The voice of the people
Статистика- Последний пост
- 13 авг.
- Последнее чтение
- 15 авг.
- Постов за неделю
- 13
- Всего постов
- 43
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- Категория
- Новости и СМИ (по похожим)
- В каталоге с
- 13 авг.
- 1/24сутки в ленте
- 294
- 1/48двое суток
- 336
- 1/72трое суток
- 363
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
ডিসকাশন গ্রুপ👉 @musafir333
ইমাম কুরতুবী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন — “জান্নাতে মহিলা কম হবে এটা জান্নাতে প্রবেশের প্রথম অবস্থা হবে। অতঃপর আল্লাহর রহমত এবং নবীর (ﷺ) সুপারিশ হবে তখন তাদের পরিমাণ বেড়ে যাবে এবং প্রত্যেক পুরুষের জন্য দুইজন করে দুনিয়ার স্ত্রী হবে। আর জান্নাতের হুর অগণিত থাকবে যা কেউ গণনা করে শেষ করতে পারবে না।” [তাজকিরাতুল কুরতুবী, ২/৪৭৫]
পৃথিবীতে পোশাকবিহীন এসেছিলে, হে গালিব! একটা কাফনের জন্য এত লম্বা সফর করলে! —মির্জা গালিব
এক ব্যক্তি ইবনে আব্বাস রা.-কে বললেন: “আল্লাহর কাছে দুআ করুন, যেন তিনি আমাকে মানুষের মুখাপেক্ষিতা থেকে মুক্ত করে দেন।” তখন ইবনে আব্বাস রা. বললেন: “কোনো মানুষই অন্য মানুষের প্রয়োজন থেকে পুরোপুরি অমুখাপেক্ষী হতে পারে না। বরং আল্লাহর কাছে দুআ করো, যেন তিনি তোমাকে নীচ ও হীন চরিত্রের মানুষের মুখাপেক্ষিতা থেকে মুক্ত রাখেন।” — আন-নাওয়াদির ওয়াত-তুহাফ, পৃ. ৩২৮
ইবনুল কাইয়্যিম রহ. বলেছেন, “দুনিয়াতে সবচেয়ে কঠিন শাস্তি হলো—আল্লাহ তোমার জিহ্বাকে তাঁর যিকির থেকে বিরত করে দেবেন।”
অন্তরে মরিচা পড়ে দুইভাবে: ১. গাফিলতির মাধ্যমে ২. গুনাহের মাধ্যমে আর এই মরিচা দূর করার পদ্ধতিও দুইটি: ১. ইস্তিগফার করার মাধ্যমে ২. আল্লাহ তায়ালার জিকিরের মাধ্যমে [ আল ওয়াবিলুস সায়্যিব - ১০৬ ]
আল্লাহ তাআলা সেই ব্যক্তির মুখ উজ্জ্বল করুন, যে আমার কোনো হাদিস শুনেছে এবং যেভাবে শুনেছে, সেভাবেই তা অপরের নিকট পৌঁছিয়েছে। অনেক সময় যার কাছে দাওয়াত পৌঁছানো হয় সে যার নিকট থেকে শুনেছে তার চেয়ে বেশি রক্ষণাবেক্ষণকারী হয়ে থাকে। -মুহাম্মাদ সা. (তিরমিজি ২৫৮১)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ নবী সাল্লাল্লাহি ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ কোন ব্যক্তির মিথ্যাবাদী সাব্যস্ত হওয়ার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে, সে কোন কথা শোনামাত্রই (যাচাই না করে) বলে বেড়ায়। • সুনানে আবু দাউদ | ৪৯৯২, সহীহ মুসলিম | ৫
السلام عليكم و رحمة الله و بركاته সম্প্রতি কয়েকজন আমাদের টেলিগ্রাম এড সম্পর্কে জানিয়েছেন। আমরা পূর্বেও জানিয়েছিলাম টেলিগ্রাম এড আমাদের নিয়ন্ত্রণে নাই। ১ হাজার বা তার বেশি যাদের সাবস্ক্রাইবার আছে সবার চ্যানেলেই এড আসে অটোমেটিক, এটা টেলিগ্রাম থেকেই দেয়। আমরা চাইলেও এটাকে বন্ধ করতে পারব না। আপনারা চাইলে এডের পাশে ৩ ডটে ক্লিক করে এড অফ করতে পারেন এভাবে কয়েকবার করলে ইনশাআল্লাহ আর আপনাদের সামনে আসবে না।
বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর, পুরোদমে শিক্ষার মানোন্নয়নে এলাকার সাধারণ বিএনপি নেতাও নিরলস পরিশ্রম করেছেন। তারা রাত-দিন পরিশ্রম করে বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের এডহক কমিটিতে নাম লিখিয়েছেন। এদিকে লাখো শিক্ষিত বেকারের শিক্ষক হওয়ার শেষ আশা ছিলো NTRCA মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ। এজন্য লাখো তরুন রাত দিন একাকার করে পড়ালেখা চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু শুনা যাচ্ছে এবার শিক্ষক নিয়োগ NTRCA দিবে না, নিয়োগ দিনে সেই স্কুল-কলেজের ম্যানেজিং কমিটি (এডহক কমিটি)। তাই এবার উক্ত স্কুলের শিক্ষক কে হবেন তা নিয়োগ দিবেন উক্ত স্কুলের এডহক কমিটির সম্মানিত সভাপতি, মেহনতী মানুষের খেটে খাওয়া বন্ধু, ৪নং অমুক ইউনিয়নের সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা বিএনপির সাবেক প্রচার সম্পাদক, আলহাজ্ব মোহাম্মদ মিন্টু মিয়া। - সুমন আহমাদ
Late Night Post- পুরুষ মানুষের লাইফটা কাইন্ড অফ এফোর্টের উপর দাঁড়ায়া আছে। আপনার এফোর্টের রেশিওই ধীরে ধীরে আপনার সাকসেস রেট, আপনার স্ট্যান্ডার্ড, এমনকি আপনার ফ্যামিলির লাইফস্টাইল পর্যন্ত ক্যারি করে। এই যে প্রচণ্ড গরম যাচ্ছে, বিদ্যুৎ ঠিকমতো থাকতেছে না, এই সিচুয়েশনে আপনার ফ্যামিলির জন্য অন্তত একটা চার্জিং ফ্যান, সামর্থ্য থাকলে ইনভার্টার আরো ভালো হয় এসি। এগুলার ব্যাবস্থা করে দেওয়া আপনার এফোর্টে থাকা উচিত। আপনার ফ্যামিলির কোনো দ্বায় নেই আপনাকে কিছু রিটার্ন দেওয়ার। তবুও মা-বাবার কেয়ার, তাদের ট্রিটমেন্ট, প্রয়োজনে এক্সট্রা কাজের লোকের অ্যারেঞ্জমেন্ট এসব আপনারই কাধেঁ আইসা পড়ে। স্ত্রীকে দেশ বিদেশ ঘুরতে নিয়া যাওয়া, ভালো খাবার খাওয়ানো, তার লাইফটা একটু সফট করা, সন্তানকে শুধু দুধে-ভাতে না রেখে একটা অপারচুনিটি-রিচ এনভায়রনমেন্টে বড় করাটাও আপনার এফোর্টে থাকা উচিৎ। সবকিছু একদিনে হবে না, এইটা সবাই জানে। কিন্তু একজন পুরুষ হিসাবে, ছেলে, স্বামী, বাবা কিংবা ভাই- আপনার সবচেয়ে বড় কারেন্সি হইলো কনসিসটেন্ট এফোর্ট। দিনের শেষে পুরুষ মানুষের ভ্যালু তার এফোর্টে। দুনিয়ার কেউ কিছু দিবে না, মনেও রাখবে না। তবুও পুরুষ হয়ে জন্মানোর পর সব দায়িত্ব ধিরে ধিরে কাধেঁ আইসা চেপে যাইবে। - সুমন আহমাদ
জীবনে কোনো পাব্লিক পরিক্ষায় এ+ পাইনি। অন্য সবার মতো নামীদামী কোনো ভার্সিটিতেও চান্স পাইনি। খুব ভালো সাবজেক্ট নিয়াও পড়ি নাই, সো হোয়াট? আমার স্কুল ফ্রেন্ড রাজশাহীতে ত্রিপল ই নিয়া পড়ে, কেউ ডিফেন্সে। কলেজ ফ্রেন্ড দুইটা মেডিকেলে, কয়েকটা গুচ্ছে, অনেকেই জাবিতে, চবিতেও আছে। সো হোয়াট? আজকে যারা সসচ পরিক্ষার ভালো রেজাল্ট দিয়া খুব বেশি খুশি হচ্ছেন, আবার অনেকে জাস্ট এক্টুর জন্য এ+ পাননি বা ভালো রেজাল্ট হয়নি বলে নিজের লাইফটাই লস ভাবছেন। ওয়েল আল্লাহর দেওয়া এই লাইফ, এই আমানত'কে এতই তুচ্ছ মনে হচ্ছে! হোয়াই? আচ্ছা আপনি যদি বস্তুবাদী হয়ে থাকেন তাহলে জীবনের সফলতা আমি আপনাকে শুনাই। স্কুল লাইফের অনেক ক্লাসমেট পড়ালেখা বাদ দিয়া মাছ চাষ করতো, অনেকে গার্মেন্টস এ চলে যায়, অনেকে দোকানে চলে, কলেজের অনেক বন্ধুবান্ধব ব্যাবসায় নামে। কেউ বা প্রবাসী হয়ে দেশের বাহিরে। তখন আমিও ভাবতাম তারা সব কয়টায় গুল্লায় গেলো। আমিই ওদের থেকে সফল। কিন্তু বাস্তবতা কি জানেন, তাদের অনেকেই এখন বড় মাছের ব্যাবসায়ী, FZs 4V চালায় আবার হাতে আইফোন। কেউ গার্মেন্টস এর সুপারভাইজার, অনেকে বড় দোকান দিয়েছে, অনেকে ছোট ব্যাবসায়ী, অনেকে বিদেশে থেকে লাখ টাকা কামাচ্ছে। কেউবা জমি জমা আবাদ করে পুরুদোস্তর সংসারী। সবাই প্রায় বিয়ে করেছে, বাচ্চা আছে দু-একটা করে। অথচ আমি এখনো এই সে[ক্যু]লার পড়ালেখারা সিস্টেমের চিপায় আটকাইয়া যখন হাহুতাশ করছি। নিজের চোখের হেফাজত, ঈমানের হেফাজত নিয়ে টানাটানি, এখনো দু-পয়সার জন্য মা-বাবার কাছে হাত পাততে হয়। আর ওইদিকে আমার সেই গোল্লায় যাওয়া ফেন্ডস'রা উলটো মা-বাবার দেখাশুনা করছে, বউ বাচ্চা নিয়া ফুর্তি করছে,খাচ্ছে-দাচ্ছে আর আরামে ঘুমাচ্ছে। ভাই আসলে সফলতা কিসে? শুনেন আপনে লাইফে ডাক্তার হোন নাই, ইঞ্জিনিয়ার হোন নাই তো হেইডা আপনার সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা জীগাইবো না। কিন্তু আপনার যৌবন কোন রাস্তায় ব্যয় করেছেন, কোন পথে কামাই করছেন আর কোন পথে ব্যয় করছেন এই ব্যাপারে কিন্তু এক অণু পরিমাণ ছাড় দিবেন না। মাইন্ড ইট।। [বিঃদ্রঃ এটা ৩ বছর আগের লেখা, এখন আমার লেখাপড়া শেষ। আলহামদুলিল্লাহ বেসরকারি একটা জব করি, স্যালারি অনেক হ্যান্ডসাম। আর এইদিকে আমার ফ্রেন্ডগুলা ইঞ্জিনিয়ারিং,ভার্সিটি করে যারা বের হয়েছে ওদের অনেকেই এখন বেকার। আর আমার বিয়ের দু-বছর হতে চললো, সামনে আপনাদের ভাতিজা আসবে। অর্থাৎ পরিক্ষার রেজাল্ট কখনো রিজিক নির্ধারণ করে না। রিজিকের মালিক, সফলতার মালিক এক আল্লাহর হাতে] - সুমন আহমাদ
শয়তানের ক্ষমতা সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখা দরকার। যদি কোনো মানুষ দৃঢ়ভাবে সিদ্ধান্ত নেয়—আমি এই গুনাহ করব না, তাহলে অসংখ্য শয়তান একত্র হলেও তাকে জোর করে সেই গুনাহে লিপ্ত করতে পারবে না। ধরা যাক, একজন মানুষ একা একটি ঘরে রয়েছে। তার হাতে স্মার্টফোন, ইন্টারনেট—সবকিছুই আছে। সে চাইলে মুহূর্তেই গুনাহে ডুবে যেতে পারে। কিন্তু যদি সে আল্লাহর ভয়ে দৃঢ় সিদ্ধান্ত নেয় যে গুনাহ করবে না, তাহলে শয়তান তাকে বাধ্য করতে পারবে না। শয়তানের কাজ কেবল কুমন্ত্রণা দেওয়া এবং গুনাহকে আকর্ষণীয় করে উপস্থাপন করা। সে মানুষের ওপর গুনাহ চাপিয়ে দিতে পারে না। শয়তান কিয়ামতের দিন বলবে وَمَا كَانَ لِيَ عَلَيْكُمْ مِنْ سُلْطَانٍ إِلَّا أَنْ دَعَوْتُكُمْ فَاسْتَجَبْتُمْ لِي তোমাদের ওপর আমার কোনো ক্ষমতা ছিল না। আমি শুধু তোমাদের আহ্বান করেছিলাম, আর তোমরাই আমার ডাকে সাড়া দিয়েছিলে। [সূরা ইবরাহিম : ২২] অর্থাৎ, শয়তান গুনাহকে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করে, কিন্তু গুনাহ করার সিদ্ধান্ত মানুষ নিজেই নেয়। শয়তানকে একটি শোরুমের সঙ্গে তুলনা করা যায়। সে গুনাহকে আকর্ষণীয়ভাবে সাজিয়ে উপস্থাপন করে। কিন্তু গুনাহের আসল উৎস হলো মানুষের নফস। মানুষ যদি নিজের নফসকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং শয়তানের কুমন্ত্রণায় সাড়া না দেয়, তাহলে শয়তান তাকে কোনোভাবেই গুনাহে বাধ্য করতে পারে না। - শাইখ উমায়ের কোব্বাদি
তিনজন ব্যক্তি আসলেন। একসাথে সামনে বসে বললেন আমরা একসাথে পরামর্শ নেব। আমি বললাম "কিসের?" তারা উত্তর দিলেন, এই ব্যক্তি বলছে প্রতি মাসে ৮% রিটার্ন দিবেন। আমরা দুইজন বিনিয়োগ করবো কী ? আমি চিন্তায় পড়ে গেলাম। এর সমাধান এক বসায় কীভাবে করবো? এত লাভের প্রস্তাব তো ভুয়া হবার কথা কিন্তু ভদ্রলোক আমার কাছে চলে এসেছেন প্রমাণ করতে। ঘটনা কী? তিনি বললেন আর্মির রেশনের গম তিনি বিক্রি করেন। ভালো লিংক আছে সেজন্য কম দামে কিনে সেল করতে পারেন। এভাবে অনেক লাভ আসে। আমি তখন প্রশ্ন করলাম কত পরিমাণ কিনেন আপনি? তিনি বললেন মাসে ২০ লাখ টাকার। আমি জিজ্ঞেস করলাম যদি এত লাভ করেন তাহলে আবার বিনিয়োগ লাগে কেন? তিনি বললেন আর ১০ লাখ নিবেন বিনিয়োগ। সেই টাকায় পুরোদমে ব্যবসা করবেন। আমি বলি যদি আমি আরও দশ লাখ দেই? তিনি বললেন তাহলে বাজার থেকে কিনে বিক্রি করবেন আটা। আমি বললাম তাহলে তো লাভ কমে যাবে। তিনি উত্তর দিলেন না একই লাভ থাকবে। এবারে সন্দেহ হলো। ওনাকে বললাম আপনি একটু বাহিরে বসেন, এই দুই জনের সাথে কথা বলি। তাদের দুইজনকে বললাম আপনাদের একজন ওনার সাথে থাকবেন। আর একজন যেখানে বিক্রি করে সেখানে গোপনে যাবেন। তারপরে দুই জন মিলিয়ে দেখবেন এই ব্যক্তির দেওয়া তথ্যের সাথে কাজে মিল আছে কিনা। কিছুদিন পরে তারা ফোন দিয়ে জানালেন ভাই এখানে বিনিয়োগ করবো না। অনেক সমস্যা দেখছি। খুব ভালো লাগলো শুনে যে মানুষের উপকার করতে পেরেছি। অন্যথায় কতগুলো টাকা মার যেতে পারতো! ~মোহাইমিন পাটোয়ারী
পাবনায় স্থানীয় বিএনপির সহযোগিতায় নিষিদ্ধ যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল। এই মিছিলের নেতৃত্ব দেয় আনিসুজ্জামান দোলন ও ফাইমুল কবির শান্ত।
স্বামী-স্ত্রীর উপার্জন | স্বাধীনতা নাকি দায়িত্ব?
১. ইমাম গাযালী রহ লিখেন, বাদশা হারুনুর রশীদ একবার তার দরবারে চার দেশের চার জন অভিজ্ঞ চিকিৎসককে ডেকে এনেছিলেন। এরপর বাদশা বললেন, আপনারা প্রত্যেকে এমন কোনো ওষুধের নাম বলুন, যা ব্যবহার করলে সকল রোগ-ব্যধি থেকে মুক্ত থাকা যাবে। প্রথম তিনজন প্রত্যেকে একটি করে ওষুধের নাম বললেন। কিন্তু চতুর্থজনকে যখন জিজ্ঞাসা করা হল, তখন তিনি বললেন, এদের কারও কথা ঠিক নয় এবং যুক্তির মাধ্যমে তা বুঝিয়ে দিলেন। তখন তাকে বলা হল, তাহলে আপনি বলে দিন সেটা কোন মহৌষধ? তিনি তখন বললেন, সেই মহৌষধ হল, ততক্ষণ পর্যন্ত না খাওয়া যতক্ষণ খাবারের প্রতি খুব বেশি আগ্রহ সৃষ্টি না হবে এবং ওই মুহূর্তে খাওয়া বন্ধ করা যখন আরও কিছু খাওয়ার আগ্রহ বাকি থাকে। একথা শুনে সবাই সমস্বরে বলে উঠলেন, আপনার কথাই সঠিক। [ইহইয়াউ উলূমুদ্দীন : ২/১২৬] ২. হারুনুর রশীদের দরবারে একজন খ্রিস্টান বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ছিলেন। তিনি একদিন প্রখ্যাত আলেম আলী বিন হুসাইন বিন ওয়াকিদ রহ.-কে প্রশ্ন করলেন, আপনাদের কুরআনে তো চিকিৎসা বিজ্ঞানের বিষয়ে কোনো বিস্তারিত আলোচনা নেই। অথচ জ্ঞান তো দুই প্রকার—১. দেহ সংক্রান্ত জ্ঞান ২. ধর্ম সংক্রান্ত জ্ঞান। আলী রহ. জবাব দিলেন, আপনি হয়তো কুরআনে শরীর সম্পর্কিত আলোচনা দেখতে পান না, তাই এমন বলছেন। অথচ মহান আল্লাহ এক অর্ধ-আয়াতেই শরীর রক্ষা ও সুস্থতার সকল মূলনীতি বলে দিয়েছেন। ডাক্তার বিস্মিত হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, মাত্র অর্ধ-আয়াতেই? কোথায় তা? কীভাবে? আলী রহ. বললেন, আল্লাহ তাআলা বলেছেন كُلُوا وَاشْرَبُوا وَلَا تُسْرِفُوا তোমরা খাও ও পান করো, তবে অপচয় করো না। অর্থাৎ—Overeating করো না। অতিরিক্ত খাওয়া পরিহার করো। ডাক্তার তখন চমকে উঠলেন, সত্যিই তো! এর চেয়ে পরিপূর্ণ ও সুন্দর খাদ্যনীতি তো কিছু হতে পারে না। তিনি আবার বললেন, আচ্ছা, আল্লাহর বাণী তো শুনলাম, কিন্তু তোমাদের নবী ﷺ এ বিষয়ে কিছু বলেছেন কি? আলী রহ. জবাব দিলেন, নবীজির বহু হাদীস আছে। তবে সময়ের অভাবে একটি সংক্ষিপ্ত হাদীস বলছি। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, ‘মানুষের বেঁচে থাকার জন্য কয়েক লোকমা খাদ্যই যথেষ্ট। যদি কেউ তবুও বেশি খেতে চায়, তবে পেটকে তিন ভাগে ভাগ করুক— একভাগ খাদ্যের জন্য, একভাগ পানির জন্য এবং একভাগ নিঃশ্বাসের জন্য।’ ডাক্তার তখন অভিভূত হয়ে বললেন, তোমাদের কুরআন ও নবী তো চিকিৎসাবিদ জালিনুস [গ্যালেন]-এর জন্যও কিছুই রেখে যাননি! [যুহাইলী, তাফসীরে মুনীর : ৮/১৮৪]
ডিসকাশন গ্রুপ👉 @musafir333
মাদরাসা জীবনের এক লজিংবাড়িতে পেঁয়াজ-মরিচ আর পান্তাভাত ছিল আমার নিয়মিত খাবার। আজ চারিদিকে যখন বৈষয়িকতা, আত্মকেন্দ্রিকতা আর স্বার্থপরতার মন খারাপ করা নানান গল্প শুনি, তখন শৈশবের সেই স্মৃতিটা বারবার মনে পড়ে যায়। স্মৃতিটি একই সাথে করুণ আবার মধুরও। আমার বয়স তখন এগারো-বারো। ওই অল্প বয়সে নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ থানার দোয়ালিয়া গ্রামের একটি মাদরাসায় ভর্তি হয়েছি। কিতাব বিভাগের একেবারে প্রথম দিকের ক্লাসে পড়ি। সে সময় গ্রামাঞ্চলে ছাত্রদের লজিং রাখার চল ছিল। তখন আমিও একটা বাড়িতে লজিং থাকা শুরু করি। মাদরাসার খাবারের খরচ জোগানোর সামর্থ্য আমার বাবার ছিল। কিন্তু বোর্ডিংয়ের খাবারের তুলনায় লজিং বাড়ির খাবার কিছুটা ভালো হওয়ায় আমার এই লজিং থাকার সিদ্ধান্ত। সেকালে যারা ছাত্রদেরকে লজিং রাখতেন, তারা যে খুব অবস্থাপন্ন ছিলেন, তা কিন্তু নয়। বরং বাবা-মার আদর ফেলে দূর থেকে পড়তে আসা একটা নাবালেগ ছেলের খাবারের দায়িত্ব নেয়াকে তারা নিজেদের কর্তব্য মনে করতেন। কাজটাকে তারা ভালোও বাসতেন। লজিংয়ে পালাক্রমে কয়েকটি পরিবার থেকে আমার খাবারের ব্যবস্থা হতো। একটি পরিবারের কথা স্মরণ হলে এখনো আমার মন খারাপ হয়। পরিবারটি ছিল অত্যন্ত গরিব। বাঁশের বেড়া দেয়া একচালা টিনের ঘর ছিল তাদের মাথা গোঁজার ঠাঁই। একটু জোরে বাতাস হলেই পুরো ঘর নড়বড় করত। দিনের বেলা বেড়ার ফাঁক দিয়ে ঢুকত সূর্যের আলো। এমন বহুবার হয়েছে, আমি ঘরের মেঝেয় বসে ভাত খাচ্ছি আর আমার মুখের ওপর এসে পড়েছে রোদের কিরণ। ঘরের আসবাবপত্র বলতে ছিল বাঁশের খুঁটির ওপর কাঠের পাটাতন দেয়া চৌকি। ঘরের কোনায় কাঠের তাকের ওপর রাখা হতো থালা-বাসন, রশির সাথে ঝুলত কাপড়-চোপড়। এই পরিবারটির কাছে যখন আমার খাবারের পালা আসত, পেঁয়াজ-মরিচ দিয়ে পান্তাভাতের থালা সাজিয়ে দিত। আর সাথে থাকত বাড়ির পোষা মুরগির ডিম ভাজি। হলুদ রঙের ডিম ভাজিটি সাদা পান্তার পটভূমিকায় প্লেট জুড়ে ফুলের মতো ফুটে থাকত। তখন না বুঝলেও এখন বুঝি, এই ডিম গরিব সেই পরিবারটির আয়ের অন্যতম উৎস ছিল। আজ হতে বহু বছর আগে অচেনা এক মাদরাসা-বালকের জন্য হতদরিদ্র পরিবারটি যে দুঃসাহস দেখিয়েছিলেন, ভাবলে এখন হৃদয় বিগলিত হয়। এই পরিণত বয়সে এসে এখন উপলব্ধি করতে পারি, গরিব হলেও তাদের হৃদয়টা ছিল বড়। সেই বড় হৃদয় তাদেরকে অমন দুঃসাহসী হওয়ার প্রেরণা জুগিয়েছিল। আজ আমরা, গ্রাম বলুন কিংবা শহর, অর্থনৈতিকভাবে ওই পরিবারটির চেয়ে বহুগুণ ভালো আছি। কিন্তু তারপরও অচেনা শিক্ষার্থীর দু বেলা খাবারের দায়িত্ব নেয়া দূরে থাক, আত্মীয়-স্বজন আসলেই বেশিরভাগ মানুষ আমরা বিরক্ত হই। আত্মীয় বিদায় নিলে স্বস্তিবোধ করি। কেন এমন হলো? কারণ, সময়ের পালাবদলে আজ আমাদের অর্থের বৈভব বেড়েছে, কিন্তু হৃদয়টা সেভাবে বড় হয়নি। ফলে এই সংকীর্ণ হৃদয়ে পরার্থপরতা ও ত্যাগের মতো মহৎ গুণের আর জায়গা হয় না। আর একারণে বিত্তবান হওয়া সত্ত্বেও আত্মিকভাবে আমরা সুখী হয়ে উঠতে পারছি না। নবীজি (সা.) ঠিকই বলেছেন, ধন-সম্পদ বেশি থাকাই প্রকৃত ধনাঢ্যতা নয়; বরং প্রকৃত ধনাঢ্যতা হলো আত্মার ধনাঢ্যতা। তাই আসুন, প্রকৃত সুখী মানুষ হওয়ার জন্য অল্পে তুষ্ট থাকি, আত্মাকে বড় বানাই, ভোগ নয় ত্যাগের সাধনায় নিজেকে ব্যাপৃত রাখি। নবীজি (সা.) বলেছেন, ধন-সম্পদ বেশি থাকাই প্রকৃত ধনাঢ্যতা নয়; বরং প্রকৃত ধনাঢ্যতা হলো আত্মার ধনাঢ্যতা। অতএব, প্রকৃত সুখী হতে চাইলে অল্পে তুষ্ট থাকা, আত্মাকে বড় বানানো এবং ত্যাগের সাধনায় নিজেকে অভ্যস্ত করে তুলতে হবে। ~ শায়েখ আহমাদুল্লাহ হাফিঃ
কারো প্রতি রাগ হলে তৎক্ষণাৎ প্রকাশ না করে যতটা সম্ভব সময় নিন। রাগের প্রকাশ যত বিলম্বে হবে, রাগ তত নিয়ন্ত্রণে থাকবে। এবং এর পরিণতিও হবে তত সুন্দর। - শাইখ আহমাদল্লাহ