iLM InFo
Статистикаসময়সাময়িক ও ইসলামের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে উলামায়ে হকের কথা লেখা বক্তব্য ও বাংলা আর্টিকেল পেতে আমাদের সাথে থাকুন । এমনকি এখানে বিভিন্ন ইসলামিক PDF বই পাওয়া যাবে ।। জাজাকাল্লাহু খায়রান ❤️❤️
- Последний пост
- 21 апр. 2025 г.
- Последнее чтение
- 13 авг.
- Постов за неделю
- 0
- Всего постов
- 20
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- В каталоге с
- 13 авг.
- 1/24сутки в ленте
- —
- 1/48двое суток
- —
- 1/72трое суток
- —
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
видео или голосовое, без подписи
In front of BRAC University Few minutes ago
আন্তর্জাতিক আইনে যে বিষয়গুলোকে যুদ্ধাপরাধ, মানবাধিতাবিরোধী অপরাধ বলে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, সেগুলো তৈরি করে পশ্চিমারা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে যাদের নেতা আমেরিকা। মজার বিষয় হলো, এখন পর্যন্ত একটা যুদ্ধেও, একটা সিঙ্গেল যুদ্ধেও আমেরিকা ও তার মিত্ররা সেগুলো অনুসরণ করেনি। নিজের দেশেও না। যুদ্ধে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালানো, গণহারে মানুষ হত্যা আমেরিকার অস্থিমজ্জায় মিশে আছে। তাদের দেশে লিংকনের সময় যে গৃহযুদ্ধ হয়, তাতে আমেরিকার উত্তরাংশের সৈনিকরা বিজয় অর্জন করে দক্ষিণাংশের উপরে। এর অন্যতম কারণ ছিলো, আমেরিকার এক জেনারেল বলেছিলেন, আমেরিকা রেডক্রসের নীতিতে যুদ্ধ করবে না। ফলে উত্তরের সৈনিকরা দক্ষিণের উপর ব্যাপক হত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ পরিচালনা করে। তারা গর্বের সাথে ১০০ মিলিয়ন ডলারের ক্ষতির পুরোটাই শত্রুর উপর চাপিয়ে দিয়েছিলো। এর মধ্যে উত্তরের সৈন্যদের যুদ্ধে রাজি করাতে খরচ হয়েছে ২০ মিলিয়ন। আর বাকি ৮০ মিলিয়ন ডলারের পুরোটাই খরচ হয়েছে ধ্বংস আর হত্যাযজ্ঞ চালাতে। এই যে পশ্চিম তাদের নীতিগুলো নিজেরাই মানে না, এর কারণ কী? এরা অন্য সবাইকে লেসার মানুষ মনে করে? সেক্ষেত্রে কেন তারা নিজের দেশেও তা করবে তা পরিষ্কার হয় না। তারা নৈতিকভাবে অধঃপতিত, অসভ্য? এটা একটা কারণ হতে পারে। তবে আরো কনভিন্সিং কারণ হলো, তাদের নীতিতে যুদ্ধ করলে যুদ্ধই আর করা হয়ে উঠবে না। অর্থাৎ এ নীতিগুলো বাস্তবসম্মত না। আপনি যখন যুদ্ধ করবেন, অনেক কাজ দেখতে ভালো লাগবে না। এটাই যুদ্ধ। যুদ্ধে যারা যুদ্ধ করার যোগ্য পুরুষ তাদেরকে থ্রেট মনে করা বেশ স্বাভাবিক। একই সাথে শত্রুদের অর্থনৈতিক কাঠামো বা জীবিকা নির্বাহের উৎসে হামলা করতে না পারলে সে আজীবন সৈন্য ও রেশন সাপ্লাই পেয়ে যাবে। অথচ এগুলোকেও আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন ধরা হয়। উপরেরগুলো জাস্ট কয়েকটা উদাহরণ। এমন অনেক উদাহরণ দেওয়া যাবে। তাহলে আমেরিকাসহ পশ্চিমারা কেন এতো আন্তর্জাতিক আইনের কথা বলে? কারণ আন্তর্জাতিক আইন হলো শেকল। এটা দিয়ে তারা তাদের বিরোধী সবার পা বেঁধে রাখবে, যেন কেউ তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে না পারে। ইসরাইল খাবার, ইন্টারনেট, পানি, ইলেক্ট্রিসিটি বন্ধ করে দিলেও তাই সেটা 'সেলফ ডিফেন্স', রাশিয়া ইউক্রেনে শুধু ইলেক্ট্রিসিটি বন্ধ করে দিলেই সেটাকে বলা হবে যুদ্ধপরাধ। কারণ শত্রুর যুদ্ধের অধিকার নেই। তাই শুধু ডাবল স্ট্যান্ডার্ড দেখানোই যথেষ্ট না। তাদের নীতি তারা মানে না তা বলুন। একই সাথে কেন মানে না, এসব নীতি যে আসলে অর্থহীন তাও প্রশ্ন করুন। বুঝুন। বুঝান। ইরফান সাদিক✍️
জাতিসংঘের প্রাক্তন নাম লীগ অব ন্যাশনস। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় উসমানী খেলাফতের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান গ্রহণের জন্যই মূলত তারা মিলেমিশে একটা সংগঠন দাঁড় করায়। নাম রাখে লীগ অব ন্যাশনস। পরবর্তীতে নাম পরিবর্তন করে ইউনাইটেড ন্যাশনস বা জাতিসংঘ রাখা হয়। আজও সেই নামে একচোখা মোড়লগিরি জারি রেখেছে সংস্থাটি। মনে রাখবার জন্য আবারো বলছি। উসমানী খেলাফতের বিরুদ্ধে জাতিগত একতা সৃষ্টি করে খেলাফত সিস্টেমের চূড়ান্ত ধ্বংসের জন্যই তারা লীগ অব ন্যাশনস (জাতিসংঘ) প্রতিষ্ঠা করে। এই পয়েন্ট থেকে হারিয়ে যাবেন না। মনে রাখবেন শেষপর্যন্ত। এবার ভিন্ন প্রসঙ্গে আসি। জাতিসংঘের স্থায়ী নিরাপত্তার পরিষদের সদস্য দেশ পাঁচটি। যথা: আমেরিকা, ব্রিটেন, ফ্রান্স, রাশিয়া এবং চীন। এদের সম্মিলিত জনগণ প্রায় ২ বিলিয়ন। অন্যদিকে গ্লোবাল মুসলিমদের সংখ্যা ১.৯ বিলিয়ন। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ সদস্য রাষ্ট্রের 'ভেটু' দেওয়ার মতো সুপ্রিম ক্ষমতা রয়েছে। যেকোনো বিলে তাদের কোনো এক রাষ্ট্র 'না' বললেই সেটা অকার্যকর হয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে ১.৯ বিলিয়ন মুসলিমদের চিৎকার তাদের কানে প্রবেশ করবে না। এছাড়া নিরাপত্তা পরিষদের আশেপাশেও নামেমাত্র কোনো মুসলিম রাষ্ট্রও নেই, ভবিষ্যতেও হবেও না। সারাজীবন ওদের সিদ্ধান্তে ইয়েস স্যার, ইয়েস স্যার করে যেতে হবে, 'ভেটু' দেওয়ার ক্ষমতা হবে না কখনোই। মুসলিম রাষ্ট্রগুলো জাতিসংঘে যুক্ত হয় সংস্থাটির সংবিধান, গঠনতন্ত্র এবং আচরণবিধি শতভাগ মানার প্রতিশ্রুতি দিয়ে। জাতিসংঘের সংবিধান ইসলামের সাথে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক। কুফরে স্থির দাঁড়ানো এমন একটা সংস্থার কাছে আপনি মুসলিম হয়ে যখন নিরাপত্তা চাইবেন তখন আল্লাহর পক্ষ থেকে আপনার ওপর জিল্লতি অবধারিত হয়ে যাবে। আজ আমাদের এই নতজানু নীতি, সামগ্রিক দুর্বলতা, হীনমন্যতা এবং শক্তিহীনতার পিছনে এটাও একটা অন্যতম বড় কারণ। বাঘ যখন শেয়ালের নিয়ন্ত্রণে চলে যায় তখন সেই বাঘের শুধু শারীরিক আকৃতিই অবশিষ্ট থাকে, চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য বাকি থাকে না। অধিকাংশ মুসলিমদের দশা আজ তা-ই। আল্লাহর রাসূল ﷺ যা বলে গেছেন তা অসত্য হবে কখনো? কস্মিনকালেও নয়। তিনি তো বলেই গেছেন, এই উম্মাহ সংখ্যায় হবে বিপুল, কিন্তু কাজের বেলায় হবে স্রোতে ভেসে যাওয়া খড়কুটোর মতো। বর্তমানের দিকে তাকালে মনে হয়, নবী ﷺ সম্ভবত আমাদের দিকে তাকিয়েই কথাগুলো বলে গেছেন। কথার সাথে বাস্তবতার কী দারুণ সামঞ্জস্যতা! আশ্চর্য লাগে ওসব মুসলিমদের কার্যকলাপে, যারা কিছু একটা হলেই জাতিসংঘ, আন্তর্জাতিক আইন, মানবাধিকার, জেনেভা কনভেনশন ইত্যাদির দৃষ্টি আকর্ষণ করে। তারা কি জানে না, এগুলো একেবারে ফালতু জিনিস? বিশেষ করে মুসলিমদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে এগুলো যে টোটালি ইউজলেস, তা তারা আর কবে বুঝবে? যতক্ষণ আমরা দাঁড়াতে শিখবনা ততদিন ওরা আমাদেরকে বুদ্ধিবৃত্তিক দাসে রূপান্তরিত করে রাখবে। দাঁড়িয়ে যান, ওরা পালিয়ে যাবে। যাবেই, যেতে বাধ্য হবে। বি ইউনাইটেড। নজরুল ইসলাম
গাজার হাসপাতালগুলোকে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ যোদ্ধারা সামরিক ঘাঁটি কিংবা সুড়ঙ্গ প্রবেশপথ হিসেবে ব্যবহার করছে এমন দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন ডাঃ ম্যাডস গিলবার্ট। Follow US ON: 🔗 টেলিগ্রাম: t.me/doamuslimsbangla 🔗 টুইটার: x.com/doamuslimsbn2 🔗 ফেসবুক: fb.com/doamuslimsbangla2
আপনার চারপাশ থেকে র্যান্ডমলি ৫জন শিক্ষিত লোক খুঁজে বের করেন। এবার তাদের দশটা অতি সাধারণ প্রশ্ন করেন। ১) চ্যাটজিপিটি কি? ২) কিভাবে ফিলিস্তিন অভিভাবকহীন হলো? ৩) মুদ্রাস্ফীতি কি? ৪) প্রতিশ্রুত মাসীহ কে? কেন ওনাকে ওরা হত্যার চেষ্টা করলো? ৫) কিভাবে বিদেশে ভিসা/ নাগরিকত্বের আবেদন করা যায়? ৬) কখন, কিভাবে এবং কেন কাগজের টাকা সত্যিকারের স্বর্ণ বা রূপার মুদ্রাকে প্রতিস্থাপন করলো? ৭) স্টক এক্সচেঞ্জ কি? ৮) মানবাধিকার সংস্থা কেন কোন কোন গণহত্যায় নীরব, আবার কোথাও সরব? ৯) মার্ভেল সিরিজ কি? ১০) দাজ্জালের ফিতনা কি কি? এবারে তাদের জবাবের উপর দুই ভাগে মার্ক করেন। আপনি কি জোড় বিজোড় প্রশ্নের উত্তরে কোন ট্রেন্ড দেখতে পাচ্ছেন? হ্যাঁ, এই ট্রেন্ড পাবার জন্যই ওরা শত বছর ধরে অপেক্ষা করছে। একটা চিন্তাহীন জেনারেশন তৈরি হবে, যারা হবে আত্নকেন্দ্রিক। তদের মূল আগ্রহ থাকবে প্রাচুর্যে আর ভোগে। তারা অনেক কঠিন বিষয় বুঝবে কিন্তু সহজ বিষয় তাদের বুঝানো হবে না। তারা ইতিহাসকে ভয় পাবে, কারণ তাদের মনে হবে ইতিহাস মানেই যুদ্ধবিগ্রহ। তারা অনিশ্চিত ভবিষ্যতকে নিয়ে মেতে থাকবে অথচ বর্তমান তাদের বিচলিত করবে না। তারা মনে করবে তারা শিক্ষিত, অথচ তারা একটি পরিকল্পনার অংশ যেখানে তারা ততটুকুই জানবে যততুকু তাদের জানানো হয়েছে। তারা ভাববে প্রতিবাদের ভাষা মৌখিক। তাদের মস্তিস্ক চিন্তাশূন্য করতে বছরের পর বছর কারিকুলামে থাকবে কিছু ধূর্ত শব্দজট। ইতিহাসের প্রতি আগ্রহ না থাকা প্রজন্মকে ধোঁকা দেয়া খুবই সহজ। সেই প্রজন্মকে শিখানো হবে সুন্দর পৃথিবী গড়বে বিজ্ঞান। আর সেই বিজ্ঞানপড়ুয়া শিক্ষার্থীরা নির্ঘুম রাত কাটিয়ে পৃথিবীর বড় বড় ডিফেন্স ল্যাবের অর্থায়নে তৈরি করবে সব মরণাস্ত্র, যা দিয়ে কেবলই কিছু অশিক্ষিত প্রাণকে বিদায় জানানো হবে। মাসশেষে তারা বাড়ি গাড়ির লোন শোধ করবে, পোস্ট দিবে উই স্টেন্ড ফর মাজলুম। তারপরে পে চেকে এসে দেখবে তাদের ট্যাক্সের টাকায় মারা হচ্ছে নিরীহ শিশু, যার অপরাধ ছিলো একটি নির্দিষ্ট ভূখন্ডে জন্ম নেয়া! কি অদ্ভুত এই শিক্ষিত প্রজন্ম! সাজিদ হাসান
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
Gaza now
গাযার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়: ইসরাইলি আগ্রাসনে ফিলিস্তিনিদের প্রাণহানির সংখ্যা ৩২০০, আহত প্রায় ১১ হাজার। হতাহতদের সিংহভাগ নারী ও শিশু। Intelhawk
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи