Habib The Trader
Статистика"Tired of losing money in the Forex market? Our private group offers a supportive environment where you can, receive accurate signals, and develop a winning strategy."Best Broker: https://one.exnesstrack.org/a/97qywvbjx9 Partner Code: 97qywvbjx9
- Последний пост
- 13 авг.
- Последнее чтение
- 13 авг.
- Постов за неделю
- 13
- Всего постов
- 30
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- В каталоге с
- 13 авг.
- 1/24сутки в ленте
- 12
- 1/48двое суток
- 13
- 1/72трое суток
- 14
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
Best Broker: https://one.exnesstrack.org/a/97qywvbjx9 Partner Code: 97qywvbjx9 Youtube: www.youtube.com/@HabibTheTraderBD Let's work together to achieve your financial goals. ফ্রিতে সিগনাল পেতে চাইলে ইনবক্স করুন। https://www.facebook.com/arfanbinhabib
Tp3 Hit
Alhamdulillah tp2 hit
Tp1 hit
Gold buy now 4366.4 - 4363 SL: 4359 TP: 4369 TP: 4371 TP: 4373 TP: open
🔔Ready Signal this is no financial advice. Trade at your own risk
☀️ Good morning, everyone! Happy Friday—the last trading day of the week and also Non-Farm Payrolls (NFP) Day. 🔥 The market is likely to be highly volatile today, but don't let the volatility make you lose your patience. Opportunities will always be there—but they belong to those who wait for the right setup. Stay disciplined, manage your risk, and let's finish the week on a strong note.
মার্কেট শুধু তাকেই পুরস্কৃত করে, যে ধৈর্য ধরতে জানে। ফরেক্স ট্রেডিং কোনো লটারি বা রাতারাতি ধনী হওয়ার মাধ্যম নয়—এটি শৃঙ্খলা, ধৈর্য এবং সঠিক কৌশলের একটি পরীক্ষা। ১। স্টপ লস (Stop Loss) মানে পরাজয় নয়: এটি আপনার অ্যাকাউন্ট খালি হওয়ার হাত থেকে বাঁচিয়ে পরবর্তী সুযোগের জন্য টিকিয়ে রাখার সবচেয়ে বুদ্ধিমানের সিদ্ধান্ত। ২। ইমোশন নয়, স্ট্র্যাটেজি: আবেগ দিয়ে মার্কেট নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। ট্রেড নেওয়ার আগে প্ল্যান করুন, আর প্ল্যান অনুযায়ীই ট্রেড সম্পাদন করুন। ৩। প্রতিটি লস এক-একটি শিক্ষা: ব্যর্থতা থেকে পালিয়ে না গিয়ে পর্যালোচনা করুন—ভুলগুলো শুধরে নেওয়াটাই একজন পেশাদার ট্রেডারের আসল শক্তি। আজকের ছোট ছোট সঠিক সিদ্ধান্ত আর শক্ত রিস্ক ম্যানেজমেন্টই আগামীকাল আপনাকে একজন সফল ও লাভজনক ট্রেডার হিসেবে গড়ে তুলবে। চোখের সামনে বড় স্বপ্ন রাখুন, আর ট্রেডিং ডেস্কে মাথা ঠান্ডা রাখুন!
Close 1st entry and move SL to 2nd entry point 4265
1st entry: 10pips+ profit running 2nd entry : 18pips+ profit running
SELL XAUUSD NOW 4257 - 4265 TP1 4243.07 TP2 4230.78 TP3 4218.49 TP4 4206.20 TP5 OPEN SL 4288.16
রিয়েল এস্টেট জগতের দুই বিলিয়নিয়ার ভাইকে একবার জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, শুরুতে যখন টাকা ছিলো না, তখন তারা কী করেছিল। তারা বললো, আমরা একটা ওয়ান-বেডরুম অ্যাপার্টমেন্টে থাকতাম, আমাদের কোনো টাকা ছিলো না। কিন্তু আমরা জানতাম, ধনী হতে হলে ধনীদের কাছাকাছি থাকতেই হবে। তাই আমরা এমন রেস্তোরাঁয় গিয়ে বসতাম, যার বাইরে রোলস রয়েস, ফেরারি, মাসেরাতি, বেন্টলি দাঁড়িয়ে থাকতো। পাশে বসা বড়লোকদের কথাবার্তা শুনতাম, সেই এনার্জি অনুভব করতাম। বাসায় ফেরার পর রাগ হতো—ওরা যদি পারে, আমরা কেন পারবো না? আমরাও বড় স্বপ্ন দেখা শুরু করলাম। এই পদ্ধতিটা প্রায় ১০০ ভাগ কার্যকর। তবে এখানে একটা সতর্কতা আছে। ধরো, তুমিও একইভাবে ধনীদের রেঁস্তোরায় ওয়েটার হিসেবে বা অন্য কোনোভাবে ধনীদের সংস্পর্শে যাচ্ছো। কিন্তু দশ বছরেও তোমার আয় বাড়েনি। কেন? কারণ তুমি মনোযোগ দাওনি। তুমি সেই পরিবেশে ছিলে, কিন্তু সচেতনভাবে এনার্জি শোষণ করোনি। কাজ শেষে তুমি বাড়ি গিয়ে তোমার এভারেজ বন্ধুদের সাথে সময় নষ্ট করেছো, নরমাল লাইফকেই আরামদায়ক করে নিয়েছো। সেটাই তোমার আসল এনার্জি হয়ে গেছে। তাই শুধু সফলদের কাছাকাছি থাকলে বা দেখলেই হবে না, সচেতনভাবে মনোযোগ দিতে হবে। এমন মানুষদের সাথে থাকো যারা তোমার চেয়ে বেশি উপার্জন করে। এমন পরিবেশে কাজ করা বা সময় কাটানোর সুযোগ বের করো যেখানে তুমি জানো আশেপাশের সবাই ধনী, সেখানে গিয়ে সেই এনার্জি শুষে নাও। সপ্তাহে অন্তত একবার বা দুবার এমন জায়গায় যাও, যেখানে ধনী, সফল, পজিটিভ আর মোটিভেটেড মানুষদের সাথে পরিচিত হতে পারো, সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারো, বা শুধু তাদের সান্নিধ্যে থাকতে পারো। যদি তুমি ইন্টারনেটে গরিব চিন্তাধারার মানুষদের কন্টেন্ট, ভিডিও দেখে দেখে সময় কাটাও, তাহলে এখনি বন্ধ করো। যদি সোশ্যাল মিডিয়ায় কাউকে ফলো করতেই হয়, তবে প্রকৃত সফল আর ধনী মানুষদের ফলো করো। এভাবে তোমার মনের প্রোগ্রামিং হবে। আর এবার একটা কঠিন কথা বলি—তোমার পুরনো বন্ধুদের ছেড়ে দিতে হবে! এটা শুনতে খারাপ লাগলেও এটাই বাস্তবতা। তোমাকে নতুন সার্কেল বানাতে হবে। যারা তোমাকে পিছিয়ে রাখে, তাদের সাথে থাকা বন্ধ করতে হবে। ব্যাস, এটাই। আর যদি তুমি সত্যিই ধনী হতে না চাও, নিজের বেস্ট ভার্সন হতে না চাও, তাহলে এটা করার প্রয়োজন নেই। তোমাকে স্বাগতম। মনে রেখো, তুমি সেটাই হয়ে ওঠো যা নিয়ে তুমি সবচেয়ে বেশি চিন্তা করো। আর তোমার চিন্তা বদলায় তখনই, যখন তুমি বদলাও—কাদেরকে শোনো, দেখো, আর কাদের সান্নিধ্যে সবচেয়ে বেশি সময় কাটাও। তুমি যদি তোমার আয় আর জীবন বদলাতে চাও, তাহলে বদলে ফেলো সেই পরিবেশ, যেখানে তুমি এখন বাস করো।
তুমি কি জানো, প্রতিটা মিলিয়নিয়ার, প্রতিটা বিলিয়নিয়ার টাকা বানানো শুরু করার আগে একটা কাজ করেছিল? এটা টাকা বানানোর অন্যতম সিক্রেট। আর সেটা হলো—তুমি যদি তোমার আয় আর অবস্থা বদলাতে চাও, তাহলে তোমাকে পরিবেশ বদলাতে হবে! আজ যারা সফল, যাদের অনেক টাকা, তাদের শুরুর দিকটা দেখলে একটা কমন প্যাটার্ন চোখে পড়ে। তুমি আসলে সেটাই হয়ে ওঠো, যা নিয়ে তুমি সবচেয়ে বেশি চিন্তা করো। তাহলে প্রশ্ন হলো, ঠিকভাবে চিন্তা করতে শিখবে কীভাবে? উত্তরটা আছে তোমার আশেপাশের মানুষগুলোর মধ্যে। একটা কথা প্রচলিত ছিল যে, তোমার আয় ততটাই হবে যতটা তোমার সবচেয়ে কাছের পাঁচজন মানুষ করছে। কারণ তুমি সবচেয়ে বেশি সময় কাটাও এই পাঁচজনের সাথে। তাদের কথাই সবচেয়ে বেশি শোনো, তাদের আচরণই সবচেয়ে বেশি দেখো। তারা কীভাবে কথা বলে, কীভাবে আচরণ করে, তাদের ড্রিমস ও গোলস নিয়ে দৃষ্টিভঙ্গি, কীভাবে পোশাক পরে, কীভাবে খায়—সবকিছুই তোমার মধ্যে ঢুকে যায়। কিন্তু এটা ছিল সেই যুগের কথা, যখন অনলাইনে এত মানুষ ছিলনা, যখন মানুষ সত্যিই একে অপরের সাথে সময় কাটাতো। আজকের দুনিয়ায় যেহেতু মানুষ অনেকটাই অনলাইন নির্ভর। তাই এখন সেই পাঁচজন হলো তারা, যাদের তুমি সবচেয়ে বেশি সময় দেখো, শোনো, কিংবা কমিউনিকেশন করো—ইউটিউব, ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রাম, ইনস্টাগ্রামে। অনলাইনে প্রতিনিয়ত তুমি কী দেখছো? কাকে ফলো করছো? সত্তরের দশকে, ইন্টারনেট আসার আগে, যখন টিভি ছিল, তখন এলিট পরিবারে টিভি এলাউ হতো না। কারণ টিভিতে এমন কিছুই নেই যা কাউকে জীবনে এগিয়ে নেবে। ঘরের মধ্যে তুমি লুজারদের দিনরাত দেখতে পারো না, কারণ অজান্তেই তুমি তাদের অনুকরণ করা শুরু করবে। যারা ধনী, যারা সত্যিকারের সফল, তাদের সাথে একই পরিবেশে কেউ যদি থাকে, তাদের কথা শোনে। তাহলে অজান্তেই সে তাদের মতো চিন্তা করা শুরু করবে, তাদের মতো কথা বলবে, তাদের মতো কাজ করবে। আর তখন তোমার এনার্জি আর ফ্রিকোয়েন্সি বদলে যাবে, তুমি জীবনে পেতে শুরু করবে—স্বাস্থ্য, সম্পদ আর শান্তি। আসলে আমাদের বাবা-মা তো ছোটবেলা থেকেই বলতেন—নষ্টদের সাথে মিশলে তুমিও নষ্ট হয়ে যাবে! এটাই সত্যি। পাঁচজন সিগারেট খাওয়া মানুষের সাথে মিশলে তুমিও সিগারেট ধরবে। পাঁচজন গাঁ/জা খাওয়া মানুষের সাথে থাকলে তুমিও গাঁ/জা ধরবে। পাঁচজন চরিত্রহীন যারা পর/কীয়া করে, তাদের সাথে থাকলে তুমিও একই পথে যাবে। পাঁচজন এমন মানুষ যাদের মাসিক আয় ১০ লাখ টাকার কম, তাদের সাথে থাকলে তুমি নিজেও সেই সীমার বাইরে যেতে পারবে না। কিন্তু যখন তুমি এমন মানুষদের সাথে থাকা শুরু করবে বা সান্নিধ্যে যেতে পারবে যাদের আয় তোমার ১০/২০ গুণ, তাদের কথা শুনবে, তাদের চিন্তাভাবনা, আচরণ ও কাজ দেখবে তখন সেই এনার্জি তোমার মধ্যে ঢুকে পড়বে। তুমি বিশ্বাস করা শুরু করবে যে, তোমার পক্ষেও এটা সম্ভব। এমনকি তাকে ছাড়িয়ে যাওয়া সম্ভব। তোমার ফোনটা হাতে নাও তো। ইউটিউবে যাও, দেখ অ্যালগরিদম কী রেকমেন্ড করছে। ইন্সটাগ্রাম আর ফেসবুকে যাও, দেখ অ্যালগরিদম কী দেখাচ্ছে। অ্যালগরিদম তোমাকে বলে দেয় তুমি আসলে কী নিয়ে চিন্তা করো। এমন অনেক মানুষ আছে যাদের সোশ্যাল মিডিয়া ফিড দেখেই বলে দেয়া যাবে সে কখনোই মিলিয়নিয়ার হতে পারবে না। ফিউচার মিলিয়নিয়ারদের সোশ্যাল মিডিয়া ফিড হয়ে থাকে একদম আলাদা। তাদের ফিডে থাকে সেল্ফ হেল্প কন্টেন্ট, সাক্সেস স্টোরি, মোটিভেশনাল ভিডিও, সাক্সেসফুল মানুষদের লাইফস্টাইল, তাদের ইন্টারভিউ, পডকাস্ট, স্পিরিচুয়াল কন্টেন্ট ইত্যাদি। এটাই তোমার ফিড হতে হবে। এখনি নিজের ফিডটা চেক করে দেখো, তোমার অ্যালগরিদম কী দেখাচ্ছে—সেটাই বলে দেবে তুমি আসলে কেমন চিন্তা করো। আজ অনেকেই যারা মিলিয়ন মিলিয়ন টাকা কামাচ্ছে, তাদের শুরুর দিকটা দেখো—তারাও গরিব বা মধ্যবিত্ত পরিবারে বড় হয়েছে, তাদের সার্কেলও ছিলো সাধারণ। কিন্তু তারা সেটা চেঞ্জ করে নিজেদের চেয়ে বেশি সফল ও সম্পদশালী মানুষদের কাছাকাছি থেকেছে, তাদের কথা শুনেছে, তাদের কাজকর্ম দেখেছে। তাই তারাও আজ এমন জায়গায়ই গিয়েছে। একজন অতি ধনী ব্যক্তি ছিল, প্রথম বিশ্বযুদ্ধে নিঃস্ব হয়ে গ্রিস থেকে আর্জেন্টিনায় পালিয়ে যান শুধু গায়ের পোশাক নিয়ে, আর কিছুই ছিল না। তিনি বলেছিলেন, একটা জিনিস তিনি জানতেন—আবার ঘুরে দাঁড়াতে হলে তাকে ধনীদের কাছাকাছি থাকতে হবে। তাই তিনি সেই রেস্তোরাঁয় গিয়ে ওয়েটারের কাজ নিলেন, যেখানে বড়লোকরা যেতো। যখন একটা রুমে অনেক ধনী মানুষ একসাথে থাকে, তখন তাদের এনার্জি মিলে যায় আর একটা জিনিস তৈরি হয়। থিংক এন্ড গ্রো রিচ বইয়ের লেখক নেপোলিয়ন হিলের ভাষায় এই জিনিসটা হলো "মাস্টারমাইন্ড"। এখানের এনার্জি হলো সমৃদ্ধি, সম্পদ, টাকার এনার্জি। সেই এনার্জি ঐ রুমে থাকা মানুষদের মধ্যে ছড়িয়ে যায়, তাদের চিন্তার ধরন বদলে দেয়, স্বপ্নের সীমানা বাড়িয়ে দেয়, নিজের প্রতি বিশ্বাস তৈরি করে।