Deen - দ্বীন
Статистикаনবী (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন — আল্লাহর শপথ! যদি তোমার চেষ্টার দ্বারা আল্লাহ একটি লোককে হেদায়েত দেন, তবে তা হবে তোমার জন্য এক পাল লাল উটের চেয়েও উত্তম। [সুনান আবু দাউদ, ৩৬৬১]
- Последний пост
- 14 авг.
- Последнее чтение
- 13 авг.
- Постов за неделю
- 4
- Всего постов
- 22
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- Категория
- Новости и СМИ (по похожим)
- В каталоге с
- 13 авг.
- 1/24сутки в ленте
- 1 131
- 1/48двое суток
- 1 296
- 1/72трое суток
- 1 397
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
ইমাম কুরতুবী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন — “জান্নাতে মহিলা কম হবে এটা জান্নাতে প্রবেশের প্রথম অবস্থা হবে। অতঃপর আল্লাহর রহমত এবং নবীর (ﷺ) সুপারিশ হবে তখন তাদের পরিমাণ বেড়ে যাবে এবং প্রত্যেক পুরুষের জন্য দুইজন করে দুনিয়ার স্ত্রী হবে। আর জান্নাতের হুর অগণিত থাকবে যা কেউ গণনা করে শেষ করতে পারবে না।” [তাজকিরাতুল কুরতুবী, ২/৪৭৫]
السلام عليكم و رحمة الله و بركاته সম্প্রতি কয়েকজন আমাদের টেলিগ্রাম এড সম্পর্কে জানিয়েছেন। আমরা পূর্বেও জানিয়েছিলাম টেলিগ্রাম এড আমাদের নিয়ন্ত্রণে নাই। ১ হাজার বা তার বেশি যাদের সাবস্ক্রাইবার আছে সবার চ্যানেলেই এড আসে অটোমেটিক, এটা টেলিগ্রাম থেকেই দেয়। আমরা চাইলেও এটাকে বন্ধ করতে পারব না। আপনারা চাইলে এডের পাশে ৩ ডটে ক্লিক করে এড অফ করতে পারেন এভাবে কয়েকবার করলে ইনশাআল্লাহ আর আপনাদের সামনে আসবে না।
পাপ থেকে বেঁচে থাকার জন্য ইব্রাহিম ইবনে আদহাম (রাহিমাহুল্লাহ)-এর এক গুরুত্বপূর্ণ রিমাইন্ডার! আল্লাহ তা‘আলা আমাদের ক্ষমা করুন ও পাপ থেকে বেঁচে থাকার তৌফিক দান করুন।
বিবাহিত বোনদের জন্য কিছু কথা : ১. বিয়ের পর যদি মনে হয় আপনার সিদ্ধান্ত ভুল ছিল, তখন এটাও ধরে নেন, আপনার স্বামীর সিদ্ধান্তও সঠিক ছিল না। সুতরাং এ অবস্থায় আক্রোশ আর আফসোস নিয়ে পড়ে না থেকে একটা আন্ডারস্ট্যান্ডিংয়ে আসুন। ২. স্বামীর সবকিছু শুরু থেকে গোয়েন্দাগিরি করবেন না। তাকে বোঝান যে, আপনি তাকে স্বাধীনতা দিয়েছেন। তবে হ্যাঁ, সাথে এ-ও বলে দিন, আমি সব সহ্য করব; কিন্তু চারিত্রিক অধঃপতন সহ্য করব না। এ সিদ্ধান্ত আপনি আপনার স্বামীর মানসিকতা বুঝে তারপর নেবেন। ৩. স্বামী যতই অগোছালো থাকুক না কেন, আপনি তার পছন্দমাফিক নিজেকে গোছগাছ রাখার চেষ্টা করবেন। যাতে কখনো পরকীয়ায় যুক্ত হয়ে আপনার স্বামী এ কথা বলার সুযোগ না পায় যে, তুমি তো নিজেকে আপডেট করতে পারোনি, তুমি আমার পছন্দকে গুরুত্ব দেওনি। ৪. সব সময় যৌথ পরিবার খারাপ হয় না। যদি একসাথে থাকতে হয়, তাহলে নিজের সমস্যাগুলো আগে সমাধান করুন। রাগ কমান। সন্দেহ কমান। নিজেকে জালেম নয়, মাজলুম পর্যায়ে রাখার চেষ্টা করবেন। ভবিষ্যতে আপনিও শাশুড়ি হবেন, সেই চিত্র সামনে নিয়ে নিজের শাশুড়ির সহনীয় ভুলগুলো এড়িয়ে চলুন। তবে একসাথে থাকা কোনোমতে পসিবল না হলে সুন্দরভাবে আলাদা হোন। স্বামীকে বারবার মা-বাবা ও তার ভাইবোনের হক আদায়ের ব্যাপারে রিমাইন্ডার দিন। এতে আপনি তার কাছে আলাদা একটা সম্মানের জায়গা পাবেন ইনশাআল্লাহ। ৫. নিজের শখকে বিসর্জন দেবেন না। নিয়মিত বই পড়বেন। সুযোগ থাকলে ছাদবাগান বা বারান্দায় গাছ লাগাবেন। সব কাজের পাশাপাশি নারীদের জন্য ঘরোয়া যে কাজ আছে, সেগুলো শিখবেন। দ্বীনি হুকুম-আহকাম, প্যারেন্টিং, ফ্যামিলি ম্যানেজমেন্ট, মানি ম্যানেজমেন্ট, পজিটিভ মাইন্ড নিয়ে নিয়মিত স্ট্যাডি করবেন। ৬. সন্তান ও পরিবারের রোগব্যাধির বিষয়ে আপনি সবচেয়ে বেশি স্ট্রং থাকবেন। আল্লাহর ওপর তওয়াক্কুল রেখে বুঝেশুনে চিকিৎসা নেবেন। হুটহাট বাচ্চা বা নিজেদের জন্য এন্টিবায়োটিক নেবেন না। ঘরোয়া চিকিৎসায় গুরুত্ব দেবেন। কুরআনি চিকিৎসায় ফোকাস দেবেন। প্রাকৃতিক সমাধানে আগে যাবেন। ৭. নাটক, মুভি বা গল্প-উপন্যাসের রঙিন ও বেদনাময় চরিত্রের সাথে নিজেকে বা নিজের হালতকে মেলাতে যাবেন না। বাস্তব জীবন কখনোই সেগুলোর মতো হয় না। বাস্তবতা আলাদা। সুতরাং সেগুলো পড়ে নিজের স্বামী বা শ্বশুর বাড়ির সবাইকে মাপতে যাবেন না। ৮. নিজের আবেগ ও বাড়তি চাহিদা কন্ট্রোল করুন। গীবত ও পরনিন্দা থেকে জবানকে সব সময় হেফাজতে রাখুন। স্বামীর ইনকাম সামনে রেখে নিজের প্রয়োজন মেটাবেন। স্বামীর মানি ম্যানেজমেন্ট দুর্বল হলে আপনি তাকে নমনীয় ভাষায় ভবিষ্যতের কথা টেনে বোঝানোর চেষ্টা করবেন। ৯. অভিমান করুন, তাতে না নেই। কিন্তু সেই অভিমানের সময়সীমা যেন অতিরিক্ত না হয়। স্বামী যদি মানাতে আসেন, তাহলে অতিরিক্ত সময় ব্যয় না করে প্রয়োজনে তাকে সরি বলিয়ে অভিমান ভাঙবেন। ১০. স্বামীর বৈধ শখকে সম্মান করুন। তার মানসিকতা বুঝে আচরণ করুন। অফিস বা কাজে যাওয়ার সময়, কাজ থেকে আসার পর সাথে সাথে সাংসারিক কোনো অভিযোগ বা গুরুত্বপূর্ণ বেদনাদায়ক সংবাদ না পারতে দেবেন না। ১১. স্বামীর আমল-আখলাক উন্নত করতে সব সময় নিজেকে এগিয়ে রাখবেন৷ নিজের আমলের প্রতি জোর দেবেন। কে কী করল, কার কী হলো, অপরের তুলনা থেকে দূরে থেকে নিজেদের দুনিয়া ও আখিরাতের ফিকির নিয়ে চিন্তা করবেন। ১২. সন্তানদের পড়াশোনা, মানসিক বিকাশ, চারিত্রিক গঠন নিয়ে দুজনই একটি নতুন সিলেবাস বা নীতিমালা প্রণয়ন করবেন। সব সময় সন্তানদের জন্য নেক দু‘আ জারি রাখবেন। পরিচিত মানুষের নিকট তাদের জন্য দু‘আ চাইবেন৷ তাদের সকল অ্যাক্টিভিটি বা পজিটিভ কার্যক্রম সবাইকে বলে বেড়াবেন না। ১৩. ঘরোয়া আলাপসালাপ, বাচ্চাদের ছবি, স্বামী-স্ত্রীর ছবি অনলাইনে দেওয়া থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকবেন। © Rashed Muhammad
ডাক্তারি করতে গিয়ে দিনদিন সমাজের নোংরা রূপ দেখতে পাচ্ছি! মেয়েটি মুসলিম, ছেলেটি হিন্দু। মেয়ের বাবা মা জানেনা যে, সে বিয়ে করেছে। গতকাল বিকালে স্বামীর সাথে একটি ২৬ বছর বয়সী মেয়ে আসলো মাসিকের রাস্তায় প্রচণ্ড ব্যাথা ও রক্তপাত নিয়ে। মেয়েটির অজ্ঞান অজ্ঞান ভাব! তাদের তথ্য অনুযায়ী, স্বামী স্ত্রীর স্বাভাবিক মিলনের সময় বেশি চাপ পড়ার কারণে মেয়েটি অনেক ব্যাথা পায় ও রক্তপাত শুরু হয়। জায়গাটি পরীক্ষা করে দেখা যায় যে যোনীপথে প্রায় ২ সেন্টিমিটার জায়গা ছিঁড়ে গিয়েছে এবং রক্তপাত তো চলছেই। খুব শীগ্রই রোগীকে অজ্ঞান করে জায়গাটি সেলাই করে রক্তপাত বন্ধ করা হয়। এরপর রোগীর বাবা আসলো! উনি জানান যে তার মেয়ে অবিবাহিত। স্বামী স্ত্রী বলে যে তারা ২ জন ভিন্ন ধর্মের এবং পরিবারের সম্মতি ছাড়াই কোর্ট ম্যারেজ করেছেন। অনেকদিন যাবৎ একসাথে মেলামেশা করেন। অলরেডি মেয়েটি একবার গর্ভবতী হয়ে সেই বাচ্চা নষ্ট পর্যন্ত হয়েছে। নষ্ট হয়েছে নাকি করেছে আল্লাহ ভালো জানেন। স্বামী স্ত্রী অনুরোধ করেছেন যেন পরিবারকে বলা হয় মেয়েটি পিছলা খেয়ে পড়ে গিয়ে ওই জায়গায় ছিঁড়ে গিয়েছে। আমি আমার যতটুকু কাজ ততটুকু করলাম। ভাবলাম অনেককিছু। আপনারাও বিভিন্ন দিক থেকে চিন্তা করুন। আল্লাহ হাফেজ। ডাঃ আদনান হামিম MBBS, Mugda Medical College Hospital, Dhaka
বিকাশ থেকে দেওয়া এই টাকাটা সম্পূর্ণ সুদ। এই টাকা গ্রহণ করা জায়েজ নাই, বরং সদকাহ করে দেওয়া জরুরি। আপনারা চাইলে BKash Interest বন্ধ করে দিতে পারেন 16247 নাম্বারে কল দিয়ে।
এক_নজরে_হিজবুত_তাওহীদের_ভ্রান্ত_ও_কুফরি_আকিদা.pdf
ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন — وأنَّ إثمه عندَ اللهِ أعظمُ من إثمِ قَتلِ النَّفسِ وأخذِ الأموالِ، ومن إثمِ الزِّنا والسَّرقةِ وشُربِ الخَمرِ. “আল্লাহর কাছে সালাত ত্যাগের পাপ মানুষকে হত্যা করা, সম্পদ লুন্ঠন করা, জিনা করা, চুরি করা এবং মদ পান করার পাপের চেয়েও গুরুতর।” [আস সালাতু ওয়া হুকমু তারিবিহা, পৃষ্ঠা : ২৯]
“ভার্সিটির মেয়েরা খারাপ। এদেরকে বিয়ে করা হারাম।” এই টাইপের ওভার জেনারেলাইজড কথা বলে বলে মেয়েদের লাইফ চূড়ান্ত লেভেলের তিক্ত, বিষাক্ত করে ফেলসি আমরা। অনেক প্র্যাক্টিসিং বোনের বিয়ে রিজেক্ট হচ্ছে, সে ভার্সিটিতে পড়ে বলে। অথচ দ্বীনের দিকে তার ফিরে আসা, তার অবিরাম স্ট্রাগল আর স্যাক্রিফাইস... রিসেন্টলি, প্র্যাক্টিসিং মুসলিম ছেলে আর হুজুরদের ক্যারেক্টার নিয়ে এমন এমন সব জিনিস আসতেসে যে... এই উম্মত অভ্যন্তরীণ ঘৃণায় টুকরা টুকরা হয়ে গেছে। নিজেদের প্রতিই আর নিজেদের রেস্পেক্ট নাই আমাদের। তোমার দল ঘৃণা করে অমুক দলকে। আর অমুকের দল ঘৃণা করে তমুক দলকে। পুরুষ ঘৃণা করে নারীকে। নারী ঘৃণা করে পুরুষকে। বাহ! সংশোধন কিংবা ফেরার রাস্তা চোখে দেখছি না। শয়তানের আনন্দিত চেহারাটা কল্পনা করছি আর ভাবছি, আমরা কি আজাবের দ্বারপ্রান্তে চলে আসছি? যেকোনো মূহুর্তে কি... © Mohammed Touaha Akbar
আল্লাহর চাইতে কাওকে অনেক বেশি ভালোবাসার পরিণতি! — আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রাজ্জাক (হাফিজাহুল্লাহ)
স্ত্রী সহবাসের পূর্বে অবশ্যই দু‘আ পড়বেন, দু‘আ পরতে না পাড়লেও অন্তত ‘বিসমিল্লাহ’ বলবেন। না হলে শয়তানের অনিষ্ঠতায় আপনার সন্তান বড় হয়ে আপনাকে বাপ না ডেকে অন্য কাওকে বাপ ডাকা শুরু করবে। © সংগৃহীত
রাসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন — “যে অন্যকে নিজের পিতা বলে দাবি করে অথচ সে জানে যে সে তার পিতা নয়, জান্নাত তার জন্য হারাম।” [সহীহ বুখারী, ৬৭৬৬]
ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন — فنكاح المعشوقة هو دواء العشق. ‘প্রেয়সীকে বিবাহ করাই হলো ইশকের আসল ঔষুধ।’ [আদ দাউ ওয়াদ দাওয়াহ, ১/৫৫৪]
ভাইদেরকে একটা পরামর্শ দিতে পারি, আপনার স্ত্রীকে আর কোনো উপকার না করেন, অন্তত তাকে অনলাইনে দ্বীনি ফিমেইল সার্কেল থেকে দূরে রাখুন। অনলাইনে ফিমেইল সার্কেলে আপনার স্ত্রীকে পরিচিত হওয়া থেকে যে কোনো মূল্যে বিরত রাখুন। এটা তার সবকিছুর জন্যই ভালো। তার আমলের জন্য ভালো, তার তবিয়তের জন্য ভালো। বদনজর, গিবত, শেকায়াত, মানসিক অস্থিরতা, সংসারে অমনোযোগিতা, সবকিছু থেকেই মুক্ত থাকতে পারবেন তিনি। তার ইলম শেখার ব্যবস্থা করুন অফলাইনে। অথবা অনলাইনে করলেও তত্বাবধানে রাখুন। কোনো সার্কেল মেইন্টেইন করতে দিয়েন না অনলাইনে। নিজের আমল, নিজের ঘর-সংসার ঠিক রাখার পর অনলাইনে এত সার্কেল আর সার্কেলগুলোর ক্যাচাল সামলানোর সময় তারা কই পান জানি না আসলে। ইদানিং অনলাইনের বিভিন্ন ক্যাচাল দেখে এটাই মাথায় আসলো। আমাকে অনেক ফিমেইল আগে নক দিয়ে বলতেন, আপনার স্ত্রীর সাথে পরিচয় করিয়ে দিন। তার থেকে ইলম শিখব। আমি সরাসরি বলতাম, ইলম আমার স্ত্রীর থেকেই শিখতে হবে কেন? পৃথিবীতে তো ফিমেইলের অভাব নেই। ভূতে কামড়ায়নি আমাকে যে, ঘরের বিবিকে অনলাইনে উস্তাযা বানাব। আমার সফলতার যদি কিছু থাকে তাহলে সেটা হলো, তাকে অনলাইনের ফিমেইল সার্কেল থেকে দূরে রেখেছি। কেউ তাকে চেনে না, তিনিও কাউকে চেনেন না। © Tanjil Arefin Adnan
এক ব্যক্তির সামনে আয়িশা (রাদিআল্লাহু আনহা)-এর ব্যাপারে আলোচনা উঠলে সেই ব্যক্তি তখন তাকে অকথ্য ভাষায় গালি দিল। তাকে জিজ্ঞেস করা হলো, তুমি কি তোমার মাকেই গালি দিচ্ছো? সেই লোক উত্তর দিল, তিনি আমার মা নন। এই কথা আয়িশা (রাদিআল্লাহু আনহা)-এর কাছে পৌঁছালে তিনি বললেন — “সে সত্যই বলেছে! আমি তো কেবল মুমিনদের মা। কোনো কাফিরের মা নই।” أنّها ذكرت عند رجل فسبها، فقيل : أتسب أمك؟ فقال : ما هي أمي. فبلغها، فقالت: صدق أنا أم المؤمنين، وأما الكافرين فلست لهم بأم [শারহু উসূলি ই'তিক্বাদি আহলিস সুন্নাহ ওয়াল জামাআহ্, ৭/১৫২৩]
অনলাইনে দ্বীনি ভাই, দ্বীনি বোন বলে আসলে কিছু নাই। অনলাইনে আমরা শুধু ভালো দিকগুলোই দেখি। সুন্দর সুন্দর ইসলামিক পোস্ট, জিহাদ, হিজরত, যুহুদ, তাকওয়া ইত্যাদি নিয়ে যারা বেশি বেশি পোস্ট করে অফলাইনে তারা নিজেরাই অনেকক্ষেত্রে এগুলোর বিরুদ্ধে চলে যায়। আসলে ভার্চুয়াল জগৎটাই এমন এইখানে সবাই আল্লাহর ওলী আর আল্লাহর ওলী হওয়াও খুবই সহজ। কিন্তু বাস্তবে এটার বিপরীত চিত্রই বেশি দেখা যায়। সোস্যাল মিডিয়ায় আমরা কারোর একটা সুন্দর পোস্ট দেখে তার বাকি ২৪ ঘন্টা বিচার করে ফেলি না জানি সে কত ভালো! অথচ যারা সত্যিই আল্লাহর ওলী তাদের বেশিরভাগ কোন সোস্যাল মিডিয়াও ব্যবহার করেনা। মানুষের প্রতি অবশ্যই সুধারণা রাখা উচিত কিন্তু এই সুধারণা যেন আপনার জীবনের কালো অধ্যায়ের জন্ম না দেয়। অনলাইন জগৎটা ও বাস্তব জগৎটার মধ্যে অনেক অনেক পার্থক্য আছে। বিয়ে, বন্ধুত্ব, সঙ্গী ইত্যাদি নির্বাচনের ক্ষেত্রে কখনোই অনলাইনকে বিশ্বাস করা উচিত না। নয়তো দেখবেন আজ যারা অনলাইনে আল্লাহর ওলী, তারাই একদিন অফলাইনে তার আসল চেহারাটা প্রকাশ করে দিবে।
Israel Exposed — War Crimes Archive : https://archivegenocide.com/
ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল (রাহিমাহুল্লাহ) বলেছেন — “যদি কাউকে রাসূলের (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কোনো সাহাবীর সমালোচনা করতে দেখো, তবে তার ইসলামের ব্যাপারে সংশয় পোষণ করো।” [আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া, ৮/১৪২]