বুয়েটিয়ান - BUETian
СтатистикаLet us be one of them who were BUETian or are BUETian or will be BUETian or not BUETian but love BUET
- Последний пост
- 28 мар.
- Последнее чтение
- 14 авг.
- Постов за неделю
- 0
- Всего постов
- 20
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- В каталоге с
- 13 авг.
- 1/24сутки в ленте
- —
- 1/48двое суток
- —
- 1/72трое суток
- —
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
видео или голосовое, без подписи
কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি সাবজেক্ট র্যাঙ্কিং ২০২৬: ৩৮ ধাপ এগিয়েছে বুয়েট কোয়াককোয়ারেলি সায়মন্ডস (QS) ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি সাবজেক্ট র্যাঙ্কিং ২০২৬-এ ঈর্ষণীয় অগ্রগতি অর্জন করেছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (BUET)। Engineering and Technology (প্রকৌশল ও প্রযুক্তি) অনুষদে গত বছরের ৩২০তম অবস্থান থেকে ৩৮ ধাপ এগিয়ে এ বছর বুয়েটের বৈশ্বিক অবস্থান এখন ২৮২তম। মোট ৬৫.৯ স্কোর নিয়ে এই অর্জন বাংলাদেশের প্রকৌশল শিক্ষার ইতিহাসে এক নতুন উচ্চতা যোগ করেছে। বৈশ্বিক ও দেশীয় অবস্থান: বিশ্ব র্যাঙ্কিং: ২৮২তম (প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিভাগ) জাতীয় র্যাঙ্কিং: বাংলাদেশে ১ম স্থান বিষয়ভিত্তিক ফ্যাকাল্টি সাফল্য: বুয়েটের পাঁচটি প্রধান ডিসিপ্লিন আন্তর্জাতিক র্যাঙ্কিংয়ে নিজেদের অবস্থান নিশ্চিত করেছে: ১. Petroleum Engineering: বিশ্বে ১০১–১৫০তম (এশিয়ার শীর্ষ ৩০-এর মধ্যে)। ২. Architecture & Built Environment: বিশ্বে ২০১–২৬০তম। ৩. Electrical and Electronic Engineering: বিশ্বে ৩০১–৩৫০তম। ৪. Mechanical, Aeronautical & Manufacturing Engineering: বিশ্বে ৩৫১–৪০০তম। ৫. Computer Science and Information Systems: বিশ্বে ৪৫১–৫০০তম। বুয়েটের এই অগ্রযাত্রাকে টেকসই করতে এবং বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ ১০০-র তালিকায় স্থান করে নিতে এখন সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন মৌলিক গবেষণায় মনোযোগ দেওয়া। আমাদের মেধাবী শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক মানের গবেষণায় আরও উৎসাহিত করতে হবে। তবে গবেষণার এই জোয়ার বজায় রাখার জন্য প্রয়োজন পর্যাপ্ত সরকারি ও বেসরকারি বাজেট বরাদ্দ। আধুনিক ল্যাবরেটরি সুবিধা এবং উদ্ভাবনী প্রজেক্টে বিনিয়োগ বৃদ্ধি পেলে বুয়েট শুধু বাংলাদেশ নয়, বরং সারা বিশ্বের বুকে প্রযুক্তির উন্নয়নে অবদান রাখতে পারবে।
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
ইতিহাসের বিতর্ক নয়, এখন প্রয়োজন সামরিক সক্ষমতার আলোচনা বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিসরে একটি পরিচিত দৃশ্য বারবার ফিরে আসে - রাষ্ট্রীয় আলোচনা আটকে থাকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়ে পক্ষ-বিপক্ষ বিতর্কে। স্বাধীনতার ইতিহাস অবশ্যই আমাদের জাতির ভিত্তি, আমাদের গর্ব। এই ইতিহাসের চর্চা চলবে, চলতেই হবে। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে - শুধু ইতিহাসের বিতর্কে আটকে থাকলে কি একটি রাষ্ট্র সত্যিই নিরাপদ থাকতে পারে? আজকের পৃথিবীতে একটি রাষ্ট্রের স্বাধীনতা মূলত চারটি শক্তির ওপর দাঁড়িয়ে থাকে - অর্থনৈতিক শক্তি, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, সামরিক ক্ষমতা এবং কৌশলগত কূটনীতি। এই চার মাপকাঠিতে বাংলাদেশের অবস্থান নিয়ে আমাদের জাতীয় আলোচনা কতটা গভীর, সেটি নিজেই একটি প্রশ্ন। বাংলাদেশ সরাসরি স্থলসীমান্ত ভাগ করে দুটি দেশের সঙ্গে - ভারত ও মিয়ানমার। রাজধানী ঢাকা থেকে নেপিডোর দূরত্ব প্রায় ৭৪০ কিলোমিটার, নয়াদিল্লির দূরত্ব প্রায় ১৪০০-১৫০০ কিলোমিটার এবং ইসলামাবাদ প্রায় ২,০২২ কিলোমিটার দূরে। আধুনিক সামরিক প্রযুক্তির বিচারে এই দূরত্বগুলো নিছক সংখ্যা মাত্র - আজকের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের কার্যকর পাল্লা ১,০০০ থেকে ৩,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। অথচ বাংলাদেশের নিজস্ব স্ট্রাইক সক্ষমতা এখনও কয়েকশো কিলোমিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ। বিষয়টি রূঢ় হলেও সত্য - কার্যকর প্রতিরোধ ক্ষমতা ছাড়া ভৌগোলিক নিকটতাই হয়ে উঠতে পারে সবচেয়ে বড় দুর্বলতা। প্রতিবেশীদের সামরিক বাস্তবতা: আমাদের চারপাশের চিত্রটি সরল নয়। ভারত বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম সামরিক শক্তি - পারমাণবিক অস্ত্র, বিমানবাহী রণতরী, হাইপারসনিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে দেশটি দ্রুতগতিতে আধুনিকায়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। পাকিস্তান বিশ্বের নবম সামরিক শক্তি। মিয়ানমার সামরিক সক্ষমতার সূচকে বাংলাদেশের চেয়ে পিছিয়ে থাকলেও দেশটিকে শুধু নিজস্ব সক্ষমতার বিচারে বিবেচনা করলে চলবে না - আন্তর্জাতিক পরাশক্তিগুলোর কৌশলগত স্বার্থ সেখানে সক্রিয়, এবং সেটি সামগ্রিক ভূরাজনৈতিক সমীকরণকে জটিল করে তোলে। বদলে যাওয়া যুদ্ধের চরিত্র: একবিংশ শতাব্দীর যুদ্ধ আর সীমান্তে সৈন্য মোতায়েনের যুদ্ধ নয়। আজকের সংঘাত নির্ভর করছে দীর্ঘপাল্লার নির্ভুল ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন প্রযুক্তি, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং সাইবার ও ইলেকট্রনিক যুদ্ধের ওপর। মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক সংঘাতগুলো এই বাস্তবতার জীবন্ত প্রমাণ - ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তিই এখন অনেক ক্ষেত্রে একটি রাষ্ট্রের প্রধান প্রতিরোধ শক্তিতে পরিণত হয়েছে। মূল কথাটি হলো ডিটেরেন্স - অর্থাৎ এমন সামরিক সক্ষমতা যা সম্ভাব্য আক্রমণকারীকে পদক্ষেপ নেওয়ার আগেই দ্বিতীয়বার ভাবতে বাধ্য করে। এই ডিটেরেন্স না থাকলে কূটনীতিও দুর্বল হয়ে পড়ে। বাংলাদেশ কোথায় দাঁড়িয়ে? বাংলাদেশ সাম্প্রতিক সময়ে সামরিক আধুনিকীকরণে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে - নৌবাহিনীতে সাবমেরিন ও আধুনিক ফ্রিগেট সংযোজন হয়েছে, বিমানবাহিনীতে কিছু আধুনিক প্ল্যাটফর্ম যুক্ত হয়েছে। চীন ও তুরস্কের সঙ্গে সামরিক ও ড্রোন-সংক্রান্ত সহযোগিতা বাড়ছে - বিশেষত তুরস্কের Bayraktar TB2 ড্রোন ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে কাজ চলছে। এগুলো ইতিবাচক। তবে সামগ্রিক চিত্রে এখনো বড় ফাঁক রয়েছে। দীর্ঘপাল্লার স্ট্রাইক সক্ষমতা সীমিত, আধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পর্যাপ্ত শক্তিশালী নয়, ড্রোন যুদ্ধ প্রযুক্তিতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি এখনো হয়নি, এবং দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্প এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। যে আলোচনা হচ্ছে না (!) বাংলাদেশের জাতীয় আলোচনায় প্রায়ই উঠে আসে - মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কে ধারণ করছে, ইতিহাস কে বিকৃত করছে। এই বিতর্কগুলোর নিজস্ব গুরুত্ব আছে। কিন্তু যে প্রশ্নগুলো প্রায় অনুপস্থিত তা হলো - আমাদের আকাশ প্রতিরক্ষা কতটা কার্যকর? আমাদের দীর্ঘপাল্লার প্রতিরোধ সক্ষমতা কোথায়? আমাদের ড্রোন যুদ্ধ প্রযুক্তি কতটা প্রস্তুত? এই প্রশ্নগুলো উহ্য থাকলে রাষ্ট্রের প্রকৃত নিরাপত্তা-বিতর্ক অসম্পূর্ণ থেকে যায়। বাংলাদেশ ভৌগোলিকভাবে একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে অবস্থিত। চারপাশে বড় শক্তি ও জটিল ভূরাজনীতি রয়েছে। তাই জাতীয় নিরাপত্তার জন্য কয়েকটি বিষয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ- ১. আধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। ২. দীর্ঘপাল্লার নির্ভুল ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি। ৩. ড্রোন ও অটোনোমাস যুদ্ধ প্রযুক্তি। ৪. নৌবাহিনীর শক্তিশালী প্রতিরক্ষা। ৫. সাইবার ও মহাকাশ প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ। ইতিহাস আমাদের পরিচয় দেয়, গর্ব দেয়। কিন্তু রাষ্ট্র টিকে থাকে বর্তমান শক্তি ও ভবিষ্যৎ প্রস্তুতির ওপর। স্বাধীনতার ইতিহাসের চর্চা যেন সামরিক সক্ষমতার আলোচনাকে চাপা না দেয় - এই সতর্কতাটুকু জরুরি। কারণ, ইতিহাস আমাদের গর্ব দেয়, কিন্তু সামরিক সক্ষমতাই আমাদের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করে।
видео или голосовое, без подписи
আসিফ আসমত নিবিড় (BUET Batch 21), বুয়েটের Industrial and Production Engineering (IPE) বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী, দীর্ঘ প্রায় ৮ মাস ক্যান্সারের সাথে লড়াই করে গতকাল ১৩ মার্চ ২০২৬, রাত আনুমানিক ১০:৩৫ মিনিটে ঢাকার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছে। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। সে Metastatic carcinoma cell cancer-এ আক্রান্ত ছিলো। উন্নত চিকিৎসার জন্য সে ভারতে গিয়েছিলো। পরবর্তীতে আবার চিকিৎসার উদ্দেশ্যে যাওয়ার কথা থাকলেও শারীরিক দুর্বলতার কারণে তা আর সম্ভব হয়নি। পরে দেশে থেকেই তার চিকিৎসা চলতে থাকে। নিবিড়ের গ্রামের বাড়ি দামুড়হুদা, চুয়াডাঙ্গা। সে বুয়েটের সোহরাওয়ার্দী হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ছিলো। বুয়েট ক্যাম্পাসে সে একজন সজ্জন, বিনয়ী ও ধার্মিক মানুষ হিসেবে পরিচিত ছিলো। পাশাপাশি পরোপকার ও দাওয়াতী কার্যক্রমে সে সবসময় অগ্রগামী ছিলো। আজকে তার নিজ গ্রামের বাড়িতে জানাজার নামাজ শেষে দাফন সম্পন্ন হবে। আল্লাহ তাআলা তাকে জান্নাতুল ফিরদাউস নসিব করুন এবং তার পরিবার-পরিজনকে এই শোক সইবার তাওফিক দান করুন। আমিন।
শেষ মুহুর্তে এসে নির্বাচন কমিশনের কি মাথা খারাপ হয়ে গেছে? মোবাইলের ব্যবহার রেস্ট্রিকটেড থাকতে পারে, কিন্তু মোবাইল নিষিদ্ধ করা এটা কেমন হয়ে গেলো না? ফ্যাসিস্ট আমলেও তো মোবাইল নিষিদ্ধ ছিলো না। ভোটকেন্দ্রে ভোট ডাকাতেরা যেনো অস্ত্র নিয়ে ঢুকতে পারে তা নিশ্চিতেই কি মোবাইল নিষিদ্ধ করছে? ফ্যাসিস্টের আমলে আগের রাতে ভোট চুরি করতো। এবার কি কেউ ভোট ডাকাতি মঞ্চায়ন করার প্ল্যান করছে?
এবার পটুয়াখালীতে গর্ভবতী এক নারীর পেটে লাথি প্রতিপক্ষ পুরুষের। নারী নির্যাতনের রেকর্ড হচ্ছে এই নির্বাচন উপলক্ষে!!!
বাংলাদেশ টাইমসের সকল ২১ সাংবাদিককে সেনা ক্যাম্প থেকে দেওয়া হয়েছে। তাঁদের গাড়িতে করে অফিসে পৌছে দিয়েছে সেনাবাহিনী। সেনাবাহিনী বলছে, কিছু বিষয়ে কথা বলতে সাংবাদিকদের আনা হয়েছিল। যা ভুল বুঝাবুঝি ছিল। কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়নি। কিন্তু তারপরও প্রশ্ন থাকছে। কোনো নিউজে ভুল বা মিসলিডিং কিছু থাকলে, সংক্ষুব্ধ পক্ষের আইনী প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। কথা বলারও সুযোগ রয়েছে। কিন্তু কাউকে এভাবে অফিস থেকে তুলে আনা যায় না। বর্তমানে সেনা কর্মকর্তাদের ম্যাজেস্ট্রিসি এবং গ্রেপ্তারের ক্ষমতা থাকলেও না। না মানে না। - রাজিব আহমেদ সাংবাদিক
যারা বলে হাদি কোথায় ছিলো? লীগের পিশাচগুলোর হাতে আবরার ফাহাদ শহীদ হওয়ার পরে ঢাবি থেকে মিছিল নিয়ে বুয়েটের দিকে রওনা দেয় এনসিপির নাহিদ, আসিফ, সিফাতেরা। মিছিলে স্লোগান লিড দিচ্ছিলো তারিকুল, তার পাশে স্লোগানে গলা মিলাচ্ছে শহীদ ওসমান হাদী। সাদা টুপি আর গোলাপি পাঞ্জাবী পরা। এক শহীদ আরেক শহীদের জন্য স্লোগান দিচ্ছে।
অবাক হচ্ছেন যে পুলিশ আবার আগের মতো হয়ে গেলো কীভাবে? কারণ এরা জানে আর মাত্র এক সপ্তাহ। 🙂
কেনো জুলাই বিপ্লবে কয়েকজন ফ্যাসিবাদী পুলিশকে মেরে লটকিয়ে দিয়েছিলো ছাত্র-জনতা তার ব্যাখ্যার জন্য এই একটা ভিডিও কি যথেষ্ট নয়? অথচ, জুলাইয়ের সেই রক্তাক্ত দিনগুলোতে চোখের সামনে একের পর এক ছাত্রের লাশ পড়েছিলো, পাখির মতো নিশানা করে আমাদের উপর গুলি ছুড়েছিলো পুলিশ। কোনো 'যদি কিন্তু' ছাড়া একজন সাংবাদিককে ল্যাং মারা এই হাসিনার পালিত পুলিশকে বরখাস্ত করে তার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে ও সকল অপরাধের বিচার নিশ্চিতে ছাত্র-জনতাকে আবারও হয়তো প্রাণ দিতে হবে।
রগ কাটাকাটির এ রাজনীতির শেষ কোথায়!!!
উম্মুল মুমেনিন হযরত আয়েশা (রা:) বদর যুদ্ধে নেতৃত্ব দেননি- এই তথ্য সংশোধন করে দেবার মতো কোনো শিক্ষিত মানুষ কি মঞ্চে ছিলো না? ইসলামের ইতিহাস তো মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নয় যে যা মন চাইলো তাই বললাম। ধর্ম নিয়ে এমন ভুল তথ্য একটা মানুষের ইমেজ নষ্ট করার জন্য যথেষ্ট।
"হ্যাঁ" ভোট প্রদানের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী কাঠামোর গুণগত পরিবর্তন করে সুষ্ঠু ধারার রাজনীতি চালু করতে আপনিও অংশ নিন। Poster Credit: বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
বুয়েটে ভর্তি শুরু নির্বাচনের পরে বুয়েটের ২০২৫-২৬ সেশনের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশের এক সপ্তাহ পার হলেও এখনও ভর্তি শুরুর তারিখ ঘোষণা করা হয়নি। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হওয়ার পর যত দ্রুত সম্ভব ভর্তি কার্যক্রম শুরু হবে। গত ১০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত ভর্তি পরীক্ষায় ১০ হাজার ৩৫১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্য থেকে ৯ হাজার ৫১ জন অংশগ্রহণ করেন। ১৩টি বিভাগে মোট ১ হাজার ৩০৯টি আসনে ভর্তি করা হবে। বিস্তারিত সময়সূচি শিগগিরই জানানো হবে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)-এর ২০২৫–২০২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। এই গৌরবময় অর্জনে সকল নির্বাচিত শিক্ষার্থীকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন। বুয়েট পরিবারের পক্ষ থেকে তোমাদের জন্য রইল হৃদয়ভরা শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভ্যর্থনা। Welcome to BUET - স্বপ্নের পথে শুভ সূচনা। ক বিভাগ https://drive.google.com/file/d/10P3H6wuUhzSkiEKzCIvVQkq6-17OUd1Q/view?usp=drivesdk খ বিভাগ https://drive.google.com/file/d/1FArMmK0ogWz03TRFqM6Qi8p3eXEpQKTS/view?usp=drivesdk
উপসহকারী প্রকৌশলী পদে বিএসসিদের আবেদন নিয়ে নতুন সিদ্ধান্তে বিএসসি-ডিপ্লোমা দ্বন্দ্ব আবার প্রকাশ্যে আগে উপসহকারী প্রকৌশলী (উপ-প্রকৌশলী) পদে শুধুমাত্র ডিপ্লোমা ডিগ্রিধারীরাই আবেদন করতে পারতেন। সম্প্রতি বিএসসিদের আবেদন করার প্রেক্ষিতে মন্ত্রণালয় কর্তৃক গঠিত সুপারিশ কমিটি এই পদে বিএসসিদের অংশগ্রহণের পক্ষে সুপারিশ করেছে। তবে এই সিদ্ধান্তকে প্রত্যাখ্যান করে ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা মিছিল করেছে। তাদের দাবি, উপসহকারী প্রকৌশলী পদটি মূলত তাদের অধিকার। অন্যদিকে, ডিপ্লোমাদের দাবি কোটা আখ্যা দিয়ে বিএসসিদের প্রতিনিধিদের দাবি, উচ্চতর ডিগ্রির ভিত্তিতে তাদেরও আবেদন করার সুযোগ থাকা উচিত। সুপারিশ কমিটি উপসহকারী প্রকৌশলী পদের আংশিকভাবে খুলে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। তবে বিএসসিদের দাবি নিয়োগ প্রক্রিয়া যোগ্যতার ভিত্তিতে এবং মেধার ক্রমে হতে হবে। বিএসসি প্রতিনিধিদের সূত্রে জানা গেছে, এই পদে আংশিক আবেদনের বিপরীতে উপসহকারী প্রকৌশলী পদে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া গ্রহণ করার পক্ষে তারা কাজ করবেন।