iGnoRe
Статистика- Последний пост
- 19 нояб. 2024 г.
- Последнее чтение
- 15 авг.
- Постов за неделю
- 0
- Всего постов
- 20
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- В каталоге с
- 15 авг.
- 1/24сутки в ленте
- —
- 1/48двое суток
- —
- 1/72трое суток
- —
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
"একটা সময় আসবে যখন মানুষের অন্তর কুরআন-শূন্য হয়ে পড়ে। তারা তখন কুরআনের মধ্যে আর আনন্দ খুঁজে পাবে না, প্রশান্তি পাবে না। তাদেরকে যে আমলের আদেশ দেওয়া হয়েছিল, সেই আদেশগুলো পালনে ব্যর্থ হলে তারা বলবে, 'আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু।' আর যে কাজগুলো থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছিল, সেগুলোতে জড়িয়ে পড়লে বলবে, 'আল্লাহ আমাদের ক্ষমা করে দেবেন, আমরা শিরক করিনি।' তাদের সবকিছু থাকবে জাগতিক লোভ-লালসায় ভরপুর, কাজে-কর্মে ইখলাস থাকবে না।" — আবুল আলিয়া (রহ.) সূত্র: আয-যুহদ, ইমাম আহমাদ, ১৭৪১
কবরে গিয়ে যদি দেখা যায়, মাফ পাইনি ধরা খেয়ে গিয়েছি, তারচেয়ে বেশি দম বন্ধ করা কোন কিছু কি হতে পারে? কল্পনা করলেও তো হাত পা ঠান্ডা হয়ে যায়। - হোসাইন সাকিব
রিয়ার ভয়াবহতা- যদি কাঁধের দুই ফেরেশতার দৃষ্টির আড়ালে গিয়ে ইবাদত করার সামর্থ্য আমার থাকতো, তবে রিয়া থেকে বাঁচার জন্য আমি তা-ই করতাম। মুহাম্মদ বিন আসলাম রাহি.
যে ব্যক্তি গুনাহ করতে গিয়ে আল্লাহর ব্যাপারে লজ্জা পায়, তার সাথে সাক্ষাতের দিনে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা তাকে শাস্তি দিতে লজ্জা পাবেন। — ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রাহিমাহুল্লাহ) [সূত্র : আলজাওয়াবুল কাফী, ১/৬৯]
হারাম সম্পর্কের করুণ পরিণতি!
এক মু/জাহিদ তার স্ত্রীকে বিবাহ করার কিছুদিন পরেই শাহাদাত বরণ করলেন। অতঃপর তার একটি চিঠি পাওয়া গেলো, যাতে তিনি লিখেছিলেনঃ— ❝কখনোই এমনটি মনে করোনা যে আমি তোমাকে স্বার্থপরের মতো বিবাহ করেছি এটা জানার পরেও যে খুব দ্রুতই আমাকে আল্লাহর রাস্তায় হ_ত্যা করা হবে। বরং আমি তোমাকে বিবাহ করেছি এটা জানার পরে যে একজন শহীদ তার পরিবারের জন্য সুপারিশ করতে পারবে। তাই আমি চাই জান্নাতে তুমি আমার পরিবারের অন্তর্ভুক্ত হও।❞ অতঃপর তিনি তার স্ত্রীর উদ্দেশ্যে একটি কবিতা লিখেনঃ— وخطبتكي قبل النفير لا لأكسر ذلك القلب الحنون আর আমি তোমাকে যুদ্ধের আগে প্রস্তাব দিয়েছিলাম, সেই কোমল হৃদয়টি না ভাঙার জন্য। وعشتقي لكن قلبي لم يزل يرنو لساحات المنون এবং আমি তোমাকে ভালবাসতাম, কিন্তু আমার হৃদয় এখনও শাহাদাতের মৃত্যুর জন্য আকাঙ্ক্ষিত। وعلمت فضل شهادةٍ بشفاعةٍ فأردتها لكِ يا فتون এবং আমি শিখেছি যে শাফাআত হচ্ছে শাহাদতের একটি গুণ, তাই আমি এটি তোমার জন্য চেয়েছিলাম, হে সুন্দরী..!!
Channel name was changed to «iGnoRe»
Channel photo updated
ফজরের আযান ভেসে এলো মসজিদ থেকে। 'আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ' পর্যন্ত এসে বিলাল রা. আর সামনে এগোতে পারলেন না। নেই, তিনি নেই। ঝরঝর করে কাঁদতে লাগলেন। 'হাইয়া আলাস সালাহ' ঢেকে গেল কান্নার আড়ালে। সবাই নিজের পরানখানি মাটিচাপা দিয়ে এসেছে। বুক ফাঁকা। শূন্য দৃষ্টি। ফাতিমা রা. কাঁদছেন আর বলছেন: আনাস! তোমার পক্ষে কী করে সম্ভব হলো, তুমি তোমার রাসূলকে মাটিচাপা দিয়ে রেখে এলে? _ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -collected
صَــــــــــــــــلَّی اللهُ عَلَيْـــــــــهِ وَ سَـــــــــــلَّمَ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। 🥰
জুমআর দিন বাদ আসর সালাফদের আমলঃ - ১) “ বিখ্যাত তাবেয়ী হযরত সাঈদ ইবনু জুবায়ের রাহিমাহুল্লাহ (জুমআর দিন) আসরের পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত কারও সাথে কথা বলতেন না। (পুরো সময়টা দোয়াতে মশগুল থাকতেন)। ” - ইবনুল কাইয়িম রাহিমাহুল্লাহ [যাদুল মাআদ : ১/২৮২] ২) ইমাম ইবনুল কাইয়িম রাহিমাহুল্লাহ বলেনঃ “ জুমআর দিনটি হল ইবাদতের দিন। দিনের মধ্যে জুমআর দিনটি মাসের মধ্যে রমাদানের মতো আর জুমআর দিনের বিশেষ সময়টি মাহে রমাদানের লাইলাতুল কদরের মতো। ” [যাদুল মাআদঃ ১/৩৮৬] “ জুমআর দিন যে সময়টিতে দোয়া কবুল হয় তা হল, আসরের পরের শেষ সময়টি। সব ধর্মাবলম্বীরাই এই সময়টির কদর করে থাকে। ” [যাদুল মাআদ : ১/২৮৪] ৩) ইমাম ইবনুল আসাকির রাহিমাহুল্লাহ তার বিখ্যাত ‘তারীখে দিমাশক’ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেনঃ “ একবার সালত ইবনু বুস্তাম রাহিমাহুল্লাহ দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলেন। তখন তার বন্ধুবান্ধবরা তার জন্য জুমআর দিন আসরের পর দোয়া করতে থাকেন। মাগরিবের পূর্বে তার একটি হাঁচি আসে এবং তাঁর দৃষ্টিশক্তি ফিরে আসে। ” [ইবনে আসাকির; তারীখে দিমাশক] ৪) হযরত তাউস বিন কায়সান রাহিমাহুল্লাহ জুমআর দিন আসরের নামাজ পড়ে কেবলামুখী হয়েই বসে থাকতেন। সূর্যাস্ত পর্যন্ত কারও সাথে কথা বলতেন না। [তারীখে ওয়াসেত] ৫) মোফাজ্জাল বিন ফাজালা রাহিমাহুল্লাহ জুমআর দিন আসরের নামাজ পড়ে মসজিদের এক কোনায় একাকী বসে যেতেন এবং সূর্যাস্ত পর্যন্ত একটানা দোয়া করতে থাকতেন। [আখবারুল কুযাত] ৬) সালাফদের মধ্যে কোন এক বুজুর্গ বলেছেনঃ “ আমি জুমআর দিন আসর ও মাগরিবের মাঝামাঝি সময়ে যে কোনও দোয়াই করেছি আল্লাহ আমার সেই দোয়াই কবুল করেছেন। একটা পর্যায়ে আমার কাছে কিছুটা লজ্জাও লাগতো। ” ৭) ইমাম ইবনুল কাইয়িম রাহিমাহুল্লাহ বলেছেনঃ “ যার জুমআর দিন ঠিক হয়ে যাবে তার পুরো সপ্তাহ হয়ে যাবে। ” . একটি বিশেষ দোয়াঃ - اللهُمَّ إِنَّي أَسْأَلُكَ الْفِرْدَوْسَ الْأَعْلَى مِنَ الْجَنَّةِ “ হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে জান্নাতের সর্বোচ্চ স্তর-জান্নাতুল ফিরদাউস কামনা করি। ” ইমাম ইবনুল কাইয়িম রাহিমাহুল্লাহ এই দোয়াটির ব্যাপারে বলতেনঃ “ আপনি যদি কাউকে এই দোয়াটি বেশি বেশি করতে দেখেন তাহলে নিশ্চিত থাকুন যে, আল্লাহ তার জন্য তা লিখে রেখেছেন। ” اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ 💙
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম 🌺❤️
উর্দু নাশিদঃ মা, আমাকে গাজ্জায় যাওয়ার অনুমতি দিন #nasheed
আল্লাহ ছাড়া কোন মাবুদ নেই। তাঁর কোন অংশীদার নেই। রাজত্ব তাঁরই, প্রশংসা তাঁরই এবং তিনি সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান। ♡
“মানুষের জন্য সুশোভিত করা হয়েছে কামনা-বাসনা ও আসক্তির ভালবাসা- নারী, সন্তানাদি, রাশি রাশি সোনা-রূপা, চিহ্নিত ঘোড়া, গবাদি পশু ও শস্যখেত। এগুলো দুনিয়ার জীবনের ভোগ সামগ্রী । আর আল্লাহ, তাঁর নিকট রয়েছে উত্তম প্রত্যাবর্তনস্থল ” . -সূরা আলে ইমরান, আয়াত ১৪
বিপদে পড়লেই হাসবুনাল্লাহ, কেটে গেলেই গাইরুল্লাহ 😓মানুষ যখন বিপদে পড়ে, তখন খুব হা-হুতাশ করে। আর যখন বিপদ কেটে যায়, তখন কৃপণ হয়ে যায়। (সুরা : মাআরিজ, আয়াত : ২০-২১) ‘সাগরের মাঝখানে যখন তোমরা বিপদে পড়ো, তখন তোমরা (স্বাভাবিক অবস্থায়) আল্লাহ ছাড়া যাদের ডাকো তাদের ভুলে যাও। তারপর যখন আল্লাহ তোমাদের স্থলে (সৈকতে) এনে উদ্ধার করেন, তখন তোমরা (আল্লাহর দিক থেকে) মুখ ফিরিয়ে নাও।’ (সুরা : বনি ইসরাইল, আয়াত : ৬৭) ‘মানুষকে যখন দুঃখ-দৈন্য স্পর্শ করে, তখন সে শুয়ে-বসে-দাঁড়িয়ে আমাকে (আল্লাহকে) ডাকতে থাকে। তারপর আমি যখন তার দুঃখ-দৈন্য দূর করে দিই, তখন মানুষ এমন ভাব করে যেন সে আপতিত দুঃখ-কষ্টের জন্য কখনোই আমাকে ডাকেনি। (সুরা : ইউনুস, আয়াত : ১২) “যদি দুঃখ-দৈন্য স্পর্শ করার পর আমি তাকে সুখ ভোগ করাই, তখন সে বলতে থাকে, ‘আমার বিপদ দূর হয়ে গেছে।’ তখন সে উত্ফুল্ল ও অহংকারী হয়ে যায়।” (সুরা : হুদ, আয়াত : ১০) ‘মানুষকে যখন দুঃখ-দৈন্য স্পর্শ করে, তখন সে একনিষ্ঠভাবে আল্লাহকে ডাকতে থাকে। এরপর আল্লাহ যখন তাকে দয়া করেন, তখন মানুষ ভুলে যায় যে বিপদে পড়ে সে এর আগে আল্লাহকে ডেকেছিল।’ (সুরা : জুমার, আয়াত : ৮) ‘মানুষকে বিপদ-আপদ স্পর্শ করলে সে আমাকে (আল্লাহকে) ডাকে। যখন আল্লাহর অনুগ্রহে কষ্ট থেকে মুক্তি লাভ করে, তখন (মানুষ) বলতে থাকে, সে নিজের চেষ্টায় এ থেকে মুক্তি পেয়েছে।’ (সুরা : জুমার, আয়াত : ৪৯) “দুঃখ-দৈন্য স্পর্শ করার পর যখন আমি তাকে দয়া করে সুখের স্বাদ দিই, তখন মানুষ বলতে থাকে, ‘এটা তো আমার প্রাপ্যই ছিল। আমি তো মনে করি না কিয়ামত বলে কিছু আছে।’...আবার যখন মানুষ বিপদে-আপদে অমঙ্গলে পড়ে যায়, তখন সে দীর্ঘ প্রার্থনায় বসে যায়।” (সুরা : হা-মিম-সাজদা, আয়াত : ৫০-৫১) ওরা (মানুষ) যখন পানিপথে চলতে থাকে, তখন পবিত্র মনে আল্লাহকে ডাকতে থাকে। আর আমি (আল্লাহ) যখন তাদের নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে দিই, তখন মানুষ শিরক করা শুরু করে।’ (সুরা : আনকাবুত, আয়াত : ৬৫) “আল্লাহ যখন মানুষকে দয়া ও সম্মানিত করেন, তখন মানুষ বলে, ‘আমার প্রতিপালক আমাকে সম্মানিত করেছেন।’ আর যখন আল্লাহ মানুষকে পরীক্ষা করার জন্য উপকরণ কমিয়ে দেন, তখন মানুষ বলতে থাকে, ‘আল্লাহ আমাকে হেয় করেছেন।” (সুরা : ফাজর, আয়াত : ১৫-১৬)
видео или голосовое, без подписи
“সন্তানকে খেলনা না দিলে এক ঘন্টা কাঁদবে; জ্ঞান না দিলে সারা জীবন কাঁদবে; ধর্মীয় শিক্ষা না দিলে কিয়ামতের দিনেও কাঁদবে।” . সংগৃহীত #parenting
видео или голосовое, без подписи