- Последний пост
- 15 авг.
- Последнее чтение
- 14 авг.
- Постов за неделю
- 20
- Всего постов
- 41
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- Категория
- Новости и СМИ (по похожим)
- В каталоге с
- 13 авг.
- 1/24сутки в ленте
- 695
- 1/48двое суток
- 818
- 1/72трое суток
- 882
Медиана по постам, которые мы застали свежими и померили через сутки.
Посты
без подписи
без подписи
без подписи
без подписи
без подписи
без подписи
без подписи
без подписи
без подписи
без подписи
без подписи
আসিফ মাহমুদ যখন উপদেষ্টা, ২০২৫ সালে, তখন তার বাবা ঠিকাদারির লাইসেন্স নেয়। এইটাকে চাঞ্চল্যকর নিউজ হিসেবে ব্রেক করে জুলকারনাইন সায়ের। এরপর দেশের সব মিডিয়া এইটা নিয়ে নিউজ করে। প্রেক্ষাপট বুঝেন। কোনো সরকারি কাজ নেয়নি। কাজের আবেদনও করেনি। জাস্ট লাইসেন্স নিয়েছিল। আর তাতেই তার উপর খড়গ নামিয়ে এনেছিল মিডিয়া। পুরো ন্যাশনাল ইস্যু হয়ে গেছিল এইটা। অ্যালিগেশন কী? কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট। আসিফ মাহমুদ মন্ত্রী থাকা অবস্থায় তার বাবা ঠিকাদারি কাজ পেলে সেটাতে পক্ষপাতিত্বের সুযোগ থাকবে। এটা ন্যাশনাল ইস্যু হিসেবে ট্রিটমেন্ট পেয়েছে। ১০০+ নিউজ হয়েছে। টকশো হয়েছে। আসিফ মাহমুদ এই ঘটনার পর ক্ষমা চায় এবং নিজে বাবার লাইসেন্স বাতিল করায়। ফাস্ট ফরোয়ার্ড টু ২০২৬ বিএনপির সবচেয়ে প্রভাবশালী নেতা, ইয়েস তারেক রহমানের চেয়েও প্রভাবশালী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের পুত্র সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদ সাম্প্রতিক সময়ে পরে একটা প্রতিষ্ঠান খুলেছে। জাপানি কোম্পানি বাংলাদেশে ৪০ হাজার কোটি টাকার ২ টা বিশাল ব্রিজ নির্মাণ করতে চায়। এই কাজে তাদের লোকাল পার্টনার কারা? সালাহউদ্দিন পুত্রের কোম্পানি! প্রেক্ষাপট বুঝেন। সালাহউদ্দিনের ছেলে। ৫০ হাজার টাকার কোনো কাজের অভিজ্ঞতা নেই। জীবনে একটা ড্রেনও বানায়নি। তাদেরকে দেওয়া হচ্ছে সরকারি কাজ, তাও ৪০ হাজার কোটি টাকার কাজ! কেন? অভিজ্ঞতা ছাড়া সে কীভাবে পেয়েছে এই কাজ? হিসাব তো সোজা। সে সালাহউদ্দিন আহমেদের ছেলে! স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর ছেলে। কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট কি, এখানে তো সরাসরি ইন্টারেস্ট পাচ্ছে সালাহউদ্দিন পুত্র!
без подписи
এসব খবর দেখলে এখন আর খুশি হইনা। বিরক্ত এবং আতংকিত হই। গোলাম রুহানি বা বিপ্লব কুমারদের কি চাকরি যাওয়া উচিত না? অবশ্যই উচিত। শুধু চাকরি না, এদের অপরাধের বিচার হওয়া উচিত। কিন্তু এই চাকরি যাওয়াটাই একটা বোঝা আকারে জনগণের উপর হাজির হবে। ধরেন কুড়ি বছর পরে লীগ ফিরলো, সরকার গঠন করলো। এই গোলাম রুহানি আর বিপ্লবরাই আবার কয়েক কোটি টাকা বকেয়া বেতন ভাতাসহ 'ভূতাপেক্ষ' পদোন্নতি পেয়ে পুনর্বহাল হবে। অদ্ভুত নিয়ম। চাকরি ফিরে পাওয়া বা পদোন্নতি পাওয়া নিয়ে আমার প্রশ্ন নাই। কিন্তু যে লোকটা চাকরিই করলোনা, ডিউটি না, কাজ না.... তাকে বকেয়া বেতন ভাতা দেয়ার হাস্যকর নিয়ম এই নিয়মের কারণে এখন কোন সরকারি চাকুরের চাকরি গেলে আমি আর খুশি হইনা। চাকরি যাওয়াটা ক্ষেত্রবিশেষে এদের জন্য আরো আশীর্বাদ। এখন অন্য পেশায় যাবে। এদিকে বেতন-ভাতা জমা হতে থাকবে। দ্বিমুখী লাভ।
মেহেরপুরে আবাদি জমির মাঝে ৯৬ টি ল্যান্ডমাইন উদ্ধার এবং ধ্বংস করেছে সেনাবাহিনী। কোথা থেকে এলো, কিভাবে এলো, কোন ফলোআপ ক্রস কোয়েশ্চেনিং নাই মিডিয়ায়! ইভেন এই ঘটনাটি সব মিডিয়া আউটলেট প্রপারলি কাভার পর্যন্ত করে নাই! ব্যাপারটা কত সিরিয়াস, বুঝতে পারছেন? "কোন ব্লকের" মিডিয়া "কোন ঘটনাকে" পারসিউ করবে, কিংবা করবে না, সেটার ট্রেন্ড এনালিসিস করলে অনেক ক্লু পাওয়া যায়। ৯৬ টি এন্টিট্যাংক এবং এন্টি-পার্সোনেল মাইন স্পেশাল মিলিটারী এর্যাঞ্জমেন্ট ছাড়া সিভিলিয়ান/পলিটিক্যাল কোন সংগঠনের মাধ্যমে ইমপ্ল্যান্ট/স্টোর করে রাখা অসম্ভব। ব্যাপারটা অত্যন্ত জটিল, এবং ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্ববহ! বিশেষ করে তখন, যখন এদেশ হিংসুটে এক প্রতিবেশীর করায়ত্বের বাইরে বেরুবার চেষ্টা করছে! কিন্তু এমন একটি ঘটনা ঘটবার পরেও সিভিল সোসাইটি টু মিডিয়া আউটলেটে কোন উচ্চবাচ্য নেই! কেন নেই? জনগণকে কেন একটি "ইমিনেন্ট থ্রেট" থেকে পরিকল্পিত ভাবেই "বেখবর" করে রাখা হচ্ছে? অন্যদিকে মেঘনা আলমের মত "হানি ট্র্যাপারেরা" মিডিয়া এটেনশন পাচ্ছে, ইনিয়ে বিনিয়ে বলছে বাংলাদেশে মানুষকে "ভুল বুঝিয়ে" ভারত বিরোধী করে তোলা হয়েছে! যারা প্রতিনিয়ত বোঝাচ্ছে লীগের বিরুদ্ধে হাদি'র "শাউয়া-মাউয়া" শব্দচয়ন-ই এদেশের জন্য সবচেয়ে বড় থ্রেইট! কার ফান্ডিং এ এসব "হানি-ট্র্যাপারেরা" সো কল্ড "পলিটিক্যাল এডুকেটর" হয়ে উঠলো? অথচ ভারতের স্বার্থ বিরোধী "১০ ট্রাক অস্ত্রের" ঘটনার রেশ বিশেষ ব্লকের মিডিয়া গুলিতে ২০ বছর পরেও কাটেনাই। সুযোগ পাইলেই টক-শো, কলামে রিলেভ্যান্ট করে তোলে। তাহলে কোনটা কে "হাইলাইট" করবে, আর কোনটা কে "ইগনোর" করবে, তা কিন্তু সেই ব্লকের পালস এর সাথে রিলেটেড! সুতরাং, স্বাধীন বাংলাদেশে শ্বাস নেওয়া প্রতিটি মানুষের উচিৎ হবে এই ঘটনাটি শেষ পর্যন্ত পারসিউ করা, লেগে থাকা, কোয়েশ্চেন করা, এবং ফার্দার থ্রেটের ব্যাপারে সতর্ক থেকে সরকার কে "প্রিপেয়ার্ডনেস" মেজার নেবার জন্য চাপে রাখা।
ফেসবুকের তরুন এক্টিভিস্ট ছোট ভাইয়েরা, তোমরা যারা আমার মত নিন্ম মধ্যবিত্ত অথবা মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান তাদের জন্যই আমার এই লেখাটি..... আমার এখন বয়স ৩৮ বছর। তোমাদের মত বয়সে ২০১৩ সালে কোর্ট শেষ করে কাশেমপুর কারাগারে যাবার পথে প্রিজনভ্যানে থেকে আমরাও নারায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবার শ্লোগান ধরতাম শাহবাগ কিংবা কোর্ট প্রাংগনে। মাওলানা মামুনুল হক, শিবিরের দেলোয়ার সহ ডাক সাইটের অনেক নেতারাও আমাদের প্রিজন ভানে থাকতো। ২০০৫ সালে কওমী শিক্ষার স্বীকৃতির জন্য পল্টনে সমাবেশে যোগ দেয়া থেকে আমীনি সাহেবের হরতাল সহ বিপ্লব আন্দোলন জেল জুলুম কোনো দিক থেকেই কমতি ছিলোনা। আজকে তোমাদের এক্টিভিটি দেখে আমি অবাক হইনা কারন এগুলো বয়সের উন্মাদনা। এই বয়সটাই হলো এগুলো করার। তবে একটি কথা বলি শুনো.... জীবনের ২য় ভাগ হলো যৌবনকাল। এই সময়ে এসে টাকা এবং ইবাদত উভয়টা ব্যালেন্স করে প্রচুর পরিমান অর্জন করতে হয়। এটাই বাস্তবতা। নতুবা একটা সময়ে এসে দেখবে শরীরের সেই শক্তি আর পাচ্ছোনা। কাজের প্রতি সেই মনযোগ আর দেয়া যাচ্ছেনা।। তো যাই হোক ২০১৩ সালেই পড়াশোনার পাশাপাশি আমি যেই চাকরি করতাম সেখানে আমার বেতন ছিলো ১৫ হাজার। জেলে গেলাম। জেল থেকে বের হবার পরের দিন থেকে আবার সেই একই প্রতিষ্ঠানে জয়েন করে আগের মত চাকরি করা শুরু করি। এখানে কেন আমাকে তারা নিলো? আমার সেই স্কিল ছিলো। এমনকি সর্বশেষ ২০১৫ সালে যখন আমি এরেস্ট হই তখনও আমার বেতন ছিল ২০ হাজার টাকা। প্রিয় ছোট ভাইয়েরা, আমার গল্প বলার একটা উদ্দেশ্য আছে। তা হলো, এই যে তোমাদের বড় ভাইয়েরা যাদের কথায় তোমরা চলো তারা হয়ত বাবার দিক থেকে প্রতিষ্ঠিত নতুবা পড়া শুনা করে প্রতিষ্ঠিত। তাদের ইনকাম কিংবা দান অনুদান আসা চলমান। তারা যদি কাজ নাও করে অথবা কোনো কারনে জেলে যায় তাদের ফ্যামিলিতে কোনো কস্ট হবেনা। সাহায্য সহযোগিতা সহ অন্যন্য উপকরন সব এমনিতেই হাজির হবে। এটাই নিয়ম। শাপলা চত্তর থেকে জেলে যাবার পরে হেফাজত নেতাদের সাথে পরিচয় থাকার সুবাদে আমার পিসিতে এক নেতা ১০ হাজার টাকা দিয়ে যায় কিন্ত আমার সাথে থাকা অন্যদেরকে এক টাকাও দেয়া হয় নাই। যদিও আমি টাকা গুলো সবাইকে ভাগ করে দিয়ে দিয়েছিলাম। ছোট ভাইয়েরা, তোমরা এখনো তরুন মাত্র। কারো পড়াশুনা শেষ হয়েছে কারোটা চলমান। তোমাদের অনেকের ই পরিবারের অর্থনৈতিক অবস্থা খুব একটা ভালো নয়। মা বাবা অনেক আশা নিয়ে পড়িয়েছেন। ছেলে আলেম হবে উপার্জন করবে। বৃদ্ধকালে মা বাবাকে দেখবে। এরপরে ভাই বোন আত্মীয় স্বজন কিংবা বিবাহ করলে স্ত্রী তো আছেই। তোমরা যাদেরকে আদর্শ ভেবে এক্টিভিটি চালাও। শুধু ফেসবুকে সময় কাটাও ঘণ্টার পর ঘন্টা। তারা কিন্ত কখনো তোমার অথবা তোমার পরিবারের দায়িত্ব নিবেনা। তোমার বিপদে ( যদি একান্ত অনুগত না হও) তাহলে পাশেও দাড়াতে চাইবেনা। তোমার মা বাবাকে গিয়ে শান্তনাও দিবেনা। তারা অন লাইনে হয়ত তোমাকে বাহ বাহ দিবে অথবা কখনো দেখা হলে অফ লাইনে। এই পর্যন্তই। উলটা তুমি আরো তাদের সচ্ছলতার কারন। যাই হোক, ফেসবুক কিংবা অন্যন্য এক্টিভিটি থেকে যদি দু চার পয়সা হালাল ইনকাম হয় তাহলে সেটা মন্দ নয়। তবে যারা শুধু শুধু ফেসবুকে পাঠক কিংবা পোস্ট দাতা হিসেবে ঘন্টার পর ঘন্টা সময় কাটাও তাদেরকে বলবো "জীবন এরকম যাবেনা"। সামনের জীবন আরো কঠিন। টাকা পয়সা পর্যাপ্ত না থাকলে মা বাবা পর্যন্ত সন্তানকে ভালো জানেনা অনেক সময়। এছাড়া নিজের ভেতরে হীনমন্যতায় ভোগা তো আছেই। সুতরাং অনলাইনে ফাউ কামলা খাটা বা একটিভিটি বাদ দিয়ে এই ২০-২৫ বছর থেকেই ব্যবসা চাকরি কিংবা খামার শুরু করে দেও। ১০ বছর পরে তোমাদের এসব বড় ভাইয়েরা ডোনার হিসেবেই তোমাকে আলাদা মর্যাদা দিবে। মা বাবা আত্মীয় স্বজন প্রতিবেশি সবার উপর তোমার কর্তৃত্ব বজায় থাকবে। যা তাওহীদের দাওয়ার ক্ষেত্রে খুবই জরুরি। আজকের এই লেখা লিখতাম না। লিখলাম নিজের কিছু ভুল ভাবনার কথা সবাইকে জানাতে। আমার ফুপু আমাকে বলতেন ২০ বছর থেকে টাকা কামানোর বয়স। কিন্ত আমি এগুলোকে দুনিয়াদারি ভেবে এড়িয়ে গেছি পাত্তা দেয় নাই। আমার সেইম বয়সের অনেকেই এখন কোটিপতি। তাদের অধীনের ৫০-১০০ জন লোক কাজ করে। অন্যদিকে আমার কাছে সপ্তাহে অনেকেই বলে ভাই কাজের ব্যবস্থা করে দেন। ব্যবসা ধরিয়ে দেন। চাকরি ধরিয়ে দেন। তাদের অনেকেই তোমাদের বয়স্টা পের হয়েছে মাত্র আবার অনেকেই আমাদের মত সেইম।বয়সী। যাই হোক, লেখাটা আরো ছোট করার দরকার ছিলো। হয়তো একটু বড় হয়ে গেলো। তবে কথা গুলো মানলে ৩৫ বছরে এসে তুমি নিজেকে ভালো অবস্থানে দেখতে পাবে ইনশাআল্লাহ।- আলতাফ হোসেন @RijalatTaqwa
বছরের পর বছর রোপন মৌসুমে দেরিতে বীজ ছাড়ে সরকারের বিএডিসি। তখন কৃষকদের বোনা শেষ, বীজ কোন কাজে লাগে না। বিক্রি হয় না, বীজ নষ্ট হয়। কৃষিবিভাগে বীজ খাত লোকসান দেখিয়ে উৎপাদন কমিয়ে বীজ কোম্পানির বাজার দখলের সুযোগ করে দেয় । আসন্ন শীতকালীন বিএডিসির বীজ কম দামে ভাল মানের ওপি দেশি বীজ সময় মতো পাক সারা দেশের চাষী ভাই বোন। এক যুগ ধরে বিএডিসির এই কীর্তি দেখতেছি । ছবি- Badc
ঢাকা ইউনিভার্সিটির সেন্ট্রাল লাইব্রেরির দেয়ালে পূর্ব বাংলা সর্বহারা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা সিরাজ শিকদারের বিশাল এক ছবিমূর্তি আছে। সে মূলত মাওবাদী কমিউনিস্ট। সশস্ত্র গেরিলা যুদ্ধের মাধ্যমে শাসনক্ষমতা দখল করে সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা ছিল তার রাজনৈতিক লাইন। একাত্তরের আগে সিরাজ শিকদারের নেতৃত্বে সর্বহারা পার্টি দেশের বিভিন্ন জায়গায় নাশকতা ও সন্ত্রাসবাদী কার্যক্রম শুরু করে। রাষ্ট্রীয় বাহিনীর উপর তারা নিয়মিতই হামলা চালাত ও তাদের মেরে ফেলত। নতুন বউকে উঠিয়ে নিয়ে যেত। বিভিন্ন জায়গা থেকে ট্যাক্স, চাঁদা কালেক্ট করতো। ব্যবসায়ী, পুঁজিপতিদেরকে শ্রেণীশত্রু হিসেবে চিহ্নিত করে তাদেরকে লুটপাট, হ/ত্যা করতো। (সর্বহারা পার্টির জ্ঞাতিভাই নকশালপন্থীদের নেতা চারু মজুমদার বলেছিল, শ্রেণীশত্রুর রক্তে হাত রাঙানো ছাড়া প্রকৃত কমিউনিস্ট হওয়া সম্ভব নয়।) এমনকি সর্বহারা পার্টি নিজেদের দলের ভেতরেও ভিন্নমত দমনের জন্য হ/ত্যাকান্ড চালাতো। নিজেদের লোকদেরই মারতো। শেখ মুজিবের আমলে সিরাজ শিকদার রাষ্ট্রীয় বাহিনীর হাতে নিহত হয়। এরপরও উত্তরবঙ্গে সর্বহারা পার্টির দৌরাত্ম্য ছিল। বিএনপি আমলে বিভিন্ন স্টেইট ও নন-স্টেইট এক্টরদের মাধ্যমে এদেরকে দমন করা হয়। তবে এখনও টিএসসির আশেপাশে সর্বহারা পার্টির পোস্টার চোখে পড়ে। ঢাকা ভার্সিটির অনেক শিক্ষক প্রকাশ্যেই এদের প্রতি সমর্থন জানায়। অথচ সিরাজ শিকদার একটা চিহ্নিত সন্ত্রাসী, যার হাতে অগণিত নিরপরাধ মানুষের রক্ত লেগে আছে। এই ফ্যানাটিক নরপিশাচকে সেলিব্রেট করতে কোনো বাধা নেই?! সেন্ট্রাল লাইব্রেরিকে তার মন্দির বানিয়ে ফেলাতেও কারো কোনো বিকার নেই! সম্প্রতি "Dhaka Papers" নামক বামদের অনলাইন প্ল্যাটফর্ম একটি ভিডিও ও আর্টিকেল প্রকাশ করে। সেখানে ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানে সক্রিয় কন্ট্রিবিউশান রাখা মানুষ এবং সুপরিচিত ইসলামী প্রকাশনার বিরুদ্ধে মিথ্যা, অর্ধসত্য ও খন্ডিত বয়ান প্রচার করে। উদ্দেশ্য, এইসকল ইসলামী দাঈ ও প্রকাশককে হ/ত্যাযোগ্য করে তোলা। আওয়ামী ন্যারেটিভ ফিরিয়ে আনা। সামগ্রিকভাবে বামেরা স্পষ্টতই আওয়ামী লীগের কালচারাল উইং ও সফট পাওয়ার হিসেবে কাজ করেছে, সাংস্কৃতিক ভিত্তি নির্মাণ করেছে। আওয়ামী জাহেলিয়াত দীর্ঘ হওয়ার পেছনে তাদের ভূমিকা অপরিসীম। তবে এটাও ঠিক একটা অংশ আওয়ামী লীগের বিরোধীতাও করে গেছে। কিন্তু আমরা আজও দেখতে পাই, এই কুসুম কুসুম বিরোধীতাকারীদের লেখাপত্র প্রথম আলোসহ দিল্লীর বিভিন্ন প্রচারমাধ্যমের দ্বারা জনগণের মধ্যে প্রোপাগেট হয়। তাই আওয়ামী লীগের সমর্থক ও কুসুম কুসুম বিরোধীতাকারী বামেরা কোন পক্ষের হয়ে কাজ করে সেটা বুঝতে বাকি থাকার কথা নয়। যার আরেকটা প্রমাণ মিলল তাদের পুনরায় জ/ঙ্গীকার্ড খেলার মাধ্যমে। শুধু যে সর্বহারা পার্টি সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়েছে তা নয়। বরং জাসদসহ অনেকেই এরকম নাশকতা করেছে। বামপন্থীদের একটা ইউটিউব চ্যানেলে বছরখানেক আগে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি মিস্টার হাসানাত তার বায়োগ্রাফি বর্ণনার সময় রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সশস্ত্র কার্যক্রমের কথা স্বীকার করে। টেররিজম বামেদের একটা কমন ট্রেইট। এটিকে তারা রণকৌশল হিসেবে বিবেচনা করে। সবচেয়ে বড় কথা, বামেরা ইসলাম ও দেশের প্রকাশ্য শত্রু। পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রের অকৃত্রিম বন্ধু। এই বামেরা ইসলাম ও মুসলিমদের বিরুদ্ধে লাগাতার কাজ করে গেছে। আল্লাহ, রাসূল ও ইসলামের বিধিবিধান নিয়ে বারবার কটুক্তি করেছে। শাপলা জেনোসাইডের পর মেঘমল্লার বসুরা উল্লাস করেছে। এখনও সে প্রকাশ্যে মুসলিমদের ভূমিতে বসে ইসলামী শাসনব্যবস্থাকে "ইসলামো-ফ্যাসিজম" নামে আখ্যায়িত করে। আমরা দেখেছি, এই লাল শয়তানরা মুসলিমদের উপর কিভাবে নির্যাতন চালিয়েছে। আফগানিস্তান, সিরিয়ায় তারা কী করেছে! ইন ফ্যাক্ট, সোভিয়েত আমলে উজবেকিস্তান, তাজিকিস্তান, কাজাখস্তানসহ মুসলিমদের এই অঞ্চলগুলোয় তারা নির্মমভাবে ইসলামকে দমন করেছে। নামাজ, কুরআন তিলাওয়াতকে হ/ত্যাযোগ্য অপরাধ হিসেবে সাব্যস্ত করেছে। আজও কমিউনিস্ট রাষ্ট্র চীন, উইঘুর মুসলিমদের উপর পৃথিবীর মানুষদের চোখের আড়ালে নির্মম পাশবিক নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে। আল্লাহ তা'আলার অশেষ রহমতে মুসলিমদের হাতেই লাল ভাল্লুক সোভিয়েতের পতন ঘটে। মানবজাতি এই ফ্যানাটিক পশুগুলোর থেকে কিছুটা হলেও নিষ্কৃতি পায়। আর এই পশুগুলোর উত্তরাধিকারই হচ্ছে ইসলামবিদ্বেষী ও দেশবিরোধী শক্তি বামেরা। যারা সুপ্ত, গুপ্ত ও প্রকাশ্যভাবে গণবিরোধী এজেন্ডা বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। - কপিড
без подписи
без подписи