Bangladesh Black Hat Hackers
СтатистикаVoice of the oppressed people of bangladesh
- Последний пост
- 14 авг.
- Последнее чтение
- 15 авг.
- Постов за неделю
- 28
- Всего постов
- 33
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- Категория
- Новости и СМИ (по похожим)
- В каталоге с
- 13 авг.
- 1/24сутки в ленте
- 237
- 1/48двое суток
- 271
- 1/72трое суток
- 292
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
видео или голосовое, без подписи
একটা ইন্টারেস্টিং বিষয়... আওয়ামিলীগ (১৯৯৬-২০০১) যখন ক্ষমতায় ছিলো তখন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের পূর্ণ মন্ত্রী ছিলেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তারপর আওয়ামিলীগ (২০০৯-২০২৪) যখন ক্ষমতায় ছিলো তখন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের পূর্ণ মন্ত্রী ছিলেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শুধু মাত্র জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এবং বিদ্যুৎ বিভাগের দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্বে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন নসরুল হামিদ। শেখ হাসিনা রাষ্ট্রের এই মূল চালিকাশক্তি কখনো আহাম্মকদের হাতে তুলে না দিয়ে নিজে ব্যাক্তিগত ভাবে এটা মেনেজ করেছিলো। তার প্রধান কারণ হচ্ছে কখনো যাতে সংকট দেখা না দেয় কিংবা এটার মাধ্যমে জনগণকে ক্ষ্যাপিয়ে তোলা না যায়। তবে তারপরও ২০১৮ সাল থেকে ২০২৪ সালে বেশ কয়েকবার বিদ্যুৎ এর সংকট ও এনার্জি সংকট দেখা দিয়েছিলো। শেখ হাসিনা এই সমস্যা গুলো নিজে ব্যাক্তিগত ভাবে চীন ও ভারত, রাশিয়ার সাহায্য নিয়ে কোনরকম টেনেটুনে চালিয়ে দিয়েছিলো... তারেক রহমানের উচিৎ এই বিভাগের কারণে সরকারের অতীতে ও নানারকম গসিপিং এর শিকার হতে হয়েছিলো বর্তমানে আবারও পাওয়ারে আসার পর একটা বড় ডিজাস্টার এর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে রাষ্ট্র.. এই মুহূর্তে এই ডিপার্ট্মেন্টের পুরো মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব উনার নিজের হাতে নিয়ে যাওয়া এবং নিজের তত্ত্বাবধানে মেনেজ করা... পাশাপাশি একটা Goal Set করা যে ভবিষ্যতে দেশে গ্যাস, তেল কমপক্ষে ৯০ থেকে ১২০ দিনের মজুদ রাখার মত Capacity তৈরী করা... ৯০ থেকে ১২০ দিনের মজুদের মত Capacity যদি বাংলাদেশ করতে পারে তাহলে এটা পুরো দেশের মধ্যে সবচেয়ে বড় Sustainable Development হবে... ©️ Abdullah Al Jaber
গ্যাস সংকট নিয়ে অনেক অনেকে গল্প লিখছে। কেউ ফেসবুকে লিখছে, কেউ পত্রিকায় লিখছে। তবে আসল তথ্যটা এখন পর্যন্ত চোখে পড়ে নাই। এখানে লিখছি আসল সমস্যা কোথায়। সোর্স শতভাগ অথেনটিক তার কথাগুলো লিখছি এখানে। By the way, ei gas crisis is all US’s making It’s over the third FSRU that was given to a Chinese firm Excelerate wants the government to cancel that contract and give it to them মূল সমস্যা শুরু চীনকে মহেশখালীতে তৃতীয় এফএসআরইউ (ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল) নির্মানের অনুমোদন দেওয়ার পর। বাংলাদেশে ২টা এফএসআরইউ আছে। একটা আমেরিকান কোম্পানি এক্সিলারেট এলএনজির, অপরটা সামিটের। তবে দুইটাই পরিচালনা করে এক্সিলারেট এলএনজি। এখন চীন বাংলাদেশে এই ব্যবসায় ঢুকা মানে আমেরিকার জন্য বিপদ। তাই তারা যে কোন মূল্যে চীনকে এখান থেকে সরাতে চাচ্ছে। এজন্য কৃত্রিমভাবে সংকট তৈরি করে সরকারকে বিপদে ফেলেছে। আর এক্সিলারেট এলএনজির বিশেষ দূত এখন আমেরিকার সাবেক রাষ্ট্রদূত পিটার হাস। ইউনূস সরকারের সময় পিটার হাস নতুন এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের জন্য অনেক দেনদরকার করেছে। এখন বিএনপি সরকার তা দিচ্ছে চীনকে। এটাই আমেরিকার মাথা ব্যথার কারণ। চীনকে এই কাজ দিলে বাংলাদেশকে চরম মূল্য দিতে হবে এরই মধ্যে সতর্ক করা হয়েছে। তার প্রাথমিক নমুনা দেখা গেল গত কয়েক দিন ধরে।
видео или голосовое, без подписи
আর কত শুক্রবার গেলে বিপ্লবী হাদী হত্যার বিচার পাবো আমরা!
গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মাথায় নিয়ে নেপালের প্রধানমন্ত্রী ফিরছে। কিন্তু হাসিনা ফিরবে না। হাসিনা বাংলাদেশে ফ্যাসিজম কায়েম করেছিল। নেপালের প্রধানমন্ত্রী সেটা করে নাই। নেপালে আন্দোলনে নিহতের সংখ্যা ৭০-এর নিচে। আর বাংলাদেশে হাসিনা শিশু হত্যা করেছে ১৮০+, মোট নিহতের সংখ্যা ১৪০০+। নেপালে আহতের সংখ্যা ৫০০-এর নিচে। বাংলাদেশে সেটা ১৮,২৪৭। নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে ১৬৭ জন ভর্তি হয়েছিল তাদের বেশিরভাগ মাথার খুলি হারাইসিলো। চোখ হারিয়েছে আরও ৬৪৭ জন, হাত-পা হারানোর সংখ্যা অগণিত। নেপালের প্রধানমন্ত্রী সরাসরি নাগরিক হত্যার জন্য বাহিনীকে উসকে দেওয়ার, আদেশ দেওয়ার এ ধরনের কোনো প্রকাশ্য call recording এখন পর্যন্ত সামনে আসেনি। হাসিনার অসংখ্য আছে। হেলিকপ্টার দিয়ে গুলি করার জন্য বলার কল রেকর্ড আছে। এটাতো গেলো জাস্ট জুলাইয়ের হিসাব। নেপাল সরকার গুম করে নাই, হাসিনা গুম করছে। গুম কমিশনের অনুমান সেই সংখ্যাটা ৪,০০০–৬,০০০ হতে পারে। গুম করে খুন করছে। গুম কমিশনের রিপোর্টে সব ফকফকা। এখনো সাজেদুল ইসলাম সুমন, ইলিয়াস আলী ফিরে আসে নাই। নেপাল সরকার আয়নাঘর করে নাই। হাসিনা করছে। হাসিনা পালায় যাওয়ার পরে আয়নাঘর থেকে হাজারের বেশি মানুষ মুক্ত হইছে। হুম্মাম কাদের, ব্যারিস্টার আরমান এখন সংসদে। নেপাল সরকার ইলেকশন রিগ করে নাই। হাসিনা ৩টা ইলেকশন রিগ করছে। নেপালে আন্দোলন হইছে দুর্নীতির বিরুদ্ধে। কিন্তু হাসিনার ১৬ বছরের সমপরিমাণ দুর্নীতি নেপালে করে নাই। ২৩৪ বিলিয়ন ডলার নাই করে দিছে। নেপালে এস আলম, সামিটের আজিজ নাই। হাসিনার সিরিয়াল কিলার জিয়াউল আহসান, বেনজীর নেপালে ছিল না। হাসিনা ডাল-ভাতের নাটক করে ৫৭ জন দেশপ্রেমী সেনা অফিসার হত্যা করেছে। তদন্ত কমিশনে শুধু হাসিনা না, হাসিনার রক্ষাকর্তা ভারতের সম্পৃক্ততাও উঠে আসছে। সবশেষে, নেপালে আন্দোলন হয়েছে দুর্নীতির বিরুদ্ধে। বাংলাদেশে আন্দোলন হয়েছে আধিপত্যবাদী সিরিয়াল কিলার, রাক্ষসী, ১৫ বছর মানুষের ঘাড়ে চেপে থাকা ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে। ইতিহাসে ফ্যাসিস্টদের ফিরে আসার নজির খুব একটা নাই। হাসিনাও আসবে না।
видео или голосовое, без подписи
চব্বিশের ৪ আগষ্ট উত্তরা। ছাত্রলীগ জ ঙ্গি সাথিলের গু//লিতে এভাবে নিথর দেহ পরে থাকে মাহমুদুর রহমান খান সোহেল এবং আব্দুল্লাহ আল মাহিন এর। কিছুক্ষণ আগেই কামারুজ্জামানকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায় সহযোদ্ধারা কিন্তু ঐ দুজনের লা/শের সামনে এভাবে অস্ত্র নিয়ে দাড়িয়ে থাকে হাবিব হাসান আর সোহেল এর জ ঙ্গি বাহিনী। সাথিল আরো কয়েক রাউন্ড গুলি করলেও ৪/৫ মিনিটের মধ্যে শিক্ষার্থীদের পাল্টা ধাওয়ায় পালায়। এক ধাওয়ায় অনেকে খাটের তলায় ঢুকেছে এবং ভারতে। হ্যা এখানের মূলহোতা কেউ গ্রেফ/তার হয়নি।
видео или голосовое, без подписи
বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে কথা বলায় চাকরি চলে গেছে ওর! আমরাই না হাসিনার বিরুদ্ধে স্লোগান দিয়েছিলাম - "ওরা আমার মুখের কথা কাইরা নিতে চায়"?
হাসিনা সীমান্ত দিয়ে ঢুকবে না। হাসিনা ঢুকবে লোডশেডিং, ডাবল বিদ্যুৎ বিল, চাঁদাবাজি আর বাজারের আগুণের ভেতর দিয়ে। কারেন্ট এর এই পরিস্থিতি টানা চলতে থাকলে হাসিনার ব্যাক করা সময়ের ব্যাপার। মানে, ফিজিক্যালি না হোক, মেন্টালি মানুষ বিলিভ করা শুরু করবে যে হাসিনা পারত, বিএনপি পারে না। ইউনূসেরটা মনে থাকবে না, কারণ ইউনূস রাজনীতি করেন না। হাসিনার পতনের পর, বিএনপি ক্ষমতা পেয়েছে, জামায়াত বিরোধী দল হয়েছে, এনসিপি এমপি হয়েছে। হাসিনা যাওয়ার পর বিএনপি জামায়াতের লোকজন গুম খুন হচ্ছে না, এলাকায় থাকতে পারতেসে, রাজনীতি করতে পারতেসে। কিন্তু মানুষ আসলে কী পাইতেসে, এইটা একটা বড় প্রশ্ন। বাংলাদেশের মানুষের সাথে সরকারের সরাসরি দেনাপাওনার সম্পর্ক কারেন্ট, গ্যাস আর বাজারের মাধ্যমে। সাধারণ মানুষ, যারা রাজনীতি করে না, তাদের আসলে গুম, রাজনৈতিক অধিকার বা মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে কোন মাথাব্যথা থাকে না। যেমন এখন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের যাই করুক, মানুষের সেসব নিয়ে কিন্তু কোন মাথাব্যথা নাই। মানুষের একমাত্র আগ্রহ হইল, তেল, গ্যাস বিদ্যুৎ আপনি ঠিকমত দিচ্ছেন কি না, মানুষ ঠিকমত ঠিক দামে খাইতে পারতেসে কি না। সাধারণ মানুষ এই তিন চারটা জিনিস দিয়েই ভালো মন্দ হিসাব করে। এই মুহুর্তে রাষ্ট্রপতি কে হইল, জুলাই সনদের কী হইল, একাত্তরের বা চব্বিশের চেতনা কী হইল, এসব নিয়ে মানুশের কোন মাথাব্যাথা নাই। মানুষের প্রশ্ন এখন একটাই, কারেন্ট কবে পাব? ঘুমাইতে কবে পারব? এক রাত না ঘুমাইতে পারলে মানুষের বডি আর ব্রেইনের স্বাভাবিকতা নষ্ট হয়ে যায়, সেখানে টানা রাতের পর রাত মানুষ ঘুমাইতে পারতেসে না। নিজে ঘুমাইতে পারতেসে না, বুড়া মা বাপ ঘুমাইতে পারতেসে না, বাচ্চা পোলাপান ঘুমাইতে পারতেসে না। পরিবারের এই কষ্ট খুব বেশিদিন মানুষ সহ্য করবে না। কারণ, এমপি সে হয় নাই। সে মাসের শেষে চান্দার টাকা পাচ্ছে না। বরং তাকে ডাবল বিল দিতে হইতেসে। চোখের সামনে বড়লোকেরা জেনারেটর বা আইপিএস দিয়ে ঘুমাচ্ছে, অথচ তাঁর পরিবার ঘুমাতে পারতেসে না। এই পরিস্থিতিতে একটা সময় সে বইলাই বসবে, হাসিনাই ভালো ছিল। না ঘুমাতে পারা বাচ্চাদের কান্নায় সে ভুলে যাবে হাসিনার খুন, হাসিনার গুম, হাসিনার গণহত্যা। জাস্ট তার মনে হবে, হাসিনার সময় সে ঘুমাইতে পারত, এখন সে ঘুমাইতে পারতেসে না। জাস্ট মনে হবে, হাসিনার সময় তার বাচ্চা ঘুমাইত আরামে, এখন পারতেসে না। শুনতে যত খারাপই লাগুক, এটাই একমাত্র সত্য সাধারণ মানুষের কাছে। সাধারণ মানুষ দেশ বেচা বুঝে না, ব্যাংক ডাকাতিও বুঝে না। সাধারণ মানুষ বুঝে ঘুম, খাওয়া আর বাজার। হাসিনা সীমান্ত দিয়ে ঢুকবে না। হাসিনা ঢুকবে লোডশেডিং, ডাবল বিদ্যুৎ বিল, চাঁদাবাজি আর বাজারের আগুণের ভেতর দিয়ে। সীমান্ত পাহারা দিয়ে কোন লাভ নাই। আল্লাহর ওয়াস্তে কারেন্ট পাহারা দেন, বাজার পাহারা দেন, চাঁদাবাজদের সরান, দুর্নীতিবাজ আর অদক্ষ আমলা মন্ত্রীদের সরান। আজ বিদ্যুৎ মন্ত্রী বলেছে দিন গোনা ছাড়া তার নাকি কিছু করার নাই। লোডশেডিং আর বাজার ঠিক করতে না পারলে সীমান্ত বা বিমান বন্দরে ঠেক দিয়ে আওয়ামী লীগব ঠেকাইতে পারবেন না। হাসিনাকে ঠেকানোর একমাত্র উপায়, হাসিনার চেয়ে বেটার কারেন্ট, বেটার গ্যাস আর বেটার বাজার মানুষের কাছে প্রোভাইড করা। এইটা না করতে পারলে, সরকারি দল, বিরোধী দল বা এনসিপি, জুলাই যোদ্ধা বা আন্দোলন করা পোলাপান, মারা আমরা সবাই খাইতে যাচ্ছি।
🚨সালাউদ্দিন কে বানানো হচ্ছে LGED মন্ত্রী, আর নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হচ্ছে এনি! মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি হচ্ছে, আর উনার জায়গায় দলীয় মহাসচিব এর পদ পাওয়ার জোরালো সম্ভাবনা আছে সালাউদ্দিন এর !
একটা সরকারের সাফল্য এবং দেশ এগিয়ে যায় চারটি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে। ১. বিদ্যুত গ্যাসের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ ২. ভালো আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ৩. ভালো যোগাযোগ ব্যবস্থা - সড়ক ও রেলপথ ৪. সুশাসন এ চারটি বিষয় সরকার করতে পারলে মানুষ নিজের ভাগ্য নিজেই তৈরি করে নেয়। সরকারকে বলতে হয় না কোটি কোটি কর্মসংস্থান করবো, হেনো করবো তেনো করবো, বিদেশি বিনিয়োগ আনবো। কিচ্ছু বলতে হবে না। সবকিছু অটোমেটিক হবে। আর এই চারটি বিষয় করতে না পারলে বিদেশি বিনিয়োগ তো দূরের কথা, দেশের মানুষ একটা ফটোকপির দোকান দিতেও আগ্রহ পাবে না।
যাদের ঘার থেকে মাথা ছিন্ন হওয়া পর্যন্ত ফাঁসির দড়িতে ঝুলানো দরকার ছিল, তাদের শাস্তি দিচ্ছে কেবল চাকরি থেকে বাদ দিতে! বিএনপি সরকার জাতির সাথে মশকরা করছে!
এই হলো অবস্থা !
আসিফ মাহমুদের বাবার ঠিকাদারি লাইসেন্সের কথা মনে আছে? ২০২৫ সালের এপ্রিলে সম্ভবত জুলকারনাইন সায়ের নিউজ ব্রেক করেন যে আসিফ মাহমুদের বাবা ঠিকাদারি লাইসেন্স করিয়েছেন। আসিফ মাহমুদ দ্রুততম সময়ের মধ্যে ক্ষমা চেয়ে পোস্ট দেন। তার দাবি অনুসারে, তিনি এ নিয়ে অবগত ছিলেন না এবং তার বাবাকে অন্য একজন লাইসেন্স করার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি তার বাবাকে কনফ্লিক্ট অফ ইন্টারেস্টের বিষয়টি বুঝিয়ে লাইসেন্স ক্যান্সেল করান। এই লাইসেন্সের অধীনে কোনো প্রকল্প বা আর্থিক লেনদেন হয় নি। এই নিয়ে সে সময় সমালোচনা হয়, সব মিডিয়া নিউজ করে এবং পরেও বিভিন্ন জায়গায় আসিফ মাহমুদকে এই নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। আসিফ মাহমুদের দাবিটা আপনার বিশ্বাস করা লাগবে না -- তাকে বেনেফিট অফ ডাউট দিবেন কি না সেটা আপনার সাব্জেক্টিভ সিদ্ধান্ত। কিন্তু, এই বিষয়ে যেটা অব্জেক্টিভ সত্য, তা হলো ১. সবাই একমত হয়েছিলো এরকম কিছু সরাসরি বেআইনি না হলেও কনফ্লিক্ট অফ ইন্টারেস্ট, ২. আসিফ মাহমুদ এটা স্বীকার করে বাবার ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়ে তার বাবার লাইসেন্স ক্যান্সেল করিয়েছিলেন। বর্তমানে ফিরে আসি। সরকারের সবথেকে প্রভাবশালী মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের ছেলের প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এক জাপানি কোম্পানি বাংলাদেশে ৪০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করে দুইটি বিশাল ব্রিজ বানাতে চায়। জুলাই বিপ্লবের পরে তৈরি করা প্রতিষ্ঠান স্টালিয়ন ক্যাপিটাল ব্রিজ দূরের কথা, জীবনে একটা কালভার্ট বানানোর সাথেও যুক্ত ছিলো না। ৪০ হাজার কোটি দূর, তারা ৪০ হাজার টাকার বিদেশী বিনিয়োগও হ্যান্ডেল করে নি। কিন্তু তারা এতো বড় বিনিয়োগ প্রস্তাবের লোকাল পার্টনার হয়েছে। কোন যোগ্যতায়? সালাহউদ্দিন আহমেদের ছেলে কোনো রিলেভেন্ট অভিজ্ঞতা ছাড়া বাপের দোয়া ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক হয়েছেন যে যোগ্যতায়, সেই যোগ্যতায়? এই বিষয়টি নিয়ে আমি ২ আগস্ট একটি স্টাটাস দেই, যা মোটামুটি ভাইরাল হয় (কমেন্টে লিঙ্ক)। এর পরে দশ দিনেও কোনো মিডিয়া এটিকে ফলো আপ করে নি। কেউ সালাহউদ্দিন আহমেদকে কেউ প্রশ্ন করে নি বিষয়টা কনফ্লিক্ট অফ ইন্টারেস্ট কি না। কেউ স্টালিয়ন ক্যাপিটালে জিজ্ঞেস করে নি তাদের এরকম মেগা প্রজেক্ট বিষয়ক পূর্ব অভিজ্ঞতা কী। গতকালের নিউজ: এই ব্রিজ দুইটার কাজ নেয়ার বিষয়ে সেতু সচিবের সাথে মিটিং করেছেন সালাহউদ্দিন আহমেদের ছেলে।
видео или голосовое, без подписи
প্রায় ৮৪ হাজার বর্গফুট অরণ্য এবার আদানি গোষ্ঠীর হাতে তুলে দিল মহারাষ্ট্র সরকার। যার মধ্যে প্রায় ৭০ হাজার বর্গফুট রায়গড়ের আলিবাগ ম্যানগ্রোভ অরণ্য। সেখানে গড়ে উঠবে রায়গড় সিমেন্ট প্রকল্প সংলগ্ন নানা প্রকল্প। তৈরি হবে সিমেন্ট সরবরাহের জন্য বাল্ক টার্মিনালের জেটি, কনভেয়ার করিডর এবং রাস্তা। পরিবেশবিদদের মতে, এর ফলে বড়সড় ফাটল ধরবে রায়গড় উপকূলের প্রাকৃতিক ঢালে। আলিবাগ ম্যানগ্রোভ সংলগ্ন খাঁড়ি দিয়ে চলাচল করবে বড় বড় সিমেন্টবাহী নৌকা। বিকট শব্দে চলবে কনভেয়ার। ড্রেজিং-এর জন্য তুলে ফেলা হবে পাড়ের মাটি। যে মাটিতে বাঁচে ম্যানগ্রোভ অরণ্য, সেই মাটির ওপর তৈরি হবে সিমেন্টের পুরু আস্তরণ। গাছের পাতায় পাতায় ছড়িয়ে পড়বে বিষাক্ত ফ্লাই-অ্যাশ। ফলে গোটা বাস্তুতন্ত্র ও জীববৈচিত্র্যই মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়তে চলেছে, এমনটাই বলছেন ওয়াকিবহাল মহল। আলিবাগের ম্যানগ্রোভ অরণ্য অতীতে নানা ঝড়ঝাপ্টা থেকে রক্ষা করে এসেছে রায়গড়কে। ফলে তা দুর্বল হলে অচিরেই আরও বড় বিপর্যয়ের সম্মুখীন হতে পারে রায়গড়। এতকিছুর পরেও বন-দপ্তরকে এলাকায় প্রবেশের ছাড়পত্র দিয়েছে সরকার। আদানি গোষ্ঠীর তরফে ক্ষতিপূরণমূলক বন-সৃজনের আশ্বাসও এসেছে। কিন্তু তা মানতে নারাজ পরিবেশবিদদের একাংশ। তাঁদের প্রশ্ন, হাজার হাজার বছর ধরে বেড়ে ওঠা প্রাকৃতিক অরণ্যের ক্ষতি কি চটজলদি অন্যত্র গাছ লাগিয়ে পূরণ করা যায়? আদানি ওয়াচের তথ্য অনুযায়ী, ভারতজুড়ে প্রায় ৫০,০০০ একর বনভূমিতে কয়লা, বিদ্যুৎ, সিমেন্ট-সহ বিভিন্ন প্রকল্প গড়ে তোলার লক্ষ্য আদানি গোষ্ঠীর। প্রায় ১৫,০০০ একর বনভূমি ইতিমধ্যেই তাদের হাতে। মধ্যপ্রদেশের ধীরাউলি থেকে ছত্তিসগড়ের হাসদেও আরন্দ—বন-ধ্বংস ও উচ্ছেদের বিরুদ্ধে যে যে প্রকল্পের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে বন-নির্ভর মানুষেরা লড়াই চালাচ্ছেন, তার সিংহভাগ প্রকল্পেই জড়িয়ে রয়েছে আদানি গোষ্ঠী। এমনকি নিকোবর দ্বীপের অরণ্য ধ্বংসকারী দ্য গ্রেট নিকোবর প্রজেক্টের মূল কাণ্ডারিও নাকি তারাই। কেন্দ্রের বর্তমান শাসকদলের আমলে নাকি আদানি গোষ্ঠীর হাতে একের পর এক প্রজেক্ট তুলে দিয়েছে সরকার, এমনটাই অভিযোগ। ২০১৮ সালে বেসরকারি সংস্থার জন্য বাণিজ্যিক কয়লা খননের পথ খুলে দেওয়া হয়। যা নাকি বন ধ্বংসের পথকে আরও সুগম করেছে। দেশের জঙ্গল-জমি কি এভাবেই চলে যাবে কর্পোরেট-কোম্পানির হাতে? প্রশ্ন উঠছে। তথ্যসূত্র: মহারাষ্ট্র সরকারের বনভূমি ডাইভার্সন সংক্রান্ত নথি; কেন্দ্রীয় পরিবেশ ও বন মন্ত্রকের ফরেস্ট ক্লিয়ারেন্স নথি; বম্বে হাইকোর্টের ৫ মার্চ ২০২৫-এর রায়; মহারাষ্ট্র দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের পরিবেশগত প্রভাব সমীক্ষা; আদানি এন্টারপ্রাইজেসের পরিবেশগত কমপ্লায়েন্স রিপোর্ট।
видео или голосовое, без подписи
আপনারা জেনে অবাক হবেন যে, সেই ডিপি ওয়ার্ল্ড এর হাতেই চট্টগ্রাম বন্দরের কন্টেইনার টার্মিনাল তুলে দেওয়া হইতেছে - ইন্টেরিমের সময় ধুমায়ে যেইটার বিরোধিতা করছিলো খোদ বিএনপির লোকজন আর বামেরা। আপনারা আরো জেনে অবাক হবেন সে, এই দফায় চুক্তিটা এমনভাবে আপডেট করা হইতেছে যে, ডিপি ওয়ার্ল্ড কোন বিনিয়োগ ছাড়াই কন্টেইনার টার্মিনাল হাতে পাইতেছে। আবার, রপ্তানি ও আমদানিজনিত আয় প্রথমে ডিপি ওয়ার্ল্ড এর এ্যাকাউন্টে জমা হবে এবং তারা সেইখান থেকে লাভের একটা অংশ বন্দরের হাতে তুলে দিবে। এইটা ডিপি ওয়ার্ল্ড এর প্রস্তাব।