রশ্ন হচ্ছে - আরব দেশগুলোর কী হবে? ওদের নিরাপত্তা দেবে কে? এই জন্যই সৌদি আরব, পাকিস্তান, তুরস্ক মিলে গতকাল Mecca Joint Defense Agreement (মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি) সাইন করেছে। বেলজিয়ান সাংবাদিক এবং জগত বিখ্যাত ভূ-রাজনীতি বিশ্লেষক অ্যালাইজা মেগনেইর আজ বলেছেন - There will be no more need for American military bases or the petrodollar in this region. This is where it ends. ( এই অঞ্চলে অ্যামেরিকার সামরিক ঘাঁটি এবং পেট্রোডলারের আর দরকার হবে না। এখানেই সমাপ্তি।) আমি ওর শো'টা পুরোপুরি দেখতে পারি নাই। ব্যস্ত ছিলাম। একটা সেমিনারে এন্টেন্ড করতে হয়েছে। একটা ইউরোপিয়ান দেশের রাষ্ট্রদূতের সাথেও দেখা করতে হয়েছে আজ। যা হোক, যেহেতু আমি অ্যালাইজাকে চিনি, তাই আর ওর শো না দেখে সরাসরি ফোন দিয়ে জিজ্ঞেস করেছি - এটা তুমি কেন বললে? ও যেই যুক্তিটা দিয়েছে, খুবই গ্রহণযোগ্য। সে বলতে চাইছে- হরমুজ চুক্তির মাধ্যমে ইরান এই প্রণালী কন্ট্রোল করবে। অর্থাৎ অ্যামেরিকান কোন অস্ত্র এই প্রণালী দিয়ে ঢুকতে পারবে না আরব দেশগুলোর জন্য। আমি ওকে প্রশ্ন করলাম - সুয়েজ খাল দিয়ে তো যেতে পারবে কিংবা বিমান দিয়ে? সে উত্তরে বলেছে - সুয়েজ দিয়ে বড় ট্যাংকার যেতে পারে না। যেগুলো দুই মিলিয়ন ব্যারল তেল নিতে পারে। তাছাড়া ওই পথ দিয়ে যাওয়া মানে অনেক সময় ও অর্থের অপচয়। হরমুজের ক্ষতি পূরণ করা আসলে সম্ভব নয়। আর বিমানে তো সব কিছু নেয়া যায় না। আর এই জন্যই সৌদি আরব নিজেদের নিরাপত্তার কথা ভেবে তুরস্ক ও পাকিস্তানের সাথে জোট বেঁধেছে। ওরা হয়ত এরপরও অ্যামেরিকার কাছ থেকে অস্ত্র কিনবে। কিন্তু ওই কেনার পরিমাণ আস্তে আস্তে কমে যাবে এবং একটা সময় আরব দেশগুলো আর পেট্রো ডলারে বাণিজ্য করবে না। কারন এই দেশগুলো এর মাঝেই চীনের সাথে অনেক রকম চুক্তি করে ফেলেছে। অ্যালাইজার যুক্তিটা আমার কাছে গ্রহণযোগ্য মনে হয়েছে। আপনারা যারা ভূ-রাজনীতির ইতিহাস জানেন না (অবশ্য বাংলাদেশি ভাগাড় বিশ্লেষকদের সেটা জানারও কথা না! এরা এমনি এমনি বিশ্লেষক হয়ে যায়! আর ভাগাড় মিডিয়ার কথা বাদই দিলাম) যা হোক, ২০১৪ সালের কথা কি আপনাদের মনে আছে? তখন অ্যামেরিকান ব্যাক ইরাকি প্রধানমন্ত্রী নূরি আল-মালিকি অ্যামেরিকার কাছ থেকে অস্ত্র কেনার জন্য অর্ডার করেছিল। টাকাও দিয়েছিল। কিন্তু সেই অস্ত্র ইরাকের কাছে পৌঁছায় নাই। ওই সুযোগে আই*সিস ইরাকের মসুল সহ অনেক অঞ্চল দখলে নিয়ে নেয়।
🇾🇪🇸🇦 — ইয়েমেনের হুথিদের ব্যলিস্টিক মিসাইল হামলায় সৌদি আরবের জাজানে অবস্থিত আরামকোর তেল স্থাপনাগুলো এখনও জ্বলছে। 🔗 পরবর্তী আপডেট এখানে - @aktibarta
🇮🇳 — সপ্তাহব্যাপী 'তেলাপোকা' পার্টির বিক্ষোভের জেরে ভারতের শিক্ষামন্ত্রী 'ধর্মেন্দ্র প্রধান' প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে তাঁর পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন। 🔗 পরবর্তী আপডেট এখানে - @aktibarta
🇮🇷🇫🇷 — ফ্রান্সের ইউরোপ ও পররাষ্ট্র বিষয়ক মন্ত্রী জঁ-নোয়েল বারো ঘোষণা করেছেন যে, রবিবার সন্ধ্যায় ইরানে অবস্থিত ফরাসি দূতাবাসের দুই কর্মীকে আটক করে কয়েক ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং তাদের মধ্যে একজন শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন। 🔗 পরবর্তী আপডেট এখানে - @aktibarta
🇵🇸 — হামাস ঘোষণা করেছে যে, খলিল আল-হায়াকে হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর নতুন প্রধান হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে। তিনি ইয়াহিয়া সিনওয়ারের স্থলাভিষিক্ত হবেন, যিনি ২০২৪ সালের অক্টোবরে গাজায় বর্বর ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর হাতে নিহত হন। 🔗 পরবর্তী আপডেট এখানে - @aktibarta
🇮🇷🇺🇸 — ইরানের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা কয়েক ঘণ্টা আগে দক্ষিণ ইরানে একটি মার্কিন লুকাস কামিকাজে ড্রোন ভূপাতিত করেছে। 🔗 পরবর্তী আপডেট এখানে - @aktibarta
🇮🇷🇵🇰 — ইরানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামীকাল ইসলামাবাদ সফরে যাচ্ছেন, এই সফর সম্ভবত দুই দিন স্থায়ী হবে। 🔗 পরবর্তী আপডেট এখানে - @aktibarta
🇺🇸🇸🇦 — সিএনএন-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের স্বাক্ষরের অপেক্ষায় থাকা একটি খসড়া মার্কিন-সৌদি পারমাণবিক চুক্তির অধীনে, ট্রাম্প প্রশাসন প্রাথমিকভাবে সৌদি আরবকে তার বেসামরিক পারমাণবিক কর্মসূচির জন্য ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অনুমতি দিতে সম্মত হয়েছে। ➡️ এই চুক্তিটি অস্পষ্ট সীমা সহ একটি নির্দিষ্ট মাত্রার অভ্যন্তরীণ ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অনুমতি দেয় এবং সৌদি আরবকে আইএইএ-এর সবচেয়ে কঠোর পরিদর্শন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বাধ্য করে না, বরং একটি পৃথক মার্কিন-সৌদি সুরক্ষা চুক্তির উপর নির্ভর করে। ➡️ এই চুক্তিটি উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে যে এটি রিয়াদকে পারমাণবিক অস্ত্র সক্ষমতা অর্জনের পথ করে দিতে পারে। ➡️ চুক্তিটি এখনও কংগ্রেসে পাঠানো হয়নি এবং ইরান যুদ্ধ ও সম্ভাব্য দ্বিদলীয় বিরোধিতার কারণে এর অনুমোদন বিলম্বিত হয়েছে। 🔗 পরবর্তী আপডেট এখানে - @aktibarta
🇺🇸🇮🇷🇯🇴 — জর্ডানের মুওয়াফফাক সালতি বিমান ঘাঁটিতে ইরানি হামলার পর সৃষ্ট ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের দৃশ্য, যার ফলে গত রাতে দুজন মার্কিন সেনা সদস্য সেখানে নিহত হয়। 🔗 পরবর্তী আপডেট এখানে - @aktibarta
🇻🇪 — ভেনিজুয়েলার ভূমিকম্পে এ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ৪,৫৬১ জন এবং আহতের সংখ্যা ১৬,৭৪০ জনে দাঁড়িয়েছে। পাশাপাশি ১৯০টি ভবন ধসে পড়েছে বলে জানা গেছে। 🔗 পরবর্তী আপডেট এখানে - @aktibarta
🇵🇸🇮🇱 — ইসরায়েলি গণমাধ্যম 'আই২৪ নিউজ' জানিয়েছে, উত্তর গাজার একটি পুলিশ ফাঁড়িতে ইসরায়েলি বিমান হামলায় জাবালিয়ার হামাস পুলিশ প্রধান নিহত হয়েছেন। স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, এই হামলায় এখন পর্যন্ত ৯ জন নিহত হয়েছেন। 🔗 পরবর্তী আপডেট এখানে - @aktibarta
— মূল ‘জুরাসিক পার্ক’-এর প্রধান অভিনেতা স্যাম নিল ৭৮ বছর বয়সে মারা গেছেন। তিনি ফিলিস্তিনিদের অধিকার ও যুদ্ধবিরোধী আন্দোলনের একজন কট্টর সমর্থক ছিলেন। 🔗 পরবর্তী আপডেট এখানে - @aktibarta
🇺🇸🇮🇷 — মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যাল-এর মাধ্যমে ঘোষণা করেছেন যে, যদি তাকে হত্যা করা হয়, তবে মার্কিন সশস্ত্র বাহিনীকে ইরানের সমস্ত এলাকা "সম্পূর্ণরূপে নিশ্চিহ্ন ও ধ্বংস" করার আদেশ দেওয়া হয়েছে: ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানের দিকে তাক করে ১০০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং এর পরপরই আরও হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র পাঠানো হবে, যদি ইরান সরকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্টকে, অর্থাৎ আমাকে, হত্যা বা হত্যার চেষ্টা করার হুমকি বাস্তবায়ন করে, যা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে উচ্চারিত হয়েছে! আদেশ ইতোমধ্যেই দেওয়া হয়েছে, এবং মার্কিন সামরিক বাহিনী এক বছরের জন্য, যা বর্ধিত করা যেতে পারে, ইরানের সমস্ত এলাকা সম্পূর্ণরূপে নিশ্চিহ্ন ও ধ্বংস করার জন্য প্রস্তুত, ইচ্ছুক এবং সক্ষম - সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর! প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প 🔗 পরবর্তী আপডেট এখানে - @aktibarta
видео или голосовое, без подписи
🇺🇸🇮🇷 — উত্তর-পূর্ব ইরানের মাশহাদে প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের দাফন করা হয়েছে। 🔗 পরবর্তী আপডেট এখানে - @aktibarta
🇺🇸🇮🇱🇮🇷 — ট্রাম্প প্রশাসন চায় না যে ইরানের ওপর মার্কিন হামলায় ইসরায়েল জড়িত থাকুক, সিএনএন-কে দুটি ইসরায়েলি সূত্র এ কথা জানিয়েছে। ➡️ একটি সূত্র জানিয়েছে, নেতানিয়াহু "সত্যিই মার্কিন হামলায় যোগ দিতে চাইবেন," কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র স্পষ্ট করে দিয়েছে যে এই পর্যায়ে ইসরায়েলের অংশগ্রহণ অনাকাঙ্ক্ষিত। ➡️ ইসরায়েলের প্রচলিত ধারণা হলো, ট্রাম্প পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে ফিরতে চান না, তিনি বড়জোর ইরানের বন্দরগুলোতে নৌ অবরোধ পুনর্বহাল করতে রাজি হতে পারেন। 🔗 পরবর্তী আপডেট এখানে - @aktibarta
🇺🇸 — ডিফেন্স ব্লগের তথ্যমতে, মার্কিন ন্যাশনাল নিউক্লিয়ার সিকিউরিটি অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (NNSA) টেনেসির ওয়াই-১২ ন্যাশনাল সিকিউরিটি কমপ্লেক্সে নির্ধারিত সময়ের তিন মাস আগেই বি৬১-১৩ পারমাণবিক গ্র্যাভিটি বোমার জন্য সমস্ত ক্যানড সাব-অ্যাসেম্বলির "ডায়মন্ড স্ট্যাম্পিং" সম্পন্ন করেছে। ➡️ এই মাইলফলকটি অর্জিত হয়েছে ২০২৫ সালের মে মাসে প্রথম বি৬১-১৩ উৎপাদন ইউনিটের কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর, যা এর মূল লক্ষ্যমাত্রার প্রায় এক বছর আগেই সম্পন্ন হয়েছে। এর ফলে এটি শীতল যুদ্ধের পর থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম দ্রুততম পারমাণবিক অস্ত্র উন্নয়ন কর্মসূচিতে পরিণত হয়েছে। ➡️ বি৬১-১৩ হলো একটি পরিবর্তনশীল-ক্ষমতাসম্পন্ন পারমাণবিক গ্র্যাভিটি বোমা, যার সর্বোচ্চ ক্ষমতা ৩৬০ কিলোটন—যা হিরোশিমায় ফেলা বোমার চেয়ে প্রায় ২৪ গুণ বেশি শক্তিশালী। এটি পুরোনো বি৬১-৭ বোমাগুলোকে প্রতিস্থাপন করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে এবং মার্কিন বিমান বাহিনীর বি-২১ রেইডার স্টেলথ বোমারু বিমানে মোতায়েন করা হবে। 🔗 পরবর্তী আপডেট এখানে - @aktibarta
🇵🇸 — ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস আগামী ২৮শে নভেম্বর ফিলিস্তিনি সংসদীয় নির্বাচনের দিন ধার্য করেছেন, যা দুই দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে প্রথম এ ধরনের ভোট হবে। 🔗 পরবর্তী আপডেট এখানে - @aktibarta