Okay Bangladesh
Статистика- Последний пост
- 8 авг.
- Последнее чтение
- 13 авг.
- Постов за неделю
- 0
- Всего постов
- 21
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- В каталоге с
- 13 авг.
- 1/24сутки в ленте
- 1 090
- 1/48двое суток
- 1 249
- 1/72трое суток
- 1 347
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
সৌদি, তুরস্ক এবং পাকিস্তানের মধ্যে যে চুক্তিটা হয়েছে, সেটা গুরুত্বপূর্ণ তো বটেই, কিন্তু সেটাকে এখনই মুসলিম ন্যাটো বলার মতো সময় আসেনি। ইনফ্যাক্ট ন্যাটোর মতো রেগুলার বাজেট, ট্রেনিং, ডেডিকেটেড বাহিনীর কথাও এখানে নাই। সৌদি আরবের সাথে পাকিস্তানের আগে থেকেই চুক্তি ছিল। সেই চুক্তি অনুযায়ীও এক দেশ আক্রান্ত হলে আরেক দেশ সাহায্য করার কথা ছিল। তারপরেও ইরান যুদ্ধে সৌদি আরবের বিভিন্ন এয়ারবেজে একাধিকবার মিসাইল হিট করলেও সেই চুক্তি কাজে আসেনি। এই মুহূর্তেও সৌদি আরবের সাথে হুথিদের যুদ্ধ চলছে। দুই দেশেই পাল্টাপাল্টি আক্রমণ হচ্ছে। তার মানে কি এই চুক্তি হওয়ার পর সৌদি আরবে হুথিরা আক্রমণ করলে তুরস্ক এবং পাকিস্তান গিয়ে হুথিদের উপর বম্বিং শুরু করবে? বা ইরান যদি সৌদি কোনো ঘাঁটিতে আক্রমণ করে, তুরস্ক এবং পাকিস্তান গিয়ে ইরানে হামলা করবে? না। এরকম ড্রামাটিক কিছু ঘটবে না। এই চুক্তি বা এই জোট ছোটখাটো ঘটনাগুলোকে ইগনরই করে যাবে। যার যার দেশের সমস্যা সে সে নিজেই সামাল দিবে। এই চুক্তি যেটা করবে, সেটা হচ্ছে, তাদেরকে সামরিক সহযোগিতা, প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি, গোয়েন্দা তথ্য, প্রশিক্ষণ ও সামরিক সহায়তার জন্য একটি শক্তিশালী কাঠামো তৈরি করে দিবে। এবং এই চুক্তি এটা নিশ্চিত করবে, ইরানকে যেরকম আমেরিকা এবং ইসরায়েল ধ্বংস করে দেওয়ার চেষ্টা করেছে, এই তিন রাষ্ট্রের কাউকে যেন কেউ সেরকম ধ্বংস করার চিন্তাও না করে। অর্থাৎ এই চুক্তিটা যুদ্ধের বিরুদ্ধে একটা ডিটারেন্স তৈরি করবে। ছোটখাটো যুদ্ধে হয়তো বাকিরা ইনভলভড হবে না। কিন্তু যদি দেখা যায় এই তিন দেশের কোনো একটার উপর ব্যাপক আক্রমণ হচ্ছে, এবং সেটার জবাব না দিলে ভবিষ্যতে বাকি দুই দেশও হুমকির মুখে পড়তে পারে, তখন বাকি দুই দেশ ইনভলভড হতেও পারে। আল-জাজিরার সাথে সাক্ষাৎকারে এক তুর্কি বিশ্লেষক যেটা বলেছে, এই চুক্তি অফেন্সিভ না, ডিফেন্সিভ। এই চুক্তির লক্ষ্য এখনই কোনো যুদ্ধে জড়িত হওয়া না। বরং ভবিষ্যতে যেন অনাকাঙ্ক্ষিত যুদ্ধে জড়িত হতে না হয়, সেটা নিশ্চিত করা।
без подписи
без подписи
без подписи
স্বৈরাচারের দালালেরা হুঁশিয়ার সাবধান স্লোগান—নাহিদ ইসলাম🫡
এইবারের সংসদ আসলেই দারুণ। সরকার দল ও বিরোধী দল—দুই পক্ষর উপর সন্তুষ্ট। এমন ইতিবাচক পরিবেশ থাকলে দেশের জন্য ভালো কিছুআশা করা যায়। Tarique Rahman-কে দেখলাম খুবই আন্তরিক। তিনি জুলাই'কে ধারণ করেন। আশা করি, তিনি জুলাই সনদ বাস্তবায়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন।
বাংলাদেশ ইতিহাসে প্রথমবারের মত হাসনাত, আল আমিন, হান্নান মাসুদ, এনসিপির তিন এমপি তাদের আসনে বরাদ্দের লিস্ট পাবলিশ করে দিসে। বাকি তিনজন অল্প কিছুদিনের মধ্যেই পাবলিশ করবে। এনসিপির এমপিরা পাইটুপাই জনগণের ট্যাক্সের টাকার হিসেব জনগণের কাছে দিচ্ছে, আপনারা হিসাব বুঝে নিন।
হাসনাত বলছিলো আমি এমপি হইলে বাকি ২৯৯ আসনের এমপি'দের ঘুম হারাম করে দিম। সংসদের চেয়ারে না বসতেই হাসনাত আবদুল্লা এমপিদের ঘুম হারাম করে দিছে। সবাই খেজুর নিয়ে পরে আছে😁, অন্য দিকে হাসনাত আবদুল্লার ভিডিও'তে খেজুরের ইস্যু থেকে অন্য ইস্যু গুলো বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এমপি থেকে জনগণ সবার উচিত হাসনাতের এই ৪০ মিনিটের ক্লাস করা।
ফয়সাল করিম মাসুদ ভারতের হাতে গ্রেফতারের একটা খবর ভারতীয় গণমাধ্যমে সম্ভবত ডিসেম্বরের শেষেই অথবা জানুয়ারীতে প্রচার করেছিল। পরে ভারতীয় পুলিশ গ্রেফতারের খবরকে নাকচ করে দেয়। এখন বলা হচ্ছে- গতকাল গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের। গতকাল গ্রেফতার হলে, সেটা আজকে সন্ধ্যায় কেন হুট করে প্রচার হচ্ছে? যদি গ্রেফতারের ঘটনা সত্য হয়, তাহলে কি এতদিন ধরেই ভারতের হাতে ছিল তারা? প্রথম যে বার গ্রেফতারের কথা বলা হয়েছিল, সেটাই কি সত্যি? ভারত সরকারের এতদিন ইচ্ছে ছিল না দেয়ার, এখন দিতে ইচ্ছে হলো বলেই কি হুট করে এই প্রচার?
মামলা করেও শান্তিতে নাই মির্জা আব্বাস।
ব্রেকিং:শহিদ ওসমান হাদি হত্যার প্রধান আসামী ফয়সাল করিম মাসুদ ভারতে গ্রেপ্তার।
без подписи
ইরানের অবস্থা ভয়াবহ।
বিরোধী দল হিসেবে জামাতকে আমেরিকা সহ বিভিন্ন দেশের এম্বাসি দাওয়াত করে, আবার জামাত তাদের প্রোগ্রামে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত'দের আমন্ত্রণ জানায়। আমার কথা হচ্ছে এইগুলো নিয়ে যাঁরা নোংরামি করতেছে ওঁরা বিরোধী দল অথবা ক্ষমতায় গেলে কি করতো??? পৃথিবীর বর্তমান অবস্থা কি, পৃথিবীর কিভাবে চলে, এই সামান্য ধারণা টুকু ওঁদের মধ্যে নাই। যাঁর কারণে আল্লাহ ওঁদের'কে সবসময় সরকারী দলের চামচা বানিয়ে রাখে।
সৌদি আরব ইরানকে তার ভূখণ্ড বা জ্বালানি অবকাঠামোতে আক্রমণ না করার জন্য সতর্ক করে বলেছে, হামলা অব্যাহত থাকলে তারা প্রতিশোধ নিতে পারে এবং মার্কিন বাহিনীকে সৌদি ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিতে পারে। সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির মধ্যে ফোনালাপের সময় এই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। সূত্র: রয়টার্স
без подписи
без подписи
ইজরাইল-আমেরিকার আক্রমণে মধ্যপ্রাচর শেষ স্বাধীন রাস্ট্রটি ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।
এই রকম সংস্কৃতি বাংলাদেশে নতুন এই সংস্কৃতিকে প্রান্তিক পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে। প্রশংসার দাবিদার। অন্য দিকে এখনো নাকি আলেম ওলামাদের জেল থেকে মুক্ত করার জন্য, তাদের'কে নির্দোষ প্রমাণের জন্য লবিং করা লাগতেছে। যা খুবই দুঃখজনক। আমরা লবিং ছাড়া এমন একটি সমাজ চাই যেখানে উচ্চ শ্রেণী থেকে নিম্ন শ্রেণীর সবাই ন্যায়বিচার পাবে। যেখানে ধার্মিক থেকে নাস্তিক, শাহাবাগী থেকে শাপলা, কোন ধরনের লবিং ছাড়াই তাদের সাথে যেন ইনসাফ করা হয়।
মধ্যপ্রাচ্যের যেসব দেশে রাজতন্ত্র আছে—যেমন Saudi Arabia, Jordan, Qatar, Kuwait, Bahrain, Oman এবং United Arab Emirates—সেসব দেশের রাজা বা আমিররা সাধারণত উচ্চমানের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা গ্রহণ করেন। অনেকেই যুক্তরাজ্য বা যুক্তরাষ্ট্রের নামকরা প্রতিষ্ঠান, বিশেষ করে Royal Military Academy Sandhurst, Georgetown University বা King Saud University-এর মতো প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করেছেন। তাদের মূল পেশা বা দায়িত্ব হলো রাষ্ট্র পরিচালনা, রাজনীতি ও সামরিক নেতৃত্ব। অধিকাংশ রাজা বা আমির হওয়ার আগে নিজ দেশের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন এবং সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত, অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক কূটনীতি পরিচালনায় সরাসরি ভূমিকা রাখেন। আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু হওয়ার পর কেউ ইসলামী শিক্ষায় শিক্ষিত হয়নি। এবং পরিবারের সংখ্যা গরিষ্ঠ লোকেরা ইসলামি শিক্ষায় শিক্ষিত নয়। ওসমানী আমলে মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান রাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলোর প্রতিষ্ঠাতা শাসকদের বেশিরভাগই মূলত ধর্মীয় শিক্ষা, গোত্রীয় নেতৃত্ব ও সামরিক অভিজ্ঞতার মাধ্যমে নেতৃত্বে আসেন এবং মধ্যপ্রাচ্যে আরব রাস্ট্র তৈরি করেন। তারাকেউ ইসলামী আলেম ও ধর্মীয় শিক্ষক ছিলেন না। অধিকাংশ ক্ষেত্রে তখন কার আলেমরা রাজা না হয়ে ধর্মীয় উপদেষ্টা, বিচারক (কাজি), বা শরিয়াহ বিশেষজ্ঞ হিসেবে শাসকদের পাশে কাজ করতেন। জানার জন্য পোস্ট। সকল তথ্য উইকিপিডিয়ায় পেয়ে যাবেন।