Daily Manarah
Статистикаস্বাগতম Daily Manarah-এ। "সংবাদে সত্য, চিন্তায় কল্যাণ" — এই মূলমন্ত্রকে বুকে ধারণ করে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। সমাজে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়া এবং ইতিবাচক পরিবর্তন আনাই আমাদের মূল লক্ষ্য।
- Последний пост
- 14 авг.
- Последнее чтение
- 13 авг.
- Постов за неделю
- 10
- Всего постов
- 28
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- В каталоге с
- 13 авг.
- 1/24сутки в ленте
- 449
- 1/48двое суток
- 514
- 1/72трое суток
- 554
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
без подписи
без подписи
без подписи
без подписи
без подписи
আমার এলাকায় (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) ১০/১১ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না। আর বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেন লোডশেডিং নেই! এই মন্ত্রীর কারণেই ২০০১-২০০৬ সাল পর্যন্ত সময় বিএনপির বারোটা বেজে ছিল। 🗣রুমিন ফারহানা
без подписи
без подписи
জামায়াত কর্মীদের সঙ্গে যুবলীগ - যুবদল সংঘর্ষ, আহত ১১
без подписи
без подписи
без подписи
# কুদরতের অমোঘ স্বাক্ষর --- জরায়ুর নিভৃত কুঠুরিতে বসানো হয়েছিল একটি তামার ক্ষুদ্র যন্ত্র—কপার-টি। উদ্দেশ্য একটাই: জীবনের আগমনপথে এক নিঃশব্দ প্রাচীর টেনে দেওয়া। মানুষ হিসেবে আমরা তো এমনই—আমরা পরিকল্পনা সাজাই, প্রযুক্তির শরণ নিই, ভাবি সবকিছু আমাদের মুঠোয়। কিন্তু আরশের মালিক যখন 'হও' বলেন, তখন কোনো তামা, কোনো লোহা, কোনো মানবীয় কৌশল তাঁর ফয়সালার সামনে দাঁড়াতে পারে না। কিছুকাল পরে সেই মা যখন সন্তান প্রসব করলেন, তখন প্রসবকক্ষের আলোয় ধরা পড়ল এক অকল্পনীয় দৃশ্য। সদ্য ভূমিষ্ঠ শিশুটির মুঠোয় ধরা সেই কপার-টি—যা থাকার কথা ছিল মায়ের গর্ভের গভীরে, অদৃশ্য, নাগালের বাইরে। অথচ সেটি এখন শিশুর ক্ষুদ্র আঙুলের ফাঁকে, যেন মহান স্রষ্টা স্বাক্ষর করে দিলেন: *"এই জীবনের অনুমতি আমিই দিয়েছি।"* --- ## বিজ্ঞান বিস্মিত, ঈমান দৃঢ় চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এটি একটি অত্যন্ত বিরল ঘটনা—প্রায় অসম্ভবের সীমান্তে। কিন্তু একজন মুমিনের দৃষ্টিতে এটি কেবল 'বিরল' নয়; এটি কুদরতের প্রত্যক্ষ নিদর্শন, এক খোলা চিঠি স্রষ্টার পক্ষ থেকে তাঁর সৃষ্টিকে। কারণ জীবন দান করার মালিকানা একমাত্র তাঁর—কোনো যন্ত্রের নয়, কোনো পরিকল্পনার নয়। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা অত্যন্ত সুস্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা করেন: > *"তিনি যাকে ইচ্ছা কন্যাসন্তান দান করেন, যাকে ইচ্ছা পুত্রসন্তান দান করেন। অথবা তিনি তাদেরকে পুত্র ও কন্যা উভয়ই দান করেন, এবং যাকে ইচ্ছা বন্ধ্যা করে রাখেন। নিশ্চয়ই তিনি সর্বজ্ঞ, সর্বশক্তিমান।"* > — (সূরা আশ-শূরা, ৪২: ৪৯-৫০) এই আয়াতটি কেবল একটি তথ্য নয়; এটি একটি অস্তিত্বগত ঘোষণা—সন্তান কোনো উৎপাদন নয়, কোনো প্রক্রিয়ার ফলাফল নয়; এটি একান্তই আল্লাহর ইচ্ছার দান। --- ## 'কুন ফাইয়াকুন'—যখন ইচ্ছাই যথেষ্ট মানুষ চেষ্টা করে, ব্যবস্থা নেয়, বিজ্ঞানের দ্বারস্থ হয়। এসব অন্যায় নয়; এসব কারণ-অনুসন্ধানের অংশ। কিন্তু চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কলম কেবল এক হাতে—মহান আল্লাহর হাতে। এই ক্ষুদ্র শিশুটি যেন নিঃশব্দে ঘোষণা করল: আল্লাহ যখন কোনো জীবনকে পৃথিবীর আলোয় আনতে চান, তখন কোনো বাধা—তামার হোক বা প্রযুক্তির—তাঁর ইচ্ছাকে রুখতে পারে না। আল্লাহ তাআলা বলেন: > *"তিনি যখন কোনো কাজের ফয়সালা করেন, তখন কেবল বলেন, 'হও'—অমনি তা হয়ে যায়।"* > — (সূরা ইয়াসীন, ৩৬: ৮২) এই 'কুন ফায়াইয়াকুন'-এর মধ্যেই লুকিয়ে আছে সমস্ত সৃষ্টির রহস্য। কারণ আর প্রভাবের মাঝে কোনো ব্যবধান নেই; ইচ্ছা আর বাস্তবতার মাঝে কোনো প্রাচীর নেই। সূরা আলে ইমরানে আরও স্পষ্ট করে বলা হয়েছে: > *"তিনি তোমাদেরকে মায়ের গর্ভে যেভাবে ইচ্ছা গঠন করেন, সেভাবেই গঠন করেন। তিনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই; তিনি মহাপরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।"* > — (সূরা আলে ইমরান, ৩: ৬) --- ## সন্তান: রহমতের সবচেয়ে কোমল প্রকাশ সন্তান আল্লাহর দেওয়া সবচেয়ে বড় নেয়ামতগুলোর একটি। প্রতিটি শিশুর আগমন কেবল একটি জৈবিক ঘটনা নয়—এটি তাঁর রহমতের এক অনন্য প্রকাশ, তাঁর কুদরতের এক জীবন্ত প্রমাণ। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: > *"প্রতিটি সন্তান ফিতরাতের (বিশুদ্ধ স্বভাবের) ওপর জন্মগ্রহণ করে।"* > — (সহীহ বুখারী, ১৩৫৮; সহীহ মুসলিম, ২৬৫৮) অর্থাৎ, প্রতিটি নবজাতক এক পবিত্র অধিকার নিয়ে আসে—স্রষ্টার সরাসরি দান হিসেবে। কোনো যন্ত্র, কোনো প্রতিষেধক, কোনো মানবীয় গণনা সেই অধিকারকে খর্ব করতে পারে না, যদি আল্লাহ তা না চান। --- ## শেষ কথা এই ছোট্ট ঘটনাটি হয়তো বিজ্ঞানের পাঠ্যবইয়ে একটি 'ব্যতিক্রম' হিসেবে নথিভুক্ত হবে। কিন্তু ঈমানের চোখে এটি এক অমোঘ সত্যের পুনরাবৃত্তি: সৃষ্টির চাবি কেবল স্রষ্টার হাতে। আমরা পরিকল্পনা করি—ভালো, করি। কিন্তু সেই পরিকল্পনার ওপরে এক অসীম পরিকল্পনা আছে, যা আমাদের সমস্ত হিসাবকে মুহূর্তে নস্যাত্ করে দিতে পারে। তাই তো প্রতিটি শিশুর কান্না যখন পৃথিবীর বাতাসে প্রথম মিশে যায়, তখন সে কান্না কেবল শ্বাসের শব্দ নয়—সেটি এক ঘোষণা: *"আমি এসেছি, কারণ তিনি চেয়েছেন।"* সুবহানাল্লাহ। আলহামদুলিল্লাহ। ---
শাখাওয়াত থেকে নজরুল… মাওলানা শাখাওয়াত হোসেন ১৯৯১ সালে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে নির্বাচনে দাঁড়িয়ে যশোর-৬ আসন থেকে এমপি নির্বাচিত হন। কিন্তু মেয়াদপূর্তির আগেই আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে জামায়াত তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করে। পরে জামায়াত ছেড়ে বিএনপিতে যোগ দেন। পুরস্কার হিসেবে ১৯৯৬ সালে বিএনপি থেকে মনোনয়ন পান! সেই ইতিহাস আবার মনে পড়লো এই যোগদান দেখে!
без подписи
без подписи
без подписи
без подписи
без подписи
без подписи