tgindex
𝒎𝒖𝒔𝒍𝒊𝒎𝒂𝒕𝒓𝒊𝒙 》ˢⁱˢᵗᵉʳˢ

𝒎𝒖𝒔𝒍𝒊𝒎𝒂𝒕𝒓𝒊𝒙 》ˢⁱˢᵗᵉʳˢ

Статистика

@muslimatrix for sisters

Последний пост
14 авг.
Последнее чтение
15 авг.
Постов за неделю
13
Всего постов
24
Тип
открытый
Язык
bn
В каталоге с
13 авг.
Подписчики
332
+3 за 1 дн.
Сутки
0
0,00%
Неделя
 
Месяц
 
Просмотров на пост
153
23 постов
Вовлечённость
46,1%
к подписчикам
Постов в день
1,9
всего 24
Упоминаний
1
каналов
Охват размещения
оценка
1/24сутки в ленте
109
1/48двое суток
124
1/72трое суток
134

Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.

Посты

  • 14 авг.6951из BelieversFamilyLife

    সমাজে বিবাহ বহির্ভূত যৌন সম্পর্ক এখন অনেক দেখা যাচ্ছে। প্রেম নামক যিনা এখন অহরহ দেখা যায়। প্রেম করে না, যিনা করেনি কিন্তু বদ অভ্যাস আছে এমন মানুষের সংখ্যাও অনেক অনেক বেশি। এই অবস্থায় আপনার স্বামী বা স্ত্রী পবিত্র, আন্তরিক, মমতাময়, যত্নবান ও সৎ। এই নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করুন। অসংখ্য স্বামী আছে স্ত্রীকে মানুষের মতো চোখেও দেখে না। মারধর করে। কেউ মারধর না করলেও উঠতে বসতে কটু কথা বলে। পরকীয়ায় জড়িত স্বামী আছে অনেক। অনেক স্বামী আছে বিকৃত রুচি, আচরণ জঘন্য। অনেক শশুরবাড়িতে স্ত্রীকে চাকরের মতো রাখে। আপনার স্বামী এমন নয়, আপনি সৌভাগ্যবান। থাকুক না ছোট ছোট কিছু দোষ। দোষ কার থাকে না? শুকরিয়া আদায় করুন। অসংখ্য নারী বিয়ের আগে চরিত্রহীন জীবনযাপন করেছে। বিয়ের পর পরকীয়া করে। অথবা এসব না করলেও স্বামীর সাথে খারাপ আচরণ করে। সম্মান করে না। স্বামীর মা বোনের সাথে খারাপ আচরণ করে। ঘরের কাজ করে না। স্বামীর যত্ন করে না। আপনার স্ত্রী এমন নয়, আপনি সৌভাগ্যবান। এই নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করুন। স্ত্রীকে ভালোবাসুন, তার যত্ন নিন। পৃথিবীর কোনো মানুষে এমন নেই যার কোনো না কোনো দোষ নেই। গোপনীয়তা না থাকলে আমরা আদর্শ পুরুষ বা আদর্শ নারী বলে জানি এমন অনেক মানুষ সমাজের চোখে লাঞ্ছিত হতো। বাহির থেকে সব দেখা যায় না।

  • 14 авг.54из muslimatrix

    যাদের বিয়ের কথা চলছে তাদের কাজে লাগতে পারে https://t.me/muslimatrix/9431?single অনেক লম্বা একটা লেখা, ধৈর্য ধরে পড়তে পারলে হয়তো ফায়দা হবে। অন্যরা ইগনোর মারেন।

  • 13 авг.8941из muslimatrixbrothers

    কোনো ব্যক্তি যদি মানুষের সামনে নিজ গোনাহের কারণে অপদস্থ হতে ভয় পায় সে যেনো একাজগুলো করে — ১. সর্বপ্রথম সে গোনাহের কাজটি ত্যাগ করবে। ২. সে এই কাজের জন্য লজ্জিত, অনুতপ্ত হবে এবং আল্লাহর দরবারে তাওবাহ করবে। ৩. যখনই গোনাহের কথা স্মরণ হবে তখনই সে লজ্জিত হবে ও ইস্তেগফার করবে। ৪. সে অপরকে গোনাহের কারণে অপদস্থ, কটাক্ষ করবেনা। সমাজের জন্য সরাসরি ক্ষতিকর নয় অপরের এমন গোপন গোনাহের বিষয় প্রকাশ করবেনা। ৫. বেশি বেশি ইয়া সাত্তার পড়বে। সাত্তার মানে হলো - যিনি দোষ গোপন রাখেন। অর্থাত, আল্লাহর কাছে তার দোষ গোপন রাখার জন্য অনুরোধ জানাবে। إِنَّ الْإِنسَانَ لَفِي خُسْرٍ “নিশ্চয়ই মানুষ ক্ষতির মধ্যে রয়েছে।” (সুরা আল আছর: ২) وَتُعِزُّ مَن تَشَاءُ وَتُذِلُّ مَن تَشَاءُ “আপনি যাকে ইচ্ছা সম্মানিত করেন এবং যাকে ইচ্ছা অপদস্থ করেন।” (সূরা আলে ইমরান:২৬) ○

  • অর্ধেকের বেশি শিশু জন্মের পর শালদুধ পায় না! মায়ের দুধ টিকার কাজ করে। কিন্তু দেশে ৪৫ শতাংশ শিশুই মায়ের দুধ পাচ্ছে না। যা আগের বছরগুলোর তুলনায় আরও কমেছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্রেস্টফিডিং ফাউন্ডেশনের (বিবিএফ) একটি রিপোর্টে উঠে আসে এই তথ্য। বিবিএফের পরিচালক খুরশিদ জাহান জানান, মাতৃদুগ্ধ পান কমে যাওয়া মায়ের ব্যর্থতা নয়, হাসপাতাল বা ক্লিনিকে সেবার ঘাটতি, অস্ত্রোপচারে প্রসবের পর ঠিক পরিচর্যা না পাওয়া, মাতৃত্বকালীন ছুটি না পাওয়া—এই ধরনের মাতৃত্ব সুরক্ষার ঘাটতির কারণে শিশুদের মায়ের দুধ পান করা কমেছে। ২০৩০ সালের মধ্যে এই হার ৬০ শতাংশ করার লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা আছে। প্রতিবেদন: বিজ্ঞানপ্রিয়।

  • 12 авг.5462из muslimatrix

    জ্বীন বইয়ের লেখক এম জে বাবু ভাইয়ের লেখা – ১. কালো জাদু, বদ নজরের বেসিক চিকিৎসা হলো - নামাজ পড়া। নিয়মিত নামাজ পড়া। গুরুত্ব দিয়ে নিয়মিত নামাজ পড়েনা এমন লোকের উপর জাদু ও বদনজর প্রভাব ফেলতে পারে। ২. ঘরে প্রাণীর ছবি, মূর্তি, অবয়ব, ভাস্কর্য রাখবেন না। কালো জাদু ও বদনজরের চিকিৎসার জন্য শয়তান বিতাড়িত করা দরকার হয়। শয়তান দূর করার জন্য ফেরেশতা আসতে হবে। এসব ঘরে রাখলে সেখানে ফেরেশতা আসেনা। ফলে শয়তান অবস্থান করতে থাকে। ৩. নিয়মিত কুরআন তেলাওয়াত করা। নিয়মিত শুদ্ধভাবে তেলাওয়াত করলে ঘরে জাদু ও নজরের প্রভাব থাকেনা। যারা তেলাওয়াত পারেননা, তেলাওয়াত করেননা তাদের উপর এসবের প্রভাব বেশি হয়। ৪. সকাল সন্ধ্যায় ফাতিহা, ফালাক, নাস, ইখলাস, আয়াতুল কুরসীর আমল হলো সুপ্রমাণিত আমল। ৫. শরীর পাক পবিত্র রাখতে হবে। গোসলখানা ও টয়লেট একসাথে রাখা যাবেনা। প্রতিটা কাজে মাসনুন দোয়াগুলো আমল করতে হয়। ৬. জাদু নষ্ট করা, বদ নজরের প্রভাব দূর করার আমল ফায়দা দিবে তখন যখন ইনকাম হালাল হবে। হারাম খাবার খাবেনা। কবিরা গোনাহ করবেনা। ৭. এসব করার জন্য কবিরাজ/রাকি লাগেনা। বেশিরভাগ রাকি ভন্ড। এরা মিথ্যাবাদী। ৮. নিজেকে মুমিন হতে হবে। শিরকি কুফরী কথাবার্তা কাজকর্ম করা যাবেনা। ৯. পরামর্শ করার জন্য রাকিদের কাছে না বরং কাছের কোনো বড় মাদ্রাসার বয়স্ক হুজুরের কাছে যান। ওনাদের সততা আছে, অভিজ্ঞতা আছে। - Edited

  • ধরেন আপনি খুবই সচেতন একজন নারী। রাস্তা ঘাটে কেউ আপিনার ছবি-ভিডিও ধারণ করলো কিনা, সজাগ থাকেন। অপোজিট জেন্ডার যে কারো থেকে সচেতন দূরত্ব বজায় রাখেন। আপনার জন্য সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা হচ্ছে আপনার হলের রুম, যেখানে আপনার মতোই আরো দু পাঁচজন নারী থাকে। আপনি তাদের সামনে ঘুমান, কমফর্টেবল থাকেন। এখন এই নারীদের একজন করলো কী, আপনি যে ঘুমাচ্ছেন, খাচ্ছেন, হাত পা ছড়ায়ে রিল্যাক্স করতেছেন এইসব ছবি গোপনে তুলে প্রতিনিয়ত পাঠাচ্ছে তার প্রেমিককে! নাহ, কোনো বিজনেস পারপাস না। জাস্ট ফর ফান। মানে আপনার অসতর্ক মুহুর্ত হলো আপনার রুমমেটের কাছে ফান করার ম্যাটেরিয়াল। এক্সাক্টলি এই ঘটনাটা ঘটছে ইসলামী ইউনিভার্সিটির একটা হলে।এই ইউনিভার্সিটির ছাত্রী তুবাউল জান্নাত ঐশী তার রুমের+হলের মেয়েদের অসতর্ক মুহুর্তের শত শত ছবি পাঠাইছে তার লন্ডন প্রবাসী প্রেমিককে। প্রেমিকের নামটা এখনো জানতে পারি নাই তাই উল্লেখ করতে পারলাম না। প্রেমিকের মতে, সে বারবার ঐশীকে মানা করেছে পাঠাতে। স্টিল ঐশী নাকি নিজেই পাঠিয়ে এইসব ছবি নিয়ে মজা নেয়-গসিপ করে। প্রেমিক আরো বলছে ঐশী বিকৃত মানসিকতার। এবং তার লাইফ হেল করে দিছে। সম্পর্কের অবনতি হইলে সেই প্রেমিকই এই সব জানাইছে ঐশীর রুমমেটদেরকে। আর ঐশীর মতে, তার প্রেমিক পরিস্থিতি বুঝতে চাইতো না, যখন তখন ভিডিও কল দিতো তাই সে কোন পরিস্থিতিতে আছে এইটা বুঝাইতে রুমমেটদের এইসব ছবি তুলে প্রেমিককে পাঠাইতো। মানে তার মতেও প্রেমিক চায় নাই ছবি, সে নিজ উদ্যোগে পাঠাইছে! ২০১৬ সালের দিকে ঢাকা ইউনিভার্সিটিতেও সেইম ইন্সিডেন্ট ঘটছিলো। সেখানেও মেয়ে জাস্ট ফান পারপাস রুমমেটদের ছবি তুলে তার প্রেমিককে পাঠাইতো। পরে প্রেমিকই ফাঁস করে দেয় বিষয়টা। এই ঘটনার পরে ভিক্টিমরা কোনো লিগ্যাল স্টেপসে যেতে চায় নাই তাই বিষয়টা ধামাচাপা পড়ে যায় টেলিগ্রামে-অনলাইনে এই ধরণের ছবির রমরমা ব্যবসা। বিভিন্ন পুরুষ এই ধরনের ছবি তোলে বিকৃত যৌনলিপ্সা থেকে। কিন্তু, এই মেয়েকে আসলে কী বলে ব্যখ্যা করা যায়? সাইকো? বিকৃত? অসুস্থ? বুঝতেছি না! কিন্তু সে যাই হোক, আশপাশের মানুষগুলোর জন্য কি মারাত্মক বিপজ্জনক ভাবুন একবার। আমাদের চারপাশের মানুষই ঠিক কোন লেভেলের সাইকো হইতে পারে আর কতটা বিপজ্জনক হইতে পারে ভাবলে ট্রমা খেয়ে যাচ্ছি আসলে! - রিমানা আক্তার

  • Fatima Baghdadiya was one of the students of Ibn Taymiyyah, she was very intelligent, religious and a great scholar. She had male and female students. – Mohmand Afghan

  • আরও ডেঞ্জারাস ব্যাপার হচ্ছে, রিসেন্ট এক ঘটনায় দেখলাম এক লোকের স্ত্রী নাকি ঝগড়া হলেই সিগারেট জ্বালিয়ে লোকের গায়ে হাতে ছ্যাঁক দিত, টর্চার করতো। যা অসংখ্য মেয়ে সাপোর্ট করছে। আরও বেশ ভাইরাল ইস্যু আছে যেখানে স্ত্রী নাকি স্বামীর গায়ে হাত তোলে। এগুলোতে ভর্তি ভর্তি হাহা রিয়্যাক্ট, ফানি কমেন্ট পাওয়া যায়। ইভেন এখন ফাতরা কন্টেন্টগুলোতে স্বামীকে অপমান করা, গায়ে হাত তোলা, থাপ্পড়, লাত্থি, গালি মারাকে ঠাট্টার ছলে নরমালাইজড করা হচ্ছে। দুঃখজনক ব্যাপার হচ্ছে, অধিকাংশ মেয়েরাই এতে সমর্থন জানায়। যা যথেষ্ট এলার্মিং। অথচ যদি এই চিত্রই ভিন্ন জেন্ডারের উপর পাল্টে যায় তখন প্রত্যেকটা রিয়্যাকশন ও কথার টোন চেঞ্জ হয়ে যায়। মেয়েদের উপর শারীরিক ও মানসিক টর্চার চালানো যেমন ইসলাম ও আইনবিরোধী; পুরুষদের উপরও শারীরিক ও মানসিক টর্চার চালানো সেইম লেভেলেরই ইসলাম ও আইনবিরোধী। স্ত্রীর সব এক্সপেক্টেশন পূরণের দায় যদি স্বামীর থাকে, তাহলে স্বামীর সব এক্সপেক্টেশন পূরণের দায় স্ত্রীরও আছে। একপাক্ষিক সব চাপিয়ে দেওয়াটাও জুলুম। কিছু ইনফ্লুয়েন্সার ও কন্টেন্ট রাইটার আপা আছেন, যারা অন্যান্য পুরুষদের কাউন্টার দিয়ে লিখেন “আমার স্বামী এমন না, আমার স্বামী আমার জন্য এই করে সেই করে”। সবসময় পারসোনাল লাইফ পাব্লিক প্ল্যাটফর্মে হাইলাইট করেন। আর সেসব পোস্ট দেখে কিছু আম-সাধারণ বোনেরা নিজেদের স্বামীর কাছ থেকেও সেইম এক্সপেক্টেশন খাটিয়ে বসে থাকে ও সংসারে অশান্তি সৃষ্টি করে। এগুলো নিতান্তই ভুল প্র‍্যাক্টিস। কারণ, সবাই এক না। সবার দৃষ্টিভঙ্গি, আচরণ, মেজাজ, অভ্যাস ও কাজের পরিবেশ এক হবে না কখনোই। এছাড়াও আরেকজনের স্বামীর অপজিটে নিজের স্বামীর এরূপ তুলনা মনে মনে চিন্তা করাটাও অনুচিত। আপনি নিজেও স্ত্রী হিসেবে আপনার স্বামীর সব এক্সপেক্টেশন পূরণ করতে পারবেন না। আপনার চেয়েও ভালো স্ত্রী দুনিয়ায় আছে, অভাব নেই, এটাই সত্য। এখন সেসব দেখে যদি আপনার স্বামী আপনার সঙ্গে তুলনা টানে, এক্সপেক্টেশন রাখে, তাহলে অবশ্যই তা আপনার কাছে ভালো লাগবে না। এই ব্যাপারটাই চিন্তা করতে হবে আগে। সবসময় নিজের নিজের না করে অপর মানুষটার জায়গাতেও দাঁড়িয়ে চিন্তা করতে হবে “আপনি নিজে কতটা সফল ও সঠিক”। সবকিছুর ব্যালেন্স ভালো। এর হেরফের হলেই অঘটন ঘটে। মানুষের জীবন দেখে আফসোস করে লাভ নেই বরং ক্ষতি। নিজের ওভার থিংকিং আর এক্সপেক্টেশন বারবার অন্য মানুষদের উপর চাপিয়ে দেওয়াটাও জুলুম। এক্সপেক্টেশন রাখতে হবে আরেকজনেরটা দেখে না। বরং নিজের সংসার, নিজের মানুষটার ফিতরাত, পকেট দেখে। একেবারে ধৈর্য্যশীলা, সবকিছু মেনে নেওয়া সখিনা চাচীও যেমন যাবে না, তেমনই আবার সবকিছুতে গাল ফুলানো, দোষ ধরা, এক্সট্রা অর্ডিনারি সেবার আশা করে বসে থাকা 'লন্ডনের প্রিন্সেস' রোলও প্লে করা যাবে না। এমন স্ত্রী হওয়ার মধ্যে কোনো ক্রেডিট নেই। এক জামানায় চলতে থাকা জুলুম থেকে বাঁচতে মাথা ওঠানো ভালো। কিন্তু, মাথা ওঠাতে ওঠাতে যেন মাত্রা ছাড়িয়ে নিজেরাই আরেক জালেম হয়ে না যাই- এটাই থাকবে আসল ফিকির। © Kashfia Disha .......Don't agree 100%, but the words are largely factual and logical........

  • মেয়ে মানুষের উপর আগের জামানায় যেরকম টর্চার হতো, আমি তার বিরুদ্ধে অবশ্যই। নারীদের বৈধ স্বাধীনতা অর্থাৎ “Allah-given lawful freedom”-এর পক্ষে আমি সবসময়ই ছিলাম ও আছি। মেয়েরা কোমল, ন্যাকা, অবলা হয়, এসবকে অবশ্যই মেয়ে হিসেবে আমি এক্সেপ্ট করি। কিন্তু, এর অর্থ এই না যে সবসময় সবক্ষেত্রে মেয়েদের ওভার এক্সপেক্টেশন আর লুতুপুতুকে জাস্টিফাই করতে হবে! দিন দিন মেয়েদের এক্সপেক্টেশন লেভেল আকাশচুম্বী হয়ে যাচ্ছে। ম্যাক্সিমাম মেয়ে এখন এক্সপেক্ট করে যে, রাত ২-৩ টা বাজে ক্রেভিং উঠবে আর স্বামী সেগুলো কিনতে বা বানাতে ছুটবে, বউ বছরের পর বছর অসুস্থ থাকবে আর স্বামী সারাবছর ফুল ট্রিটমেন্টের ব্যবস্থা করবে, বাসায়ও সেবা করে যাবে, মেন্টাল সাপোর্ট দিবে, কাজ করে দিবে, ওষুধ খাইয়ে দিবে, অফিসে গিয়েও অসুস্থতার প্যাঁচাল শুনবে, প্রত্যেক ঘন্টায় ঘন্টায় খোঁজ খবরও রাখতে হবে। কিন্তু, কোনো একদিন এসবে নূন্যতম বিরক্তবোধ করলেই সে ‘খারাপ স্বামী’ হয়ে যাবে। পিরিয়ডের দোহাই দিয়ে চরম খারাপ ব্যবহার করবে, খিটমিট করবে, পোস্টপার্টাম ডিপ্রেশনের নামে স্বামী আর বাচ্চার উপর অত্যাচার চালাবে, মুড সুয়িংয়ের নামে মেন্টাল টর্চার চালাবে, প্রত্যেক মাসে মাসে শপিং করা লাগবে, জামাকাপড় নেওয়া লাগবে, স্পেশাল ট্রিট, সারপ্রাইজ, মোটা হাত-খরচ, প্রিন্সেস ট্রিটমেন্ট লাগবে। শ্বশুড়-শ্বাশুড়ির সঙ্গে থাকতে পারবে না, আলাদা থাকবে, অনেকবেলা করে ঘুম থেকে উঠবে, সব কাজের জন্য আলাদা আলাদা গ্যাজেটও লাগবে, পারলে রান্নাটাও কাজের বুয়া করে দিলে আরও ভালো। এগুলো অনেকের ক্ষেত্রেই ওভার এক্সপেক্টেশনের মধ্যে পড়ে। পুরুষরা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে কামাই করে আনে। হয় শারীরিক পরিশ্রম করতে করতে রক্ত পানি হয়ে যায়, আর নয়তো বসের ঝাড়ি শুনে মেন্টালি চুরমার হয়ে যায়। টাকা এতো সস্তা না। রোদে পুরে, হাঁটতে হাঁটতে জুতা ক্ষইয়ে, হাজারটা গালি খেয়ে, শত শত ফোনকলে ক্লায়েন্টদের তেল মেরে কামাই করতে হয়। টাকার পেছনে তেল ঢালতে ঢালতে পুরুষদের নিজেদের জানের তেলই শেষ হয়ে যায়। সারাদিনের ধকল শেষে পুরুষদের মেজাজ বিগড়ানো বা মন বিষণ্ণ থাকে। এরউপর যদি রোজ রোজ ‘স্বামী ওইটা করলো না কেন, এটা করলো না কেন, মুড সুয়িং ডিপ্রেশনে সাপোর্ট দিল না কেন, আমার মন পড়তে পারে না কেন, রান্নাতে-ঘরের কাজে হেল্প করলো না কেন, বাচ্চা পাললো না কেন’– টাইপ বিভিন্ন ইস্যু ক্রিয়েট হয়, তখন পুরুষ মানুষ বিরক্ত হবে, সংসারে অশান্তি সৃষ্টি হবে- এটাই স্বাভাবিক। অথচ আম্মাজান খাদিজা রা. এমনি এমনি জান্নাতুল ফেরদৌসের সুসংবাদ পান নি। পেয়েছিলেন শুধুমাত্র স্বামীকে ক্লান্তশ্রান্ত অবস্থায় বাসায় ফেরার পর কোলাহলমুক্ত শান্তির পরিবেশ দেওয়ার জন্য। এখন অহরহ দেখি, মেয়েদের শ্বশুড়বাড়িতে রান্না করতে হলে খারাপ লাগে, ঘর ঝাড়পোঁছ করতে খারাপ লাগে, কারোর দেখাশোনা করতে হলে খারাপ লাগে, নিজেদের কোনোকিছুতে কম পড়লে খারাপ লাগে, নিজেদেরকে ‘কাজের বুয়া কামলা’ ভেবে অপমানিতবোধ করে, প্রতিবাদ করে। অথচ এই একই ক্যাটাগরির মেয়েরাই আবার স্বামীর ক্ষেত্রে সেবা, রান্না, সাহায্য, মুড বোঝা, কেনাকাটা, সবকিছুর এক্সপেক্টেশন নিয়ে বসে থাকে, কিছু মিস হলেই অভিযোগের ঝুড়ি নিয়ে বসে পড়ে। এটা তো হিপোক্রেসি। যতদিন যাচ্ছে, মেয়েদের মধ্যে স্যাক্রিফাইসের ইচ্ছে কমছেই আর এক্সপেক্টেশনের মাত্রা বাড়ছেই। পুরুষদের সাইকোলজি মেয়েদের মতো আবেগকেন্দ্রীক না। মেয়েদের মনের ভেতরে থাকা সব আবেগ তাদের ব্রেইনে ঢুকবে না। এছাড়াও ফিতরাতগতভাবেই পুরুষরা দাম্পত্য চাহিদাসম্পন্ন (sexual need) বেশি। স্বামীর শারীরিক চাহিদার হক্ব আদায় করা স্ত্রীর উপর ফরজ (নিষিদ্ধ ও অসুস্থতার প্রতিকূল সময় ব্যতীত)৷ অথচ স্ত্রীর এতো এতো এক্সপেক্টেশন পূরণের পর আবার দিনশেষে শারীরিক সম্পর্কের সময়ও স্ত্রীর অনুমতি নিতে হবে, মন বুঝতে হবে, মুড হতে হবে। আর নয়তো এর বাইরে কিছু করলেই তা অ্যাবিউজ, ম্যারিটাল রেপ হয়ে যাবে। Aren’t these acts of oppression? আবার দেখলাম, ঘরের জন্য স্বামী স্ত্রীকে ওয়াশিং মেশিন, ব্লেন্ডার, ওভেন, ডিশওয়াসার, ভ্যাকুয়াম ক্লিনার, এসি, জেনারেটর সবকিছু কিনে দিতে না পারলে নাকি সে ফেইলর। স্পেশাল ডেটে দামী ড্রেস, গোল্ডের জুয়েলারি, মাসে মাসে দামী স্কিনকেয়ার প্রোডাক্ট দিতে না পারলে নাকি সে স্বামী হিসেবে ব্যর্থ। কতটা অপ্রীতিকর মানসিকতা ও কথাবার্তা এগুলো! স্বামীর যদি সামর্থ্য না থাকে এগুলো কিনে দেওয়ার তাহলে সে কীভাবে দিবে? কোথা থেকে দিবে? পৃথিবীর কয়জন পুরুষ ইচ্ছে করে কম কামাই করে? এখন ব্যর্থ পুরুষ থেকে সফল পুরুষ হতে কি তাহলে হারাম কামালেও সই? স্ত্রী স্বামীর পকেটের দিকে তাকাবে না? তাহলে স্ত্রীর স্যাক্রিফাইসটা কোথায় থাকলো আসলে? স্বামীর ব্যর্থতা যদি এভাবে মাপা হয়, তাহলে “স্ত্রী হিসেবে একটা মেয়ে কতটা ব্যর্থ” সেই পরিমাপক সূত্রটা কী? নাকি স্ত্রীদের কোনো ব্যর্থতাই নেই?

  • বিয়ে নিয়ে খুব ভয় লাগছে, কী করবেন? বিয়ে নিয়ে ভয় লাগা অস্বাভাবিক কিছু নয়। বিশেষ করে দাম্পত্যের নেতিবাচক অভিজ্ঞতা স্বচক্ষে দেখে থাকলে আর কথাই নেই। তবে এখন কি করণীয়? নিজের ভয়গুলোকে ধামাচাপা না দিয়ে শান্তভাবে বোঝার চেষ্টা করুন, ১) আপনি আসলে ঠিক কোন বিষয়টি নিয়ে ভয় পাচ্ছেন? ২) ভুল মানুষকে বিয়ে করার আশঙ্কা? ৩) নিজের স্বকীয়তা হারানোর ভয়? ৪) নির্যাতিত হওয়ার শঙ্কা? ৫) ভুল সিদ্ধান্ত নেয়ার ভয়? ৬) নতুন দায়িত্ব, শ্বশুরবাড়ির পরিবেশ, নতুন মানুষের সাথে এডজাস্ট করার ভয় ৭) নাকি অতীতের কোনো তিক্ত অভিজ্ঞতা ভয় আজো তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে? একবার চিহ্নিত করতে পারলে বাকি সমস্যার সমাধান সহজ ইনশাআল্লাহ। প্রত্যেকটা ভয়ের বিপরীতে আপনার জন্য পজিটিভ চিন্তা এবং বাস্তব সম্মত সমাধানের জায়গা আছে, আলহামদুলিল্লাহ। একটি কাগজে তিনটি কলাম তৈরি করুন: ১) ‘আমি কী ভয় পাচ্ছি’, ২) ‘এই ভয়ের পক্ষে বাস্তব প্রমাণ’, ৩) এই ভয়ের বিপক্ষে বাস্তবতা ৪) ‘নিজেকে নিরাপদ রাখতে আমি কী করতে পারি’ এবং আল্লাহর কাছ থেকে কী কী আশা করতে পারি? ভয় গুলোকে ম্যানেজ করতে বিয়ের ইসলামি উদ্দেশ্য, স্বামী–স্ত্রীর পরম পবিত্র ভালোবাসা, হক ও দায়িত্ব সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে জানতে থাকুন। যত এগুলো পড়বেন, ততই আপনার ভেতরের মেঘটা কাটিয়ে উঠবে, কিছুটা হলেও ইনশাআল্লাহ। কারণ, যে জানে এবং যে জানে না, তারা কি সমানভাবে নেগেটীভিটি সামলাবে বলুন ? পাত্র/পাত্রীকে যাচাই করার সময় শুধু আবেগ, বাইরের যোগ্যতা কিংবা বাহ্যিক লেবাসে যা দেখছেন, সেইটুক দেখেই সীমাবদ্ধ থাকবেন না। সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ তার আল্লাহর সাথে সম্পর্কটা কেমন? এবং তার আখলাক-আচার ব্যবহার কেমন? রাগের সময় সে কেমন আচরণ করে, তার দায়িত্ববোধ এর চেতনা কেমন, সে কতটুকু সত্যবাদি এবং সৎ? আর পাত্র নির্বাচনের ক্ষেত্রে সে তার নিজ পরিবারের মা, বোন নারীদের প্রতি কেমন দৃষ্টিভঙ্গি রাখে? এই বিষয়গুলো মনোযোগ দিয়ে পর্যবেক্ষণ করুন। বিয়ের আগেই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো স্পষ্টভাবে আলোচনা করুন। নিজের প্রত্যাশা, নিজেকে নিয়ে আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, আপনার ইসলাম পালনের সাপোর্ট সিস্টেম হয়ে ওঠার যে সাপোর্ট আশা করছেন, কুফু ম্যাচিং হওয়ার বিষয়টা, সন্তান, বসবাসের ব্যবস্থা এবং দুই পরিবারের সঙ্গে সুন্দর সম্পর্ক বজায় রাখার উপায়—এসব বিষয়ে দুজনের চিন্তাভাবনা কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ? তা বোঝার চেষ্টা করুন। বিশ্বস্ত অভিভাবক, হিকমত ওয়ালা দ্বীনের জ্ঞান সম্পন্ন অভিজ্ঞ মানুষের পরামর্শ নিন। প্রয়োজনে সময় নিয়ে খোঁজ খবর নিন, আপনার অভিভাবকের মাধ্যমে। তাড়াহুড়া করবেন না। নিজের ভয়কে সঙ্গে সঙ্গেই সত্য বলে ধরে নেবেন না। বরং নিজেকে প্রশ্ন করুন, “আমার অজানা আশঙ্কার পক্ষে বাস্তব কোনো প্রমাণ আছে কি? নিজের ঈমান এবং সংসারকে নিরাপদ থাকার জন্য আমি কী কী ব্যবস্থা নিতে পারি?” ভয় আমাদেরকে অনেক সময় সম্ভাব্য বিপদ থেকে সতর্ক করে, আবার কখনো সাধারণ বিষয়কেও ভয়ংকর করে তোলে, যা এখনো ঘটেইনি। ঘটার সম্ভাবনাও নেই। ইস্তিখারা করুন, আল্লাহর কাছে দোয়া করুন এবং মাশওয়ারা করুন। তবে শুধু কোনো এক বিশেষ অনুভূতি, স্বপ্ন বা মনের অস্থিরতার ওপর ভিত্তি করে এত জরুরী একটি সিদ্ধান্তকে ছেড়ে দেবেন না। প্রয়োজনীয় ইল্ম অর্জন করতে থাকুন, নিজেকে গড়ে তুলুন, আল্লাহর প্রতি পজিটিভ ধারণা রাখুন এবং বাস্তবতাও যাচাই করুন। ইস্তিখারার করার মানে কিন্তু শুধু কোনো ইশারার অপেক্ষায় থাকা নয়, বরং নিজের সাইড থেকে যথাসাধ্য চেষ্টা করে আল্লাহর ওপর ভরসা করে যাওয়া। মনে রাখবেন, বিয়ে মানেই নিজের পরিচয়, সম্মান কিংবা স্বাধীনতা হারিয়ে ফেলা নয়। বিয়ে মানে কোন ফেয়ারিটেইল এর রূপকথাও নয়। বিয়ে এমন একটি বন্ধন, যেখানে দুজন মানুষ আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য পরস্পরের প্রশান্তি, নিরাপত্তা ও সহযোগিতার আশ্রয় হয়ে উঠবে। সঠিক মানুষ নির্বাচন করাটা খুব জরুরী। মাঝে মাঝে কিছুটা নিজের জন্য কম রাখতে হয়। মাঝে মাঝে নিজের জন্য কিছু সুস্থ সীমারেখা টানতে হয়। একটু সচেতন প্রস্তুতি এবং প্রচুর আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করে এগুতে থাকলে ধীরে ধীরে আপনার ভয়কে আল্লাহ রব্বুল আলামিন.... প্রশান্তি ও দৃঢ় বিশ্বাসে পরিণত করে দিবেন, ইনশাআল্লাহ। —শারিন সফি অদ্রিতা 'দাম্পত্যে বারাকাহ' বইটি থেকে

  • শায়খ ইবনে উসাইমিন রাহি. বলেছেন, প্রসববেদনা (নারীদের) গোনাহ মাফ করে।

  • 10 авг.86из muslimatrix

    ভাইয়েরা " No Vote " দিন।

  • 10 авг.96из muslimatrix

    видео или голосовое, без подписи

  • Top ten things a husband wants from his wife: 1. Peace 2. Respect 3. Loyalty 4. A genuine smile 5. Undivided attention 6. Engaged conversation 7. Warmth and affection 8. Cooperation and support 9. Femininity 10. Being his soft place to land after the world takes its toll — Umm Khalid

  • পুরুষেরা একটু রাগী হবে, কখনো একটু কঠিনও হবে—এটা তার স্বভাবেরই একটি অংশ। আল্লাহ তাকে এমন এক ফিতরাত দিয়ে সৃষ্টি করেছেন, যেখানে দৃঢ়তা, কর্তৃত্ববোধ, আত্মমর্যাদা এবং প্রয়োজনে কঠোর হওয়ার প্রবণতাও রয়েছে। তাই তার কোনো আচরণ কখনো কখনো আপনার কাছে কঠিন বা মেনে নেওয়ার মতো না-ও মনে হতে পারে। এমন সময় নিজেকে বোঝাতে হবে—সে তো পুরুষ, তার মধ্যে পুরুষের স্বাভাবিক ফিতরাত আছে। আজকাল চারপাশে এমন অনেক পুরুষ দেখা যায়, যাদের স্বাভাবিক পুরুষোচিত দৃঢ়তা ও দায়িত্ববোধ অনেকটাই নষ্ট হয়ে গেছে। তাই নিজের মানুষটির মধ্যে সেই দৃঢ়তা দেখতে পেলে, সব সময় সেটাকে নেতিবাচক চোখে না দেখে তার ভালো দিকটাও দেখতে শেখা দরকার। হয়তো রাগের মুহূর্তে তার সঙ্গে বোঝাপড়া কঠিন হবে। হয়তো তখন মনে হবে, মানুষটা এতটা কঠিন কেন! কিন্তু মনকে শান্ত করে মনে রাখুন—রাগের মুহূর্তটা চিরস্থায়ী নয়। মাথা ঠান্ডা হলে, অভিমান কমলে, যে মানুষটা আপনাকে ভালোবাসে সে-ই আবার কাছে আসবে, কথা বলবে, সন্ধি করবে। তাই প্রতিটি মতবিরোধকে সম্পর্কের শেষ মনে করার দরকার নেই। কখনো একটু সময় দিতে হয়, একটু নীরব থাকতে হয়, আর ভালোবাসাটাকে রাগের চেয়ে বড় করে দেখতে হয়। আর তখন হয়তো মনে হবে— “আলহামদুলিল্লাহ, আমার মানুষটা সত্যিই একজন পুরুষ।”

  • 7 авг.24386из BelieversFamilyLife

    ভালোবাসার নিদর্শন দ্বারা যদি ঘন ঘন উপহার দেয়া, বিলাসি জীবনের আয়োজন বোঝাতো তাহলে নবী মুহাম্মাদ ব্যর্থ স্বামী হিসাবে বিবেচিত হতেন। ভালোবাসার বিশেষ যে চিত্র আঁকা হয়েছে সেটা কৃত্রিম ও বিকৃত। সামর্থ্যবান স্বামী তার স্ত্রীর জন্য উপহার নিয়ে আসবে, আরামের বন্দোবস্ত করবে। যার সামর্থ্য কম, সে যত্ন ও সম্মান দিয়ে কমতি পূরণ করে নিবে। ভালোবাসার সাথে সামর্থ্য, উপহার, বিলাসিতা, সম্পদ, যোগ্যতা, শিক্ষার সরাসরি সম্পর্ক নেই। এগুলো প্রয়োজন, ভালোবাসা না। বিয়ের ভিত্তি শুধুমাত্র ভালোবাসাতে সীমাবদ্ধ নয়, দায়িত্বপালন বিয়ের একটি প্রধান ওয়াদা। স্ত্রীকে শুধু মন দিয়ে ভালোবাসা বিয়ের হক পূরণ করে না, স্ত্রীর প্রতি দায়িত্ব পালন করতে হয়। সারাবছর আকুন্ঠ উপহারে নিমজ্জিত রাখা স্বামীও স্ত্রীকে ঘৃণা করতে পারেন, সারাবছর বিলাসিতা ডুবে থাকা স্ত্রীও অকৃতজ্ঞ হতে পারেন। গুরুত্বপূর্ণ হলো, মনকে একজনের জন্য নির্ধারিত করা এবং হক আদায় করা।

  • স্কুলপড়ুয়া দুই ছাত্রের আলাপ! ফেসবুকে মেয়ে একটা পটাইছি। কালকে মীট করবো, এরপর ভালো একটা ট্রিট দিবো, তারপর ট্রাস্ট অর্জন করে অমুক ভাইয়ের বিল্ডিংয়ে নিয়ে যাবো। আফসোস!

  • মাইক্রোপ্লাস্টিক নিয়ে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করে আজকের পৃথিবীতে স্বাভাবিকভাবে বসবাস করাই প্রায় অসম্ভব। একদম গ্রামাঞ্চলে কিছুটা এড়িয়ে চলা গেলেও শহুরে জীবনে মাইক্রোপ্লাস্টিকের সংস্পর্শ পুরোপুরি এড়ানো বাস্তবে সম্ভব নয়। একবার ভেবে দেখুন—সকাল থেকে রাত পর্যন্ত আমরা কতভাবে এর সংস্পর্শে আসি। • ঘুম থেকে উঠে টুথব্রাশ করি—প্লাস্টিকের টুথব্রাশ। • বোতলের পানি বা প্লাস্টিকের জারে রাখা পানি পান করি। • প্লাস্টিকের প্যাকেটে থাকা রুটি, বিস্কুট, চিপস, দুধ, তেল, মসলা, চাল, ডাল—প্রায় সব খাবারই কোনো না কোনো পর্যায়ে প্লাস্টিকের সংস্পর্শে এসেছে। • চা বা কফি অনেক সময় প্লাস্টিক-লাইন্ড কাপে বা ঢাকনায় পরিবেশন করা হয়। • অফিস বা বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে গাড়ির টায়ার ক্ষয় হয়ে বাতাসে অসংখ্য ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা ছড়ায়, যা আমরা শ্বাসের সঙ্গে গ্রহণ করি। • ঘরের পর্দা, কার্পেট, সোফা, সিন্থেটিক কাপড়—এসব থেকেও সূক্ষ্ম প্লাস্টিক ফাইবার বাতাসে ভেসে বেড়ায়। • খাবার সংরক্ষণ করি প্লাস্টিকের কন্টেইনারে, অনেকেই আবার সেখানেই গরমও করেন। • অনলাইনে অর্ডার করা প্রায় প্রতিটি পণ্যই প্লাস্টিক মোড়কে আসে। • মাছ, লবণ, এমনকি পানীয় জলেও বিভিন্ন গবেষণায় মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। অর্থাৎ, সকাল থেকে রাত পর্যন্ত আমরা বাতাস, পানি, খাবার এবং দৈনন্দিন ব্যবহারের অসংখ্য জিনিসের মাধ্যমে কোনো না কোনোভাবে মাইক্রোপ্লাস্টিকের সংস্পর্শে আসছি। তাই আতঙ্কিত হয়ে জীবনযাপন করার চেয়ে বাস্তববাদী হওয়াই ভালো। যেগুলো আমাদের নিয়ন্ত্রণে আছে—অপ্রয়োজনীয় সিঙ্গেল-ইউজ প্লাস্টিক কমানো, গরম খাবার প্লাস্টিকে না রাখা, কাঁচ বা স্টিলের পাত্র ব্যবহার করা, ঘর পরিষ্কার রাখা এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের অভ্যাস গড়ে তোলা—এসবই বেশি কার্যকর। কারণ শূন্যে নামিয়ে আনা হয়তো সম্ভব নয়, কিন্তু অপ্রয়োজনীয় এক্সপোজার কমানো অবশ্যই সম্ভব।

𝒎𝒖𝒔𝒍𝒊𝒎𝒂𝒕𝒓𝒊𝒙 》ˢⁱˢᵗᵉʳˢ — tgindex