মালফূযাতে আল্লাহ ওয়ালা
Статистикаআমার প্রাণপ্রিয় শায়েখ ও মুরশিদ, আরেফ বিল্লাহ হযরত মাওলানা শাহ মুহাম্মদ তৈয়্যেব আশরাফ সাহেব দামাত বারাকাতুহুম এবং হক্কানি আল্লাহওয়ালাদের মূল্যবান কথাগুলো এখানে সংকলিত থাকবে, ইনশাআল্লাহ।
- Последний пост
- 14 авг.
- Последнее чтение
- 14 авг.
- Постов за неделю
- 3
- Всего постов
- 22
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- В каталоге с
- 13 авг.
- 1/24сутки в ленте
- 61
- 1/48двое суток
- 69
- 1/72трое суток
- 75
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
শাইখুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমীন হযরত আল্লামা ইবনে তাইমিয়াহ রহমাতুল্লাহ আলাইহি -এর শাগির্দ রশিদ ইবনুল কাইয়ুম-এর একটি ঘটনা মনে পড়ল। যখন তিনি তালেবে এলেম ছিলেন । তখন তার মনে এক প্রশ্ন আসে। প্রশ্নটি ছিল: “হে আল্লাহ, যখন আমি ইসলামের ইতিহাস পড়ি, দেখি আবু জাহল একজন বড় শত্রু ছিলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর। আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে ফিরাউন হিসেবে উল্লেখ করেছেন—যদি এই উম্মতের ফিরাউন কেউ হয়, সে হল আবু জাহল। আরও অনেক শত্রু ছিল। কিন্তু আল্লাহ, যখন আমি ইতিহাস পড়ি, একটি ব্যক্তিত্ব আমাকে বিশেষভাবে চোখে পড়ে—যাকে শহীদ করার সময় আমার আক্বা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অনেক কষ্ট হয়েছিল। অনেক কেঁদেছিলেন। সে ব্যক্তি ছিলেন সম্মানিত সৈয়দ শহীদ হযরত হামজা রাযি:। যখন হজরত হামজা শাহীদ হন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রিয় চাচাকে শহীদ করা হয়। যখন তাঁর দেহ দেখলেন, আবেগে এবং দুঃখে তিনি কসম খেলেন, “যতক্ষণ না ৭০ কাফিরের প্রতিশোধ নিই, চুপচাপ বসব না।” তিনি আরো বলেন, যদি সাফিয়্যা রাযিঃ এবং অন্য মহিলাদের শোক আর দুঃখের কথা না ভাবতাম এবং পরবর্তীরা এর উপর আমল শুরু করবে এই ভয় না হতো, তাহলে আপনাকে এভাবেই ফেলে রাখতাম যেনো, পশু-পখী আপনাকে খেয়ে ফেলে এবং হাশরের ময়দানে আপনি পশু-পখীর পেট থেকে বের হয়ে আসেন! রাসূলুল্লাহ ﷺ তখন বলেছিলেন: “আমার চাচার জানাজা এখানেই থাকবে, আমি নিজের হাতে তাঁর জন্য সত্তর (৭০) বার জানাজা পড়ব।” তাঁর এই কথার প্রতিফলন দেখা যায় সেই সময়কার জানাজা আদায়ে। রাসূলুল্লাহ ﷺ একে একে উহুদের অন্যান্য শহীদদের জানাজা পড়ান, কিন্তু প্রতিবারই হযরত হামজা (রাঃ)-এর জানাজা পুনরায় পড়েন। ফলে মোট ৭০ জন শহীদের জানাজার সাথে মিলিয়ে তিনি চাচার জন্য ৭০ বার জানাজা পড়েন। কে সবচেয়ে বেশি কষ্ট দিয়েছিল? হযরত হামজা (রাঃ) শহীদ হওয়ার ঘটনা ঘটিয়েছিল হিন্দা, আবু সুফিয়ানের স্ত্রী। সেই সময় হযরত হিন্দা (রাঃ) শুধু হিন্দা ছিল। আল্লামা ইবনে তাইমিয়্যা বললেন, আমার মনে প্রশ্ন হলো, যে হিন্দা সবচেয়ে বেশি কষ্ট দিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত হযরত হিন্দা রাঃ ঈমান পেয়েছিল কেন? কাফের মধ্যে সবচেয়ে হুজুর পাক কে সবচেয়ে কষ্ট দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু দুনিয়া থেকে যখন বিদায় নিলেন ঈমানের সহীত বিদায় নিলেন। আরও তো অনেক কাফের ছিল যারা কিনা তার থেকে কম কষ্ট আমার আক্বা ﷺ কে দিয়েছিলেন কিন্তু আয় আল্লাহ হযরত হিন্দা কে কেন হেদায়েত দিলেন? এই প্রশ্ন যখন ইবনে কাইয়ুম রহঃ এর মধ্যে আসল তখন তিনি অনেক অনেক কিতাব ঘাটা শুরু করলেন যখন উত্তর পাচ্ছিলেন না উনার পেরেশানী আরও বেড়ে গেলো। সকাল, সন্ধ্যা, বিকাল, দুপুর সবসময় শুধু এই দোয়া করতে লাগলেন আল্লাহ তায়ালা আপনার হেকমত আপনিই জানেন। আল্লাহ আমাকে এই প্রশ্নের উত্তর টা জানিয়ে আমার রিদয় কে প্রশান্ত করে দিন। একদিন মধ্যরাতে হযরত ইবনুল কাইয়্যুম আল্লাহ তায়ালার কাছে দোয়া করছিলেন। তখন মহান আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে জবাব এলো, “ইবনুল কাইয়্যুম, তোমার প্রশ্ন একদম সঠিক। সত্যিই হযরত হিন্দা রাঃ এর থেকে অনেক কম নির্যাতনকারী, কম কষ্ট দেওয়া মানুষ ছিলেন। কিন্তু তবুও তারা হেদায়েত পাননি। হিন্দা কেন হেদায়েত পেলেন, তা হলো— যখন হযরত হামজা রাযি: শহীদ হন, তখন হযরত হিন্দা তাঁর কলিজা বের করে , চাবাচ্ছিল এবং থু দিয়ে বাইরে ফেলছিলেন। সেই সময় কলিজার কিছু অংশ হযরত হিন্দার গলায় প্রবেশ করে পেটে চলে যায়। তখন আমার গায়রত এ জোশ আসল এবং আমি বললাম যে, আমার বান্দা হামজার কলিজার একটি অংশ যার পেটে চলে গেছে, সে জাহান্নামে যেতে পারে না। এজন্য আমি হিন্দাকে হেদায়েত দিয়ে দিয়েছি। ✍️ইঞ্জিনিয়ার মুহাম্মদ শাহাদাৎ হোসেন গোড়ানি https://t.me/allaahwala
...অনেকেই খামখেয়ালিভাবে দরুদ শরীফ পড়ি—যেমন, “সল্লে সাল্লাম”। এমনকি অনেক সময় শুদ্ধ উচ্চারণও করি না। ...আমার ভাই, দরুদ শরীফ শুদ্ধ উচ্চারণে পড়ার চেষ্টা করুন। صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ...শুধু একদিন নয়, প্রতিদিন বেশি বেশি দরুদ শরীফ পড়া উচিত। ইনশাআল্লাহ, সুন্নাতের ওপর আমল করার চেষ্টা এবং নবীজি ﷺ-এর প্রতি ভালোবাসা বাড়াতে থাকলে আল্লাহ তাআলা আমাদের নবীজি ﷺ-কে স্বপ্নে দেখার তাওফিক করবেন। হযরত মাওলানা শাহ মুহাম্মদ তৈয়ব আশরাফ ছাহেব দামাত বারাকাতুহুম। ৩/১০/২০২৩ https://t.me/allaahwala
যার কাছে দুনিয়ার সবকিছু আছে, কিন্তু আল্লাহ পাক নাই— তার কাছে আসলে কিছুই নাই। আর যার কাছে আল্লাহ পাক আছেন, সে হয়তো দুনিয়ার অনেক কিছু থেকে বঞ্চিত— তবুও সে প্রকৃত অর্থে নিঃস্ব না। আসল প্রাপ্তি আল্লাহ পাকের মহব্বত। মুজাহিদে আযম, আল্লামা শামসুল হক ফরিদপুরী নাওয়ারাল্লাহু মারকাদাহু https://t.me/allaahwala
হযরত ওয়ালার মতো মানুষের জন্যই মানুষ নিজের সন্তানকে মাদরাসায় ভর্তি করার হিম্মত পায়। মাশাআল্লাহ! জাযাকাল্লাহু খাইরান। https://t.me/eslahiboyanbd/10593
✍️ইঞ্জিনিয়ার মুহাম্মদ শাহাদাৎ হোসেন গোড়ানি https://t.me/allaahwala
🌹আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিও ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদ 🌹 দুরুদ শরীফ এমন এক বরকতময় জিকির, যা দিলকে নূর দেয়, রূহকে সুকুন দেয়, আর জীবনকে বরকতময় করে দেয় । যখন মানুষ এটাকে নিজের প্রতিদিনের অভ্যাস বানায়, তখন তার ভিতরে এক বিশেষ কাইফিয়ত পয়দা হয়, যার কারনে দিল নরম হয়ে যায়, আর প্রিয় রসূল ﷺ-এর মহব্বত বাড়তে থাকে। যে ব্যক্তি দুরুদ শরীফ পড়ে, সে তার দিনের শুরুও বরকতের সাথে করে, আর শেষও করে প্রশান্তির সাথে। কারণ এই জিকির আল্লাহর রহমতকে নিজের দিকে টানার জরিয়া। দুরুদ শরীফ পড়লে দিলে প্রশান্তি আসে, জীবনে সুকুন আসে, আর রূহে আলো পয়দা হয়।" 📿 সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আ'লিহী ওয়া সাল্লাম 📿 দিদার বিন আলম https://t.me/allaahwala
https://t.me/eslahiboyanbd/10953 ...আল্লাহ পাকের সঙ্গে কত গভীর মহব্বত থাকলে এমন বয়ান, জবান থেকে বের হতে পারে! মা শা আল্লাহ, জাযাকাল্লাহ খাইরান। https://t.me/allaahwala
তাগাফুল মুহাম্মাদ আতীক উল্লাহ সাহেব দামাত বারাকাতুহুম। https://t.me/allaahwala
...প্রতিটি শিশুই দুনিয়ায় নিষ্পাপ অবস্থায় আসে। তার হৃদয় ও স্মৃতি যেন একেবারে ফকফকা সাদা কাগজের মতো। ...আমাদের বাবা-মায়ের দায়িত্ব হলো, সেই পবিত্র হৃদয়ে গুনাহের কালো দাগ লাগতে না দেওয়া; তাকে জাহান্নামের আগুনের দিকে ঠেলে না দেওয়া; জান-প্রাণ দিয়ে তাকে হারাম থেকে রক্ষা করা। ...ছোট্ট শিশু যখন আগুনের দিকে যায়, তখন কি বইসা বইসা বলেন— হাত দিও না, নাকি সাথে সাথে তাকে খপ করে ধরেন? ...অনেকেই এসে বলেন, “হুজুর, সন্তান কথা শোনে না। কী করতে পারি?” ...তখন জিজ্ঞাসা হলো— জাহাজ ছেড়ে যাওয়ার আগে কখনো যোগাযোগ করেছিলেন? নাকি জাহাজ ডুবতে শুরু করার পর এখন দোয়া চাইতে এসেছেন? হযরত মাওলানা শাহ মুহাম্মদ তৈয়ব আশরাফ ছাহেব দামাত বারাকাতুহুম। https://t.me/allaahwala
без подписи
খানকাহ থেকে এসে তাবলীগে যাও, তাবলীগ থেকে এসে খানকাতে যাও। হযরত মুফতী হাফীজুদ্দীন সাহেব দামাত বারাকাতুহুম https://t.me/allaahwala
জীবনের বুনিয়াদ ...প্রতিটি জিনিসের কিছু বুনিয়াদ আছে। যেমন একটা ঘর—উপরে দরজা, জানালা, বাথরুম আছে, কিন্তু সবকিছু দাঁড়িয়ে আছে ভিতের উপর। সেই ভিত মাটির নিচে লুকানো থাকে। ভিত যদি নষ্ট হয়, তাহলে যত তলার বিল্ডিংই হোক, পড়ে যাবে। ...আমাদের দেশে এমন ঘটনা আছে…
...একদিকে গুনাহ টানে, অন্যদিকে বান্দা আল্লাহ পাকের দিকে ছুটে। এই ক্ষমতা শুধু মানুষেরই আছে; ফেরেশতাদের নাই। ...ফেরেশতাদের গুনাহ করার কোনো শক্তি নাই, কোনো সুযোগও নাই। তারা শুধু আল্লাহ তাআলার ইবাদতেই মশগুল থাকে। ...কিন্তু মানুষের ব্যাপারে আল্লাহ পাক এমন ব্যবস্থা রেখেছেন যে, মানুষ চাইলে গুনাহও করতে পারে, আবার চাইলে আল্লাহর দিকেও ছুটে যেতে পারে। এমনকি এই দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ আল্লাহওয়ালাদের অন্তর্ভুক্তও হতে পারে। ...তাই গুনাহ করার ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও গুনাহ না করা আর গুনাহ করার ক্ষমতাই না থাকা, তাই গুনাহ না করা—এই দুইয়ের মর্যাদা এক নয়। ...এ কারণেই মানুষের মধ্যে যারা আল্লাহর আনুগত্য বেছে নেয়, তাদের মর্যাদা ফেরেশতাদের চেয়েও অনেক অনেক বেশি। হযরত মাওলানা শাহ মুহাম্মদ তৈয়ব আশরাফ ছাহেব দামাত বারাকাতুহুম। https://t.me/allaahwala
হযরত হাকীম মুহাম্মদ আখতার (রহ.) বলতেন— “জিসকো তেরি রেযা হার তরফ সে পেশ-এ-নযর হ্যায়, বাস উনকি যবান মে না ‘আগার’ হ্যায়, না ‘মাগার’ হ্যায়।” অর্থাৎ, যে আল্লাহর সন্তুষ্টিকেই সবকিছুর ঊর্ধ্বে রাখে, তার কথায় ‘আগার-মাগার’ (যদি-কিন্তু), অজুহাত বা টালবাহানা থাকে না। জবান থেকে ‘আগার-মাগার’ ছেড়ে দিতে হবে। শোনো, আশেকের জবানে কোনো ‘আগার-মাগার’ থাকবে না। যদি জিজ্ঞেস করি, “ইসলাহী জোড়ে আসোনি কেন?” তখন বলে, “হুজুর, খুব নিয়ত ছিল, কিন্তু…” এই ‘কিন্তু’-ই আমাদের ধ্বংস করে দিচ্ছে। আশেকের জবানে ‘কিন্তু’ নেই। আসল কথা হলো, আমরা এখনো আশেক হতে পারিনি। নামাজ পড়ার ইচ্ছা ছিল, কিন্তু… আমল করার ইচ্ছা ছিল, কিন্তু… জিকির করার ইচ্ছা ছিল, কিন্তু… এই ‘কিন্তু’ চলবে না। নামাজ পড়তেই হবে—কোনো কিন্তু নেই। জিকির করতেই হবে—কোনো কিন্তু নেই। আল্লাহ পাককে পাওয়ার জন্য সারা রাত দাঁড়িয়ে থাকতে হলে—থাকতেই হবে, কোনো কিন্তু নেই। আল্লাহকে পাওয়ার জন্য যদি পানিতে ঝাঁপ দিতে হয়—ঝাঁপ দেব, কোনো কিন্তু নেই। আল্লাহকে পাওয়ার জন্য যদি আগুনে ঝাঁপ দিতে হয়—তাও দেব, কোনো কিন্তু নেই। হযরত মুফতী হাফীজুদ্দীন সাহেব দামাত বারাকাতুহুম https://t.me/allaahwala
https://youtu.be/9qypZPbFqyk?si=Kr8q0Acpf8cz2LsN আল্লাহ পাক হযরতওয়ালা দামাত বারাকাতুহুমের হায়াতে খাইর দান করেন, আমিন। https://t.me/allaahwala
...এক ব্যক্তি হযরত আশরাফ আলী থানভী (রহ.)-এর খেদমতে উপস্থিত হয়ে বললেন, “হযরত! আমার একটি সংশয় আছে।” হযরত জিজ্ঞেস করলেন, “কী সেই সংশয়?” লোকটি বলল, রাসূলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন— لَا يُؤْمِنُ أَحَدُكُمْ حَتَّى أَكُونَ أَحَبَّ إِلَيْهِ مِنْ وَالِدِهِ وَوَلَدِهِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ অর্থ: “তোমাদের কেউ প্রকৃত মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না আমি তার কাছে তার পিতা, সন্তান এবং সমগ্র মানুষের চেয়েও অধিক প্রিয় হয়ে যাই।” ...লোকটি বলল, “হযরত! আমার মনে হয়, আমি আমার বাবাকে রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর চেয়ে বেশি ভালোবাসি। তাহলে কি আমি এই হাদিসের অন্তর্ভুক্ত নই?” হযরত থানভী (রহ.) বললেন, “না, খান সাহেব! প্রকৃতপক্ষে রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর প্রতিই আপনার ভালোবাসা আপনার বাবার চেয়েও বেশি।” লোকটি বিস্মিত হয়ে বলল, “হযরত! আমি তো নিজের অন্তরে বাবার প্রতিই বেশি ভালোবাসা অনুভব করি!” হযরত বললেন, “না, প্রকৃত অবস্থা তা-ই, যা আমি বলছি।” ...এরপর তিনি রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর পবিত্র চরিত্র, অনুপম আখলাক, দয়া, মমতা, উত্তম স্বভাব এবং অতুলনীয় সৌন্দর্য ও মহিমার আলোচনা শুরু করলেন। এমন হৃদয়স্পর্শী ভাষায় তিনি নবীজি ﷺ-এর আলোচনা করলেন যে, পুরো মজলিস আবেগে আপ্লুত হয়ে গেল। উপস্থিত সবার চেয়ে বেশি আবেগাপ্লুত হলেন সেই খান সাহেব। ...কিছুক্ষণ পর হযরত বললেন, “আচ্ছা খান সাহেব! আপাতত রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর আলোচনা থাক। আপনার বাবা তো খুবই ভালো মানুষ ছিলেন। এবার একটু তাঁর কথাই বলি।” ...এ কথা শুনেই খান সাহেব অস্থির হয়ে বললেন, “হযরত! আপনি এটা কী করলেন? এতক্ষণ তো রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর পবিত্র আলোচনা চলছিল, আর এখন আপনি আমার বাবার কথা শুরু করলেন!” ...হযরত মুচকি হেসে বললেন, “খান সাহেব! একটু আগেই তো আপনি বলছিলেন, আপনার বাবাকেই বেশি ভালোবাসেন। যদি সত্যিই তাই হতো, তাহলে রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর আলোচনা বন্ধ করে আপনার বাবার আলোচনা শুরু হওয়ায় আপনার কষ্ট লাগার কথা ছিল না; বরং আনন্দিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আপনার অন্তরে যে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে, সেটিই প্রমাণ করে—আপনার হৃদয়ে রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর ভালোবাসাই আপনার বাবার ভালোবাসার চেয়েও গভীর।” ...আলহামদুলিল্লাহ! রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর ভালোবাসা প্রতিটি মুমিনের অন্তরেই নিহিত থাকে। তবে দুনিয়ার মোহ, নফসের কামনা এবং গাফিলতির কারণে অনেক সময় সেই ভালোবাসা চাপা পড়ে যায়। ...যখন আমরা আল্লাহর জিকিরে মশগুল থাকি, সুন্নাহকে আঁকড়ে ধরি এবং আন্তরিকভাবে আল্লাহ ও তাঁর রাসূল ﷺ-এর আনুগত্য করি, তখন সেই ভালোবাসা আরও জীবন্ত ও শক্তিশালী হয়ে ওঠে। তখন আমাদের কথা, কাজ, চরিত্র এবং সমগ্র জীবন সুন্নাহর আলোয় আলোকিত হয়ে যায়। আল্লাহ তাআলা আমাদের অন্তরে রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর মহব্বত আরও বৃদ্ধি করে দিন এবং তাঁর সুন্নাহর ওপর জীবন অতিবাহিত করার তাওফিক দান করুন। আমীন। হযরত উমায়ের কোব্বাদী সাহেব দামাত বারাকাতুহুম https://t.me/allaahwala
মালফূযাতে আল্লাহ ওয়ালা pinned a photo
...কারও গোপন পাপ প্রকাশ হয়ে গেলে তাতে উল্লসিত না হয়ে আল্লাহ পাকের কাছে শুকরিয়া আদায় করা উচিত যে, তিনি আমার গুনাহগুলো গোপন রেখেছেন। একই সঙ্গে নিজের গোপন গুনাহগুলোর জন্য এখনই তাওবা করে নেওয়া উচিত। ...যখন কেউ দ্বীনদারের লেবাস ধারণ করে সীমালঙ্ঘন করে, তখন আল্লাহ পাক তাকে প্রকাশ্যেই লাঞ্ছিত করেন। ...আর এ কথাটি আমাদের জন্য—বিশেষ করে আমরা যারা দ্বীনের লেবাস ধারণ করি এবং মানুষকে দ্বীনের কথা শোনাই—অত্যন্ত ভয়ের বিষয়। কারণ, দায়িত্ব যত বড়, জবাবদিহিও তত বড়। ✍️ইঞ্জিনিয়ার মুহাম্মদ শাহাদাৎ হোসেন গোড়ানি https://t.me/allaahwala
...হযরত সাইয়্যিদ হুসাইন আহমদ মাদানী (রহ.)-এর একজন খাস সাগরেদ ছিলেন হযরত মাওলানা খাজা খান মুহাম্মদ খান (রহ.)—আমীরে তাহাফ্ফুযে খতমে নবুওয়াত। তিনি তাঁর যুগের একজন বিশিষ্ট বুযুর্গ ও কুতুব ছিলেন। তিনি দারুল উলূম দেওবন্দের ছাত্র ছিলেন। ...একবার তিনি তাঁর একজন খাদেমকে সঙ্গে নিয়ে পবিত্র মদিনা শরিফে উপস্থিত হন। রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর রওজা মুবারকে সালাম পেশ করে বের হওয়ার সময় খাদেম জিজ্ঞাসা করলেন, ...“হযরত, এমন কোনো খাস আমল বলে দিন, যার মাধ্যমে আমি প্রতি বছর পবিত্র মদিনা শরিফে আসার তাওফিক লাভ করতে পারি।” হযরত (রহ.) সবুজ গম্বুজের দিকে তাকিয়ে বললেন, ...“তুমি একাগ্রতার সঙ্গে বেশি বেশি দরুদ শরিফ পড়তে থাকো।” খাদেম আবার জিজ্ঞাসা করলেন, “হযরত, আরও এমন কোনো আমল বলে দিন, যার মাধ্যমে আমার দুনিয়া ও আখিরাতের সব সমস্যা সহজ হয়ে যাবে।” ...হযরত (রহ.) আবারও সবুজ গম্বুজের দিকে তাকিয়ে বললেন, “তুমি একাগ্রতার সঙ্গে দরুদ শরিফ পড়তে থাকো। তাহলে তোমার জাহির ও বাতিন পাক-সাফ হয়ে যাবে। আর তোমার দুনিয়া ও আখিরাতের সব সমস্যার সমাধান দরুদ শরিফের মধ্যেই রয়েছে। তাই দরুদ শরিফকে তোমার বিশেষ ও প্রধান আমল হিসেবে গ্রহণ করে নাও।” ...আরেকজন বুযুর্গ বলেছেন, “কারও যদি পেটে ব্যথা হয়, কোমরে ব্যথা হয়, মাথায় ব্যথা হয় কিংবা অন্য কোনো অসুস্থতা হয়, তাহলে সে একেক সমস্যার জন্য একেক ওষুধ সেবন করে। কিন্তু যদি তাকে বলা হয়, ‘তোমার সব রোগ একটি ওষুধেই ভালো হয়ে যাবে’, তাহলে সে অবশ্যই সেই ওষুধটিই গ্রহণ করবে। ...ঠিক তেমনি, কেউ যদি জাদুর প্রভাবে আক্রান্ত হয় অথবা অন্য কোনো বাতিনি রোগে আক্রান্ত হয়, আর তাকে যদি বলা হয়, ‘আপনি একটি আমল নিয়মিত করুন, ইনশাআল্লাহ এর মাধ্যমে আপনি পরিপূর্ণ সুস্থতা লাভ করবেন’, তাহলে আমি বলব—আপনি দরুদ শরিফকে নিজের খাস ও প্রধান আমল বানিয়ে নিন। ইনশাআল্লাহ, দরুদ শরিফের বরকতে আল্লাহ পাক আপনাকে পরিপূর্ণ সুস্থতার নিয়ামত দান করবেন।” ...আল্লাহ পাক আমাদের বেশি বেশি দরুদ শরিফ পড়ার, লেখার এবং এর ফজিলত অন্য ভাইদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন। 🌹 সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহী ওয়া সাল্লাম 🌹 💚 ﷺ ﷺ ﷺ 💚 দিদার বিন আলম https://t.me/allaahwala
...একবার মুফতি শফি সাহেব (রহ.) এক বাড়িতে দাওয়াতে গিয়েছিলেন। তাঁকে অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে আপ্যায়ন করা হলো। খাবার খেয়ে তিনি বারবার রান্নার প্রশংসা করলেন। ...যিনি রান্না করেছিলেন, তিনি চোখের পানি ফেলতে ফেলতে বললেন, “২৫ বছর ধরে এই সংসারে রান্না করছি। কিন্তু আজ পর্যন্ত কেউ আমার রান্নার এতটুকু প্রশংসাও করেনি।” ...আমার ভাই, আমাদের মা-বোনদের প্রশংসা করতে শিখুন। তাঁরাই আমাদের ঘরের আলো, তাঁরাই অক্লান্ত পরিশ্রমে ঘরকে সুন্দর, পরিপাটি ও বাসযোগ্য করে রাখেন। তাঁদের কাজকে অবহেলা করবেন না। ...একটু প্রশংসা, একটি কৃতজ্ঞতার বাক্য, কিংবা ভালোবাসার ছোট্ট প্রকাশ—এগুলো তাঁদের অন্তরে হাসি ফোটাতে পারে।আর সামর্থ্য থাকলে মাঝে মাঝে তাঁদের হাতেও কিছু টাকা তুলে দিন—ভালোবাসার উপহার হিসেবে। ...আমরা যেমন রেস্টুরেন্টে ওয়েটারকে খুশি হয়ে বকশিশ দিই, তেমনি নিজের ঘরের আপনজনদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা ও সম্মান প্রকাশ করা আরও বেশি প্রাপ্য। হযরত মাওলানা শাহ মুহাম্মদ তৈয়ব আশরাফ ছাহেব দামাত বারাকাতুহুম। https://t.me/allaahwala