tgindex
🛑 GEN Z Revolution 🇧🇩

🛑 GEN Z Revolution 🇧🇩

Статистика

Generation Z is a cohort of patriotic young people dedicated to fostering a harmonious and progressive society in Bangladesh. Censored Content Warning: https://telegra.ph/Censored-Content-Warning-01-18 t.me/GENZRevolutionBD

Последний пост
8 авг.
Последнее чтение
13 авг.
Постов за неделю
0
Всего постов
23
Тип
открытый
Язык
bn
В каталоге с
13 авг.
Подписчики
415
−2 за 1 дн.
Сутки
0
0,00%
Неделя
 
Месяц
 
Просмотров на пост
3 975
20 постов
Вовлечённость
957,8%
к подписчикам
Постов в день
0,0
всего 23
Упоминаний
0
каналов
Охват размещения
оценка
1/24сутки в ленте
1 091
1/48двое суток
1 250
1/72трое суток
1 348

Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.

Посты

  • শাউয়ালীগ যদিও একপ্রকার জাতের মধ্যে ছিল, কিন্তু জাতীয়তাবাদী জানোয়ার দল বা বিএনপি-র কোনো জাতের মনে পড়ে না - এই বাস্তবতা বিএনপির সম্প্রীতি রাজনৈতিক কর্মকান্ড ফুটে ওঠে। যখন কোনো বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তি বা যে কেউ নিজ মত পেশ করেন, তখন তাকে সম্মান ও মর্যাদার সাথে গ্রহণ করার সংস্কৃতি থাকা উচিত - সেটাই সভ্যতার পরিচায়ক। কিন্তু এখানে কী ঘটল? সেই বয়োজ্যেষ্ঠ নাগরিককে, শুধুমাত্র প্রতিবাদী সুরে সত্য বলার অপরাধে, ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া হলো - যা অপমানের চরম সীমায় পৌঁছে। এই অশিক্ষিত, অর্থবল-পোষিত বর্বরচিত্তদের প্রতি ইতিহাসের অভিশাপ নেমে আসবেই, ঠিক যেমনটি নেমেছিল ইতিহাসের বর্বর রাজনৈতিক দল শাউয়ামীলীগের স্বৈরাচারী নেত্রীর হাসিনার ওপর, যে নিজেও সত্যকে পদদলিত করে ক্ষমতার আসনে আরোহণ করেছিল। এই ভোদাই জেনারেশনের রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার আগে সিভিক সেন্স এবং জনগণের মতামতকে কিভাবে শ্রদ্ধা দিতে হয়, সেটার শিক্ষা অর্জন করা উচিত ছিল; কিন্তু এদের রাজনীতির একমাত্র ভাষা হলো - প্রতিপক্ষ যদি সত্য বলে এবং সেটা তাদের বিরুদ্ধে যায় বা অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়, তবে তার স্থায়ী সমাধান হলো তাকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া। এটাই এদের কর্মপদ্ধতি। অতএব, যদি আমরা দ্রুততম সময়ে গণভোট প্রতিষ্ঠিত করতে না পারি, তাহলে এরা আওয়ামী লীগের আদলে আরেকটি ফ্যাসিস্ট কাঠামো তৈরি করে বসবে - যা দেশের আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত করে তুলবে। সে ক্ষেত্রে, এনসিপি বা জামায়াত-ই-ইসলামী যাই হোক, তাঁদের উপস্থিতি থাকুক বা না থাকুক - আমাদের GENZ প্রজন্মকে আবারও রাস্তায় নামতে হবে। কারণ, এই ধ্বংসাত্মক শক্তির বিরুদ্ধে দ্রুততম সময়ে প্রতিরোধ গড়ে না তুললে এই দেশের কোনো পরিবর্তন সম্ভব নয়। অন্যদিকে, বিএনপি এখন পর্যন্ত অধ্যাপক ইউনূসের নেওয়া ঢাকার একক বাস সার্ভিস চালু করার উদ্যোগ বাস্তবায়নে অক্ষম - এবং সেটি তারা কখনোই করতে পারবে না, কারণ সিন্ডিকেটগুলো তাদের বিপুল অর্থের বিনিময়ে কিনে নেবে। রাস্তাঘাট, বাজার, দোকান সর্বত্র চাঁদাবাজি কখনো বন্ধ হবে না; কারণ তারা তরুণ সমাজকে চাঁদাবাজির বদলে কোনো কর্মসংস্থানের পথ দেখাতে পারে না। তাদের নিজস্ব নেতা-কর্মীদের অধিকাংশই কর্মহীন, চাঁদাবাজিকেই জীবিকা হিসেবে বেছে নিয়েছে - তাহলে তারা কি করে সাধারণ মানুষকে কর্মসংস্থান দেবে? আমরা বারবার ঘোষণা করেছি - তৃতীয় বিশ্বের জনগণের জন্য পার্থিব কোনো মুক্তি নেই, যদি না শরীয়াহ আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। ©লেখা: https://t.me/GENZRevolutionBD

  • 1 авг.1 2311

    খাম্বা তারেক ট্রাক জিয়ার - এই জাতীয়বাদী জানোয়ার দলটা ক্ষমতায় বসার এক বছরের মাথায়ই হিংস্রতার পশুপাল্লা খুলে বসেছে। ওদের চাঁদাবাজ শুয়োরের বাচ্চারা পথে পথে খুন, গুম, হত্যার বাজি ধরিয়েছে - যেন এটাই ওদের স্বাভাবিক শ্বাসপ্রশ্বাস। আর এখন, শাউয়ামী লীগের সেই শাউয়া হাসিনার ফ্যাসিস্ট স্টাইলে - যে কেউ মুখ খোলে, ওদের অপকর্মের বিরুদ্ধে কথা বলে, তাকেই ওরা জাতীয়তাবাদী জানোয়ার বাহিনী লেলিয়ে দিয়ে আক্রমণ শুরু করেছে। ভুলে গেছে ওরা, যে GEN Z - জুলাইয়ের সেই ছাত্র-জনতা, ওদের সিংহাসনে বসিয়েছিল। ক্ষমতার নেশায় ওরা এখন ভাবছে, জুলাইয়ের আত্মদানকারী ছাত্র-জনতা শুধুই মলমূত্র - শামসুজ্জামান দুদুর প্রসাবেই এরা সবাই ভেসে যাবে! আমরা বলতেছি, GEN Z-এর পক্ষ থেকে - খাম্বা তারেক ট্রাক জিয়া, তুই শেষ। তোর দলও শেষ। এখানেই ফুল স্টপ। ©লেখা: https://t.me/GENZRevolutionBD

  • 29 июл.1 1861

    কুলাঙ্গারলীগের জানোয়ারগুলো যেভাবে সৎ ছাত্রনেতাদের উপর কুকর্ম চালাতো - ঠিক একই কুপথে আজ হাঁটছে নব্য শূকরশাবকের দল। ঐ গবাদিপশুরা ভারতের আস্তাবলে আশ্রয় নিয়েছে, কিন্তু এই শূকরের বাচ্চাগুলো কোথায় মাথা গুঁজবে? কোথায় লুকাবে তাদের লেজ? শুনে রাখ, এনসিপির নেতাকর্মীরা - তোমরাই জুলাইয়ের যোদ্ধা। তোমাদের হাতে অস্ত্র না থাকলে কীভাবে আত্মরক্ষা করবে? কেন পুলিশ বা অন্য বাহিনীর পেছনে লুকিয়ে নিজেকে রক্ষা করবে? ওরা নিজেদের রক্ষা করতে পারেনা, তোমাদের কি করবে? এনসিপি হয়ে উঠুক দেশের দ্বিতীয় সশস্ত্র প্রশিক্ষিত বাহিনী - যার একমাত্র ব্রত: শাউয়ামীলীগের মতো প্রতিটি পশুকে ধুলায় মিশিয়ে সোজা পথে ফেরানো। বিপ্লবীরা যদি আজ দাঁত না দেখায়, তাহলে কাল আবার ফ্যাসিস্ট ও স্বৈরাচারী জানোয়ারদের পায়ে পিষ্ট হবে বাংলাদেশ - আবার নয়, আর কখনো নয়; এবার হবে আক্রমণ। আজাদী জিন্দাবাদ, ইনকিলাব জিন্দাবাদ। ©https://t.me/GENZRevolutionBD

  • 22 июл.2 3351

    видео или голосовое, без подписи

  • видео или голосовое, без подписи

  • 12 июл.3 5151

    জুলাইয়ের সেই প্রলয়ঙ্করী আবহে সহস্রাধিক অভিভাবক ও শিক্ষকবৃন্দ প্রতিবাদী সত্ত্বা নিয়ে রাজপথে একাকী অবতীর্ণ হয়েছিলেন বটে, কিন্তু তাঁদের মুখোমুখি হয়েছিল উন্মত্ত পাশবিক শক্তি, যাদের নিকট ছাত্র-জনতার রক্ত  নিছক উল্লাসের বিষয় ছিল। আর সেই নির্দয়চক্র কি উপলব্ধি করেছিল যে, এক বিষম পিশাচিনী, ইতিহাসের নিকৃষ্ট ও নির্মম শাসক ডাইনী রাক্ষসী হাসিনা কীভাবে স্বদেশের অস্তিত্ব বেচে দিয়ে নিজের জনগণকে ভারতের কাছে নিষ্প্রাণ মেরুদণ্ডহীন পুতুলে রূপান্তরিত করতেছিল? টাকা ও ক্ষমতার প্রতি তাদের লোভ এতটাই প্রবল ও দিগ্ভ্রান্তিকর যে, একজন নারীর প্রতিও এমন জঘন্য ও অমানবিক আচরণ করতে তাদের বিন্দুমাত্র বিচারবোধ বা মানবিক লজ্জা কাজ করেনি - বরং এই অপকর্মই তাদের কাছে পরম পৈশাচী উল্লাসের খেলায় পরিণত হয়েছিল! ভিডিও: ফিরে দেখা জুলাই। লেখা: https://t.me/GENZRevolutionBD

  • 🛑 GEN Z Revolution 🇧🇩 pinned a video

  • 9 июл.5 0271

    A 12-year-old girl in Kolkata was allegedly raped, murdered, and her body was dumped in a pond. According to the claim, four followers of the Sanatani faith, who were members of ISKCON, RSS, and Bajrang and associated with the BJP's hardline Hindutva militant ideology, were involved. This is a horrific, brutal, and deeply shameful crime against humanity. The question is: why, even after such a horrifying incident, has there not been sufficient coverage or discussion in many mainstream Indian and Bangladeshi media outlets? Is a child's life less important than political identity? Should justice depend on the victim's religion or identity? Why is this the case? If, however, the victim had been a Hindu in Bangladesh, outlets ranging from WION to many Indian English-language newspapers would likely have given it extensive coverage. Who will hear this mother's cries for justice? Some people argue that minorities in West Bengal had at least some degree of legal protection during Mamata Banerjee's tenure, but that this is no longer the case. They further argue that Muslims now have to rely on themselves for protection; otherwise, they will continue to face such treatment repeatedly. বাংলা: কলকাতায় ১২ বছরের এক কিশোরী মেয়েকে ধর্ষণের পর হত্যা করে পুকুরে ফেলে দেয় বিজেপির উগ্র হিন্দুত্ববাদী জঙ্গি গোষ্ঠী ইস্কন, RSS এবং বজরং এর সদস্যদের মধ্যে সনাতনী ধর্মের ৪জন; এটি এক ভয়াবহ,  নৃশংস এবং মানবতার জন্য লজ্জাজনক অপরাধ। প্রশ্ন হলো - এত ভয়াবহ একটি ঘটনার পরও কেন মূলধারার অনেক ভারতীয় ও বাংলাদেশি গণমাধ্যমে এ নিয়ে যথেষ্ট আলোচনা দেখা যাচ্ছে না? একটি শিশুর জীবন কি রাজনৈতিক পরিচয়ের চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ? বিচার কি ভুক্তভোগীর ধর্ম বা পরিচয় দেখে হবে? কারণ কি? কিন্তু এটা যদি বাংলাদেশে কোনো হিন্দু হত, ভারতের WION থেকে শুরু করে প্রতিটি ভারতীয় ইংরেজি নিউজ পেপারে সেটা তারা প্রকাশিত করত। এই মায়ের আর্তনাদ কে দেখবে? মমতা দিদি থাকতে সময় পশ্চিম বঙ্গে কিছুটা হলেও সংখ্যালঘুদের আইন ছিল, কিন্তু এখন আর কিছু নেই। মুসলিমদের এখন নিজেরাই নিজেদের ব্যবস্থা করতে হবে। নতুবা এভাবেই পদে পদে ধোলাই খাবে। © https://t.me/GENZRevolutionBD

  • 9 июл.4 8101

    এই ভিডিওতে মহিলাদের জন্য শেখা এবং বোঝার জন্য বিভিন্ন বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা সকলের দেখা উচিত। ভিডিও: https://youtu.be/0E6_u-D-_v0

  • 5 июл.6 6771

    এ কী চলছে? সত্যিই কি এই দেশ স্বাধীনতার প্রকৃত স্বাদ অর্জন করেছে? ১৯৭১ সালে আমরা স্বাধীনতার জন্য রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ করেছি। সেই ইতিহাস, সেই ত্যাগ এবং তার পরবর্তীতে ভারতের ভয়ানক শোষণ ও রাজনৈতিক বাস্তবতা নিয়ে নানা বিতর্ক থাকলেও প্রশ্ন আজও থেকে যায় - ২০২৪ সালের জুলাই-পরবর্তী বাংলাদেশও কি আবার সেই পুরোনো দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও রাজনৈতিক প্রভাবের কাছে জিম্মি হয়ে পড়বে? তাহলে কি এখনও 'জোর যার, মুল্লুক তার' - এই নীতিতেই রাষ্ট্র পরিচালিত হবে? একবার ভাবুন, আপনি নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে শান্তিপূর্ণভাবে ব্যবসা পরিচালনা করছেন। হঠাৎ বিএনপির পাতি নেতা কয়েকটা এসে চাঁদা দাবি করল। আপনি তা দিতে অস্বীকৃতি জানালেন। এরপর তারা বলপ্রয়োগে সেই অর্থ আদায় করল, এবং আরও উদ্বেগজনক বিষয় হলো - যে প্রতিষ্ঠানের কাছে আপনি বিচার বা প্রতিকার চাইবেন, শেষ পর্যন্ত সেখানেও তাদেরই প্রভাব ও কর্তৃত্ব বিদ্যমান! তাহলে একজন সাধারণ নাগরিক ন্যায়বিচারের আশ্রয় কোথায় নেবে? রাষ্ট্রে আদৌ কী ঘটছে? অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় অন্তত এমন প্রকাশ্য দুঃসাহস খুব একটা দেখা যায়নি। কারণ তখন অনেকেরই বিশ্বাস ছিল যে, অন্যান্য সীমাবদ্ধতা থাকলেও দেশে অন্তত আইনের শাসনের একটি ন্যূনতম ভিত্তি বিদ্যমান রয়েছে। কিন্তু বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর যদি তাদের কোনো নেতাকর্মীর আচরণে এমন ধারণা জন্মায় যে, 'আমরা যা-ই করি, আমাদের কোনো জবাবদিহি করতে হবে না'; যা গণতন্ত্র, সুশাসন এবং আইনের শাসনের জন্য অত্যন্ত অশনিসংকেত। যদি এ ধরনের অভিযোগকে কেবল দলীয় পরিচয়ের আড়ালে বা সালিশের মাধ্যমে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়, তবে তরুণ প্রজন্ম, বিশেষত Gen Z, ন্যায়বিচার ও জবাবদিহির দাবিতে সাংবিধানিক ও শান্তিপূর্ণ উপায়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে বাধ্য হবে। ©https://t.me/GENZRevolutionBD

  • 22 июн.6 3101

    সিলেটের শাহজালাল মাজারে কত বিস্তৃত ও শক্তিশালী সিন্ডিকেট বিদ্যমান, তার জ্বলন্ত প্রমাণ জেলা প্রশাসক সারোয়ার আলমের বদলি ও পদাবনতি। আমরা ধারণা করেছিলাম, শেখ হাসিনার বিদায়ের সঙ্গে বাংলাদেশের সিন্ডিকেটের এক বৃহৎ অংশ ভারতের পথে বিদায় নিয়েছে - কিন্তু এ ধারণা ভ্রান্ত প্রতিপন্ন হয়েছে। অর্থের নিকট সকলের নৈতিকতা নতজানু হয়েছে। তবে সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন - জেলা প্রশাসক সারোয়ার আলমের এই বদলি ও পদাবনতি কার নির্দেশে সম্পাদিত হলো? সেই কর্ণধারকে কি জনসমক্ষে আনা সম্ভব নয়? কেননা এই ঘৃণ্য দুর্নীতিপরায়ণ আমলাটির কারণে সিলেট বিভাগের বিশেষ কোনো অগ্রগতি সাধিত হচ্ছে না। এরা সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীদের বিপুল অর্থের বিনিময়ে ক্রয় করে এবং দুর্নীতির মাধ্যমেই বাংলাদেশের প্রতিটি বিভাগকে যথাযথ উন্নয়ন ও সুশাসন থেকে বঞ্চিত রাখে। এই ঘটনায় মন্ত্রী আরিফুল হকের সম্পৃক্ততার সম্ভাবনা অস্বীকার করা যায় না; নতুবা তাঁর পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের উদ্যোগ গৃহীত না হওয়ার কারণ কী? সিলেট জেলার জনগণ যদি গণ্ডমূর্খ ও নিরক্ষর না হয়ে থাকেন, তাহলে তাঁরা জেলা প্রশাসক সারোয়ার আলমকে পদে বহাল রাখার দাবিতে জেলা প্রশাসন ও মন্ত্রী আরিফুল হকের বাসভবন অবরোধ কর্মসূচি গ্রহণ করবেন। ©লেখা: https://t.me/GENZRevolutionBD

  • 22 мая4 5201

    এনসিপির নেতা নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারী জুলাইয়ের একজন বীরশ্রেষ্ঠ হিসেবে ফ্যাসিস্ট, স্বৈরাচারী এবং আধিপত্যবাদীদের বিরুদ্ধে কথা বলে তার সাহসীকতার বারবার প্রমাণ দিয়েছেন; তিনি সীমান্তের সে সব শহীদের ঘরে ঘরে গিয়ে, যাদের ভারতীয় হত্যাকারী বাহিনী বিএসএফ গুলি করে হত্যা করেছে, তাদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে। শুধু তাই নয়, সরাসরি ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে বজ্রকণ্ঠে বক্তব্য রেখেছে। অথচ, পাশের দেশে ক্ষমতার সিংহাসনে বসা হিন্দু উগ্রবাদী জানোয়ার শুভেন্দু অধিকারী - সীমান্ত বাংলাদেশীদের হত্যাযজ্ঞ বাড়িয়ে চলার নেতৃত্ব দিচ্ছে, তখন সরকারদলীয় কোন নেতৃত্বের খোঁজ না মিললেও এই নাসিরউদ্দীন পাটোয়ারী ঝিনাইদহে গিয়েছে সীমান্তের বাংলাােশীদের অধিকার রক্ষার দাবিতে। কিন্তু হায় নিকৃষ্টতার পরাকাষ্ঠা! বিএনপির অন্তঃসারে লুকিয়ে থাকা কিছু ঘৃণ্য দেশদ্রোহী শুয়োরের বাচ্চা - যাদের মুখে চাঁদবাজী এবং দূর্নীতি, আর অন্তরে জঘন্য দেশদ্রোহী, বিশ্বাসঘাতকতা - তারাই নাসিরউদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর পশুর মতো ঝাঁপিয়েছে। যেই আধিপত্যবাদী, স্বৈরাচারীতার বিরুদ্ধে সোচ্চার কণ্ঠস্বর শোনা যায়, সেই কণ্ঠকেই এ দেশের লুকোচুরি খেলানো বিএনপি-আওয়ামীলীগের জানোয়ারের বাচ্চাররা কামড়াতে ছোটে। আগে ভিপি নূরকে বারবার টার্গেট করা হয়েছিল - তার সাহসী ভারত-বিরোধী অবস্থানের জন্য। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দেখা গেল, ইনসাফের পথে চলতে গেলে তার দলের কেউ সঙ্গ দেয় না। কেন? কারণ তার গোটা দলটাই ছিল বিশ্বাসঘাতক আর নীল-দালালের পাল। তাই নূর বারবার শাউয়ামী লীগের লাথিও খেয়েছে, অবশেষে নিজের জীবন রক্ষার্থে সে ইনসাফের পথ ছেড়ে দিয়ে বিপদগামীদের তালে নাচতেছে। কিন্তু দেখো, আবরার, আবু সাঈদ, মুগ্ধ, হাদী - ওরা ফেরেনি। জুলাইয়ের অসংখ্য যোদ্ধা ফেরেনি। তারা ইনসাফের পথ ধরে নিজেদের তাজা রক্ত ঝরিয়ে দিয়েছে এ দেশের মানুষের জন্য। সেই রক্ত এখনো ফুটছে। এখনো কোটি কোটি জনতা প্রস্তুত - আবারও ইনসাফের জন্য লড়তে। আজ তারা নাসিরউদ্দীন পাটোয়ারীর ওপর হামলা করেছে। এ হামলাই প্রমাণ করে, এই জঘন্য পশুরা কত কাপুরুষ, কত নিকৃষ্ট, কত হীন। এরা চায় - বাংলাদেশের GEN Z এর প্রতিটি সাহসী কণ্ঠকে ধ্বংস করে, শাউয়ামী লীগ আর জাতীয়তাবাদী ভোদাইপার্টির ভোঁদাইদের ভয় দেখিয়ে আধিপত্যবাদের তেল-ভরা শাসন চালিয়ে যেতে। কিন্তু তাদের এই স্বপ্ন চিরকাল স্বপ্নই থাকবে। কারণ আজ বাংলাদেশের প্রতিটি তরুণ একেকটা আবু সাঈদ,ওসমান হাদী আবরার ফাহাদ, আর একেকটা মুগ্ধ - যুদ্ধের আগুন জ্বালিয়ে রাখা জ্বলন্ত মশাল। ©লেখা: https://t.me/GENZRevolutionBD

  • 21 мая5 6511

    আমরা পূর্বেও বলেছি, আজও বলছি- বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান - এই তিন ভূখণ্ডের মানুষ ব্রিটিশ শাসনের অবসানের পর নৈতিকতা, সভ্যতা ও আত্মমর্যাদার যে অধঃপতনের অতল গহ্বরে নিমজ্জিত হয়েছে, তা জঘন্যতম পশুর জীবনকেও ছাপিয়ে গেছে বহু ক্রোশ। পশু প্রবৃত্তির দ্বারাও স্পর্শ করা যায় না, এমন হীনতা যেন এদের রন্ধ্রে রন্ধ্রে। এখানে শিক্ষাব্যবস্থায় নাগরিক চেতনা ও ধর্মীয় শিক্ষার নামে যা কিছু পড়ানো হয়, তা শুধুই পরীক্ষার খাতা সাজানোর উপকরণ; বাস্তবজীবনে তার নগন্যতম প্রয়োগও খুঁজে পাওয়া যায় না। ধরুন, রাস্তার মাঝখানে কেউ ছিনতাই করছে, ডাকাতি করছে, রক্তাক্ত করছে কোনো নিরপরাধকে - আর বাকি জনতা হাঁ করে তাকিয়ে দেখছে যেন কোনো বিস্মৃতপ্রাণ জাদুপ্রদর্শনী। বলতে দ্বিধা নেই, ঈমানের ভিত্তি আর রাষ্ট্রের কাঠামো এতটাই ভঙ্গুর, এতটাই পচনশীল যে প্রতিবাদ করবার সাহস কারও হয় না। কেন হবে? কারণ মনে একটি তিক্ত প্রশ্নই ঘুরপাক খায় - "আমার কিছু হয়ে গেলে, আমার পরিবারের ভার কে নেবে?" উন্নত দুনিয়ায় এই দৃশ্য অকল্পনীয়। সেখানে কেউ সমাজের জন্য কিছু করলে রাষ্ট্র স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে তার পাশে এসে দাঁড়ায়, তাকে আরও এগিয়ে দেয়। সেখানকার রাষ্ট্র প্রতিটি নাগরিকের জীবনে এতটাই নিবিড়ভাবে জড়িয়ে থাকে যে তাকে একজন স্নেহময় অভিভাবকের ভূমিকায় দেখতে পান আপনি। সেই কারণেই তাদের দেশের প্রতি ভালোবাসা স্বাভাবিক, অনায়াসলব্ধ। কিন্তু প্রশ্ন জাগে, আমাদের এই দেশে একজন সাধারণ মানুষ ঠিক কোন সুখস্মৃতির জন্য জন্মভূমিকে ভালোবাসবে? জন্মের পর এই দেশ তাকে কী দিয়েছে, যার বিনিময়ে সে নিজের সর্বস্ব উজাড় করে দিতে টগবগ করবে? বরং জন্ম থেকে মৃত্যু অবধি প্রতিটি পদে পদে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, হয়রানি - এই নিষ্ঠুর কর পরিশোধ করতেই তার জীবন শেষ হয়ে যায়। দেশ কি পারছে মেধার যথাযথ মূল্যায়ন করে একটি চাকরি দিতে? পারছে কি লাখো তরুণ-তেজ, যৌবনের অমিত সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে ভিন্ন এক বাংলাদেশের স্বপ্ন বুনতে? না, কিছুই পারে না। পারে শুধু দুর্নীতি, চাঁদাবাজি আর নোংরা রাজনীতির আসরে উপস্থিতি নিশ্চিত করার বিনিময়ে শিক্ষার্থীর পাশের গ্যারান্টি দিতে; পারে স্কুল-কলেজের বাড়তি ফির অনুমোদন দিতে। এর বাইরে আমাদের শাসকগোষ্ঠী আর কিছুই পারে না। আর দেশের সাধারণ মানুষ যখন জ্বলে ওঠে ক্ষোভে, তখন সেই দুই পরিবারের লোকজন দুই দেশে পালিয়ে যায়; আর নির্মম প্রহারের স্বাক্ষী হয়-  যারা ছবি দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া, ব্যানার, ফেস্টুন ভরিয়ে 'আমার অভিভাবক' বলে গলা ফাটাতেন তারা। এই অভিভাবকেরই সুযোগ্য সন্তান - ইভটিজার, ছাপড়ি, হিরঞ্চি, বদমাশ, ছিনতাইকারী - সমাজের এই কুলাঙ্গারগুলোই তো তাঁদের গর্বের ধন। এই সমাজ, এই পরিবেশ, এই অন্ধকার - একদিনে কিংবা কোনো জাগতিক নীতির প্রলেপে শোধরানোর কথা ভাবাও বিভ্রম মাত্র। কঠিন সত্য এই যে, শরীয়া আইন ছাড়া এই তিন দেশের বর্বর, অসৎ, দুর্নীতিচর্চায় অভ্যস্ত মানুষগুলোকে কখনোই সঠিক পথে ফেরানো সম্ভব নয়। শরীয়াই একমাত্র কঠোর, সুবিচারপ্রবণ ও আপসহীন আলোর দিশা - যা এদের পশুত্বের জিঞ্জির ছিঁড়ে ফেলতে পারে। অন্যথায়, এই পচন কেবই ব্যাপ্ত হবে, গভীরতর হবে - আর কোনো মানবিক বিবর্তন এদের স্পর্শ করবে না। ©লেখা: https://t.me/GENZRevolutionBD

  • 🛑 GEN Z Revolution 🇧🇩 pinned a video

  • 29 апр.3 2732

    এবারের জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতৃত্ব কোনো মমতাজ কিংবা শামীম ওসমানের খেলা হবে - গুণ্ডা-ধাঁচের নেতৃত্ব নয়; বরং এবার সংসদ যুক্তির আঙিনা, মেধাবীদের চিন্তার লড়াই। হ্যাঁ, ব্যারিস্টার ফুয়াদ এবং অ্যাডভোকেট শিশির মনির উপস্থিত থাকলে বিতর্কের রস আরও গাঢ় হতো; ঠিক সেজন্যই তাদের হারিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তবু তাঁরা না থাকলেও, ১১-দলীয় ঐক্যজোটের শীর্ষ নেতা থেকে শুরু করে প্রতিটি সংসদ সদস্য স্বতন্ত্র এক একটি প্রতিভা। এখানে কেউ গালগল্প শোনাবে আর বিরোধী দল রাগে গালিগালাজ ছুড়বে - এমন দিন শেষ। "আমি ভুল করেছি, প্রমাণ দিন কী ভুল করেছি" - এই এখন প্রত্যাশিত ভাষা। মূর্খের মতো ব্যক্তি-আক্রমণ করে অসাংবিধানিক শব্দ ছোড়ার সুযোগ আর নেই। শাউয়ামীলীগ আমলে যারা ভালো কাজ করত, নামাজ পড়ত, সমাজের যে-কোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাথা তুলে দাঁড়াত - তাদের গায়ে চটকে দিত 'রাজাকার' তকমা; এ ছিল তাদের একচ্ছত্র টার্ম কার্ড। ক্রমে তারা বাংলাদেশের আম-জনতাকেই রাজাকার বানিয়ে ছাড়ল, আর ভয়ে সাধারণ মানুষ মুখ বুজে রইল। কিন্তু যখন 'কৌটা-বৈষম্যের' সেই রাজাকার উপাধি ২৪-এর মেধাবী শিক্ষার্থীদের গায়ে লাগানো হলো, তখন রক্ত গরম এই মেধাবী প্রজন্ম তা আর মেনে নেয়নি - বাঘ যেমন কুকুরকে ধাওয়া করে, তেমনি তাঁরাও হাসিনাকে কুকুরের মতো ধাওয়া দিয়ে ভারতে পাঠিয়েছিল। ভোঁদাই প্রজন্ম ভাবত, হাসিনার পেছনে ভারত, রাশিয়া, আমেরিকা - সবাই আছে; হাসিনাকে উৎখাত করা অসম্ভব। অথচ তারা জানত না, মজলুম যখন জাগে, তখন পৃথিবীর সমস্ত শক্তি তার বিপক্ষে দাঁড়ালেও কিছুই করার থাকে না; কারণ তখন তার পাশে থাকেন মহান আল্লাহ তায়ালা। আর যার সঙ্গে রাব্বুল আলামিন থাকেন, তারা আবাবিলের মতো ক্ষুদ্র পাখি হয়েও আবরাহার বিশাল হস্তিবাহিনীকে অতি সহজে পরাজিত করতে পারে! অতএব, 'রাজাকার' টার্ম কার্ড খেলে এবং ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের চেতনা দন্ড খাড়া করে বিএনপির অবস্থা যেন একই পরিণতির দিকে না যায়। হ্যাঁ, এ কথা সত্য যে শাউয়ামীলীগের প্রধান শত্রু এ দেশের ছাত্র-জনতা, আর তার ঠিক পরেই আছে বিএনপি। কারণ শাউয়ামীলীগ টিকে থাকলে বিএনপির অস্তিত্ব গত সতেরো বছরের মতো বিলীন হয়ে থাকবে; একইসঙ্গে যেকোনো নির্বাচনে শাউয়ামীলীগের সমর্থকদের ভোট কখনোই বিএনপির ঘরে পড়বে না। আবার ১১-দলীয় জোটকে যেসব মেধাবী ও জ্ঞানী ছাত্র-জনতা সমর্থন জানাচ্ছে, তারা কখনো বিএনপি বা শাউয়ামীলীগকে ভোট দেবে না - এ সত্যটা বিএনপিও বেশ জানে। তাই বিএনপি কখনোই চাইবে না শাউয়ামীলীগ ফিরুক। এ কারণেই বিএনপি যতই আওয়ামী কিংবা মুক্তিযুদ্ধের প্রেম প্রদর্শন করুক না কেন, ১১-দলীয় ঐক্যজোট কিংবা অন্য যেকোনো দলের তুলনায় বিএনপি বাধ্য হয়ে সর্বদা শাউয়ামীলীগের বিরুদ্ধে অবস্থান নেবে। ১৯৭১-এ পূর্ব পাকিস্তান নামের অস্তিত্ব যেমন নিশ্চিহ্ন হয়েছিল, ২০২৪-এ তেমনিভাবে শাউয়ামীলীগ নামক অস্তিত্বও বিলীন হয়ে গেছে; এবং এদের আর কোনোদিন ফেরা হবে না। তবে বাংলাদেশের জনগণের গণভোটের অধিকার যদি অস্বীকার করা হয়, তাহলে এই শক্তি ভিন্ন নামে ফিরবেই; আর তা যে নামেই ফিরুক না কেন, শাউয়ামীলীগের চেয়ে ভয়াবহতর ও বিভীষিকাময় পরিণতি হবে তার নিয়তি। ©লেখা: https://t.me/GENZRevolutionBD

  • 23 апр.4 4982

    видео или голосовое, без подписи

  • 23 апр.4 5002

    কিরে ছাত্রদল, তোরা কি এখন শুয়োরছানা কুলাঙ্গারলীগের মতো নোংরামি করবি? একটু তো মগজ খাটা, ডাকাতের মতো যেখানে-সেখানে আক্রমণ করছিস ক্যান? একদম বুঝেশুনে কর, নইলে যে আগামীতে গ্যারিলা হামলা হবে তা সামলানোর ক্ষমতা তোদের নাই - মনে রাখিস। ছাত্রশিবির বা জামায়াতে ইসলামীর মাঠে নামতে হবেনা, GenZ বুঝিস? জামায়াত আর ইসলামি ছাত্রশিবিরকে আমরা ওদের দ্বীনের আদর্শের জন্য চোখের মণি হিসেবে সম্মান করি। ওদের গায়ে একটা আঁচড় লাগলে আমরা সেটা নিজেদের বুকে বুলেট হিসেবে গুনি। তোরা যেহেতু ভারতীয় দালাল শাউয়ামীলীগের টাকা খেয়ে বিএনপি আর জামায়াতের মধ্যে কোন্দল লাগানোর ইডিয়েট খেলা খেলতে চাইছস, সোজা বাংলায় বলে রাখি -  যেই বেজন্মা নেতারা এই আক্রমণের নেতৃত্ব দেবে, সেই শুয়োরছানাদের ভবিষ্যতে গ্যারিলা হামলা হলে কেউ একবিন্দু দায়ী থাকবে না। ২০২৪-এ শাউয়ামীলীগের ওই জানোয়ার দলের পালিয়ে যাবার পূর্বে কিভাবে গ্যারিলা আক্রমণ হয়েছিল, সেই ইতিহাস ভুইল্যা যাস না - তোরাতো আরও ভয়ানক অবস্থায় পড়বি! ©https://t.me/GENZRevolutionBD

  • 🛑 GEN Z Revolution 🇧🇩 pinned «এইসব সাধুর ছদ্মবেশধারী (ভিডিওতে উল্লেখিত ব্যক্তি) স্বৈরাচারী, ফ্যাসিবাদী নিকৃষ্ট জানোয়ারের বংশধরদের কারণেই আমাদের প্রিয় মাতৃভূমির কোনো পরিবর্তন হয় না। এরা ক্ষমতার লোভে পাগল হয়ে জনগণের সামনে একরকম মুখোশ পরে বক্তৃতা দেয়, আর ক্ষমতায় বসার সঙ্গে সঙ্গে সেই মুখোশ…»

  • 6 апр.3 1301

    এইসব সাধুর ছদ্মবেশধারী (ভিডিওতে উল্লেখিত ব্যক্তি) স্বৈরাচারী, ফ্যাসিবাদী নিকৃষ্ট জানোয়ারের বংশধরদের কারণেই আমাদের প্রিয় মাতৃভূমির কোনো পরিবর্তন হয় না। এরা ক্ষমতার লোভে পাগল হয়ে জনগণের সামনে একরকম মুখোশ পরে বক্তৃতা দেয়, আর ক্ষমতায় বসার সঙ্গে সঙ্গে সেই মুখোশ খুলে ফেলে প্রকৃত চেহারা চিনিয়ে দেয়। নিজেদের স্বার্থের জন্য দেশকে বিক্রি করে দিতেও এদের বুক কাঁপে না। বিএনপিকে আমরা আর এক মুহূর্তও সময় দিতে রাজি নই। যদি আগামী এক থেকে তিন মাসের মধ্যে তারা গণভোটের দাবি মেনে না নেয়, তাহলে জুলাইয়ের রক্তাক্ত আগুন আবার ফিরে আসবে - এবার আরও তীব্র, আরও ধ্বংসাত্মক রূপে। এবার আর কোনো ফাইজলামি, ভাঁওতাবাজি বা আপসের সরকার নয়। এবার আসবে ইসলামের শরীয়া আইনে প্রকৃত বিপ্লবী সরকার - যা জনগণের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারকে কেউ ছিনিয়ে নিতে পারবে না। ইনশাআল্লাহ। জুলাই ফিরবে। বিপ্লব ফিরবে। আর কোনো ছলনা চলবে না। ইনকিলাব জিন্দাবাদ। ©লেখা: https://t.me/GENZRevolutionBD মূল প্রসঙ্গ: https://youtu.be/4CtMexzDSAo?si=g6XhlRmZ-fO_avaP

  • 12 мар.6 7012

    বিএনপি সংসদের প্রথম অধিবেশনের দিনেই ফ্যাসিবাদী ও স্বৈরাচারী শক্তিগুলোকে - যাদের নৃশংসতার বিরুদ্ধে লাখো ছাত্র-জনতার রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এই নবজাত বাংলাদেশ গড়ে উঠেছে - সে দেশে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করার সুযোগ করে দিচ্ছে, কে ভেবেছিল এমন বিশ্বাসঘাতকতা সম্ভব হবে! বিএনপির উচিত ছিল যে কোনো বৃহৎ রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের পূর্বে গণতন্ত্রের মৌলিক নীতি অক্ষুণ্ণ রাখার স্বার্থে বিরোধী দলসমূহের মতামত গ্রহণ করা, বিস্তৃত আলোচনা-পরামর্শের মাধ্যমে সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া। ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ক্ষেত্রে বিরোধী দল ছাড় দিয়েছে বলে এখন সবকিছুতেই আপস করবে - এমন ধারণা করা নিতান্তই মূর্খতা ও অবিবেচনার পরিচয়। জুলাই বিপ্লবের চেতনা, জুলাইয়ের সংবিধান ও জুলাইয়ের সকল অর্জনকে অস্বীকার করে বাকশালি-স্বৈরাচারী ব্যবস্থার পুনঃপ্রতিষ্ঠার অপচেষ্টা চালানো হলে, লাখ-কোটি ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগকে অবমূল্যায়ন করা হলে - এই জাতি কখনোই তা মেনে নেবে না, মেনে নিতে পারে না। বিএনপির ইন্ধনে স্বৈরাচারের দালাল, ফ্যাসিস্ট চামচাদের পুনর্বাসনের সুযোগ করে দেওয়ার ফলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারও দেশকে সার্বিক উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। তাহলে কোন যুক্তিতে, কোন নৈতিকতায় এই নতুন বাংলাদেশে তাদের আবার প্রতিষ্ঠিত করা হবে? আর যখন জুলাইয়ের অগণিত শহীদ ও আহতেরা এখনো জীবিত প্রজন্মের মধ্যে বেঁচে আছে, তখন কীভাবে এই বিশ্বাসঘাতকতা মেনে নেওয়া যাবে? বিএনপিকে অবশ্যই এই সকল প্রশ্নের জবাব দিতে হবে, জনগণের সামনে স্বচ্ছতার সাথে দায়বদ্ধতা প্রকাশ করতে হবে এবং জুলাই বিপ্লবের মূল চেতনার পথে ফিরে আসতে হবে। অন্যথায় বাংলাদেশ আরেকটি অবশ্যম্ভাবী বিপ্লবের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে যাবে। এই জাতি বারবার বাকশালি, স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে প্রাণ বিসর্জন দিতে প্রস্তুত নয় - এবার তারা শুধু প্রতিরোধই নয়, চূড়ান্ত বিজয়ই চায়। ©লেখা: https://t.me/GENZRevolutionBD

🛑 GEN Z Revolution 🇧🇩 — tgindex