tgindex
Последний пост
9 авг.
Последнее чтение
15 авг.
Постов за неделю
0
Всего постов
22
Тип
открытый
Язык
bn
Категория
Новости и СМИ (по похожим)
В каталоге с
13 авг.
Подписчики
1 237
+1 за 1 дн.
Сутки
0
0,00%
Неделя
 
Месяц
 
Просмотров на пост
132
22 постов
Вовлечённость
10,7%
к подписчикам
Постов в день
0,0
всего 22
Упоминаний
0
каналов
Охват размещения
оценка
1/24сутки в ленте
91
1/48двое суток
104
1/72трое суток
112

Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.

Посты

  • 9 авг.44из realitycheckbd1

    Reality Check BD presents: Decoding Hasina - Tale of a Psychopathic Killer! ৫ আগস্ট, আজকের দিনে পালিয়েছিল খুনি হাসিনা। হাসিনা কেবল মাত্র একটি নাম বা দীর্ঘ জুলুমের ভিলেন এমন কিছু না বরং হাসিনা হচ্ছে একটি সিস্টেমের ফসল। আমরা যদি সেই সিস্টেম ভালো ভাবে না বুঝতে পারি তাহলে এমন হাসিনা আবার আমাদের উপরে চেপে বসা অস্বাভাবিক কিছু না। আজকের ভিডিওতে আমরা হাসিনাকে ডি কোড করার চেস্টা করেছি, খুনি হাসিনার মনস্তত্ব বুঝার চেস্টা করেছি এবং এও আলোচনা করেছি কিভাবে হাসিনার মত ফ্যাসিস্ট তৈরি হয়। ভিডিওটি দেখুন, আপনাদের মতামত কমেন্ট করুন এবং সর্বোচ্চ শেয়ার করুন। - #july #hasina #realitycheckbd #julyrevolution

  • আল্লাহু আকবারের মর্ম অনুধাবন: দুই রাকাত নামাজে একজন মুসলিম অন্তত এগারোবার আল্লাহু আকবার বলে। পাঁচওয়াক্ত ফরজ নামাজ এবং সুন্নাত ও ওয়াজিব মিলিয়ে একদিনে এই সংখ্যাটা একশো পঞ্চাশের অধিক হয়। এর মানে হল একজন মুসলিম দিনে দেড়শো বারের অধিক তার রবকে সবচেয়ে বড় বলে ঘোষনা দিচ্ছে। সে যেমনি তার রবকে সবচেয়ে বড় বলে ঘোষনা দিচ্ছে তেমনি তার দেয়া শরীয়ত এবং বিধি বিধানকেও সকল ধর্ম ও মতবাদের উপর স্থান দেবে এটাই ছিল স্বাভাবিক। কিন্তু বাস্তবে ভিন্ন কিছু পরিলক্ষিত হয়, কিছুক্ষণ পুর্বে আল্লাহু আকবার বলে আল্লাহর বড়ত্বের ঘোষনা দিয়ে আসা ব্যাক্তিটাও মসজিদ থেকে বের হয়েই আল্লাহ প্রদত্ত শাসননীতি, অর্থনীতি, সমাজনীতিকে প্রত্যাখ্যান করে আল্লাহ দ্রোহীদের বানানো শাসননীতি, সমাজনীতি, অর্থনীতিকে সর্বত্র প্রতিষ্ঠিত করার এবং সে অনুযায়ী রাষ্ট্র, সমাজ পরিচালনা করার শপথ নিচ্ছে। সমাজ, রাষ্ট্র ও আইন আদালতে ইসলামকে অচল মনে করছে। ইসলামের বিধানকে উন্নতি ও অগ্রগতির অন্তরায় মনে করছে। ইসলাম ধর্ম ও অন্যন্য বাতিল ধর্মকে সমমর্যাদার মনে করছে। ইসলামের অনেক বিধানকে সেকেলে, অচল, পশ্চাতপদ ও বর্বর মনে করছে। ইসলামী বিধানের পরিবর্তে পশ্চিমাদের নোংরামীকে যুগোপযোগী, আধুনিক ও কল্যাণকর মনে করছে। এর কারণ হল আমরা মুখে আল্লাহ সবচেয়ে বড় বললেও মনেপ্রাণে এই কথা মেনে নিতে পারিনি। যদি মনেপ্রাণে এই কথা মেনে নিতে পারতাম তাহলে কখনো আমাদের পক্ষে আল্লাহর দেয়া সমাজনীতি অর্থনীতি রাষ্ট্রনীতি তথা ইসলামী শরীয়াহর বদলে জমিনে ভিন্ন কোন মতবাদকে মেনে নেয়া সম্ভব হতোনা। এর অধীনে শান্তভাবে জীবন-যাপন করা এবং একে বিনাশ করার পরিবর্তে এর প্রতিরক্ষা করার কথা তো কল্পনাও করতাম না। সত্যিকার্থেই যে ব্যাক্তি আল্লাহকে সবচেয়ে বড় বলে বিশ্বাস করে সে তার জীবন ব্যয় করে হলেও বাকি সব বাতিল মতবাদকে ধ্বংস করে আল্লাহর দেয়া শরীয়াহকে বাস্তবায়নের চেষ্টা করবে। এমন কিছু তাওহীদবাদী নির্ভীক যুবক উঠে দাঁড়াবে এই আশায়… © শায়েখ তামিম আল আদনানীহাফিজাহুল্লাহ..

  • ইসলামের কোনো বিধান অপর বিধানের প্রতিপক্ষ বা প্রতিবন্ধক নয় বরং সহায়ক। কেউ যদি নামাযকে ইলম অর্জনের পথে বাঁধা মনে করে, সে যেমন ভুল চিন্তার শিকার, তেমনি কেউ যদি জি@হাদকে ইলমের পথে বাঁধা মনে করে, সেও মারাত্মক ভ্রান্তির শিকার।

  • 1 авг.991из realitycheckbd1

    তাদের স্বার্থের সাথে মিলে গেলে ‘গণহত্যা’ না মিললে নয়। তারা নিজেরাই গণহত্যা চালাবে এবং তারাই ডিফাইন করবে - কোনটি গণহত্যা এবং কোনটি নয়! This is America, now know it well!

  • এটি এমন একটি রোমান্টিক বয়ান, বাস্তব দুনিয়ায় যার কোনো বস্তুগত ভিত্তি নেই; বরং এটি নিজের স্বকীয় পরিচয়, ঐতিহ্য ও সমাজকাঠামো সম্পর্কে অজ্ঞতার প্রকাশ। . ৪টি ধাপে আলোচনাটি দেখা যাক: ১. ‘হিউম্যানিজম’ বা মানবতাবাদ নিজেই একটি আধুনিক সেকুলার ধর্ম যে ব্যক্তি নিজেকে…

  • ‘সবার আগে আমি মানুষ, তারপর ধর্ম’: একটি আবেগসর্বস্ব ফ্যালাসি! - সাম্প্রতিক সময়ে সোশ্যাল মিডিয়া ও সুশীলীয় আলোচনায় বেশ চটকদার ও ট্রেন্ডি ডায়ালগগুলোর একটি হলো - “সবার আগে আমি মানুষ, তারপর আমার ধর্ম।” শোনা মাত্রই সাধারণ মানুষের মনে হতে পারে, বেশ উদার, মানবিক…

  • ‘সবার আগে আমি মানুষ, তারপর ধর্ম’: একটি আবেগসর্বস্ব ফ্যালাসি! - সাম্প্রতিক সময়ে সোশ্যাল মিডিয়া ও সুশীলীয় আলোচনায় বেশ চটকদার ও ট্রেন্ডি ডায়ালগগুলোর একটি হলো - “সবার আগে আমি মানুষ, তারপর আমার ধর্ম।” শোনা মাত্রই সাধারণ মানুষের মনে হতে পারে, বেশ উদার, মানবিক এবং উচ্চমার্গের বেশ একটা দর্শন! কিন্তু আবেগের সস্তা চশমা সরিয়ে সমাজবিজ্ঞান, অর্থনীতি ও দর্শনের দৃষ্টিতে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এই বাক্যটি মূলত একটি চরম বুদ্ধিবৃত্তিক দেউলিয়াত্ব এবং পপুলিস্ট ফ্যালাসি।

  • সাবধান যা দেখছেন টিভিতে সব নাটক। ভয় টেনশন বিভ্রান্তি কোন কিছুর প্রয়োজন নাই। একটা কথা মাথায় রাখেন সবাই নাটক করছে। যখন টিভিতে প্রচুর পরিমানের উত্তেজিতমুলক খবর দেখানো শুরু করবে তখন সবার আগে ক্লাউড দেখে নিন। ক্লাউডের পাশাপাশি যদি অতিরিক্ত হিট স্পট ম্যাপে দেখা দেয় তাহলে বুঝে নিবেন ব্রেইন ওয়াশের মাত্রা চরম পর্যায়ে চলে গিয়েছে। ধৈর্য ধরেন, বাসায় থাকেন, ভুলেও বের হইয়েননা, একটা কথা মাথায় রাইখেন ক্ষতি আপনার হবে নেতার না। নেতার এক্সিট পয়েন্ট রেডি আছে, আর আপনার পাসপোর্ট ও নাই, থাকলেও নামে ভুল, সব কিছু ঠিক থাকলেও ভিসা রিজেক্ট হবে। Do the right thing in the right way.

  • 28 июл.901из realitycheckbd1

    BBC এর শিরোনাম - Jay Shri Ram The Hindu chant that became a murder cry! একটি ধর্মীয় সম্ভাষণ কীভাবে পরিণত হলো হিংস্রতার মারাত্মক অস্ত্রে? ১৯৮০-র রথযাত্রা, '৯২-এর বাবরি মসজিদ থেকে শুরু করে সীমানা পেরিয়ে অ্যাডভোকেট আলিফ হত্যা এগুলো কি কোন প্যাটার্ন ইঙ্গিত করে? এটি কি শুধুই একটি ধর্মীয় স্লোগান, নাকি এক ভয়াবহ ভূ-রাজনৈতিক আখ্যানের সূচনাধ্বনি? দেখুন, কমেন্ট করে আমাদের আপনার মতামত জানান, বেশি বেশি শেয়ার করুন - #আমরাই_আমাদের_মিডিয়া

  • খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের হলের বাথরুম থেকে গত ৬ মাসে ৯০০টি গোপন ভিডিও ধারণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন কর্মচারী৷ প্রগতিশীলদের আস্তানায় নারীদের নিরাপত্তা কোথায়? এই যে আমরা বারবার বলি—একটা অইসলামিক দেশে নারীরা ঘরের বাইরে নিরাপদ না, সেই কথাটা কেউ কানে তোলে না। একটা অইসলামিক দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে মেয়েদের পড়তে না পাঠিয়ে অশিক্ষিত করে ঘরে বসিয়ে রাখা উত্তম। কারণ, আগে সম্ভ্রম, এরপর শিক্ষা। কবরে শিক্ষা যাবে না। যাবে আমল। বি: দ্র: শাহবাগীদের লজিক অনুযায়ী খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় সহ বাংলাদেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করে দেওয়া উচিত।

  • মুসলিমদের উদ্দেশ্যে হিন্দুদের বার্তাটা একদম পরিষ্কার। মসজিদের সামনে রাম দা ঘোরানোর মানেটা বুঝতে বিজ্ঞানী হওয়া লাগে না। হিন্দুরা সাম্প্রদায়িক উসকানি দিয়ে গায়ে পড়ে ঝগড়া করবে। ১৫ বছর হাসিনার কাছে জামাই আদর পেয়ে হিন্দুদের গায়ে চর্বি জমেছে। গায়ে চর্বি জমলে যেকোনো প্রাণীই একটু বেশি লাফাই। তবে লাফানোর পরিণতিটা ভালো হয় না। বাংলাদেশের হিন্দুরা মনে করেছে এসব উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড করে একটা দাঙ্গা বাধিয়ে ভারতকে ডেকে আনবে আক্রমণ করানোর জন্য। বোকাচন্দ্র কোথাকার! বরশির টোপের ছোটো মাছটা নিয়ে শিকারী ভাবে না। বাংলাদেশের নিম্নবর্ণের হিন্দুদের বরশির টোপ বানিয়েছে ভারত। বিশিষ্ট গোয়েন্দা ভাবমারানি জুলকারের চোখে ঠাডা পড়সে এখন। এদের দাড়ি-টুপি থাকলে আনক্লাসিফাইড ডকুমেন্টস ফাঁস করত। সংবাদিকগুলো ওদের কলম নিজেদের পশ্চাৎদেশে সান্ধায় রাখসে; হুজুর হলে খবরের শিরোনাম লিখত। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা তৌফিক দিলে সবকটা হারামজাদার হিসেব পইপই করে নেবো ইনশাআল্লাহ।

  • . আমার প্রিয় মুসলিম ভাই ও বোন, এমতাবস্থায় আমাদের করণীয় কী, তা নির্ধারণের আগে হি*ন্দু-ত্ব'বাদ এবং এদেশে তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়নকারীদেরকে আমাদের চিনে রাখতে হবে। হি*ন্দু-ত্ব'বাদের এজেন্ডা বাস্তবায়নকারীদেরকে কাছে উগ্র হিন্দুদের বিচার দাবি করে হিন্দুদের আগ্রাসনকে দমানো যাবে না। ভারতের মোদি সরকার হোক কিংবা এদেশে তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়নকারী হোক - পুরো হি*ন্দু-ত্ব'বাদের পক্ষের শক্তির বিরুদ্ধেই আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াতে হবে। হি*ন্দু-ত্ব'বাদের ভয়ংকর মিশনের ব্যাপারে সচেতন থাকার পাশাপাশি গাজওয়াতুল হিন্দের টার্গেট বাস্তবায়নের লক্ষ্যে যথাযথ প্রস্তুতি গ্রহণ করে সামনে এগুতে হবে। . মুসলিমদের হেনস্থা ও নিধনের লক্ষ্যে হিন্দুদের সাজানো সব নাটক সম্পর্কে সজাগ ও সচেতন থাকতে হবে। পাড়ায়-মহল্লায় সকল মুসলিমকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে, যেন একজন সাধারণ মুসলিমকেও উগ্র হিন্দুরা সন্দেহের বশে আক্রমণ করার দুঃসাহস দেখাতে না পারে। বিয়ে করে ইসলাম গ্রহণের প্রলোভন দেখানো হিন্দু যুবকদের প্রেমের ফাঁদ থেকে মুসলিম মেয়েদের দূরে থাকতে হবে। কাফির-মুশরিকদের সাথে মুমিনদের কোনো বন্ধুত্ব ও অন্তরঙ্গ সম্পর্ক স্থাপন করা যাবে না। . মুসলিমদের নিজেদের মাঝে দ্বন্দ্ব-বিবাদ এড়িয়ে ঐক্যের ভিতকে মজবুত রাখতে হবে। ফুরুয়ি ইখতিলাফ নিয়ে তর্ক-বিতর্কে জড়িয়ে পরস্পর বিচ্ছিন্ন হওয়া যাবে না। সর্বোপরি মহান আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে আল্লাহর জমিন থেকে শিরক ও কুফরের মূলোৎপাটনের লক্ষ্যে যথাযথ প্রস্তুতি গ্রহণে মনোযোগী হতে হবে। আল্লাহ তাআলা আমাদের তাওফিক দান করুন। আমরা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার কাছে দুআ করি, ফরিদপুরের মধুখালীতে উগ্র হিন্দুুদের হাতে নিহত দুই মুসলিম সহোদর ভাইকে তিনি শাহা@দাতের মর্যাদা দান করুন। তাদের পরিবার-পরিজনদের সবরে জামিল ইখতিয়ার করার তাওফিক দিন। আমীন, ইয়া রব্বাল আলামীন। © শায়েখ তামিম আল আদনানীহাফিজাহুল্লাহ..

  • আমার প্রিয় মুসলিম ভাই ও বোন, গত কয়েক বছর থেকে আমি আপনাদেরকে ভারতের হি*ন্দু-ত্ব'বাদী শক্তি ও তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়নকারীদের ব্যাপারে বারবার সতর্ক করে আসছি। বিভিন্ন লেকচারে তুলে ধরেছি উগ্র হিন্দুরা মুসলিম নিধনে ও রামরাজ্য প্রতিষ্ঠায় কত ভয়ংকর ছক এঁকে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে! এ দেশের ক্ষমতার মসনদে চেপে বসা জালিম তা^গু`ত হাসিনা সরকার দিনদিন কীভাবে হি*ন্দু-ত্ব'বাদের তাবেদারি করে চলেছে! হ্যাঁ, প্রিয় মুসলিম ভাই ও বোন, সময় যতই গড়াচ্ছে, গো-পূজারিদের আস্ফালন ততই বেড়ে চলেছে! ভারতের মতো বাংলাদেশেও আজ উগ্র হিন্দুদের ঔদ্ধত্য চরম মাত্রায় পৌঁছেছে! . সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিমদের দেশে আজ তুচ্ছ অভিযোগ তুলে স্রেফ সন্দেহের বশে মুসলিমদের নৃশংসভাবে খুন করার মতো ভয়ংকর ঘটনা ঘটছে! মুসলিমদের হুমকি দেয়া হচ্ছে! পূজাতে অস্ত্র উঁচিয়ে শক্তি প্রদর্শন করা হচ্ছে! প্রকাশ্যে উচ্চ আওয়াজে ‘জয় শ্রীরাম’-এর ¯স্লোগান তোলা হচ্ছে! শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানগুলোতে ঘটা করে উদযাপন করা হচ্ছে শিরকি উৎসব; পক্ষান্তরে মুসলিম শিক্ষার্থীদের ইসলামের বিধিবিধান পালনে বাঁধা প্রয়োগ করা হচ্ছে! প্রেমের ফাঁদে ফেলে মুসলিম নারীদের ভারতে পাচার করে পতিতালয়ে বিক্রি করার এবং হিন্দু বানানোর ষড়যন্ত্র চলছে! . আমার প্রিয় মুসলিম ভাই ও বোন, সম্প্রতি ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার পঞ্চপল্লীতে উগ্র হিন্দু স*ন্ত্রা*সীদের হাতে দুই মুসলিম সহোদরের নির্মম হত্যাকাণ্ডের কথা আপনারা নিশ্চয়ই শুনেছেন। মুসলিম নিধনে এ দেশের উগ্র হিন্দুদের আস্ফালন আজ কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে, তা বোঝার জন্য এ হৃদয়বিদারক ঘটনাই যথেষ্ট! মন্দিরে আগুন লাগানোর অভিযোগ এনে মন্দিরের পাশে এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত হত-দরিদ্র নির্মাণশ্রমিকদের ওপর উগ্র হিন্দুরা সংঘবদ্ধভাবে পাশবিক নির্যাতন চালিয়ে দুই মুসলিম সহোদর ভাইকে হত্যা করেছে! মারাত্মকভাবে আহত করে দীর্ঘ সময় বন্দি করে রেখেছিল আরও চার শ্রমিককে! কোনো প্রমাণ ছাড়াই শুধু সন্দেহের বশে হত-দরিদ্র মুসলিম দিনমজুরদের ওপর এমন নৃশংস হামলা চালায় হিন্দু সন্ত্রাসীরা! এমন নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর পাশবিক আনন্দ প্রকাশ করেছে এ দেশের উগ্র হিন্দু সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত নেতা-কর্মীরা! . এ দেশের তথাকথিত সুশীল নামক অথর্ব কীটগুলোও আজ মুখে কুলুপ এঁটে বসে আছে! মেইনস্ট্রিম মিডিয়াগুলোও ঘটনার বিস্তারিত তুলে না ধরে অত্যন্ত দায়সারাভাবে সামান্য কিছু সংবাদ প্রকাশ করেছে! তাদের শিরোনাম দেখে অনেকে খুনের শিকার দুই মুসলিম সহোদরকে অপরাধী ভাবতে পারে! অথচ আজ যদি ঘটনা তার বিপরীত হতো, এভাবে কোনো এক হিন্দুর লাশ পড়ত, তবে সুশীল শ্রেণি ও মিডিয়াপাড়া সেই হিন্দুকে নিরপরাধ প্রমাণে এবং মুসলিমদের শাস্তি নিশ্চিত করার দাবিতে গলা ফাটিয়ে ফেলত! . আমার প্রিয় মুসলিম ভাই ও বোন, আপনারা হয়তো ভেবে অবাক হচ্ছেন, এ দেশের সংখ্যালঘু উগ্র হি*ন্দু-ত্ব'বাদীরা কীভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিমদের ওপর আক্রমণের এতটা সাহস পায়! কীভাবে তারা মুসলিমদের হুমকি দিয়ে ফেইসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ার ঔদ্ধত্য প্রকাশ করে! এ দেশে তারা মুসলিমদের তুলনায় সংখ্যায় খুব অল্প হলেও তাদের এমন ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ ও দুঃসাহস দেখানোর প্রধান কারণ দুটো। একদিকে তারা ভারতের উগ্র হি*ন্দু-ত্ব'বাদী শক্তি ও ক্ষমতাসীন মোদি সরকারের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তারই মতাদর্শ অনুযায়ী কাজ করছে, অপরদিকে তারা ভারতের মদদপুষ্ট হাসিনা সরকারের অকুণ্ঠ সমর্থন ও সহযোগিতা পাচ্ছে। তারা নির্ভয়ে আছে, তাদের যেকোনো অন্যায়ে এ দুই শক্তি তাদের পাশেই থাকবে। হ্যাঁ, দিনদিনই তারা এ দুই শক্তির পৃষ্ঠপোষকতায় মুসলিমদের বিরুদ্ধে নানান প্রোপাগান্ডা চালিয়ে যাচ্ছে! এ দেশের উগ্র হি*ন্দু-ত্ব'বাদীদের আর কসাই মোদির টার্গেট এক ও অভিন্ন। এরা কসাই মোদির মতোই মুসলিমদের রক্তখেকো। উগ্র হি*ন্দু-ত্ব'বাদী ভারতের হোক বা বাংলাদেশের হোক, রামরাজ্য প্রতিষ্ঠা করাই এদের লক্ষ্য। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্যই এরা ইসলামের নিদর্শনাবলিকে মুছে ফেলার প্রয়াসে কাজ করে চলেছে। এদের নির্দেশ বাস্তবায়ন ও এদেরকে খুশি করার জন্যই এ দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ইফতার মাহফিল বন্ধের ঘোষণা এসেছিল! এদেরকে খুশি করার জন্যই স্কুল-কলেজগুলোতে আজ ঘটা করে পূজার উৎসব চলছে! মঙ্গল শোভাযাত্রার মতো ইমানবিধ্বংসী নানান কর্মকাণ্ড ব্যাপকভাবে উদযাপন করা হচ্ছে! . মুসলিমপ্রধান এ দেশে হি*ন্দু-ত্ব'বাদের এমন ভয়ংকর আগ্রাসন সত্ত্বেও কেবল গদি টিকিয়ে রাখতেই হাসিনা ও তার লীগবাহিনী ভারত ও হি*ন্দু-ত্ব'বাদের ক্রিড়নকে পরিণত হচ্ছে। আপনারা দেখেছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রমাদান বিষয়ক আলোচনা করার কারণে সাধারণ মুসলিম ছাত্রদেরকে ছাত্রলীগের গুণ্ডারা বেধড়ক পিটিয়ে রক্তাক্ত করেছে! বুঝেশুনে হোক কিংবা না বুঝে হোক, আওয়ামিলীগ ও তাদের প্রতিটি অঙ্গসংগঠন বরাবরই ভারত ও হিন্দুদের স্বার্থকেই রক্ষা করছে। হিন্দুদের শিরকি ধর্মবিশ্বাসকে প্রতিষ্ঠিত করার মিশনে তারা সহযোগিতা করে যাচ্ছে!

  • বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ান - লাগাতার বর্ষণে পানির নিচে চট্টগ্রাম সহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল, বিশুদ্ধ খাবার ও পানির অভাবে ধুঁকছে লাখো মানুষ। - লাগাতার বৃষ্টি এবং ভারতের পানি স*ন্ত্রা*সের কারণে দেশের বিভিন্নস্থানে বন্যা পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে, তলিয়ে যাচ্ছে জনপদের…

  • বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ান - লাগাতার বর্ষণে পানির নিচে চট্টগ্রাম সহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল, বিশুদ্ধ খাবার ও পানির অভাবে ধুঁকছে লাখো মানুষ। - লাগাতার বৃষ্টি এবং ভারতের পানি স*ন্ত্রা*সের কারণে দেশের বিভিন্নস্থানে বন্যা পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে, তলিয়ে যাচ্ছে জনপদের পর জনপদ। নদ নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় অন্তত ১৮ টি জেলায় বন্যা সতর্কতা দেওয়া হয়েছে। বিশেষত চট্টগ্রাম কক্সবাজার খাগড়াছড়ির বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। লাখ লাখ মানুষ পানিবন্দি, খাবার ও বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। যথাযথ ব্যবস্থাপনা এবং ত্রান ও আশ্রয়কেন্দের অভাবে ইতিমধ্যে বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। এমতাবস্থায় বন্যার্তদের সাহায্যে সাধ্যমত এগিয়ে আসার জন্য সবাইকে আহবান জানাচ্ছি। - বিপদে আপদে মুসলিমদের পাশে দাঁড়ানো বড় ফজিলতের কাজ। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- مَنْ نَفَّسَ عَنْ مُؤْمِنٍ كُرْبَةً مِنْ كُرَبِ الدُّنْيَا نَفَّسَ اللَّهُ عَنْهُ كُرْبَةً مِنْ كُرَبِ يَوْمِ الْقِيَامَةِ…… وَاللَّهُ فِي عَوْنِ الْعَبْدِ مَا كَانَ الْعَبْدُ فِي عَوْنِ أَخِيهِ যে ব্যক্তি দুনিয়াতে কোনো মুমিনের একটি কষ্ট লাঘব করবে, আল্লাহ তাআলা কিয়ামতের দিন তার একটি কষ্ট লাঘব করবেন। ... আর বান্দা যতক্ষণ অপর ভাইয়ের সহযোগিতায় থাকে, আল্লাহ তাআলাও ততক্ষণ তাকে সাহায্য করেন। -[সহীহ মুসলিম ২৬৯৯] আরেক হাদীসে তিনি বলেছেন- في كلِّ كبدٍ رطبةٍ أجرٌ প্রত্যেক তাজাপ্রাণের সেবাতে রয়েছে সাওয়াব। –[বুখারী ২৩৬৩ ও মুসলিম ২২৪৪]

  • видео или голосовое, без подписи

  • видео или голосовое, без подписи

  • বর্তমান মিডিয়াগুলো দালালের গোলাম হয়ে আছে। যেকোনো কারণেই হোক চট্টগ্রামের ভয়াবহ বন্যা নিয়ে কোনো হাইপ উঠে নাই। না মিডিয়ায়, না সোশ্যাল মিডিয়ায়, না হিউম্যানিটারিয়ান অর্গানাইজেশনগুলোতে। এজ ইফ চট্টগ্রামের মানুষ এই দেশের কেউ না। সিলেটের বন্যায় যেরকম বন্যার পানির চাইতে চোখের পানি বেশি হয়ে যায়। তেমন কোনোকিছু চট্টগ্রামের জন্য দেখা যাচ্ছে না। এর কারণ কী? যদিও মূল ভূমিতেই বন্যা অত্যন্ত ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। আর বিচ্ছিন্ন দ্বীপগুলোর অবস্থা তো বলাই বাহুল্য। এগুলো আগে থেকেই বিচ্ছিন্ন। এখন তো দ্বীপগুলো আমাদের দুনিয়াতেই নাই। লাখ লাখ মানুষ পানিবন্দি। তার উপর আছে পাহাড় ধ্বস। ইতোমধ্যেই ভয়াবহ পাহাড় ধ্বসে প্রায় ডজনখানেক বাচ্চা মারা গেছে! পুরা চট্টগ্রামই পাহাড়ি অঞ্চল। তাই মোটামুটি পুরা অঞ্চলটাই পাহাড়ধ্বসের রেড জোন হয়ে আছে। এই বন্যা-পাহাড়ধ্বসের সাথে আছে টর্নেডো! এরকম ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ নিকট অতীতে আর আসে নাই। বিশ্বাকাপে কে কয়টা গোল দিল, খাইল, কোন দেশের উপর অবিচার-সুবিচার হইল, সেগুলোর চাইতে নিজ দেশের মানুষের জীবন অনেক গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু আমরা সময়ই পাচ্ছি না এটা নিয়ে কথা বলার।

  • আহ্ চট্টগ্রাম😢

  • খেলা না কি বিনোদন। ভালো কথা। বিনোদন করতে গিয়ে জীবন দিতে হয় কেন? আর নিজের দেশের সাথে সেই খেলার কোনো সম্পৃক্ততা না থাকা সত্ত্বেও এই দেশে বসে ভিনদেশের জন্য জীবন দেয়া নেয়া কতটা জঘন্য চিন্তা করুন! আপনারা বিনোদনকে তো বিনোদনের জায়গায় রাখেন না৷ এজন্যই তো উলামায়ে কেরাম এধরণের বৈশ্বিক বিনোদনের নামে উন্মাদনা এবং সাম্রাজ্যবাদীদের সফট মিশন থেকে সতর্ক করেন।

ইলমজেট — ILMJET — tgindex