Ikhlas-ইখলাস
Статистикаএকটি ইসলামিক দাওয়াহ ডিজাইন চ্যানেল। শুধুমাত্র রবের সন্তুষ্টির জন্য ইনশাআল্লাহ।
- Последний пост
- 15 авг.
- Последнее чтение
- 15 авг.
- Постов за неделю
- 18
- Всего постов
- 35
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- Категория
- Новости и СМИ (по похожим)
- В каталоге с
- 13 авг.
- 1/24сутки в ленте
- 905
- 1/48двое суток
- 1 037
- 1/72трое суток
- 1 118
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
ভর্তি হওয়ার পর ১ সপ্তাহ অবজারভেশনে রেখেছিলেন। এর মধ্যে সব ডাক্তার বোর্ড বসল। আমাকে সহ গার্ডিয়ান ডাকল এবং বুঝিয়ে বলল যে, এমনও হতে পারে পেটে কেটে আবার সেলাই করে দিব। আমাদের কিছুই করার থাকবে না। আবার এমনও হতে পারে, হাফ টিউমার এখন কাটব, আবার পরবর্তীতে হাফ কাটব। অন্য আরেক রোগীর উদাহরণ দিলেন, যেন ওদের কাছে গিয়ে পরামর্শ নিই। ওদেরও দুইবার অপারেশন লেগেছে। সবাই মোটামুটি ভেঙে পড়েছে ততদিনে। আমি শুধু একটা কথাই বলতাম যে, দেখবেন অপারেশন শেষে ডাক্তার বলবেন, "আপনার মেয়ের অপারেশন এত সহজ আর সুন্দর হয়েছে, আমাদের কল্পনার বাইরে।" আর বলতাম আম্মুকে যে, আমি সুস্থ হয়ে আমার দোয়া কবুলের গল্প সবাইকে বলব, ইনশা আল্লাহ। অপারেশনের দিন আসল। আমাকে নেওয়া হলো অপারেশন থিয়েটারে। নেওয়ার পরেও প্রায় দেড় ঘণ্টা পর আমার অপারেশন শুরু হয়। এই দেড় ঘণ্টা বোধহয় আমি দেড় মিনিটও দরূদে ইবরাহিম পড়া বাদ দিইনি। আমার বিন্দুমাত্র কোনো ভয় লাগেনি, আল্লাহর রহমতে। অলমোস্ট ৫ ঘণ্টার অপারেশন শেষে বের হয়ে ডাক্তার সেইম এই কথাটাই বলছিলেন যে, "তোমার মেয়ের অপারেশন এত সহজ আর সুন্দর হয়েছে, আমাদের কল্পনার বাইরে ছিল এটা। পুরো টিউমার আমরা উঠিয়ে এনেছি এবং ওর সবকিছু ভালো আছে।" আলহামদুলিল্লাহ এভাবে করে অপারেশনের ৩ দিন পর আমার বায়োপসি রিপোর্ট আসে। আমি তখনও পোস্ট-অপারেটিভ রুমেই। আমার হাসবেন্ড রিপোর্ট পেয়েই অ্যাসিস্ট্যান্ট ডাক্তারকে দেখিয়ে আমার কাছে এসে বলল, "তোমার বায়োপসি রিপোর্ট এসেছে এবং আলহামদুলিল্লাহ, এতে কোনো ক্যান্সার নেই।" আমার তখন মনে হচ্ছিল যে, হ্যাঁ, এটাই তো হওয়ার ছিল। আমার রব্ব তো আমাকে নিরাশ করবেন না। আমি জানতাম। তারপর রিপোর্ট নিয়ে মেইন ডাক্তার পুরো টিমসহ এসে সে কী উচ্ছ্বাস! বারবার বলছিলেন, "It's a miracle from Allah." এরপর প্রতিবার ফলোআপে ডাক্তার একই কথা বলেন, "It's a miracle from Allah." "আমরা অনেক রিস্ক নিয়ে তোমার অপারেশনে গিয়েছিলাম। ঠিক যেভাবে সুতার ওপর ভর দিয়ে মানুষ হাঁটে। কিন্তু আল্লাহ যে তোমাকে কই থেকে কই এনেছেন, এটা কল্পনাতীত।" আলহামদুলিল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ। (এমনকি আমার সাথে ওই সময়েই আরও কয়েকটা রোগীর এরচেয়ে ছোট টিউমারও পুরোপুরি উঠে আসেনি, আর আমার টিউমার ছিল বেশ বড়।) আজ এই গল্পটা লিখলাম শুধু একটা কথাই বলার জন্য— মানুষের রিপোর্ট শেষ কথা নয়, শেষ কথা একমাত্র আল্লাহর। আল্লাহ যখন "কুন" বলেন, তখন অসম্ভবও সম্ভব হয়ে যায়। আলহামদুলিল্লাহ। আমি আমার রব্ব এর এই "কুন" এর অপেক্ষায় ছিলাম আর প্রতিবার এই আয়াত পড়তে নিলেই আমার খুশি লাগতো। সংগৃহীত
পুরোপুরি সুস্থ একজন মানুষ আমি। জাস্ট নরমাল একটা চেকআপে গিয়েছিলাম সেদিন ডাক্তারের কাছে। ডাক্তার বলছিলেন, "আপনি তো আলহামদুলিল্লাহ সুস্থই আছেন। তবুও যেহেতু আপনি ধারণা করছেন আপনার থাইরয়েড হয়েছে নাকি, তাহলে সাথে আরও কিছু টেস্ট দেই, একবারে করে যান।" মনে মনে বিরক্ত হলাম যে, এই তো শুরু হয়ে গেল অযথাই টেস্টের পালা। তো যাই হোক, পরবর্তীতে ব্লাডের কয়েকটা টেস্ট, ইসিজি প্লাস আল্ট্রাসাউন্ডও দিল। এটা দেখে তো আমি আরও হতাশ যে, আল্ট্রা কেন? আমার তো পেটে আল্লাহর রহমতে একটু গ্যাসের সমস্যাও নেই। যাই হোক, দিয়েছে যেহেতু করেই যাই। একশো নম্বর সিরিয়ালে আমাকে ডাকলেন আল্ট্রাসাউন্ড রুমে। স্ক্রিনে তাকিয়েই আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, পেটে ব্যথা কেমন, ডায়াবেটিস আছে কিনা, আরও বেশ কিছু প্রশ্ন। এদিকে এসবের কিচ্ছুটিই আমার নেই। তখন আল্ট্রাসাউন্ডের ডাক্তার বললেন, "তাহলে কেন আসছেন ডাক্তারের কাছে?" পরে বললাম যে নরমাল চেকআপে। উনাকে জিজ্ঞেস করলাম, "আমার কি সিরিয়াস কিছু হয়েছে কিনা?" উনি কোনো উত্তর দেননি। পরবর্তীতে যখন সব রিপোর্ট নিয়ে ডাক্তারকে দেখাই, তখন উনি ইমারজেন্সিভাবে হোল অ্যাবডোমেন সিটি স্ক্যান দেন। তখনও আমি একদমই ভাবিনি কী হতে যাচ্ছে আমার সাথে। পরদিন সিটি স্ক্যান করে চলে আসি। একদিন পর রিপোর্ট নিয়ে ডাক্তার দেখাতে গেলে ডাক্তার জানান যে, আমার ক্যান্সার হয়েছে। দ্রুত যেন ঢাকায় ডাক্তার দেখাই। এই খবর শোনার পর মানসিক অবস্থা কেমন হতে পারে, সেই প্রসঙ্গে আর না গেলাম। রাতে বাসায় ফিরে ভীষণ কান্নাকাটি করে ঘুমিয়ে গিয়েছিলাম। পরদিন সকালে উঠে থেকে কিভাবে যেন শক্ত হয়ে গেছি। আর খোঁজ শুরু করলাম, কী আমল করলে আমার রব্ব আমাকে পরিপূর্ণ সুস্থ করে দিবেন। সূরা ফাতিহা পড়া শুরু করলাম অগণিত বার। তাহাজ্জুদ, ইস্তিগফার, দরূদ—সবই বাড়িয়ে দিলাম। এর মধ্যেই ঢাকায় অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়া হলো। প্রথম সাক্ষাতে ডাক্তার বলছেন, "তোমার কিভাবে এই ক্যান্সার হতে পারে? এটা তো প্রায় অসম্ভব ব্যাপার। আর এতটা সুস্থ থাকাও সম্ভব না, যদি হয়েও থাকে।" এবং খুব আশ্বাস দিলেন যে, অন্তত ক্যান্সার না। এরপর উনি আরও কিছু টেস্ট দিলেন। এর মধ্যে এমআরসিপি রিপোর্টে প্যানক্রিয়াসে বেশ বড়সড় একটা টিউমারই দেখা দিল। তখনও ডাক্তার আমাকে কনফিডেন্টলি বললেন যে, এটা ক্যান্সার না। তবুও আমি এফএনএসি দিচ্ছি। এটা করিয়ে কনফার্ম হয়ে ট্রিটমেন্ট করব তোমার। অপারেশনও নাও লাগতে পারে। যথারীতি এফএনএসি করা হলো এবং রিপোর্ট আসল ৪ দিন পর। খুবই আগ্রাসী ক্যান্সারের। কেন যেন এই রিপোর্ট দেখে তেমন আর মন খারাপ হয়নি। মানে খুব সহজেই মেনে নিচ্ছিলাম। কিন্তু ভাবছিলাম, অবশ্যই আল্লাহ আমাকে সুস্থ করবেন, পরিপূর্ণভাবে। তারপর পিজি সহ ঢাকার সনামধন্য দুই-তিন হাসপাতালে ডাক্তার দেখালাম। পিজিতে বোর্ডও বসল যে, এটা কিভাবে সম্ভব এই বয়সে? কিন্তু রিপোর্ট তো এই কথাই বলে। শেষ অবধি আমার কেমোথেরাপি শুরু হলো। আগে টিউমার ছোট করতে হবে, এরপর অপারেশন। এর মধ্যে আমি একদম ভেঙে পড়িনি। এসব কিছুই আমি নিজে ফেস করেছি, আলহামদুলিল্লাহ। আমার তখন একটাই চিন্তা ছিল, আমার রব্বের কাছ থেকে চেয়ে নেব। তখন একটা মোটামুটি রুটিন বানিয়ে নিলাম। এমন— প্রতি ৫ ওয়াক্ত নামাজের পর ৩ বার দরূদে ইবরাহিম ৭ বার সূরা ফাতিহা ৩ বার দরূদে ইবরাহিম ১ বার ইসমে আজম আয়াতে শিফা এরপর যত ইচ্ছা সূরা আন'আমের ১৭ নম্বর আয়াত। এইটুকু ছিল ফিক্সড। তা ছাড়া অসংখ্য বার সূরা ফাতিহা, দরূদে ইবরাহিম, সাইয়্যেদুল ইস্তিগফার পড়েছি। আইয়ুব (আ.)-এর দোয়া পড়েছি। আরও আরও শিফার যত দোয়া যেখানে যা পেয়েছি, তাই পড়েছি। আজান-ইকামতের মাঝখানের সময়টাতে অঝোরে কেঁদে দোয়া করেছি। তাহাজ্জুদে কান্নাকাটি করে চেয়েছি। শুধু বলতাম, "ইয়া রব্ব, ইয়া শাফি, আপনি আমাকে সূরা ফাতিহার উসিলায় এমনভাবে পরিপূর্ণ শিফা দান করুন, যেন আমার শরীরে কোনো রোগই ছিল না।" যত রকমভাবে আকুতি ভরে আল্লাহকে বলা যায়, সেভাবেই বলেছি। এভাবে করতে করতে অর্ধেক কেমোথেরাপি শেষ হওয়ার পর টেস্ট করতে দিল, কতটুকু ছোট হলো টিউমার। ফলাফল—ছোট তো হয়ইনি, বরং আরও একটু বড় দেখাচ্ছে। ডাক্তার সহজ ভাষায় জানিয়ে দিলেন, "আপনার ট্রিটমেন্ট কাজ করেনি। সার্জারি ডাক্তারের সাথে কথা বলে দেখেন। অপারেশন করে ফেলেন এভাবেই।" রিপোর্ট নিজেই প্রথমে দেখেছি এবং একটুও বিচলিত হইনি, আলহামদুলিল্লাহ। আমার আব্বু আমার সাথে ছিলেন। খুবই ভেঙে পড়েছিলেন। আমি বলছিলাম, "আব্বু, আমার ক্যান্সারই হয়নি। এই জন্য কেমোথেরাপি কাজ করেনি।" তখন আব্বু বলছিলেন, "এত পজিটিভ ভাবো কিভাবে, আম্মু?" কিন্তু আমি পূর্ণ তাওয়াক্কুল রেখেছিলাম রব্বের প্রতি। এরপর গেলাম সার্জারি ডাক্তারের কাছে। উনি রিপোর্ট দেখে কিছুটা বিচলিত হলেও বুঝতে না দিয়ে বললেন, ইমারজেন্সি ভর্তি হয়ে যেতে।
আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন। সবকিছুই কারণবশত ঘটে থাকে। একদিন আপনি বুঝতে পারবেন, আপনার জীবনে যা কিছু ঘটেছে তার প্রতিটাই আপনার জন্য উত্তম ছিল। ড. বিলাল ফিলিপ্স।
গোধুলী!
তার এই কান্নাতে কোনো ভেজাল নাই, তাকাল্লুফ নাই। একেবারে নির্ভেজাল মোহাব্বতের কান্না। اللهم صل وسلم علي نبينا محمد
সকলে কেঁদে উঠলেন... . রাসূল (ﷺ) এর মৃত্যুর পর বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু আর আযান দিতে পারেনি। এরপর একদিন বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু মদীনা ছেড়েই চলে গিয়েছিলেন। একদিন তিনি রাসূল (ﷺ) স্বপ্নে দেখলেন। রাসূল (ﷺ) বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে বলছেন, “এতদিনেও কি তোমার সময় হয়নি আমার রওজায় আসার।?” . ছয় বছর পর বিলাল মদীনায় আসলেন সবাই তাকে আযান দিতে অনুরোধ করলেন। কিন্তু তিনি মনঃস্থির করেছেন রাসূলের জন্য যে আযান দিতেন তা আর কোনদিন কারো জন্য দিবেন না। . শেষে উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর অনুরোধে বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু আযান দেওয়া শুরু করলেন। সেই আযান, সেই মধুময় সময়, রাসূলুল্লাহর স্মৃতি সব একসাথে ভেসে আসা শুরু করল। কিছুক্ষণের জন্য মানুষ মনে করল রাসূল (ﷺ) আবার ফিরে এসেছেন, মদীনার ঘর থেকে সবাই বেরিয়ে আসা শুরু করল, বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু যখন আযানে ‘আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ’র জায়গায় এসে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েছিলেন, পুরো মদীনা জুড়ে হু হু কান্নার শব্দ ছাড়া আর কিছু শোনা যায়নি। . শেষ কবে আপনি আপনার প্রিয় নবীর জন্য কেঁদেছেন? শেষ কবে? . সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়া সাল্লিম 'আলা নাবিইয়্যিনা মুহাম্মাদ!
গুরুত্বপূর্ণ!!
আল্লাহুম্মাগফিরলী! Elviro
পরীক্ষিত আমল!
ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.) লিখেছেন: "প্রকৃত শক্তি নিহিত রয়েছে আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল বা ভরসা রাখার মধ্যে।" এটি যেমন সালাফদের (পূর্বসূরিদের) একজন বলেছিলেন, "যে ব্যক্তি সবচেয়ে শক্তিশালী হতে চায়, সে যেন আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল (ভরসা) করে।" (জাদুল মা'আদ-২য় খণ্ড, পৃষ্ঠা ৩৬৪)
গায়রত❤️
আল্লাহ কবুল করুন!
গুরুত্বপূর্ণ ‼️
Chasing Sunlight through a garden of colors!
একদম ট্রু!
শাইখ মুহাম্মাদ সালিহ আল উসাইমীন রাহিমাহুল্লাহ বলেনঃ “ নেক আমলসমূহ বিভিন্ন রকমের হয়ে থাকে - • ক্বুরআন তিলাওয়াত করা, • যিকির করা, • তাসবীহ [ সুবহানাল্লাহ বলা ], • তাহমীদ [ আলহামদুলিল্লাহ বলা ], • তাহলীল [ লা- ইলাহা ইল্লালাহ বলা ], • তাকবীর [ আল্লাহু আকবর বলা ], • সৎকাজের আদেশ এবং অসৎ কাজের নিষেধ করা, • সলাত আদায় করা, • দান-সদাকা করা, • পিতামাতার আনুগত্য ও তাঁদের প্রতি দায়িত্বশীল হওয়া এবং আত্মীয়-স্বজনের সাথে সম্পর্ক উন্নয়ন করা। কাজেই নেক আমলসমূহ (জিলহজ্জের এই দশ দিনের প্রতিদান হিসেবে )গণনা করে শেষ করে যাবে না। যদি কেউ জিলহজ্জের ফজিলতপূর্ণ এই দশদিনে এক দিরহাম পরিমান অর্থ সাদাকা করে, অপরদিকে রমাদানের বরকতময় দশ দিনে সমপরিমাণ দিরহাম সাদাকা করে; এই দুইয়ের মধ্যে কোনটি আল্লাহর কাছে প্রিয় হিসেবে গণ্য হবে? — জিলহজ্জের বরকতময় এই দশকের সাদাকা, বরকতময় রমাদানের দশ দিনের সাদাকার চাইতে উত্তম হবে। ” [ তথ্যসূত্রঃ আল-লিক্বা আশ-শাহরী, ২/১০, খন্ড -২, পৃষ্ঠা ১০ ]
প্রশান্ত আত্মারাই জান্নাতের উত্তরাধিকারী।
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!