Anwar's Thoughts
СтатистикаChannel for my thoughts and other random things. My thoughts in my voice @anwarfiles
- Последний пост
- 14 авг.
- Последнее чтение
- 15 авг.
- Постов за неделю
- 5
- Всего постов
- 24
- Тип
- открытый
- Язык
- английский
- В каталоге с
- 15 авг.
- 1/24сутки в ленте
- 14
- 1/48двое суток
- 16
- 1/72трое суток
- 17
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
https://youtu.be/AYTPsAXIeYA?si=0zqey5DOpCZWWxtR
https://youtu.be/AYTPsAXIeYA?si=0zqey5DOpCZWWxtR
https://youtu.be/gCQAAI02qhc?si=js--LmFrNLcg-KgX
যৌথবাহিনির গনহত্যা ২০ জুলাই ২০২৪। শিমরাইল ঢাকা চিটাগাং মহাসড়ক
অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ন একটি লেখা https://www.facebook.com/100026570181211/posts/2116177232611262/?app=fbl
তুমি কি নবীজি ﷺ-কে স্বপ্নে দেখতে চাও? তাহলে একটা উপদেশ বলছি, যা তোমার জীবনের ধারা পাল্টে দিতে পারো। . একজন ভালো মানুষ আমাকে একবার এই কথাগুলো বলেছিলেন। আমি তাঁকে জীবনে মাত্র একবারই দেখেছিলাম, কিন্তু তাঁর এই কথাগুলো আমার জীবনে অনেক বড় প্রভাব ফেলেছিল। . আমি একদিন বিদেশের এক মাসজিদে নামাজ পড়তে গিয়েছিলাম। মাসজিদটি প্রায় খালি ছিলো, শুধু আমি আর এক তাজিক (তাজিকিস্তানের) লোক ছিলাম। লোকটির চেহারা ছিল সাধারণ, কিন্তু তাঁর মুখে এক ধরনের অদ্ভুত নূর (আলোকোজ্জ্বলতা) ছিলো। . আমি ইমাম হয়ে নামাজ পড়ালাম। নামাজ শেষে লোকটি ভাঙ্গা আরবিতে বললেন: তোমাকে একটা উপদেশ দিবো, এটি পালন করো। আমি বললাম, বলুন। তিনি বললেন: তুমি প্রতিদিন এক হাজারবার নাবী ﷺ-র প্রতি দুরূদ পাঠ করো। এটি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে ভাগ করে নিতে পারো। তুমি অবাক হবে যে কীভাবে তোমার জীবনে পরিবর্তন আসবে। . তিনি আরও বললেন: দেখো, তখন আর কোনো চিন্তা তোমাকে দমন করতে পারবে না, কোনো ঋণ তোমাকে কষ্ট দেবে না, আর প্রতিটি কষ্ট থেকে তুমি মুক্তি পাবে। নবীজি ﷺ তোমাকে কিয়ামাতের দিনে চিনে ফেলবেন। কারণ, তোমার দুরূদ তাঁর কাছে পৌঁছাবে। . চলে যাওয়ার আগে তিনি হেসে বললেন: তুমি তাঁকে স্বপ্নে দেখবে, 'কখনো তোমাকে শান্তনা দিতে, আবার কখনো সতর্ক করতে'। . আমি সত্যিই সেই উপদেশ মানতে শুরু করলাম। প্রথম তিন বছর কিছুই দেখিনি। তবে আমার জীবন বদলে গেলো, সব কাজ সহজ হয়ে গেলো, আল্লাহর রহমাত ও নিরাপত্তা পেয়ে গেলাম। . এরপর. ধীরে ধীরে নবীজি ﷺ-কে স্বপ্নে দেখতে শুরু করলাম। প্রতিটি স্বপ্নে ছিলো বিশেষ বার্তা, 'হয়তো কোনো গুনাহ থেকে সাবধান করা অথবা কোনো ভালো খবর দেয়া'। . আল্লাহর কসম: আমি যাকে-ই এই উপদেশ দিয়েছি, সবাই-ই নবীজি ﷺ-কে স্বপ্নে দেখেছেন। কখনো সুসংবাদ নিয়ে, কখনো সতর্কবার্তা নিয়ে। . আমি চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি: যেকেউ প্রতিদিন ১০০০ বার দুরূদ শরীফ পড়বে, সে নিশ্চয়ই নবীজি ﷺ-কে স্বপ্নে দেখবে। মূল - শাইখ আহমাদ যায়দান (হাফিজাহুল্লাহ),মিশর ভাষান্তর - ইয়াছিন আরাফাত, আল-আযহার ইউনিভার্সিটি। #rummanibnibrahim #durood
হোটেলে রেইড দিয়ে দেহব্যবসায়ীদের সাথে সাথে এক আলেম দম্পতিকেও ধরেছে। চিকিৎসার জন্য শহরে এসে হোটেলে রাতযাপন করছিলেন। এই লেবাসের লোক ধরা পড়েছে, কাটতিদার খবর বৈকি। মানহানির মামলা না করতে করতে মিডিয়া আর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে ইসলামপ্রিয় জনতার সম্মান যেন সস্তা পণ্য। চাইলেই হাটে উঠিয়ে দেয়া যায়। শক্ত মানহানির কিছু মামলা করা গেলে এই ট্রেন্ড দূর করা সম্ভব। আমি অন্য একটা কথা পাড়তে চাই। আপনি জানেন আপনি দোষী নন, তাহলে মুখ লুকাচ্ছেন কেন? আপনার এই মুখ লুকানো, চেহারা ঢাকা, মাথা নোয়ানোই আপনাকে দোষী বানিয়ে ফেলে অটোমেটিক। হুজুরদের প্রায়ই বলাৎকারের মিথ্যা অপবাদে ভিডিও করা হয়। তারাও ভয়ে আতঙ্কে অপমানে লজ্জিত থাকেন, অথচ আপনি জানেন আপনি দোষী নন। আবার জামাতের এমপি গাজী নজরুলকেও যখন ভিডিও করছে, সে বলছে: বাবা মাফ করে দাও। আজকেই প্রথম। এগুলো কি ভাই? আপনার বিয়ে করা বউ, আপনি ঘাড় উঁচু করে সেটা বলবেন। তা না করে কাঁচুমাচু এগুলা কি? আপনি যখন জানেন আপনি দোষী না, আপনার ওপর জুলুম হচ্ছে বা আপনাকে ভুল করে ধরা হয়েছে। তখন যদিও টেনশনে আছেন: ১. ঘাড় সোজা রাখবেন। ২. মুখে জোর করে মৃদু হাসি/তাচ্ছিল্য রাখবেন। ৩. বডি ল্যাঙ্গুয়েজে আত্মবিশ্বাস রাখবেন। ৪. ড্যাম কেয়ার ভাব রাখবেন। ৫. যতক্ষণ ভিডিও চলবে, চুপ থাকবেন না। লাগাতার বলতে থাকবেন আমি দোষী না। আমাকে ফাঁসানো হয়েছে। আত্মপক্ষ সমর্থন করতে থাকবেন। অনেক সময় দাঈ ভাইদের বা দাওয়াতী সংগঠনগুলো ভয় পেয়ে যায় এনএসআই বা ডিবির লোকেরা খোঁজখবর করলে। ভাই, আপনি দেশের কোন ফৌজদারি অপরাধে যুক্ত নন। আমরা দাওয়াতী কাজ করি, সামাজিক শক্তি অর্জনের কাজ করি। দেশের আইনের সাথে বিন্দুমাত্র সাংঘর্ষিক কোন কাজের সাথে আমরা জড়িত নই। সুতরাং ভয় কেন পাবেন। তাদের সাথে দেখা করুন, নিজেদের কর্মকাণ্ড জানান। চায়ের দাওয়াত দিন, প্রোগ্রাম থাকলে দাওয়াত দিন। তারা চাইলে কয়েকজন নেতৃস্থানীয় ও প্রভাবশালী দাঈ ভায়ের নম্বর দিন তাদের কাছে। ভয়ের কোন কারণই নেই। মাতা উঁচু রাখুন, কণ্ঠ নম্র রাখুন। এরাও আমাদের দাওয়াতী অডিয়েন্স। এরাও কালেমার কাস্টমার।
হিযবুত তাওহীদ নামক এই যিন্দিকদের জামাত মুসলমানদের জন্য এক বিশাল ফিতনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু দুঃখজনক হলো আমরা ওদের নিয়ে সচেতনই হচ্ছি না। . নোয়াখালীতে ওদের কার্যক্রম অনেক অনেক বেশি। তাই নোয়াখালীর কিছু সচেতন আলেমের উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানটি হবে আগামী এক তারিখ। . প্রত্যেক ভাইদের কাছে আবেদন, এই অনুষ্ঠানকে একটি জাতীয় ইস্যুতে পরিনত করতে সহযোগিতা করুন।
১৯ জুলাই ২০২৪। ঠিক দুপুরে। জুম্মার নামাজ প্রায় শেষ। সেই সময় মসজিদের দিকেও টিয়ার গ্যাস, সাউন্ড গ্রেনেড এবং গুলি ছুড়ছিল হাসিনার সরকারের পুলিশ। রাতুল পুলিশের কাছে গিয়ে অনুরোধ করেন, আন্দোলনকারীরা তো নিরাপদ দূরত্বে দাঁড়িয়ে আছে তাহলে গুলি করার কী প্রয়োজন? তিনি গুলি না করার অনুরোধ করতেই দুইজন পুলিশ সদস্য তাঁর বেল্ট ধরে টেনে বলে, “চল, থানায় গিয়ে কথা বলি।” রাতুল তাদের হাত সরিয়ে দিলে, ডিবি হারুনের এলাকার কনস্টেবল হোসেন আলী তাঁর শটগান রাতুলের পেট বরাবর ঠেকিয়ে গু**লি করে। গুলির আঘাতে তাঁর নাড়িভুঁ**ড়ি বেরিয়ে আসতে থাকে। তিনি দুই হাত দিয়ে পেট চেপে ধরে কোনোভাবে সেখান থেকে একটু সরে আসেন। আজও রাতুলের পেটে দুই শতাধিক স্প্লিন্টার রয়ে গেছে। তাঁর একটি কিডনি প্রায় অকেজো। প্রতিনিয়ত তিনি এমন অসহনীয় ব্যথায় ভোগেন, যে ব্যথায় মনে হয় মৃত্যু খুব কাছাকাছি। অথচ আজও টকশোতে বসে আওয়ামী জ ঙ্গিদের প্রক্সিরা জুলাইয়ের ঘটনাবলি নিয়ে নিজেদের বক্তব্য প্রচার করতে চা।
জামাত এমপির গোপন ভিডিও, প্রাসঙ্গিক কিছু কথা: ▪️যদি এই এমপির ভিডিও টা পরকীয়া/স্ত্রী যেটাই হোক। অন্তরঙ্গ কিছু প্রচার করাও গুনাহ৷ অথচ এসব কিছু প্রকাশে কেউ এগুলো ভাবে না৷ ▪️রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রভাবশালীদের নেশা হলো তিন টি৷ ক্ষমতা,নারী,টাকা। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সিংহভাগ নেতাদের কমন চরিত্র৷ তাছাড়া এই তিনটির সাথে মাদকের নেশাও জড়িত থাকে অনেকাংশে৷ ▪️রাজনৈতিক নেতা,ধর্মীয় ব্যক্তি,প্রভাবশালী যে কেউ নারী ট্র্যাপে ফেঁসে যেতে পারে। বিশেষ করে মুসলিম বিশ্বের নেতাদের হালত এটাই। আরবের অধিকাংশ শাসক ই-হু-দীদের কাছে জিম্মি এই নারী ঘটিত কারণে৷ ▪️যদি এই ভিডিও সত্য হয় তাহলে দল হিসাবে কর্মীদের উচিত অন্ধ ব্যাখ্যা না করা। আর জামাত দল হিসাবেও যে চরিত্র ও হেদায়েতের মাপকাঠি তা নয়৷ এখানে নারী লোভী, অর্থ কেলেংকারী অনেক সাধু আছে৷ ব্যক্তিগত সাংগঠনিক সময়ে এমন স্পষ্ট প্রমাণ আমি চোখে দেখেছি৷ সংগঠনের টাকা দিয়ে টপ কত নেতা কোটিপতি হয়েছে সেটাও আমার জানা আছে৷ ▪️সবচেয়ে প্রহসন হলো ফিত'না জর্জরিত একটা দল ইমারাতে ইসলাম নিয়ে বিদ্বেষ পোষণ করে৷ যারা গণতান্ত্রিক দল ভারী করার জন্য অনেক অন্যায় প্রশ্রয় দেয়৷ পারিবারিক জীবনে যাদের ইসলামের অনুশাসনে আছে অপব্যাখ্যা। নারীদের কে সহ শিক্ষা ও ৭৮ কিলো দূরে পাঠানোর মত শরীয়ত লঙ্ঘন কে ইকামাতে দ্বীনের অপব্যাখ্যা করা হয়৷ এমন একটা বিভ্রান্ত দলের লোকরা ইসলামী ভূমি নিয়ে ভেতরে ভয়াবহ বিদ্বেষ লালন করে৷ ▪️যদি পারিবারিক ভাবে বিবেচনা করি৷ আমি অনেক সংগঠনের লোকদের দেখেছি যাদের ঘরে পর্দা নেই৷ অথচ বাহিরে ইকামাতে দ্বীনের ফরজ নিয়ে গলা ফাটানো হয়। ব্যাংক না থাকলে দেশ কিভাবে চলবে এই যুক্তি দিয়ে সুদি ব্যাংকের জব জায়েজ বানানো হয়৷ নারী ডাক্তার পাবে কই নারী শিক্ষা না থাকলে৷ এই যুক্তি দিয়ে নন মেডিক্যাল ভার্সিটিতে গুলো তে পাঠানো হয় ৭৮ কিলো অতিক্রম করে৷ ▪️উক্ত এমপির ভিডিও এখনো জ্বিনা/বিয়ে কিনা এটা আমি স্পষ্ট বলছি না। তবে এখানে সমাজের একটা চিত্র মানুষ অস্বীকার করে৷ সেটা হলো নারীর ক্যারিয়ার মানে ভোগ্যপণ্য বানানোর একটা সেক্টর৷ নিজ পায়ে দাঁড়াতে গিয়ে নারীদের বিরাট একটা অংশ পরপুরুষের বেডে যায়, এই বাস্তবতা কেউ সামনে আনছে না। ভালো মার্কস পাওয়ার জন্য কলেজ হতে ভার্সিটি শিক্ষক৷ প্রমোশন পেতে উর্ধতন বসের সেবিকা হওয়া। চাকরির জন্য পুঁজিবাদী অনেকের কাছে ইজ্জত বিলিয়ে দেওয়া। এগুলো বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়৷ সমাজের অনেক বড় একটা অংশ এই অপব্যবহার করছে। নারীর ক্যারিয়ার ভাবনা যে কত ভয়ানক হতে পারে৷ সেটা কেউ স্বীকার করছে না৷ অল্প সময়ে বিশাল অংকের টাকা কামাইয়ের জন্য ভার্সিটির পড়ুয়া মেয়েরা যে নেতা,আমলা,ব্যবসায়ীদের শয্যাসঙ্গী হচ্ছে৷ এই চিত্র ও ভাবিয়ে তুলার মতো যে,নারীদের কে ঘর থেকে বের করে কি ভাবে কৃত্রিম ফ্যাসাদ সৃষ্টি করা হয়েছে৷। ▪️পরিশেষে এটাই শেষ কথা যে, যদি এটা বিবাহবহির্ভূত জ্বিনা হয়৷ তাহলে ঐ লোকের শাস্তি হলো পাথর নি'ক্ষেপ করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা। ইসলাম মানা বা দাবী করা সবার আকীদা এটাই৷ অপরাধী তোমার বাবা হলেও শাস্তি থেকে বাঁচানোর জন্য কোনো যুক্তি/অপব্যাখ্যা করা যাবে না। (সংক্ষিপ্ত) - আল ইন্তিফাদা
খোদা তায়ালার দরবার হতে যেদিন ঘোষণা আসবে আমি দায়মুক্ত, সেদিনই তো নিজের জীবনের শ্রেষ্ঠ দিন হবে। সেই দিনের অপেক্ষায়। কিন্তু একই সাথে খুব করে অপেক্ষা ও দিনের, যেদিন এই ইবলিসের বাচ্চাদের চূড়ান্ত ধ্বংস দেখবো। জানিনা সেই সৌভাগ্য হবে কিনা
অবশেষে দেখা মিলল হাসিনাকে প্রশ্ন করা প্রভাষ আমিনকে , সাথে ছিলো মেহের আফরোজ শাওন ,শাওনের কথিত প্রেমিক এবং পিলখানা হ ত্যাকান্ডে অভিযুক্ত জ ই মামুন, মুন্নী সাহা সহ ৪/৫ জন আওয়ামী সাংবাদিক গ্যাং। এদের দেখেই তেজগাঁও এর আমজনতা ঘিরে ধরে এবং পুলিশে দেবার প্রস্তুতি নেয়। সে সময়ে চ্যানেল আইয়ের এর কাছে সহোযোগিতা চায় এই গনহ ত্যাকারী গ্যাং। চ্যানেল আইয়ের কয়েকজন এর সহযোগিতায় পরে সেখান থেকে পালিয়ে যায় জ ই মামুন, মুন্নী সাহা, প্রভাষ আমিনরা। এদের যেহেতু বিচার হচ্ছেনা সেহেতু জনগণ এভাবেই প্রতিহত করবে ,এদেরকে সামাজিক ভাবে বয়কট করতে হবে।
তুমি কে ,আমি কে রাজাকার - রাজাকার। এই ঐতিহাসিক মিছিল বদলে দিয়েছিল সকল সমীকরণ।
https://youtu.be/Kdde4EDQ2p8?si=cXTNRktxh_GzbqdM
‼️ দখলকৃত পশ্চিম তীরের দেইর আম্মারে ইসরায়েলি চেকপোস্টে পথ আটকে দেওয়ায় চার মাসের এক ফিলিস্তিনি শিশু মারা গেছে। জরুরি চিকিৎসার জন্য তাকে হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছিল। ♦️ ফিলিস্তিনি বার্তা সংস্থা ওয়াফা জানিয়েছে, সেখানে ইসরায়েলি সেনারা সাধারণ মানুষ ও গাড়ির ওপর টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। ♦️ তারা রাস্তা অবরুদ্ধ করে রাখায় শিশুটির জরুরি চিকিৎসা করানো সম্ভব হয়নি। সূত্র : ওয়াফা (hn) @SorwarAlam #Palestine #WestBank #Israel
Channel photo updated
Channel photo removed
https://www.facebook.com/share/1JDuD8c7UD/ কোন কথা বলা যায়? এত মানুষ মরতেছে, লাখ লাখ টাকার সম্পদ সহায় নষ্ট হচ্ছে সেসব একদল জানোয়ারের কাছে কিছুই না, আর রাষ্ট্র আছে ওসব জনোয়ারের জন্যই
মানুষ নিজে এমন কাজ করতে পারে যেটা সে মনে করেনি সে করে। রিয়া করেনি, করছে না ভাবার পরও বহু মানুষ রিয়ার জালে আটকে যেতে পারে। আগের যুগের একজন নেককার সম্পর্কে বলা হয়েছে, তিনি ৪০ বছরের নামাজ আবার পড়ে দিচ্ছেন। কারণ তিনি প্রতি ওয়াক্তে নামাজের সামনের কাতারেই পড়তেন। একদিন নামাজের পেছনের কাতারে পড়তে হওয়াতে উনার মনে আসলো মানুষ কী ভাববে। তখন অনুভব করলেন এই আমলে উনার রিয়া ছিল। এই কারণেই তিনি নতুন করে সব নামাজ পড়তেছিলেন (এখন কেউ মাসয়ালা নিয়ে আসবেন না)। মানুষ সবকিছু বুঝলে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলতেন না, ওহে মানুষজন, তোমরা তোমাদের হিসেব নিজেই নিজের থেকে আদায় করো, আল্লাহ তায়ালা আদায় করার আগে। নিজের আমলের নিয়তের ব্যাপারে পুরোপুরি নিঃসন্দেহ দুই প্রকারের মানুষ হয় ১) কঠিনভাবে পর্যবেক্ষণকারী মুখলিস আমলওয়ালা ২) ধোঁকায় নিপতিত গাফিল। আল্লাহ আমাদের নফসের ধোঁকা বোঝার ও বাঁচার তাওফিক দিন।
ফিফা, আইসিসি এগুলো একেতো করাপ্ট কিছু প্রতিষ্ঠান, তার উপর ফিফা হচ্ছে ইহুদীবাদীদের পূজা করা কিছু লোকের বৈঠক খানা। খুব স্পষ্টভাবে মিশরকে হারিয়ে দেয়া হলো, যেটা এতটা স্পষ্ট যে গোটা দুনিয়ার সবাই কথা বলছে। এর আগে আমেরিকার ট্রাম্পের কথায় লাল কার্ড পর্যন্ত তুলে নিয়েছিল এরা। এরপরও মুসলিমসহ বেশিরভাগ মানুষই বুঝে না।