Tahlil-তাহলীল
Статистикаআমাদের সকল কাজ একমাত্র মহান রবের সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য। আমাদের পেইজের সকল কনটেন্ট কপিরাইট ফ্রি। কনটেন্ট নিতে কখনো কোনোপ্রকার ক্রেডিট অথবা অনুমতির প্রয়োজন নেই। 💚
- Последний пост
- 13 авг.
- Последнее чтение
- 15 авг.
- Постов за неделю
- 1
- Всего постов
- 38
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- Категория
- Новости и СМИ (по похожим)
- В каталоге с
- 13 авг.
- 1/24сутки в ленте
- 86
- 1/48двое суток
- 98
- 1/72трое суток
- 106
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
১৪০০ বছর পূর্বে আপনার জন্য তিনি অশ্রু ঝরিয়েছেন। আপনার হেদায়েতের জন্য উঠেছিল তার দু’টি হাত। হৃদয়ে ছিল এক অদেখা সেই উম্মাহকে দেখার আকুলতা। কিয়ামতের সেই ভয়াল ময়দানে যখন সবাই নিজ নিজ চিন্তায় বিভোর, তিনি তখনও আপনাকেই খুঁজবেন! হাউজে কাউসারের ধারে দাঁড়িয়ে আপনার জন্য অপেক্ষা করবেন। আপনার জন্য শাফায়াত করবেন। জান্নাতের পথে আপনাকে পৌঁছে দিতে বারবার মিনতি জানাবেন তাঁর রবের কাছে। কে তিনি, জানেন? তিনি আমাদের প্রিয় নবী, হযরত মুহাম্মদ ﷺ। এত ভালোবাসার ঋণ বুকে নিয়ে, তাঁর প্রতি দরদ পাঠে কি এখনও কৃপণতা মানায়? সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। বই: দরুদ পাঠের মজা #Tahlil
আমরা তো মানুষ, একটু-আধটু ভুলে যাওয়া আমাদের স্বভাব। চারপাশের এই ব্যস্ততা আর অস্থিরতার যুগে কাজের চাপে অনেক সময় জরুরি কথাও মাথা থেকে বেরিয়ে যায়। তখন নিজের ওপরই রাগ হয়, মনে হয়—ইস, কেন যে ভুলে গেলাম ! কিন্তু এই ভুলে যাওয়া নিয়ে *সূরা কাহাফে* কী দারুণ একটা সমাধান দেওয়া আছে, কখনো কি ভেবে দেখেছি?? সূরা কাহাফে আল্লহ আমাদের খুব সুন্দর দুটো পদ্ধতি বাতলে দিয়েছেন। *প্রথমত*, ভবিষ্যতের কোনো কাজে কথা দেওয়ার সময় যেন আমরা "ইন শা আল্লহ" বলতে না ভুলি। এর মানে হলো, আমাদের সব অপারগতা মেনে নিয়ে সবকিছু আল্লহ'র ওপর সঁপে দেওয়া। যখন আমরা সত্যি হৃদয়ে উপলব্ধি করে বলি "ইন শা আল্লহ", তখন ভবিষ্যতের সব দুশ্চিন্তা আর অনিশ্চয়তা কেটে মনে এক অদ্ভুত প্রশান্তি নেমে আসে। কাজেও বরকত হয়। *দ্বিতীয়ত*, যদি কখনো ইনশাআল্লহ বলতে ভুলেই যাই? তখন কী করব? আল্লহ পরের আয়াতেই কত সুন্দর করে শিখিয়ে দিয়েছেন—যখনই ভুলে যাবে, তখনই তোমার রবের যিকির করবে এবং মনে মনে বলবে, "আশা করি, আল্লহ আমাকে এর চেয়েও ভালো কোনো পথ বা হিদায়াত দেবেন।" সুবহানআল্লহ! অনেক সময় আমরা ভুলে গেলে বিরক্ত হই, আশপাশেও বিরক্তি ছড়াই। অথচ আল্লহ শেখালেন, ভুল হয়ে গেলে বিরক্ত না হয়ে ইতিবাচক হতে, আল্লহ'র কথা স্মরণ করতে এবং আরও ভালো কিছু পাওয়ার আশায় সামনে এগিয়ে যেতে। *শুক্রবার তো আমরা সূরা কাহাফ তিলাওয়াত করি, কিন্তু সূরার এই অসাধারণ প্র্যাক্টিক্যাল শিক্ষাগুলো কি কখনো হৃদয়ে গেঁথেছি?* #MeerasunNubuwwahAcademy(MNA)
মাঝে মাঝে মনে হয়, জুমু'আ না এলে কত একঘেয়েমিতেই না কেটে যেত আমাদের দিনকাল! দুরুদময় দিন সূরা কাহাফের সুর জায়নামাজে আতরের সুভাস আর সা'আতুল ইযাবায় দুআর পসরা সাজিয়ে জুমু'আকে বলতে ইচ্ছে হয়, প্রিয় জুমু'আ! আজ তুমি থেকে যাও। #MirasunNubuwwahAcademy (MNA)
"যাকে আপনি ভয় পান এমন সব কিছু থেকেই আপনি পালিয়ে যান। ব্যতীক্রম হচ্ছেন আল্লাহ তাআলা। যদি আপনি তাঁকে ভয় করেন, তাহলে বাকি সব কিছু থেকে পালিয়ে তাঁর কাছেই ছুটে যান"। . ~ ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম [রাহ.] . [ মাদারিজুস সালিকীন: ২/১৮২]
মানুষ যখন গুনাহ করে, তখন আল্লাহর কোনো না কোনো নিয়ামত তার জীবন থেকে সরে যায়। আল্লাহর প্রতি অনুতপ্ত হয়ে যদি বান্দা ফিরে আসে, তাওবাহ করে তবে সেই নিয়ামত বা অনুরূপ কোনো বরকত আবার ফিরে আসে। কিন্তু যদি সে গুনাহর উপর অটল থাকে, অনুতপ্ত না হয়, ফিরে না আসে– তাহলে সেই নেয়ামত আর ফিরে আসে না। এভাবে একে একে গুনাহগুলো তার জীবনের নেয়ামতগুলো ছিনিয়ে নিতে থাকে। একসময় সে নিঃস্ব হয়ে পড়ে– বাহ্যিকভাবে হয়তো নয়, কিন্তু আভ্যন্তরীণভাবে। – ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহি.) [সূত্র : ত্বরীকুল হিজরাতাইন, পৃ. ২৭১]
▪️দু'আ ইউনুসের চমৎকার ব্যাখ্যা। অন্ধকার গহীন সমুদ্র। তার তলদেশে বিশাল মাছের পেট। এই নিঃসঙ্গতা আর নিরুপায় অবস্থা থেকে ইউনুস (আ.) শুধু একটি দু'আর মাধ্যমে মুক্তি পেয়েছিলেন— "لَا إِلَهَ إِلَّا أَنتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنتُ مِنَ الظَّالِمِينَ" আপনি ছাড়া কোন (সত্য) ইলাহ নেই। আপনি পবিত্র মহান। নিশ্চয় আমি ছিলাম যা*লিম। (সূরা আম্বিয়া : ৮৭) এই দু'আ কেবল একটি বাক্য নয়, বরং এতে নিহিত আছে গভীর শিক্ষা। ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ (রহ.) এই দু'আর প্রতিটি শব্দ ভেঙে দেখিয়েছেন, কীভাবে এটি বিপদ থেকে মুক্তির এক অনন্য হাতিয়ার। ▪️তাওহিদের দৃঢ়তা : প্রথমেই আল্লাহর একত্ববাদের ঘোষণা— "لَا إِلَهَ إِلَّا أَنتَ"। বিপদে আমরা মানুষের কাছে ছুটে যাই, কিন্তু এই দু'আয় শেখানো হয়েছে, সত্যিকার মুক্তি একমাত্র আল্লাহর কাছেই রয়েছে। ▪️নিজের দোষের স্বীকারোক্তি : ইউনুস (আ.) বললেন– "إِنِّي كُنتُ مِنَ الظَّالِمِينَ" (নিশ্চয়ই আমি অন্যায়কারী)। বিপদে পড়লে আমরা অনেক সময় নিজের নির্দোষিতা প্রমাণ করতে চাই, অথচ মুক্তির প্রথম শর্ত হলো নিজের ভুল স্বীকার করে নেওয়া। ▪️তাওবাহ ও তাওয়াক্কুল : আল্লাহর রহমতের ওপর নির্ভরশীল হওয়া, তাঁর প্রশংসা করা—এগুলো শুধু ভাষায় প্রকাশের বিষয় নয়, বরং অন্তরের বিশেষ অবস্থা। অন্তর থেকে উপলব্ধি করতে হবে। দু'আ ইউনুস আমাদের এগুলোই শেখায়। এই দু'আ কেবল একটি ঘটনা নয়; এটি আমাদের জীবনের প্রতিটি সংকটের সমাধান। বিপদে ধৈর্য ধরা, তাওবা করা, এবং আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা রাখা—এই দু'আয় এর সবই আছে। [বই : বিপদ মুক্তির হাতিয়ার - দু'আ ইউনুস]
কাউকে গুনাহ করতে দেখলে তার প্রতি মন্দ ধারণা পোষণ করে, মনে বিরূপতা জমিয়ে রেখে, তার ভুলত্রুটি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা করে কিংবা তাকে হেয় চোখে দেখে যতটা সময় ব্যয় করি, সে সময়টুকু যদি তার হিদায়াতের জন্য দুআ করে তাকে সঠিকটা বুঝিয়ে দেওয়ার চেষ্টায় ব্যয় করতে পারতাম! লেখা-সংগৃহীত
দ্বীনদারির ভিত দুর্বল করে দেয়— •কুরআন ত্যাগ •বিলম্বে সালাত •জিকির-ইবাদতহীন সময় কাটানো •গাফেলের সঙ্গ •দৃষ্টি ও জবানের লাগামহীনতা। ~শায়েখ আতীক উল্লাহ হাফি.
হে মুমিনগণ! সবর অবলম্বন কর, মুকাবিলার সময় অবিচলতা প্রদর্শন কর এবং সীমান্ত রক্ষায় স্থিত থাক। আর আল্লাহকে ভয় করে চল, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পার। (সূরা আ-ল ইমরান, আয়াত নং - ২০০)
যত কষ্টই হোক, ফজরের সময় উঠতে অভ্যস্ত হোন। অল্প কিছু ত্যাগের বিনিময়ে আপনি এমন এক বরকত পাবেন, যা আপনার সারাদিনকে সুন্দর ও অর্থবহ করে তুলবে। আর যে রবের প্রিয় বান্দা হতে চায়– সে নিজের আরামের চেয়ে তার রবের সন্তুষ্টিকেই বেশি গুরুত্ব দেয়। লেখা : মাহমুদুল হাছান
বোন আমার, সবসময় আল্লাহর জিকির করতে থাকো। কেননা জিকির হলো- রুহের খাবার; আত্নিক প্রশান্তি পাওয়ার একমাত্র মাধ্যম। আল্লাহ তা'আলা তাঁর মুখলিস ও বিবেকবান বান্দাদের প্রশংসা করতে গিয়ে বলেন, যারা দাঁড়িয়ে, বসে এবং শয়ন অবস্থায় আল্লাহকে স্মরণ করে তারাই হচ্ছে বোধসম্পন্ন লোক। - সূরা আলে ইমরান : ১৯১ বই : যে নারী উত্তম নারী
আল্লাহ তোমাকে দুনিয়া দিয়েছেন, যাতে এটা দিয়ে তুমি পরকাল তালাশ করতে পারো। এজন্য দেননি, যাতে তুমি দুনিয়ার দিকেই ঝুঁকে পড়ো। — উসমান ইবনু আফফান (রাদ্বি.) [সূত্র : আল-বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ, ৭/২৪১]
▪️জুম্মাহ রিমাইন্ডার ১.সূরা কাহাফ ২.দুরুদ এবং ইস্তেগফার ৩.দোয়া ৪. সাদকাহ 🔸মাজলুম উম্মাহর জন্য দোয়া করতে ভুলবেন না। #Tahlil
ইয়া আল্লাহ, আমার অন্তরকে আখিরাতমুখী করে দিন। দুনিয়ার ক্ষণস্থায়ী সৌন্দর্য, প্রশংসা, অর্জন ও ব্যস্ততা যেন আমাকে আমার চিরস্থায়ী গন্তব্য ভুলিয়ে না দেয়। আমার হৃদয়ে জান্নাতের আকাঙ্ক্ষা, আপনার সাক্ষাতের আশা এবং আপনার সন্তুষ্টি অর্জনের গভীর ব্যাকুলতা সৃষ্টি করুন। মৃত্যুকে আমার কাছে ভয়ের অন্ধকার নয়, বরং আপনার কাছে ফিরে যাওয়ার প্রস্তুতির স্মারক করে দিন। আমি যেন মৃত্যুকে এমন ভাবে অপছন্দ না করি যেটা আপনার অসন্তুষ্টির কারণ। আমি যেন মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত থাকতে পারি সবসময়। আমার মৃত্যুটা যেন অসম্ভব সুন্দর একটা মৃত্যু হয়। ইয়া রব, দুনিয়াকে আমার হাতে রাখুন, কিন্তু আমার অন্তরের ভেতরে ঢুকতে দেবেন না। আমাকে দুনিয়ার প্রয়োজনীয় নিয়ামতগুলো বরকতের সঙ্গে দান করুন, কিন্তু সেগুলোর প্রতি এমন আসক্তি দেবেন না, যা হারিয়ে গেলে আমাকে ভেঙে দেবে অথবা লাভ করলে আমাকে আপনার স্মরণ থেকে গাফিল করে দেবে। সম্পদ, সম্মান, সম্পর্ক, সাফল্য ও স্বাচ্ছন্দ্য—কোনো কিছুই যেন আমার রবের চেয়ে আমার কাছে অধিক প্রিয় হয়ে না ওঠে। আমাকে এমন যুহদ দান করুন, যাতে হালাল নিয়ামত গ্রহণ করেও আমি তার দাস হয়ে না যাই; মানুষের ভালোবাসা পেয়েও তাদের স্বীকৃতির মুখাপেক্ষী না হই; দুনিয়ার কাজ করেও আখিরাতের প্রস্তুতি থেকে বিচ্যুত না হই। যা আমার জন্য কল্যাণকর, তা পরিমিতভাবে দান করুন এবং যা আমার হৃদয়কে কঠিন, অহংকারী কিংবা গাফিল করে দেবে, তা আমার কাছ থেকে দূরে রাখুন—যদিও আমার নফস সেটিকে খুব করে চায়। ইয়া আল্লাহ, আমার অন্তরকে অপ্রয়োজনীয় চাওয়া, তুলনা, প্রতিযোগিতা এবং মানুষের জীবনের প্রতি মুগ্ধতা থেকে পবিত্র করুন। অন্যের প্রাপ্তি দেখে আমার অন্তরে হিংসা নয়, বরং দুআ সৃষ্টি করুন। আমার নিজের প্রাপ্তিতে অহংকার নয়, বরং শুকরিয়া সৃষ্টি করুন। যা পাইনি, তার জন্য অভিযোগ না করে আপনার হিকমাহর ওপর সন্তুষ্ট থাকার তাওফিক দিন। আমাকে এমন চোখ দিন, যা দুনিয়ার বাহ্যিক চাকচিক্যের আড়ালে তার ক্ষণস্থায়িত্ব দেখতে পায়; এমন অন্তর দিন, যা পরীক্ষার মধ্যেও আপনার রহমত উপলব্ধি করে; এবং এমন বিবেক দিন, যা প্রতিটি কাজের আগে নিজেকে প্রশ্ন করে—এই কাজটি কি আমাকে আমার রবের নিকটবর্তী করবে, নাকি তাঁর থেকে দূরে সরিয়ে দেবে? আমাকে এমন তৃপ্তি দান করুন, যা অধিক সম্পদ, প্রশংসা কিংবা মানুষের উপস্থিতির ওপর নির্ভরশীল নয়। আপনার ভালোবাসা, স্মরণ ও আনুগত্যকে আমার অন্তরের সবচেয়ে বড় সম্পদ করে দিন। ইয়া আল্লাহ, দুনিয়া থেকে বিদায় নেওয়ার আগেই আমাকে দুনিয়ার মোহ থেকে মুক্ত করে দিন। আমার শেষ দিনগুলোকে আমার শ্রেষ্ঠ দিন, শেষ আমলগুলোকে আমার শ্রেষ্ঠ আমল এবং আপনার সঙ্গে আমার সাক্ষাতের দিনটিকে আমার জীবনের সবচেয়ে আনন্দময় দিন করে দিন। আমাকে এমনভাবে জীবনযাপন করার তাওফিক দিন, যেন প্রতিটি দিনই আখিরাতের জন্য প্রস্তুতির দিন এবং প্রতিটি শ্বাসই আপনার সন্তুষ্টির পথে একটি পদক্ষেপ হয়। আমার অন্তরকে আপনার দিকে সম্পূর্ণভাবে ফিরিয়ে নিন, আমার আত্মাকে আপনার আনুগত্যে স্থির রাখুন এবং দুনিয়ার সবকিছু হারিয়ে গেলেও যেন আপনাকে পেয়ে আমি নিজেকে পরিপূর্ণ মনে করতে পারি। আমীন ইয়া রব্বাল আলামীন। ~শারিন সফি অদ্রিতা আপু
মুসলমানদের দ্বিতীয় খলিফা হযরত ওমর ফারুকে আযম رَضِيَ اللّٰهُ عَنْهُ বলেন: ১. অহেতুক কথা বলা থেকে যে ব্যক্তি বেঁচে থাকে, তাকে হিকমত ও প্রজ্ঞা দান করা হয়। ২. অহেতুক দৃষ্টি অর্থাৎ অপ্রয়োজনে এদিক সেদিক তাকানো বা অযথা বিভিন্ন জিনিস বা বিভিন্ন দৃশ্য দেখা থেকে বেঁচে থাকবে তাকে নম্র অন্তর (কোমল হৃদয়) প্রদান করা হয়। ৩. অপ্রয়োজনে আহার করা (অর্থাৎ শুধুমাত্র স্বাদের জন্য বিভিন্ন ধরনের জিনিস আহার করা) যে ব্যক্তি ছেড়ে দিবে তাকে ইবাদতের স্বাদ প্রদান করা হবে। ৪. অনর্থক হাসাহাসি থেকে বেঁচে থাকা ব্যক্তিকে শান ও শওকত এবং ঐশ্বর্য দান করা হবে। ৫. হাসি ঠাট্টা থেকে বেঁচে থাকা ব্যক্তির ঈমানের নূর নসীব হবে। ৬. দুনিয়ার ভালোবাসা থেকে বেঁচে থাকা ব্যক্তিকে পরকালের ভালোবাসা প্রদান করা হবে। ৭. অপরের দোষত্রুটি অন্বেষণ করা থেকে বিরত থাকা ব্যক্তি নিজের ভুল-ত্রুটি সংশোধনের সামর্থ্য লাভ করবে। [আল মাখযাত, পৃষ্ঠা: ৮৯-৯০] #tahlil
নাটক, সিরিয়াল, সিনেমা, গান, আইটেম সং– এগুলো শয়তানের খুবই ভয়ংকর ফাঁদ। এগুলো থেকে দূরে না থাকলে কোনমতেই চোখের হেফাজত করা সম্ভব না। শয়তান এ ফাঁদ পেতে খুব সহজেই আপনার অন্তর দখল করে নিতে পারে। অন্তরের নিয়ন্ত্রণ শয়তানের হাতে তুলে দিলে কী হবে সেটা বলাই বাহুল্য। বই : মুক্ত বাতাসের খোঁজে
ইস্তেগফার, দরূদ, সবর, দু'আ। জীবনে যতো সমস্যাই আসুক, যতো দুঃখই আসুক। এই চারটি জিনিস যেন সব প্রতিকূলতা কাটিয়ে উঠতে ম্যাজিকের মতো কাজ করে। এগুলোই যেন জীবনে ভালো থাকার সবচেয়ে উত্তম প্রেসক্রিপশন। দুনিয়া এবং আখিরাতকে সহজ করতে এই চারটি জিনিসের জুড়ি মেলা ভার। আপনি ইস্তেগফার করছেন, পূর্বের গুনাহ মাফ তো হচ্ছেই, সেই সাথে আপনি আপনার বর্তমান সমস্যা সমাধানের পথেও হেঁটে চলছেন। দরূদ পড়ছেন, নবিজীর (ﷺ) সান্নিধ্যের আশা করার সাথে সাথে দুনিয়াবি জীবনেও রহমত আর বারাকাহ লাভ করছেন। যখন সবর করছেন, সবরের বিনিময় তো আল্লাহ আপনাকে দেবেনই। তার সাথে দুঃখ-কষ্ট উপেক্ষা করে আপনি আপনার জীবনকেও সহজ করে তুলছেন। দু'আ করছেন, দু'আ কবুলের আশা তো আছেই, সেই সাথে দু'আ করার মধ্য দিয়ে রবের সাথে সুন্দর সম্পর্কও গড়ে তুলছেন। রবের সাথে সুসম্পর্ক হয়ে গেলে তার আর দুনিয়া কিংবা আখিরাত নিয়ে কিসের পেরেশান? ⎯ সাদিয়া মারজান।
অসুস্থতা বান্দাকে রবের প্রতি নত করে তোলে। বান্দা রবের কাছে দু'আ করে, নিজ পাপ থেকে তাওবাহ করে, তার গুনাহ ক্ষমা হয়, অন্তর নরম হয় আর বড়ত্ব, অহংকার ও শ'ত্রুতাপূর্ণ মনোভাব দূর হয়ে যায়। — ইমাম ইবন তাইমিয়্যা (রহি.) [সূত্র : মিনহাজুস সুন্নাহ, ৩/১৭৬]
ফজর, মাসনূন আমল বা কিছুক্ষণ কুরআন তিলওয়াত, কিছুটা সময় যিকির ; কিছুই যদি আমার দিনের শুরুতে না থাকে তবে আমার দিনটা কল্যাণকর কাজে ব্যয় হবে কিভাবে। এই যে আমরা ভালো নেই, বরকত নেই, রোগ ব্যাধি হতাশা জ্বীন জাদু, কত হাজার সমস্যা, আমরা কি ভেবেছি আমরা দিনের শুরু কিভাবে করি? ~সংগৃহীত
“প্রত্যেক মানুষের অন্তরেই রয়েছে অস্থিরতা, যা কেবল আল্লাহর কাছে ফিরে গেলেই ঠিক করা সম্ভব।” — ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রাহিমাহুল্লাহ) [মাদারিজুস সালেকিন, ৩/১৫৬]