tgindex
Al Quds Network

Al Quds Network

Статистика

Live update about Palestine and worldwide Muslims.

Последний пост
4 авг.
Последнее чтение
15 авг.
Постов за неделю
0
Всего постов
20
Тип
открытый
Язык
bn
В каталоге с
13 авг.
Подписчики
1 194
−3 за 3 дн.
Сутки
−2
−0,17%
Неделя
 
Месяц
 
Просмотров на пост
148
20 постов
Вовлечённость
12,4%
к подписчикам
Постов в день
0,0
всего 20
Упоминаний
0
каналов
Охват размещения
оценка
1/24сутки в ленте
94
1/48двое суток
107
1/72трое суток
116

Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.

Посты

  • без подписи

  • এই ছবিটা দেখেছেন না? সারা বাংলাদেশে হুলস্থুল পড়ে গেল! কওমি মাদ্রাসার দুই ছাত্রকে জড়িয়ে ছাত্রদল কী নোংরামিটাই না করল! ছাত্রশিবিরকে ‘সাইজ’ করতে গিয়ে ছাত্রদল কওমি মাদ্রাসার যে ক্ষতি করেছে, তার জন্য বেফাকের পক্ষ থেকে ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কমিটির বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার মানহানি মামলা করা উচিত। আসল ঘটনা কী? রাজনৈতিক হীন উদ্দেশ্যে ছাত্রদল কতটা নিচে নামতে পারে, এই ঘটনাটি তারই একটি ভয়ংকর উদাহরণ। নিউজটি ‘কালবেলা’ ও ‘ঢাকা পোস্ট’-এও প্রচারিত হয়েছে। ছাত্রদলের লোকজন মিলে কওমির এই দুই ছেলেকে সমকামিতার সঙ্গে জড়িয়ে যে প্রোপাগান্ডা চালিয়েছে, এটা সত্যিই অ্যাবসোলিউটলি শেইম! ডাকসুর হল সংসদের শিবিরের এজিএস ইব্রাহিমকে রাজনৈতিকভাবে হেয় করতে গিয়ে কওমি মাদ্রাসার দুই ছাত্রকে ‘গুটি’ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। ইব্রাহিমের এই দুই অতিথি ঢাকায় চিকিৎসার উদ্দেশ্যে এসেছিল। তাদের সরলতা ও অসহায়ত্বকে কাজে লাগিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক একটি কথিত ‘স্বীকারোক্তি’ ভিডিও ধারণ করা হয়। পরে সেই ভিডিওকে কেন্দ্র করে কওমি মাদ্রাসার ছাত্রদের বিরুদ্ধে সমকামিতার অপবাদ ছড়ানো হয়। এরপর শুরু হয় আরও বড় রাজনৈতিক খেলা। ছাত্রলীগের অনিক ভিডিওটি ফেসবুকে পোস্ট করে। ছাত্রদল সেটিকে ব্যাপকভাবে প্রচার করে। উদ্দেশ্য, শিবিরকে সমকামিতার সঙ্গে জড়িয়ে রাজনৈতিকভাবে হেয় করা। কিন্তু শিবিরকে হেয় করতে গিয়ে কলঙ্কিত করা হয়েছে কওমি মাদ্রাসার হাজারো শিক্ষার্থী ও পুরো কওমি অঙ্গনকে! একটি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ভিলিফাই করার জন্য কি কওমি মাদ্রাসার নিরীহ দুই ছাত্রকে এভাবে ব্যবহার করতে হবে? নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের জন্য তাদের সম্মান-ইজ্জত নিয়ে খেলতে হবে? একটি মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর ন্যারেটিভ প্রতিষ্ঠার জন্য এত আয়োজন কেন? আরও গুরুতর অভিযোগ হলো, ঘটনার পর হলের সিসিটিভি ফুটেজ মুছে ফেলা এবং পরবর্তীতে তদন্তকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ও হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব অভিযোগ সত্য হলে প্রশ্ন উঠবেই, সত্য উদঘাটনে এত ভয় কিসের? রাজনীতি মানে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য অসহায় মানুষকে বলির পাঁঠা বানানো নয়। রাজনীতি মানে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে একটি ধর্মীয় শিক্ষাব্যবস্থার ভাবমূর্তি ধ্বংস করা নয়। কওমি মাদ্রাসার দুই ছাত্র কোনো রাজনৈতিক গুটি নয়। শিবিরকে ঘায়েল করতে গিয়ে কওমির বিরুদ্ধে যে নোংরা ন্যারেটিভ তৈরি করা হয়েছে, তার দায় সংশ্লিষ্টদের নিতেই হবে। সব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত হোক। ভিডিওর উৎস, ধারণের প্রক্রিয়া, প্রচারকারীদের ভূমিকা এবং পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ, সবকিছু তদন্তের আওতায় আসুক। সত্য যখন সামনে এসে গেছে, তাহলে যারা এই নোংরা রাজনৈতিক খেলায় জড়িত ছিল, তাদের জবাবদিহি করতেই হবে। কওমি মাদ্রাসার ভাবমূর্তি নিয়ে রাজনীতি বন্ধ করুন।

  • বাংলাদেশের হাজার হাজার আবাসিক মাদ্রাসার হুজুরগণ হলেন হিন্দু। আমাদের বাংলাদেশে বেশিরভাগই আবাসিক মাদ্রাসা হলো গরীব সন্তানদের প্রাথমিক আশ্রয়স্হল। হুট করে যে কেউ গিয়ে ভর্তি হতে পারে,মাদ্রাসা কতৃপক্ষ এতোকিছু দেখেনা। অনেক মাদ্রাসায় দেখা যায় রাস্তায় ভবঘুরো এমন ছেলেদের জোর করে ভর্তি করাচ্ছে। কিছুদিন আগে একটা গোয়েন্দা রিপোর্টে দেখলাম, একটি হিন্দু চক্র নওমুসলিম সেজে জেলায় জেলায় গিয়ে মসজিদে সহায়তা নিয়ে জীবনযাপন করে। তারা এফিডেবিট মূলে মুসলিম হলেও গোপণে হিন্দুরীতি ফলো করে। আবাসিক মাদ্রাসায় এমন সংখ্যা অহরহ।যারা টার্গেট করে সমকামী জিনিসটা হাইলাইট করে যাচ্ছে, মিশন ইসলামকে বিতর্কিত করা,মাদ্রাসা বন্ধ করা। এইকাজগুলোর প্রধার গুরু ছিলেন ইসকন সন্ত্রাসী চিন্ময়, চিন্ময় দাস তার কথিত চট্টগ্রামের হাটহাজারীর পুন্ডরীক ধামের অধ্যক্ষ হিসেবে এই খেলাটি খেলতেন। গোপনে কৌশলে ট্রেনিং শেষে হাটহাজারী বড় মাদ্রাসায় এদের ঢুকিয়ে দিতেন। চিন্ময়ের পুন্ডিরীক ধামে ইসলামী বই পুস্তক এইখানেই পাওয়া গিয়েছিলো। চিন্ময় ছিলো সরাসরি র-য়ের এজেন্ট, র বাংলাদেশ বিগত ২০ বছর ধরে এইকাজগুলো করে যাচ্ছে। গোয়েন্দা রিপোর্টের তথ্য মতে ২০ থেকে ২৫ হাজার এমন হুজুর নামধারী র-য়ের এজেন্ট মসজিদ, মাদ্রাসায় বিচরণ করে যাচ্ছে, সুযোগ বুঝে ইসলাম আর মাদ্রাসাকে ধ্বংসের টার্গেট করে কাজ করে যাচ্ছে।

  • ইন্ডিয়ান ছাত্রলীগ

  • ভারতের অবস্থা

  • без подписи

  • বিএনপি যদি চাঁদাবাজি , রাস্তাঘাটে অস্ত্রের ঝনঝনানি , বাসায় ঢুকে অনাসয়ে মানুষ হ*ত্যা , ছিনতাই , ডাকাতি, ধর*ষ*ণের মতো ইস্যুগুলো খুব দ্রুত কন্ট্রোল না করতে পারে..... মানুষ তারেক রহমানের এই ৫ বছরকে মনে রেখে দিবে ' ভয়ের রাজত্ব ' হিসেবে । যেটা আগামী নির্বাচনে বিএনপির ভোট ব্যাংকে বড়সড় ইফেক্ট ফেলবে...

  • আপনি একটা ইন্টারনেট সেবা প্রতিষ্ঠানের মালিক । একজন শীর্ষ সন্ত্রাসী আপনাকে কল দিলো , থ্রে*ট করলো , "২ কোটি টাকা শুরুতে দিবি । তারপর মাসিক ১০ লাখ টাকা করে দিবি । নাহয় ব্যবসা করতে পারবি না.... কি করবেন? পুলিশের কাছে যাবেন? মামলা করবেন ? কিন্তু ঐ সন্ত্রাসী যখন থ্রে**ট দেয় , পুলিশ কমিশনারকে আমার নাম্বার দেখাইস । আমার নাম বলিস । তখন আপনি বুঝলেন রাষ্ট্রে আপনার আর যাওয়ার জায়গা নাই । কারণ আপনার সমস্যা তারেক রহমান এসে সলভ করবে না । থানা করবে । তার পরদিন সন্ত্রা**সীর সাঙ্গপাঙ্গরা আপনার প্রতিষ্ঠানে লুট করলো । ৩৫ লাখ টাকা নগদ নিলো । জাস্ট ওপেন থ্রেট দিয়েই । Hence we can raise a couple of question here , এটা কি পুলিশ ও জনতার রাষ্ট্র? নাকি স**ন্ত্রাসীর রাষ্ট্র ? এটা কি নিরাপত্তার রাষ্ট্র না থ্রেটের রাষ্ট্র । চট্টগ্রামের শীর্ষ স**ন্ত্রাসী ডেভিড ইমন ও ইন্টারনেট সেবা প্রতিষ্ঠান ডট নেটের ফোনালাপ ইতোমধ্যে অনেকেই শুনছেন। পুরো সময়টাতে স*ন্ত্রা*সী ডেভিডের ভয়ে কাঁচুমাচু হয়ে কথা বলেছেন ডট নেটের কর্মকর্তা । কে এই সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন ? সন্ত্রা**সী ডেভিড ইমনের আসল নাম মোবারক হোসেন ইমন । বাড়ি চট্টগ্রামের ফটিক ছড়ি । চট্টগ্রামের সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী গ্যাং সাজ্জাদ গ্রুপের শীর্ষ সন্ত্রাসী । সে গর্ব করে বলছে, সে জোড়া খুনের আসামী (আসলে তিনটা খুনের আসামী ও ৭ টা ফৌজদারি মামলা রয়েছে তার বিরুদ্ধে ) । সে গর্ব করছে , পুরো চট্টগ্রামের গার্মেন্টস ব্যবসায়ী হতে শুরু করে সবাই তার সাথে সমন্বয় করে ব্যবসা করছে । সে গর্ব করে থ্রেট দিচ্ছে , "স্মার্ট গ্রুপের মুজিবের সাথে কি হইছে দেখস নাই? তুই কি তার চেয়ে বড় কিছু হইছস? " ( ১০ কোটি চাঁদা দেয় নি বলে এই সাজ্জাদ গ্রুপ স্মার্ট গ্রুপের মালিক মুজিবরের বাসা বাড়ির সামনে গিয়ে গোলাগুলি করে আসে )। কিন্তু শুনলে আশ্চর্য হবেন , এই ডেভিড ইমন দেশে নেই। কোনো মন্ত্রী নয় , কোনো সংসদ সদস্য নয় , কোনো পুলিশ কমিশনার নয় - আপনার দেশের বিভাগীয় একটা শহর একজন সন্ত্রাসী লিড করতেছে বাইরে বসে । Can you imagnine ? ডেভিড ইমন এমনভাবে থ্রেট করছে যেনো কমিশনার ওর আপনা দলের লোক । কে এই সিএমপি কমিশনার ? বর্তমানে চট্টগ্রামের সিএমপির পুলিশ কমিশনার শওকত আলী , রাঙামাটির সন্তান । ১৮ তম বিসিএসের কর্মকর্তা। ২০২৬ সালের ১ এপ্রিল নতুন নিয়োগ পান অর্থাৎ মাত্র ৪ মাস আগেই । এর মাঝেই সন্ত্রাসীদের নিরাপত্তা তার হাতে উঠে গেছে কি ? যদি উঠে না যায় - আশা করি তিনি দ্রুত তার স্টেটমেন্ট দিবেন । তার জায়গা ক্লিয়ার করবেন । যারা অফিসে লুটপাট করেছে তাদের গ্রেফতার করবেন । সাজ্জাদ গ্রুপের বিরুদ্ধে একটা ক্লিন অপারেশন চালাবেন । নাহয় দেশের মানুষ পুলিশের উপর আস্থা হারাবে । এই নির্বাচনে বিএনপি হিউজ পরিমাণ ভোট হারাইছে মাঠে । কেনো? কারণ মানুষ দেখলো ০৫ আগস্টের পর পুরো দেশ চাঁদাবাজে ভরে গেছে । বেশিরভাগই তাদের দলের সাথেই সম্পৃক্ত । এই একটা ইস্যুতে বিএনপির নেগেটিভ ইমেজ ডাউনফল করছে অনেকখানি । জামায়াত তাদের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়েছে। তারপর এখন দেশে চাঁদাবাজি হচ্ছে ওপেন থ্রেট দিয়ে। অফিসে হচ্ছে । দোকানে হচ্ছে । শিল্পপ্রতিষ্ঠানে হচ্ছে । কিচ্ছু করার নাই , আপনি চাঁদা না দিলে সোজা আইসা গু**লি করে দেবে... আজকাল রাস্তাঘাটে ওপেন গো*লাগু*লি হচ্ছে অনায়সেই অ**স্ত্র নিয়ে । শুধু বুলেট বৈরাগীর পরেও ছিনতাইয়ের সময়ে মানুষ খু**ন হওয়ার ভিডিও ভাইরাল হইতে দেখছি ৫-৬ টা । রামিসার ইস্যুতে মাদ**ক জড়িত ছিলো । লক্ষ্মীপুরের বাসায় ঢুকে চারজনকে Ku*পিয়ে হ*ত্যার ঘটনায় , একাধিক প্রেম করে বলে সন্তানকে মাথায় বাড়ি দিয়ে হ***ত্যার ঘটনায় মাদক ছিলো । কিন্তু রাষ্ট্র এই নিয়ে কনসার্ন না । যখন সংসদে একজন বললো , মাদকের সবচেয়ে বড় চালান আসে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাড়ির পাশ দিয়ে । সবাই হো হো করে হেসে উঠলো । মনে হয় যেনো , এটা ভালো একটা জোকস ছিলো । মনে হয় যেনো , রামিসার হ*ত্যা একটা জোকস ছিলো। বিএনপি সরকার কিছু ভালো কাজ করে দেখিয়েছে । ১. কোথাও ক্রাইম হইলে অপরাধীকে দ্রুত গ্রেফতার করেছে । ২. ধর*ষ*ণের কিছু মামলা খুব দ্রুত নিষ্পত্তি করেছে এবং সেগুলো প্রচার করেছে । ৩. সলিমপুরে ভালো একটা অপারেশন চালিয়েছে স***ন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে । কিন্তু ক্রাইম গণহারে বেড়েছে । ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের হিসেবে বিএনপির প্রথম ১০০ দিনের শাসনামলে , ৬০৫ টা খু*ন , ১০০ এর বেশি ধ*র্ষণ , ১৭২ টি ছিনতাই ও বিচ্ছিন্ন অনেক ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে । কিন্তু সালাউদ্দিন আহমেদ সেটাকে ' জাস্ট পেপার কাটিং' বলে উড়িয়ে দিলেন । কিন্তু এই যুগে মানুষ ইনফরমেশনের ডিটাচে থাকে না। ভিডিও ভাইরাল হয়ে যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় । একটা প্রেডিকশন দিয়ে রাখি ।

  • তাছাড়া এদের ছোটখাটো কোন সমস্যা হলে তাৎক্ষনিকভাবে প্রশাসনের হেল্প চলে আসত। যেমন সাবির গ্যাংয়ের এক বুড়ো শয়তানের ঘটনা শুনেছি তার ফেসবুক আইডিতে কোন সমস্যা হলেও নাকি প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত সেটার সমাধান করে দেয়া হয়। ------------------ দ্বিতীয় পর্বের লিংক: https://www.facebook.com/abukhubaib.k/posts/pfbid02yXgjDi8kSX7fXnXiwGRbwkdF7m1NopyWy2jAhVewxzLtf9oXZ2pk6ah8yd5eqnrJl

  • এই ব্যাপারটা জানার পরে বুঝতে পারলাম কেন সে আমার সাথে তার কিছু ফুটেজ রাখতে মরিয়া ছিল। সে আমার সাথে কিছু ভিডিও ও ছবি দেখাতে পারলে সবাইকে আমার সংশ্লিষ্টতার ব্যাপারটা বিশ্বাস করানো সহজ হত। যতদূর জানি আমি তার সহকর্মী রিফাতকে এক্সপোজ করার পরে সাবির আর আমাদের নাম ব্যবহার করত না, কারণ তখন আর সেই সুযোগ ছিল। এখন হয়তো অন্য কারো নাম ব্যবহার করে। শুনেছি পরে নাকি সে হারুন ইজহার সাহবের সাথে কাজ করার দাবী করত। আমার আর আল-মামুন ভাইয়ের সংশ্লিষ্টতার ব্যাপারটা অন্যদেরকে বিশ্বাস করানোর জন্য সে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করত। যেমন অনেকের সাথে কথা বলার আগে তাকে দাঁড় করিয়ে রেখে তার সামনে আল-মামুন ভাইয়ের সাথে একটু কথা বলে আসত যেন সে মনে করে আল-মামুন ভাইয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী সাবির তাকে নির্দেশনা দিচ্ছে। অথচ আল-মামুন ভাই এ ব্যাপারে কিছুই জানতেন না। ৪. তারা অন্যদেরকে ফাসানোর সুবিধার্থে আমার আর আল-মামুন ভাই সম্পর্কে কিছু মিথ্যা গল্প বলত। এর মাধ্যমে যারা আমাদের প্রতি সুধারণা রাখেন তারা যেন ইন্সপায়ার্ড হয়ে সহজে সাবির গ্যাংয়ের ফাঁদে পড়ে যান। যেমন, গ্যাংয়ের এক সদস্য বলেছিল আল-মামুন ভাই অনেক অস্ত্র কিনে রাখছেন সামনে ব্যবহারের জন্য। সাবির আমার সম্পর্কে বলেছিল, আমি নাকি লোন উলফ স্টাইলে এটাক করতে যাচ্ছি। ইত্যাদি। ৫. সাবির গ্যাং সবাইকে বোঝাতো সামনে ইসকনের সাথে একটা বড় লড়াই হতে যাচ্ছে। সাবির গ্যাং তাদেরকে সামরিক প্রশিক্ষণ, (ঘোড়ার ডিমের) আইটি প্রশিক্ষণ ইত্যাদির মাধ্যমে যোগ্য করে তুলতে চাচ্ছে। দ্রুত প্রস্তুত হওয়া দরকার। ইসকন নাকি কোথায় বিপুল পরিমাণ অস্ত্র কিনে প্রস্তুত করে রেখেছে। সাবিরের সহকর্মী রিফাত বলত কোথায় নাকি তারা অস্ত্র প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে রেখেছে। কেউ আগ্রহী হলে তাকে তারা অস্ত্র প্রশিক্ষণ দিবে। ৬. সাবির গ্যাং অস্ত্র সাথে রাখতে উৎসাহিত করত। যেমন সাবিরের সহকর্মী রিফাত বলত, অস্ত্র সাথে রাখা সুন্নাহ সবাই যেন অস্ত্র সাথে রাখে। সে নিজে প্রাথমিক পর্যায়ের অস্ত্র হিসাবে হাতুড়ি গিফট করত আর সাথে রাখতে বলত। ৭. আমি একটা উড়ো খবরের মত শুনতে পেলাম, সাবির গ্যাং নাকি কাকে বলেছে অস্ত্র দিলে সে মন্দিরে হামলা করতে পারবে কিনা। আমি টুকরা টুকরা খবর যতটুকু সংগ্রহ করতে পেরেছিলাম সে অনুযায়ী বুঝতে পারছিলাম আমার ছাত্রদের আর অন্যান্য দ্বীনী ভাইয়দেরকে ট্র্যাপে ফেলে ‘ইসলামিস্টরা মন্দিরে হামলার সময় অস্ত্রহাতে ধরা পড়েছে’ এমন একটা নাটক মঞ্চস্থ করার চেষ্টায় ছিল। এর সত্যতা হিসাবে আমি কয়েকটা সূত্রে খবর পেলাম, যারা তার কাছে মার্শাল আর্ট শিখতে যেত তাদের মধ্য থেকে ধার্মিক ৫/৬ জন ছেলেকে সে সত্যিই সাউথ সেন্ট্রাল রোডের একটা মন্দিরে পাঠিয়েছে প্রথমদিন জাস্ট ভেতর থেকে ঘুরে আসার জন্য। সে বলেছে এটা নাকি মাইন্ড ট্রেইনআপের অংশ। এর মাধ্যমে সে তাদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। আমি স্পষ্টই বুঝতে পারছিলাম এর পরের ধাপ ছিল অস্ত্রসহ পাঠানো আর ‘হামলার চেষ্টাকালে’ তাদেরকে গ্রেফতার দেখানো। . আমি তাদের ব্যাপারে তথ্যগুলো আমার সাধ্যের বিভিন্ন সোর্স থেকে সংগ্রহ করার চেষ্টা করছিলাম। সবগুলো সোর্স উল্লেখ করা সম্ভবও না। কিন্তু মন্দিরে পাঠানোর প্রমাণ হিসাবে দুই শ্রেণীর মানুষ থেকে সাক্ষী উপস্থিত করতে পারব ইনশাআল্লাহ। ১. ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ২. যাদেরকে পাঠানো হয়েছিল। এছাড়াও ওই সময়ে খুলনার যেসব ভাইদেরকে টার্গেট করে ট্র্যাপে ফেলার চেষ্টা করত তাদের মধ্যে অনেক ঘটনার সাক্ষী পেয়ে যাবেন যে কেউ। . --- আওয়ামী প্রশাসনের শক্ত ব্যাকআপ --- রিফাত-সাবির-আবির গ্যাংয়ের অনুসন্ধান করতে গিয়ে আরেকটা ব্যাপার আমার কাছে স্পষ্ট হয়, তাদের পিছনে আওয়ামীলীগ ও প্রশাসনের শক্ত ব্যাকআপ ছিল এবং ২৪/৭ সাপোর্ট ছিল। ব্যাপারটা বুঝতে কয়েকটা উদাহরণ উল্লেখ করছি। ১. তাদেরকে কেউ সন্দেহ করতে শুরু করলে তারা কখনো তাকে মাস্তানি দেখিয়ে থামানোর চেষ্টা করত, আবার কখনো প্রশাসন দিয়ে গ্রেফতার বা গুম করার হুমকি দিত। আমি নিজেই যার ভিক্টিম। ইতিপূর্বে স্ক্রিনশটসহ পোস্ট করেছিলাম। সাবির গ্যাংয়ের একাধিক ব্যক্তির মধ্যে এই ধরণের হুমকি দেয়ার এক্টিভিটি দেখা যায়। ২. সাবির প্রায়ই বলত, ‘প্রশাসন কখনো আমাকে টাচ করতে সাহস করবে না’। এই কথার অনেক সাক্ষী খুলনার দ্বীনী ভাইদের মধ্যে বিদ্যমান। এটা একটা পরোক্ষ হুমকি ছিল যেন কেউ তাকে বাঁধা দেয়ার সাহস না করে। তার এই উক্তি একটুও মিথ্যা ছিল না। সে আওয়ামী আমলেই খুলনায় কোর্টের সামনে প্রকাশ্যে পুরোদস্তুর মুজাহিদ বেশে কথিত ‘ই’দাদ’ (সামরিক প্রশিক্ষণ) এর কাজ করত। সে এই কথা বলে সবাইকে নিশ্চিত করত প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে কোন প্রকার বাঁধা দেয়া হবে না। ৩. জুলাই আন্দোলন চলাকালীন একবার গল্লামারিতে আওয়ামীলীগের লোকজন তার ইসলামী গেটআপ দেখে তাকে আটকায়। সে পকেট থেকে কার্ড বের করে দেখানোমাত্র তাকে ছেড়ে দেয়।

  • . হঠাৎ একদিন শুনলাম আমাদের হালাকার একজন ছাত্র আমাদের হালাকাহ নিয়ে কোন বিপদের স্বপ্ন দেখেছেন। যেহেতু হাদিসে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়ার কথা আছে আমি আল্লাহ কাছে আশ্রয় চাওয়ার পরামর্শ দিলাম। আর ব্যাপারটা গায়ে মাখি নি। কারণ শয়তানের পক্ষ থেকে ভয়ের স্বপ্ন দেখানো হতেই পারে। তারপর একে একে সম্ভবতঃ ৫ জনের কাছে একই ধরণের স্বপ্ন দেখতে পাওয়ার ব্যাপারটা জানলাম। তার মধ্যে একজন কয়েকবার দেখেছেন। . তারপর আমি আর ব্যাপারটা উপেক্ষা করতে পারি নি। ভাবলাম, যেহেতু আল্লাহর পক্ষ থেকে কোন সতর্কীকরণ হতে পারে তাই আমার একটু খোঁজ নেয়া দরকার, কী হতে যাচ্ছে। এতদিন সাবিরকে এড়িয়ে থাকাই যথেষ্ট মনে করেছিলাম। কিন্তু এখন মনে হল সে আসলে কী করছে জানাটা জরুরি। . তখনই আমি আল্লাহর কাছে সাহায্য চেয়ে আমার সাধ্যমত অনুসন্ধান শুরু করলাম। সে কী করছে খবর নিতে লাগলাম। ঘুরে ঘুরে মানুষের সাক্ষাৎকার নিতে লাগলাম। তখন আমি প্রশাসন, আওয়ামীলীগ আর ইসকনের পৃষ্ঠপোষকতায় উঁচুমাপের মুজাহিদ পরিচয়ে দেশব্যাপী ছড়িয়ে থাকা ভয়াবহ একটা গ্যাংয়ের খোঁজ পেলাম, যাদের কাজ হল প্র্যাকটিসিং তরুণ তরুণীদেরকে ট্র্যাপে ফেলে ‘অস্ত্রসহ গ্রেফতার’, ‘হামলা করতে গিয়ে আটক’ ইত্যাদি ভুয়া জঙ্গী নাটক সাজিয়ে গ্রেফতার করানো। . --- আমার অনুসন্ধান --- আপাততঃ আমার সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনাটি বলছি। পরের পোস্টে পুরো গ্যাংটা কিভাবে কাজ করে সংক্ষেপে তার বিবরণ দেব ইনশাআল্লাহ। . আমি সাবিরের পরিচয় জানতে চেষ্টা করলাম। জানতে পারলাম, সাবির ম্যাক ইউরির একজন কৃতী ছাত্র। ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে ম্যাক ইউরি ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজে তার দশজন কৃতী ছাত্রকে দিয়ে একটা প্রদর্শনীর আয়োজন করেন, সেই দশজনের একজন হল শাহ আমানত সাবির। তাছাড়া সাবির এখন পর্যন্ত ম্যাক ইউরির প্রতিষ্ঠিত বুত্থান মার্শাল আর্টের খুলনা ও যশোর শাখার পরিচালক। . আর ম্যাক ইউরি বাংলাদেশের একজন টপ লেভেলের কাউন্টার টেররিজম এক্সপার্ট। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা NSA থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। উইকিপিডিয়ার তথ্য অনুযায়ী তিনি বাংলাদেশসহ ‘কয়েকটা দেশের’ সামরিক ও গোয়েন্দা বাহিনীর প্রশিক্ষক। সেই ‘কয়েকটা দেশের’ মধ্যে ভারত আছে কিনা আর তিনি রয়েরও প্রশিক্ষক কিনা জানতে পারি নি। সে ব্যাপারে জানতে চাই। . তিনি ২০০৯ সালে ইংল্যান্ডভিত্তিক একটা টিভি সাক্ষাৎকারে জানান, তিনি বেকার তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান তৈরি করে দিতে চান। তিনি তাদেরকে কিছু প্রশিক্ষণ দিয়ে বিভিন্ন ‘সিকিউরিটি ম্যানেজমেন্ট ইন্ডাস্ট্রি’-তে চাকুরি দিয়ে দিতে চান। (বলা বাহুল্য, তিনি মার্শাল আর্টেরও প্রশিক্ষক তবে মার্শাল আর্টের প্রশিক্ষণ নিলে কোথাও চাকরি হয়ে যায় না।) তারপর ২০০৯ বা ২০১০ সালে বাংলাদেশে চলে আসেন এবং কাউন্টার টেররিজমের প্রশিক্ষক হিসাবে কাজ করেন। . আমি জানতে পারলাম সাবির একা না, খুলনায় সে একটা অর্গানাইজড গ্যাং নিয়ে কাজ করছে। আর খুলনার এই গ্যাংয়ের পৃষ্ঠপোষক হিসাবে দুই ব্যক্তির সন্ধান পেলাম। ১. সাবিরের বড় ভাই শাহ আরাফাত রাহিব। সে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের একজন সক্রীয় কর্মী ছিল। কমেন্টে তার ফেসবুক পোস্টের একটা শট দিচ্ছি। সাবিরের প্রতিষ্ঠিত কথিত উম্মতে মুহাম্মাদী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ছিল এই ব্যক্তি। কথিত ফাউন্ডেশনের ওয়েবসাইট যখন লাইভ ছিল তখন সেখানে চেয়ায়ম্যান হিসাবে রাহিবের নাম উল্লেখ ছিল। ওয়েবসাইটের লিংকের জন্য সাবিরের ফেসবুক বায়ো চেক করতে পারেন। রিফাতকে এক্সপোজ করার পরে রহস্যজনকভাবে ওয়েবসাইটটা চান্দে চলে যায়। ২. অভিজিৎ দেবনাথ। সাবিরের সহকর্মী শাহরিয়ার নাজিম রিফাতের ভাষ্য অনুযায়ী সে ইসকন সদস্য। তার অফিস শিববাড়ি মোড়ের নিকটস্থ মুন্না টাওয়ারের (রবি কাস্টোমার কেয়ার বিল্ডিং) ৬ষ্ঠ তলায়। সাবির তার সকল কার্যক্রম এই অভিজিতের অফিস থেকেই পরিচালনা করত। সাবির ইতিপূর্বে যেসব ইনডোর প্রোগ্রামের ছবি পোস্ট করেছিল সেগুলো অভিজিতের অফিসের ছবি ছিল। তাছাড়া সাবিরের মূল পৃষ্ঠপোষক ছিলো আওয়ামী আমলের প্রশাসন। এ ব্যাপারে সামনে আলোচনা করব। . রিফাত-সাবির-আবির গ্যাংয়ের কার্যক্রম নিয়ে যা জানতে পারলাম তা হল, তারা সারা খুলনায় ঘুরে ঘুরে দ্বীনে ফিরে আসা আর দ্বীন মেনে চলা তরুণদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করছে আর তাদের সাথে বিভিন্ন আলোচনা করছে। তার আলোচনায় যা যা থাকত: ১. মুসলিমদের বিপক্ষে ইসকন ও হিন্দুবাদীদের ষড়যন্ত্র ও আগ্রাসণের বিবরণ। এটা ছিল টোপ। ২. সাবির গ্যাং দাবী করত, তারা মূলতঃ ইসকনের বিপক্ষে লড়াই করছে। ইসকনের সাথে তাদের ক্লাশ চলছে। কোথায় নাকি ইসকন বড় একটা গ্যাং নিয়ে সাবিরের ওপর আক্রমণ করেছিল সে একাই নাকি লড়াই করে ফিরে এসেছে। সাবির সবাইকে প্রকাশ্যে ইদাদের (সামরিক প্রস্তুতির) জন্য দাওয়াত দিচ্ছিল। ৩. যেহেতু তাদের টার্গেট ছিলাম আমি আর আল-মামুন ভাই তাই সে অন্যদেরকে ট্র্যাপে ফেলার সময় তাদেরকে বোঝাত আমি আর আল-মামুন ভাই তার সাথে আছি। সে আমাদের নির্দেশমত কাজ করছে।

  • . প্রথমে সে সুন্দর একটা গল্প সাজিয়ে নিয়ে এসেছিল। সে নাকি হঠাৎ স্বপ্নের মধ্যে আল্লাহর ইশারা পেয়ে হুট করে নিজের জীবনকে পাল্টে ফেলে। শুধু পাল্টেই ফেলে না কাউন্টার টেররিজম এক্সপার্টের প্রতিষ্ঠানের শাখা পরিচালক প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়ে রাতারাতি অনেক বড় মুজাহিদ বনে যায়। . কথিত ‘গায়েবী ইশারা’ পেয়ে আল্লাহ দিকে ফেরার পর দ্বীনের প্রাথমিক ইলম অর্জন করা, ইবাদাত শুদ্ধ করা, ইসলাম সম্পর্কে ভালোভাবে জানা - সব স্কিপ করে শুরুতেই নাস্তিকদের প্রশ্নের খন্ডনকারী হয়ে (!) আত্মপ্রকাশ করে। সে লোপা নামের কোন নাস্তিকের জবাব দিত। সেই ভিডিও আপলোড দিত। তার ডিবেট করতে ইসলাম সম্পর্কে তেমন জানার প্রয়োজন হত না শুধু ভিডিওর সময় মাথায় মুজাহিদদের মত শিমাগ বেঁধে নিলেই হয়ে যেত। . দুর্ভাগ্যবশতঃ তার নাস্তিকদের জবাবের ভিডিও মার্কেট পায় নি। তখন সে পর্ন রিহাব নামের একটা প্রোগ্রাম চালু করার দাবী করে যার মাধ্যমে সে টেকনোলজি ব্যবহার করে (!) নাকি মানুষকে পর্ন আসক্তি থেকে মুক্ত করতে পারে। তবে এই কাজগুলোও সে করত পুরোদস্তুর মুজাহিদের গেটআপে, যেন এই মাত্র তিনি যুদ্ধের ময়দান থেকে ফিরেছেন। . তারপর মুসলিম তরুণদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দিয়ে যোগ্য করে তোলার দাবী নিয়ে একটা ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করে যার নাম দেয় উম্মতে মুহাম্মাদী ফাউন্ডেশন। যদিও ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে করা ফালতু একটা ওয়েবসাইট ছাড়া সেই ফাউন্ডেশনের অন্য কিছুর অস্তিত্ব ছিল না। প্রশিক্ষণকেন্দ্র কোথায়, প্রশিক্ষক কারা এ ব্যাপার প্রশ্ন করে কোন জবাব মেলে নি। এই কথিত পর্ন রিহাব ও উম্মাতে মুহাম্মাদী ফাউন্ডেশনের ব্যানারের মূলতঃ সে তার ভয়াবহ মিশন পরিচালনা করত। আর ধীরে ধীরে খুলনার ভাইদের জন্য ভয়াবহ ষড়যন্ত্রের জাল বিছাতে থাকে। . সাবির প্রথমে আমার ছাত্রদের সাথে যোগাযোগ তৈরি করতে থাকে। তারপর ধীরে ধীরে আমার সাথে যোগাযোগ শুরু করে। প্রথমবার সে ফোন করায় আমার একজন ছাত্রকে দিয়ে। জানতে পারলাম সাবির নামের কোন বড় মুজাহিদ নাকি খুলনায় দেলাওয়ার হুসাইন সাঈদীর গায়েবানা জানাযার আয়োজন করতে চান। আর সেই জানাযার ইমামতির জন্য তিনি নাকি আমাকেই (!) যোগ্য মনে করছেন। আমি যেন জানাযার সালাতের ইমামত করি। আমি বুঝতে চেষ্টা করছিলাম কে আমার সেই অদৃশ্য ফ্যান, কী চায় আমার কাছে। যাহোক তখন জানাযার ইমামত করতে যাই নি। জানাযার সালাতও আর হয় নি। . তারপর জানতে পারলাম সেই মহান মুজাহিদ সবাইকে নিয়ে প্রকাশ্যে ই’দাদের (সামরিক প্রস্তুতির) দাওয়াহ দিচ্ছে। আমার কিছু ছাত্রও তার কাছে মার্শাল আর্ট শিখতে যাচ্ছেন। সে বিভিন্ন সময় আমার ছাত্রদের মাধ্যমে আমাকেও সেখানে উপস্থিত হতে অনুরোধ করে। আমি তখনও বোঝার চেষ্টা করছিলাম সে কে, আমাদের কাছে কী চায়। . তারপর সে আমার সাথে সরাসরি যোগাযোগ করে আমাকে জানায়, সে পর্নোগ্রাফির ব্যাপারে এ্যাওয়ারনেস তৈরির কাজ করছে। আমাকে বলে, সে সেমিনারের আয়োজন করেছে আমি যেন সেখানে উপস্থিত হয়ে বক্তব্য রাখি। আরেকটা ব্যাপার বলে রাখি তার প্রগ্রামে যেই যেত সে তাদের ফুটেজ রেখে দিত আর পরবর্তীতে বিভিন্ন প্রচারণামূলক ভিডিওতে সেই ফুটেজগুলো ব্যবহার করা হত। দেখানো হত তার সাথে অমুক অমুক আছে। . যাহোক সেবারও আমি আমার সেই অদৃশ্য ভক্তের আবেদনকে উপেক্ষা করি। এতটুকু বুঝতে পারছিলাম স্পষ্টই, সে তার সাথে আমার কিছু ফুটেজ চাচ্ছে। কিন্তু সে কী করতে চাচ্ছে সেটা তখনও আমার কাছে স্পষ্ট হয় নি। আর সেটা স্পষ্ট হওয়ার আগে নিরাপদ দূরত্ব রাখছিলাম। . একদিন সে আমার বাসায় চলে আসে। এসে অনুরোধ করে আমি যেন তার কথিত পর্ন রিহাব আর উম্মাতে মুহাম্মাদী ফাউন্ডেশনকে প্রোমোট করে দেই। সে অত্যান্ত আবেগমিশ্রিত কন্ঠে বলল, ‘আমাদের উদ্দেশ্য ফিলিস্তিনকে মুক্ত করা। আমি জানি, আপনিও সেটা চান’। আমি চুপচাপ তার কথা শুনে হাঁ হুঁ করে কাটিয়ে দিলাম। আমার তখনো জানা নেই সে কে আর সে আসলে কী চাচ্ছে। . সে জানত আমি রুকইয়াহ করি। একদিন বাসায় এসে সে আমাকে দিয়ে রুকইয়াহ করায়। আমি তার কোন সমস্যাই বুঝতে পারি নি। তবু সে রুকইয়াহ করে যাওয়ার পরে একদিন আমাকে মেসেজ দেয়। সে নাকি রুকইয়াহ এর পরে কোন অলৌকিক (!) ফলাফল পেয়েছে তার বিবরণ দেয়, যে বিবরণ আমার কাছে একটুও বিশ্বাসযোগ্য মনে হয় নি। . --- ভয়াবহ ষড়যন্ত্রের ফাঁদ --- এভাবেই চলছিল সব। আমি তার ব্যাপারে ভালোভাবে জানার অপেক্ষায় ছিলাম। সে নিয়মিত আমার ছাত্রদের এবং খুলনার দ্বীনী কমিউনিটির সাথে যোগাযোগ করত। পুরো খুলনা সে এভাবে ঘুরে বেড়াত। . আরেকটা ব্যাপার বলে রাখি। খুলনাতে তার টার্গেট ছিলাম, আমি, বাইতুল ফালাহ মসজিদের সম্মানিত ইমাম আব্দুল্লাহ আল-মামুন ভাই আর খুলনার প্র্যাকটিসিং ভাইয়েরা। তবে আমি শুধু আমার নিজের বিবরণ দিচ্ছি। অন্যদের কাছে তাদের বিবরণ পেয়ে যাবেন।

  • --- আওয়ামী প্রশাসনের জঙ্গী নাটকের টিম এখনো এক্টিভ। আমরা কি আবার একই নাটক দেখতে যাচ্ছি? --- পর্ব-১ একটা প্রশ্ন দিয়ে শুরু করি। বিগত আওয়ামী শাসনামলে কোন যোগ্যতায় আওয়ামী সরকার বিশ্ব মোড়লদের দরবারে গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে টিকে ছিল? কোন যোগ্যতায় আওয়ামীলীগের পাতানো নির্বাচনের মাধ্যমে বারবার ক্ষমতায় আসা, বিরোধীদলকে দমন করে বহুদলীয় গণতন্ত্রকে বিলুপ্ত করা ইত্যাদি গণতন্ত্রের ধ্বজাধারীদের কাছে বৈধতা পেয়েছিল? সেটা ছিল ‘ওয়ার অন টেরর’। সোজা কথায় বললে ‘ইসলামপন্থীদেরকে দমন পীড়ন’। . আমরা বিগত আওয়ামী আমলে ওয়ার অন টেররের নামে যে কাজগুলোর প্রত্যক্ষদর্শী হয়েছি: • কাল্পনিক জঙ্গী হামলার ঘটনা তৈরি করা ও প্রচার করা। • ধার্মিক মুসলিমদেরকে অপহরণ করে নিয়ে গিয়ে পরে অস্ত্রসহ গ্রেফতার দেখানো। • নির্যাতন করে জোরপূর্বক মিথ্যা স্বীকারোক্তি আদায় করে নিয়ে মামলা। • কোন বিচার ছাড়াই গুম • বিচার ছাড়া হত্যা . ওয়ার অন টেররের নামে খুন গুম ও অপহরণের শিকার মূলতঃ কারা ছিল? - নন পলিটিক্যাল ব্যাকগ্রাউন্ডের ধার্মিক মুসলিম। যেমন আবরার ফাহাদ (শহীদ ইনশাআল্লাহ)। সাধারণতঃ এই ক্ষেত্রে ছাত্রলীগ মেরে আধমরা করে কিছু ভুয়া মামলা দিয়ে প্রশাসনের হাতে তুলে দিত। আবরার ফাহাদ রাহিমাহুল্লাহ তাদের হাতেই মারা যান। - ইসলামি রাজনৈতিক দল। যেমন জামাত ও শিবির। . আরেকটা ব্যাপার ভাবুন। বিভিন্ন সময়ে গ্রেফতারকৃতদেরকে জিজ্ঞাসাবাদের সময় হিন্দিভাষী লোকের উপস্থিতি, বাংলাদেশ থেকে গ্রেফতাকৃতদের ইন্ডিয়ায় চালান করা ইত্যাদি অনেক ঘটনা স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে আওয়ামী আমলে ধার্মিক মুসলিমদেরকে দমন করতে দেশীয় প্রশাসনের সাথে ভারতীয় প্রশাসন কাজ করেছে। . যদি বিগত শাসনামলে RAW এর সাথে এদেশের প্রশাসন একসাথে কাজ করে থাকে তাহলে চব্বিশের অভ্যুত্থানে পরে প্রশাসনকে ভারতীয় চর মুক্ত করার জন্য কী কী পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে? আদৌ কি এমন কোন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে? যদি না হয়ে থাকে তাহলে কি দেশীয় প্রশাসনের মধ্য ভারতীয় প্রোজেক্টগুলো এখনো বহাল? আগের ঘটনাগুলো কি আবার ঘটতে যাচ্ছে? হ্যাঁ, প্রশাসনের কিছু সদস্য চাকুরিচ্যুত হয়েছে বা গ্রেফতার হয়েছে, কিন্তু কেবল তারাই বাদ গিয়েছে যারা কোনভাবে লাইমলাইটে চলে এসেছিল। রয়ের সাথে কাজ করা আওয়ামী প্রশাসনের সেটআপ নির্মূল করার জন্য কোন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে কী? . আমি আওয়ামী আমলের ওয়ার অন টেররের নামে জঙ্গী নাটকের ফাঁদের একজন প্রত্যক্ষদর্শী হিসাবে আমার দেখা কিছু ঘটনার বিবরণ দিচ্ছি। এর মধ্য দিয়ে প্রশ্নগুলোর জবাব খুঁজতে চাই। . --- ম্যাক ইউরি ও জঙ্গী নাটক --- শুরুতেই ম্যাক ইউরির সাথে পরিচয় করিয়ে দেই। তিনি একজন মার্শাল আর্ট এক্সপার্ট। মার্শাল আর্ট শিখতে তিনি বাংলাদেশ, মায়ানমার, ভারত সহ বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেন। পাশাপাশি তিনি একজন কাউন্টার টেররিজম (কথিত জঙ্গী দমন) এক্সপার্ট। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা NSA থেকে প্রশিক্ষন প্রাপ্ত। তিনি ‘বিভিন্ন দেশের’ গোয়েন্দা সংস্থা ও আইন শৃঙখলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রশিক্ষক। আওয়ামী আমলে কথিত জঙ্গী দমনের (পড়ুন জঙ্গী নাটকের) একজন এক্সপার্ট প্রশিক্ষক হিসাবে কাজ করেছেন তিনি। আমি নিজেও ছিলাম তার ভিক্টিম। আওয়ামী আমলে তার কৃতি ছাত্র এবং এখন পর্যন্ত তার প্রতিষ্ঠানের খুলনা ও যশোর শাখা পরিচালক হিসাবে কর্মরত শাহ আমানত সাবিরের মাধ্যমে আমাদের জন্য পাতা হয়েছিল ভয়াবহ জঙ্গী নাটকের ফাঁদ। . আমার ঘটনার আসি। আমি মাদরাসায় শিক্ষকতা করতাম। পাশাপাশি মসজিদভিত্তিক সবার জন্য উন্মুক্ত দ্বীনী শিক্ষা চালু করার চেষ্টা শুরু করেছিলাম ২০১৯ সালে। পরে মাদরাসায় শিক্ষকতা ছেড়ে দেই কিন্তু মসজিদভিত্তিক দ্বীনী শিক্ষার প্রচেষ্ঠা চালু রাখি, যদিও এই চেষ্টা প্রয়োজনের তুলনায় একেবারেই সামান্য। . আমাদের মসজিদভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম সবার জন্য উন্মুক্ত। যে কেউ এখানে অংশগ্রহণ করতে পারে। কুরআন পড়তে শেখা, ইসলামের প্রাথমিক বিষয়গুলো জানা, কুরআনের আয়াত থেকে শিক্ষা গ্রহণ- এগুলোই আমাদের পাঠ্য বিষয়। পাশাপাশি আগ্রহীদের জন্য আরবী ভাষার প্রাথমিক কিছু পাঠ থাকে। আওয়ামী আমলে এই মসজিদভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রমের ওপর শকুনের দৃষ্ট পড়ে। আমাদের জন্য বিছানো হয়েছিল ষড়যন্ত্রের ভয়াবহ জাল। আমাদেরকে ফাসানোর জন্য সাজানো হয়েছিল ভুয়া জঙ্গী নাটক। . --- ইউরি শিষ্য শাহ আমানত সাবিরের আমদানী --- ২০২৩ সালে ম্যাক ইউরির কৃতি ছাত্র ও তার প্রতিষ্ঠানের খুলনা শাখার পরিচালক শাহ আমানত সাবিরের আমদানী হয়। সে ক্রমেই আমার ও আমার ছাত্রদের সাথে পরিচিতি তৈরি করতে থাকে এবং আওয়ামীলীগ, ইসকন ও প্রশাসনের সহায়তায় মন্দিরে হামলার একটা নাটক পুরোপুরি সাজিয়ে ফেলে, যেখানে দেখানো হতে যাচ্ছিল, আমার নির্দেশে আমার ছাত্ররা মন্দিরে হামলা করতে গিয়ে গ্রেফতার হয়েছে!

  • без подписи

  • হাসিনার আমলে কথিত জঙ্গি সংগঠন "আইএসএস" পরিচালনা হতো সিটিটিসির সাত তলা থেকে। আমরা যখন গুমে ছিলাম, তখন দেখতাম একটা ছেলেকে নিয়মিত স্পেশাল খাবার দেওয়া হতো, বাড়তি সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হতো। তাকে প্রায় প্রত্যেকদিন দিনের বেলা সাত তলার গুম সেল থেকে নিয়ে যাওয়া হতো, প্রায় বিকেলের দিকে আবার দিয়ে যাওয়া হতো। যেন সে অফিস ডিউটি করত। উক্ত ব্যক্তির কাজ ছিল, অনলাইনে খারেজি আইএসের প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে স্টিং অপারেশন পরিচালনা করা। সে নিজেকে আইএসের মুফতি পরিচয় দিত। অথচ তার বয়স ছিল ২০/২১। কারাগারে আমরা কম করে হলেও ২০ জনের অধিক ব্যক্তিকে পেয়েছি, যাদেরকে এই "কথিত মুফতি" টেলিগ্রাম, মেসেঞ্জারে বিভিন্ন নির্দেশনা দিয়ে স্টিং অপারেশন চালিয়ে গ্রেপ্তার করায়। কারাগারে আটক ব্যক্তিদের ভাষ্যমতে এই কথিত মুফতি অন্তত ১০০+ ব্যক্তিকে গ্রেফতার করায়। এই কথিত মুফতির আরেকটা ডিউটি ছিল সিটিটিসির হয়ে কনসালট্যান্টের দায়িত্ব পালন করা। গুম হওয়া ব্যক্তিদের এই কথিত মুফতি জঙ্গিবাদবিরোধী কনসালট্যান্ট হিসেবে প্রোগ্রাম করাত। পরবর্তীতে তাদের সিটিটিসি জঙ্গিবাদ থেকে আলোর পথে ফিরে এসেছে বলে মিডিয়ায় মার্কেটিং করত। এমনকি এমন কিছু ব্যক্তিকে আর্থিক সহায়তা দিয়েছে বলেও তারা মিডিয়ায় দাবি করে। মূলত এই কাউন্টার টেরোরিজম গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর জন্য এটি একটি লাভজনক ব্যবসা। এর মাধ্যমে তারা সরকার ও বিভিন্ন সংস্থা থেকে মোটা অঙ্কের অনুদান পায়। এর ওপর তাদের প্রমোশন নির্ভর করে। এই কারণেই গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তাদের এজেন্টদের দিয়ে এই ধরনের নাটক সাজায়। স্টিং অপারেশন পরিচালনা করে। সম্প্রতি আলোচিত ব্যক্তি আমানত শাহ সাবিরের ব্যাপারে আমরা এক বছর আগেই অভিযোগ করেছিলাম, সাবির এজেন্সির এজেন্ট। তাকে দিয়ে আবার নতুন করে জঙ্গি নাটকের ব্যবসা শুরু করা হতে পারে। এই ধূর্ত সাবিরের এই ব্যাপারটা অনেকেই জানতেন না। ধূর্ত সাবির কখনো মাওলানা সাঈদীর (রাহি.) গায়েবানা জানাজার আয়োজন করতে চায়, আবার কখনো মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন করে যুবকদের ধোঁকা দিত। এমনকি তার পরিচালিত কথিত মার্শাল আর্টের নামও "বুথান ফাউন্ডেশন" থেকে পরিবর্তন করে আল ফাতাহ করে। যাতে তার সঙ্গে ম্যাক ইউরির সম্পর্ক সহজে কেউ ধরতে না পারে। সাবিরের ব্যাপারে ইসলামপন্থিরাই সর্বপ্রথম সচেতন করে। অথচ দেখা যাচ্ছে একদল লোক উল্টো সাবিরের মাধ্যমে ইসলামপন্থিদের বিরুদ্ধে বয়ান দাঁড় করাচ্ছে। এর মাধ্যমে মূলত তারা এজেন্সির মিশনকেই বাস্তবায়ন করছে। ছবিতে সাবিরের পরিচালিত "উম্মতে মোহাম্মদী" ফাউন্ডেশনের প্রোগ্রামে আমানত শাহ সাবির, ইশকন অভিজিৎ দেবনাথ, আমানত শাহ সাবিরের বড় ভাই ছাত্রলীগ কর্মি শাহ আরাফাত রাজিব।

  • без подписи

  • без подписи

  • без подписи

  • ছবি থেকে স্পষ্ট আফগান সরকার অর্থনৈতিক দুর্দশার মধ্যে ও মোটামুটি মানের একটি হাসপাতাল বানিয়েছিলো। যেটাকে পাকিস্তান TTP র আস্তানে বলে হামলা চালিয়ে ৪০০+ প্যাসেন্ট হত্যা করেছে। বিশ্বের হাসপাতালে হামলা চালানোর রেকর্ড ২টা বাহিনীর আছে ১: ইস*রাইলি বাহিনী ২: পাকিস্তানি বাহিনী। কিন্তু ইসরা&ইলের হাসপাতাল হামলায় যেমন পাশ্চিমা মিডিয়া মানবাধারিকারের কথা শোনায় না তেমনি পাকিস্তানের ক্ষেত্রে ও শোনাবে না। কারণ USA শুরুতেই বলেছে আমরা পাকিস্তানের সাথে আছি। আমাদের অনেকেই বলে TTP পাকিস্তানের এদিকে ওদিকে হামলা করেছে, এখন TTP যদি হামলা করে তাহলে পাকিস্তানের উচিৎ TTP নেতাদের হ*ত্যা করা কিন্তু পাকিস্তান যুদ্ধের এত দিনে ও TTP নেতাদের টিকি ও ধরতে পারেনি। বরং ইস*রাইল স্টাইলে সিভিলিয়ান দের উপর বোম্বিং করছে শুধু। দিন শেষে পাকিস্তান কে যারা সঠিক মনে করে তাদের কাছে একটাই প্রশ্ন স,ব ষড়যন্ত্র যদি ভারত করে থাকে তাহলে পাকিস্তানি বাহিনী ভারতে হামলা চালাচ্ছে না কেন?

  • ‼️ ট্রু কলার বট: @TrueCalleRobot ‼️ টুইটার, জিমেইল, ইনস্টা কানেক্ট করে অটোমেশন করার বট: @IFTTT ‼️ ফাইল কনভার্টার বট: @newfileconverterbot ‼️ ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করার বট: @AI_Background_Remover_Bot ‼️ জিমেইল এর অফিসিয়াল বট: @GmailBot ‼️ টেম্পোরারি মেইল জেনারেট করার বট: @FakeMailBot ‼️ মুভি/সিরিজ ডাউনলোড বট: @iPapkornS2bot ‼️ APK ডাউনলোড করার বট: @APKFreeDownloader_Bot ‼️ ফেসবুকের ভিডিও ডাউনলোড করা বট: @fbvideodownloaderbot ‼️ ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড বট @YtbDownBot ‼️ Remini Pro : @EnhanceX_Bot ⚠️ চাইলে আরেকটা পোস্ট লিখে সব বট শেয়ার করবো নি! শুধু রিপ্লাই করে রাখুন "More Bots Plz!"