tgindex
সম্ভাব্য সত্য

সম্ভাব্য সত্য

Статистика

কিছু লেখা ও তথ্য সংগ্রহ করা, কিছু সাম্প্রতিক খবর শেয়ার করা এবং নিজের অল্প কিছু কথা বলার জন্য... চ্যানেল সম্পর্কে যেকোনো ফিডব্যাক এই বটের(@Channel_Owner_chat_bot) মাধ্যমে জানাতে পারেন।

Последний пост
13 авг.
Последнее чтение
14 авг.
Постов за неделю
3
Всего постов
27
Тип
открытый
Язык
bn
Категория
Новости и СМИ (по похожим)
В каталоге с
13 авг.
Подписчики
14 299
+14 за 3 дн.
Сутки
+6
+0,04%
Неделя
 
Месяц
 
Просмотров на пост
2 675
27 постов
Вовлечённость
18,7%
к подписчикам
Постов в день
0,4
всего 27
Упоминаний
1
каналов
Охват размещения
оценка
1/24сутки в ленте
1 209
1/48двое суток
1 385
1/72трое суток
1 494

Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.

Посты

  • বাংলাদেশে পাহাড়িদের দুই গ্রুপ। এক গ্রুপ এসেছে চায়না থেকে হাজার বছর আগে। এদের চেনার উপায় হল যে, এদের মূল অবস্থান মূলত ভারতে, এবং এদের নামে প্রদেশও আছে। যেমন ত্রিপুরা, মনিপুর, নাগা, মিজু। এরা একে অপরের কাজিন গোত্র। হাজার বছর আগে চীনে বন্যা, নদী ভাঙনের কারণে এরা নদী পথে এ অঞ্চলগুলোতে আসে। এগুলো এখনো তাদের নিজস্ব নথিগুলোতে লেখা আছে। এবং এরা একটু নরম প্রকৃতির। এরা প্রকৃতি পূজা করে। কিন্তু এখন আবার বড় একটা অংশ খ্রিষ্টান হয়ে যাচ্ছে। আরেক গ্রুপ হল, যারা থাইল্যান্ড, মিয়ানমার এর পূর্ব অংশ থেকে এসেছে ১০০ বা ২০০ বছর পূর্বে। যেমন চাকমা। এরা একটু কঠোর। যেহেতু প্রথম প্রকার পাহাড়িরা অনেক দিন ধরে এখানে অবস্থান করছে, তাদের মধ্যে একটা নম্রতা এসেছে। কিন্তু থাইল্যান্ড থেকে আগত পাহড়িরা প্রতিনিয়ত কর্কশ লাইফ স্টাইল লিড করে আসতে হয়েছিল। বিষয়টা তাদের আচরণ এবং খাদ্যাভ্যাস খেয়াল করে আমার দুই টাইপের পার্থক্যটা বুঝতে পারবো। এরা মূলত জাতিতে বৌদ্ধ। কিন্তু এখন আবার খ্রিষ্টান হয়ে যাচ্ছে অনেকেই। এই দুই দলের চেহারায়ও অনেক পার্থক্য। ওরা নিজেরা নিজেদের বুঝতে পারে। আমিও কিছুটা ধরতে পারি যে, কোন টাইপ। তবে প্রথম প্রকারের সাথে বাঙালিদের মিক্সচার হয়েছে, বিশেষ করে যারা ত্রিপুরা। এজন্য কুমিল্লা, বিবাড়িয়া, ফেনীর অনেক বাঙালীদের মধ্যে সেই ধাচটা দেখতে পাবেন, কারণ পূর্বে হয়ত যারা মুসলিম হয়েছিল, তাদের সাথে বাঙালীদের বিয়ে-শাদি হয়েছিল। কুমিল্লা আর ত্রিপুরা তো একটা সময় একই অঞ্চল ছিল। এমনকি কুমিল্লা শব্দটাও ত্রিপুরা ককবরক ভাষার। আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হল যে, এই দুই গ্রুপের মধ্যে প্রথম গ্রুপ আমাদের প্রতি নরম। কারণ তাদের মূল অংশটা ভারতের। এবং তারা স্বাধীনতা চায়। তো তারা এদেশের এসে তাদের জাতির লোকদের সাথেই মিশে থাকে। অপরদিকে দ্বিতীয় গ্রুপটা ভারত-বাংলাদেশ উভয় দিকেই আছে। এদের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ভারত সাপোর্ট দেয়। প্রথম গ্রুপকে দেয় না, কারণ তারা ভারতের শত্রু। তাই আমাদের এখানে চিন্তার বিষয় আছে। ভালো করে খেয়াল করেন, ত্রিপুরাদের ভারত সাহায্য করে না। তাই, তারা আমাদের ডিরেক্ট মিত্র। আর চাকমা বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ভারত সাহায্য করে। তাই তাদের বিচ্ছিন্নতাবাদীরা আমাদের শত্রু। আবার এদিকে কুকিচিন ভারত-বাংলাদেশ উভয়ের জন্যই বড় হুমকি। এবং এদের একটা পক্ষ আরেকটা পক্ষকে দেখতে পারে না। প্রথমপক্ষটা একটু নরম হওয়ার দ্বিতীয় পক্ষটা তাদের উপর ছড়ি ঘুরায়। এমনকি উপজাতি কোটার বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা তারা বেশী পায়। বিশেষ করে চাকমাদের বিচ্ছিন্নতাবাদী দল, যেটার নাম শান্তি বাহিনী, এটা থাকায়, তাদের বেশী তোয়াজ করতে হয়, যেটা ত্রিপুরাদের করতে হয় না। এসব তথ্য বাংলাদেশের বেশীরভাগ মানুষই জানে না। বা এতটা কেয়ার করে না। শাহবাগীরা তো এমনিতেই নির্বোধ। এমনকি ইসলামপন্থীরাও জানে না। যা জানে, সেটা হয় এজেন্সির কিছু পলিসি মেকাররা। কিন্তু আমার মনে হয়েছে যে, হাসিনার আমলের এজেন্সির লোকেরাও নির্বোধ। এমনকি আর্মিও অনেক সময় ফারাক করতে পারে না এক্সিকিউশন লেভেলে। যেমন চাকামারা গ্যাঞ্জাম করে ত্রিপুরা গ্রামে পালায়। আর্মি তো আর বুঝে না যে কে কোনটা। দেয় ধুমায়া ত্রিপুরাদের সাইজ। ওরা বলে, আমগো কি দোষ! কিন্তু দুঃখ করা ছাড়া কিছু করার থাকে না। কয়েক বছর আগে চাকমা বিচ্ছিন্নতাবাদীরা আর্মি মেরে ফেলসিলো, মনে আছে আপনাদের? ত্রিপুরার একজন বলে যে, ভাই! ভারত যেমনে চাকমাদের ব্যাকিং দেয়, বাংলাদেশ যদি এমনে আমাদের ব্যাকিং দিত - আমার ভারতের নর্থ-ইস্ট তামা তামা কইরা ফেলতে পারতাম। হ্যাঁ! আর্মি শান্তি বাহিনীদের মধ্যে গ্রুপিং করানো, তাদের মধ্যে লোভীদের কিনে ফেলা থেকে শুরু করে, অনেক প্রশংসনীয় কাজ করেছিল - এ কারণে এদের একটু নিয়ন্ত্রণ করা গিয়েছিল। কিন্তু এর চেয়েও ভালো কাজ সম্ভব- জাস্ট এই দুই গ্রুপকে আলাদাভাবে ট্রিট করতে হবে। মিশনারীদের বদলে সেখানে মুসলিমদের দাওয়াহ কাজ ফুল ইফোর্টে করতে দিতে হবে। আমাদের আসলে দাওয়াহ, কনভার্ট-রিভার্ট করতে চাই, বলতে লজ্জা পাওয়া উচিত না। পশ্চিমারা ঘোষণা দিয়ে এসে কনভার্ট করছে এখানে। এদিকে আমরা লজ্জা পাচ্ছি যে, আমরা কনভার্ট-রিভার্ট করতে গেলে মৌলবাদী বলবে, এই বলবে, সেই বলবে। সরকারকে প্রেশার দিতে হবে যে, পাহাড়ি এবং রোহিঙ্গাদের এনজিওদের হাতে ছেড়ে দেয়া যাবে না। খুব বড় রকমের ঝামেলার তারা তৈরি করে যাচ্ছে। অথচ আমার মুসলিমরা বাঁধাগুলো কাটিয়ে ওইদিকে নযর দিতে হবে, বাঁধা পেলেই মুখ ফিরিয়ে নেয়া যাবে না। ফিকির এবং লেগে থাকতে হবে। একটা অংশকে আত্মনিয়োগ করতেই হবে। তারা দ্বীনের দাওয়াহ না পেলে, আমরা কি জাবাব দিবো? অথচ আমাদের পাশেই ছিল। শাহ-জালালরা কোত্থেকে এসে কি করে গেছেন, অথচ আমরা পাশে থেকেও কিছু করতে পারছি না। ✍️ Bearded Bengali

  • 11 авг.1 364292

    এটাই গুনতান্ত্রিক সিস্টেমের সৌন্দ‍র্য।

  • 9 авг.1 5728015

    ছোটোবেলায় জাহান্নামের আগুনের উত্তাপের কথা বইয়ে পড়তাম,ওয়াজে শুনতাম। আমার বিশ্বাস হতোনা— আল্লাহ কি আসলেই এতটা নির্দয়? তাঁর পছন্দের সৃষ্টি মানুষকে তিনি এভাবেই আগুনে জ্বলতে দিবেন? এটাও বুঝতে চাইতাম,জাহান্নামের আগুন আসলে কত গরম? ক্লাস নাইনে উঠে জানলাম থার্মাইট, হোয়াইট ফসফরাসের কথা।এগুলা অনায়াসে ১৫০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হিট জেনারেট করে। তখন আমার ধারণা ছিল জাহান্নামের আগুন হয়ত এরকমই কিছু একটা.... আজ দেখলাম ফিলিস্তিনের বাচ্চাদেরকে হোয়াইট ফসফরাস দিয়ে মেরে ফেলেছে। হ্যাঁ,ইজরায়েল। তাদের এই জিনিস সাপ্লাই দিয়েছে এমেরিকা। টুইটারে এটা নিয়ে উল্লাস করছে ইন্ডিয়ানরা। আমি আজও মনকে বুঝাতে পারিনা। আল্লাহর ধৈর্য আসলে কত বেশি যে তিনি কেয়ামতের আগেই সবকিছু ধ্বংস করে দিচ্ছেন না!! ✍️ M. Asif Rahman

  • 27 июл.3 2153617

    পশ্চিমা নারীদের জন্য সবচেয়ে বড় প্রতারণাগুলোর একটি হলো, তাদের সুখের সংজ্ঞাটাই বদলে দেওয়া হয়েছে। তাদের একটি মিথ্যা স্বপ্ন দেখানো হয়েছে, আর তা হলো: ফেমিনিজম বা নারীবাদ। তাদের শেখানো হয়েছে যে উচ্চশিক্ষা, ক্যারিয়ার ও স্বাধীনতার মাঝেই লুকিয়ে আছে প্রকৃত সুখ। "ক্ষমতায়নের" নামে শেষ পর্যন্ত তাদের একাকী করে তোলা হয়েছে, আর "স্বাধীনতার" নামে দিকহারা করে দেওয়া হয়েছে। এভাবেই তাদের এমন এক জীবনের দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে, যেখানে যৌবনের সবচেয়ে মূল্যবান বছরগুলো কেটে গেছে বিশ্ববিদ্যালয়, অফিস, কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান আর ভ্রমণের পেছনে। এদের অনেকেরই বিয়ে, মাতৃত্ব বা সংসারের জন্য কোনো সময় বা শক্তি অবশিষ্ট ছিল না। অনেকে আবার জীবনসঙ্গী খোঁজার ইচ্ছে থাকলেও, একজন পুরুষের সাথে কীভাবে মানিয়ে চলতে হয় তার কিছুই জানতেন না। আরও অনেকে নিজেদের ফিতরাত বা নারীসুলভ সহজাত প্রকৃতিকে নির্মমভাবে অবদমন করেছেন। স্ত্রী ও মা হওয়ার যে জন্মগত আকাঙ্ক্ষা, তাকে গলা টিপে মেরেছেন। "সমাজে অবদান রাখার" নামে, কিংবা "নিজের সর্বোচ্চ সম্ভাবনাকে" কাজে লাগানোর দোহাই দিয়ে তারা নিজেদের স্বাভাবিক চাওয়া-পাওয়াগুলোকে দূরে সরিয়ে রেখেছেন। তাদের বোঝানো হয়েছে—কর্পোরেট অফিসের একটি কিউবিকলে বসে কাজ করাই, বসের জন্য কফি আনা কিংবা সারাদিন স্প্রেডশিটে তথ্য বসানোই যেন জীবনের পূর্ণতা। এক বা দুই দশক পর, এদের অনেকেই কমেন্টের ওই নারীটির মতো পরিণতি বরণ করেন, যিনি লিখেছেন: "আমার বয়স ৪৭, আমি এখনো 'সঠিক মানুষটির' অপেক্ষায় আছি যার সাথে একটি সংসার শুরু করতে পারি! এই অলৌকিক ঘটনাটি যেন ঘটে, তার জন্য কায়মনোবাক্যে প্রার্থনা করছি।" বিষয়টি সত্যিই মর্মান্তিক। ৪৭ বছর বয়সী একজন নারী—পুরোপুরি একাকী, স্বামী বা সন্তান নেই, কোনো পরিবার নেই। অথচ প্রায় পঞ্চাশের কোঠায় এসেও তিনি মরিয়া হয়ে এসবের স্বপ্ন দেখছেন। এখন যখন তার ক্যারিয়ার, পড়াশোনা, ভ্রমণ আর সব তথাকথিত "অভিজ্ঞতার" পালা শেষ, রূপের জৌলুসও যখন ম্লান হতে শুরু করেছে, যখন তার উদ্দাম যৌবনের দিনগুলো ফুরিয়ে গেছে এবং ক্যাজুয়াল সম্পর্কগুলো আর সহজে মিলছে না... ঠিক তখন তিনি একজন স্বামী খুঁজে নিয়ে সন্তান জন্মদানে প্রস্তুত হয়েছেন। কিন্তু এখানেই সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি! তিনি যে কাউকে স্বামী হিসেবে মেনে নিতে বা "আপস" করতে রাজি নন। যে পুরুষটি তাকে বিয়ে করতে সম্মত হবে, তার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকার মতো বোধও তার তৈরি হয়নি। বরং তিনি এখনো সেই স্বপ্নের রাজপুত্রের অপেক্ষায় আছেন। প্রায় পঞ্চাশ বছর বয়সী এই "রাজকন্যা" এখনো অধীর আগ্রহে প্রহর গুনছেন, কখন সেই সঠিক মানুষটি এসে তাকে জাদুর মতো উড়িয়ে নিয়ে যাবে আর তারা সুখে-শান্তিতে বসবাস করবেন। এরপর তিনি একটি পরিবার "শুরু" করবেন, মেনোপজ বা ঋতুবন্ধের বয়সে এসে সন্তান জন্ম দেবেন! প্রায় পঞ্চাশ বছর বয়সে এসেও তিনি যেন জীববিজ্ঞান, বাস্তবতা, পরিসংখ্যান এবং সাধারণ বোধ—সবকিছুকেই অবলীলায় উপেক্ষা করছেন। তিনি নিজেই স্বীকার করেছেন যে, তিনি "এই অলৌকিক ঘটনার জন্য প্রার্থনা করছেন।" অবচেতনভাবে হলেও তিনি অন্তত এটুকু বোঝেন যে, এই বয়সে এসে এটা ঘটা কেবল কোনো অলৌকিক ব্যাপার হলেই সম্ভব। এটি কেবল একজন নারীর গল্প নয়। এই মোহ বা রূপকথার ফ্যান্টাসিতে তিনি একা নন। আধুনিক নারীদের একটি পুরো প্রজন্মকেই এই বিভ্রমের ওপর বড় করে তোলা হয়েছে। এই আত্মঘাতী পথে চলতে শেখানো হয়েছে। তাদের এই অসম্ভব কল্পনায় ভাসানো হয়েছে যে, চাইলেই সবকিছু একসাথে পাওয়া সম্ভব। যেমনঃ কৈশোর আর যৌবনের সিংহভাগ সময় পড়াশোনা, ডিগ্রি, ক্যারিয়ার আর ভ্রমণের পেছনে ব্যয় করেও, প্রায় পঞ্চাশে পৌঁছে অবলীলায় স্বপ্নের পুরুষকে খুঁজে পাওয়া যাবে এবং তারপর সংসার "শুরু" করে সন্তান নেওয়া যাবে। কিন্তু দিন শেষে, যখন এই নারীরা কল্পনার পেছনে ছুটতে ছুটতে ক্লান্ত হয়ে পড়েন, তখন তারা বিষণ্ণতা, উদ্বেগ আর হতাশায় ডুবে যান। তখন বিষণ্ণতা আর অ্যাংজাইটির ওষুধ এবং অ্যালকোহল ছাড়া তাদের আর কোনো উপায় থাকে না। হে মুসলিম নারীরা, তাদের এই দুর্ভাগ্যজনক পথ অনুসরণ করবেন না। আপনাদের কাউকে কিছু প্রমাণ করার নেই। একজন মুসলিম নারী হিসেবে আপনি যে "নির্যাতিত নন", কিংবা আপনি যে "ক্ষমতায়িত" এবং "স্বাধীন", তা কাউকে দেখানোর কোনো প্রয়োজন নেই। শুধু আল্লাহর ইবাদত করুন, একজন দীনদার মুসলিম পুরুষকে বিয়ে করুন, নেককার সন্তান গড়ে তুলুন এবং আপনার সুন্দর পরিবার ও এর থেকে পাওয়া আনন্দকে পুরোপুরি উপভোগ করুন। নিজের নারীত্বকে উদ্‌যাপন করুন। তাদের নারীবাদকে প্রত্যাখ্যান করুন। আল্লাহ নারী ও পুরুষ উভয়কে নারীবাদের এই শোচনীয় পথ ও এর ভ্রান্তি থেকে রক্ষা করুন, আমিন। ✍️ উম্মু খালিদ

  • 25 июл.3 200765

    শাইখ ফারুক রামাদান রহঃ। নিজের পরিবার, সম্পদ রক্ষা করতে গিয়ে ইহুদিদের মোকাবিলায় গতকাল পশ্চিম তীরের নাবুলস শহরে শাহাদাতবরণ করেন। (সাথে জঙ্গি ইহুদিদের থেকে অস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে দুই ইহুদিকে জাহান্নামে পাঠিয়ে দেন)

  • 17 июл.4 3254313

    আপনাদের কাছে অবিশ্বাস্য মনে হবে, তবে নিশ্চিত থাকেন এইটা বাস্তবতা - গত দশ বছর থেকে বাংলাদেশের ক্লাস নাইন থেকে ছাত্র ছাত্রীদের মধ্যে একটা উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় ইয়াবা আশক্ত। বিশেষ করে ঢাকাতে ক্লাস নাই টেন থেকেই ইয়াবা গ্রহন শুরু করে দেয় ছাত্র ছাত্রীরা৷ পাশাপাশি চলে ওপেন সেক্স যা মুলত বহুগামিতা চর্চা। সেক্সকে তারা ফান হিসেবে দেখে৷ আপনার আশেপাশের অনেক ছেলে মেয়েই ইয়াবা আসক্ত৷ এই যে রাস্তায় দেখেন একটুতে উগ্রতা প্রকাশ করে, কাকে কি বলছে হুস জ্ঞান নাই৷ কথায় কথায় সোসাল মিডিয়াতে এসে যাকে যা ইচ্ছা বলে যাচ্ছে। সব গুলো ইয়াবা আসক্ত। ঢাকা শহরে হাতে গুনা কয়েকটি স্কুল আছে এখনো যেখানে পড়াশোনা হয়, পাশাপাশি শিক্ষকেরাও যথেষ্ট আন্তরিক তাদের ছাত্র ছাত্রীদের প্রতি। বাকী সব স্কুল কলেজ নাম মাত্র চলে পড়শানা, আসলে যা ব্যাবসা খুলে বসে আছে। ঢাকা কলেজ, সিটি কলেজ, বাহারুদ্দিন কলেজ, তেজগাঁও কলেজ ও আইডিয়াল কলেজ। এদের সকলের ড্রাগ টেস্ট নিলে দেখা যাবে উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় ইয়াবা আসক্ত। দীর্ঘ দশ বছর থেকে এইসব চলছে স্কুলগুলোতে। এইসবের সাথে সরাসরি জড়িত অনেক গার্জিয়ান৷ তাদের অবৈধ অর্থের কোন লাগাম নেই, ছেলেমেয়েদের হাত খরচের নামে টাকা ছড়ায় খোদ পিতামাতারাই। অবাক হয়ে দেখতে হবে আপনাকে যদি সুক্ষ ভাবে খেয়াল করেন এইসব ছাত্রছাত্রীদের টাকা উড়নো কাকে বলে। গত দশ বছরে অবৈধ অর্থ, দুর্নীতিকে এতটাই সামাজিক করা হয়েছে যে, আগে তাও ঘুসখোরেরা একটু লজ্জা শরম পাইতো আর এখন যার যত অবৈধ অর্থ তার সম্মান সবার থেকে বেশী। পিতামাতাদেরও সার্কেল হয়েছে যেখানে নিজের বা স্বামীর ঘুসের টাকা উড়ানো হচ্ছে আবার এইসব পিতামাতার বন্ধুরাই তাদের বাহবা দিচ্ছে। আমি নিজে দেখেছি ক্লাস ফোরের বাচ্চার হাতে আইফোন সেভেন্টিন প্রো৷ তার বাবাকে জিজ্ঞেস করেছি এইটা কেন কিনে দিয়েছেন, তার বাবা আরও গর্ব করে আমাকে শুনাইলো , আগের মডেল গুলোও বাচ্চাটিকে আগে কিনে দিয়েছে৷ বাসায় মেয়ের কাছে শুনি তার সহপাঠীদের দৈনিক হাত খরচ দেয় পাঁচশত/হাজার টাকা প্রতিদিন। আর এরা এইসব দিয়ে নেশার জগতে ঢুকে যাচ্ছে। আজ থেকে দুই বছর আগে, একটা বাচ্চা মেয়ে ক্লাস নাইনে পড়ে দেশের অন্যতম সেরা ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে। তাকে রক্ত দিতে গিয়ে শুনি বাচ্চাটির এব্রোশেন করিয়েছে। রক্তক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না৷ আমি নিজে রক্ত দিয়েছি, আরেকজনের কাছ থেকে রক্ত যোগার করে দিলাম। বাচ্চা মেয়েটির জন্যে যতটা খারাপ লাগছিল তার থেকে তার বাবা মায়ের আচরণ দেখে। তাদের কাছে বিষয়টি তেমন কোন কিছুই মনে হচ্ছে না। ঢাকাতে বাবা মায়েরা বাচ্চাদের এতটাই লাগামহীন করে ফেলেছে যে, এইসব বাচ্চাদের কাছে কোন নৈতিকতা নাই, কোন শ্রদ্ধা বোধ নাই৷ তারা অন্যদের মানুষই মনে করে না। আর গার্জিয়ানও তাদের এইসব অন্যায়ের পক্ষ নেয়। ঢাকা কলেজ, আইডিয়াল, সিটি কলেজ, তেজগা কলেজ, এইসব কলেজের ইলিভেন টুয়েলভ ক্লাসের ছাত্রছাত্রীদের ড্রাগ টেস্ট করা হোক, দেখবেন কি ভয়ংকর রুপ ধরা পরবে । আরেকটা ভয়ংকর বিষয় হচ্ছে এদের বাবা মায়ের মধ্যেও বহুগামিতা এদের নৈতিকতাকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে গেছে৷।। ✍️ রাশেদ আলম

  • 15 июл.3 528278

    Janjuatalks, একজন পাকিস্তানি ইনফ্লুয়েন্সার, একটা অনন্য ধরনের প্র্যাঙ্ক করে। তিনি অনলাইনে নকল ইসরাইলি আইডি ব্যবহার করে ভারতীয়দের সাথে ভিডিও কল করেন এবং শুরুতেই জিজ্ঞাসা করেন, “তুমি কি ইসরাইলকে পছন্দ করো?” যেই না ইসরাইলের নাম শোনে, অনেক ভারতীয় তৎক্ষণাৎ খুশিতে ফেটে পড়ে। তারা বলতে থাকে, “আমাদের দুই দেশের মধ্যে তো অসাধারণ সম্পর্ক! আমরা একসাথে আছি।” কেউ কেউ আরও উৎসাহ দেখিয়ে বলে, “ইসরাইল আমাদের ভাইয়ের মতো।” তখন Janjuatalks ধীরে ধীরে প্রশ্নটা ঘুরিয়ে দেন, “আমরা তো মুসলমানদের হত্যা করছি, তোমরা কি এটা সমর্থন করো?” অবাক করা বিষয় হলো, অনেকেই সরাসরি বলে ফেলে, “হ্যাঁ, পছন্দ করি। আমরাও মুসলমানদের বিরুদ্ধে আছি।” একটা ভিডিওতে একজন ভারতীয় আর্মির লোক গর্ব করে বলেছে, “আমি ইতিমধ্যে ১০-১২ জনের বেশি মুসলমানকে মেরেছি।” আরেকজন সৌদি আরবে থাকা ভারতীয় প্রবাসী আরও চরম কথা বলেছে, “আমি চাই পুরো পৃথিবী থেকে মুসলমানরা ধ্বংস হয়ে যাক।” কিছু ভিডিওতে দেখা গেছে: একজন ভারতীয় যুবক বলেছে, “প্যালেস্টাইনের কোনো দরকার নেই, পুরো জায়গাটা ইসরাইলের হওয়া উচিত। মুসলমানদেরকে সাগরে ফেলে দাও।” আরেকজন বলেছে, “কাশ্মীরে যা করছি, সেটাই ঠিক। সব মুসলিমকে ওখান থেকে বিতাড়িত করতে হবে। ইসরাইল যেভাবে করছে, আমরাও সেভাবে করব।” কয়েকজন তো এমনকি হিন্দুত্ববাদী স্লোগান দিয়ে বলেছে যে, “মুসলমানদের জন্য ভারতে কোনো জায়গা নেই। তাদেরকে দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক বানিয়ে রাখতে হবে।” প্রতিটা ভিডিওর শেষে Janjuatalks নিজের আসল পরিচয় দিয়ে বলেন, “আমি আসলে পাকিস্তানি মুসলমান। তোমাদের মাথায় কি কোনো জ্ঞান নেই? তোমরা মুসলমান শিশু-বাচ্চাদের মারতে চাও? ইসরাইলকে সমর্থন করে নিজেদের মানবতা বিকিয়ে দিচ্ছো?” এই কথা শোনার সাথে সাথে অধিকাংশ ভারতীয় ভিডিও কল কেটে দেয়, কেউ কেউ গালাগালি করে, কেউ আবার চুপ করে থাকে। এতে স্পষ্ট হয়ে যায় যে, এই ধরনের চিন্তাভাবনা অনেকের মধ্যে গভীরভাবে গেঁথে আছে। শেষ কথা: এই ভিডিওগুলো দেখলে বোঝা যায়, কিছু মানুষ কতটা বিষাক্ত ঘৃণা পোষণ করে। একজন ইনফ্লুয়েন্সারের একটা প্র্যাঙ্কই অনেকের আসল চেহারা বের করে আনে। এই ঘৃণা শুধু ইসরাইল-প্যালেস্টাইন নিয়ে নয়, এটা মুসলমানদের অস্তিত্বের বিরুদ্ধে। আপনারা নিজেরাই Janjuatalks এর পেজে গিয়ে ভিডিওগুলো দেখতে পারবেন। সত্যি চোখে দেখলে বিশ্বাস হবে। এই ধরনের প্রতারণা আর প্রকাশিত সত্য যেন আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে। ঘৃণা ছড়ানোর আগে নিজেদের চিন্তাভাবনা একবার চেক করা উচিত। 🍥 Ali Akbar

  • 14 июл.3 2121514

    দৃঢ় বার্তা...

  • 14 июл.2 910283

    ধ্বংসস্তুপের মধ্যেও কারা ধ্বংসযজ্ঞ চালায়? -/ আমেরিকান-ইজরাইলী সন্ত্রাসী জঙ্গিরা। (পড়শু দিনের ফুটেজ)

  • 12 июл.3 416669

    ডুবে গেছে চট্টগ্রাম। খিদেয় কাঁদছে শিশুরা। ভেলায় ভাসছে মানুষের লাশ। লাশ দাফনের জায়গা পাওয়া যাচ্ছে না। এসব নিয়ে মিডিয়াতেও নেই কোনো আলাপ। কঠিন এই সময়ে চট্টগ্রামের উচ্চশিক্ষিত ভার্সিটিওয়ালারা উপভোগ করছেন আর্জেন্টিনার খেলা। আর অশিক্ষিত মোল্লারা ত্রাণের বস্তা কাঁধে নিয়ে ছুটছেন বন্যার্তদের দুয়ারে দুয়ারে। ✍️ Sadik Bin Siddique

  • 10 июл.3 404244

    দেশের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে মিডিয়ায় শোরগোল খুব কমই দেখা যাচ্ছে।

  • 10 июл.2 7824

    видео или голосовое, без подписи

  • 10 июл.3 2914

    видео или голосовое, без подписи

  • 10 июл.2 030284

    দেশের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে মিডিয়ায় শোরগোল খুব কমই দেখা যাচ্ছে।

  • 6 июл.3 3143718

    সারা দুনিয়া টিভি স্ক্রিনে বা এরকম আয়োজন করে বিশ্বকাপ দেখায় ব্যস্ত। ইজরাইলিরা তখন বড় বড় স্ক্রিনে, গোটা মহল্লা একত্র হয়ে আইডিএফ লেবানিজ গ্রামগুলো ডিনামাইট দিয়ে উড়িয়ে দিচ্ছে, তা দেখতেছে! এই অনুষ্ঠান হচ্ছে আবার উত্তর ইজরাইলিদের গৃহ-প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে!! নিজ গৃহে ফিরে, আরেকজনের ঘর ধ্বংসের দৃশ্য উদযাপন, জায়োনিস্টদের পক্ষেই সম্ভব। হিটলারকে মরণোত্তর সম্মাননা প্রদান করা উচিৎ। ভিডিওটা প্রকাশ করছে টিআরটি ওয়ার্ল্ড। ✍️ Rakibul Hasan

  • 6 июл.2 629227

    বাংলাদেশে ইসলাম ও মুসলমান এমনি এমনি তাচ্ছিল্যের বস্তুতে পরিণত হয় নি। একাত্তরের গণ্ডগোলের পর এদেশে নেতৃস্থানীয় প্রচুর মুসলমান শহীদ করা হয়েছিল। গোটা সিলেটের মুসলমানদের একজন নেতৃস্থানীয় অভিভাবক ছিলেন আজমল আলী চৌধুরী, সাতচল্লিশে সিলেটকে পূর্ব পাকিস্তানের অন্তর্ভূক্ত করে শেরে সিলেট উপাধিতে ভূষিত হয়েছিলেন। একাত্তরের গণ্ডগোলের পর ফযরের নামায পড়তে গিয়েছিলেন হযরত শাহজালাল রহমতুল্লাহি আলাইহি’র মাজার মসজিদে। ফযরের নামায পড়ে মসজিদের বাইরে বের হওয়া মাত্র মুক্তিসন্ত্রাসীরা তাকে ধরে নিয়ে প্রকাশ্য রাস্তায় চরম নির্যাতনের মাধ্যমে হত্যা করে। তার দেহ বিকৃত করা হয় এবং সিলেট সরকারি কলেজের বাহিরে জনসম্মুখে দেখানোর জন্য তার লাশ তিনদিন ফেলে রাখা হয়। তিনদিন পর তার লাশ তার পরিবারের সদস্যরা উদ্ধার করে দাফনের ব্যবস্থা করে। এই আজমল আলী চৌধুরী ফ্যামিলি ব্যাকগ্রাউন্ড কেমন ছিল তার একটি উদাহরণ দিতে বলা যায়, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সাবেক প্রধান মাহবুব আলী খান ছিল তার চাচাতো ভাই। কবি ফররুখ আহমদকে স্রেফ বিনা চিকিৎসায় না খাইয়ে মেরেছিল শেখ মুজিব সরকার। তার মৃত্যুর পর তার দাফনের জায়গাও পাওয়া যায় নি, কারণ কবির পরিবারের নিকট কোন টাকা ছিল না। ফররুখ আহমদ কতো বড় কবি, তার মর্যাদা কতোটুকু সেটা কিন্তু ইসলাম বিরোধীরা দেখেনি। যেমনটি দেখেনি আজমল আলী চৌধুরীর ক্ষেত্রে। তার পরিবার, বংশমর্যাদা, সামাজিক অবস্থান কিছুই আমলে নেয়া হয় নি। মুসলমানদের প্রতিপক্ষ মুসলমানদের মাথাকে খতম করার নীতিতে বিশ্বাসী। ঐ মাথার সম্মান সে গোনায় ধরে না। কিন্তু মুসলমানরা ছায়ানটি, হিন্দু, নাস্তিক এদের সমাজের রাঘব বোয়ালগুলোকে প্রকাশ্যে লাঞ্ছিত করে খতমের নীতিতে বিশ্বাসী নয়। উল্টো তাদের সমাজের পা যেগুলো, পা বললে ভুল হবে পায়ের জুতার তলা যেগুলো, যেমন গাইবান্ধায় মূর্তি স্থাপন করা শুয়োর চড়ানো ডোম হরিদাস, প্রতিদিন নবী রসূল তুলে কটূক্তি করে অতঃপর বারবিকিউ হওয়া দিপু চামার রবিদাস, এগুলো গোটা মুসলমান সমাজকে নিয়ে ফুটবলের মতো খেলছে। বিপরীতে এদেশে কথিত আলেমরা অছাম্প্রদায়িকতার নামে নমশূদ্রদের পদসেবা করে, মুসলমানদের যাকাতের টাকায় হিন্দুদের ঘর বানিয়ে দিয়ে ইসলামের ‘মাহাত্ম্য’ তুলে ধরতে তৎপর। আজমল আলী চৌধুরী আর ফররুখ আহমদদের শাহাদাতের বিপরীতে মুসলমানরা যদি ছায়ানটিদের কয়েকটা মাথাকে ধরে অনুরূপ ব্যবস্থা নিতে পারে, না খাইয়ে কিংবা প্রকাশ্যে পিটিয়ে মারতে পারে, তবে এদেশে ইসলাম ও মুসলমানদের প্রতি যে সমীহ তা ফিরিয়ে আনা সম্ভব। নতুবা মুসলমান ও ইসলাম, চিরকাল তাচ্ছিল্যের বস্তু হয়েই থাকবে এই ভূখণ্ডে। ৫ই আগস্টের পর প্রতিশোধের সুযোগ ছিল, কিন্তু জামাতি কওমিদের নেতৃত্বে মন্দির পাহারা দিয়ে সেটা ধ্বংস করা হয়েছে। বদরের যুদ্ধে আবু জেহেলের মাথা কেটে সেটাকে মাছের মাথার মতো কানের একপাশ ফুটো করে আরেকপাশ দিয়ে দড়ি বের করে মাটি দিয়ে ছেঁচড়াতে ছেঁচড়াতে নেয়া হয়েছিল। যদি মুসলমানরা তখন বলতো, আবু জেহেল সমাজের এতো মর্যাদাশালী ব্যক্তি, তার লাশের প্রতি সম্মান দেখাতে হবে, সেক্ষেত্রে ইসলামের মর্যাদা কখনো প্রতিষ্ঠিত হতো না। ✍ Nayem Jannatun

  • 5 июл.2 266425

    এই দৃশ্যটি একদম তরতাজা মাত্র কিছুমূহুর্ত আগের। যখন জায়গায় জায়গায় চলছে ইহুদী-খ্রিষ্টানদের কতিপয় নামধারী মুসলিম ভক্তদের বুনোউল্লাস, পৃথিবীর অপরপ্রান্ত গাযযায় ঠিক তখন তাদের সেইসব প্রিয় দেশগুলোর সাপ্লাই দেয়া বোমার আঘাতে মাথা ছিন্নবিচ্ছিন্ন হয়ে ঝলসে গেছে নিষ্পাপ…

  • 5 июл.2 2516

    видео или голосовое, без подписи

  • 5 июл.1 976346

    নিফাকই এখানে যোগ্যতা। নিফাক করতে পারাটাই পলিটিক্স। জামায়াতের দোষ না। এই সিস্টেমটাই মুনাফেকি। দ্বিচারিতা, দ্বিমুখী কথাবার্তা ঠিকভাবে বলতে পারাটাই এখানে সফলতা। ✍️ শামসুল আরেফিন শক্তি ভাই

  • 4 июл.2 148219

    ইসলাম বাদ দিয়ে যদি বিয়ে জিনিসটাকে নিয়ে ভাবনা করি তাহলে এই যুগে বিয়ে আসলেই একটা লস প্রজেক্ট। . ধরুন আমরা যারা শারিয়া আইন চাই এবং শারিয়া অনুযায়ি চলতে চাই আমাদের কাছে বিয়ে যেমন শারিয়া অনুযায়ি ফরজ আমল তেমনি দুনিয়া এবং আখিরাতের জন্য চরম জরুরি জিনিস। বিয়ে ছাড়া আমাদের ফিজিক্যাল নিড পূরনের কোনো যায়গা নেই। আবার স্ত্রী সন্তানের পিছনে খাটনি করা এবং তাদের জন্য নিজের কষ্টার্জিত অর্থ ব্যায় করা একটা সদকা যেগুলো আমাদের দুনিয়া এবং আখিরাত দুই ক্ষেত্রেই উপকারি আমল। এবং এটা মুসলিম নারী পুরুষ সবার জন্যেই সমভাবে সত্য। কিন্তু ইসলামি দৃষ্টিভঙ্গি বাদ দিলে বিয়ের প্রয়োজন টা কোথায় বরং দেখা যাবে বিয়েটা একটা বার্ডেন পূরাতন আমলের বা বা মধ্যযুগিয় একটা ব্যাকডেটেড জিনিস। যদি ফিজিক্যাল নিডের কথা আসে : বিয়ের মতো রিস্কি এবং দায়িত্বের বন্ধন ছাড়াই এটা অনেক সহজলভ্য একটা জিনিস। যদি বাচ্চাকাচ্চার কথা আসে তাহলে এরকম অনিশ্চিত কষ্টকর একটা ইনভেস্টের চেয়ে সেই টাকা ব্যাংকে রাখলে বেশি লাভ পাওয়া যাবে। ইমোশোনাল এটাচমেন্টের ক্ষেত্রেও বিয়ে জরুরি না কেননা বিয়ে এমনকি নারী ছাড়াও বিভিন্ন জিনিস দিয়ে পশ্চিমারা তাদের ইমোশোনাল এটাচম্যান্ট পূরন করে যেগুলো সবই রিস্ক্লেস। এখন বুঝান আমাকে বিয়ের দরকার কী❓ ✍ উস্তায নুমান খুরশেদ

সম্ভাব্য সত্য — tgindex