Praachir - প্রাচীর
Статистикаআমরা চাই আমাদের চ্যানেলের মাধ্যমে অন্ধকারাচ্ছন্ন আত্মাগুলো আলোকে ফিরে আসুক।ইবাদতে অনাগ্রহী আত্মাগুলোতে আগ্রহ সঞ্চার হোক।মৃতপ্রায় আত্মাগুলোতে ছড়িয়ে পড়ুক প্রাণশক্তি। ভালো কিছুর প্রত্যাশায় ইন শা আল্লাহ... প্রয়োজনেঃ @PraachirBOT
- Последний пост
- 14 авг.
- Последнее чтение
- 13 авг.
- Постов за неделю
- 10
- Всего постов
- 26
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- Категория
- Новости и СМИ (по похожим)
- В каталоге с
- 13 авг.
- 1/24сутки в ленте
- 737
- 1/48двое суток
- 844
- 1/72трое суток
- 910
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
"যে কথা বলতে চায়, তার কর্তব্য হচ্ছে কথা বলার আগে ভেবেচিন্তে দেখবে। যদি কথা বলায় কোনো কল্যাণ আছে বলে তার চিন্তায় প্রকাশ পায় তাহলে সে কথা বলবে। আর যদি কল্যাণ আছে কি না তা নিয়ে সন্দেহ থাকে তাহলে যতক্ষণ কল্যাণের দিকটা প্রকাশ না পাচ্ছে ততক্ষণ কথা বলবে না"। . ~ ইমাম মুহাম্মাদ বিন ইদ্রীস আশ শাফিঈ [রাহ.] . [ ইমাম নাওয়াউই (রাহ.), আল আযকার, পৃ: ৩৩২]
(পর্বঃ ০৩) কিভাবে নামাজের মধুরতা আস্বাদন করা যায়? গভীরতার তৃতীয় স্তর: এই তৃতীয় স্তর কোনটি? ক্ষমা ও করুনা লাভের জন্য আল্লাহর কাছে আসা। এবং এই আশা করা যে ইনশা-আল্লাহ তিনি আমাদের কবুল করবেন এবং আমাদের তাঁর আরও নিকটে নিয়ে আসবেন। এই তৃতীয় স্তর টিকে বলা হয় “রযা”। যে ব্যক্তি এই ‘রযা’ অনুভব করতে পারে তার অবস্থান আল্লাহর কাছে অনেক উচুতে। কারণ এটা অন্তরের ব্যপার হাজার মনোযোগ দিয়ে, আর বুঝে কীই বা লাভ যদি সবকিছু যান্ত্রিক হয়? নামাজের সত্যিকারের স্বাদ আহরণ তখনি সম্ভব যখন আমরা তাঁর (আল্লাহর) কাছে ‘রযা’ নিয়ে দাড়াবো। এটা কিভাবে অর্জন করা সম্ভব? এটা অনুভব করা সম্ভব যদি আপনি আল্লাহকে জানেন, চিনেন আল্লাহ তায়ালাকে যতবেশী চিনবেন, তত আল্লাহর ‘রযা’ লাভ করবেন। আমাদের প্রত্যেকের প্রতি আল্লাহর করুনা আমাদের মায়ের করুনার চাইতেও অনেক অনেক বেশী। আমাদের যা করতে হবে তা হল আল্লাহর কথা বেশী বেশী স্মরণ করতে হবে, তাঁর গুনাবলী নিয়ে আলোচনা করতে হবে, চিন্তা করতে হবে, ভাবতে হবে আমরা যা ভাববো তিনি তাই; যদি আমরা তাঁকে অসীম দয়ালু ও পরম করুনাময় মনে করি, তাহলে তিনি তাইই খুবই সোজা সরল কথা-কারণ আল্লাহ তায়ালা এ কথা নিজেই বলেছেন: নবী(সা:) বলেন: “আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘আমার বান্দা যা মনে করে আমি সে রকমই, যদি সে আমাকে স্মরণ করে তবে আমি তার সাথেই আছি।” [সহীহ বুখারীঃ ৭৪০৫] এইসব কথার মর্মার্থ নিয়ে যদি আমরা আমাদের নামাজ শুরুর ঠিক আগমুহুর্তে চিন্তা-ভাবনা করি, তাহলে অবশ্যই আমাদের নামাজে তার সু-প্রভাব পরবে। ইবনে আল-কাইয়্যিম বলেছেন: “তোমার প্রতি আল্লাহর কোন ক্ষোভ নেই যে তিনি তোমাকে শাস্তি দিয়ে তার জ্বালা মিটাবেন।” মানে আমাদের প্রতি তাঁর কোনই ক্ষোভ নেই এবং তিনি চানও না আমাদের শাস্তি দিতে। তাঁর করুনা তাঁর আযাবের চেয়ে অনেক বেশী। রহমত করাকে তিনি তাঁর নিজের করে নিয়েছেন। আল্লাহ তায়ালা বলেন: “তোমাদের পালনকর্তা রহমত করা নিজ দায়িত্বে লিখে নিয়েছেন।” [সুরা আনআম ৬:৫৪] সুবহান-আল্লাহ(গৌরব, অহংকার এবং মহিমা আল্লাহরই)-আমরা প্রায় সবাই বছরের পর বছর ধরে নামাজ পড়ে চলেছি অথচ কখনও আবেগ সহকারে আল্লাহর নিকটে আসতে পারিনি, তবুও তাঁর কাছে করুনা প্রার্থনা করা তিনি পছন্দ করে চলেছেন| আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনে বলেন: “হ্যাঁ, আল্লাহ তো রহমত সহকারে তোমাদের প্রতি দৃষ্টিপাত করতে চান৷ কিন্তু যারা নিজেদের প্রবৃত্তির লালসার অনুসরণ করছে তারা চায় তোমরা ন্যায় ও সত্যের পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে দূরে চলে যাও৷ আল্লাহ তোমাদের ওপর থেকে বিধি-নিষেধ হাল্কা করতে চান৷ কারণ মানুষকে দূর্বল করে সৃষ্টি করা হয়েছে৷” [সুরা নিসা ৪:২৭-২৮] এর পরের নামাজে এই পন্থা প্রয়োগ করে দেখুন। নিজের মন থেকে সম্পূর্ণ বিশ্বাস করুন যে আল্লাহতায়ালা আপনাকে ক্ষমা করে দিতে চান, মার্জনা করে দিতে চান এবং আপনার প্রতি করুনা বর্ষণ করতে চান। বিশ্বাস করুন এবং মনপ্রাণ দিয়ে আল্লাহর কাছে প্রত্যাশা করুন যেনো তিনি আপনাকে জান্নাতুল ফিরদাউস দান করেন, এবং শুধু তাইই না, আপনি যেনো জান্নাতে সর্বশ্রেষ্ঠ নবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম এর প্রতিবেশী হোন| এগুলো আকাশচুম্বী কল্পনাপ্রসূত কোন গল্প নয়। বরং আল্লাহ তায়ালা বলেন: “তোমাদের পালনকর্তা বলেন, তোমরা আমাকে ডাক, আমি সাড়া দেব।” [সুরা গাফির ৪০:৬০] নবী(সা:) বলেন: “আল্লাহর কাছ থেকে নিশ্চয়তার সাথে প্রার্থনা করো যে তিনি তোমার ডাক শুনবেন।” [সুনান আল-তিরমিজীঃ ৩৪৭৯] যদি আপনি তা করেন; আল্লাহ তায়ালা আপনাকে তার থেকেও অনেক বেশী দান করবেন| কিন্তু মনে রাখবেন এসব চাইতে হবে ‘রযা’ অবস্থায় “আমানি” অবস্থায় না| পার্থক্য কোথায়? ‘রযা’ হল এতক্ষণ ধরে যা বলা হল তা সব, কিন্তু এসব করতে হবে একাগ্র চিত্তে ও পরিশ্রমের মাধ্যমে; একবারে না হলে পুনরায় চেষ্টা করতে হবে, চাইতে হবে আল্লাহর কাছে তিনি যেনো আপনার জন্য ‘রযা’ পাওয়াকে সহজ করে দেন, যদি তা না করি তাহলে সেটা হল ‘আমানি’..সঠিক একাগ্রতা আর অধ্যাবসায় ছাড়া এমনি এমনি আল্লাহর করুনা প্রার্থনা করা- তিনি(আল্লাহ) তা করা পছন্দ করেন না| আল্লাহতায়ালা বলেন: “আর যে তওবা করে, ঈমান আনে এবং সৎকর্ম করে অতঃপর সৎপথে অটল থাকে, আমি তার প্রতি অবশ্যই ক্ষমাশীল।” [সুরা তাহা ২০:৮২] আর এমন করলেই তিনি আপনাকে আপনার প্রতাশার চাইতেও বেশী কিছু দান করবেন। চলবে ইনশাআল্লাহ পর্ব২ঃ https://t.me/Praachir/12007
জীবনঘনিষ্ঠ এই লিখাটি অবশ্যই পড়বেন সকলেই। - দুনিয়ার একটা কঠিন বাস্তবতা হচ্ছে, আপনি যখন কোনো জিনিস মনেপ্রাণে চাইবেন, তার জন্য দুয়া করবেন, চেষ্টা করবেন, অপেক্ষা করবেন, নিজের সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে সেটা পাওয়ার চেষ্টা করবেন, তখনও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আপনি জিনিসটা পাবেন না। আর কখনো যদি পেয়েও যান, অনেক সময় সেটা এমন এক সময়ে এসে পৌঁছাবে, যখন সেই জিনিসটার জন্য আপনার ভেতরের তীব্র আকাঙ্ক্ষাটাই আর অবশিষ্ট থাকবে না। কিছু কিছু চাওয়া জীবনে আসে ঠিক মানুষের মতো। আপনি তাকে পাওয়ার জন্য বছরের পর বছর অপেক্ষা করেন, নিজের ভেতরে একটা জায়গা খালি রাখেন, ভাবেন, "এটা পেলে আমি পূর্ণ হবো।" তারপর একদিন সেটা সত্যিই আপনার জীবনে আসে। কিন্তু ততদিনে আপনি বদলে গেছেন। আপনার প্রয়োজন বদলেছে, অগ্রাধিকার বদলেছে, অনুভূতি বদলেছে। যে জিনিসটার জন্য একসময় রাত জেগে দুয়া করেছেন, সেটা হাতে পাওয়ার পর আপনার মনে হয়, "এটার জন্যই কি এতদিন অপেক্ষা করেছিলাম?" এখানেই দুনিয়া আর আমাদের চাওয়ার মধ্যে সবচেয়ে নির্মম একটা অমিল আছে। আমরা কোনো জিনিস চাই বর্তমানের অনুভূতি দিয়ে, কিন্তু আল্লাহ আমাদের জীবন পরিচালনা করেন পুরো জীবনের পরিণতি জেনে। কুরআনে আল্লাহ বলেন, "হতে পারে তোমরা কোনো জিনিস অপছন্দ করো অথচ তাতে তোমাদের জন্য কল্যাণ রয়েছে; আর হতে পারে তোমরা কোনো জিনিস ভালোবাসো অথচ তাতে তোমাদের জন্য অকল্যাণ রয়েছে। আল্লাহ জানেন, তোমরা জানো না।" (সূরা আল-বাকারা ২:২১৬) সমস্যা হলো, আমরা সাধারণত শুধু ফলাফল দেখি। পাইনি মানে ভাবি, দুয়া কবুল হয়নি। দেরি হয়েছে মানে ভাবি, আল্লাহ আমাকে দিচ্ছেন না। হারিয়েছি মানে ভাবি, সব শেষ। অথচ কখনো কখনো না পাওয়াটাই ছিল উত্তর। কখনো দেরিটাই ছিল উত্তর। কখনো এমনভাবে পাওয়া, যেটাকে আমরা "পাওয়া" ভাবছি, সেটাও হয়তো আমাদের জন্য সবচেয়ে ভালো জিনিস নয়। আর কখনো আল্লাহ জিনিসটা দেন, কিন্তু তার আগে আমাদের এমনভাবে বদলে দেন যে আমরা বুঝতে পারি, আমরা আসলে যে জিনিসটার জন্য কাঁদছিলাম, সেটার চেয়েও বড় কিছু দরকার ছিল আমাদের। তাই জীবনে কিছু চাওয়া পূরণ না হওয়ার বেদনা মেনে নেওয়ার পাশাপাশি আরেকটা সত্যও মেনে নিতে হয়—সব ইচ্ছা পূরণ হওয়া মানুষের জন্য রহমত নয়। একজন মানুষ যদি তার জীবনের প্রতিটি চাওয়া পেয়ে যেত, তাহলে হয়তো সে তার নিজের ধ্বংসের সবচেয়ে নিখুঁত স্থপতি হয়ে উঠতো। কখনো কোনো দরজা বন্ধ হয়ে যায় কারণ আপনি তার ওপাশে কী আছে জানেন না। কখনো কোনো মানুষ আপনার জীবন থেকে চলে যায় কারণ আপনি শুধু তার উপস্থিতিটা দেখেছিলেন, তার সম্ভাব্য পরিণতিটা দেখেননি। কখনো কোনো স্বপ্ন ভেঙে যায় কারণ আপনি স্বপ্নটাকে ভালোবেসেছিলেন, কিন্তু আল্লাহ আপনার ভবিষ্যৎটাকে দেখেছিলেন। আর সবচেয়ে অদ্ভুত ব্যাপার হলো, সময় অনেক কিছুর মূল্য বদলে দেয়। আজ যে চাকরিটা না পেয়ে আপনি ভেঙে পড়ছেন, পাঁচ বছর পর হয়তো বুঝবেন সেটা পেলে আপনি অন্য কোনো পথে যেতেনই না। আজ যে সম্পর্কটা হারিয়ে আপনার মনে হচ্ছে জীবন শেষ, কয়েক বছর পর হয়তো বুঝবেন সেটাই আপনাকে এমন একটা জীবন থেকে বের করে এনেছিল, যেটা আপনি তখন কল্পনাও করতে পারেননি। আজ যে স্বপ্নটা অপূর্ণ থাকার জন্য আপনি আল্লাহর কাছে কাঁদছেন, একদিন হয়তো সেই অপূর্ণতার জন্যই আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করবেন। তবে এর অর্থ এই নয় যে মানুষ চাইবে না, দুয়া করবে না, চেষ্টা করবে না। বরং মুমিনের কাজ হলো নিজের চাওয়াকে আল্লাহর কাছে নিয়ে যাওয়া, সর্বোচ্চ চেষ্টা করা, তারপর ফলাফলটাকে আল্লাহর হিকমাহর হাতে ছেড়ে দেওয়া। কারণ দুয়া মানে আল্লাহকে নিজের ইচ্ছার সঙ্গে একমত করিয়ে নেওয়া নয়। দুয়া মানে নিজের ইচ্ছাকে আল্লাহর হিকমাহর সামনে সমর্পণ করা। আপনি চাইবেন। খুব চাইবেন। কাঁদবেন। চেষ্টা করবেন। বারবার দুয়া করবেন। তারপরও যদি না পান, তাহলে ধরে নিতে হবে না যে আপনার দুয়া বৃথা গেছে। হয়তো আপনি যা চেয়েছেন, সেটা পাননি। হয়তো তার বদলে এমন কিছু পেয়েছেন, যার মূল্য এখনো বোঝার মতো দূরত্ব আপনার তৈরি হয়নি। আর হয়তো কোনো একদিন পেছনে ফিরে তাকিয়ে দেখবেন— যেটাকে আপনি জীবনের সবচেয়ে বড় অপূর্ণতা ভেবেছিলেন, সেটাই আসলে আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় রহমত ছিল। - লিখেছেন:- Mahfuj Alamin
আল্লাহ তাআলা বলেন, وَإِذَا قُرِئَ ٱلۡقُرۡءَانُ فَٱسۡتَمِعُوا۟ لَهُۥ وَأَنصِتُوا۟ . "যখন পবিত্র কুরআন পাঠ করা হয় তখন মনোযোগ দিয়ে শ্রবণ কর এবং নীরব থাক"।[১] . "(আল্লাহ তাআলা) এ আয়াতে পবিত্র কুরআনের আদব শিক্ষা দিচ্ছেন। যখন পবিত্র কুরআন পাঠ করা হয় তখন তোমরা অত্যন্ত মনোযোগ সহকারে একাগ্রচিত্তে শ্রবণ কর এবং নীরব থাক, কেননা পবিত্র কুরআন মহান আল্লাহ পাকের কালাম। পবিত্র কুরআন যখন পাঠ করা হয় তখন যদি মনোযোগ সহকারে শ্রবণ না করা হয় তবে পাক কালামের অনাদর প্রকাশ পায়, আর তা পবিত্র কুরআনের অমূল্য সম্পদ থেকে মাহরুম হওয়ার কারণ হয়। . আলিমগণ লিখেছেন, যদি কোনো কাফির মুশরিকও পবিত্র কুরআনে বর্ণিত আদব রক্ষা করে তা শ্রবণ করে তবে আল্লাহ পাকের রহমত হলে তার অন্তর আলোকিত হতে পারে এবং ইসলাম কবুল করে আল্লাহর ওলীদের দলে অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। এজন্য আয়াতের শেষ বাক্যটি হলো: . لَعَلَّكُمۡ تُرۡحَمُونَ 'হয়তো তোমাদের প্রতি দয়া করা হবে'। অর্থাৎ আল্লাহ পাকের রহমত ও দয়া লাভের পন্থা হলো পবিত্র কুরআন পূর্ণ আদব ও মুহাব্বত সহকারে শ্রবণ করা"। [২] . [ ১) সূরা আ'রাফ: ২০৪; ২) মাওলানা মো. আমিনুল ইসলাম (রাহ.), তফসীরে নূরুল কোরআন: ৯/২২৮-২৯]
যখন আপনার মেয়ে বোন শাঁখা সিঁদুর পরে চলে যাবে তখন সতর্ক হয়ে লাভ নেই! কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের মৌকারা ইউনিয়নের বিরুলী গ্রামের মৃত শেকত আলীর মেয়ে ঝুমুর ইসলাম ধ/র্ম ত্যা/গ করে হি/ন্দু ধর্ম গ্রহণ করেছে।(নাউজুবিল্লাহ)।
বিষয় টা ☺️
এমনটা হলে প্রতিষ্ঠানের সর্বনাশ তো হবেই। সাথে সাথে শিক্ষা ব্যবস্থার আত্মহুতিও দেখতে হবে। মানুষ এগিয়ে যায়। বিএনপি সরকার পেছনে হাঁটছে। ফলাফল হবে বেহিসাব অধপতন।
"শয়তান তোমাদেরকে দারিদ্রে্র ভয় দেখায় এবং অশ্লীলতার নির্দেশ দেয়। আর আল্লাহ তোমাদেরকে তার পক্ষ থেকে ক্ষমা এবং অনুগ্রহের প্রতিশ্রুতি দেন। আর আল্লাহ সর্বব্যাপী-প্রাচুর্যময়, সর্বজ্ঞ।"[১] . الشَّيْطَانُ يَعِدُكُمُ الْفَقْرَ وَيَأْمُرُكُمْ بِالْفَحْشَاءِ وَاللَّهُ يَعِدُكُمْ مَغْفِرَةً مِنْهُ وَفَضْلًا وَاللَّهُ وَاسِعٌ عَلِيمٌ . "অর্থাৎ, সৎ পথে মাল ব্যয় করতে চাইলে শয়তান নিঃসব ও কাঙ্গাল হয়ে যাওয়ার ভয় দেখায়। কিন্তু অন্যায় পথে ব্যয় করার সময় এই ধরনের কোন আশঙ্কা মনে আসতেই দেয় না; বরং মন্দ কাজগুলোকে এত সুন্দর করে সাজিয়ে পেশ করে এবং নিদ্রিত আশা-আকাঙ্ক্ষাকে এমনভাবে জাগিয়ে তোলে যে, মানুষ তার জন্য বিশাল পরিমাণ অর্থ অনায়াসে ব্যয় করে ফেলে।"[২] . [১) সূরা বাকারাহ: ২৬৮; ২) তাফসীরে আহসানুল বায়ান]
বিএনপি সরকার ক্ষমাতায় আসার পর উদ্বোধনের পূর্বে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর থেকে যা যা সরানো হয়েছে: ১. বর্ডার কিলিং রুম নামে একটি সেকশনে সীমান্ত হত্যার বিভিন্ন আলামত ও রেকর্ড সংরক্ষিত ছিল। উদ্বোধনের পূর্বে পুরো সেকশনটিই সরিয়ে ফেলা হয়েছে। ২. সীমান্ত হত্যার শিকার ফেলানীর ভাষ্কর্য সরিয়ে ফেলা হয়েছে। ৩. জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের লংমার্চ টু ঢাকা কর্মসূচির অংশটি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। ৪. আগ্রাসনের বিরুদ্ধে মোদি বিরোধী আন্দোলনের ইতিহাস সম্বলিত সেকশনটি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। ৫. ডিজিটাল সিক্যুরিটি অ্যাক্ট (ডিএসএ) এর মাধ্যমে নিপীড়নের শিকার ভিক্টিমদের আলামত এবং ইতিহাসের সেকশনটি ছোট করে ফেলা হয়েছে। ৬. ওয়ান ইলেভেন সরকার যে পাতানো নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় এনেছিলো এবং সেই নীল নকশা যে প্রণব মুখার্জি এবং মঈনের বৈঠকে তৈরি হয়েছিল তার ইঙ্গিত পাওয়া যায় প্রণব মুখার্জির বইয়ে। জুলাই যাদুঘরের লং ওয়াক টু ডেমোক্রেসি সেকশনে প্রণব মুখার্জির এই বইয়ের রেফারেন্স ছিলো। সেটি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। (এটা তো বিএনপিরই বরং রাখার কথা, ভিতর থেকে কোন গুপ্ত আবার লীগের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে এটা সরিয়েছে হয়তো)। এছাড়াও আরো ছোট ছোট অনেক এলিমেন্ট বাদ দিয়ে অনেক ক্ষেত্রেই কম্প্রোমাইজ করা হয়েছে।
видео или голосовое, без подписи
"হে মুমিনগণ! দানের কথা বলে বেড়িয়ে এবং কষ্ট দিয়ে তোমরা তোমাদের দানকে ঐ ব্যক্তির ন্যায় নিস্ফল করো না যে নিজের সম্পদ লোক দেখানোর জন্য ব্যয় করে থাকে এবং আল্লাহ্ ও আখেরাতে ঈমান রাখে না। ফলে তার উপমা হলো এমন একটি মসৃণ পাথর, যার উপর কিছু মাটি থাকে, তারপর প্রবল বৃষ্টিপাত সেটাকে পরিস্কার করে রেখে দেয়। যা তারা উপার্জন করেছে তার কিছুই তারা তাদের কাজে লাগানোর ক্ষমতা রাখে না।[a] আর আল্লাহ কাফের সম্প্রদায়কে হিদায়াত করেন না।"[b] . يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تُبْطِلُوا صَدَقَاتِكُمْ بِالْمَنِّ وَالْأَذَى كَالَّذِي يُنْفِقُ مَالَهُ رِئَاءَ النَّاسِ وَلَا يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ فَمَثَلُهُ كَمَثَلِ صَفْوَانٍ عَلَيْهِ تُرَابٌ فَأَصَابَهُ وَابِلٌ فَتَرَكَهُ صَلْدًا لَا يَقْدِرُونَ عَلَى شَيْءٍ مِمَّا كَسَبُوا وَاللَّهُ لَا يَهْدِي الْقَوْمَ الْكَافِرِينَ . [a] "এখানে প্রথমত, বলা হয়েছে যে, সাদাকা-খয়রাত করে অনুগ্রহ প্রকাশ করা বা বলে বেড়ানো) এবং (খোঁটা মেরে) কষ্টদায়ক বাক্যালাপ ঈমানদারদের অভ্যাস নয়, বরং তা হল মুনাফেক ও তাদের অভ্যাস, যারা লোক প্রদর্শনের জন্য ব্যয় করে। দ্বিতীয়ত, এ রকম ব্যয় করার দৃষ্টান্ত এমন পরিষ্কার পাথরের মত যার উপর থাকে কিছু মাটি, কোন মানুষ ফসলাদি লাভের আশায় তাতে বীজ ফেলে দেয়, কিন্তু বৃষ্টির এক ঝাপটেই সমস্ত মাটি ধুয়ে নেমে যায় এবং পাথর মাটি থেকে একেবারে পরিষ্কার ও মসৃণ হয়ে যায়। অর্থাৎ, যেমন বৃষ্টি এই পাথরের জন্য কোন ফলপ্রসূ হয় না, অনুরূপ লোকপ্রদর্শনকারীর সাদাকাও তার জন্য কোন লাভ বয়ে আনে না।"[২] . [b] "অর্থাৎ, যাদের ব্যাপারে তাঁর (আল্লাহর) জ্ঞানে পূর্ব থেকেই অবধারিত হয়ে আছে যে তারা কুফরের ওপর মৃত্যুবরণ করবে। আর এতে ইঙ্গিত রয়েছে যে, খোঁটা দেওয়া, কষ্ট দেওয়া এবং রিয়া-এসব কাফিরদেরই বৈশিষ্ট্যের অন্তর্ভুক্ত"।[৩] . [১) সূরা বাকারাহ: ২৬৪; ২) হাফিয সালাহুদ্দীন ইউসুফ (রাহ.), তাফসীরে আহসানুল বায়ান; ৩) নবাব সিদ্দীক হাসান খান ভূপালী (রাহ.), ফাতহুল বায়ান: ২/১২১]
কোরিয়ান জিনসেং এর উপকারিতা- ১- রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ২- অবসাদ দূর করতে সাহায্য করে। ৩- রক্ত চলাচলে সাহায্য করে। ৪- স্মৃতিশক্তি তে সাহায্য করে। ৫- ঋতুরাজের সময় মেয়েদের স্বাস্থ্য উন্নতিতে সাহায্য করে। ৬- লিঙ্গ "উত্থান" বাড়ায়। ৭- যৌ-ন হরমোন উৎপাদন বাড়ায়। ৮- বী-র্যের সংখ্যা এবং গুণাগুণ বাড়ায় ৯- অন্ডকোষকে রায়াসনিক প্রভাব থেকে বাঁচায় এবং অসুস্থতার সময়ও বী-র্য উৎপাদনের সহায়তা করে। কোরিয়ান জিনসেং এ এসব উপকারিতা পাবেন ইন শা আল্লাহ আমরা বলবো নাহ যে জিনসেং সমস্ত রোগের ওষুধ। তবে এটি অনেক রোগ নিরাময়ে সাহায্য করে । এটি প্রাপ্ত বয়স্ক ছেলে মেয়ে উভয়ে খেতে পারবে। যাদের যৌ-ন সমস্যা নাই তারা ও খেতে পারবে। অনেকে আবদার করছিলেন তাদের জন্য সরাসরি কোরিয়া থেকে আনা। যারা স্বাস্থ্যকর কে বিশ্বাস করেন তারা চোখ বন্ধ করে নিতে পারেন। 📥 অর্ডার করুন👇 📩টেলিগ্রামঃ @ShopContact 📥হোয়াটসঅ্যাপঃ +8801982027508
"তারা তোমাদের জন্য পোশাক এবং তোমরাও তাদের জন্য পোশাক।" [সূরা বাকারা : আয়াত ১৮৭] এই আয়াতাংশটা স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের একটা সামারি। এই একটা বাক্যই দুনিয়ার জীবনে তাদের সম্পর্কের পুরো পিকচার ও বৈশিষ্ট্যকে তুলে ধরেছে। পোশাক : ১। মানুষের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ থাকে। ২। মানুষকে ঢেকে রাখে। ৩। মানুষের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। ৪। মানুষের শরীরের মাপে খাপ খায়। ৫। মানুষকে আরাম ও শান্তি দেয়। ঠিক স্বামী-স্ত্রী পরস্পরে : ১। সবচেয়ে ঘনিষ্ঠজন হবে। ২। একে অপরের ত্রুটি-দূর্বলতা গোপন রাখবে। ৩। একে অপরের চারিত্রিক, আদর্শিক ও সার্বিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি করবে। ৪। একে অপরের জন্য কম্প্রোমাইজ করে খাপ খেয়ে উঠবে। ৫। সুকুন ও প্রশান্তির আশ্রয়স্থল হবে। ~ ইফতেখার সিফাত (হাফি.)
উসামাহ্ ইবনু যায়দ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার (ইন্তেকালের) পরে আমার উম্মাতের পুরুষদের জন্য নারী অপেক্ষা অধিক ফিতনার শঙ্কা আর কিছুতেই রেখে যাইনি। • বুখারী ৫০৯৬, মুসলিম ২৭৪০, তিরমিযী ২৭৮০, ইবনু মাজাহ ৩৯৯৮, *মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত) | ৩০৮৫
Reality Check BD presents: Decoding Hasina - Tale of a Psychopathic Killer! ৫ আগস্ট, আজকের দিনে পালিয়েছিল খুনি হাসিনা। হাসিনা কেবল মাত্র একটি নাম বা দীর্ঘ জুলুমের ভিলেন এমন কিছু না বরং হাসিনা হচ্ছে একটি সিস্টেমের ফসল। আমরা যদি সেই সিস্টেম ভালো ভাবে না বুঝতে পারি তাহলে এমন হাসিনা আবার আমাদের উপরে চেপে বসা অস্বাভাবিক কিছু না। আজকের ভিডিওতে আমরা হাসিনাকে ডি কোড করার চেস্টা করেছি, খুনি হাসিনার মনস্তত্ব বুঝার চেস্টা করেছি এবং এও আলোচনা করেছি কিভাবে হাসিনার মত ফ্যাসিস্ট তৈরি হয়। ভিডিওটি দেখুন, আপনাদের মতামত কমেন্ট করুন এবং সর্বোচ্চ শেয়ার করুন।
"প্রশংসনীয় ভীতি হচ্ছে তা যা তোমাকে আল্লাহর নিষিদ্ধকৃত বস্তু থেকে দূরে রাখে"। . ~ শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবনু তাইমিয়াহ [রাহ.] . [ ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রাহ.), মাদারিজুস সালিকীন: ২/১৮৪]
জুলাই নিয়ে আলেমদের প্রতিদান প্রচার কম হয়। এজন্য আপনার ফোনে বা ক্যামেরাতে ধারন করা ছবি/ভিডিও আমাদের কাছে পাঠাতে পারেন।আমরা প্রচার করবো ইনশাআল্লাহ। ম্যাসেজঃ @TasawwufDMBot 👈
видео или голосовое, без подписи