- Последний пост
- 28 июн.
- Последнее чтение
- 15 авг.
- Постов за неделю
- 0
- Всего постов
- 20
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- Категория
- Новости и СМИ (по похожим)
- В каталоге с
- 15 авг.
- 1/24сутки в ленте
- —
- 1/48двое суток
- —
- 1/72трое суток
- —
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
অনেকেই বলে- "বিয়ের আগে ও যেমন ছিল, এখন আর তেমন নেই! এখন আর আগের মত ভালোবাসে না, কেয়ার করে না ইত্যাদি!" এই চিন্তা আসলে কতটা সত্য? সাইকোলজির ভাষায়- সময়ের সাথে সাথে ভালোবাসা কমে যায় না বরং ভালোবাসার কেমিস্ট্রি বদলে যায়। মূলত সম্পর্কের শুরুতে আমাদের মস্তিষ্কে Dopamine বেশি সক্রিয় থাকে। তাই প্রিয় মানুষটির একটি মেসেজ, একটি ফোনকল, এমনকি একটি হাসিও অসাধারণ উত্তেজনা তৈরি করে। সবকিছুই নতুন লাগে। এ জন্য দেখবেন টিনেজ বয়সের প্রথম প্রেমে চাইল্ডিস বিষয় দেখা যায় ব্যাপক। তখন তাদের কাছে দুর থেকে একে অপরকে একবার দেখা বা হাই-হ্যালো করাও স্বর্গের শান্তির মত ফিল দেয়... কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মস্তিষ্ক ধীরে ধীরে সেই উত্তেজনার জায়গায় নিরাপত্তা, বিশ্বাস ও গভীর সংযুক্তিকে অগ্রাধিকার দিতে শুরু করে। সাইকোলজিতে এটাকে Companionate Love বলা হয়। এ কারণেই অনেক দম্পতি ভুল করে ভাবেন, ভালোবাসা বুঝি শেষ হয়ে গেছে বা কমে গেছে। আসলে ভালোবাসা শেষ হয়নি, ভালোবাসা পরিণত হয়েছে। হয়তো এ কারণেই ইসলাম দাম্পত্যের সবচেয়ে বড় পরিচয় হিসেবে “সাকিনাহ তথা প্রশান্তি'র" কথা বলেছে। কারণ একটি সুস্থ সম্পর্কের লক্ষ্য সারাজীবন একই রকম উত্তেজনা ধরে রাখা নয় বরং এমন একজন পার্টনার পাওয়া, যার পাশে থাকলে মন শান্ত হয়, জীবন সহজ লাগে, আর কঠিন সাময়েও ভরসা পাওয়া যায়। এই বিষয়ে আপনাদের চিন্তা কি?
নিজে বিড়ি খাই না, খাওয়া পছন্দও করি না। তবে শুধু বিড়ি খাওয়ার জন্য কাউকে অপছন্দও করি না। গতকাল রাতে কয়েকটা ছোটভাই মাওয়া ঘাটে নিয়া গেলো ঘুরতে। ইলিশ খাবে, আড্ডা দিবে... রাত প্রায় ১টা বাজে তখন। আমরা পদ্মাপাড়ে বসে বসে ওনো খেলছিলাম। চারদিকে এত সুন্দর মৃদু মিষ্টি বাতাস ও পদ্মার পানির ঢেউয়ের শব্দ সব মিলিয়ে শান্তি অনূভুতি হচ্ছিলো। একজন শখ করে বিড়ি কিনে আনছে (সে চেইনমোকার না)। আমাকেও একটা দিলো, ভাবলাম খেলা শেষ করে একটু ফিল নিবো 😬 (মানে ধুয়া পেটে নিবো না, মুখ থেকেই ছেড়ে দিবো)। কিন্তু খেলা শেষ করতে করতে বিড়ি মশাই একদম নেতিয়ে গেছে 😀 যাইহোক পরে আর বিড়ির ফিল নেওয়া হয় নাই। নেতিয়ে যাওয়ার কারনে যে বাদ দিছি এমন না। মূলত, কিছুদিন ধরে একজনকে বিড়ি খাওয়া থেকে বিরত রাখতে ট্রাই করছি, টাস্ক দিছি... কাইন্ড অফ আন অফিশিয়াল কাউন্সিলিং বলা চলে। তো এই জিনিস বার বার মনে হচ্ছিলো যে আমি একজনের পিছনে ইফোর্ট দিচ্ছি সে যেন বিড়ি খাওয়া বন্ধ করে। অথচ আমি নিজেই কেমনে বিড়ি ধরাবো! আমি তার মত খাবো না সত্যি তবুও জিনিসটা আমাকে বার বার বাধা দিচ্ছিলো। শেষমেষ এইটা ভেবে বিরত থেকেই বাসায় ফিরেছি। দোয়া করি খোদা তায়ালা যেন, সেই মানুষকে বিড়ি খাওয়া থেকে বিরত রাখে।
без подписи
без подписи
এদেশের হুজুরদের একটা অংশ মনে করে- ধর্ম তাদের বাপ দাদার সম্পত্তি, জান্নাতে সবার আগে তারাই যাবে, ধর্ম নিয়ে কথা বলার অধিকার একমাত্র তাদের-ই, তারা যেভাবে ধর্মকে বুঝবে ও বুঝাবে সেটাই একমাত্র সঠিক। এমন একটা ভাব যেন খোদায় তাদেরকে ধর্মের ডিলারশিপ দিছে 😀 খোদারে তারা নিজেদের ন্যাড়ো লেন্স থেকে দেখেই অভ্যস্থ। সাগরের বিশালতা যেমন কুয়ায় থেকে বুঝা সম্ভব না তেমনি তারাও খোদার বিশালতা কখনো বুঝতেই পারে না। এই জন্য দেখবেন এরা অল্পতেই জাজমেন্টাল হয়ে যায়। মতের বিরুদ্ধে গেলে তাকফির করা শুরু করে। বর্তমানে কিবোর্ড জিহাদ করে প্রতিদিন গাজি হিসেবে গর্ভবোধ করে.... এভাবেই চলছে আরকি 🙂
অপ্রিয় আলাপ- গত ১৭ বছরে ছাত্রদল ও শিবির যেই ট্রমার মধ্যে দিয়ে গেছে সেটা থেকে উভয়েই অনেকটা বের হতে পেরেছে ৫ আগস্টের পর। শিবির ১৪/১৫ পর্যন্ত ওপেন ছিলো। তারপর পরিস্থিতি তাদেরকে চুপসে যেতে বাধ্য করে এবং তারা নিরুপায় হয়ে গুপ্ত হতে হয়। সো অতীতে শিবির গুপ্ত ছিলো এইটা মিথ্যা না। অন্যদিকে ছাত্রদলের বড় একটা অংশও গুপ্তের পথ বেছে নেয়। ফেসবুক থেকে শুরু করে সব যায়গায় তারা চুপসে যায়। এই লেন্স থেকে দেখলে তারাও গুপ্ত ছিলো। ছাত্রদলের সামান্য কিছু দুঃসাহসিক পোলাপান গাটস নিয়া ওপেন ছিলো। এরাই জেলে গেছে, মাইর খাইছে, নির্যাতন সহ্য করছে... শিবিরের একটা অংশও সেম সিচুয়েশন ফেস করছে। বরং এদের উপর নির্যাতনের মাত্রা অনেক সময় বেশি ছিলো। ৫ তারিখের পর কুত্তালীগ মুক্ত দেশে নতুন রাজনৈতিক কালচার চালুর ব্যাপারে অনেকেই আশাবাদী ছিলাম। সেটা শেষমেশ হলো না! তবে শিবির আর ছাত্রদল যেহেতু সু্যোগ পাইছে সো তারা নিজ নামে ব্যানারে প্রকাশ্যে রাজনীতি শুরু করছে। শিবির তাদের নতুন নতুন কমিটি দিচ্ছে, ছবিসহ প্রচার করছে... এখন যদি শিবিরকে আবার লীগ স্টাইলে গুপ্ত হতে বাধ্য করা হয় তাইলে রাজনৈতিক পরিবর্তন সম্ভব না। বেসিক বিষয় আপনি কাউকে হত্যাযোগ্য করে তুললে তার গুপ্ত না হয়ে উপায় কি আসলে?? নতুন করে এদেরকে গুপ্ত হতে বাধ্য করলে ছাত্রদলেরই লস। তাই চাত্রদলের উচিৎ হবে মেধা, জ্ঞান ও যোগ্যতাকে রাজনৈতিক টুল বানানো তাইলে দেশটা শান্ত থাকবে। নইলে যেই লাউ সেই কদুই থেকে যাবে।
শুধুমাত্র নিজের বাবা মায়ের কেয়ার করার জন্য বিয়ে করা থেকে বিরত থাকেন। আপনার বাবা মায়ের জন্য অন্য একটা মেয়েকে লাইফ পার্টনার থেকেও চাকরানী হিসেবে এনে তার প্রতি জুলুম করবেন না। কখনো কখনো বাব- মা সব কিছুর উর্ধ্বে আবার কখনো বউ বাবা মায়ের থেকেও গুরুত্বপূর্ণ। সো উভয় সাইডে ব্যালেন্স করতে না পারলে আপনার জন্য বিয়ে না। আর আপনার বাবা মা দুনিয়ার সবচেয়ে ভালো বাবা-মা সেটা আপনার কাছে অবশ্যই কিন্তু আপনার বউয়ের জন্য সেটা মিথ্যাও হতে পারে তাই নিজের লেন্স থেকেই সব সময় বাবা-মাকে ব্লাংক চেক দিয়ে বউয়ের প্রতি জুলুম করলে সংসারে শান্তি থাকবে না। বউয়ের ক্ষেত্রেও অন্ধ হয়ে বাবা-মায়ের প্রতি জুলুম করবেন না। বাবা মায়ের প্রতি যেমন ছেলে হিসেবে আপনার দায়ীত্ব আছে তেমনি জামাই হিসেবে বউয়ের প্রতিও দায়ীত্ব আছে। একটা করতে গিয়ে আরেকদিকে জুলুমের সম্ভাবনা থাকলে আরো সময় নিয়ে ভেবে চিন্তে বিয়ে করুন। দয়া করে অন্য কারো আদরের মেয়েকে চাকরানী হিসেবে আইনেন না।।
গতকাল আমদের গ্রুপে এক কুলাঙ্গারের বাচ্চা অযাচিত অশ্লীল কন্টেন্ট শেয়ার করেছিলেন। আমি দেখামাত্রই সেটা ডিলেট করে শুয়োরটাকে ব্যান করেছি। তবুও আপনাদের কাছে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি।
আমরা বেশিরভাগ মানুষ ভাবি অন্যরা আমাদের এক্টিভিটিস, ভুল, কথা-বার্তা, চেহারা, আচরণ ইত্যাদি খেয়াল করছে। যেমন- -কথা বলতে গিয়ে একটু ভুল বলেছি, সবাই মনে রেখেছে। -আজকে আমাকে দেখতে কেমন লাগছে, সবাই notice করছে। -আমি কোন স্ট্যাটাস দিলাম, কে কী ভাবছে? ইত্যাদি। কিন্তু সত্যিটা হলো, তুমি বাসায় এসে যতবার ওই ঘটনা মনে করছো, অন্যরা হয়তো ৫ মিনিট পরেই ভুলে গেছে। বাস্তবে বেশিরভাগ মানুষ নিজের চিন্তা, নিজের সমস্যা, নিজের insecurity নিয়েই এত ব্যস্ত থাকে যে, তোমার ছোটখাটো ভুলগুলা বা এক্টিভিটিস গুলা তারা খেয়ালই করে না। ধরো, তুমিকোথাও হঠাৎ হোঁচট খেলে। তোমার মনে হবে, ইশ! সবাই দেখলো! কিন্তু বাকিরা হয়তো ১০ সেকেন্ড পরেই আবার নিজের ফোন, নিজের কথা, নিজের জীবন নিয়ে ব্যস্ত হয়ে গেছে। Psychology-তে এটাকে বলে Spotlight Effect. আমরা মনে করি, আমাদের উপর সবার নজর আছে। বাস্তবে, সবাই নিজের উপরই বেশি focused। তাই লোকে কি বলবে সেটা চিন্তা কইরা সময় নষ্ট না করাই ভালো।
এতদিন অল্প বয়সে বিয়ের ক্যাম্পেইন চলতো ব্যাপক আকারে এখন এই ধারা অনেকটা সফল। পোলাপান প্রেমে সেকা খেয়ে দ্বীনের নামে বিয়ে করছে। ভালো মন্দ কিছু বলবো না তবে এর সুফলের থেকে কুফল খুব দ্রুতই দেখতে পারবেন। এবার শুরু হইছে ধর্মের নামে ৪ বিয়া করার ক্যাম্পেইন। যেহেতু এদেশে ধর্মের নাম নিলে বাবার পায়ে সেজদা দেওয়া পর্যন্ত নরমাল হয়ে যায় সেখানে ৪ বিয়ে তো কোন বিষয়ই না। কিছু লুচ্চা লেবাসধারী বান্দির বাচ্চারা মনের খায়েশ মেটাতে ধর্মের নামে ৪ বিয়া করছে আবার ভালো না লাগলে তালাক দিয়ে আবার নতুন নতুন বিয়ে করছে... কোন যুক্তি দিবো না। বেশিনা ৫/৭ বছর যাইতে দেন। সমাজের কি অবস্থা হয় দেইখেন।
এবারের বই মেলা কি লস প্রজেক্ট? বই মেলা থেকে সবচেয়ে বেশি বই কারা কিনে? মধ্যবিত্তরা। তাদের টাকা লিমিটেড এবং হিসাব করে খরচ করতে হয় সবসময়। রোজায় আমাদের অন্যান্য সময়ের চেয়ে বেশি টাকা খরচ হয়। ঈদেও এক্সট্রা খরচ আছে। বাড়িতে যাওয়ার ভাড়া, ছোট ভাইবোনের পোশাক, সালামি ইত্যাদি মিলিয়ে হিসাবের বাইরে প্রায় অন্য মাসে ডাবল টাকা খরচ করতে হয়। তো এই সময়ে মানুষ মেলা থেকে বই কিভাবে কিনবে? এত খরচের পর বই কেনার টাকা থাকে? বই কিন্তু মোটামুটি বিলাসী পণ্যই বলা যায়। ২-৩টা বই কিনলেই হাজার টাকা নাই। সো এমন সময় বই মেলা দিলে মানুষ বই কিনতে পারবে না এবং প্রকাশনী গুলার লস হবে এই জিনিস তো নরমাল মাথা দিয়েই বুঝার কথা। এখন বেচাবিক্রি নাই বলে কাইন্দা লাভ কি। আগেই ভাবা উচিৎ ছিলো না!
ধরেন পৃথিবীর সুপার পাওয়ার কোন মুসলিম দেশ। তারা ভিন্ন ধর্মের লোকদের কোন দেশে ব্যপক জেনোসাইড করছে। কাতারে কাতারে নারী ও শিশু মেরে ফেলছে। তখং বাংলাদেশি গরিব মুসলিম হয়ে আপনি এর প্রতিবাদ করতেন? নাকি পক্ষে অথবা চুপ থেকে মৌন সমর্থন দিতেন? আমার লিস্টের ৯০% মানুষ এর সরাসরি বিরোধিতা করতো বলে আমার বিশ্বাস এবং দেশের মেজরিটি মানুষ এর বিপক্ষে থাকতো। ইভেন আমার মনে হয় সেই সুপার পাওয়ার মুসলিম রাষ্ট্রটায় যদি হার্ডকোর ডিকটেটশীপ না থাকে তাহলে সেখানকার মানুষও শিশু হত্যা র জন্য সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতো। এখন হিজ্রা+মেরিকার কথা চিন্তা করেন। তাদের মেজরিটি জনতার চিন্তাভাবনা কেমন? মাইগ্রেন্ট ছাড়া অরিজিনাল মেরিকানরা এত স্বাধীনতা থাকার পরও ফিলিস্তিনের শিশু ও নারী হত্যার প্রতিবাদ কতটুকু করছে? হিজ্রাদের কথা বাদই দিলাম। তয় এবার বলেন, জাতি হিসেবে কারা আসলে মানুষ আর কারা মেক্সিমাম অমানুষের কাতারে পরবে? বাঙালি খারাপ মুর্খ তারা সভ্য শিক্ষিত অথচ মনুষ্যত্ব'র কত ফারাগ। সভ্য শিক্ষিত ভদ্রতার সজ্ঞা আমাদের বুঝতে হবে। হীনমন্যতা এত বেশি যে নিজেদেরকে শুয়োরের বাচ্চাদের থেকেও নিচে মনে করি অথচ আমরা কথিত অসভ্য হলেও অন্তত মানুষের বাচ্চা।
দেশের প্রায় ৯০% মানুষ বিশ্বাস করা শুরু করছিলো যে, হাসিনার পতন কেবল তার মৃত্যুতেই সম্ভব। কিন্তু হঠাৎ ছোট্ট এক ঝরথেকে সাইক্লোন হয়ে ৩৬ দিনে তছনছ প্রতাপশালী ফেরাওহাসিনার মসনদ। প্রায় পুরা মুসলিম বিশ্ব বিশ্বাস করা শুরু করছে হিজ্রারা অজেয় অমর। ইমাম মাহদী ছাড়া তাদের পরাজয় সম্ভব না। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি, কোন এক ছোট্ট ঝর থেকে সাইমুম হয়ে হিজ্রা ও তাদের সহযোগীদের তছনছ করে দিবে। খোদার শপথ সত্যি। দুনিয়ার চিন্তার শেষ থেকে খোদা তায়লার প্লান শুরু। "আমরা তো শহীদ হওয়ার জন্যই মায়ের উদর থেকে জন্মেছি"
কোন দেশের জাতীয় স্মৃতি বা ইভেন্টকে কুক্ষিগত করে নিজেদের চিন্তাচেতনা সকলের উপর চাপিয়ে দিলে এবং সেটাকেই একমাত্র ট্রু মনে করলে এই জিনিস আর জাতীয় থাকে না। খাম্বা নিয়ে কোন প্রশ্ন করা যাবে না। ফুল দেওয়ার মিনিং চাওয়া যাবে না। সারা বছর জুতায় মারিয়ে একদিন পরিস্কার রেখে পবিত্র না মানলে হবে না। প্রভাতফেরীর লজিক কি জানতে চাওয়া যাবে না। এইটা কবে থেকে জনের কালচার হইয়া গেলো সেটা নিয়েও প্রশ্ন করা যাবে না। [ ভাষা খোদার দান। মানুষ প্রয়োজনে ভাষা বানায়,শেখে,প্রচার করে কিন্তু মায়ের ভাষা নিয়ে এত আদিখ্যেতা তাও ফেব্রুয়ারিতে করা লাগে কেন? মুখের ভাষা বা মায়ের ভাষা তো কেউ চাইলেও জোর করে কেরে নিতে পারে না। দুনিয়ার কোথায় জোর করে মায়ের ভাষা একদম ভেনিশ করে দিছে? বরং যুগ, চাহিদা ও প্রয়োজনে মানুষ নিজেই ভাষার পরিবর্তন ঘটায়। ইংরেজরা ১৯০ বছরে আপনাকে ইংরেজী শেখাতে পারে নাই অথচ আপনি এখন বুঝান আপনার মুখের ভাষা কাইরা নিতে চাইছে। ] এইযে একটা ভুল ও অযৌক্তিক জিনিসকে মহাপবিত্রের আবরণ দিয়ে পূজনীয় করে রাখা হলো এবং মেজরিটি মানুষকে জোর করে সেটা গেলানোর চেষ্টা আজো করা হচ্ছে তাতে এটাকে ন্যাশনাল বা ইউনিভার্সাল ইভেন্ট কেমনে বলা যায় আসলে?
রমাদানে আমরা অনেক অনেক প্লান করি। অনেক কিছু করার আশা থাকে কিন্তু মাস শেষে দেখা যায় প্রাপ্তির খাতা প্রায় শূন্য। এই জন্য এত কিছু প্লান না করে একসম স্পেসিফিক ১/২ টা জিনিস ফোকাস করা দরকার। এবং অবশ্যই সেটা সাধ্যের মধ্যে বা ছোট কিছু হবে। যেমন সারা মাসে পুরা কোরআন একবার জাস্ট বাংলা অর্থ পড়বো কিন্তু আমরা চাই তাফসীর সহ পরে ফেলবো তাই শেষমেশ একটাও হয় না। আমি এই রমজানে বড় কোণ প্লানই করি নাই। জাস্ট নামাজের প্রতি মনোযোগ বাড়ানোর চেষ্টা করছি আর আমলের চেয়ে বেশি চেষ্টা করছি গোনাহ ছেড়ে দিতে। এই রমাদান যদি একটা গোনাহর অভ্যাসও পার্মানেন্টলি পরিবর্তন করতে পারি এবং নতুন করে একদম ছোট্ট একটা আমল সারা বছর কন্টিনিউ করার ট্রেইনিং নিতে পারি তাহলে আমার জন্য রমাদান সফল। আপনারাও ছোট্ট ছোট্ট কিছু ট্রাই করতে পারেন তাহলে আশাকরি ইফেক্টিভ হবে ইন শা আল্লাহ।
অনেকে ভারতের নাম শুনলেই চিল্লায়া উঠে। অথচ বাস্তবতা হলো ভারতকে ডিনাই করে আপনার আসলে কিছু করার সামর্থ নাই। বিএনপি যখন বলে ভারতের সাথে ভালো সম্পর্ক গড়ে তুলবে তখন জামাত বা অন্যরা চিল্লানো শুরু করে আবার জামাতের আমীর যখন ন্যায্য সম্পর্কের কথা বলে তখন বিএনপির লোকেরা ছেত করে উঠে। কিন্ত যেই দলই ক্ষমতায় আসুক ভারতের সাথে সম্পর্ক রেখেই দেশ চালাতে হবে এইটা আমরা কেউ না মানলেও সত্যি। লীগের মত কৃতদাস না হয়ে যে কোন সরকার যদি জনগনের ইন্টারেস্ট সামনে রেখে ভারতের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করে তাইলে সেটা ২দেশের জন্যই ভালো। কিন্তু আমাদের সমস্যা হইলো আমরা গোলামি পছন্দ করি তাই একদম খাটি গোলাম হয়ে যাই। প্রভু যা বলে যেভাবে বলে সেভাবেই চলি। এমনটা হইলে অবশ্যই বিরোধীতা করতে হবে। আজকে তারেক রহমান ভারতের সাথে সম্পর্কের কথা তুলে ধরছে এবং জনগনের ইন্টারেস্ট প্রাধান্য দেওয়ার কথা উল্লেখ করছে- আমি এই বক্তব্যকে সাগত জানাই। আমরা চাই বিএনপি যেন লীগের মত কৃতদাস না হয়। তাহলেই হবে। জামাত ক্ষমতায় আসলেও সেইম কাজই করা লাগতো। সো নিজের দলের বাইরে হলেই অন্ধ বিরোধীতা কাম্য না। বৈদেশিক সম্পর্ক চাই ন্যায্যতার ভিত্তিতে এবং গোলামির সকল প্রকার পদক্ষেপ থেকে আমরা মুক্তি চাই।
এইটাই সম্ভবত শেষ ইলেকশন যেখানে জেলায় জেলায় এমন বড় বড় সভা সমাবেশ হচ্ছে। লক্ষ করলেই দেখবেন তরুণ প্রজন্ম এখন আগের মত গ্যাদারিং এর রাজনীতি পছন্দ করছে না। নিজের দলের হলেও এভোয়েড করার ট্রাই করে। তারা জ্ঞানভীত্তিক বা স্মার্ট প্রেজেন্টেশনে আকৃষ্ট হচ্ছে। বলছিনা যে, একদম মিছিল মিটিং বা সভা সমাবেশ হবে না কিংবা লোক সমাগম হবে তবে ম্যাসিভ চেঞ্জ আসবে এইটা শিউর। তাই রাজনৈতিক দলগুলারও উচিৎ তাদের ভবিষ্যৎ রাজনীতি নতুন চিন্তাধারা দিয়ে সজানো।
যেদিন আবু সাঈদ শহীদ হয় সেদিন বিকেলে সাইন্সল্যাব টিচার্স ট্রেইনিং কলেজের সামনে লীগের কুত্তাদের বিরুদ্ধে মুখমুখি সংঘর্ষ চলছিলো। চন্দ্রীমা মার্কেটের দিকে পুলিশলীগ দড়ায়া তামাশা দেখছে সারাদিন। সকাল থেকে টানা ধাওয়া পালটা ধাওয়ায় ক্লান্ত হয়ে গেছি প্রায়। মনে মনে ভাবতেছি এই আন্দোলনের আল্টিমেটলি গোল নাই লাইক তখনো কারো মধ্যে হাসিনারে ফালায়া দেওয়ার মত সিরিয়াস চিন্তা বা একদম ডু ওর ডাই চিন্তা আসে নাই। আমার মনে আছে ফোনের নেট একদম স্লো ছিলো। ফেসবুক ভালো করে সেখানে চলছিলো না। রেলিং এর পাশে ক্লান্ত শরির নিয়ে মাটিতে বসে আছি। এবং মনে মনে সিদ্ধান্ত নিচ্ছিলাম কালকে থেকে বের হবো না। তখন আমার একটা প্রজেক্ট চলতেছিলো সেদিকে ফোকাস করার কথা চিন্তা করছিলাম। একটু পর বন্ধু তানভীর (খুব সম্ভবত) এসে বললো রংপুরে একটা ছেলেরে পুলিশ গুলি করে মেরে ফেলছে। শুনে তো পুরা আসমান থেকে পরছি কারন আমি ভাবছিলাম আমাদের এখানে যেহেতু পুলিশ আক্রমন করছে মা মনে হয় পুরা দেশেই পুলিশ জাস্ট দর্শক হয়ে দাড়ায়া আছে। সেদিনই সম্ভবত চট্রগ্রামের ফয়সাল ও ওয়াসিম মারা যায়। এরপর সব চিন্তা একনিমিশে ভেনিশ। আন্দোলনের গোল পাইয়া গেছিলাম আবু সাঈদের শহীদ হওয়ার কথা শুনেই। সন্ধার পরে ফার্মগেইট দিয়ে ঘুরে বাসায় ফিরলাম। কিন্তু মনের ভেরত ঝর চলতাছিলো। একটাই ভাবনা রক্তের বদলা নিতেই হবে। এইবার আর কোন ছাড় নাই। আমার মনে আছে এর পরেরদিনও সবাই সরাসরি হাসিনার পদত্যাগ চেয়ে স্লোগান দেয় নাই কিন্তু আমি বার বার একাই চিল্লায়া চিল্লায়া বলতাম স্বৈরাচারের পতন চাই। পাতার নাম পুদিনা ইত্যাদি। এরপর থেকে তো প্রতিদিনই নফল পইরাব নিয়ত করেই বের হইতাম। উপরের ঘটনাটা বলছি এইটা বুঝাইতে যে রক্ত ঝরলে জালেমদের পতন কাউন্ট শুরু হয়। ঐ রক্তের সাথে আরো মজলুম নিজেদের নাম লেখে ফেলে। এখন যারা মজলুম থেকে নব্য জালেম হয়ে উঠছে তাদেরও পতন হবে ইন শা আল্লাহ। আমরা ৫ তারিখের পর খুনের রাজনীতি চাই নাই। এই জন্যই আমাদের সব ক্ষোভ হাসিনার উপর কিন্তু এখন নব্য জালেমরা হাসিনা হয়ে উঠছে দিন দিন। ক্ষমতা পাওয়ার আগেই লাসের রাজনীতি শুরু করছে। মনে রাইখেন মজলুমের রক্ত খুব ভয়ঙ্গর। রক্তের শোতে টিকতে পারবেন না।
ভারতের শেষ নির্বাচনে আমেরিকা চাইছিলো বিজেপি যেন ক্ষমতায় না আসে। রাহুল গান্ধী আমেরিকা সফর শেষে খুব কনফিডেন্ট ছিলো। সে পুরা দেশে নির্বাচনি মার্চ করছে। যার ফলে কংগ্রেস ফলাফলে চকম দেখাইছে কিন্তু শেষমেশ বিজেপি-ই ক্ষমতায় আসছে। বলা হচ্ছে ২৭ এর নির্বাচনেও বিজেপিকে ক্ষমতায় চায় না ওয়েস্ট এবং ভারতের জেনজিও বিজেপির উপর আগের মত আস্থা রাখতে পারছে না। কিন্তু এত কিছুর পরও এখন পর্যন্ত মোদি ক্ষমতায় আসার সম্ভবনাই বেশি। এইটার সবচেয়ে বড় কারন হচ্ছে হিন্দুত্ববাদ। দেখেন আসামে প্রায় ৪০% মুসলমান কিন্তু সেখানে ধারাবাহিকভাবে হিমন্ত ক্ষমতায় আসছে। সে ক্ষমতায় এসে বিশাল মুসলিম জনগোষ্ঠীকে একপ্রকার উনমানুষ হিসেবে ট্রিট করে। রাজ্যের কর্তা হিসেবে প্রকাশ্যে মাইনোরিটিদের প্রতি হিংসা বিদ্বেষ ছড়ায়। কারন এটাই তার রাজনীতি। সে মনে করে মাইনোরিটি মইরা গেলেও আমার কি আমি ক্ষমতায় আসতে পারলেই হইলো। বিজেপির স্ট্রেটেজি পুরা ভারতে এই রকম। পশ্চিম বাংলায় সুবেন্দুরা যে এত লাফালাফি করে এর কারনও এইটাই। সেখানে প্রায় ৩৫% মুসলিক কিন্তু সুবেন্দুরা তাদেরকে রিগকনাইজ করবে দুরথাক পারে না বাংলাদেশে পাঠায়া দেয়। কিছুদিন আগে বিহারের নির্বাচনেও বিজেপি জিতছে। সেখানেও হিন্দুত্ববাদ ভালো প্রভাব রাখছে। সবমিলিয়ে ভারতে দিন দিন উগ্র হিন্দুত্ববাদ ভয়াবহ আকার ধারন করছে। তাদের নেতারা প্রকাশ্যে মাইনোরিটি কোপানোর পক্ষে সম্মতি উৎপাদন করছে। শুধু মুসলিম না দলিত, পাহারী, আদিবাসি বা অন্যান্য মাইনোরিটির সাথেও এমনটাই ঘটছে। তার মানে এইযে উগ্র ডানপন্থা এতো জনপ্রিয় হচ্ছে এর প্রভাব কি কেবল ভারতেই থাকবে? কখনোই না। পুরা দক্ষিন এশিয়ায় এর প্রভাব ছড়িয়ে যবে অলরেডি ছড়ানো শুরু করছে। তাই বাংলাদেশের সাম্প্রতিক যেই ম্যাসিভ শিফটিং বা মানুষের সাইকির যেই বিশাল চেঞ্জ দেখেন সেইটাও প্যারালালি ভারতের উগ্ররাজনীতির কাউন্টার পার্ট। তবে আমাদের ভাগ্য ভালো যে খোদা তায়ালা আমাদেরকে কিছুটা সভ্য করে বানাইছে তাই আমরা মাইনোরিটির রাইট নিয়া সোচ্চার। ভারতের তুলনায় আমাদের মাইনোরিটির % কম তবুও আমরা তাদের অধিকার সর্বোচ্চ আদায়ের কথা বলি। বলে যাবো। --- জাশি বা ইসলামপন্থিদের উত্থানের পিছনে কারন খুঁজে পান না অনেকে। ভারতের উগ্র হিন্দুত্ববাদের দিকে খেয়াল করলে এইটার উত্তর কিছুটা পাবেন। এবং ভারতে উগ্র সাম্প্রদায়ীক রাজনীতি যত শক্তিশালী হবে আমাদের এখানেও ইসলামিস্টরা বা ইসলামপন্থা শক্তিশালী হবে। আরেকটা বিষয় হইলো আমাদের এখানে জাতীয়তাবাদী শক্তি দুর্নীতি থেকে শুরু করে অপরাজনীতির সব টুল চর্চা করে তাই ডানপন্থার উত্থান ঠেকাতে মানুষ তাকে চুজ করবে না। এই জিনিস মেইবি আমেরিকা বা ওয়েস্ট মেনে নিতে প্রস্তুত। তাই দেখবেন জামাতের সাথে লাস্ট ১ বছরে ওয়েস্টের প্রায় সব দেশের আলোচনা হইছে। এবং জামাত তাদেরকে কল্যান রাষ্ট্রের বিষয়ে কনভিন্স করতে পারছে বলেই মনে হচ্ছে। এর প্রমান হইলো আমেরিকা মনে করে তারা শরিয়া কায়েম করবে না সো তাদের রাষ্ট্র চিন্তাকে এন্ড্রোস করা যায়। ওয়েস্ট চিন্তা করছে এই উত্থান জোর করে ঠেকানো ঠিক হবে না। কারন এইটা অর্গানিক্যালি গ্রো করছে। দিন দিন এর পরিমান বাড়তেই থাকবে। সো ভারতের চোখে বাঙ্গালকে না দেখে তাদের মত করেই দেখা বেটার। আমেরিকার ডিপলোমেটদের ফাঁস হওয়া অডিও থেকেও এদিকটা ক্লিয়ার। সব মিলিয়ে সামারি হইলো ভারতে হিন্দুত্ববাদ যত শক্তিশালী হবে এই জমিনে ইসলামিস্টরা তত শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে। এইটা ঠেকানোর আপাতত কোন টুল নাই। তাই জাশি ক্ষমতায় আসলে বা ভবিষ্যতে এক্সট্রিমিস্ট ইসলামিস্টরাও যদি রাষ্ট্রেই মূল ধারায় শক্তিশালী হয় তাতে খুব অবাক হবো না।
এরদোয়ানের AK পার্টি প্রতিষ্ঠার মাত্র ২ বছরে ক্ষমতায় চলে আসে। বড় কোন বিপ্লব বা যুদ্ধে নেতৃত্ব দেওয়ার মত দল না তারা। তবুও কিভাবে এত কম সময়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসলো? সেটাও রাইটিস্ট কোন পার্টি থেকে বের হয়ে নতুন ক্রিয়েট করা দল। Ak পার্টির শিফটিং এবং মাত্র ২ বছরে তাদের কাজের হিসাব করলে আপনি অবাক হয়ে যাবেন। এরদোয়ান নিজেই রোবটের মত পুরা দেশ চষে বেড়াইছে। রাইটিস্ট থেকে কল্যান রাষ্ট্রের দিকে ফোকাস করে এগিয়ে গেছে। বাংলাদেশের কনটেক্সট-এ জাশি থেকে বের হয়ে মঞ্জুরা AB পার্টি খুলে AK পার্টির মত আগাতে চাইছিলো। কিন্তু পুরাপুরি ব্যার্থ হইছে। মজার ব্যাপার হলো, জামাত নিজেই এখন ইসলামিক রাইটিস্ট থেকে নিজেদেরকে শিফট করে কল্যাণ রাষ্ট্রের দিকে পুরাদমে ফোকাস করছে। যেই কাজ মঞ্জুদের দ্বারা হওয়ার কথা সেই কাজ জাশি নিজেই সাবস্ক্রাইব করে বসে আছে। এরফলে AB পার্টির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ খুব বেশি ব্রাইট না। কিন্তু দেশের বাস্তবতায় জামাতের সম্ভাবনা বেড়ে গেছে। এখন একে পার্টির লেন্স থেকে জামাতকে থিংক করে দেখেন। জুলাইয়ের পরে ২ বছরে জামাত যেই পরিমান জনপ্রিয় হইছে। ওয়েল্ফেয়ার পলিটিক্সে তাদের ধারে কাছেও কেউ নাই। এরদোয়ানের মত পপুলিস্ট রাজনীতি শফিকুর রহমানের থেকে ভালো কেউ করতে পারছে? কাকতালীয়ভাবে তারাও ২ বছরেই পার্টির চেহারা পাল্টায়া ফেলছে। জামাতের রাজনৈতিক মডেল মিশর ও তিউনিসিয়ার ইসলামিস্টদের মত। এই ২ দেশেই তারা ফেইল করছে। এবং এরদোয়ানের পুরানা দল ইখওয়ান ও জামাত মডেলের সাদাত পার্টিও বলাচলে ফেইল করছে। এর মধ্যে শুধু এরদোয়ানই মোটামুটি সফল। তাই জামাত হয়তো এইদিকেই ঝুকছে। আপনি বর্তমানে জামাতের নির্বাচনী কাজকাম খেয়াল করলেও দেখবেন তার্কিরে ফলো করছে এবং পুরাদস্তুর পপুলিস্ট রাজনীতি করতেছে... বলছিনা যে এই জন্য তারা ক্ষমতায় চলে আসবে তবে সম্ভাবনা তো আছেই। দেখাযাক কার পাসা কার টেবিলে গিয়ে ঠেকে।