Speech o£ Tricks
СтатистикаThe secret conspiracy of the saffron forces and their evil politics regarding Bangladesh
- Последний пост
- 12 июн.
- Последнее чтение
- 15 авг.
- Постов за неделю
- 0
- Всего постов
- 21
- Тип
- открытый
- Язык
- английский
- Категория
- Политика
- В каталоге с
- 15 авг.
- 1/24сутки в ленте
- —
- 1/48двое суток
- —
- 1/72трое суток
- —
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
আপনাদের বোনদেরকে কু [কু] র দিয়ে ধ [র্ষ] ণ করায় যারা, এই কাজে সহায়তা করে যারা, এই কাজে আনন্দ পায় যারা তাদের "আয়োজন" তথা বিশ্বকাপ নিয়ে আপনার এত মাতামাতি কীভাবে হয়? কীভাবে তাদেরকে সমর্থন করে বলেন যে ধর্মকে এটা থেকে দূরে রাখতে? কবরে যখন আপনাকে প্রশ্ন করবে, আপনার দ্বীন কী? তখন এই জবাবটা দিয়েন পারলে, যে আমার দ্বীন হচ্ছে দৈনন্দিন জীবন থেকে ধর্মকে দূরে রাখা। ওরা একইরাতে একদিকে গ|জায় বে।|ম্বিং করলো, অন্যদিকে আপনাদেরকে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ব্যস্ত রাখলো। আপনি তো মানুষ! আপনার বিবেকে তবুও নাড়া দেয়নি? দুনিয়ায় যাদের অন্ধভক্ত, যাকে সাপোর্ট করে সব কাজ ফেলে উন্মাদনায় মত্ত হচ্ছেন, তার সাথে যখন হাশর হবে তখন কি অবাক হবেন? নাকি মেনে নিবেন যে, এটাই তো হওয়ার ছিলো? আপনাদেরকে মানসিকভাবে পঙ্গু করার যত আয়োজন, যত বিনোদন, সবগুলোর স্রোতে ভেসে গিয়ে তো ভুলে গেছেন আপনার জন্ম কেন হয়েছে, ভুলে গেছেন আপনার উত্তরসূরী কারা, দুনিয়ায় কী কাজ। আপনি মুসলমান হয়ে অন্যকে এসব থেকে দূরে থাকার দাওয়াত দেয়ার কথা, আপনাকে কেন অন্যরা দাওয়াত দিতে হয়? লজ্জা লাগে না? — মেরাজ হোসাইন (ঈষৎ পরিমার্জিত)
নেই। যিনি লক্ষ লক্ষ মানুষের কাছে পৌঁছান, তাঁর একটি পোস্টও হাজার মানুষকে প্রভাবিত করতে পারে। সেই দায়িত্ববোধ থেকেই এই লেখা। আসুন, অন্ধত্ব বা আত্মতুষ্টি থেকে বেরিয়ে এসে ওহীর খাঁটি সত্যকে গ্রহণ করার মানসিকতা তৈরি করি। আল্লাহ আমাদের সবাইকে সঠিক পথ এবং প্রজ্ঞা দান করুন। আমিন।
মুহাম্মাদুল্লাহ প্রশ্ন তুলেছেন—ছবি-ভিডিও যদি ইসলাম প্রচারের বাহন হতে পারে, তবে মিউজিক কেন নয়? আর মিউজিক হারাম হলে মুহিব খান কীভাবে হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় দায়িত্বে থাকেন? ইলমি জবাব: ছবি এবং ভিডিওর মাসআলা সম্পূর্ণ আলাদা। বিজ্ঞ আলেমরা ভিডিওকে আয়নার প্রতিবিম্বের সাথে তুলনা করে কেবল দ্বীন প্রচারের খাতিরে "শৈথিল্য" বা ছাড় দিয়েছেন। কিন্তু বাদ্যযন্ত্রের ক্ষেত্রে শরিয়তে এমন কোনো ছাড়ের সুযোগ নেই। আর কোনো ব্যক্তি কোনো সংগঠনে পদ পেয়ে যাওয়া মানেই শরিয়াহর একটি হারাম জিনিস হালাল হয়ে যায় না। কোনো ব্যক্তি যদি ব্যক্তিগত জীবনে কোনো ভুল বা পাপে লিপ্ত থাকেন, তবে সেটার দায়ভার ব্যক্তির, শরিয়াহর বা কোনো সংগঠনের নয়। ইসলামের হালাল-হারাম নির্ধারিত হয় রাসুল (সা.) এবং সাহাবিদের ইজমা দিয়ে, হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় কমিটিতে কে পদ পেল আর কে পেল না—তা দিয়ে শরিয়তের আইন পরিবর্তন হয় না। ৭. সন্দেহের চোরাবালি এবং চৌদ্দশত বছরের জমহুরের অবস্থান: আবু উবায়দার মত কিছু মানুষ যখন হারামের পক্ষে যুক্তি দেন, তখন সাধারণ মানুষের মনে সত্য-মিথ্যার সীমানা ঘোলাটে হয়ে যায়। কিন্তু ইসলামি আইনশাস্ত্রের সবচেয়ে শক্তিশালী মনস্তাত্ত্বিক নিয়ম হলো—যা সন্দেহযুক্ত, তা বর্জন করা। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: "হালালও স্পষ্ট, হারামও স্পষ্ট। আর এ দুটির মাঝে রয়েছে কিছু সন্দেহজনক বিষয়, যা অনেকেই জানে না। সুতরাং যে ব্যক্তি সন্দেহজনক বিষয় থেকে বেঁচে থাকলো, সে নিজের দ্বীন ও সম্মানকে পবিত্র রাখলো..." (সহিহ বুখারি: ৫২, সহিহ মুসলিম: ১৫৯৯)। তর্কের খাতিরে যদি আবু উবায়দার যুক্তিকে ১% সত্যও ধরে নেওয়া হয়, তবুও তো এই হাদিস অনুযায়ী মিউজিক থেকে কোটি কোটি হাত দূরে থাকা প্রতিটি মুমিনের জন্য ফরজ। কারণ সন্দেহজনক বিষয়ে পা বাড়ানো মানেই হারামের ভেতরে পতিত হওয়া। বাদ্যযন্ত্রের হারামের ব্যাপারে আলেমদের মাঝে যে কোনো দ্বিমত নেই, বরং এটি উম্মতের সর্বসম্মত 'ইজমা' (ঐক্যমত), তা সালাফদের ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ ইমামদের উক্তি থেকেই স্পষ্ট। ইমাম ইবনু জারীর আত-তাবারী (রহ.) [মৃত্যু: ৩১০ হিজরি] স্পষ্ট লিখেছেন— "সমস্ত শহরের ওলামাগণ গান-বাজনা এবং বাদ্যযন্ত্রকে ঘৃণা ও নিষিদ্ধ করার ব্যাপারে একমত (ইজমা) হয়েছেন।" ইমাম ইবনু আব্দিল বারর (রহ.) [মৃত্যু: ৪৬৩ হিজরি] তাঁর বিখ্যাত 'আত-তামহীদ' গ্রন্থে লিখেছেন— "বাদ্যযন্ত্রের উপার্জনকে উম্মতের সমস্ত ওলামা হারাম বলেছেন এবং এগুলোকে গান-বাজনার মতোই নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন।" আসুন এবার দেখে নিই, যুগে যুগে ইসলামের শ্রেষ্ঠ ইমাম ও জমহুর ওলামাগণ এই মিউজিককে কতটা তীব্রভাবে ঘৃণা ও বর্জন করেছেন। এটি ইসলামের চৌদ্দশত বছরের জমহুর সালাফদের অকাট্য ও বিশুদ্ধ অবস্থান: ইমাম আবু হানিফা (রহ.): হানাফি মাযহাবের নির্ভরযোগ্য ফিকহের কিতাবগুলোতে স্পষ্ট উল্লেখ আছে—গান শোনা গুনাহ এবং বাদ্যযন্ত্র বাজানো আল্লাহর নেয়ামতের অবমাননা। এমনকি হানাফি ফিকহের মূলনীতি হলো, বাদ্যযন্ত্রের আওয়াজ আসলে তা থেকে কান বন্ধ করে দূরে সরে যাওয়া ওয়াজিব। (ফতোয়া কাযীখান / আল-বাহরুর রায়েক)। ইমাম মালেক (রহ.): তাঁকে যখন জিজ্ঞেস করা হলো, মদিনার কিছু মানুষ গান-বাজনা ও বাদ্যযন্ত্র শোনে, এ ব্যাপারে আপনার মতামত কী? তিনি তীব্র ঘৃণা প্রকাশ করে উত্তর দিয়েছিলেন—"আমাদের মদিনায় কেবল ফাসেকরাই (চরম পাপাচারী ও পাপিষ্ঠ) এই কাজ করে।" (তাফসীরে কুরতুবী)। ইমাম শাফেয়ী (রহ.): তিনি তাঁর বিখ্যাত 'কিতাবুল উম্ম'-এ অত্যন্ত কঠোর ভাষায় লিখেছেন—"গান-বাজনা ও মিউজিক একটি অনর্থক বাতিল বিষয়, যা মদ্যপানের সদৃশ. যে ব্যক্তি এর পেছনে পড়ে থাকবে, সে একজন নির্বোধ এবং ইসলামি আদালতে তার সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে না।" ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল (রহ.): তাঁর মাযহাবের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হলো—বাদ্যযন্ত্র (যেমন: উদ, তানবুর, সেতার, বাঁশি) সব হারাম। যদি কোনো মজলিশে বাদ্যযন্ত্র বাজানো হয়, তবে সেই দাওয়াত কবুল করা অন্য মুসলিমের জন্য নিষিদ্ধ। (আল-মুগনি, ইবনে কুদামা)। ফকিহ হাসান বসরী (রহ.): তিনি বলেছিলেন—"দুটি আওয়াজকে আল্লাহ দুনিয়া ও আখিরাতে অভিশপ্ত করেছেন; বিপদের সময় হাহাকার আর নেয়ামত ও আনন্দের সময় বাদ্যযন্ত্রের আওয়াজ।" (সুনানে বায়হাকি)। চার মাযহাবের চারজন প্রধান ইমাম, সালাফে সালেহীন এবং জমহুর মুহাদ্দিসদের এই অকাট্য ও অভেদ্য প্রাচীরকে ডিঙিয়ে দু-একজন আধুনিক গায়কের চটকদার যুক্তি দিয়ে বাদ্যযন্ত্রকে "ইসলামি" বা "আধ্যাত্মিক" বাহন বানানোর চেষ্টা ধোপে টেকে না। আমি নাফিস, আল্লাহকে সাক্ষী রেখে বলছি—এই লেখা কোনো ব্যক্তিগত বিবাদ বা বিদ্বেষ থেকে নয়। আজ থেকে তিন বছর আগে অর্থাৎ ২০২৩ সালের মে মাসে একই কারণে একই বিষয়ে লিটন হাফিজের পোস্টকে কেন্দ্র করে কলম ধরেছিলাম। আজও কারণটা একই যে—কেউ যেন এই চটকদার ও আবেগীয় যুক্তিগুলো পড়ে হিপনোটাইজ হয়ে ভুল পথে পা না বাড়ান। আবু উবায়দা একজন প্রতিভাবান শিল্পী, তাঁর কণ্ঠের প্রতি কোনো বিদ্বেষ নেই। কিন্তু তাঁর এই দাবিগুলো কুরআন-হাদিসের মানদণ্ডে টিকবে না — আর তা দেখেও চুপ করে থাকার সুযোগ
আর রাসূল (সা.)-এর যুগে ঈদের দিন বা বিয়েতে যে 'দফ' (একপাশে খোলা বিশেষ ঢোলক) বাজানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছিল, সেটা ছিল একটা সুনির্দিষ্ট ব্যতিক্রম, যা রাসুলের সুন্নাহ দ্বারা প্রমাণিত। এই 'দফ'-এর বিশেষ ছাড়ের উদাহরণ দিয়ে গিটার, পিয়ানো, বেহালা বা আধুনিক ডিজিটাল ফুল-মিউজিক ট্র্যাক বা রক মিউজিককে হালাল বলা আর উটের মূত্র পানের বিশেষ ছাড়ের হাদিস দেখিয়ে মদের নদী হালাল দাবি করা একই কথা। ইসলামে কোনো দ্বৈতনীতি নেই, নিছক বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে দফ ব্যবহার করা যায় এছাড়া সব বাদ্যযন্ত্র সর্বাবস্থায় নিষিদ্ধ—এটাই সোজা হিসাব। তাছাড়া, ইসলাম মূলত ধীরস্থিরতা, আত্মিক গাম্ভীর্য ও শালীনতার দ্বীন। ইসলাম কোনো প্রকার সস্তা চিত্তবিনোদন, উগ্র হুল্লোড় বা নাচানাচির অপসংস্কৃতি পছন্দ করে না। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা জাহেলি যুগের মক্কার কাফেরদের ইবাদতের কুৎসিত রূপের বর্ণনা দিয়ে বলেছেন— "আর কাবার ঘরে তাদের সালাত (ইবাদত) শিস দেওয়া ও হাততালি দেওয়া ছাড়া আর কিছুই ছিল না।" (সূরা আনফাল: ৩৫)। এখান থেকে সালাফরা দলিল নিয়েছেন যে, দ্বীনি আবহ বা আধ্যাত্মিকতার ভেতর সুর-তাল মিলিয়ে শরীর দোলানো বা বাদ্যযন্ত্রের উন্মাদনা তৈরি করা মূলত কাফেরদের জাহেলি সংস্কৃতির অংশ। প্রাচীন সেই দফ বা দামামকেও যদি আজ অতিরিক্ত ডেসিবেল তৈরি করে নাচানাচির বাহন বানানো হয়, তবে শরিয়তের দৃষ্টিতে তা-ও কঠোরভাবে নিষিদ্ধ হয়ে যায়। ৪. "মিউজিক অন্তরে নেফাক সৃষ্টি করে, এটা কি পচা অন্তরের দোষ?" — এই জিজ্ঞাসার জবাব: মুহাম্মাদুল্লাহ প্রশ্ন করেছেন—হামদ-নাতে মিউজিক দিলে যদি কারো মনে নেফাক সৃষ্টি হয়, তবে এটা মিউজিকের দোষ নাকি ব্যক্তির পচা অন্তরের দোষ? ইলমি জবাব: এটি ইসলামি আধ্যাত্মিকতার (তাসাউফ) এক চরম ভুল ব্যাখ্যা। শরিয়তের যে জিনিসগুলো মানুষের অন্তরে কুপ্রভাব ফেলে (যেমন: পরনিন্দা বা গান-বাজনা), সেগুলোর নিজস্ব একটা নেতিবাচক মনস্তাত্ত্বিক ও আত্মিক প্রভাব আছে। সাহাবি আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.)-এর বিখ্যাত অকাট্য উক্তি—"পানি যেমন জমিতে ঘাস উৎপন্ন করে, গান-বাজনা মানুষের অন্তরে তেমনই নেফাক (কপটতা) তৈরি করে।" (সুনানে বায়হাকি)। এখন কেউ যদি ড্রাগস বা আফিম খেয়ে দাবি করে—"আমি এটা খেয়ে আল্লাহর ইবাদতে খুব মনোযোগ পাচ্ছি, আমার ভেতর আধ্যাত্মিকতা জাগছে, সুতরাং ড্রাগসের কোনো দোষ নেই, দোষ মানুষের পচা অন্তরের"—তবে সেই দাবি যেমন বাতিল, মিউজিক দিয়ে রূহের খোরাক খোঁজার দাবিও ঠিক তেমন। শরিয়তের নিষিদ্ধ উপায়ে কখনো আল্লাহর নৈকট্য অর্জন হতে পারে না। বাদ্যযন্ত্র একটি জড়বস্তু হতে পারে, কিন্তু সেটির ব্যবহার এবং মানব অন্তরের ওপর সেটির ক্ষতিকর প্রভাব কেমন—তা ওহীর মাধ্যমে আল্লাহ এবং তাঁর রাসূল (সা.) সুনির্দিষ্ট করে দিয়ে গেছেন। বাদ্যযন্ত্রের আওয়াজ থেকে সালাফরা কতটা দূরে থাকতেন, তার প্রমাণ মেলে প্রথম সারির সাহাবি আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.)-এর আমল থেকে। নাফে' (রহ.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন— একবার চলার পথে ইবনে উমর (রা.) বাদ্যযন্ত্রের (বাঁশির) আওয়াজ শুনতে পেলেন। সাথে সাথে তিনি তাঁর দুই কানের ভেতর দুই আঙুল ঢুকিয়ে দিলেন এবং রাস্তা পরিবর্তন করে অন্য পথে হাঁটতে লাগলেন। বেশ কিছুদূর যাওয়ার পর তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, "হে নাফে', আওয়াজ কি এখনো শোনা যাচ্ছে?" আমি বললাম, "না।" তখন তিনি কান থেকে আঙুল বের করলেন এবং বললেন, "আমি আল্লাহর রাসুল (সা.)-কে দেখেছি, তিনি বাদ্যযন্ত্রের আওয়াজ শুনলে ঠিক এই কাজটিই করতেন।" (সুনানে আবু দাউদ: ৪৯২৪, হাদিসটি সহিহ)। ৫. ইমাম গাজ্জালী এবং ইমাম ইবনে হাজম (রহ.)-এর রেফারেন্সের ব্যবচ্ছেদ: আবু উবায়দা ও তাঁর সমর্থক মুহাম্মাদুল্লাহ ইমাম গাজ্জালী (রহ.)-এর 'ইহইয়াউ উলুমিদ্দীন' এবং ইমাম ইবনে হাজমের পাঁচ শর্তের কথা এনেছেন। ইলমি জবাব: এখানে সবচেয়ে বড় তথ্যগত বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়েছে। প্রথমত: ইমাম গাজ্জালী (রহ.) সুর শোনার (সামা) পাঁচটি শর্ত দিলেও, তিনি তাঁর কিতাবে তারযুক্ত বাদ্যযন্ত্র (যেমন- গিটার, পিয়ানো, বেহালা) এবং কুবাবকে (এক ধরণের ঢোল) স্পষ্ট ভাষায় হারাম বলেছেন। তিনি শুধু বিশেষ আধ্যাত্মিক সাধকদের জন্য বিশেষ পরিবেশে বাদ্যযন্ত্রহীন কণ্ঠস্বরের কথা বলেছিলেন। এমনকি ইতিহাসে এমন কোনো প্রমাণ নেই যে ইমাম গাজ্জালী নিজে বাদ্যযন্ত্র বাজাতেন বা ব্যবহার করতেন। সাধারণ সামারি দিয়ে ওহীর মাসআলা বিচার করা যায় না। দ্বিতীয়ত: ইমাম ইবনে হাজম (রহ.) বাদ্যযন্ত্রের হাদিসগুলোকে দুর্বল বলেছিলেন সত্য, কিন্তু তাঁর এই ব্যক্তিগত মতটি উম্মতের মুহাদ্দিসদের দ্বারা চূড়ান্তভাবে প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। বুখারি শরীফের হাদিসটি চূড়ান্তভাবে সহিহ এবং এর বিপরীতে ইবনে হাজমের মতটি একটি 'শায' বা বিচ্ছিন্ন মত, যা চৌদ্দশত বছরের ইজমার (ঐক্যমত) বিপরীতে দাঁড়াতে পারে না। ইমাম ইবনে তাইমিয়্যাহ এবং তাঁর যোগ্য ছাত্র ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.) 'ইগাসাতুল লাহফান' গ্রন্থে এই তথাকথিত আধ্যাত্মিক সুরের ধোঁয়াশার চুলচেরা বিশ্লেষণ করে দলিলভিত্তিক জবাব দিয়ে গেছেন। ৬. ছবি-ভিডিও ও হেফাজতকে জড়িয়ে বিভ্রান্তি:
আবু উবায়দা একটি দীর্ঘ পোস্টের মাধ্যমে আলেম সমাজ ও সাধারণ মুসলিমদের প্রতি কিছু গভীর তাত্ত্বিক জিজ্ঞাসা ছুঁড়ে দিয়েছেন। একই সাথে তাঁর সমর্থক মুহাম্মাদুল্লাহও ইমাম গাজ্জালী (রহ.)-এর নাম ব্যবহার করে কিছু সুনির্দিষ্ট প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন। যেহেতু তাঁরা বাহ্যিকভাবে পড়াশোনা ও গবেষণার আহ্বান জানিয়েছেন এবং অকাট্য দলিল দিয়ে তাঁদের সংশয় দূর করার অনুরোধ করেছেন, তাই একজন দ্বীনি ভাই হিসেবে সম্পূর্ণ প্রফেশনাল, অ্যাকাডেমিক ও ওহীর দলিলের আলোকে তাঁদের প্রতিটি প্রশ্নের চূড়ান্ত জবাব নিচে তুলে ধরছি: ১. "কোরআনে সরাসরি 'বাদ্যযন্ত্র হারাম' বলা নেই কেন?" — এই জিজ্ঞাসার জবাব: আবু উবায়দার প্রধান যুক্তি হলো, আল্লাহ যেমন কোরআনে মদ, জুয়া বা ব্যভিচারকে সরাসরি 'হারাম' শব্দ দিয়ে ঘোষণা করেছেন, মিউজিককে কেন তেমন একটি আয়াতেও সরাসরি নিষিদ্ধ করলেন না? আল্লাহ তো ভুলে যাননি! ইলমি জবাব: এটি ইসলামি শরিয়াহর উৎস এবং উসুলে ফিকহ (আইনশাস্ত্র) সম্পর্কে একটি প্রাথমিক ভুল ধারণা। ইসলামে কোনো বিষয় হারাম হওয়ার জন্য সেটি হুবহু কোরআনের শব্দে থাকতে হবে—এমন কোনো শর্ত বা উসুল নেই। উদাহরণস্বরূপ: পবিত্র কোরআনে কি 'কুকুরের মাংস', 'গাধার মাংস' কিংবা 'হিজড়া বা সমকামী জিনা' সরাসরি 'হারাম' শব্দে উল্লেখ আছে? নেই। কিন্তু আল্লাহর রাসূল (সা.) তাঁর সুন্নাহর মাধ্যমে এগুলোকে সুনির্দিষ্টভাবে নিষেধ করেছেন। শরিয়তের অকাট্য মূলনীতি হলো, রাসুল (সা.) যা হারাম করেছেন, তা স্বয়ং আল্লাহই হারাম করেছেন (সূরা নাজম: ৩-৪)। তাছাড়া, আল-কোরআনের সূরা লুকমানের ৬ নম্বর আয়াতের "লাহওয়াল হাদিস" (অনর্থক কথা ও বিনোদন) এবং সূরা নাজম-এর "সামিদুন" শব্দের তাফসীরে উম্মতের শ্রেষ্ঠ মুফাসসির, সাহাবি আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) এবং আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.)—যাঁদের কোরআনের গভীর ইলমের জন্য স্বয়ং রাসূল (সা.) দু'আ করেছিলেন—তাঁরা তিনবার কসম করে বলেছেন এর অর্থ গান-বাজনা ও বাদ্যযন্ত্র (তাফসীরে ইবনে কাসীর)। সাহাবিদের এই কসম ও অকাট্য তাফসীরকে উপেক্ষা করে "কোরআনে সরাসরি নেই" বলে পার পাওয়ার কোনো সুযোগ ইসলামে নেই। ২. "সহিহ বুখারির সর্বোচ্চ স্তরের কি কোনো অকাট্য হাদিস আছে?" — এই জিজ্ঞাসার জবাব: আবু উবায়দা চ্যালেন্জের সুরে জানতে চেয়েছেন—কোনো প্রেক্ষাপট ছাড়া, সর্বাবস্থায়, সকল প্রকার বাদ্যযন্ত্রকে ঢালাওভাবে হারাম বলা হয়েছে, এমন কোনো প্রথম সারির রাবীর অকাট্য হাদিস কি আছে? ইলমি জবাব: প্রথম সারির রাবী ও সর্বোচ্চ স্তরের বিশুদ্ধ কিতাব 'সহিহ বুখারি'-তেই সেই অকাট্য হাদিসটি বিদ্যমান। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: "আমার উম্মতের মধ্যে এমন একটি দল আসবে যারা ব্যভিচার, রেশম, মদ এবং বাদ্যযন্ত্রকে হালাল মনে করবে।" (সহিহ বুখারি: ৫৫৯০)। ইমাম বুখারি (রহ.) এই হাদিসটি তাঁর কিতাবের 'অধ্যায়: পানীয়সমূহ' (কিতাবুল আশরিবা)-এর অধীনে এনেছেন, যার অনুচ্ছেদের নামই হলো—"যারা মদকে হালাল মনে করে অন্য নাম দেবে তাদের শাস্তির বিবরণ।" অর্থাৎ, এটি কিয়ামত পর্যন্ত শরিয়তের একটি স্থায়ী ফৌজদারি আইন। এই হাদিসে রাসুল (সা.) 'বাদ্যযন্ত্র' শব্দটিকে ব্যভিচার এবং মদের মতোই স্বতন্ত্রভাবে উল্লেখ করেছেন। উসুলে হাদিসের সর্বসম্মত নিয়ম হলো—"বিধান শব্দের ব্যাপকতার ওপর নির্ভর করে, বিশেষ প্রেক্ষাপটের ওপর নয়" (আল-ইবরাতু বি-উমুমিল লাফজি লা বি-খুসুদ্ধিস সাবাব)। অর্থাৎ, আইন যখন তৈরি হয়, তখন তার শব্দগুলো যা বোঝায় সেটাই আসল আইন; আইনটা কোন ঘটনার ব্যাকগ্রাউন্ডে তৈরি হয়েছিল, তা দিয়ে মূল আইনকে সীমিত করা যায় না। মদের আসরে বাদ্যযন্ত্র বাজানো হতো—এটা একটা প্রেক্ষাপট হতে পারে। কিন্তু সেই প্রেক্ষাপটের অজুহাত দিয়ে বাদ্যযন্ত্র শব্দটার মূল নিষেধাজ্ঞাকে হালকা বা হালাল প্রমাণ করার চেষ্টা করা মস্ত বড় ভুল। যদি মদের আসরের কারণেই বাদ্যযন্ত্র হারাম হতো, তবে পুরুষের জন্য রেশমি কাপড় পরাও কেবল মদের আসরেই হারাম হতো, সাধারণ অবস্থায় নয়—যা সম্পূর্ণ ইসলামি শরিয়াহর পরিপন্থী। ৩. "মাইল্ড জায়েজ, হার্ড হারাম — এই দ্বৈতনীতি কেন?" — এই জিজ্ঞাসার জবাব: আবু উবায়দা এবং মুহাম্মাদুল্লাহ প্রশ্ন তুলেছেন—মদের এক ফোঁটাও যেমন হারাম, পুরো বোতলও তেমন হারাম। তাহলে আলেমরা কেন 'আবহ সঙ্গীত' বা 'মাইল্ড মিউজিক' জায়েজ বলেন, অথচ অন্য বাদ্যযন্ত্রকে হারাম বলেন? ইলমি জবাব: আবু উবায়দা এখানে মূল মাসআলাটি এবং জমহুর আলেমদের অবস্থানটাই ভুল বুঝেছেন। শরিয়তের প্রকৃত ফকিহ বা চার মাযহাবের জমহুর আলেমদের ফতোয়ায় কোনো "দ্বৈতনীতি" বা আপস নেই। তাঁদের মতে মদের এক ফোঁটা যেমন হারাম, বাদ্যযন্ত্রের একটা টুংটাং আওয়াজ, মাইল্ড মিউজিক কিংবা ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিকও তেমনই অকাট্যভাবে হারাম। কোনো হক্কানি আলেম মাইল্ড মিউজিককে জায়েজ বলেননি।
"কেউ যদি বিপদে পড়ে এবং কমপক্ষে ৩দিন সেটা নিজের মধ্যে গোপন রাখতে পারে, কাউকে না জানায়, আল্লাহ তাআলা তাঁর দয়াস্বরূপ এর উত্তম প্রতিদান দেবেন।" . — তাবেয়ী হাসান বাসরি (রহ.) সূত্র: আল-মারাদ ওয়াল কাফফারাত, ২২৯
যারা বাংলাদেশে জঙ্গি নিয়ে চিন্তিত এরা কিন্তু এই আমেরিকাকে আব্বো ডাকতে ডাকতে মুখে ফেনা তুলে ফেলবে। এজন্য আমি বলি, এদের নিয়া দুশ্চিন্তার কিছু নেই, এরা হলো ক্ষমতার গোলাম। যার কাছে ক্ষমতা আছে তার কাছে গিয়ে লেজ নাড়বে, তাতে ক্ষমতাবান যাই করুক না কেন; আর দুর্বল কাউকে দেখলে ঘেউঘেউ করবে। ✍️ Ahmed Rafique
видео или голосовое, без подписи
আস্তাগফিরুল্লাহ! ডোনারের মাধ্যমে সন্তান!! এই সন্তানের বাবা কে? ডোনার নাকি স্বামী? এমনিতেই তালাকের মাসআলায় অবহেলার কারণে ধর্মবিরোধী জারজ সন্তানে দেশ ভরে গেছে। অপরদিকে কতো বড় হারাম কাজে সমাজ জড়াচ্ছে বুঝতে পারছেন? হিজাবী ডাক্তাররা যখন নিঃসন্তান দম্পতিকে "ডোনার" অফার করবে, তখন কি মানুষ হারাম হালালের চিন্তা করবে?? এটা নিয়ে আওয়াজ না তুললে এর পরিণাম কিন্তু ভয়াবহ হবে।
মৃ*ত্যুর স্মরণ পাপাচার থেকে বাঁচিয়ে রাখে, কঠোর হৃদয় কোমল করে, হাসি-তামাশা মিটিয়ে দেয় এবং দুনিয়ায় আপতিত সকল বিপদ-আপদ তুচ্ছ করে তোলে। — ইমাম কুরতুবি (রহ.) [সূত্র : আত তাযকিরাহ, পৃ. ১৩৩]
এক মাদরাসার মুহতামিম সাহেব সহকারি এক শিক্ষককে জিজ্ঞেস করলেন, বহু চেষ্টা করেও মাদরাসার পড়ালেখার মানোন্নয়ন করা যাচ্ছে না কেন? উত্তরে তিনি বললেন, আদবের অভাবে। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, কীভাবে? বললেন, আদব অর্থ হল, وضع الشئ فى محله অর্থাৎ বিষয়কে স্ব স্ব স্থানে ফিট করা, প্রত্যেককে স্ব স্ব মর্যাদা দান করা। অর্থাৎ ক) এখন যদি অযোগ্য উস্তাদদের কে বেশি সম্মান দেওয়া হয় বা তাদের সাথে বেশি মাখামাখি করা হয় তাহলে وضع الشي في غير محله হলো। খ ) আপনার মাদরাসায় যদি মেধাবী, মুয়াদ্দাব ও পরিশ্রমী ছাত্রদের মর্যাদা অপদার্থ ছাত্রদের সমান হয়, তাহলে এটা وضع الشئ فى غير محله হল! বললেন, পরিত্রাণের উপায় কি? উত্তর তিনি বললেন, দুটি কাজ করুন: ১- ক) যোগ্য উস্তাদদের কে সম্মান করুন। খ) তাদের কে যথাযথ স্থানে ফিট করুন। ২-ক) মাদরাসার ভবঘুরে ও দুশ্চরিত্র ছাত্রদেরকে নির্দিষ্ট মেয়াদে ভালো না হলে বহিস্কার করুন। খ) মেধাবী, মুয়াদ্দাব ও পরিশ্রমী ছাত্রদের জন্য মাসিক বৃত্তির ব্যবস্থা করুন। মাশওয়ারা গ্রহণ করেছিলেন, তিন মাসের মধ্যেই পরিবর্তন এসেছিল আলহামদুলিল্লাহ। বিষয়টি এ জন্যই বললাম, দেখেছি অনেক উস্তাদ নিজেদের দূর্বলতা থাকার কারণে তারা মুহতামিম সাহেবের সাথে বেশি মাখামাখি করে। আবার বহু ছাত্র দেখছি, মা-বাবার কাছ থেকে প্রয়োজনের চেয়েও বহু সুবিধা পায় কিন্তু পড়ালেখা ও শৃঙ্খলার ধারেকাছেও থাকেনা। বরং এদের দ্বারা অন্য ছাত্ররাও নষ্ট হয়ে যায়। পক্ষান্তরে এমন অনেক তালেবে ইলম আছে, ইলম, আদব ও পরিশ্রমে যারা অতুলনীয়; কিন্তু ঠিকমতো পড়ালেখার খরচ বহন করতে পারে না। এমনকি খবর নিয়ে দেখেছি, সপ্তাহের পর সপ্তাহ নাস্তা করতে পারেনি; কেবল পান্তাভাত খেয়ে কাটিয়েছে। পরীক্ষা বা কোন বড় খরচ আসলে পেরেশানীতে দগ্ধ হয়ে পড়ে কিন্তু মুখে কৃত্রিম হাসি ফুটিয়ে রাখে। يحسبهم الجاهل أغنياء من التعفف এমন ছাত্রদের দ্বারাই তো মাদরাসা টিকে থাকে- তাদের সন্ধান নিয়ে মাসিক বৃত্তির ব্যবস্থা করলে সমস্যা কী? বিষয়টি খেয়াল রাখা খুব জরুরী।
৯ বছরের মেয়েটি মৃ-তু-শয্যার সময়ে নার্সের কাছে জবানবন্দি দিয়েছে — "হুজুর বোরকা পরিধান করে এসে রাতে রুম থেকে নিয়ে যায়, এরপর রাতভর তার সাথে খারাপ কাজ করে!" ধর্ষ-ণের ফলে মারাত্মকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে, মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ হাসপাতালে ভর্তি করাই। মেয়েটির পরিবারকে বলে মেয়েটি মাদ্রাসার ছাদ থেকে প-ড়ে গিয়েছে, কয়েকদিন পর মেয়েটি মৃ-ত্যু-বরণ করেন। মাদ্রাসার পরিচালক তড়িঘড়ি করে পরিবারের সাথে আপোষ করে ফেলে, বাট মেয়েটির জনম দুঃ-খীনি মা রাজি হয়নি।মেয়েটিকে চিকিৎসা করা কর্তব্যরত মহিলা ডাক্তার জানাই মেয়েটির যৌ-নাঙ্গ আর পা-য়ু-পথে মারাত্মক রেই-পের আলামত মিলেছে। বাট মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মেয়েটির হাতে ইনজুরি হয়েছে মর্মে রিপোর্ট দিয়েছিলো। ঘটনাটি একবছর আগের কুমিল্লা লাকসাম, ইকরা মহিলা আবাসিক মাদ্রাসার যা নতুন করে তদন্ত এখন চলমান। হয়তোবা নতুন করে আবার ময়নাতদন্তের জন্য মেয়েটির লা-শ উত্তোলন করা হবে। পারলে সবাই গরীব ঘরের এই মেয়েটির মামলার সঠিক তদন্তের জন্য আওয়াজ তুলেন। এদেশে ম-রেও শান্তি নেই। ~ ঘটনার ভিডিও : ১ম কমেন্টে!লিংক : https://www.facebook.com/share/v/18aqSmCSG4/
видео или голосовое, без подписи
হাদির কবর সরানোর পরিকল্পনা চলছে! শাহবাগীরা বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর থেকেই হাদির কবর নিয়ে আলাজ্বালা শুরু করেছে! কবি নজরুলের কবরস্থানকে ওরা দীর্ঘদিন নিজেদের আখড়া হিসেবে ব্যবহার করে আসছে! হাদির কবর ওখানে হওয়ার ওরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়! এখন শাহবাগীদের দাবি পূরণ করতে বিএনপি বদ্ধপরিকর! আওয়ামী লীগের কোল ঝেড়ে শাহবাগ এখন বিএনপির কোলে! দুইদিন পরে পাইলস হবে, এটা আমার কথা না, হাদির কথা! বিএনপি যেদিন হাদির কবরে টাচ করার দুঃসাহস দেখাবে সেদিনই বাংলাদেশ থেকে বিএনপি নামক দলটি বিলুপ্ত হবে ইনশাআল্লাহ!
মুসলিম বিশ্বে সব জায়গায় একই অবস্থা। লিবিয়া থেকে বাংলাদেশ, পাকিস্তান থেকে সিরিয়া। বিজয়ের পূর্বে আল্লাহর নামে জনতাকে কুরবানি দিতে বলা হবে। বিজয়ের পর তাগুতের গোলামি করা হবে। মাঝে মাঝে খুব হতাশ লাগে কেন আল্লাহর সাহায্য আসে না৷ এজন্যই আসে না যে আল্লাহ আমাদের চিনেন। আল্লাহ জানেন আমরা বিজয় পেলেই আমাদের রবকে ভুলে যাবো এবং নিজেদের নফসের উপর জুলুম করা শুরু করবো।
কল্পনা করেন আমাদেরকে অবশ্যই ইজরায়েলের আঞ্চলিক প্রক্সিগুলোর কথাই ভাবতে হবে সবার আগে। আমাদের দুইপাশে দুই প্রক্সির বসবাস। বলে রাখা ভালো, চীনসহ দক্ষিণ এশিয়ায় পৃথিবীর প্রায় পয়তাল্লিশ ভাগ মানুষের বসবাস—পৃথিবীর প্রায় অর্ধেক মানুষ। রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক দিক থেকে এই ভূভাগটাই পৃথিবীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল হয়ে ওঠবে—আগামী বিশ-ত্রিশ বছরের মধ্যে। বাংলাদেশের গুরুত্ব কোথায়? মুসলিম বিশ্বকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়—স্থলভাগ, যার বিস্তৃতি আফ্রিকা থেকে পাকিস্তান পর্যন্ত। সামুদ্রিকভাগ, যার বিস্তৃতি মূলত মালদ্বীপ-মালয়ওয়ার্ল্ড। মুসলিম বিশ্বের দুই বাহু দুই দিকে প্রসারিত—বাংলাদেশ স্থল-সামুদ্রিকভাগের কেন্দ্র—দক্ষিণ এশিয়া-চাইনিজ অঞ্চলের দরজা। আসিয়ানের সাথে আমাদের ঘনিষ্ঠতা বেশ ভালোই, মধ্যপ্রাচ্যের সাথেও তাই। চোখ বন্ধ করে ত্রিশ বছর পরের কথা কল্পনা করতে চেষ্টা করেন।
অভিশপ্ত ইহুদীদের উপর আল্লাহর গজব পড়ুক। এটা পড়ার পরেও যাদের গলা দিয়ে ইজরাইলি পণ্য নামবে ওরা নিঃসন্দেহে মুনাফিক। https://dailyinqilab.com/international/news/882846?fbclid=IwdGRzaARHc2pjbGNrBEdzNWV4dG4DYWVtAjExAHNydGMGYXBwX2lkDDM1MDY4NTUzMTcyOAABHjVhOdgz06d5Rb4-wkdAa981i6Mrwap2ul1w2ykADNezhDSk6QFPpYIWQ-Gm_aem_B_3n07ZCoqXYGhqy7fkLDw
সরকারের অপরিপক্ক সিদ্ধান্ত এত তাড়াতাড়ি কেন? সৈয়দ শামছুল হুদা সরকার মনে হয়, কিছু কিছু সিদ্ধান্ত নেয় গাঞ্জা খেয়ে। এত তাড়াতাড়ি গাঞ্জা খাইলে চলবো? সন্ধ্যা ৬ টার মধ্যে সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ !! এটা কেউ-ই মানবে না। মানার মতোও না। এটা সর্বনিম্ন রাত ৮ টা পর্যন্ত হলে মানানো সহজ হতো। এ ক্ষেত্রে সরকারকে অবশ্যই পিছে হটতে হবে। স্কুল-কলেজ তথা সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইন ক্লাস। এটা কোনোভাবেই মেনে নেওয়ার মতো সিদ্ধান্ত না। কোন অভিভাবক এটা মেনে নেয়নি। কোন কুচক্রী মহল এ পরামর্শ সরকারকে দিয়েছে আল্লাহ পাক-ই ভালো জানেন। সরকারকে বলবো, এত তাড়াতাড়ি পাগল হয়ে গেলে চলবে? এখনও তো অনেক পথ বাকি!! আমি নিশ্চিত, যারা এ দুটি সিদ্ধান্ত নিতে সরকারকে উৎসাহিত করেছে, তারা ঘরের শত্রু বিভীষণ। তারেক রহমানকে এরা পচাতে চায় দিনের শুরুতেই। এ দুটি সিদ্ধান্ত থেকে সরকারকে ফিরে আসতে হবেই। আজ হোক কাল। এছাড়া, গণভোট এবং জুলাই সনদ নিয়ে সকল পক্ষের মধ্যে সমঝোতা অপরিহার্য। উতলা হলে- গদি বেতালা হয়ে যাবে সরকারের। এটা জামায়াত-শিবিরের বিষয় না। এর সাথে গণমানুষের একটা রাজনৈতিক বোঝাপড়ার ব্যাপার-স্যাপার আছে। জনাব তারেক রহমান "হ্যাঁ" এর পক্ষে জনগণকে ভোট দিতে বলেছেন। যে কারণেই হোক ভোট দিতে আহ্বান করেছেন। আমরা হ্যাঁ এর পক্ষেই ভোট দিয়েছি। এখন সালাহউদ্দিন সাহেব সংবিধান নিয়ে যে অতি ত্যানা পেছানো শুরু করেছেন, বিএনপি তাঁতে অহেতুক মারা খাবে। এবং এতে দেশও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আমাদের কি সময় থাকতে হুঁশ ফিরবে?? ০৫.০৪.২০২৬
রোজার জরুরী কিছু মাসআলা ------------------------------------------- নিম্নোক্ত কারণগুলোতে রোজা ভঙ্গ হবে না অনিচ্ছায় বমি হলে, বমি মুখ ভরে হলে কিংবা মুখে এসে নিজে নিজে ভিতরে চলে গেলে রোজা ভাঙ্গবে না। এভাবে ইঞ্জেকশন, ইনসুলিন, অক্সিজেন নিলে, এনজিওগ্রাম করালে, কাউকে রক্ত দিলে বা নিজে রক্ত নিলে, আল্ট্রাস্নোগ্রাম করলে, শরীরে স্যালাইন বা টিকা নিলে, পেশাবের রাস্তায় ওষুধ বা কোন যন্ত্র প্রবেশ করালে, দাঁত তোলা, রক্ত পরীক্ষার জন্য রক্ত দিলে, ডায়াবেটিসের সুগার মাপার জন্য রক্ত নেওয়া হলে, চোখে ঔষধ বা সুরমা দিলে, কানে তেল বা ড্রপ/ঔষধ দিলে কিংবা কানের ভেতর পানি চলে গেলে (বর্তমান তাহকীক অনুযায়ী), নকল দাঁত মুখে রাখলে, মিসওয়াক করলে, অনিচ্ছায় মুখে ধোঁয়া/মশা/মাছি ঢুকে গেলে, মাথায় তেল দিলে, আতর বা সেন্ট লাগালে, স্বপ্নদোষ হলে রোজা ভঙ্গ হবে না। উল্লেখ্য, কানের পর্দা ছিদ্র বা ফাটা থাকলে কানে তেল/ড্রপ দিলে রোজা ভেঙ্গে যাবে। ------------------------------------------------------------------------ নিচের কোন একটি পাওয়া গেলে রোজা ভেঙ্গে যাবে রোজা স্মরণ থাকা অবস্থায় অনিচ্ছাকৃতভাবে কুলির পানি ভেতরে চলে গেলে, ইচ্ছাকৃত মুখভর্তি বমি করলে, অল্প বমি হওয়ায় তা ইচ্ছা করে গিলে ফেললে, দাঁতের ফাঁকে থাকা ছোলা বা তার অধিক পরিমাণ খাবার গিলে ফেললে, ঘাম বা চোখের পানি বেশি পরিমাণ হওয়ার কারণে তা মুখ দিয়ে গলার ভেতরে চলে গেলে, আগরবাতি, কয়েল ইত্যাদির ধোঁয়া ইচ্ছাকৃত গলার ভেতরে প্রবেশ করালে, পেস্ট, মাজন বা টুথ পাউডার ব্যবহার করার ফলে এগুলোর স্বাদ গলা পর্যন্ত পৌঁছে গেলে রোজা ভেঙ্গে যাবে। এভাবে নাকে পানি বা ঔষধ দেওয়ার পর তা গলার ভেতরে চলে গেলে, ইনহিলার ব্যবহার করলে, পানি ছিটিয়ে বা ওষুধ দিয়ে এন্ডোসকপি, প্রক্টোসকপি বা ক্লোনাসকপি করালে রোজা নষ্ট হবে। উল্লেখ্য, কিছু ইনহিলার এমন আছে, যা না গিলে ফেলে দিলে রোজা ভঙ্গ হবে না। ------------------------------------------------------------ নিম্নোক্ত কারণগুলোতে রোজা মাকরূহ হবে পেস্ট, মাজন বা টুথ পাউডার ব্যবহার করা যদি এগুলোর স্বাদ গলা পর্যন্ত না পৌঁছে, গীবত করা, মিথ্যা বলা ও ঝগড়া করা।
সতর্কতা আগত নির্বাচনে ব্যানার, পোস্টার, লিফলেট, ফেস্টুনে বিসমিল্লাহ এবং আল্লাহর নাম ব্যবহার না করার জন্য আহ্বান করছি। নির্বাচনের পর এসব কাগজ মাটিতে পড়ে থাকে, অনেকে ঠোঙ্গা হিসাবে ব্যবহার করে। তখন আল্লাহর নাম লেখা কাগজের অবমাননা হয়। এছাড়াও কদিন আগে একটি দলের কর্মীদের করা ভিডিওতে দেখা যায় তারা মূত্র ত্যাগ করছে বিরোধী এক প্রার্থীর ব্যানারে যেখানে বিসমিল্লাহ লেখা, ভেবে দেখুন কত বড় ধরনের মন্দ কাজ করছেন! তাই আমরা সকল মুসলিম প্রার্থী ও তাদের কর্মী, সমর্থকদের আহ্বান করছি, আপনারা ব্যানার, পোস্টার, লিফলেট, ফেস্টুনে বিসমিল্লাহ বা আল্লাহর নাম লেখা থেকে বিরত থাকুন। আহ্বানে সাধারণ মুসলিমদের পক্ষ থেকে @muslimatrix