tgindex
Ad-Dawah Ilallah

Ad-Dawah Ilallah

Статистика

আল্লাহর দ্বীনের দাওয়াতের জন্য এক ক্ষুদ্র প্রয়াস।

Последний пост
14 авг.
Последнее чтение
15 авг.
Постов за неделю
20
Всего постов
20
Тип
открытый
Язык
bn
В каталоге с
15 авг.
Подписчики
103
мало замеров
Замеров пока мало
Сутки
0
0,00%
Неделя
 
Месяц
 
Просмотров на пост
5
20 постов
Вовлечённость
4,9%
к подписчикам
Постов в день
2,9
всего 20
Упоминаний
0
каналов
Охват размещения
оценка
1/24сутки в ленте
3
1/48двое суток
3
1/72трое суток
3

Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.

Посты

  • 14 авг.4из Chintapotroprokashon

    অনেকেই প্রচুর ঋণগ্রস্থ। ঋণের দায়ে লজ্জায় মুখ দেখাতে পারে না। পালিয়ে পালিয়ে বেড়ায়। পাওনাদাররা ফোন দিলে ধরে না। অথচ এই লজ্জা ও বিড়ম্বনা কাটানোর দুআ নবী আলাইহিস সালাম কত সুন্দর করেই না শিখিয়ে গেছেন! দেখুন আল্লাহর রাসূল কী বলছেন মুআয রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে: قال رسولُ اللهِ صلَّى اللهُ عليه وسلَّم لمعاذٍ ألا أُعلِّمُك دعاءً تدعو به لو كان عليك مثلُ جبلِ أُحُدٍ دَيْنًا لأدَّاه اللهُ عنك قُلْ يا معاذُ হে মুআয! তোমাকে একটা দুআ কি শিখিয়ে দেবো না যেটা পড়লে আল্লাহ তায়ালা তোমার উহুদ পাহাড় পরিমাণ ঋণ থাকলেও শোধ করে দেবেন? মুআয বলো! اللَّهمَّ مالِكَ الملْكِ تُؤتي الملكَ من تشاءُ وتنزِعُ الملكَ ممَّن تشاءُ وتُعِزُّ من تشاءُ وتُذِلُّ من تشاءُ بيدِك الخيرُ إنَّك على كلِّ شيءٍ قديرٌ رحمنَ الدُّنيا والآخرةِ ورحيمَهما تعطيهما من تشاءُ وتمنعُ منهما من تشاءُ ارحَمْني رحمةً تُغنيني بها عن رحمةِ من سواك আল্লাহুম্মা মালিকাল মুলকি তু'তিল মুলকা মান তাশা। ওয়া তানযিউল মুলকা মিম্মান তাশা ওয়া তুইয্যু মান তাশা। ওয়া তুযিল্লু মান তাশা। বিয়াদিকাল খায়রু ইন্নাকা আলা কুল্লি শাইইন ক্বদির। রহমানাদ দুনইয়া ওয়াল আখিরাতি ওয়া রহিমাহুমা তু'তিহিমা মান তাশা ওয়া তামনাউ মিনহুমা মান তাশা। ইরহামনি রহমাতান তুগনিনি বিহা আন রহমাতিন মিন সিওয়াকা। মাওলা! তুমি রাজত্বের মালিক। যাকে ইচ্ছা রাজত্ব দাও যার কাছ থেকে চাও ছিনিয়ে নাও। ইযযত দাও তুমি যারে চাও আবার বেইযযত করনে ওয়ালা জাতও তুমি। তোমার হাতেই সব খায়র তুমিই তো সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান। দুনিয়া ও আখিরাতের রহমান ও রহিম! তুমি যাকে চাও দুনিয়া আখিরাত দুই-ই দাও। আর যারে চাও না তারে দাও না। মালিক! আমার উপর এমন রহম করো যেন তুমি ছাড়া আর কারো কাছে রহমের হাত পাতা না লাগে মাওলা! [তাবারানী। আনাস ইবনে মালিকের রিওয়ায়াত] এত দরদভরা দুআ নবী আলাইহিস সালাম শিখিয়ে গেছেন! এই দুআর পর মালিক কি তার গোলামের ঋণ শোধের বন্দোবস্ত করবেন না? লেখা - মাওলানা আম্মারুল হক।

  • 14 авг.4из MuslimBanglaa

    আবু জর গিফারি রাযি.- এর ঘটনা সাহাবী আবু জর গিফারি রাযি. চাদর মুড়ি দিয়ে মসজিদের কর্নারে বসা। জিবরাইল আ. রাসূলুল্লাহ ﷺ এর কাছে এসে বললেন, মসজিদের কর্নারে চাদর মুড়ি দিয়ে যে লোকটা বসে আছেন এ লোকটাকে আপনারা যতটা চিনেন আমরা আকাশের ফেরেশতারা আরও বেশি চিনি। কারণ তাঁর কথা আমাদের মাঝে আলোচনা হয়। নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, কেন? জিবরাইল আলাইহিস সালাম বললেল, তাঁর মাঝে দুটি বৈশিষ্ট্য আছে। এক. তিনি নিজেকে সবচেয়ে ছোট মনে করেন। দুই. তিনি বেশি বেশি قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحد পড়েন। (তাফসীরে কাবীর: ৩০/১৬০) হাদীসের মাঝে এসেছে, যে ব্যক্তি দশবার قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ পড়বে আল্লাহ জান্নাতে তাঁর জন্য একটি বাড়ি তৈরি করে দিবেন। (মাজমাউয যাওয়াইয়িদ: ৭/১৪৫) সুতরাং নিজেকে ছোট মনে করা এ কথার আলামত যে, আল্লাহ আমাকে দয়া করতে চাচ্ছেন। আর আমিও রেডি আছি দয়া নেওয়ার জন্য। # শায়খ উমায়ের কোব্বাদি হাফি.

  • যখন ফিতনা (বিপর্যয় বা বিশৃঙ্খলা) দেখা দেয়, তখন সুন্নাহকে আঁকড়ে ধরো, নীরবতা অবলম্বন করো এবং যা তোমার একান্ত প্রয়োজনীয় বা সংশ্লিষ্ট বিষয় নয়, তাতে নাক গলাতে যেয়ো না। যে বিষয়টি তোমার কাছে অস্পষ্ট বা জটিল মনে হয়, তা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের (ﷺ) দিকে ন্যস্ত করো। অহেতুক বিতর্ক থেকে বিরত থাকো এবং বলো- ‘আল্লাহই ভালো জানেন’ (আল্লাহু আ'লাম)। — ইমাম আয-যাহাবি (রহ.) [সূত্র : সিয়ারু আ‘লামিন নুবালা, ২০/১৪১] #Sirah

  • 13 авг.5из Dua24hours

    অনেকেই প্রচুর ঋণগ্রস্থ। ঋণের দায়ে লজ্জায় মুখ দেখাতে পারে না। পালিয়ে পালিয়ে বেড়ায়। পাওনাদাররা ফোন দিলে ধরে না। অথচ এই লজ্জা ও বিড়ম্বনা কাটানোর দুআ নবী আলাইহিস সালাম কত সুন্দর করেই না শিখিয়ে গেছেন! দেখুন আল্লাহর রাসূল কী বলছেন মুআয রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে: قال رسولُ اللهِ صلَّى اللهُ عليه وسلَّم لمعاذٍ ألا أُعلِّمُك دعاءً تدعو به لو كان عليك مثلُ جبلِ أُحُدٍ دَيْنًا لأدَّاه اللهُ عنك قُلْ يا معاذُ হে মুআয! তোমাকে একটা দুআ কি শিখিয়ে দেবো না যেটা পড়লে আল্লাহ তায়ালা তোমার উহুদ পাহাড় পরিমাণ ঋণ থাকলেও শোধ করে দেবেন? মুআয বলো! اللَّهمَّ مالِكَ الملْكِ تُؤتي الملكَ من تشاءُ وتنزِعُ الملكَ ممَّن تشاءُ وتُعِزُّ من تشاءُ وتُذِلُّ من تشاءُ بيدِك الخيرُ إنَّك على كلِّ شيءٍ قديرٌ رحمنَ الدُّنيا والآخرةِ ورحيمَهما تعطيهما من تشاءُ وتمنعُ منهما من تشاءُ ارحَمْني رحمةً تُغنيني بها عن رحمةِ من سواك আল্লাহুম্মা মালিকাল মুলকি তু'তিল মুলকা মান তাশা। ওয়া তানযিউল মুলকা মিম্মান তাশা ওয়া তুইয্যু মান তাশা। ওয়া তুযিল্লু মান তাশা। বিয়াদিকাল খায়রু ইন্নাকা আলা কুল্লি শাইইন ক্বদির। রহমানাদ দুনইয়া ওয়াল আখিরাতি ওয়া রহিমাহুমা তু'তিহিমা মান তাশা ওয়া তামনাউ মিনহুমা মান তাশা। ইরহামনি রহমাতান তুগনিনি বিহা আন রহমাতিন মিন সিওয়াকা। মাওলা! তুমি রাজত্বের মালিক। যাকে ইচ্ছা রাজত্ব দাও যার কাছ থেকে চাও ছিনিয়ে নাও। ইযযত দাও তুমি যারে চাও আবার বেইযযত করনে ওয়ালা জাতও তুমি। তোমার হাতেই সব খায়র তুমিই তো সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান। দুনিয়া ও আখিরাতের রহমান ও রহিম! তুমি যাকে চাও দুনিয়া আখিরাত দুই-ই দাও। আর যারে চাও না তারে দাও না। মালিক! আমার উপর এমন রহম করো যেন তুমি ছাড়া আর কারো কাছে রহমের হাত পাতা না লাগে মাওলা! [তাবারানী। আনাস ইবনে মালিকের রিওয়ায়াত] এত দরদভরা দুআ নবী আলাইহিস সালাম শিখিয়ে গেছেন! এই দুআর পর মালিক কি তার গোলামের ঋণ শোধের বন্দোবস্ত করবেন না?

  • 12 авг.5из tanjilarefin207088

    সহজে ঘুম না-ভাঙার রোগ বোধহয় অনেকেরই আছে। আমার অবশ্য পাতলা ঘুম, হালকা আওয়াজেই লাফ দিয়ে উঠে বসে পড়ি। তবে অনেকেই আছেন, ওপর দিয়ে গাড়ি চলে গেলেও ঘুম ভাঙবে না অবস্থা। এই সমস্যার কারণে অনেকের নামাজ কাযা হয়ে যায়। যতই অ্যালার্ম বাজুক, ঘুম আর ভাঙে না। কেউ কেউ তাহাজ্জুদে উঠতে চাইলেও উঠতে পারেন না। তাদের জন্য সহজে নির্দিষ্ট টাইমে ঘুম ভাঙার একটি পরীক্ষিত আমল বলে দিচ্ছি। হেফজখানায় পড়া অবস্থায় হুজুর শিখিয়েছিলেন। তখন থেকেই এটা আমল করি আলহামদুলিল্লাহ। আমলটি হলো, ঘুমানোর সময় সূরা কাহাফের শেষ দুই আয়াত পড়ে আপনি যখন উঠতে চান ঠিক সে সময়টা মনে মনে ভাববেন, এরপর চুপচাপ ঘুমিয়ে যাবেন। ইনশাআল্লাহ, আবারও বলছি, ইনশাআল্লাহ আপনার ঘুম ভাঙবেই ভাঙবে। এমনকি আপনি যদি মনে মনে ভাবেন, ঠিক তিনটা ছয় মিনিটে ঘুম থেকে উঠবেন, ঠিক তখনই আপনার ঘুম ভেঙে যাবে ইনশাআল্লাহ। এখন আপনি যদি আলস্যের আধার হন তাহলে তো ঘুম ভাঙলেও উঠতে পারবেন না। এর জন্য প্রবল আগ্রহ লাগবে। কিছু দলিল-প্রমাণ নিচে দিলাম: ১. হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাসের রা.-এর কাছে এক ব্যক্তি এসে বলল— মনে মনে সর্বদাই ইরাদা থাকে রাতে উঠে তাহাজ্জুদ পড়ব, কিন্তু ঘুমের প্রবলতার কারণে পারি না। তার কথা শুনে ইবনে আব্বাস রা. বললেন— যখন তুমি ঘুমাতে যাবে, সূরা কাহাফের শেষ দুই আয়াত পড়ে শোবে।এতে তুমি যখনই ঘুম থেকে ওঠার ইচ্ছে করবে আল্লাহ তখনই তোমায় জাগিয়ে দিবেন। (তাফসিরে সালাবির সূত্রে তাফসিরে মাআরিফুল কুরআন ৫/৬৬৪, আনওয়ার বুক ডিপু দেওবন্দ) ২. বিশিষ্ট তাবেয়ি যির ইবনু হুবাইশ রহ. বলেন— যে ব্যক্তি সুরা কাহাফের শেষ দুই আয়াত পড়ে ঘুমাবে, সে যে সময় ওঠার নিয়ত করবে সে সময়ে জাগ্রত হয়ে যাবে। (সুনানে দারেমি বর্ণনা নং, ৩৭২৭) ৩. হযরত আবদাহ রহ. বলেন— আমি এই আমলটি পরীক্ষা করেছি এবং উনি যেভাবে বলেছেন ঠিক সেরকমই পেয়েছি৷ ( সুনানে দারেমি বর্ণনা নং, ৩৭২৮) ৪. বিশিষ্ট মুহাদ্দিস হযরত জিকরুল্লাহ খাঁন সাহেব দা.বা. কিছুদিন পূর্বে যাত্রাবাড়ী জামিয়াতুল মাআরিফ মাদরাসার উদ্বোধনী দরসে ছাত্রদের উদ্দেশ্যে বয়ানে বলেন— সুরা কাহাফের শেষ দুই আয়াতের এই আমলটি এতটাই পরীক্ষিত যে, আজ পর্যন্ত কেউ এটা করে ভিন্ন কোনো ফলাফল পায়নি৷ এমনকি তোরা যদি মনে কর তিনটা পঞ্চাশ মিনিট পঞ্চাশ সেকেন্ডে উঠতে চাস, দেখবে কোনো অজানা কারণে ওই সময় তোর চোখ খুলে গেছে। তখন আশপাশে ঘড়ি থাকলে মিলিয়ে নিবি।

  • 11 авг.3из Praachir

    জীবনঘনিষ্ঠ এই লিখাটি অবশ্যই পড়বেন সকলেই। - দুনিয়ার একটা কঠিন বাস্তবতা হচ্ছে, আপনি যখন কোনো জিনিস মনেপ্রাণে চাইবেন, তার জন্য দুয়া করবেন, চেষ্টা করবেন, অপেক্ষা করবেন, নিজের সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে সেটা পাওয়ার চেষ্টা করবেন, তখনও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আপনি জিনিসটা পাবেন না। আর কখনো যদি পেয়েও যান, অনেক সময় সেটা এমন এক সময়ে এসে পৌঁছাবে, যখন সেই জিনিসটার জন্য আপনার ভেতরের তীব্র আকাঙ্ক্ষাটাই আর অবশিষ্ট থাকবে না। কিছু কিছু চাওয়া জীবনে আসে ঠিক মানুষের মতো। আপনি তাকে পাওয়ার জন্য বছরের পর বছর অপেক্ষা করেন, নিজের ভেতরে একটা জায়গা খালি রাখেন, ভাবেন, "এটা পেলে আমি পূর্ণ হবো।" তারপর একদিন সেটা সত্যিই আপনার জীবনে আসে। কিন্তু ততদিনে আপনি বদলে গেছেন। আপনার প্রয়োজন বদলেছে, অগ্রাধিকার বদলেছে, অনুভূতি বদলেছে। যে জিনিসটার জন্য একসময় রাত জেগে দুয়া করেছেন, সেটা হাতে পাওয়ার পর আপনার মনে হয়, "এটার জন্যই কি এতদিন অপেক্ষা করেছিলাম?" এখানেই দুনিয়া আর আমাদের চাওয়ার মধ্যে সবচেয়ে নির্মম একটা অমিল আছে। আমরা কোনো জিনিস চাই বর্তমানের অনুভূতি দিয়ে, কিন্তু আল্লাহ আমাদের জীবন পরিচালনা করেন পুরো জীবনের পরিণতি জেনে। কুরআনে আল্লাহ বলেন, "হতে পারে তোমরা কোনো জিনিস অপছন্দ করো অথচ তাতে তোমাদের জন্য কল্যাণ রয়েছে; আর হতে পারে তোমরা কোনো জিনিস ভালোবাসো অথচ তাতে তোমাদের জন্য অকল্যাণ রয়েছে। আল্লাহ জানেন, তোমরা জানো না।" (সূরা আল-বাকারা ২:২১৬) সমস্যা হলো, আমরা সাধারণত শুধু ফলাফল দেখি। পাইনি মানে ভাবি, দুয়া কবুল হয়নি। দেরি হয়েছে মানে ভাবি, আল্লাহ আমাকে দিচ্ছেন না। হারিয়েছি মানে ভাবি, সব শেষ। অথচ কখনো কখনো না পাওয়াটাই ছিল উত্তর। কখনো দেরিটাই ছিল উত্তর। কখনো এমনভাবে পাওয়া, যেটাকে আমরা "পাওয়া" ভাবছি, সেটাও হয়তো আমাদের জন্য সবচেয়ে ভালো জিনিস নয়। আর কখনো আল্লাহ জিনিসটা দেন, কিন্তু তার আগে আমাদের এমনভাবে বদলে দেন যে আমরা বুঝতে পারি, আমরা আসলে যে জিনিসটার জন্য কাঁদছিলাম, সেটার চেয়েও বড় কিছু দরকার ছিল আমাদের। তাই জীবনে কিছু চাওয়া পূরণ না হওয়ার বেদনা মেনে নেওয়ার পাশাপাশি আরেকটা সত্যও মেনে নিতে হয়—সব ইচ্ছা পূরণ হওয়া মানুষের জন্য রহমত নয়। একজন মানুষ যদি তার জীবনের প্রতিটি চাওয়া পেয়ে যেত, তাহলে হয়তো সে তার নিজের ধ্বংসের সবচেয়ে নিখুঁত স্থপতি হয়ে উঠতো। কখনো কোনো দরজা বন্ধ হয়ে যায় কারণ আপনি তার ওপাশে কী আছে জানেন না। কখনো কোনো মানুষ আপনার জীবন থেকে চলে যায় কারণ আপনি শুধু তার উপস্থিতিটা দেখেছিলেন, তার সম্ভাব্য পরিণতিটা দেখেননি। কখনো কোনো স্বপ্ন ভেঙে যায় কারণ আপনি স্বপ্নটাকে ভালোবেসেছিলেন, কিন্তু আল্লাহ আপনার ভবিষ্যৎটাকে দেখেছিলেন। আর সবচেয়ে অদ্ভুত ব্যাপার হলো, সময় অনেক কিছুর মূল্য বদলে দেয়। আজ যে চাকরিটা না পেয়ে আপনি ভেঙে পড়ছেন, পাঁচ বছর পর হয়তো বুঝবেন সেটা পেলে আপনি অন্য কোনো পথে যেতেনই না। আজ যে সম্পর্কটা হারিয়ে আপনার মনে হচ্ছে জীবন শেষ, কয়েক বছর পর হয়তো বুঝবেন সেটাই আপনাকে এমন একটা জীবন থেকে বের করে এনেছিল, যেটা আপনি তখন কল্পনাও করতে পারেননি। আজ যে স্বপ্নটা অপূর্ণ থাকার জন্য আপনি আল্লাহর কাছে কাঁদছেন, একদিন হয়তো সেই অপূর্ণতার জন্যই আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করবেন। তবে এর অর্থ এই নয় যে মানুষ চাইবে না, দুয়া করবে না, চেষ্টা করবে না। বরং মুমিনের কাজ হলো নিজের চাওয়াকে আল্লাহর কাছে নিয়ে যাওয়া, সর্বোচ্চ চেষ্টা করা, তারপর ফলাফলটাকে আল্লাহর হিকমাহর হাতে ছেড়ে দেওয়া। কারণ দুয়া মানে আল্লাহকে নিজের ইচ্ছার সঙ্গে একমত করিয়ে নেওয়া নয়। দুয়া মানে নিজের ইচ্ছাকে আল্লাহর হিকমাহর সামনে সমর্পণ করা। আপনি চাইবেন। খুব চাইবেন। কাঁদবেন। চেষ্টা করবেন। বারবার দুয়া করবেন। তারপরও যদি না পান, তাহলে ধরে নিতে হবে না যে আপনার দুয়া বৃথা গেছে। হয়তো আপনি যা চেয়েছেন, সেটা পাননি। হয়তো তার বদলে এমন কিছু পেয়েছেন, যার মূল্য এখনো বোঝার মতো দূরত্ব আপনার তৈরি হয়নি। আর হয়তো কোনো একদিন পেছনে ফিরে তাকিয়ে দেখবেন— যেটাকে আপনি জীবনের সবচেয়ে বড় অপূর্ণতা ভেবেছিলেন, সেটাই আসলে আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় রহমত ছিল। - লিখেছেন:- Mahfuj Alamin

  • 11 авг.3из salahuddinahmedshahin

    অনেক সময় মানুষ মনে করে কেবল বাহ্যিক ইবাদত বা দ্বীনদারীই একটি সংসারকে সুখী করার জন্য যথেষ্ট। কিন্তু বাস্তব অভিজ্ঞতা ও শার‘ঈ দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা যায়—দ্বীনদারীর শক্ত ভিত্তির ওপর যদি স্বভাবের নম্রতা, কোমলতা এবং মনের বোঝাপড়া না থাকে, তবে সেই সংসারে মানসিক প্রশান্তি বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। [১] দাম্পত্য সঙ্গী নির্বাচনের ক্ষেত্রে ইসলাম দ্বীনদারীকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে বলেছে, কারণ দ্বীনদারী মানুষকে আল্লাহর ভয় ও অধিকার সচেতনতা শেখায়। নবীজী (ﷺ) বলেছেন,“চারটি যোগ্যতার কারণে কোনো নারীকে বিবাহ করা হয়: তার ধন-সম্পদ, বংশমর্যাদা, সৌন্দর্য এবং দ্বীনদারী। সুতরাং তুমি দ্বীনদার নারীকে বিবাহ করে কামিয়াব হয়ে যাও...” (সহীহ বুখারী, হা/৫০৯০; সহীহ মুসলিম, হা/১৪৬৬)। তবে দ্বীনদারীর অর্থ কেবল নিয়মমাফিক ইবাদত পালন নয়; বরং ইসলামের দৃষ্টিতে উত্তম দ্বীনদারীর সবচেয়ে বড় প্রকাশ ঘটে মানুষের আচরণের মার্জিত রূপ ও আখলাক্বে। [২] কঠোর স্বভাব বা উগ্র মেজাজ যেকোনো সম্পর্ককে ধ্বংস করে দেয়, তা সে মানুষ যত ইবাদতগুজারই হোক না কেন। পরিবারে শান্তি বজায় রাখার জন্য চরিত্রে কোমলতা ও নম্রতা থাকা অপরিহার্য। নবী করীম (ﷺ) বলেছেন, “যে বিষয়েই কোমলতা (নম্রতা) থাকে, তা-ই সৌন্দর্যমণ্ডিত হয়; আর যে বিষয় থেকে কোমলতা ছিনিয়ে নেওয়া হয়, তা-ই কলঙ্কিত হয়” (সহীহ মুসলিম, হা/২৫৯৪)। আল্লাহ তা‘আলা দাম্পত্য জীবনের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেন, “আর তাঁর অন্যতম নিদর্শন হলো, তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের মধ্য হতেই সৃষ্টি করেছেন তোমাদের সঙ্গিনীদের, যাতে তোমরা তাদের কাছে শান্তিতে বাস করতে পারো এবং তিনি তোমাদের মধ্যে সৃষ্টি করেছেন ভালোবাসা ও সহানুভূতি ...” (সূরাহ রূম, ৩০:২১)। পারিবারিক জীবনে যখন ভুল-ত্রুটি হয়, তখন পরস্পরের প্রতি ক্ষোভ না ঝেড়ে কোমল ভাষায় কথা বলা এবং সুসংযত মেজাজ বজায় রাখাই সংসারে সাকীনাহ বা স্থায়ী প্রশান্তি এনে দেয়। [৩] সংসার কেবল দুটি মানুষের একসাথে থাকা নয়, এটি দুটি ভিন্ন ব্যক্তিত্ব ও মানসিকতার মেলবন্ধন। তাই মানসিক সামঞ্জস্য ও বোঝাপড়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইসলাম বিবাহের ক্ষেত্রে কুফু বা সমকক্ষতা ও সামঞ্জস্যতাকে বিবেচনা করতে বলেছে। এর একটি বড় দিক হলো চিন্তাভাবনা, রুচি ও জীবনের লক্ষ্যগুলোর ক্ষেত্রে পারস্পরিক মিল থাকা। বোঝাপড়া কখনোই একতরফা হয় না। সঙ্গীর ভালো লাগা-মন্দ লাগাকে শ্রদ্ধা করা, কঠিন মুহূর্তে সহমর্মী হওয়া এবং তুচ্ছ বিষয় নিয়ে তর্কে না জড়িয়ে ক্ষমা করে দেওয়ার মানসিকতাই হলো আসল সমঝোতা। [৪] সালাফদের জীবন থেকে : আহলেসুন্নাত ওয়াল জামা‘আতের মহান ইমামগণের পারিবারিক জীবন পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, তাঁরা কেবল স্ত্রীর দ্বীনদারী নয়, তাঁর আচার-ব্যবহার ও চরিত্রকে গভীর মূল্যায়নের চোখে দেখতেন। ইমাম আহমাদ (রহ.) তাঁর স্ত্রী উম্মু ছালেহ (রহ.) সম্পর্কে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেছিলেন, أَقَامَتْ مَعِي أُمُّ صَالِحٍ ثَلاَثِينَ سَنَةً، فَمَا اخْتَلَفْتُ أَنَا وَهِيَ فِي كَلِمَةٍ “আমার এই স্ত্রীর সাথে আমি দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে সংসার করেছি। এই ৪০ বছরের মধ্যে আমাদের দুজনের মাঝে কোনো একটি বিষয়েও কখনো ঝগড়া বা মতদ্বৈধতা তৈরি হয়নি।” দেখুন : (ইবনুল জাওযী, মানাকিবুল ইমাম আহমাদ, পৃ. ৪১৭; খতীব বাগদাদী, তারিখু বাগদাদ, ১৯/৩৬২; ইমাম যাহাবী, সিয়ারু আ’লামিন নুবালা, ১১/৩৪৭) এই দীর্ঘ ৪০ বছরের বিবাদহীন দাম্পত্য জীবন কেবল বাহ্যিক নিয়মের ওপর দাঁড়িয়ে ছিল না; এর পেছনে ছিল পারস্পরিক সর্বোচ্চ বোঝাপড়া, শ্রদ্ধা এবং মেজাজের অসাধারণ কোমলতা। নোট : দ্বীনদারী একটি সংসারকে সঠিক দিকনির্দেশনা দেয় ও সিরাতুল মুস্তাকীমে রাখে, আর আচরণগত কোমলতা ও পারস্পরিক ভালোবাসা সেই সংসারকে জান্নাতী প্রশান্তিতে ভরিয়ে তোলে। এই দুটির সমন্বয় যেখানে ঘটে, সেখানেই গড়ে ওঠে একটি আদর্শ, সুখী ও ঈমানী পরিবার। লিখেছেন : সালাহউদ্দীন আহমেদ শাহিন

  • 11 авг.3из salahuddinahmedshahin

    মানুষের বাহ্যিক মিষ্টি আচরণ ও মেকি সম্পর্কের ভিড়ে এই তিন ধরণের লোকই সবচেয়ে বড় প্রতারক হিসেবে সামনে আসে। কেউ নিরবে ক্ষতি করে, কেউবা ক্ষতি করতে আনন্দ ও মজা পায়। দিনশেষে এরা আপনার জীবন—এমনকি সংসারও নষ্ট করবে। সাধারণ পাঠকদের দিকনির্দেশনার জন্য আমরা যৎসামান্য আলোচনা করবো ইনশাআল্লাহ। ওয়ামা তাওফীক্বি ইল্লা বিল্লাহ! [১] স্বার্থপর ও সুযোগসন্ধানী লোক : এরা সম্পর্কের মূল ভিত্তি বানায় নিজের কোনো ব্যক্তিগত লাভ বা স্বার্থকে। যতক্ষণ স্বার্থ থাকে, ততক্ষণ এদের মতো আপন আর কেউ হয় না; কিন্তু স্বার্থ শেষ হলেই এরা শত্রুতে রূপান্তরিত হয়। এদের মেলামেশা হৃদয় থেকে হয় না, হয় প্রয়োজন থেকে। পরিস্থিতি প্রতিকূলে গেলে বা আপনার সুবিধা দেওয়া বন্ধ হলে এরা কেবল সম্পর্কই ছিন্ন করে না, বরং ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। লোকমান হাকিম (আ.) বলেছেন, ثَلاَثَةٌ لاَ يُعْرَفُونَ إِلاَّ عِنْدَ ثَلاَثَةٍ: لاَ يُعْرَفُ الحَلِيمُ إِلاَّ عِنْدَ الغَضَبِ، وَلاَ الشُّجَاعُ إِلاَّ عِنْدَ الحَرْبِ، وَلاَ الأخُ إِلاَّ عِنْدَ الحَاجَةِ “তিনটি জিনিস তিনটি অবস্থা ছাড়া চেনা যায় না। (ক) ধৈর্যশীলকে চেনা যায় না ক্রোধ বা রাগের মুহূর্ত ছাড়া, (খ) বীর বা সাহসীকে চেনা যায় না যুদ্ধের সময় ছাড়া, এবং (গ) ভাই বা বন্ধুকে চেনা যায় না প্রয়োজনের বা বিপদের সময় ছাড়া।” ​দেখুন : (ইমাম আবু লাইস সমরকান্দী, আদাবুল ওখুওয়াহ; ইবনু মুফলিহ মাকদিসী, আদাবুস শারইয়্যাহ; ইমাম ইবনু আব্দির বার্র, বাহজাতুল মাজালিস) ​তাঁর প্রজ্ঞাপূর্ণ উক্তির মধ্যে এসেছে যে—বিপদের মুহূর্ত ছাড়া কখনোই মানুষের আসল চরিত্র ও বন্ধুত্বের সত্যতা পরীক্ষা করা যায় না। যে ব্যক্তি কেবল সুদিনে পাশে থাকে, সে প্রকৃত বন্ধু নয়। [২] চাটুকার ও অতিরিক্ত প্রশংসাকারী লোক : সামনে অতিরিক্ত ভালোবাসা ও প্রশংসা দেখানো মানুষগুলো অতিশয় বিপজ্জনক। তারা সত্য গোপন করে চাটুকারিতার মাধ্যমে মানুষকে বিভ্রান্তি ও অহংকারের দিকে ঠেলে দেয়। চাটুকারিতার বিষয়ে নবী করীম (ﷺ) অত্যন্ত কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছেন, إِذَا رَأَيْتُمُ الْمَدَّاحِينَ فَاحْثُوا فِي وُجُوهِهِمُ التُّرَابَ “যখন তোমরা চাটুকারদের (অতিরিক্ত ও অন্যায় প্রশংসাকারীদের) দেখতে পাবে, তখন তাদের মুখে মাটি ছিটিয়ে দাও” (সহীহ মুসলিম, হা/৩০০২)। অতিরিক্ত প্রশংসা মানসিকভাবে মানুষকে আত্মতুষ্টিতে ফেলে ধ্বংস করে দেয় এবং তাদের আসল উদ্দেশ্য থাকে তোষামোদ করে নিজের ফায়দা হাসিল করা। [৩] গীবতকারী ও পরনিন্দুক : যে ব্যক্তি আপনার সামনে অন্যের গীবত বা বদনাম অবলীলায় করতে পারে, সে শতভাগ নিশ্চিত যে অন্য কারো সামনে গিয়ে আপনার বদনামও একইভাবে করবে। বিখ্যাত তাবি‘ঈ ইমাম হাসান আল-বাসরী (রহ.) এক চমৎকার কথা বলেছিলেন, “যে ব্যক্তি তোমার কাছে এসে অন্যের চোগলখোরী বা গীবত করে, সে নিশ্চিতভাবেই তোমার গীবতও অন্যের কাছে গিয়ে করবে” (ইবনু মুফলিহ মাকদিসী, আদাবুস শারইয়্যাহ)। এদের স্বভাবই হলো খবরের আদান-প্রদান কর এবং মানুষের সম্মানহানি করা। এদের বিশ্বাস করা মানে নিজের গোপন কথা ও সম্মানকে চরম ঝুঁকিতে ফেলা। কুরআনে এসেছে, “আর মানুষের মধ্যে এমন লোকও আছে, যার পার্থিব জীবনের কথাবার্তা তোমাকে মুগ্ধ করে... অথচ সে চরম শত্রু” (সূরাহ বাক্বারাহ, ২:২০৪)। প্রকৃত মুমিন কখনো একই গর্ত থেকে দু’বার দংশিত হয় না। তাই মেলামেশার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত আবেগপ্রবণ না হয়ে মানুষের চরিত্র পর্যবেক্ষণ করে দূরত্ব বজায় রাখাই প্রজ্ঞার পরিচয়। [সমাপ্ত] নোট : চাটুকারিতা দিয়ে শুরু হওয়া সম্পর্ক স্বার্থের শেষে শত্রুতায় রূপ নেয়, আর পরনিন্দুকের জিহ্বা আজ অন্যের ক্ষতি করলেও কাল আপনাকে রেহাই দেবে না। বন্ধু ও সঙ্গী নির্বাচনে বাহ্যিক মিষ্টি কথার চেয়ে মানুষের আখলাক্ব, সততা ও আল্লাহর ভয়কে প্রাধান্য দেওয়াই জীবনকে মানসিক অশান্তি ও ধ্বংস থেকে রক্ষা করার একমাত্র পথ। লিখেছেন : সালাহউদ্দীন আহমেদ শাহিন

  • видео или голосовое, без подписи

  • 11 авг.3из muslimsdeed

    এক বুযুর্গের কাছে এসে এক মহিলা জানতে চাইলো: শাইখ! আল্লাহ তায়ালা শুধু নারীকেই কেন স্বামীর আনুগত্য করতে বলেছেন? কেন স্বামীকে বলেননি স্ত্রীর আনুগত্য করতে? শাইখ তাকে পাল্টা প্রশ্ন করলেন: তোমার সন্তান কতজন? মহিলা উত্তরে জানালো তার তিনজন পুত্র আছে। এরপর শাইখ বললেন: দেখো! আল্লাহ তায়ালা তিনজন পুরুষের উপর তোমার আনুগত্য ফরয করে দিয়েছেন। তারা তোমার ক্লিয়ারেন্স ছাড়া সেবা করা ছাড়া জান্নাতে যেতে পারবে না। আর তোমাকে শুধুমাত্র জীবনের প্রত্যেক ধাপে একজনের অনুগত থাকতে বলেছেন। কখনো বাবা আর কখনো স্বামী। তো জিতল কে? মহিলা বলল: আল্লাহ তায়ালার শোকর। আল্লাহ তায়ালা আমাকে ইসলামের মত নেয়ামত দান করেছেন ~ শায়েখ আম্মারুল হক হাফি: #muslimsdeed

  • ▪️পাঁচ জিনিস আছে, পাঁচ জিনিসের মধ্যে… শাকীক বালখী (রহ.) বলেন, আমি পাঁচটি জিনিস তালাশ করেছি, আর তা পাঁচ জায়গায় পেয়েছি। ▪️গুনাহ ত্যাগের শক্তি : طَلَبْنَا تَرْكَ الذُّنُوبِ فَوَجَدْنَاهُ فِي صَلَاةِ الضُّحَى “গুনাহসমূহ ত্যাগ করার উপায় খুঁজেছি, পেয়েছি চাশতের নামাযে।” ▪️ক’বরের জ্যোতি : طَلَبْنَا ضِيَاءَ الْقُبُورِ فَوَجَدْنَاهُ فِي صَلَاةِ اللَّيْلِ “ক’বরের আলো তালাশ করেছি, পেয়েছি তাহাজ্জুদের নামাযে।” ▪️মুনকার–নাকীরের প্রশ্নের উত্তর : طَلَبْنَا جَوَابَ مُنْكَرٍ وَنَكِيرٍ فَوَجَدْنَاهُ فِي قِرَاءَةِ الْقُرْآنِ “কবরে ফেরেশতাদের প্রশ্নের জবাব খুঁজেছি, পেয়েছি কুরআন তিলাওয়াতে।” ▪️পুলসিরাত পার হওয়ার সহজতা : طَلَبْنَا عُبُورَ الصِّرَاطِ فَوَجَدْنَاهُ فِي الصَّوْمِ وَالصَّدَقَةِ “পুলসিরাত পাড়ি দেওয়ার পথ খুঁজেছি, পেয়েছি রোজা ও সদকার মধ্যে।” ▪️আরশের ছায়া : طَلَبْنَا ظِلَّ الْعَرْشِ فَوَجَدْنَاهُ فِي الْخَلْوَةِ “আরশের ছায়া তালাশ করেছি, পেয়েছি নির্জনে আল্লাহর ইবাদতে।” “হায়! আমরা কত কিছু খুঁজি পৃথিবীর বাজারে—অথচ জান্নাতের পথগুলো লুকিয়ে আছে আমাদের সিজদা, তিলাওয়াত, রোজা, সদকা আর নীরব কান্নার ভেতর।” [সূত্র : ইতহাফুস সাদাতিল মুত্তাকীন, ১০/৪১৮] #Sirah

  • 10 авг.7из Writing_Therapy

    যে কথাগুলো মনে প্রশান্তি এনে দেয়, ১. একাকীত্ব আমাকে যতই কষ্ট দিক, আমি সব সময় এটা মনে রাখি আল্লাহ আমার সাথে আছেন। আল্লাহর রহমতের ছায়া আমাকে ঘিরে রেখেছে তাই আমি পরিপূর্ণভাবে কখনোই একা না। ২. আমার কোথায় কষ্ট হচ্ছে, আল্লাহ সেটা দেখছেন। কোন কিছুই আল্লাহর পরিকল্পনার বাইরে নয়। ৩. আল্লাহ তাআলা আমাকে অন্ধকার থেকে বের করে আলোর দিকে নিয়ে আসবেন। আল্লাহ নিজেই আল- নূর এবং তিনি সকল নূরের উৎস। ৪. আমার জীবনের ঘটনা গুলো প্রকাশ পেতে খুব দেরী হয়ে যাচ্ছে, ব্যাপারটা এমন না। মহান আল্লাহর টাইমিং অনুযায়ীই সব হচ্ছে। ৫. আমার রিযিক, শান্তি ও সম্মান—সবই আল্লাহর কাছেই নিরাপদ। ৬. আজকে আমি আল্লাহর ওপর ভরসা করেই সামনের দিকে এক ধাপ এগিয়ে যাব। ৭. আমার একটা দোয়াও বিফলে যায়নি আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহ শুনেছেন। আল্লাহ হয় দুনিয়াতে আমাকে এটাই দিয়ে দিবেন, আর এটা আমার জন্য ভালো না হলে এর থেকে উত্তম কিছুই দিবেন। না হলে আখিরাতে জমা রেখে দিবেন। আমার কোন দোয়াই তো ব্যর্থ না আলহামদুলিল্লাহ। ৮. প্রত্যেক কষ্টের সাথেই আল্লাহ আমার জন্য স্বস্তি গুলোকেও রেখেছেন। যদি গোনা শুরু করি, তাহলে ব্লেসিং গুলো গুনে কখনো শেষ করতে পারবো না। ৯. আমি জীবনের পিছনে ফিরে তাকালে দেখব, যতবার ভেঙ্গে গিয়েছি, আল্লাহ রাব্বুল আলামীন নিজেই আমাকে গড়ে তুলেছেন। আমাকে আরো শক্ত বানিয়েছেন আমার চ্যালেঞ্জগুলোর মাধ্যমে। আলহামদুলিল্লাহ আমার কিসের ভয়? ১০. আমার হৃদয়ের শান্তি দুনিয়ার কোন উপকরণ অথবা মানুষ এনে দিতে পারবে না। আমার হৃদয়ের শান্তি এই হৃদয়ের মালিক আল্লাহর কাছেই। এই কথাগুলোই নিজেকে বার বার মনে করিয়ে দিবেন। #রাইটিং_থেরাপি শারিন

  • 10 авг.4из MuslimInspirationOfficial

    আল্লাহকে ভালোবাসার দাবি! তাঁর ভালোবাসা পূর্ণ হতে হলে, তিনি যা ভালোবাসেন তা ভালোবাসতে হবে, আর তিনি যা অপছন্দ করেন তা অপছন্দ করতে হবে। আল্লাহ যা অপছন্দ করেন সেটা যে ভালোবাসে, অথবা আল্লাহ যা পছন্দ করেনসেটা যে অপছন্দ করে-তার তাওহীদ অসম্পূর্ণ, তার "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ" দাবিটিও অপূর্ণাঙ্গ, সে যে পরিমাণে আল্লাহর পছন্দের জিনিসকে অপছন্দ করে আর যে পরিমাণে আল্লাহর অপছন্দের জিনিসকে পছন্দ করে, তার মধ্যে ওই পরিমাণ গোপন শির্ক থাকে। আল্লাহ তাআলা বলেছেন- ذَلِكَ بِأَنَّهُمُ اتَّبَعُوا مَا أَسْخَطَ اللَّهَ وَكَرِهُوا رِضْوَانَهُ فَأَحْبَطَ أَعْمَالَهُمْ "কারণ, যেসব কাজ আল্লাহর অপছন্দ তারা সেগুলোর পেছনে ছোটে, আর যেসব কাজে তিনি খুশি তা তারা অপছন্দ করে; তাই তিনি তাদের কাজগুলো বাতিল করে দিয়েছেন।"[১] হাসান বসরি রহ: বলেন ভালোভাবে জেনে রাখো-তুমি আল্লাহর আনুগত্যকে ভালোবাসার আগ-পর্যন্ত আল্লাহ কিছুতেই তোমাকে ভালোবাসবেন না। যুননুন মিসরিকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, 'কখন আমি আমার রবকে ভালোবাসছি বলে বুঝব?" তিনি বললেন, "যখন তাঁর অপছন্দের জিনিস তোমার কাছে তিতা গাছের রসের চেয়েও তিতা মনে হবে।" বিশর ইবনুস সারি বলেন, "তোমার প্রিয়জনের ঘৃণার জিনিস পছন্দ করা কোনও ভালোবাসার আলামত নয়।" আবু ইয়াকুব নাহরাজুরি বলেন, "যে আল্লাহকে ভালোবাসার দাবি করে, অথচ আল্লাহর ইচ্ছার সঙ্গে তার কাজ সংগতিপূর্ণ নয়-এমন ব্যক্তির দাবি ভ্রান্ত।" ইয়াহইয়া ইবনু মুআয বলেন, "যে আল্লাহকে ভালোবাসার দাবি করে, অথচ তাঁর বেঁধে-দেওয়া সীমারেখা মেনে চলে না-সে (তার দাবিতে) সত্যবাদী নয়।" . বই: লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ এর মর্মকথা। মূল লেখক: ইবনু রজব হাম্বলি রহ:। @MuslimInspirationOfficial

  • 10 авг.3из Dawathms

    ৩০টি 'একঘেয়ে' ইসলামিক অভ্যাস যা আপনার জীবনের ৯৮% সমস্যা ঠিক করে দেবে। ১. প্রতিদিন সময়মতো সালাত আদায় করা। ২. এশার সালাতের পর ঘুমিয়ে পড়া। ৩. নিয়মিত ফজরের জন্য জেগে ওঠা। ৪. হাঁটার সময় জিকির করা। ৫. তাড়াহুড়ো না করে ধীরস্থিরে কুরআন তিলাওয়াত করা। ৬. অতিরিক্ত ক্ষুধা লাগার আগেই খাবার খাওয়া। ৭. বসে পানি পান করা (এটি সুন্নাহ)। ৮. দৃষ্টি অবনত রাখা। ৯. ওয়াদা বা প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা, এমনকি তা ছোট হলেও, ১০. অহেতুক ব্যাখ্যা না দিয়েই 'না' বলতে শেখা। ১১. সালাতের পর দুআ করা। ১২. প্রতিদিন কিছুক্ষণ নীরবে বসে নিস্তব্ধতা উপভোগ করা। ১৩. যেসব স্থান ঈমান দুর্বল করে তা ত্যাগ করা। ১৪. অনর্থক তর্ক-বিতর্ক এড়িয়ে চলা। ১৫. অজুহাত না দেখিয়ে নিজের ভুল অভ্যাসগুলোর দায় স্বীকার করা। ১৬. কোনো ভুল বা পাপ হয়ে গেলেই অবিলম্বে তাওবা করা। ১৭. আড়ালে বা একা থাকলেও হালাল পথ বেছে নেওয়া। ১৮. কোনো প্রতিদান বা প্রশংসার আশা না করেই দয়ালু হওয়া। ১৯. প্রতি সপ্তাহে নিজের থাকার জায়গা বা ঘর পরিষ্কার করা। ২০. মানুষের কাছে চাওয়ার আগেই আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়া। ২১. প্রতিদিন নিজের জিহ্বাকে (কথা সংযত) হেফাজত করা। ২২. প্রতিনিয়ত মা-বাবার সম্মান ও সেবা করা। ২৩. সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের সময় সীমিত করা। ২৪. সাধারণ খাবার খাওয়া, অতিরিক্ত না খাওয়া। ২৫. কোনো কৈফিয়ত বা স্পষ্টীকরণ ছাড়াই ক্ষমা করে দেওয়া। ২৬. প্রতিদিন জিকির করতে করতে হাঁটা। ২৭. ঘুমাতে যাওয়ার আগে আত্মচিন্তা ও অনুশোচনা করা। ২৮. ফজরের পর সারাদিনের পরিকল্পনা করা। ২৯. ফলাফলের জন্য আল্লাহর ওপর ভরসা (তাওয়াক্কুল) রাখা। ৩০. অনুপ্রেরণা বা ইচ্ছা হারিয়ে গেলেও কাজে ধারাবাহিকতা বজায় রাখা। ছোট ছোট অভ্যাস, বিশাল বরকত ©At Turath Academy

  • 10 авг.4из imanoamol

    এটাই শয়তানের সবচেয়ে বড় সাফল্য: আপনাকে বড় পাপে ফেলা নয়, আপনার সংবেদনশীলতাটাই মেরে ফেলা। কারণ যার অনুভূতিই মরে গেছে, তাকে আর টেনে নামাতে হয় না। সে নিজেই নামে। তাই মনে রাখুন: শয়তান বালতির মতো টানে—এক টানে নয়, একটু একটু করে। সে ফুটন্ত পানিতে ফেলে না, ঠান্ডা পানিতে বসিয়ে আঁচ বাড়ায়। সে প্রথম দিনেই হারাম দেখায় না, প্রথমে "এতে আর কী সমস্যা" শেখায়। আর তার সবচেয়ে বড় জয় সেদিন, যেদিন আপনার ভুল ধরিয়ে দিলে আপনি বলেন, "তুমি কে আমার ভুল ধরার?" আজ যদি জীবনের কোথাও টের পান পানি একটু একটু গরম হচ্ছে—লাফ দেওয়ার সময় এখনই। ব্যাঙটার মতো অপেক্ষা করবেন না। সংবেদনশীলতা নষ্ট হয়ে গেলে জ্ঞানও তখন কাজ করে না। আপনি জাস্ট চিন্তা ভাবনা ছাড়াই হারামে জড়িয়ে পড়বেন। কারণ আপনার ভেতরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে গেছে। (দেখুন আপনাকে হতাশ করে দেয়া এই পোষ্টের উদ্দেশ্য নয়। কুরআনে আল্লাহ কোন পাপের এবং তার ভয়ঙ্কর পরিণতির কথা উল্লেখ করার পর সাথে সাথেই বলেছেন—কিন্তু যারা তাওবা করে নিজেদের সংশোধন করে নেয় তারা ছাড়া। কুরআনে এই চিত্রটি বারবার দেখা যায়। অর্থাৎ আপনার পক্ষে এখনো ভালো হওয়া সম্ভব। নতুন করে সংবেদনশীলতার দেয়াল নির্মাণ করা সম্ভব।) হে আল্লাহ, শয়তানের ধীর ফাঁদগুলো চেনার দৃষ্টি আমাদের দান করুন। যে পথে এক পা এগিয়ে গেছি, সে পথ থেকে ফিরে আসার শক্তি দিন। আর আমাদের অন্তরের সেই হায়াটুকু রক্ষা করুন, যা আপনি নিজ হাতে আমাদের ভেতর স্থাপন করেছেন। আমীন।

  • 10 авг.4из imanoamol

    শয়তানের সবচেয়ে ভয়ংকর অস্ত্রের নাম—অধ্যবসায় শয়তানকে নিয়ে আমাদের একটা ভুল ধারণা আছে। আমরা ভাবি, সে বুঝি হঠাৎ ঝাঁপিয়ে পড়ে। একদিন সকালে এসে আপনাকে দিয়ে বিরাট কোনো পাপ করিয়ে ফেলবে। কিন্তু কুরআন তার কর্মপদ্ধতির যে ছবি আঁকে, তা এর ঠিক উল্টো। তার আসল শক্তি তাড়াহুড়োয় নয়। তার আসল শক্তি অপেক্ষায়। সূরা আ'রাফে আদম ও হাওয়া (আ)-এর ঘটনা বর্ণনা করতে গিয়ে আল্লাহ একটি অসাধারণ শব্দ ব্যবহার করেছেন: فَدَلَّاهُمَا بِغُرُورٍ "সে প্রতারণার মাধ্যমে তাদের ধীরে ধীরে পদস্খলিত করল।" (সূরা আ'রাফ, ৭:২২) "দাল্লাহুমা।" আরবি 'দাল্লা' শব্দটি এসেছে 'দালউ' থেকে, যার অর্থ বালতি। আগের যুগে কুয়া থেকে পানি তোলা হতো দড়ি বাঁধা বালতি দিয়ে। বালতি কুয়ায় ফেলে টেনে টেনে তোলা—এর নাম 'আদলা দালওয়াহু'। এখন ভাবুন, বালতিটা কি এক টানে উঠে আসে? না। ধীরে ধীরে ওঠে। আর সেই প্রক্রিয়া যখন মাত্রাতিরিক্ত ধীর হয়, অস্বাভাবিক লম্বা সময় নেয়—তখন আরবিতে বলা হয় 'দাল্লা'। আল্লাহ শয়তানের কাজ বোঝাতে ঠিক এই শব্দটিই বেছে নিলেন। কেন? কারণ শয়তান আপনাকে পথভ্রষ্ট করতে চায়, কিন্তু সে জানে এক ধাক্কায় তা সম্ভব নয়। সে আপনার কাছে আসে, আপনি বলেন, "আউজুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম।" সে তখন বলে, "আচ্ছা, ঠিক আছে। আমি একটু পর আবার আসব। চিন্তা করো না। আমাদের হাতে সময় আছে।" আমাদের হাতে সময় আছে। সে আবার আসে। আবার আসে। আবার আসে। সে আপনার উপর প্রতিবার মাত্র এক পারসেন্ট করে কাজ করে। একই সূরায় আল্লাহ বলেন: فَوَسْوَسَ لَهُمَا الشَّيْطَانُ "শয়তান তাদের কুমন্ত্রণা দিল।" (সূরা আ'রাফ, ৭:২০) 'ওয়াসওয়াসা' মানে—সে কাছে আসে, ফিসফিস করে, তারপর সরে যায়। আবার আসে, আবার ফিসফিস করে, আবার সরে যায়। একই বার্তা বারবার, যতক্ষণ না আপনি তা গ্রহণ করেন। প্রোপাগান্ডা ঠিক এভাবেই কাজ করে। ভেবে দেখুন, একই বিজ্ঞাপন কেন বারবার দেখানো হয়? কোকের বিজ্ঞাপন দশ-পনেরো বার দেখার পর হঠাৎ ইফতারিতে আপনার কোকের কথা মনে পড়ে। ভাবেন, "এই চিন্তা মাথায় এলো কোত্থেকে?" আসেনি। ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে। মনোবিজ্ঞানে একটি পরীক্ষার কথা বলা হয়—স্লো বয়েল। একটি ব্যাঙকে ফুটন্ত পানিতে ছাড়লে সে সাথে সাথে লাফ দিয়ে বেরিয়ে যায়। কিন্তু তাকে স্বাভাবিক পানিতে রেখে পাত্রের নিচে ধীরে ধীরে তাপ দিতে থাকলে? তাপ বাড়তে বাড়তে একসময় তীব্র আকার ধারণ করে, কিন্তু ব্যাঙটা আর লাফ দেয় না। সেখানেই তার মৃত্যু হয়। সে বুঝতেই পারে না যে পানি গরম হচ্ছিল। শয়তান আপনাকে দিয়ে প্রথম দিনেই হারাম করাতে চায় না। কারণ সে জানে, তখন আপনি বুঝে ফেলবেন এটা ভুল, আর আল্লাহর আশ্রয় চাইবেন। তাই সে আসে নির্দোষ সব বিষয় নিয়ে। আপনি ভাবেন, "এতে আর কী সমস্যা? মানুষ এটাকে শুধু শুধু খারাপ মনে করে।" এরপর সে সামান্য একটু পদস্খলন ঘটায়। আশেপাশের মানুষ বলে, "এটা করো না।" আর আপনি মুখ ঘুরিয়ে বলেন, "এটা কি হারাম? আমি কি কাউকে খুন করেছি? আপনারা এটাকে এত বড় ব্যাপার মনে করছেন কেন?" যেদিন এই কথাটা মুখ দিয়ে বের হয়, বুঝবেন—বালতি অনেকখানি নেমে গেছে। আয়াতে আরেকটি শব্দ আছে: 'গুরুর'। আরবিতে এর অর্থ প্রতারণা, আবার এর দ্বারা অহংকারও বোঝায়। শয়তান মানুষের অহমিকা জাগিয়ে দেয়। মানুষ যখন ছোটখাটো ভুল করে, আর কেউ তা ধরিয়ে দেয়—স্বামী হোক বা স্ত্রী, বাবা হোক বা মা—সে সাথে সাথে 'মাগরুর' হয়ে ওঠে, রেগে ওঠে: "তুমি কে আমার ভুল ধরার?" এভাবে ইগো তার ভালো হওয়ার পথটাই বন্ধ করে দেয়। যে রোগ শয়তানের নিজের ছিল—অহংকারের রোগ—সে সেই রোগই মানুষের ভেতর ঢুকিয়ে দিতে চায়। কারণ যার কাছে সংশোধনের দরজা বন্ধ, তার কাছে ফিসফিসানির দরজা খোলা। আর ভাববেন না আদম ও হাওয়া (আ) এক কুমন্ত্রণাতেই রাজি হয়ে গিয়েছিলেন। আয়াত পড়ে মনে হতে পারে, শয়তান বলল আর তাঁরা সাথে সাথে গাছের দিকে হাঁটা দিলেন। না। শয়তানের অনেক লম্বা সময় লেগেছিল। বহু চেষ্টার পর সে সফল হয়েছিল। স্বয়ং আমাদের আদি পিতামাতার সাথেই যদি তাকে এত ধৈর্য ধরতে হয়, আমাদের সাথে সে কত ধৈর্য নিয়ে কাজ করছে—ভাবতে পারেন? আর এই ধীর প্রক্রিয়ার শেষ পরিণতি কী? আল্লাহ বলেন: بَدَتْ لَهُمَا سَوْآتُهُمَا "তাদের লজ্জাস্থান তাদের নিকট প্রকাশিত হয়ে পড়ল।" (সূরা আ'রাফ, ৭:২২) এখানেই কুরআনের গভীর একটি শিক্ষা। মানুষ যখন হারামের পথ ধরে—হোক তা হারাম খাদ্য, হারাম উপার্জন, হারাম সম্পর্ক—তখন ধীরে ধীরে, কিন্তু নিশ্চিতভাবে, সে তার লজ্জাশীলতা হারিয়ে ফেলে। নির্লজ্জ কিছুর দিকে তাকাতে আর সংকোচ আসে না। চোখ নিচু রাখতে কষ্ট হয়। জিহ্বা দিয়ে এমন শব্দ বের হয় যার উপর নিজেরই নিয়ন্ত্রণ থাকে না। যে হায়া আল্লাহ প্রতিটি মানুষের সহজাত প্রকৃতিতে গেঁথে দিয়েছেন—দুই-তিন বছরের শিশুও যে লজ্জায় কম্বলের নিচে লুকিয়ে পড়ে—সেই হায়া চুরমার হয়ে যায়। প্রথমে যা দেখে আঁতকে উঠতেন, পরে তা স্বাভাবিক লাগে। তারও পরে, সুন্দর লাগে।

  • 10 авг.4из imanoamol

    শয়তানের ক্ষমতা সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখা দরকার। যদি কোনো মানুষ দৃঢ়ভাবে সিদ্ধান্ত নেয়—আমি এই গুনাহ করব না, তাহলে অসংখ্য শয়তান একত্র হলেও তাকে জোর করে সেই গুনাহে লিপ্ত করতে পারবে না। ধরা যাক, একজন মানুষ একা একটি ঘরে রয়েছে। তার হাতে স্মার্টফোন, ইন্টারনেট—সবকিছুই আছে। সে চাইলে মুহূর্তেই গুনাহে ডুবে যেতে পারে। কিন্তু যদি সে আল্লাহর ভয়ে দৃঢ় সিদ্ধান্ত নেয় যে গুনাহ করবে না, তাহলে শয়তান তাকে বাধ্য করতে পারবে না। শয়তানের কাজ কেবল কুমন্ত্রণা দেওয়া এবং গুনাহকে আকর্ষণীয় করে উপস্থাপন করা। সে মানুষের ওপর গুনাহ চাপিয়ে দিতে পারে না। শয়তান কিয়ামতের দিন বলবে وَمَا كَانَ لِيَ عَلَيْكُمْ مِنْ سُلْطَانٍ إِلَّا أَنْ دَعَوْتُكُمْ فَاسْتَجَبْتُمْ لِي তোমাদের ওপর আমার কোনো ক্ষমতা ছিল না। আমি শুধু তোমাদের আহ্বান করেছিলাম, আর তোমরাই আমার ডাকে সাড়া দিয়েছিলে। [সূরা ইবরাহিম : ২২] অর্থাৎ, শয়তান গুনাহকে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করে, কিন্তু গুনাহ করার সিদ্ধান্ত মানুষ নিজেই নেয়। শয়তানকে একটি শোরুমের সঙ্গে তুলনা করা যায়। সে গুনাহকে আকর্ষণীয়ভাবে সাজিয়ে উপস্থাপন করে। কিন্তু গুনাহের আসল উৎস হলো মানুষের নফস। মানুষ যদি নিজের নফসকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং শয়তানের কুমন্ত্রণায় সাড়া না দেয়, তাহলে শয়তান তাকে কোনোভাবেই গুনাহে বাধ্য করতে পারে না। - শাইখ উমায়ের কোব্বাদি

  • আপনার নিয়ত একদম পরিষ্কার, অথচ আপনাকে ভুল বোঝা হচ্ছে... আপনি মন থেকে উজাড় করে দিলেন, অথচ আপনার সম্পর্কে বলা হলো ঠিক তার উল্টোটা। ঠিক সেই মুহূর্তে... মানুষের কাছে নিজেকে প্রমাণ করার চেয়েও আপনার বেশি যা প্রয়োজন, তা হলো একটি ধ্রুব সত্য মনে রাখা; একজন আছেন, যিনি পুরো সত্যটা জানেন! আল্লাহর সুন্দর নামগুলোর মধ্যে একটি নাম আছে, যা আপনার ভেতরের এই অশান্ত অনুভূতিকে শান্ত করে দেয়, 'আল-খবির' (সবজান্তা)। আল্লাহ 'খবির' হওয়ার মানে কী? আল্লাহ তা'আলা সবকিছু জানেন (আলিম), কিন্তু 'খবির' শব্দটির অর্থ আরও গভীর। তিনি শুধু আপনি কী করছেন তা-ই দেখেন না, বরং আপনি কেন করছেন, আপনার ভেতরের তাড়না এবং গোপন উদ্দেশ্যগুলোও জানেন। তিনি জানেন, আপনি কেন চুপ ছিলেন... কেন কথা বলেছিলেন... কেন মনে কষ্ট পেয়েছিলেন... এমনকি আপনি নিজের কাছে যা লুকিয়ে রেখেছেন, সেটিও তিনি জানেন। কাজ করার আগেই তিনি আপনার 'নিয়ত' দেখেন, আর ভুল বোঝাবুঝির আড়ালে ঢাকা পড়ে যাওয়া আপনার 'সততা' কেবল তিনিই দেখতে পান। আরবি ভাষায় 'খবির' মানে হলো- যিনি জিনিসের আসল সত্য এবং সূক্ষ্ম বিষয়গুলো সম্পর্কে পুরোপুরি অবগত। আলেমরা বলেন, সাধারণ 'জ্ঞান' বলতে বাইরের অবস্থা বোঝায়, কিন্তু 'খিবরাহ' বলতে জিনিসের আসল রহস্য ও ভেতরের আসল বাস্তবতা বোঝায়। আল্লাহর কাছে কোনো নিয়ত হারিয়ে যায় না, কোনো সততা অস্পষ্ট থাকে না। এই নামের প্রভাব আপনার জীবনে কোথায়? যখন আপনাকে ভুল বোঝা হয়... মানুষ আপনার পরিস্থিতি দেখে, কিন্তু আল্লাহ সেই পরিস্থিতির ভেতরে আপনার 'মন' দেখেন। যখন আপনি অন্যায়ের শিকার হন... মানুষের কাছে হয়তো আপনার ভাবমূর্তি নষ্ট হতে পারে, কিন্তু আল্লাহর কাছে তা নষ্ট হয় না। যখন আপনি লোকচক্ষুর অন্তরালে কাজ করেন... আপনার সেই হাড়ভাঙা খাটুনি যা কেউ দেখেনি, তা এমন একজনের কাছে জমা আছে যার কাছ থেকে কিছুই এড়ায় না। 'আল খবির' আপনার মাঝে কী পরিবর্তন আনবে? এটি আপনাকে মানুষের প্রশংসার মোহ থেকে মুক্তি দেবে এবং নিজের প্রতি সৎ হতে শেখাবে। আপনি ভালো কাজ করবেন 'মানুষ ভালো বলবে' সেজন্য নয়, বরং 'আল্লাহ দেখছেন' সেজন্য। আপনি পরিশ্রম করবেন কারো হাততালি পাওয়ার জন্য নয়, বরং এই বিশ্বাসে যে, যিনি গোপন ও প্রকাশ্য সব জানেন, তাঁর কাছে আপনার সবকিছুর মূল্য আছে। মানুষের বিচার বা ভুল বোঝাবুঝিতে ভেঙে পড়বেন না। আপনার জন্য এটুকুই যথেষ্ট যে, কেউ আপনাকে চিনুক বা না চিনুক, এমন একজন আছেন যিনি আপনাকে ঠিক তেমনই চেনেন যেমনটি আপনি নিজেকে চেনেন। বরং এরচেয়েও অনেক বেশি চেনেন। শান্ত হোন... কারণ আপনার ভেতরের সবটুকু আকুতি এবং আপনার প্রতিটি নেক আমল সেই 'আল-খবির' আল্লাহর কাছে অতি যত্নসহকারে সংরক্ষিত। (আরবি থেকে অনূদিত) অনুবাদ : সালমান ফারসি #Sirah

  • 9 авг.7из atikullah_unofficial

    ঘি-ওয়ালী! - বাজার জমে উঠেছে। গ্রামের লোকেরা দূর-দূরান্ত থেকে আনাজপাতি নিয়ে এসেছে। এখানের মানুষজন গরু-পালনে বেশ দক্ষ। বাজারটাও সেজন্য দুধ ও দুগ্ধজাত খাবারের জন্যে বিখ্যাত। শহরের বড় বড় পাইকাররা এখানে আসেন। দুধ কিনতে। ঘি কিনতে। পনির কিনতে। এক সওদাগর এলো। অনেক ঠাঁটবাট নিয়ে। ঘি কিনবে। সারা বাজার ঘুরলো। দরাদরি করে সবাইকে নাজেহাল করে ছাড়লো। দামে বনিবনা হওয়ায় কিছু ঘি কেনাও হলো। ঘি-পট্টির শেষ মাথায় একজন বুড়ি বসে আছে। ছোট ছোট একটা মাটির ঘড়া তার সামনে। নাকউঁচু ব্যবসায়ী বুড়ির কাছে গিয়ে নামমাত্র মূল্য হাঁকলো। বুড়ি বললো: -আমরা কয়েক পুরুষ ধরে ঘিয়ের কারবার করি। আমাদের ঘি এই অঞ্চলের সেরা। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার আলোকেই আমরা ঘি তৈরী করি। আমরা ঘি অল্প বানাই, কিন্তু মানসম্পন্ন ঘি বানানোর চেষ্টা করি! তেল মেশাই না। দুধের সাথে একফোঁটা পানি মিশতে দেই না। -দেখি তোমার ‘অঞ্চলসেরা’ ঘি? -ওই যে আমার ঘর! সেখান থেকে নিয়ে আসতে হবে। আমার সামনের ঘড়াতে বেশি ঘি নেই! -ঠিক আছে নিয়ে এসো! . বুড়ি ঘর থেকে ঘিয়ের কলস নিয়ে ফিরলো। মাথায় করে। নামানোর সময় বেকায়দায় ছলকে কিছুটা ঘি ব্যবসায়ীর জামায় পড়ে গেলো। তিনি রেগে আগুন। তার বহুমূল্য জরিদার জামাটা নষ্ট করে ফেলেছে বোকা বুড়ি! -এ্যাই! আমার জামা নষ্ট করেছিস! এখন মাশুল হিশেবে গোটা কলসটা দিয়ে দিতে হবে! -এটা দিয়ে দিলে আমি খাবো কি! আজ ঘি বিক্রির টাকা দিয়েই ঘরের খাবার কেনা হবে। -আমি এত কথা বুঝি না, ঘি দে, নইলে টাকা দে! -কতো টাকা? -পাঁচশ দিরহাম! -আমি এত টাকা কোথায় পাবো? দয়া করে মাফ করে দিন! -কোনও মাফ নেই! টাকা না থাকলে ঘিয়ের কলস দিয়ে দে! . বচসা-বিতন্ডা শুনে চারপাশে লোক জমে গেলো। দর্শকদের ঠেলে এক যুবক এগিয়ে এসে বললো: -আপনার জামার দাম কতো? -পাঁচশ দিরহাম! -এই নিন! ব্যবসায়ী ছোঁ মেরে টাকাটা নিয়ে জামার জেবে পুরলো। যাবার আগে নির্লজ্জের মতো বুড়িকে সুধাল: -তোমার কলসের ঘি তো পড়ে গেছে! কিছু টাকা দিবো, কলসটা আমাকে দিয়ে দাও! -নাহ, আমার কলস আগের মতোই পূর্ণ আছে। সামান্য ঘি পড়েছে শুধু! আর আমি আপনার কাছে ঘি বিক্রি করবো না! . ব্যবসায়ী অন্যদিকে পা বাড়াতে উদ্যত হলো। টাকা দেয়া যুবক দ্রুত এগিয়ে এসে বললো: -কোথায় চললেন? -কোথায় চললেন মানে? আমি যেখানেই যাই, তাতে তোমার কি? -আমার কি মানে, আমার অনেক কিছু! আপনার সাথে লেনদেন এখনো শেষ হয় নি! -জরিমানা দিয়েছো, ব্যস আর কিসের লেনদেন? -আমি বুড়িমার পক্ষ থেকে পাঁচশ দিরহাম দিয়েছি! সেটা কেন দিয়েছি? -আমার জামার দাম! -তাহলে আপনি জামাটা নিয়েই চললেন যে? -জামা নিয়ে চললাম মানে?আমার জামা আমি নিয়ে চলবো না তো কে চলবে? -আপনার জামা কোথায় পেলেন? ওটা তো আমরা পাঁচশ দিরহাম দিয়ে কিনে নিয়েছি! খুলুন জামাটা! খুলুন বলছি! -ওটা খুললে, আমাকে পায়জামাও খুলতে হবে। কারন দু’টো একসাথে জোড়া দেয়া! -আমরা অতশত বুঝি না! আমারা টাকা দিয়েছি! আপনি টাকা নিয়েছেন! এখন আমাদের জামা আমাদের বুঝিয়ে দিন! -জামা খুলে দিয়ে কি আমি উলঙ্গ হয়ে শহরে ফিরবো? -সেটা আপনার ব্যাপার! নইলে টাকা ফেরত দিন! -তাই হোক! এই নাও তোমার টাকা! আমাকে রেহাই দাও! . . কুকুরকে মুগুর না কোঁতকালে সারাক্ষণ ঘেউঘেউ করতেই থাকবে! ✍️ উস্তায আতীক উল্লাহ হাফিযাহুল্লাহ

  • একজন ব্যক্তির নিফাকের জন্য এই আলামতই যথেষ্ট যে, সে মসজিদের প্রতিবেশী হওয়া সত্ত্বেও তাকে মসজিদে দেখা যায় না। . ইবরাহিম নাখয়ী রহ. [ইবনু রজবের ফাতহুল বারী: ৫/৪৫৮]

Ad-Dawah Ilallah — tgindex