- Последний пост
- 21 июл.
- Последнее чтение
- 15 авг.
- Постов за неделю
- 0
- Всего постов
- 21
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- Категория
- Новости и СМИ (по похожим)
- В каталоге с
- 15 авг.
- 1/24сутки в ленте
- 243
- 1/48двое суток
- 278
- 1/72трое суток
- 300
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
বাংলাদেশের উন্নয়নের পথে সবচেয়ে বড় বাধাগুলোর একটি হলো দলীয় অন্ধ আনুগত্য। আমাদের রাষ্ট্রে দেখা যায় কোনো দল বা নেতার ভুল, দুর্নীতি, সহিংসতা কিংবা ক্ষমতার অপব্যবহারের সমালোচনা না করে বরং সেটিকে অস্বীকার বা যুক্তি দিয়ে সমর্থনের চেষ্টা করা হয়। কখনো যাচাই না করেই তথ্য বিশ্বাস করা হয়, আবার কখনো নিজের পক্ষের ভুলকে " 'স্বাভাবিক' বলে মেনে নেওয়া হয়। নেতারা ধর্মের অপব্যাবহার করে অকাজ করে আর দলদাস কর্মীগুলা এইটাকেই ধর্ম বলে মেনে নেয়। একইভাবে যখন দলীয় রাজনৈতিক পরিচয়কে ব্যবহার করে চাঁদাবাজি, দুর্নীতি, মাদক ব্যবসা, ভূমি দখল বা অন্য কোনো অপরাধ সংঘটিত হয় তখন দলদাস কর্মীগুলা এটার পক্ষে সাফাই গেয়েই যায়। একটা দলের নেতারা দেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাট করে বিদেশে আরামে বসে খাচ্ছে আর দেশে দলদাস কর্মীগুলা দলীয় দাসত্ব পালন করেই যাচ্ছে। মোটা দাগে সবার অবস্থান একই। সবার পুজি দলীয় দাস কর্মীরা। এই দলীয় দাস গুলাই দেশের উন্নতি সুশাসনের প্রধান অন্তরায়।
без подписи
চট্টগ্রামের বিতর্কিত সাবেক জেলা প্রশাসক (ডিসি) ফরিদা খানমকে ঢাকার ডিসি হিসেবে নিয়োগ দেয়ায় অভিনন্দন! গত বছর সেপ্টেম্বরে চট্টগ্রামের বিতর্কিত জেলা প্রশাসক (ডিসি) ফরিদা খানমকে সরিয়ে নেয় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। সরকারি জমি লিজ দেওয়া, বালুমহাল ইজারা, ইটভাটাসহ বিভিন্ন খাত থেকে অবৈধভাবে কোটি কোটি টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এসব কারণে দায়িত্ব নেয়ার ১ বছরের মধ্যে তাকে চট্টগ্রাম থেকে সরিয়ে দেয়া হয়। তার বিরুদ্ধে আড়াইশো কোটি টাকা লুটপাটের অভিযোগে তদন্ত করছে দুর্নীতি দমন কমিশন! চলুন ফরিদা খানম সম্পর্কে কিছু তথ্য জেনেনি: ১.ডিসি হিসেবে পদায়নের ১ মাসের মাথায় ৪২ লক্ষ টাকা ফ্ল্যাট ঋণ পরিশোধ। ২. সরকারী নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে ০৪-০৬ হাউজিং কোম্পানি কে সরকারী জায়গা লিজ প্রদান করে কোটি কোটি টাকা ঘুষ নিয়েছেন! ৩. ফেনী নদীর বালু-মহাল ইজারায় নুরুল আমিন (চেয়ারম্যান) বর্তমান সংসদ সদস্য মীরেশ্বরাই কাছ থেকে ডলারে কয়েক কোটি টাকা ঘুষ নিয়েছেন বলে অভিযোগ। ৪. ঘুষের টাকা বিনিয়োগ করেছেন বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের কাছে। মাসিক ৩% সুদের বিনিময়ে। ৫. অভিযোগের তদন্ত চলমান থাকলেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কে সন্তুষ্ট করে পোষ্টিং নিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের সবচেয়ে আকর্ষণীয় পোষ্টিং পুলিশ শাখায়। ৬. এনএসআই এবং দুদক কর্মকর্তাদের কে প্রধানমন্ত্রীর নাম ভাঙ্গিয়ে ধমকান, পরিচয় দেন রোকেয়া হল ছাত্রদলের সাবেক সাধারন সম্পাদক এবং প্রধানমন্ত্রীর ক্লোজ বলে। ৭ পাপ মোচনে দুদকের চিঠির জবাব না দিয়ে তিনি হজ্বে গিয়েছিলেন। ৮.এতো সব দুর্নীতির অভিযোগ যার বিরুদ্ধে, তিনি এখন ঢাকার ডিসি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।
বনানীর একটা বহুল আলোচিত সীসা বারে মাদক অধিদপ্তর অভিযান চালাইতে গিয়ে নারীসহ তিন মধ্যপ্রাচ্যের রাষ্ট্রদূতকে আটকে ফেলে। এরপর সেই তিন রাষ্ট্রদূত বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে কল দিয়ে মাদক অধিদপ্তরকেই অপরাধী বানাইয়া ফেলে। উল্টো ধমক-টমক দিয়ে এই তিন রাষ্ট্রদূত মেয়ে সহই চলে যায়। পরে অভিযান পরিচালনাকারীদের বিরুদ্ধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ দেয়। মন্ত্রণালয়ের সচিব মাদকের অফিসারদের বিচার করতে ডাকে। তখন তিন রাষ্ট্রদূতের সামনেই সেদিনের ভিডিও চালানো হয়। ভিডিও দেখে রাষ্ট্রদূতরা বললেন, বাজান বিচার লাগবে না। আপনি ভিডিওটা গায়েব কইরা দেন। সচিবও সেটা মেনে নিলেন। এখন এটা মানাইতে রাষ্ট্রদূতরা কি কি দিছে সেটার আলাপ আলাদা। এই ডিপ্লোম্যাসিটা একাডেমিক একটা নাম দেয়া যেতে পারে। ছাত্রদের পড়ানো যেতে পারে। নারী ও মাদক ডিপ্লোম্যাসি ।
ঢাকসু নির্বাচনের সময় আলোচনা হয় লেজুরবৃত্তিক সাংবাদিকতা নিয়ে। সে সময় একটা গ্রুপের সাংবাদিকতা নিয়ে কথা হয়। সে সময় চলে গেছে। সাংবাদিকদের একটা গ্রুপ ৩০০ টাকা করে চাঁদা দিয়ে গতকাল ঢাবির বাসে চড়ে মাওয়া ঘাটে ইলিশ ভাজা খেয়ে আসছে।
নিজ অফিস রুমে এক নারীর সাথে শারিরীক সম্পর্কে লিপ্ত সিনিয়র সহকারী সচিব জামাল! এস.এম. জামাল আহেমদ উপপিরচালক ,এনিজও বিষয়ক ব্যুরো, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়!
হাত বদল হয়ে গেলো রুপগঞ্জের যুব মহিলা লীগ নেত্রী মেহজাবিন মালা! নারায়নগঞ্জের রুপগঞ্জ যুব মহিলা লীগের নেত্রী মেহজাবিন আক্তার মালা এখন বিএনপির নেতা মোতালেবের সাথে! কিএক্টাবস্থা! আপা পালায় যাওয়ার পর আপার নেত্রীরা কি তাহলে এভাবেই হাত বদল হয়ে গেছে।
উনি নাকি বিএনপি পন্থী শিক্ষক জগন্নাথে। উনাদের কাছে ছাত্রলীগ ভালো। ছাত্রীদের শাস্তি দিতে ছাত্রলীগকে দরকার বলে উনি মনে করেন। কেউ সাদ্দাম ইনানের সাথে উনার পরিচয় করিয়ে দেও
সময় আসছে সোনাবাহিনিকে আবার চুদলিং পং পং করার।
তৌহিদ আফ্রিদি আটক হয়েছে। আফ্রিদির সহযোগী সোলাইমান সুখন এখনও ধরা-ধোয়ার বাইরে। তার অবস্থান বনানীতে , স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার বাসার কাছে। তিনি এই সময়ের মধ্যে তৌহিদ আফ্রিদ ছাড়াও সবচেয়ে বেশি কথা বলেছে, স্কোয়াড্রন লিডার শাহনেওয়াজ এর সাথে। নগদের এইচআর নওশাদ শরিফের সাথেও যোগাযোগ করছে নিয়মিত।
без подписи
без подписи
без подписи
без подписи
без подписи
без подписи
без подписи
без подписи
без подписи
без подписи