- Последний пост
- 13 авг.
- Последнее чтение
- 13 авг.
- Постов за неделю
- 11
- Всего постов
- 24
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- В каталоге с
- 13 авг.
- 1/24сутки в ленте
- 144
- 1/48двое суток
- 165
- 1/72трое суток
- 177
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
কিছু টেলিগ্রাম চ্যানেল @muslimatrix @abdurrahmanalhasan @abidmohammad2 @alqudsnewsbangla @HanafiFiqhBD @SocietyUncensored @rokonation @doamuslimsbangla
আপনার গুরুত্ব সর্বোচ্চ পরবর্তী দুই প্রজন্ম পর্যন্ত, কখনো তার চেয়েও কম।
জ্বীন বইয়ের লেখক এম জে বাবু ভাইয়ের লেখা – ১. কালো জাদু, বদ নজরের বেসিক চিকিৎসা হলো - নামাজ পড়া। নিয়মিত নামাজ পড়া। গুরুত্ব দিয়ে নিয়মিত নামাজ পড়েনা এমন লোকের উপর জাদু ও বদনজর প্রভাব ফেলতে পারে। ২. ঘরে প্রাণীর ছবি, মূর্তি, অবয়ব, ভাস্কর্য রাখবেন না। কালো জাদু ও বদনজরের চিকিৎসার জন্য শয়তান বিতাড়িত করা দরকার হয়। শয়তান দূর করার জন্য ফেরেশতা আসতে হবে। এসব ঘরে রাখলে সেখানে ফেরেশতা আসেনা। ফলে শয়তান অবস্থান করতে থাকে। ৩. নিয়মিত কুরআন তেলাওয়াত করা। নিয়মিত শুদ্ধভাবে তেলাওয়াত করলে ঘরে জাদু ও নজরের প্রভাব থাকেনা। যারা তেলাওয়াত পারেননা, তেলাওয়াত করেননা তাদের উপর এসবের প্রভাব বেশি হয়। ৪. সকাল সন্ধ্যায় ফাতিহা, ফালাক, নাস, ইখলাস, আয়াতুল কুরসীর আমল হলো সুপ্রমাণিত আমল। ৫. শরীর পাক পবিত্র রাখতে হবে। গোসলখানা ও টয়লেট একসাথে রাখা যাবেনা। প্রতিটা কাজে মাসনুন দোয়াগুলো আমল করতে হয়। ৬. জাদু নষ্ট করা, বদ নজরের প্রভাব দূর করার আমল ফায়দা দিবে তখন যখন ইনকাম হালাল হবে। হারাম খাবার খাবেনা। কবিরা গোনাহ করবেনা। ৭. এসব করার জন্য কবিরাজ/রাকি লাগেনা। বেশিরভাগ রাকি ভন্ড। এরা মিথ্যাবাদী। ৮. নিজেকে মুমিন হতে হবে। শিরকি কুফরী কথাবার্তা কাজকর্ম করা যাবেনা। ৯. পরামর্শ করার জন্য রাকিদের কাছে না বরং কাছের কোনো বড় মাদ্রাসার বয়স্ক হুজুরের কাছে যান। ওনাদের সততা আছে, অভিজ্ঞতা আছে। - Edited
ইকোনমির অবস্থা কেমন সেটার একটা লিটমাস টেস্ট হল স্যালারি অফারিংস। ২০১৯-২০ এর দিকে ভালো কোম্পানির এমটিও বা এন্ট্রি লেভেলের এক্সিকিউটিভ পোস্টে স্যালারি অফার করতো ৪৫ থেকে ৬০ হাজার। ইন্টারেস্টিংলি, এখনও কোম্পানিগুলো ৪০-৪৫ এর মতো অফার করে থাকে। একই রেঞ্জ। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এর চেয়ে কম করে। একই কথা সিনিয়র লেভেলের পোস্টগুলোর ক্ষেত্রেও সত্য। এর অর্থ হল- কোম্পানিগুলোর পর্যাপ্ত প্রফিট নেই, তারা ভালো বেতন অফার করতে পারছে না। অথচ ইনফ্লেশনের হিসেব যদি করি। ২০২০ সালে যে চালের দাম ছিল ৩১ টাকা কেজি, তার দাম এখন ৫৫ টাকা কেজি। তার মানে দাম বেড়েছে ৪৩%। ব্রয়লার মুরগির দাম ১৩০ থেকে পৌছে গেছে ২০০ টাকায়, তার মানে ৩৫% বৃদ্ধি। ১ ডলার মানে ছিল ৮৬ টাকা, এখন ১ ডলার মানে ১২৪ টাকা। একটু বড়লোকি দাম যদি বলি- ২০২০ সালে আইফোন ১২ প্রো বের হয়। ওটার তৎকালীন দাম ছিল ৯০ হাজার টাকার মতো। এখন আইফোন ১৭ প্রো কিনতে গেলে ১ লাখ ৪০ হাজার+ টাকা খরচ হবে। এই হিসেবে বলা যায়, বাংলাদেশের মানুষের গড় পারচেজ পাওয়ার ৩৫-৪০% এর মতো কমেছে। তার মানে আপনার বেতন যদি এখন ৪০ হাজার টাকা হয়, তাহলে ২০২০ সাল অনুযায়ী আপনার বেতন আসলে ২৪ হাজার টাকার মতো। এখনকার এক লাখ মানে তখনকার ৬০ হাজার। নো ওয়ান্ডার- এখন বাজারে পাঁচ টাকা বা দশ টাকার নোট নেই, বিশ টাকার নিচে কিছু চলে না। একশ টাকা দিয়ে কিছু কেনা সম্ভব হয় না। এক হাজার টাকা ভাঙলে সাথে সাথে খরচ হয়ে যায়। সবার একটা অনুভূতি হচ্ছে যে- টাকা কমে গেছে। ইনকাম কমেছে। কোথায় কমেছে, কেউ বুঝতে পারছে না। এবং এই পারচেজ পাওয়ারের ডেফিশিয়েনসি ফেরত আসছে ভিশিয়াস সাইকেল অফ পোভার্টি হয়ে। পারচেজ পাওয়ার কম তাই মানুষ বেশি জিনিস কিনতে পারছে না। মানুষ কিনছে না তাই কোম্পানির প্রফিট হচ্ছে না। প্রফিট হচ্ছে না তাই বেতন বাড়ছে না। এন্ড ইট গোজ অন। এনটায়ার কান্ট্রি একটা ইকোনমিক ডিজাস্টারের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। আশেপাশে তাকান। আপনার বন্ধু-বান্ধব, কলিগ, আত্মীয়-স্বজনদের চেহারায়। আপনি এই ক্রাইসিস কথা-বার্তায়, চাল-চলনে, চোখে-মুখে অনুভব করতে পারবেন - Shadman Zahin
ভাইয়েরা " No Vote " দিন।
видео или голосовое, без подписи
আপুরা " No Vote " দিন।
видео или голосовое, без подписи
আবু সায়িদের গুলিটা যদি ভিডিওতে না উঠতো। হাসিনার আগে শাহবাগিরা আওয়াজ তুলতো, 'শিবির আবু সায়িদ টমেটো কেচআপ মেখে রাস্তায় শুয়েছিল। গাড়ি এসে চাপা দিয়ে ফেরে ফেলে তাকে।' শাহবাগিরা হইসে জাতির ক্যানসার৷ ২০১৩ সালে শাপলা চত্বরের জেনোসাইডকে তারা এইভাবে তুলে ধরে। জামায়াতফোবিয়া ছড়িয়ে তারা আবার হাসিনা ফেরার গ্রাউন্ড তৈরি করছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মৌলবাদী হামলা দেখানোর অলরেডি কার্যক্রম শুরু করেছে প্রথম আলো,কালবেলা আর ডেইলি স্টার। সাবধান বাংলাদেশীরা৷ সাবধান। M J Babu 10 August 2024
কমিটির সভাপতির ভরপুর লাভ! লাখ লাখ টাকা ঘুষ নিয়ে নিয়োগ বাণিজ্য চলবে, বিএনপির লোকাল নেতাদের পকেট ফুলে উঠবে।
মুফতি তাকী উসমানি দা. বা. লেখেন — জাতীয়তাবাদের দর্শন মূলত সেক্যুলার গণতন্ত্রের ওপর প্রতিষ্ঠিত। যার সাথে ধর্মের কোনো সম্পর্ক নেই। রাজনৈতিক ঐক্যের জন্য তার (সেক্যুলার গণতন্ত্রের) নিকট কোনো মৌলিক ভিত্তি নেই। তাই ঐক্যের জন্য তারা দেশ ও গোত্রকে ঐক্যের ভিত্তি রেখেছে। আর এটাই হলো সেই মূর্তি যা মুসলিম উম্মাহকে টুকরো টুকরো করে দিয়েছে। ইতিহাসের যত জায়গায় মুসলমানরা লাঞ্ছিত ও পরাজিত হয়েছে, সব জায়গায় জাতীয়তাবাদী স্লোগানই ছিল তার আসল কারণ।
নতুন করে ১৩৫টি ওষুধকে 'অত্যাবশ্যকীয়' তালিকায় যুক্ত করে ২৯৫টি ওষুধকে 'অত্যাবশ্যকীয়' করা হয়েছিল ইন্টেরিমের সময়ে। ওষুধগুলো বিক্রির জন্য নির্দিষ্ট দাম বেঁধে দেয় সরকার। ওষুধগুলো নিয়ে প্রথিতযশা চিকিৎসক ডা. সায়েদুর রহমান তখন বলেছিলেন, এই ওষুধগুলো বাংলাদেশের শতকরা ৮০ ভাগ মানুষের সকল চিকিৎসার জন্য যথেষ্ট। ফলে এই ওষুধগুলোর ওপর মূল্য নিয়ন্ত্রণ সরাসরিভাবে বাংলাদেশের শতকরা ৮০ ভাগ মানুষের চিকিৎসা প্রাপ্যতা এবং ওষুধের প্রাপ্যতাকে সহজ করবে। এর বাইরে যে আরও ১১০০ এর মত ওষুধ আছে, সেগুলোর ক্ষেত্রে 'নির্দিষ্ট' মূল্য ঠিক করে না দিলেও একটা দামের পরিধি বেঁধে দেওয়া হবে বলে তখন জানিয়েছিলেন তিনি। সেই সাহস অবশ্য ইন্টেরিম করে উঠতে পারে নাই। ওষুধশিল্প সমিতির নেতারা তখন অভিযোগ করেছিলেন মূল্য নির্ধারণ কমিটি সমিতিকে অন্ধকারে রেখে একতরফা সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারা রুষ্ট হয়েছিলেন। রুষ্ট হওয়া স্বাভাবিক। এত বেশি ওষুধের মূল্য নিয়ন্ত্রণ করে কম দামের করে দেওয়ায় তারা অতি মুনাফা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। ৮০ শতাংশ রোগশোকের ওষুধের মূল্য নির্ধারিত থাকলে ৮০ শতাংশ বাড়তি মুনাফাও তাদের কমে। ইন্টেরিম জাতীয় ওষুধ উপদেষ্টা পরিষদের পরামর্শ ছাড়াই দাম নির্ধারণের তালিকা প্রণয়ন করার অজুহাতে তালিকা বাতিল করেছে। ফলে নতুন করে যোগ হওয়া ওষুধগুলোর ক্ষেত্রে কোম্পানির হাতেই ফিরে গেছে দাম নির্ধারণের সুযোগ। ইচ্ছামত দাম নির্ধারণ করতে পারবেন তারা। ওষুধ কোম্পানির কাছে নতি স্বীকার করলো সরকার। এই সরকারের এই রোগ যেন দূর হয়। তারা বিদুৎকে বেসরকারি খাতে ছাড়তে চায়। জ্বালানি তেলকে বসুন্ধরার হাতে দিতে চারদিনে নীতিমালা প্রণয়ন করতে বলে। এত বেণিয়া প্রীতি ভালো না। - আরজু আহমদ
যেভাবে বসুন্ধরার হাত ধরে দেশ থেকে ৭৭৬.৯৩ টাকার সরকারি গ্যাস সিলিন্ডার হারিয়ে গেছে ঠিক সেভাবে দেশ থেকে আরও কি কি যে হারাতে শুরু করবে আল্লাহ ভালো জানেন। শুধু জ্বালানির দায়িত্ব না দিয়ে বসুন্ধরাকে পুরো দেশ দিয়ে দিলে কেমন হয়? - মুহাম্মাদ ওসমান ফারহান
হাজারের উপর মানুষ হত্যা করে, হাজার হাজার মানুষকে জখম করে, লাখ কোটি টাকা পাঁচার করেও এরা অনুতপ্ত না। আওয়ামীলীগ হচ্ছে সাক্ষাত শয়তান। এদের কোনো পুনর্বাসন হতে পারেনা। ধরে ধরে দেশ থেকে বের করে দেওয়া হচ্ছেনা এটাই বেশি।
যায়িদ ইবনু সাবিত (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, নবি ﷺ বলেন, ‘লোক সকল! তোমরা নিজেদের বাড়িতে সালাত পড়। কারণ ফরয সালাত ব্যতীত ব্যক্তির সর্বোত্তম সালাত হলো যা ঘরে পড়া হয়ে থাকে।’ . আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত, নবি ﷺ বলেন, ‘তোমরা নিজেদের ঘরে কিছু সালাত পড়। ঘরকে কবরে পরিণত কোরো না।’ . জাবির (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, রাসূল ﷺ বলেছেন, ‘কেউ যখন মাসজিদে সালাত আদায় করে নেবে, তখন সে যেন ঘরের জন্যও কিছু সালাত নির্ধারিত রাখে। কেননা সে নিজ ঘরে যে সালাত আদায় করে, আল্লাহ সে জন্য কল্যাণ প্রদান করেন। . বই : রিয়াদুস সালিহীন লেখক : ইমাম মুহিউদ্দিন নববি (রহিমাহুল্লাহ)
মিডিয়াগুলোর মালিকপক্ষ পুরনো মনিবের প্রতি প্রেম ছাড়তে পারেনি। এডমিন আইডি শিফট না করে গয় বাঙা লিখে ফেলেছে।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: আল্লাহর রাস্তায় তুমি একটি দিনার খরচ করলে, গোলাম আজাদের জন্য একটি দিনার খরচ করলে, মিসকিনকে দান করার জন্য একটি দিনার খরচ করলে আর নিজ পরিবারের জন্য একটি দিনার খরচ করলে; এর মধ্যে পরিবারের জন্য খরচকৃত দিনারের প্রতিদান সবচেয়ে বেশি হবে। ( সহিহু মুসলিম : ২/৬৯২ হাদিস নং ৯৯৫) বই: ইসলামি জীবনব্যবস্থা (পৃষ্ঠা ২৫৫) লেখক: মুফতি তারেকুজ্জামান
“বাঙ্গালি জাতীয়তাবাদ ইন্ডিয়ান ন্যাশনালিজমের একটা অংশ” — ইমরুল হাসান কবি ও ক্রিটিক