দ্বীনি-Mohol
Статистика'আলো, ছড়াই দ্বীনের পথে... আমাদের ফেইসবুক পেজ লিংক: www.facebook.com/DeeniMohol67
- Последний пост
- 14 авг.
- Последнее чтение
- 14 авг.
- Постов за неделю
- 30
- Всего постов
- 46
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- Категория
- Новости и СМИ (по похожим)
- В каталоге с
- 13 авг.
- 1/24сутки в ленте
- 377
- 1/48двое суток
- 432
- 1/72трое суток
- 465
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
видео или голосовое, без подписи
রিমাইন্ডার... #deeniMohol67
পক্ষান্তরে মুমিনের ব্যাপারটা তার উল্টো! একজন সত্যিকারের মুমিন জানে এই দুনিয়ায় সে দুইদিনের মুসাফির মাত্র। সে জানে আখিরাতের জীবনই চিরস্থায়ী জীবন। আর তাই তার সব কাজ থাকে আখিরাতমুখী! সে দুনিয়ার সম্পদ দিয়ে আখিরাতেই প্রাসাদ নির্মাণ করে। তার সব ভাল কাজের প্রতিদান আখিরাতের জন্য রেখে দেয়। তাই স্বভাবতই সে চাইবে যেখানে তার নির্মিত প্রাসাদ, সঞ্চয় সেখানেই চলে যেতে। যে কারণে একজন মুমিন মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা করে হাসিমুখে। যে কারণে দুনিয়ালোভী মানুষের জন্য রাসুল (সঃ) মৃত্যুকে বলেছেন, "destructor of all pleasures." আর একজন মুমিনের জন্য মৃত্যু হল অনাগত সুখের অনন্তজীবনের প্রথম ধাপ! মৃত্যু?? এইতো সামনেই! একটু ডানে হয়ে বায়ে গেলেই সোজা….. • অবুঝ বালক
পাপীদের মধ্যেও একজন "শ্রেষ্ঠ" আছেন—তিনি কে? আমরা সবাই ক্রমাগত পাপ করি। দিনে ও রাতে, ডানে ও বামে। আমাদের চোখ দিয়ে, জিহ্বা দিয়ে, হাত দিয়ে—আমাদের সমস্ত অঙ্গপ্রত্যঙ্গ দিয়ে। এই সবকিছুই কোনো না কোনো সময়ে মহান আল্লাহর অবাধ্য হয়। তাহলে এখন প্রশ্ন হলো—এই সমস্যার মুখোমুখি যদি আমরা সবাই হয়ে থাকি, তাহলে সমাধানটা কী? আমরা কীভাবে এই পাপগুলো থেকে মুক্তি পাবো? রাসূলুল্লাহ (সা.) এই প্রশ্নের উত্তর দিয়ে গেছেন একটি মাত্র বাক্যে। তিরমিযি শরীফের একটি নির্ভরযোগ্য হাদিসে তিনি বলেছেন: كُلُّ ابْنِ آدَمَ خَطَّاءٌ "প্রত্যেক আদম সন্তানই পাপী।" লক্ষ্য করুন—প্রত্যেক আদম সন্তান। কোনো ব্যতিক্রম নেই। কারণ আমরা ফেরেশতা নই, আমরা মানুষ। আর এটাই আমাদের ও ফেরেশতাদের মধ্যে মৌলিক পার্থক্য। ফেরেশতারা নিষ্পাপ; তারা মহান আল্লাহর অবাধ্য হতেই পারে না। কিন্তু আল্লাহ মানবজাতিকে সৃষ্টি করেছেন আকাঙ্ক্ষা দিয়ে, কামনা দিয়ে— "শাহাওয়াত" দিয়ে। অতএব, কোনো মানুষই ফেরেশতাদের মতো হতে পারবে না। অন্তত এই জীবনে না। আখিরাতে? হ্যাঁ, সেখানে আমাদের পাপ করার সামর্থ্যই থাকবে না। আমরা দোয়া করি, আল্লাহ যেন আমাদেরকে জান্নাতিদের অন্তর্ভুক্ত করেন। আমাদের মধ্যে যারা জান্নাতে প্রবেশ করবে, তারা সেখানে পাপ করতে পারবে না; সেখানে কেবল আল্লাহর যিকিরই করা যাবে। এ জন্য সেখানে কোনো অপরাধবোধও থাকবে না। আপনি পরিপূর্ণ প্রশান্তিতে থাকবেন। কিন্তু এই দুনিয়ার জীবনে? এখানে রাসূল (সা.) আমাদের একটি মূলনীতি দিয়ে গেছেন—প্রত্যেক আদম সন্তানই পাপী। এবার হাদিসের পরের অংশটুকু শুনুন। এখানেই আসল চমক: وَخَيْرُ الْخَطَّائِينَ "আর পাপীদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ..." একটু দাঁড়ান। পাপীদের মধ্যেও "শ্রেষ্ঠ" আছে? হ্যাঁ! এর মানে হলো—সব পাপ সমান নয়, এবং সব পাপীও সমান নয়। এমন পাপীও আছে যে অন্য পাপীদের চেয়ে বেশি মন্দ। আবার এমন পাপীও আছে, যে পাপী হয়েও শ্রেষ্ঠদের কাতারে। আর যেহেতু আমরা কেউই পাপমুক্ত হতে পারবো না, তাই আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত এটাই—পাপীদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হওয়া। তাহলে সেই শ্রেষ্ঠ পাপী কে? রাসূল (সা.) বলছেন: وَخَيْرُ الْخَطَّائِينَ التَّوَّابُونَ "আর পাপীদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ তারাই, যারা তওবা করে।" এটাই মুক্তির পথ। এটাই সমাধান। এটাই সুড়ঙ্গের শেষ প্রান্তে থাকা আলো। যে জিনিসটা আমাদের রক্ষা করবে, তা হলো তওবা—যখন আমরা আমাদের পাপগুলোর জন্য মহান আল্লাহর কাছে অনুতপ্ত হবো। তাই, কোনো পাপ হয়ে গেলে আবার উঠে পড়ুন। তাওবা করুন। নামাজ পড়ুন। আল্লাহর রাস্তায় চলার জন্য আবার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হোন। ভেবে দেখুন, এই হাদিসটা কতো বড় একটা সান্ত্বনা। আল্লাহ আমাদের কাছে ফেরেশতাসুলভ নিষ্পাপতা চাননি—তিনি জানেন আমরা কী দিয়ে তৈরি। তিনি চান, আমরা যেন পড়ে গিয়ে আবার উঠে দাঁড়াই। যেন প্রতিটি ভুলের পর তাঁর দিকেই ফিরে আসি। মনে রাখুন: আপনার আর শ্রেষ্ঠত্বের মাঝখানে যে জিনিসটা দাঁড়িয়ে আছে, তা আপনার পাপ নয়—তা হলো তওবা না করা। কারণ প্রত্যেক আদম সন্তানই পাপী; কিন্তু পাপীদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ তারাই, যারা বারবার ফিরে আসে। আল্লাহ যেন আমাদের সবাইকে "তাওয়াবুন"—বারবার তওবাকারীদের—অন্তর্ভুক্ত করেন, আমাদের প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য সকল পাপ ক্ষমা করে দেন, এবং জান্নাতে তাঁর যিকিরকারী বান্দাদের কাতারে আমাদের স্থান দেন। আমীন। © ~সংগৃহীত #DeeniMohol67
⁉️সুরাহ কাহফের কথা মনে আছে তো সবার ? আবূ সা’ঈদ আল্ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি জুমার দিন সূরা আল কাহাফ পড়বে, তার (ঈমানের) নূর এ জুমাহ্ হতে আগামী জুমাহ্ পর্যন্ত চমকাতে থাকবে। (মিশকাত ২১৭৫) হাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... আবূদ দারদা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সূরাহ আল কাহফ এর প্রথম দশটি আয়াত মুখস্থ করবে সে দাজ্জালের ফিতনাহ থেকে নিরাপদ থাকবে। (মুসলিম হা/৮০৯,আহমাদ হা/২৭৫৫৬) কে জানে,দুনিয়ার এই ছোট্ট প্রয়াসই ক্বিয়ামাতের দিন বিশাল প্রতিদান এমনকি জান্নাত নিয়ে হাজির হতে পারে আপনার জন্য ! তাই,উঠুন এবং এখনই শুরু করে দিন। বেস্ট অফ লাক ! @DeeniMohol67
তা তো আমাদের কুরআনেই আল্লাহ তাআলা বলে দিয়েছেন– لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِیْ رَسُوْلِ اللهِ اُسْوَةٌ حَسَنَةٌ لِّمَنْ كَانَ یَرْجُوا اللهَ وَ الْیَوْمَ الْاٰخِرَ وَ ذَكَرَ اللهَ كَثِیْرًا. রাসূলের মধ্যে তোমাদের জন্য রয়েছে উত্তম আদর্শ– এমন ব্যক্তির জন্য, যে আল্লাহ ও আখেরাত দিবসের আশা রাখে এবং আল্লাহকে অধিক পরিমাণে স্মরণ করে। –সূরা আহযাব (৩৩) : ২১ যদি আখেরাতের প্রতি আমাদের ঈমান থাকে, আল্লাহকে স্মরণ করি, তাহলে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবন ও সীরাতের মধ্যেই রয়েছে আমাদের জন্য উত্তম আদর্শ। আল্লাহর রহমত ও সন্তুষ্টি পেতে চাইলে নবীজীর সীরাতকে আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।আমাদের জন্য আদর্শ ও পালনীয় হল কুরআন, নবীজীর সীরাত ও সুন্নত এবং ইসলামী শরীয়ত আদশ। মুসলিম উম্মাহ আর কোথায় আদর্শ খুঁজবে! এগুলো ছাড়া আর সবকিছুই তো বাতিল। আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে কুরআনের যথাযথ মূল্যায়ন করার তাওফীক দান করুন। এর হক আদায় করার তাওফীক দান করুন। কুরআনের সব ধরনের অসম্মান অবমাননা থেকে হেফাযত করুন। কুরআন-সুন্নাহকেই আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করা ও মানার তাওফীক দান করুন– আমীন! এগুলোও কুরআন অবমাননা • মাওলানা মুহাম্মাদ আব্দুল মালেক
কুরআনের প্রকাশ্য অবমাননা করা তো অমানুষের কাজ। কিন্তু কুরআন অবমাননার এমন অনেক সূক্ষ্ম ধরন আছে, যেগুলো নামধারী অনেক মুসলমানই করে থাকে, কেউ না বুঝে করে, কেউ কেউ বুঝেও করে। এমনই কয়েকটি ক্ষেত্র হল __শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কুরআনের শিক্ষা বাধ্যতামূলক না করা কুরআনের এক ধরনের অবমাননা। মুসলমানদের দেশের স্কুল-কলেজ-ভার্সিটিতে কুরআন শিক্ষা বাধ্যতামূলক না করা কি কুরআনের অবমাননা নয়? সেখানে দুনিয়ার সবই শেখানো হচ্ছে! কত অহেতুক জিনিসও শেখানো হচ্ছে! নাচ শেখায়, গীত শেখায়। গুনাহের কাজ শেখায়, কিন্তু কুরআন শেখায় না, এটা কুরআনের অবমাননা নয় কি? এটা কুরআনের সূক্ষ্ম অবমাননা। __কুরআন না পড়া এবং পড়তে না শেখা কুরআনের অবমাননা নয় কি? আমরা কুরআন শিখতে অবহেলা করি। কুরআন তিলাওয়াত করতে অবহেলা করি। অথচ এই কুরআন আমাদের জন্য আলোকবর্তিকা, পথ-নির্দেশিকা। আমাদের মুক্তি ও সাফল্যের সোপান। আবার কুরআন তিলাওয়াত স্বতন্ত্র অনেক বড় ইবাদত। যে কুরআন আমাদের জীবনের অন্যতম প্রধান অবলম্বন, তা পড়তে না শেখা এবং না পড়া কি কুরআনের অসম্মান ও অবমূল্যায়ন নয়? __গিলাফ লাগিয়ে কুরআন সেলফে তুলে রেখে পশ্চিমাদের নীতিতে দেশ চালানো কি কুরআনের অবমাননা নয়? মুসলমানদের দেশ চালাতে কুরআনের বিধানের বিরোধিতা, কুরআন-সুন্নাহ ও ইসলামী শরীয়তের বিপরীতে আইন প্রণয়ন এবং নীতিমালা প্রণয়ন করা অন্যায়-অপরাধ ও কুফর। আল্লাহ তাআলা সূরা মায়েদার ৪৪, ৪৫ ও ৪৭ নম্বর আয়াতে বলেছেন, যারা আল্লাহর নাযিলকৃত বিধান অনুসারে বিচার করে না, তারা কাফের, জালেম ও ফাসেক। তারপরে ৪৮ নম্বর আয়াতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে লক্ষ করে বলেছেন– وَ اَنْزَلْنَاۤ اِلَیْكَ الْكِتٰبَ بِالْحَقِّ مُصَدِّقًا لِّمَا بَیْنَ یَدَیْهِ مِنَ الْكِتٰبِ وَمُهَیْمِنًا عَلَیْهِ فَاحْكُمْ بَیْنَهُمْ بِمَاۤ اَنْزَلَ اللهُ وَلَا تَتَّبِعْ اَهْوَآءَهُمْ عَمَّا جَآءَكَ مِنَ الْحَقِّ. এবং (হে রাসূল!) আমি তোমার প্রতিও সত্যসম্বলিত কিতাব নাযিল করেছি, তার পূর্বের কিতাবসমূহের সমর্থক ও সংরক্ষকরূপে। সুতরাং তাদের মধ্যে সেই বিধান অনুসারেই বিচার কর, যা আল্লাহ নাযিল করেছেন। আর তোমার নিকট যে সত্য এসেছে, তা ছেড়ে তাদের খেয়ালখুশির অনুসরণ করো না। এই হুকুম সকল মুসলমানের প্রতি, সকল মুসলিম শাসকের প্রতি। মুসলমানদের মাঝে আইন কানুন, বিধিবিধান ইত্যাদি প্রণয়ন হবে কুরআন-সুন্নাহ অনুযায়ী।কুরআনে আল্লাহ তাআলা আরও বলেছেন– اِنِ الْحُكْمُ اِلَّا لِلهِ হুকুম আল্লাহ ছাড়া আর কারও চলে না। এই আয়াত এবং এই ধরনের আয়াত কুরআনে বহুবার বর্ণিত হয়েছে।মোটকথা, মুসলমানদের দেশ চলবে কুরআন-সুন্নাহ্র নীতিতে। পশ্চিমাদের রীতি-নীতিতে নয়। মুসলিমরা যদি কুরআনের বিধান ছেড়ে বিধর্মীদের রীতিতে দেশ চালায়, তাহলে কি তা কুরআন অবমাননা নয়?কুরআনে যে কাজগুলোকে হারাম বলা হয়েছে, যেগুলোর কারণে অভিসম্পাত করা হয়েছে, সেগুলোর বৈধতা দেওয়া কি কুরআন অবমাননা নয়? কুরআনে সুদকে হারাম করা হয়েছে। সুদের লেনদেনকে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের সঙ্গে যুদ্ধ ঘোষণা বলে আখ্যা দেওয়া হয়েছে। আল্লাহ বলেন– یٰۤاَیُّهَا الَّذِیْنَ اٰمَنُوا اتَّقُوا اللهَ وَ ذَرُوْا مَا بَقِیَ مِنَ الرِّبٰۤوا اِنْ كُنْتُمْ مُّؤْمِنِیْنَ،فَاِنْ لَّمْ تَفْعَلُوْا فَاْذَنُوْا بِحَرْبٍ مِّنَ اللهِ وَرَسُوْلِهٖ . হে মুমিনগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং তোমরা যদি প্রকৃত মুমিন হয়ে থাক, তবে সুদের যে অংশই (কারও কাছে) অবশিষ্ট রয়ে গেছে, তা ছেড়ে দাও। তবুও যদি তোমরা (তা) না কর, তবে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের পক্ষ থেকে যুদ্ধের ঘোষণা শুনে নাও। –সূরা বাকারা (২) : ২৭৮-২৭৯ কুরআনে মদ হারাম করা হয়েছে। সমকামিতা হারাম করা হয়েছে। এই কঠিন কঠিন হারাম বিধানকে, ঘৃণ্য কাজকে আজকাল মুসলিম দেশে আইন করে বৈধতা দেওয়া হচ্ছে। কুরআনের অকাট্য বিধানকে পাল্টে দেওয়া হচ্ছে। এগুলো কি কুরআন অবমাননা নয়? কুরআনের এমন আরও অনেক ধরনের সূক্ষ্ম অবমাননা আছে, যা অনেকের কাছে অবমাননা মনেও হয় না। কুরআনের প্রতি খালেস ঈমান থাকলে তো কুরআনের বিধানকে ব্যক্তি জীবন ও রাষ্ট্রের সকল ক্ষেত্রে গ্রহণ করার কথা। কারণ, কুরআন– یَہۡدِیۡۤ اِلَی الۡحَقِّ وَاِلٰی طَرِیۡقٍ مُّسۡتَقِیۡمٍ. পথ দেখায় সত্য ও সরল পথের। –সূরা আহকাফ (৪৬) : ৩০ আল্লাহ আরও বলেছেন–. اِنَّ ہٰذَا الۡقُرۡاٰنَ یَہۡدِیۡ لِلَّتِیۡ ہِیَ اَقۡوَمُ .এ কুরআন সেই পথ দেখায়, যা সর্বাপেক্ষা সরল। –সূরা বনী ইসরাঈল (১৭) : ৯ এ ধরনের আরও অনেক আয়াত কুরআনে বর্ণিত হয়েছে। এই কুরআন হকের রাস্তা দেখায়। সত্য-সঠিক পথের সন্ধান দেয়। অতএব, কুরআনের মূল্যায়ন ও মর্যাদা আমাদের শিখতে হবে! কুরআন ও কুরআনের বিধানের প্রতি সর্বোচ্চ ঈমান রাখতে হবে। কুরআন যে শরীয়ত দিয়েছে সে শরীয়তের প্রতি মজবুত ঈমান রাখতে হবে। কিন্তু দুঃখ ও পরিতাপের বিষয়! আজকাল নামধারী কোনো কোনো মুসলিম বিধর্মীদের থেকে, তাদের রচিত গ্রন্থ থেকে আদর্শ গ্রহণের কথা বলে! মুসলিম কাফের থেকে আদর্শ গ্রহণ করবে! নাঊযুবিল্লাহ! আমরা আদর্শ কোত্থেকে গ্রহণ করব–
видео или голосовое, без подписи
রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে ঈমানে পরিপূর্ণ মুসলিম হচ্ছে সর্বোত্তম চরিত্রের অধিকারী ব্যক্তি। আর তোমাদের মধ্যে তারাই সর্বোত্তম, যারা তাদের স্ত্রীদের প্রতি চরিত্রে সর্বোত্তম। [সুনান আত তিরমিজী: ১১৬২] #deenimohol67
видео или голосовое, без подписи
ওহে! তোমাকে যদি তাড়িয়ে দেওয়া হয়, তবু দরজা থেকে সরবে না! তোমাকে যদি দূরে সরিয়ে দেওয়া হয়, তবু কাছ থেকে নড়বে না! কাকুতি-মিনতির স্বরে (আল্লাহকে) বলবে, . . “আমি কার কাছে যাবো?!” . - ইবনুল জাওযী (রাহিমাহুল্লাহ) [আল-মুদহিশ: ২০২] #deeniMohol67
চোখের জিনা আধ্যাত্মিক দিক থেকে আপনার অন্তরকে মেরে ফেলবে। আপনি যথাযথভাবে নামাজ পড়তে পারবেন না। আপনার জীবনে কোনো বারাকাহ থাকবে না। আমি আমার নিজেকে এবং আপনাদের সবাইকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, আল্লাহ আমাদেরকে যে চোখ উপহার দিয়েছেন কতগুলো সেনসেটিভ নার্ভ এই চোখের সাথে যুক্ত আছে? আল্লাহ যদি শুধু একটি নার্ভ কেটে ফেলার সিদ্ধান্ত নেন....আর কোটরের ভেতরের তারগুলো খুব বেশি বিস্তৃত নয়, আপনি যখন আল্লাহর দেওয়া চোখ দিয়ে অশ্লীল কিছু দেখেন - "আলাম নাজ আল লাহু আইনাইন? - আমি কি তাকে দু’টো চোখ দিইনি?" (৯০:৮) তখন যদি নার্ভগুলো কেটে দেন... যদি আল্লাহ আপনার চোখের আলো কেড়ে নেন... পরের বার যখন খারাপ কিছু দেখতে যাবেন তখন এই ব্যাপারটা চিন্তা করে দেখুন। এই চোখগুলো আপনাকে আল্লাহর নির্দেশ অমান্য করার জন্য প্রদান করা হয়নি। এগুলো আমাদেরকে আল্লাহর অবাধ্যতা করার জন্য দেওয়া হয়নি। খারাপ কিছু দেখা থেকে চোখ সরিয়ে রাখুন। আর কথা বলার সময় অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করবেন না। কারণ অকথ্য ভাষা মনের মাঝে নোংরা ছবি তৈরি করে। এমন বলবেন না যে, আমার রাগ হয়েছিল তাই আমি এমন ভাষা ব্যবহার করেছি। না। আপনি যদি নোংরা ভাষা ব্যবহার করেন নিশ্চিতভাবেই এর একটি প্রভাব আপনার চিন্তায় পড়বে। এই দুটো সরাসরি যুক্ত। আর আপনি এর মাধ্যেম ধর্মীয় দিক থেকে নিজেকে ধ্বংস করে ফেলছেন। আপনি আল্লাহর সাথে সম্পর্ক তৈরী করতে পারবেন না। আর আল্লাহর শপথ! আপনি যদি আল্লাহর সাথে সম্পর্ক তৈরি করতে না পারেন তাহলে আপনি অন্য কোন মানুষের সাথেও সম্পর্ক তৈরি করতে পারবেন না। স্ত্রী, পরিবার, পিতা-মাতা সবার সাথে সত্যিকারের সম্পর্কের কথা ভুলে যান, কারণ আল্লাহর সাথে আপনার সত্যিকারের কোনো সম্পর্ক নেই। সবকিছু ভেঙে পড়বে, সবকিছু। আপনার জীবনে ভালো কিছু আর অবশিষ্ট থাকবে না। তাই, এটা ছোট কোনো ব্যাপার নয়। এই ব্যাপারে সাবধান থাকুন। সত্যি সত্যি সাবধান থাকুন। ~সংগৃহীত #DeeniMohol67
видео или голосовое, без подписи
"তোমাদের প্রত্যেকেই যেন তার প্রতিটি অভাব পূরণের উদ্দেশ্যে তার রবের নিকট প্রার্থনা করে, এমনকি তার জুতার ফিতা ছিঁড়ে গেলে তাও যেন তাঁর নিকটে চায়।" . [জামে আত-তিরমিজি, ৩৬০৪] #deeniMohol67
видео или голосовое, без подписи
বিয়ের পর সহধর্মিণীকে নিয়ে প্রথম সফরটা হোক মদিনায়। নতুন মানুষ, নতুন পরিচয়, নতুন একটি সম্পর্ক- এই সম্পর্কের শুরুটা যদি এমন পবিত্র একটি সফর দিয়ে শুরু হয়, তাহলে এর চেয়ে সুন্দর স্মৃতি আর কী হতে পারে! বিয়ের আগেই তিন লাখ টাকা আলাদা করে জমিয়ে রাখুন। এই টাকাটা উমরার জন্য। মানুষ হানিমুনের জন্য পৃথিবীর কত সুন্দর সুন্দর জায়গায় যায়। আপনিও যান; তবে আপনার সহধর্মিণীকে নিয়ে এমন এক সফরে যান, যে সফরের স্মৃতি শুধু দুনিয়ার জীবনে নয়, আপনাদের হৃদয়ের গভীরেও থেকে যাবে। তাকে সঙ্গে নিয়ে মক্কায় প্রবেশ করবেন। প্রথমবার চোখের সামনে বাইতুল্লাহ দেখবেন। হয়তো সেই মুহূর্তে দুজনেরই বুক কেঁপে উঠবে। এতদিন যে ঘরের দিকে মুখ করে নামাজ পড়েছেন, আজ সেই ঘর আপনার চোখের সামনে। দুজনে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে তাওয়াফ করবেন। মনের জমে থাকা কত কথা, কত আশা, কত অপূর্ণতা; সব আল্লাহর কাছে তুলে ধরবেন। তাওয়াফের ফাঁকে ফাঁকে দুজন দুজনের জন্য দোয়া করবেন। নিজের গুনাহের জন্য কাঁদবেন। অতীতের ভুলগুলোর জন্য ক্ষমা চাইবেন। আল্লাহর কাছে জীবনের প্রয়োজনগুলো বলবেন। আর সবচেয়ে বেশি করে চাইবেন আল্লাহ যেন আপনাদের এই নতুন সম্পর্কটাকে ভালোবাসা, মায়া, রহমত ও বরকতে ভরে দেন। জীবনের কঠিন দিনগুলোতেও যেন দুজন দুজনার পাশে থাকতে পারেন। হয়তো সেদিন বুঝতে পারবেন, দাম্পত্যের বন্ধনের সঙ্গে দোয়ারও গভীর সম্পর্ক আছে। মক্কার সেই পবিত্র পরিবেশ, রাতের নীরবতা, বাইতুল্লাহর দিকে তাকিয়ে থাকা, পাশাপাশি হাঁটা—এই ছোট ছোট মুহূর্তগুলো একসময় আপনাদের জীবনের সবচেয়ে সুন্দর স্মৃতিগুলোর একটি হয়ে থাকবে। এরপর মদিনায় যাবেন। মদিনার প্রশান্ত বাতাসে হাঁটবেন। রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর মসজিদে নামাজ পড়বেন। আদব ও ভালোবাসার সঙ্গে রওজা মুবারক জিয়ারত করবেন। এই শহরের অলিগলিতে হাঁটতে হাঁটতে বারবার মনে পড়বে সেই মানুষটির কথা, যাঁর সুন্নাহ অনুসরণ করার জন্য আমরা নিজেদের জীবন সাজাতে চাই। সীরাতের কথা মনে করবেন। সাহাবিদের কথা মনে করবেন। মদিনার মাটিতে দাঁড়িয়ে হয়তো নিজেদের জীবনটাকেও নতুন করে ভাববেন, কীভাবে এই সংসারটাকে আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে সুন্দর করে গড়ে তোলা যায়। তারপর উমরার সফর শেষ হবে। দুজন বাড়ি ফিরবেন। কিন্তু সঙ্গে করে নিয়ে ফিরবেন এমন কিছু স্মৃতি, যা কোনো দামি রিসোর্ট, কোনো সমুদ্রসৈকত কিংবা কোনো বিদেশি শহর আপনাদের দিতে পারত না। বিয়ের পর প্রথম সফরটা শুধু একটি ট্যুর না হয়ে উঠুক, দুজন মানুষের একসঙ্গে আল্লাহর দিকে ফিরে আসার প্রথম অধ্যায়। জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু হোক বাইতুল্লাহর ছায়ায়, মদিনার ভালোবাসায়, আর দুজনের একসঙ্গে করা অগণিত দোয়ায়। হয়তো বহু বছর পর, সংসারের ব্যস্ততা আর জীবনের নানা ঝড়ঝাপটা পেরিয়ে একদিন দুজন পাশাপাশি বসে সেই সফরের কথা মনে করবেন। আর মনে হবে—আমাদের দাম্পত্য জীবনের সবচেয়ে সুন্দর শুরুটা বোধহয় সেদিনই হয়েছিল। ~মাহমুদ বিন নুর
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা বলেছেন : নিশ্চয়ই আল্লাহ সেই সকল লোককে ভালোবাসেন, যারা তাঁর দিকে বেশি বেশি তাওবা করে এবং ভালোবাসেন তাদেরকে, যারা বেশি বেশি পাক-পবিত্র থাকে। সূরা বাকারা, আয়াত : ২২২ (শেষ অংশ)
видео или голосовое, без подписи