মাহমুদ সিদ্দিকী
Статистикаইলমি মুজাকারা, লেখা ও চিন্তা বিনিময়। সরাসরি কোনো প্রশ্ন করতে চাইলে মেসেজ করুন চ্যানেলের নিচে ডানদিকের Direct Message অপশন থেকে।
- Последний пост
- 13 авг.
- Последнее чтение
- 15 авг.
- Постов за неделю
- 1
- Всего постов
- 23
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- В каталоге с
- 14 авг.
- 1/24сутки в ленте
- 171
- 1/48двое суток
- 195
- 1/72трое суток
- 211
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
সকল যুগেই এত ফিতনা কেন? নববী যুগ থেকে নিয়ে সর্ব যুগেই কোনো-না-কোনো ফিতনা মুসলমানদেরকে অস্থির করে রেখেছে। কখনো স্বস্তিতে নিঃশ্বাস নেয়ার সুযোগ দেয়নি। ভেবে অবাক হতে হয় যে, আল্লাহ তাআলা প্রত্যেক যুগেই মুসলিমদেরকে; বিশেষত উলামায়ে কেরামকে দ্বীনের সেসব বড় বড় খেদমতে সর্বোতভাবে নিয়োজিত করে রেখেছেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওফাতের পর থেকে; বরং আগে থেকেই বিভিন্ন ফিতনার উদ্ভব ঘটেছে। আজ পর্যন্ত কোনো শতাব্দীই ফিতনামুক্ত ছিল না। ফিতনা একেক সময় একেক রূপে এসেছে। আর আহলে হক উলামায়ে কেরাম প্রচণ্ড হিম্মত ও সাহসিকতার সাথে এসবের মোকাবেলা করে এসেছেন। একেকটি ফিতনার প্রেক্ষাপট, প্রাদুর্ভাব ও সর্বগ্রাসী প্রতিক্রিয়ার কথা চিন্তা করলে মস্তিষ্ক স্থবির হয়ে পড়ে। অথচ উলামায়ে কেরাম কী নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সাথে এই ফিতনাগুলোর মোকাবেলা করে যাচ্ছেন। খুব করে ভাবছিলাম—এত ফিতনা এবং এত গুরুতর রূপে কেন উদ্ভাবিত হয়েছে ও হচ্ছে? ভাবতে ভাবতেই একটা আয়াত চোখে পড়ল। পড়তেই অভিভূত হয়ে গেলাম। কী সুন্দর করে এই প্রশ্নের উত্তর কোরআনেই দিয়ে দেয়া হয়েছে— أَحَسِبَ النَّاسُ أَن يُتْرَكُوا أَن يَقُولُوا آمَنَّا وَهُمْ لَا يُفْتَنُونَ وَلَقَدْ فَتَنَّا الَّذِينَ مِن قَبْلِهِمْ ۖ فَلَيَعْلَمَنَّ اللَّهُ الَّذِينَ صَدَقُوا وَلَيَعْلَمَنَّ الْكَاذِبِينَ—العنكبوت ١-٢ অর্থ : মানুষ কি মনে করে যে, একথা বলেই তারা পার পেয়ে যাবে—আমরা ঈমান এনেছি; অথচ তাদেরকে ফিতনায় (পরীক্ষায়) ফেলা হবে না? আমি অবশ্যই ফিতনায় ফেলেছি তাদেরকে, যারা এদের পূর্বে ছিল। ফলে আল্লাহ অতিঅবশ্যই জেনে নিবেন তাদেরকে, যারা সত্যবাদী এবং অতিঅবশ্যই জেনে নিবেন মিথ্যাবাদীদেরকে।' [সূরা আনকাবুত : ১, ২] মুমিনকে আল্লাহ তাআলা পরীক্ষায় ফেলবেন—একথা চিরন্তন সত্য। ব্যক্তিগত, পারিবারিক কিংবা জাতিগত—এই পরীক্ষা সব রকমেই হতে পারে। ব্যক্তিজীবনের কষ্ট-ক্লেশ যেমন হতে পারে, তেমনি দ্বীনি পরীক্ষাও হতে পারে। এই আয়াতে পরীক্ষা বোঝাতে ব্যবহৃত শব্দটি হলো—ফিতনা। মুমিনের জীবনে সবচেয়ে বড় পরীক্ষা ও ফিতনা হলো দ্বীন ও ঈমানের পরীক্ষা। বিপদ দিয়ে যেমন আল্লাহ তাআলা ঈমানের পরীক্ষা নেন, তেমনি বিভিন্ন গোমরাহ ও ভ্রষ্ট চিন্তা-বাদ-মতবাদ দিয়েও পরীক্ষায় ফেলেন। উক্ত আয়াতে একথাই বলা হয়েছে। আয়াতটা পড়ার পর থেকে সব ধরণের অস্থিরতা প্রশমিত হয়ে গেছে। ফিতনার কারণও আল্লাহ বলে দিয়েছেন। ফিতনা থাকবেই। এই আয়াত থেকে বোঝা যায়, ফিতনা অতীতে ছিল, বর্তমানে আছে; ভবিষ্যতেও থাকবে। তাহলে এক্ষেত্রে করণীয় কী? দোয়া করা, সতর্ক থাকা, ফিতনার মোকাবেলায় নিজেকে সত্যের উপর প্রতিষ্ঠিত রাখা, ইস্তেকামাতের জন্য দোয়া করা এবং অন্যকে ফিতনা থেকে সতর্ক করার চেষ্টা করা। ফিতনা মানুষকে যেকোনো মুহূর্তে ঈমান থেকে হটিয়ে দিতে পারে; একদমই অজান্তে। হেদায়েত ভেবেও কতজন গোমরাহিতে ছিটকে পড়ে। এজন্য আল্লাহ তাআলা সূরা আলে ইমরানে হেদায়েতের দোয়া শিক্ষা দিয়েছেন। رَبَّنَا لَا تُزِغْ قُلُوبَنَا بَعْدَ إِذْ هَدَيْتَنَا وَهَبْ لَنَا مِن لَّدُنكَ رَحْمَةً ۚ إِنَّكَ أَنتَ الْوَهَّابُ "হে আমাদের রব, হেদায়েত দেওয়ার পর আমাদের হৃদয়কে বক্র করে দিবেন না। আমাদেরকে আপনার কাছ থেকে রহমত দান করুন। নিশ্চয় আপনিই মহান দাতা।" [সূরা আলে ইমরান : ৮] হেদায়েতের পথে অবিচল থাকার জন্য বেশি-বেশি এই দোয়া করা জরুরি। #QuraniLamahat
https://youtu.be/WblJIr5J2Yg?si=QQxAi8RwP8_ifct5
আমাদের প্রজন্মের জন্য বর্তমান সময়টা যত বেশি স্ট্রেসফুল, এতটা মনে হয় কোনো যুগেই ছিল না। করোনার সময় থেকে হুট করে এত বেশি আকাশ-পাতাল তফাৎ হয়ে গেছে সবকিছুতে, লাইফের ব্যালেন্স বলতে কিছু নেই এখন। সবকিছু ইমব্যালেন্স, সবকিছু অসম, স্ট্রেসফুল। আল্লাহ তাআলা সবার জন্য আসান করুন সবকিছু।
এটাই গণতান্ত্রিক রাজনীতির আসল চরিত্র। যখনই দ্বীন, ঈমান ও ধর্মীয় কোনো প্রসঙ্গ আসবে, তখন তারা গণতন্ত্রকে ঢাল বানিয়ে নিজেরা পাশ কাটিয়ে যাবে। কিন্তু যখনই নিজেদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রসঙ্গ আসবে, তখনই দ্বীন, ঈমান ও ধর্মকে নিজেদের পক্ষে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করবে। নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী যে আয়াতটি ব্যবহার করেছে, এটি নাযিল হয়েছে কাফেরদের বিরুদ্ধে শক্তি ও প্রস্তুতি গ্রহণ নিয়ে। কিন্তু পাটোয়ারী আয়াতটিকে ব্যবহার করেছে নিজেদের স্বার্থ উদ্ধারের পক্ষে। যেটা স্পষ্টতই আয়াতের বিকৃতি। অথচ, যখন উপরোক্ত আয়াতের প্রকৃত অর্থ ও উদ্দেশ্য নিয়ে আলোচনা হবে, তখন এরাই কথিত উগ্রবাদের বয়ান নিয়ে হাজির হবে। একদম পিওর ধর্মব্যবসা যাকে বলে।
📢 𝗥𝗲𝗴𝗶𝘀𝘁𝗿𝗮𝘁𝗶𝗼𝗻 𝗜𝘀 𝗡𝗼𝘄 𝗢𝗽𝗲𝗻! Limited Time • 20% OFF. শিশু অসুস্থ হলেই অনেক মা বুঝতে পারেন না— বাসায় কী করবেন, আর কখন দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যাবেন। ইমারজেন্সি সিচুয়েশনে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়াই কঠিন হয়ে পড়ে। এই অনিশ্চয়তা দূর করতে আমরা নিয়ে এসেছি 𝗖𝗵𝗶𝗹𝗱 𝗖𝗮𝗿𝗲 𝗣𝗿𝗼𝗴𝗿𝗮𝗺 𝗳𝗼𝗿 𝗠𝗼𝘁𝗵𝗲𝗿𝘀. জন্ম থেকে ৫ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুর যত্ন শেখার একটি পূর্ণাঙ্গ কোর্স। এই কোর্সে আপনি শিখবেন ✅ নবজাতকের প্রথম ৩০ দিনের সঠিক পরিচর্যা ✅ Breastfeeding ও Formula Feeding-এর সঠিক নিয়ম ✅ ৬ মাস পর শিশুর খাবার শুরু করার সঠিক পদ্ধতি ✅ শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও Development বোঝার উপায় ✅ জ্বর, কাশি, ডায়রিয়া, বমি, অ্যালার্জিসহ সাধারণ অসুখে করণীয় ✅ টিকাদান, পরিচ্ছন্নতা ও রোগ প্রতিরোধ ✅ Choking, খিঁচুনি, পোড়া, বিষক্রিয়াসহ জরুরি পরিস্থিতিতে করণীয় এছাড়াও কোর্সে পাবেন বিভিন্ন Checklist, Growth Chart, Food Chart, Medicine Dose Guide এবং Quick First Aid Chart. ইন্সট্রাক্টর : ডা. তানজিনা তাসনীম এমবিবিএস (DMC) এফসিপিএস পার্ট-১ (শিশুরোগ) জেনারেল ফিজিশিয়ান 💰 রেগুলার ফি: ৳১০০০ 🔥 সীমিত সময়ের জন্য মাত্র ৳৮০০ 📩 ভর্তি হতে এখনই মেসেজ করুন https://wa.me/8801557078172
আল্লাহর ঘর কাকে কখন ডেকে নেয়—বলা যায় না। গত কয়েক বছরে হজ মানুষের আওতার বাইরে চলে গেছে। ওমরাও মধ্যবিত্তের স্বপ্নের বাইরেই প্রায়। এই কয়েক মাস অনেকটা সীমিত খরচে অফার চলছে বিভিন্ন এজেন্সিতেই। যাদের স্বপ্ন ও সুযোগ আছে—এই সময়টা মোক্ষম সুযোগ হতে পারে। এই দুআটা বেশি করে পড়তে পারেন— اللهم ارزقني زيارة بيتك الحرام وزيارة نبيك. এটা সরাসরি হাদিসের দুআ না, তবে, মানুষের বহুল আমলকৃত সুন্দর অর্থবোধক মুবাহ দুআ। #Baitullah #Hajj #Umrah
ইস্তেগফার, দরুদপাঠ ও পরিশ্রম—প্রয়োজনগ্রস্ত ব্যক্তির জন্য এই তিনের সমন্বয়ের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু নেই।
অন্যের গোপন গুনাহ—হোক সে ইন্ডিভিজুয়াল বা কোনো দল/গোষ্ঠী—নিয়ে অতি উচ্ছ্বসিত হতে নেই। কারণ, অতি মাতামাতির ফলে যে জুলুম ও বাড়াবাড়ি হবে, তার বদলা যে-কোনো সময় আল্লাহর পক্ষ থেকে নেমে আসতে পারে। উচ্ছ্বাসকারীর যে-কোনো গুনাহ পাবলিক হয়ে লাঞ্ছনার কারণ হতে পারে। গত কয়েক সপ্তাহ জামাতি ছিঁচকে কর্মী থেকে গুজববাজ এক্টিভিস্ট—কওমি মাদরাসা ইস্যুতে যে আস্ফালন করেছে, তাতে নিজ দলের এমন একটা ঘটনা এত দ্রুত সামনে চলে আসবে—এমনটা তারা কস্মিনকালেও ভাবেনি। এখন ঠিকই দলকে বাঁচাতে কাঁচা কাঁচা মিথ্যা প্রতি মুহূর্তে প্রসব করছে, আর সেসব ডিবাংক হয়ে লাঞ্ছিত হচ্ছে। এজন্যই বলা হয়— Never celebrate too early, Or Don't rejoice over someone else's sins.
🌸 শুধুমাত্র বোনদের জন্য At-Turath Academy-এর পক্ষ থেকে চালু হয়েছে একটি Private Female Community. এখানে ইন শা আল্লাহ নিয়মিত থাকবে— ◈ ঈমান, আমল ও আত্মশুদ্ধিমূলক নসিহত ◈ নারীদের জন্য বিশেষায়িত কোর্সের আপডেট ◈ দৈনন্দিন জীবন ও নারী-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ শরঈ মাসআলা ◈ প্রয়োজনীয় ইসলামিক রিসোর্স ও নোটিশ ◈ একটি নিরাপদ, পর্দাসম্মত ও দ্বীনমুখী পরিবেশ আপনি যদি একজন বোন হয়ে থাকেন এবং দ্বীন শেখার একটি সুন্দর ও নির্ভরযোগ্য কমিউনিটির অংশ হতে চান, তাহলে আজই যুক্ত হয়ে যান। 🔗 Join the Private Female Community: https://t.me/+73BNzFLF5lE5ZTE1� আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে সহিহ ইলম অর্জন ও তার উপর আমল করার তাওফীক দান করুন। আমীন। #AtTurathAcademy #FemaleCommunity #SistersOnly #IslamicLearning #Muslimah #TelegramCommunity
ليس هناك منظر أقبح من منظر شاب صحيح الجسم لكنه جالس باطلاً عن العمل شاكياً باكياً يائساً متنقلاً بين حجرات منزله.. قم يا أخي وتعلم لغة أو مهارة أو حرفة وخذ بأسباب الحياة وإعالة نفسك... تستطيع اليوم تعلم كل شيء على الإنترنت وهناك مواقع مجانية كثيرة تستطيع أن تتعلم منها ما تشاء. الشعور بالفراغ وذل الحاجة والسؤال أقسى على الحر الكريم من مشقة أي جهد يبذله في أي مجال. العمل عبادة وطاعة وغنى وصحة نفسية والمال يعينك على البر والصدقة وترفيه أهلك وأسرتك. د. عبد الكريم بكار. যারা আরবি বোঝেন, আলহামদুলিল্লাহ। যারা বুঝেননি, বোঝার আগ্রহ থাকলে আত-তুরাসের এরাবিক কোর্সে ভর্তি হয়ে যান। বিস্তারিত জানতে : https://wa.me/8801557078172
যাদের হাতে সময় আছে, কিন্তু কী করবেন ভেবে পান না, তারা At-Turath Academy তে আমার কাছে আরবি শিখুন। সময় কাজে লাগান। এটা প্রাইমারি আরবি। একদম বেসিক থেকে। ছেলে-মেয়ে আলাদা ব্যাচ। মেয়েদের জন্য মহিলা শিক্ষিকা আছেন। যারা আরেকটু এডভান্স শিখতে চান, তাদের জন্য শীঘ্রই আলাদা ব্যবস্থা আছে। বিস্তারিত একাডেমির চ্যানেলে দেখুন। ভর্তি হতে মেসেজ করুন একাডেমির হোয়াটসঅ্যাপে : https://wa.me/8801557078172
যাদের বয়স ২৫-এর বেশি তারা মাথায় রাখতে পারেন ১. শরীরের বয়স বাড়া মানেই অভিজ্ঞ ব্যাপারটা এমন না। অনেকের বয়স ৫০ পার হলেও বালখিল্য আচরণ বন্ধ হয় না। শুধু বয়সে বড় বলেই আপনি সবার মুরব্বি এবং আপনি আদেশ করবেন, সবাই কাজ করবে—এই মানসিকতা বর্জন করুন। বয়সের সাথে পড়াশোনা, অভিজ্ঞতা, পরামর্শ, বিশ্লেষণ যোগ হলে তখন মানুষ নেতৃত্বের পর্যায়ে যায়। অন্যথায় সমাজে সিংহের চামড়া পরিধান করা গাধার সংখ্যাই বাড়ে। উমর রা. বলেছিলেন, তোমরা নেতৃত্বের আগে যোগ্যতা অর্জন করো। কোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত দিতে চাইলে আগে নিজেকে নিজে প্রশ্ন করুন—আপনি এ বিষয়ে যোগ্য কি না। সবচেয়ে ভালো হবে, নেতা হওয়ার খাহেশ রাখবেন না। নিজেকে মুজাদ্দিদ ভাববেন না। আপনার আগে দ্বীনের কাজ কেউ বুঝেনি, আপনি একাই বুঝে ফেলেছেন—এই মনোভাব রাখবেন না। সব গোমরাহ ফিরকা এই কথা বলেই নিজের গোমরাহি চালু করেছে। ২. অনর্থক উত্তেজনা সরবরাহ করবেন না। আপনি হয়তো উত্তেজনা সরবরাহ করে নিজের প্রিভিলেজড লাইফেই থাকবেন। আপনার ফিন্যান্সিয়াল, প্রশাসনিক ব্যাকআপের কারণে নিরাপদ থাকবেন। কিন্তু অল্পবয়সি মেট্রিক/ইন্টার পাশ কোনো ছেলে নিজের উপর এমন বিপদ টেনে নিবে, যা পুরো পরিবারকেই ধবংস করবে। হঠকারী কোনো কাজে কাউকে উৎসাহ দিবেন না। "অতিরিক্ত হকপন্থি" সাজবেন না, অন্যের কাছেও আশা করবেন না। নিজের সীমাবদ্ধতা প্রকাশ্য রাখবেন। কাউকে কল্পিত জগতের লোভ দেখাবেন না। আপনি যা, মানুষ যেন তা-ই মনে করে। এমন ভাব নিবেন না যে, পুরো পৃথিবীর জিম্মাদারি আপনি একা নিয়েছেন এবং কাজ করে যাচ্ছেন। অল্পবয়সি ছেলেদের আবেগ বুঝে কথা বলবেন। কোনো ভুল বার্তা দিবেন না। যা পারবেন না, তা করার ভান ধরবেন না। একদিকে একের পর এক সংগঠন খোলার তাল করবেন, দুদিন পর সেগুলো বন্ধ করবেন আর অনুসারীদের সামনে ভাব নিবেন—তাদের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। আপনি দারুল কুফরে থাকবেন, উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করবেন, ফ্রি মিক্সিং আছে জেনেও বড় প্রতিষ্ঠানে পড়াবেন, আর ইন্টার পাশ ছেলেটার কাছে আশা করবেন—তারা যেন সব ছেড়ে ঘরে বসে থাকে। এসব কোনো দাঈর মেজাজ হতে পারে না। যা বলবেন, তা আগে নিজে আমল করবেন বা করার চেষ্টারত থাকবেন। ৩. দাওয়াতের কাজ করবেন উসুলিভাবে। সবাইকে উৎসাহ দিবেন তা করতে। দাওয়াতের নামে অযথা যে-কোনো কাজকে নিরুৎসাহিত করবেন। যারা এমন করে তাদের থেকে দূরে থাকবেন। ৪. নিজেদের আশেপাশে কোনো ছাপড়ি রাখবেন না। এদের উৎসাহ দিবেন না। এই ছাপড়িরাই আপনাদেরকে রূপকথার নায়ক বানায়, এরাই আপনাদেরকে বিপদে ফেলে। যারা গত দুইবছরে একের পর এক ভুল ইস্যুতে জড়িয়েছে তাদের পাশে দাঁড়াবেন না। সবার ভুল নিজের কাঁধে নিবেন না। ৫. পারলে ছেলেপেলের জন্য গঠনমূলক কিছু করুন। তাদেরকে স্কিল শেখান, পড়াশোনা শেখান, দাওয়াতি কাজ শেখান, ইলম শেখার ব্যবস্থা করে দেন। না পারলে নিজেকে ও নিজের পরিবারকে নিয়ে থাকুন। সন্তান মানুষ করার চিন্তা করুন। তবুও আল্লাহর ওয়াস্তে আপনারা যা করবেন না বা করতে পারবেন না, তা করার ভান দেখিয়ে ছেলেদের জীবন নষ্ট করবেন না। আপনাদের কারণেই নানাজন টোপ ফেলে। নিরীহ ছেলেরা ধরা খায়। বছরের পর বছর কারাগার ও আদালতে কেটে যায়। আপনারা ফেসবুকে মায়াকান্না করেন। তারপর আগের চক্রের আবার পুনরাবৃত্তি ঘটে। কাজের কাজ কিছুই হয় না। ৬. নিজের কাজের দায় নেয়া শিখুন। নানাজনের পোস্ট শেয়ার দিয়ে ইস্যু গরম করবেন। তারপর বেকায়দা দেখলে চুপিসারে ডিলেট করে দিবেন। এটা ধোঁকা ছাড়া আর কিছু না। কোনোকিছু লেখা বা শেয়ার করার আগে ভেবেচিন্তে করুন। যা করবেন তা ভুল হলে স্পষ্ট করুন। ভুল স্বীকার করুন। নিজে সাধু সেজে সবাইকে অপরাধী বানানোর নোংরা খেলা বন্ধ করুন। কথাগুলোতে কষ্ট পেলে মাফ করবেন। এগুলো প্রথমে নিজেকে বলা, এরপর সবাইকে বলা। (নির্দিষ্ট কাউকে উদ্দেশ্য করে বলা হয়নি। আপনারা কারো দিকে নিবেন না। তবুও নিলে, যে নিয়েছেন, দায় তার।)
যাদের বয়স ২৫ এর নিচে তারা মাথায় রাখতে পারেন— ১। যদি ছাত্র হন তাহলে ভালোভাবে পড়াশোনা করুন। ফ্রি মিক্সিংয়ের কারণে সমস্যা হলে দক্ষ ও অভিজ্ঞ আলেমদের শরণাপন্ন হোন। পরামর্শ নিন। অমুক হকপন্থী ভাই, তমুক গুরাবা ভাইয়ের কথায় কোনো সিদ্ধান্ত নিবেন না। কমিউনিটির যাদের দেখে আপনারা অনুপ্রাণিত হন, তাদের কেউই কিন্তু লেখাপড়া ছেড়ে দেয়নি। বরং সবাইই সাধ্যমত উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেছেন, করছেন। সমস্যা আছে, থাকবে, এগুলো কীভাবে পাশ কাটানো যায় সেই পরামর্শ নিবেন অভিজ্ঞ আলেমদের থেকে। তারা বাস্তবসম্মত পরামর্শ দিবেন। একান্তই পড়াশোনা ভালো না লাগলে স্কিল শিখুন, ব্যাবসা করুন, হালাল রিজিক উপার্জনের ব্যবস্থা করুন। পেশাগত ব্যস্ততায় ঢুকে যান। অবসর থাকবেন না। অলস মস্তিষ্ক শয়তানের কারখানা। ২। হুটহাট আবেগে হঠকারী কোনো কাজ করবেন না। যারা করে তাদের থেকে এক হাজার গজ দূরে থাকবেন। এবার আপনাকে ভীরু, কাপুরুষ যাই বলা হোক, পরোয়া করবেন না। রাজনীতি করতে মন চাইলে কোনো দলে ঢুকে যান। প্রচলিত দলগুলোর নানা সমস্যা আছে সত্য, কিন্তু ইস্যুগুলোকে তারা যেভাবে বুঝতে পারে অরাজনৈতিক ব্যক্তিরা তা পারে না। গাজীপুরের ইমামের কাহিনীসহ গত দুই বছরে বহু ইস্যু এমন এসেছে যেখানে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সতর্কতাই শেষ পর্যন্ত সঠিক প্রমাণিত হয়েছে। তাছাড়া দলীয় রাজনীতি করে কোনো ঝামেলায় পড়লে দলকে পাশে পাবেন। একা বিপদে পড়লে কেউ পাশে থাকবে না। এবং এটা স্বাভাবিক। অবশ্য দীর্ঘমেয়াদি দাওয়াতি চিন্তাধারা থাকলে দলীয় রাজনীতিতে না জড়ানো উত্তম। কিন্তু যদি মাঠের কর্মসূচি ভালো লাগে তাহলে দল করাই উত্তম। ৩। দ্বীনের জন্য কিছু করতে মন চাইলে বিদ্যমান যে কোনো দাওয়াতি, ইলমি ও ফিকরি মেহনতে সংযুক্ত হোন। যেটা সম্ভব নয়, সেখানে পণ্ডশ্রম করবেন না। অভিজ্ঞ আলেমদের পরামর্শ শুনবেন না, কাজ করবেন নিজের মনোমতো, এরপর বিপদে পড়লে কেউ কেন উদ্ধার করতে যাচ্ছে না—সেই কান্না করবেন, এটা উচিত না। ৪। কমিউনিটির যারা তিনবেলা উত্তেজনা সরবরাহ করে তাদের থেকেও দূরে থাকবেন। তাদের পোস্ট দেখে আপনি গরম হবেন, প্রথম আলো পোড়াবেন। উনারা হয়তো পোস্ট ডিলেট করবেন বা তাবিল করবেন। আপনি থাকবেন জেলখানায়, নিজের মামলার ঘানি নিজে টানবেন। কাউকেই পাশে পাবেন না। বাস্তবতা অনেক কঠিন। কখনো বাস্তবতা ভুলবেন না। কেউ বিপদে পড়লে তার পরিবারই সাফার করে। অন্য কেউ না। সবসময় বিপদ থেকে বেঁচে থাকার দোয়া করবেন। অযথা বিপদ টানবেন না, বিপদে পড়ার আগ্রহও রাখবেন না। ৫। নিজের জীবন, যোগ্যতা ও পেশা নিয়ে সিরিয়াস হবেন। নিজেকে গঠন না করে কেউ জাতিকে গঠন করতে পারে না। অযোগ্য লোক বড়জোর কালো পাগড়ি আর ময়লা বাবরি নিয়ে বাইকে করে এলাকা চক্কর দিয়ে জিহাদি নাশিদ লাগিয়ে ভিডিও ছাড়বে, এর বেশি কাজে তাকে পাবেন না। মুতামিদ বিন আব্বাদ বলেছিলেন, এক হাজার অসুস্থ লোক দিয়ে কোনো সেনাবাহিনী বানানো যায় না, বরং তা দিয়ে হাসপাতাল খোলা যায়। হাজার হাজার অসুস্থ মানুষের কোনো দরকার নেই, যোগ্য অল্পকিছু মানুষই যথেষ্ট। ৬। যে-কোনো ইস্যু সামনে আসলে ৫ দিন অপেক্ষা করবেন, এরপর সিদ্ধান্ত নিবেন। গত দুই বছরে দেখুন, বেশিরভাগ ইস্যু প্রথমে যেমন মনে হয়েছে পরে আর তেমন থাকেনি। সুতরাং অপেক্ষা করুন, ইস্যুটা ভালোমত স্পষ্ট হোক। ইস্যু না বুঝেই যিশু সেজে অন্যের পাপ নিজের কাঁধে নেয়া থেকে বিরত থাকবেন। যাদের বয়স ২৫ এর বেশি তাদের কিছু বলা দরকার নেই। এতদিনে তাদের বাস্তবতা বুঝে আসার কথা। যদি না আসে তাহলে বলেও লাভ হবে না। কথাগুলোতে কষ্ট পেলে মাফ করবেন।
📖 কুরআনিক আরবি লেভেল–১ [এসো আরবি শিখি (১ম খণ্ড)] (নারী ও পুরুষের জন্য সম্পূর্ণ পৃথক ব্যাচ) পবিত্র কুরআনের ভাষা ও আরবি সাহিত্যের মজবুত ভিত্তি গড়ে তোলার জন্য 'এসো আরবি শিখি' (১ম খণ্ড) একটি অনন্য ও কালজয়ী পাঠ্যগ্রন্থ। আপনি যদি একদম শূন্য থেকে শুদ্ধভাবে আরবি ভাষা শিখতে চান, তাহলে এই কোর্সটি আপনার জন্যই। 📌 কোর্স ওভারভিউ মোট ক্লাস: ৪২টি কোর্সের মেয়াদ: ১৬ সপ্তাহ (৪ মাস) সাপ্তাহিক ক্লাস: ৩ দিন ক্লাসের দিন: শনি, সোম ও বুধবার ক্লাসের মাধ্যম: আত-তুরাস একাডেমির ওয়েবসাইট। 🎯 এই কোর্সটি কাদের জন্য? * যারা একদম শুরু থেকে (Zero Level) আরবি ভাষা ও ব্যাকরণ শিখতে চান। * যারা কুরআনের অর্থ ধীরে ধীরে নিজে বুঝতে সক্ষম হতে চান। * মাদরাসা ও জেনারেল—উভয় ধারার শিক্ষার্থী। যে কোনো বয়সের আরবি ভাষাপ্রেমী। * নারী-পুরুষ উভয়ের জন্য। আরও বিস্তারিত জানতে মেসেজ করুন : https://wa.me/8801557078172 #AtTurathAcademy #QuranicArabic #NewBatch
আলহামদুলিল্লাহ, আত-তুরাস একাডেমির জন্য অন্যতম আনন্দের দিন। ওয়ান টু ওয়ান ফিমেল তাজভিদ-সহ কুরআন কোর্সের একজন আপু ২/০৭/২০২৬ বৃহস্পতিবার কুরআনের সবক নিয়েছেন। মেল/ফিমেল ওয়ান টু ওয়ান তাজভিদ-সহ কুরআন কোর্সে ভর্তি হতে মেসেজ করুন : https://wa.me/8801557078172 #AtTurathAcademy #Quran
আলহামদুলিল্লাহ।
без подписи
মাহমুদ সিদ্দিকী pinned «কারবালার ইতিহাস মুহাররম এলেই কারবালা নিয়ে শুরু হয় নানা পক্ষ-বিপক্ষ আলোচনা। ইতিহাসের দোহাই দিয়ে একদল হযরত হুসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহুকে আঘাত করেন, আরেক দল হযরত মুআবিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহুকে গালাগাল করেন। অথচ এই ইতিহাসের ফলাফলটুকু নিছক ইতিহাস না, বরং ক্ষেত্রবিশেষে…»
কারবালার ইতিহাস মুহাররম এলেই কারবালা নিয়ে শুরু হয় নানা পক্ষ-বিপক্ষ আলোচনা। ইতিহাসের দোহাই দিয়ে একদল হযরত হুসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহুকে আঘাত করেন, আরেক দল হযরত মুআবিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহুকে গালাগাল করেন। অথচ এই ইতিহাসের ফলাফলটুকু নিছক ইতিহাস না, বরং ক্ষেত্রবিশেষে আমাদের আকিদার সাথেও সম্পৃক্ত। কারবালার ইতিহাস ও এ-সংক্রান্ত পর্যালোচনা জানতে দেখুন দুই পর্বের বিস্তারিত আলোচনাটি। কারবালা হত্যাকাণ্ড : ইতিহাস ও পর্যালোচনা
হিফজুল কুরআনকে মুহাব্বত করতে শেখা যাকে দেখে জামিয়া ইউনুসিয়ার হিফজ বিভাগের প্রধান ছিলেন মাওলানা যুবাইর আহমদ নূহ সাহেব রহ.। বি-বাড়িয়াতে হুজুরকে চিনেন না, এমন কোন আলেম ও তালিবুল ইলম পাওয়া মুশকিল। হিফজের বছর আমি আবিষ্কার করি, হুজুরের বিছানার পাশে একটি র্যাকে অনেক আরবি কিতাব। যেগুলোর প্রচ্ছদ মেরুন, উপরে সোনালী রঙে কিতাবের নাম লেখা। ভেতরে কালো কালির পাশাপাশি লাল কালিতে বিভিন্ন শিরোনাম লেখা। সকাল বেলা নাস্তার সময় মাঝেমধ্যে কোনো একটা কিতাব খুলে পড়তেন। আমাদের সামনে বাসা থেকে ফোন এলে আরবিতে কথা বলতেন। আমাদের অন্ধ সহপাঠী আশরাফুল ইসলাম শান্তকে দরসিয়্যাতের বিভিন্ন কিতাব পড়াতেন। ২০০৮ সালে জামিয়া ইউনুসিয়ার বার্ষিক মাহফিলে শান্তকে নিজের লেখা আরবি বক্তৃতা শিখিয়ে মাহফিলের মঞ্চে বাদ যোহর প্রদর্শনী করান। যতদূর মনে পড়ে, কিতাব বিভাগের বড় ভাইদের সাথে বক্তৃতা দিয়ে শান্ত পুরস্কার পেয়েছিল। রাত হলে হেফজখানার ছাত্ররা যখন ঘুমের প্রস্তুতি নিত, নূহ সাহেব তখন Nokia N73 মোবাইলে তারিক জামিল সাহেবের উর্দু বয়ান শুনতেন। অলিম্পিকের Tip বিস্কুট, চিনি ছাড়া রং চা এবং উর্দু বয়ান—এই তিনের সমন্বয়ে শুরু হতো হুজুরের রাত। নূহ সাহেব জালালাইন থেকে [যতদূর মনে পড়ছে] দাওরা পর্যন্ত পড়েছেন দেওবন্দে। আরবি-উর্দু পারতেন সমানতালে। হুজুরের আহলিয়া ছিলেন বি-বাড়িয়া শহরের এক মাদরাসার যিম্মাদার। আমাদের সামনে যখন বাসা থেকে ফোন আসতো, তখন সম্পূর্ণ কথাবার্তা বলতেন আরবিতে। কিন্তু, অবাক করা ব্যাপার হলো—এই মানুষটি পুরো জীবন কাটিয়ে দিয়েছেন হেফজখানায় শিক্ষকতা করে। কৈশোরের তুমুল কৌতূহল নিয়ে সরল মনে ভয়ে ভয়ে জিজ্ঞেস করেছিলাম, "হুজুর, আপনার তো কিতাবখানায় পড়ানোর কথা। হেফজখানায় পড়াচ্ছেন কেন?" উত্তরে হুজুর শুধু এটুকু বলেছিলেন—"আমার আব্বার ওসিয়ত। দেওবন্দ থেকে ফেরার পর আব্বা বলেছেন, সারা জীবন যেন হেফজখানায় কুরআনের খেদমত করি।" এই এক ওসিয়তে সারা জীবন তিনি হেফজখানায় কুরআনের খেদমতে কাটিয়ে দিয়েছেন। জামিয়া ইউনুসিয়ার বিশাল মসজিদে একাকী তারাবিহ পড়াতেন। অথচ সারাদিনে তিলাওয়াত করতেন একবার, সেই তিলাওয়াত মোবাইলে রেকর্ড করে শুনতেন আর একবার। হিফজুল কুরআনকে মুহাব্বত করতে শিখেছি নূহ সাহেব হুজুরের কাছ থেকে। বর্তমান যুগে নিজের এমন মেধা ও যোগ্যতাকে কুরবান করার দৃষ্টান্ত পাওয়া অসম্ভব। হুজুরের সাথে সর্বশেষ দেখা, ২০১৫ সালে জামিয়া ইউনুসিয়ার শতবার্ষিকী মাহফিলে। এরপর ২০১৭ সনে হঠাৎ একদিন বড় ভাই ফোন করে জানালেন, নূহ সাহেব হুজুর মারা গেছেন। এরপর বহুবার মনে হয়েছে, এখনও মনে হয়, কিছুদিনের জন্য যদি সবকিছু ছেড়েছুড়ে হিফজুল কুরআনের খেদমত করতে পারতাম? #QuraniLamahat #HifzulQuran