Dua by Hope
Статистикаনির্বাক হয়ে যাওয়া অন্তর গুলো যখন রবের দিকে ফিরে আসে, তখন গুছিয়ে বলার জন্য কিছু কথা... @HopeDM
- Последний пост
- 13 авг.
- Последнее чтение
- 15 авг.
- Постов за неделю
- 2
- Всего постов
- 15
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- В каталоге с
- 15 авг.
- 1/24сутки в ленте
- 20
- 1/48двое суток
- 22
- 1/72трое суток
- 24
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
অনেকেই প্রচুর ঋণগ্রস্থ। ঋণের দায়ে লজ্জায় মুখ দেখাতে পারে না। পালিয়ে পালিয়ে বেড়ায়। পাওনাদাররা ফোন দিলে ধরে না। অথচ এই লজ্জা ও বিড়ম্বনা কাটানোর দুআ নবী আলাইহিস সালাম কত সুন্দর করেই না শিখিয়ে গেছেন! দেখুন আল্লাহর রাসূল কী বলছেন মুআয রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে: قال رسولُ اللهِ صلَّى اللهُ عليه وسلَّم لمعاذٍ ألا أُعلِّمُك دعاءً تدعو به لو كان عليك مثلُ جبلِ أُحُدٍ دَيْنًا لأدَّاه اللهُ عنك قُلْ يا معاذُ হে মুআয! তোমাকে একটা দুআ কি শিখিয়ে দেবো না যেটা পড়লে আল্লাহ তায়ালা তোমার উহুদ পাহাড় পরিমাণ ঋণ থাকলেও শোধ করে দেবেন? মুআয বলো! اللَّهمَّ مالِكَ الملْكِ تُؤتي الملكَ من تشاءُ وتنزِعُ الملكَ ممَّن تشاءُ وتُعِزُّ من تشاءُ وتُذِلُّ من تشاءُ بيدِك الخيرُ إنَّك على كلِّ شيءٍ قديرٌ رحمنَ الدُّنيا والآخرةِ ورحيمَهما تعطيهما من تشاءُ وتمنعُ منهما من تشاءُ ارحَمْني رحمةً تُغنيني بها عن رحمةِ من سواك আল্লাহুম্মা মালিকাল মুলকি তু'তিল মুলকা মান তাশা। ওয়া তানযিউল মুলকা মিম্মান তাশা ওয়া তুইয্যু মান তাশা। ওয়া তুযিল্লু মান তাশা। বিয়াদিকাল খায়রু ইন্নাকা আলা কুল্লি শাইইন ক্বদির। রহমানাদ দুনইয়া ওয়াল আখিরাতি ওয়া রহিমাহুমা তু'তিহিমা মান তাশা ওয়া তামনাউ মিনহুমা মান তাশা। ইরহামনি রহমাতান তুগনিনি বিহা আন রহমাতিন মিন সিওয়াকা। মাওলা! তুমি রাজত্বের মালিক। যাকে ইচ্ছা রাজত্ব দাও যার কাছ থেকে চাও ছিনিয়ে নাও। ইযযত দাও তুমি যারে চাও আবার বেইযযত করনে ওয়ালা জাতও তুমি। তোমার হাতেই সব খায়র তুমিই তো সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান। দুনিয়া ও আখিরাতের রহমান ও রহিম! তুমি যাকে চাও দুনিয়া আখিরাত দুই-ই দাও। আর যারে চাও না তারে দাও না। মালিক! আমার উপর এমন রহম করো যেন তুমি ছাড়া আর কারো কাছে রহমের হাত পাতা না লাগে মাওলা! [তাবারানী। আনাস ইবনে মালিকের রিওয়ায়াত] এত দরদভরা দুআ নবী আলাইহিস সালাম শিখিয়ে গেছেন! এই দুআর পর মালিক কি তার গোলামের ঋণ শোধের বন্দোবস্ত করবেন না?
এবারের উমরার সফরে তায়েফ যিয়ারতের সময় মসজিদে ইবনে আব্বাসের চত্তরে কাফেলার সবাইকে তায়েফে ইসলাম প্রচারের ইতিহাস বলার পর ইবনে আব্বাস রা. থেকে বর্ণিত একটা দুআর ছোট অংশ মুখস্ত করিয়েছিলাম। সেটা ছিল- اللَّهُمَّ أَعِنِّي وَلَا تُعِنْ عَلَيَّ 'হে আল্লাহ! আমাকে সাহায্য করুন, আমার বিরুদ্ধে কাউকে সাহায্য করবেন না।' খুবই ছোট দুআ, তবে অত্যন্ত পাওয়ারফুল। আপনারাও চাইলে মুখস্ত করে নিতে পারেন।- Abdullah Al Masud
এক বেদুঈন কাবার গিলাফ ধরে দোয়া করছিলেন, . ”হে আল্লাহ! গুনাহর উপর অনড় থেকেও আপনার কাছে ক্ষমা চাওয়াটা নীচতা। আবার আপনার ক্ষমার ব্যাপ্তির কথা জানার পরও ক্ষমা প্রার্থনা ছেড়ে দেওয়াটা অক্ষমতা। . আপনি আমার প্রতি মুখাপেক্ষী নন, তবুও আমাকে কত নিয়ামত দিয়ে ভালোবাসার প্রকাশ করছেন! অথচ আমি আপনার মুখাপেক্ষী হওয়া সত্ত্বেও গুনাহর মাধ্যমে আপনার ঘৃণা কামাই করছি! . ওহে সেই সত্ত্বা— যিনি ওয়াদা দিলে পূর্ণ করেন। যিনি হুমকি দিলেও উপেক্ষা এবং ক্ষমা করেন। আমার বিপুল পরিমাণ পাপকে আপনার বিরাট ক্ষমায় শামিল করে নিন। ইয়া আরহামার রাহিমীন! . [ইমাম নববীর ‘আল-আযকার’: পৃ. ৬৫০] সংগৃহীত
অতিবৃষ্টি বা ক্ষতিকর বৃষ্টি থেকে বাঁচার জন্য রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই দোয়াটি পড়তেন, اَللّٰهُمَّ حَوَالَيْنَا وَلَا عَلَيْنَا، اَللّٰهُمَّ عَلَى الْآكَامِ وَالظِّرَابِ، وَبُطُونِ الْأَوْدِيَةِ، وَمَنَابِتِ الشَّجَرِ উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা হাওয়ালাইনা ওয়া লা আলাইনা, আল্লাহুম্মা আলাল আ-কামি ওয়াজ-যিরাবি, ওয়া বুতূনিয়াল আওদিয়াতি, ওয়া মানাবিতিশ শাজার। অর্থ: হে আল্লাহ! আমাদের চারপাশে বৃষ্টি দিন, আমাদের ওপর নয়। হে আল্লাহ! টিলা, পাহাড়, উপত্যকা এবং গাছপালা গজানোর স্থানে বৃষ্টি বর্ষণ করুন (বুখারি ৯৩৩)। মুহাজির ক্যাম্পে মাটিধ্বসে নিহত সবাইকে রাব্বে কারীম ক্ষমা করে দিন। আমাদের দেশকে আসমানি বালা জমিনি বালা থেকে হেফাজতে রাখেন। আমীন।
"নিজের নেক আমল প্রকাশ্যে করা, যেন অন্যরা (যেমন সন্তান) তার অনুসরণ করতে পারে এবং তা থেকে শিখতে পারে, একটি প্রশংসনীয় কাজ। এটি রিয়া নয়। কেননা রিয়া তখন হয় যখন আমলের মাধ্যমে মানুষের প্রশংসা পাওয়া কাম্য হয়। একদিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মিম্বরে সালাম আদায় করে বললেন, «أَيُّهَا النَّاسُ، إِنَّمَا صَنَعْتُ هَذَا لِتَأْتَمُّوا وَلِتَعَلَّمُوا صَلَاتِي» 'হে লোক সকল! আমি এটা এ জন্য করেছি যে, তোমরা যেন আমার অনুসরণ করতে পার এবং আমার সালাত শিখে নিতে পার।'[১]"[২] . ~ শাইখ মুহাম্মাদ সালিহ আল মুনাজ্জিদ [হাফি.] . [ ১) ইমাম বুখারী (রাহ.), আস সহীহ,হা: ৯১৭; ইমাম আবু দাউদ (রাহ.), আস সুনান, হা: ১০৮০; ২) শাইখ মুহাম্মাদ সালিহ আল মুনাজ্জিদ (হাফি.), যাদুল মুরাব্বী, পৃ: ৮]
বান্দার নিরাপত্তার জন্য কুরআনের চারটি ছোট কিন্তু শক্তিশালী বাক্য আছে—যেগুলো চার ধরনের বিপদ থেকে আল্লাহর হেফাজত নিশ্চিত করে— • কুদৃষ্টি থেকে বাঁচায়— مَا شَاءَ اللَّهُ لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ [আল্লাহ যা চান তাই হয়; আল্লাহ ছাড়া কোনো শক্তি ও সামর্থ্য নেই।] • শয়তানের চক্রান্ত ধ্বংস করে— حَسْبُنَا اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ [আমাদের জন্য আল্লাহই যথেষ্ট, আর তিনিই সর্বোত্তম কর্মবিধায়ক।] • শত্রুর ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে— وَأُفَوِّضُ أَمْرِي إِلَى اللَّهِ [আমি আমার সব বিষয় আল্লাহর হাতে সোপর্দ করলাম।] • মনভার ও দুশ্চিন্তা দূর করে— لَا إِلَٰهَ إِلَّا أَنْتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنْتُ مِنَ الظَّالِمِينَ [আপনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই; আপনি পবিত্র—নিশ্চয়ই আমি নিজের ওপর জুলুম করেছি।] এই চারটি বাক্য যেন চারটি নিরাপত্তা-বলয়। যে এগুলো আঁকড়ে ধরে, আল্লাহ তাকে একা ছেড়ে দেন না। [তাফসিরে কুরতুবি ১০/৪০৭] আল্লাহ আমাদের জিহ্বা ও হৃদয়কে এই যিকিরগুলোর সাথে জুড়ে দিন—আমীন। - খুতুবাত @Dua24hours
মুআজ ইবনে জাবাল (রা.) থেকে বর্ণিত, একবার আল্লাহর রাসুল (সা.) তার হাত ধরে বলেন, ‘হে মুআজ, আল্লাহর শপথ! আমি অবশ্যই তোমাকে ভালোবাসি, আল্লাহর শপথ! আমি অবশ্যই তোমাকে ভালোবাসি। তিনি বলেন, হে মুআজ, আমি তোমাকে অসিয়ত করছি, তুমি প্রত্যেক নামাজের পর এ দোয়া কখনো পরিহার করবে না।’ (আবু দাউদ, হাদিস : ১৫২২) আরবি : اللَّهُمَّ أعِنَّا عَلَى ذِكْرِكَ، وَشُكْرِكَ، وَحُسْنِ عِبَادَتِكَ উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা আ-ইন্নি আলা জিকরিকা, ওয়া শুকরিকা, ওয়া হুসনি ইবাদাতিকা। অর্থ : হে আল্লাহ, আপনার জিকির করতে, আপনার শোকরিয়া আদায় করতে এবং সুন্দরভাবে আপনার ইবাদত করতে আমাকে সাহায্য করুন।
কয়জন করি এই দুয়া? رَبَّنَا اغْفِرْ لَنَا وَلِإِخْوَانِنَا الَّذِينَ سَبَقُونَا بِالْإِيمَانِ وَلَا تَجْعَلْ فِي قُلُوبِنَا غِلًّا لِّلَّذِينَ آمَنُوا "আমাদের রব, আমাদেরকে এবং আমাদের ভাইদেরকে ক্ষমা করো যারা ঈমানে আমাদের চেয়ে অগ্রবর্তী। আর যারা ঈমান এনেছে, তাদের বিরুদ্ধে আমাদের অন্তরে কোনো বিদ্বেষ রেখো না।" আল্লাহ আমাদের কী দুয়া শিখিয়ে দিলেন, আর আমরা কী করি। দেখে মনে হয়, নাস্তিক, লিবারেল, ফেমিনিস্টদের থেকেও মুসলিম ভাইবোনদের প্রতিই আমাদের যত বিদ্বেষ। কেন? কারণ তার সাথে হয়ত ফিক্বহী বিষয়ে কোনো মতপার্থক্য আছে, বা তার কোনো চিন্তা হয়ত আমার পছন্দ হল না। ব্যস শুরু হয়ে গেল ট্যাগিং। ছোট করা। গালিগালাজ। মা-বোন টেনে নোংরা ইঙ্গিত দেয়া। বিদ্বেষের চোটে এটাও ভুলে যাচ্ছি যে, সমালোচনা করারও একটা সীমানা আছে, বিরোধিতা করার সময়েও ইসলামের হুকুম-আহকাম রহিত হয়ে যায় না। একজন মুসলিম ইচ্ছা হলেই মুখ খারাপ করতে পারেনা, ঝাল ঝারতে গিয়ে সত্যের সাথে একটুখানি অসত্য মিশিয়ে দিতে পারেনা। আল্লাহ মাফ করো। এখন প্র্যাকটিসিং মানুষের ভেতরেও মুমিনসুলভ আচরণের অনেক অভাব। - সংগৃহীত
ইয়াকীন নরসিংদী এলাকায় বয়ান থেকে নামার সময় একজন সালাম দিয়ে বললেন, হুজুর!বিয়ের পর দীর্ঘদিন নিঃসন্তান ছিলাম,আপনার একটি বয়ানে বলেছিলেন সুরা আলে ইমরানের ৩৮ নম্বর আয়াত দিয়ে ইয়াকীনের সাথে দূ'আ করতে,আমি প্রতিদিন তাহাজ্জুদ পড়ে দূ'আ টি পড়তে শুরু করলাম। নয় (৯) বছর পর গত ৪৫ দিন পূর্বে আল্লাহ আমাকে একটি পুত্র সন্তান দান করেছেন। হুজুর! দূ'আ দূ'আ কইরেন, আল্লাহ তাআলা তাকে যেন হাফেজে কুরআন বানিয়ে দেন। লেখার উদ্দেশ্য: ১-নিঃসন্তান দম্পতির ইয়াকীন বৃদ্ধি করা ২- আপনাদের পরিচিতজনদের অনেকের সন্তান হচ্ছে না, তাদেরকে ঘটনা টি জানিয়ে দূ'আর প্রতি ইয়াকীন বৃদ্ধি করা। - শায়েখ আরিফ বিন হাবিব @Dua24hours
মানুষ গুনাহগার। ভুলপ্রবণ। এই গুনাহ আবার দুই প্রকার। ১. লাযিম। ২. মুতাআদ্দি। ১. এমন গুনাহ, যা অন্যকে ইফেক্ট করে না। কেবল নিজের সাথেই সম্পর্কিত। ২. এমন গুনাহ, যা অন্যকে ইফেক্ট করে। প্রথম প্রকার গুনাহের চেয়ে দ্বিতীয় প্রকার গুনাহের ক্ষতি, প্রভাব ও ভয়াবহতা—সবই বেশি। গুনাহ না হওয়ার ব্যাপারে অত্যন্ত সচেষ্ট থাকা জরুরি। মুতাআদ্দি গুনাহ যেন না হয়—এ-ব্যাপারে সতর্ক থাকা আরও বেশি জরুরি। নবীজির তো কোনো গুনাহ ছিল না। এমন কথা কল্পনা করাও গুনাহ। তবু, রাসূলুল্লাহ ﷺ প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যা গুনাহ ঢেকে রাখার জন্য নিয়ম করে দুআ করতেন। নবীজি পড়তেন— اللَّهُمَّ اسْتُرْ عَوْرَاتِي وَآمِنْ رَوْعَاتِي "হে আল্লাহ! আপনি আমার গোপন ত্রুটি/গুনাহসমূহ ঢেকে রাখুন, এবং আমার সকল ভয়-ভীতি ও দুশ্চিন্তা থেকে আমাকে নিরাপত্তা দান করুন।" [সুনানু আবি দাউদ : ৫০৭৪] আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে সব ধরনের গুনাহ থেকে হেফাজত করুন এবং নিজেদের কৃত গুনাহের জন্য নিয়মিত তাওবা করার তাওফিক দান করুন।- মাহমুদ ভাই 💌শুক্রবার- দুরুদ, কাহাফ, দুআ... @Dua24hours
সূরা ফুরকানের ৭৪ নং আয়াত আমাকে বারবার অভিভূত করে। এই আয়াতে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআ’লা আমাদের জীবনসঙ্গী ও সন্তানের জন্য এক অপূর্ব দুআ শিখিয়েছেন। সেখানে তিনি একবারও বলেননি_সুন্দর, ফর্সা, লম্বা, খাটো, মোটা বা চিকন। বাহ্যিক কোনো নির্দিষ্ট গুণের কথা উল্লেখ করেননি। বরং তিনি এমন একটি শব্দ ব্যবহার করেছেন, যা বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ—উভয় সৌন্দর্যকে একসাথে ধারণ করে। আর সেই শব্দটি হলো- ❝কুররাতু আইয়ুন❞ “কুররাতু আইয়ুন” অর্থ এমন কিছু, যা চোখকে শীতল করে, হৃদয়কে প্রশান্ত করে এবং মানুষকে গভীর তৃপ্তি দেয়। আমরা যখন চোখ দিয়ে এমন কিছু দেখি, যা আমাদের ভালো লাগে, তখন তা আমাদের মস্তিষ্কে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। আনন্দ, ভালোবাসা ও প্রশান্তির অনুভূতি তৈরি হয়, আর ধীরে ধীরে আমাদের পুরো নার্ভ সিস্টেম শান্ত হয়ে যায়। এই প্রশান্তি একেকজন মানুষের কাছে একেকভাবে ধরা দেয়।কেউ চায় তার স্ত্রীর হাসি তাকে শান্তি দিক, কেউ চায় তার স্বামীর আচরণে নিরাপত্তা খুঁজে পাক। কারো কাছে সন্তানের কুরআন তিলাওয়াত প্রশান্তির কারণ।আবার কারো কাছে তার সুশৃঙ্খল জীবনযাপনই চোখের শীতলতা। সুবহানআল্লাহ,রব্বুল আলামীন পুরো মানবজাতির জন্য একটিমাত্র দুআ দিয়েই প্রশান্তি চাওয়া শিখিয়েছেন। আমরা যখন আমাদের জীবনসঙ্গী ও সন্তানদের জন্য “কুররাতু আইয়ুন” হওয়ার দুআ করি, তখন মূলত আল্লাহর কাছে এমন একটি ভারসাম্যপূর্ণ জীবন চাই, যা আমাদের জন্য দুনিয়াতে প্রশান্তির কারণ হবে। তবে আল্লাহ এখানে থেমে থাকেননি। তিনি একই দুআর মধ্যেই আমাদের আরও উচ্চতর লক্ষ্য শিখিয়েছেন_“ওয়াজ‘আলনা লিলমুত্তাকীনা ইমামা”—অর্থাৎ, আমাদের মুত্তাকীদের জন্য আদর্শ বানিয়ে দিন। এমন পরিবারও আছে যাদের দুনিয়াবি দিক থেকে সুখী মনে হয়, কিন্তু আল্লাহর কাছে অপ্রিয়। দ্বীন পালনে সচেষ্ট নয়৷ আবার এমন পরিবারও আছে, যেখানে দ্বীনের চর্চা আছে। সেখানে প্রকৃত প্রশান্তি ও বরকত নেমে আসে। তাই আল্লাহ দুআর শেষ অংশে দুনিয়ার সাথে আখিরাতকেও জুড়ে দিলেন,যেন আমরা কেবল দুনিয়ার প্রশান্তি নিয়ে মেতে না থাকি। আখিরাতেরও ফিকির করি। আমি,আপনি হয়তো ভাবছি—আমি কি এমন কিছু করেছি, যার বিনিময়ে আল্লাহ আমাকে এতো সুন্দর একটি পরিবার দিবেন? আমি কি এই শান্তির যোগ্য? আমার কি আসলেই স্বামী বা স্ত্রীর ভালোবাসা পাওয়ার মতো কিছু আছে? এই প্রশ্নের উত্তর লুকিয়ে আছে দুআর শুরুতেই— “রব্বানা হাবলানা…” “হাবলানা” শব্দটি এসেছে আল্লাহর গুণবাচক নাম “আল-ওয়াহাব” থেকে, যার অর্থ _যিনি বিনিময় ছাড়া দান করেন, বারবার দান করেন।অর্থাৎ, আমরা যখন “হাবলানা” বলে দুআ করি, তখন আমরা আল্লাহর কাছে কোনো যোগ্যতা বা বিনিময়ের দাবি করি না, বরং তাঁর অনুগ্রহের ওপর ভরসা করে চাই। তাই যদি কখনো নিজেকে নিয়ে লো ফিল হয়, যদি পরিবারে শান্তির অভাব থাকে, যদি সন্তান অবাধ্য হয়, কিংবা মনে হয় আমি একটি সুন্দর সংসারের যোগ্য নই,তবে এই আয়াতটিকে নিজের জীবনের অংশ বানিয়ে নিন। আল্লাহ আপনাকে এমন জীবনসঙ্গী, সন্তান,পরিবার দিতে সক্ষম, যা আপনার চোখের শীতলতা হবে।তিনি আপনাকে মুত্তাকীদের অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন, এমনকি আদর্শও বানিয়ে দিতে পারেন—কোনো বিনিময় ছাড়াই, শুধুই তাঁর অসীম রহমতে। -Tahia Islam #nurulquranacademy @Dua24hours
без подписи
اللَّهُمَّ اهْدِنِي فِيمَنْ هَدَيْتَ، وَعَافِنِي فِيمَنْ عَافَيْتَ، وَتَوَلَّنِي فِيمَنْ تَوَلَّيْتَ، وَبَارِكْ لِي فِيمَا أَعْطَيْتَ، وَقِنِي شَرَّ مَا قَضَيْتَ؛ فَإِنَّكَ تَقْضِي وَلاَ يُقْضَى عَلَيْكَ، إِنَّهُ لاَ يَذِلُّ مَنْ وَالَيْتَ، [وَلاَ يَعِزُّ مَنْ عَادَيْتَ]، تَبارَكْتَ رَبَّنا وَتَعَالَيْتَ». (আল্লা-হুম্মাহদিনী ফীমান হাদাইতা ওয়া ‘আ-ফিনী ফীমান ‘আ-ফাইতা ওয়া তাওয়াল্লানী ফীমান তাওয়াল্লাইতা ওয়াবা-রিক লী ফীমা আ‘ত্বাইতা ওয়াক্বিনী শাররা মা ক্বাদাইতা ফাইন্নাকা তাক্ব্দ্বী ওয়ালা ইউক্ব্দ্বা ‘আলাইকা। ইন্নাহু লা ইয়াযিল্লু মাও ওয়া-লাইতা, [ওয়ালা ইয়া‘ইয্যু মান ‘আ-দাইতা।] তাবা-রক্তা রব্বানা ওয়া তা‘আ-লাইতা)। হে আল্লাহ! আপনি যাদেরকে হেদায়াত করেছেন তাদের মধ্যে আমাকেও হেদায়াত দিন, আপনি যাদেরকে নিরাপত্তা প্রদান করেছেন তাদের মধ্যে আমাকেও নিরাপত্তা দিন, আপনি যাদের অভিভাবকত্ব গ্রহণ করেছেন, তাদের মধ্যে আমার অভিভাবকত্বও গ্রহণ করুন, আপনি আমাকে যা দিয়েছেন তাতে বরকত দিন। আপনি যা ফয়সালা করেছেন তার অকল্যাণ থেকে আমাকে রক্ষা করুন। কারণ আপনিই চুড়ান্ত ফয়সালা দেন, আপনার বিপরীতে ফয়সালা দেওয়া হয় না। আপনি যার সাথে বন্ধুত্ব করেছেন সে অবশ্যই অপমানিত হয় না [এবং আপনি যার সাথে শত্রুতা করেছেন সে সম্মানিত হয় না] আপনি বরকতপূর্ণ হে আমাদের রব্ব! আর আপনি সুউচ্চ-সুমহান (সুনান গ্রন্থকারগণ, আহমাদ, দারামী ও বাইহাকী এ হাদীসটি সংকলন করেছেন। আবু দাউদ, নং ১৪২৫; তিরমিযী, নং ৪৬৪; নাসাঈ, নং ১৭৪৪; ইবন মাজাহ, নং ১১৭৮; আহমাদ, নং ১৭১৮; দারামী, নং ১৫৯২; হাকিম, ৩/১৭২; বাইহাকী, ২/২০৯। আর দু' ব্রাকেটের মাঝখানের অংশ বাইহাকীর। আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী ১/১৪৪, সহীহ ইবন মাজাহ্, ১/১৯৪; ইরওয়াউল গালীল, লিল আলবানী, ২/১৭২) @Dua24hours
Channel photo updated
Channel created