- Последний пост
- 29 июл.
- Последнее чтение
- 13 авг.
- Постов за неделю
- 0
- Всего постов
- 20
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- В каталоге с
- 13 авг.
- 1/24сутки в ленте
- 569
- 1/48двое суток
- 652
- 1/72трое суток
- 703
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
আল কুরআনে আল্লাহ তায়লা কমপক্ষে ৪১ টি সুরায় ১০৫ বার রিযিকের বিষয় উল্লেখ করেছেন। রিযিকের বিষয়ে আমাদের পেরেশানি থাকতে পারে,ফিকিরও থাকবে নিশ্চয়ই। কিন্তু আমি পূর্ণ আস্থা ও ইয়াকীন রাখতে হবে একমাত্র আল্লাহ তায়লার উপর। আপনি যেই সুদের চাকরিটি ছাড়তে পারছেন না, আপনি যেই হারামের চাকরিটি ছেড়ে দিবেন বলে ঠিক করেও চালিয়ে যাচ্ছেন, চাকরি বা সন্তান লাভের জন্য বিভিন্ন পীর ফকিরের কাছে দৌড়াচ্ছেন কিংবা বিয়ে হচ্ছে না বলে দেয়ালে কপাল ঠুঁকছেন এইসব কিছুই মুলত "সোজা কথায়" আর রাযযাক এর উপর আপনার পরিপূর্ণ আস্থা না থাকার ফল। বই: অনেক আঁধার পেরিয়ে
একদিন আমি এই পৃথিবী ছেড়ে চলে যাব। তখন আমার সন্তানরা আমাকে কীভাবে স্মরণ করবে? তারা কি বলবে আমাদের আব্বু/আম্মু গভীর রাতে তাহাজ্জুদ পড়তেন, কুরআন তিলাওয়াত করতেন, আল্লাহর কাছে অনেক দোয়া করতেন। নাকি বলবে আমাদের আব্বু/আম্মু রাত জেগে মোবাইল চালাতেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সময় কাটাতেন, কিন্তু নামাযের জন্য উঠতে পারতেন না। একটু নিজের বিবেককে জিজ্ঞেস করুন, আপনি আপনার সন্তানদের জন্য কোন স্মৃতিটি রেখে যেতে চান? আমরা প্রায়ই সন্তানদের নসীহত করি, বাবা, পাঁচ ওয়াক্ত নামায পড়ো। কিন্তু সে কি কখনো দেখেছে যে, আজান হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা সব কাজ ফেলে মসজিদের দিকে ছুটে গেছি? আমরা বলি, বাবা, মোবাইল কম দেখো। কিন্তু আমাদের নিজের হাতেই কি সারাক্ষণ মোবাইল থাকে না? আমরা বলি, মিথ্যা বলা মহাপাপ। কিন্তু নিজেদের প্রয়োজনে কি আমরা ছোট-বড় মিথ্যাকে সহজভাবে গ্রহণ করি না? আমরা চাই সন্তান ভদ্র হোক, অথচ আমাদের মুখে রাগ, গালি ও কঠোর ভাষা। আমরা চাই সন্তান সত্যবাদী হোক, অথচ আমাদের কথার সঙ্গে কাজের মিল নেই। মনে রাখতে হবে, সন্তান কেবল আমাদের উপদেশ শোনে না; সে আমাদের জীবন পড়ে। সে আমাদের প্রতিটি আচরণ, প্রতিটি অভ্যাস এবং প্রতিটি সিদ্ধান্ত নীরবে শিখে নেয়। এ কারণেই বলা হয়, সন্তান হলো মা-বাবার জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। মূল ছবিতে যা থাকবে, প্রতিচ্ছবিতেও তাই ফুটে উঠবে। তাই যদি আমরা চাই আমাদের সন্তানরা আল্লাহভীরু, সৎ, নামাযী, কুরআনপ্রেমী, চরিত্রবান ও আদর্শ মানুষ হোক, তাহলে প্রথমে নিজেদের জীবনকেই বদলাতে হবে। -খুতুবাত @FatayatalHuda
মাঝেমধ্যে কিছু শাইখদের এমন আলোচনা শুনি, পুরো জীবনটা এলোমেলো মনে হয়। ভাবি, করছিটা কী আসলে? . আজকের শোনা একটি ছোট্ট বয়ান ঠিক তেমনই । শাইখ মা - হমু- দ হাসানাত বলেন - . "জীবন আসলে বয়সের মাপকাঠিতে পরিমাপ করা হয় না, বরং পরিমাপ করা হয় আমাদের আমল বা কর্ম দিয়ে। এই যেমন সাহাবী হযরত সা'দ ইবনে মুয়ায (রা.)। তিনি ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন ৩০ বছর বয়সে। আর খন্দকের যুদ্ধে যখন তিনি শহীদ হন, তখন তাঁর বয়স মাত্র ৩৬ বছর। অর্থাৎ, মুসলিম হিসেবে তাঁর জীবনকাল ছিল মাত্র ৬ বছরের! . অথচ এই ৬ বছরের আমল এতই ভারী ছিল যে, তাঁর চিরবিদায়ে আকাশ থেকে ৭০,০০০ ফেরেশতা নেমে এসেছিলেন! . এমনকি জিবরাঈল (আ.) স্বয়ং রাসূল (সা.)-এর কাছে এসে বলেছিলেন, 'হে মুহাম্মদ, আজ রাতে আপনার এমন এক সাহাবী ইন্তেকাল করেছেন, যাঁর মৃত্যুতে পরম করুণাময়ের আরশ কেঁপে উঠেছে!' . মাত্র ৬ বছরের একটি জীবন... আর তাতেই রহমানের আরশ কেঁপে ওঠে! . আর আমরা যারা ২০, ৩০, ৪০, ৫০ কিংবা ৬০ বছর পার করে দিচ্ছি, আমরা এই দীর্ঘ জীবনে আল্লাহর জন্য আসলে কী করছি? কি আমল পাঠাচ্ছি ওপারে ?" . একটু নিজেকে নিয়ে ভাবা উচিত আমাদের। মহান আল্লাহ আমাদেরকে জীবনের প্রতিটি মুহুর্তকে ঈমান ও আমলের সাথে কাটানোর তাওফিক দিন। ©️
প্রসঙ্গ:সন্তানের হাতে স্মার্টফোন না দেয়া। প্যারেন্টাল কন্ট্রোল, ব্লকার- সব ব্যর্থ হবে ওদের হাতে ইন্টারনেট দিলে। ছোটরা অনেক স্মার্ট। ওরা জানে কিভাবে সেসব বাইপাস করতে হয়। এগুলো থেকে দূরে রাখতে বাবা মায়ের অনেক ধরণের ত্যাগ স্বীকার করতে হয়। সেটা করতে না চাইলে, বা করতে ভয় পেলে বাবা মায়েরা "কী করবো" বলে হাল ছেড়ে দেন। কথা হলো, বড়দের পর্যন্ত ইন্টারনেট এ অবাধে বিচরণ করার কথা না। আল্লাহকে ভয় করার কথা। বড়রা যদি "আমরা বড়, কিছু হবে না" ভেবে অবাধে নেট ব্যবহার করেন - অজস্র মানুষ এটার সাক্ষী যে, "একটু দেখি" ভেবে সেটা কী ধরণের নেশায় পরিণত হয়। আল মসজিদুল হারাম এ পর্যন্ত "বড়দের" মনে করিয়ে দিতে হয় যে, এটা আল্লাহর ঘর, রিলগুলো পরে দেখুন। বড়দের, নিজেদের এই অবস্থা- আর বাবা মায়েরা ভাবেন তাদের সন্তানেরা নিষ্ঠার সাথে শুধু "ভালো" জিনিস দেখছে? এটা হতেই পারে না। একটু সচেতন হোন। দিবেন না ওদের হাতে ইন্টারনেট। পড়ালেখা, ব্রাউজিং এর নামেও দিবেন না। রিসার্চ, প্রজেক্ট- স্কুলের এক্সট্রা করিকুলার একটিভিটি এর নামে না। "আমার সামনে বসে ব্যবহার করবে" এর নামে না। নিজেরা খুঁজে দিন ম্যাটেরিয়াল। নিজের এসব করে দিতে কষ্ট হবে- কিন্তু এর সুফল যখন দেখবেন, আল্লাহর কাছে শুকরিয়া করবেন ইন শা আল্লাহ, যে আল্লাহ বুঝার তৌফিক দিয়েছিলেন। ©️ Reflections
видео или голосовое, без подписи
ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে বাংলাদেশের মানুষের যে ক্রেজ এটার পেছনে নানা কারণই আছে। . ফুটবল জনমানুষের খেলা, যেখানে ক্রিকেটকে ধরা হয় এলিটদের খেলা। আবার যখন দেশে নতুন নতুন টিভি আসলো, তখন ম্যারাডোনা কিংবা পেলের হাত ধরে আমাদের এখানে ফুটবল ক্রেইজ প্রবেশ করলো। . তবে খেলা নিয়ে মাতামাতি আমাদের এখানে প্রবেশ করেছে ভিন্ন ফেইজে। . স্ত্রীর স্বর্ণ বিক্রি করে জার্মানির পতাকা বানানো, খেলা নিয়ে মানুষ খুন করে ফেলা থেকে নিয়ে সমাজ ও রাজনীতির সবকিছুকে ছাপিয়ে বিশ্বকাপই প্রধান আলোচনা হয়ে যাওয়া—এগুলোকে আর সাধারণ বিনোদন বা নিরীহ ভালোবাসা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। . কিছু বছর দেখেই বাংলাদেশের মানুষের একটা সাধারণ প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। সে প্রতিদিনই নতুন ইস্যু খোঁজে, নতুন নতুন বিষয় নিয়ে সে ব্যস্ত থাকতে চায়। সে প্রবল আগ্রহ নিয়ে গালাগালি, কটাক্ষ, হাসি-তামাসা করার ইস্যু খুঁজতে চায়। . ফুটবল বিশ্বকাপও এর ব্যতিক্রম না। . এর পেছনে একটা কারণ হলো, আমাদের আসলে জাতিগতভাবে কোনো লক্ষ্য নেই। কালেক্টিভ পারপাস নেই। জাতিগতভাবে আমরা কী করতে চাই—সে বিষয়ে আমাদের কোনো ধারণা নেই। আমাদের মধ্যে চেপে বসে আছে anomie বা উদ্দেশ্যহীনতা। . বাংলাদেশের পয়েন্ট কী? কেন এ দেশটার এক্সিস্ট করতে হবে? এ মাটিতে থাকা মানুষগুলোর লক্ষ্য কী? কোনদিকে আমাদের অন্তিম নিয়তি? . এ প্রশ্নগুলোর কোনো জবাব সেক্যুলার জাতিরাষ্ট্রের নেই। সেক্যুলারিজম এক প্রকার নিহিলিজম। সেক্যুলারিজমের কাছে মানুষের জীবনের আসলে কোনো পয়েন্ট নেই—subject to entropy decay and eventual death. এটাই জীবন। . ভেবে দেখুন, ২০২৪ এর অগাস্টে কি মানুষের অবস্থা এমন ছিল? সে সময় বিশ্বকাপ হলে কি এ পাগলামি করতো? . না। কেননা মানুষের সামনে অনেক বড় লক্ষ্য ছিল। মানুষ নিজেকে ইতিহাসের অংশ বলে মনে করছিল। সে মনে করেছিল, সে এক ঐতিহাসিক আমূল পরিবর্তনের মুখে দাঁড়িয়ে আছে। এখানে সে জাতির ব্যাপারে রেসপন্সিবল। তার কিছু করার আছে। . কিন্তু সে দিন শেষ। মানুষ ফিরে গেছে আগের লাইফে। হীনমন্য, উদ্দেশ্যহীন, মূল্যহীন জীবনযাপনে। অন্তত সে নিজে সেটা মনে করে। এখন মানুষ রাতে ঘুমাতে গিয়ে নিজেকে নিয়ে গর্বিত হতে পারে না। অন্তর ভরা আত্মতৃপ্তি নিয়ে ঘুম দিতে পারে না। . ইসলাম যেকোনো কওমকে উদ্দেশ্য দেয়, লক্ষ্য দেয়। ইসলাম মানুষকে এক গ্লোরিয়ার ফিউচারের স্বপ্ন দেখায়। এজন্য তাকে কুরবানি করতে উৎসাহী করে, কাজ করতে আগ্রহী করে। ইসলাম মানুষকে কওমের ভাগ্য গড়তে, লড়াই করতে প্রস্তুত করে। . ইসলাম কওমকে বলে দ্বীনের ঝান্ডা নিয়ে যেতে পূর্ব থেকে পশ্চিমে। . আমাদের জাতির চিন্তা ও মানসিকতার র্যাডিকেল পরিবর্তন দরকার। ধ্বংস দরকার মানুষের সেন্সকে অবশ করে রাখা ভোগবাদ, বিনোদন ও মূল্যহীনতার। পতন দরকার এগুলোকে তৈরি করা, বাঁচিয়ে রাখা পোস্ট কলোনিয়ার এ জাতিরাষ্ট্রের। . এর জন্য দরকার—দাওয়াহ ও তাজদিদ। প্রতিষ্ঠা করতে হবে—আল্লাহর নিজাম।
কবে? সীরাতে ইবনে হিশাম' পড়ে কেঁদেছিলাম। আংটি পড়ে যাওয়ার অজুহাতে একজন সাহাবী রাসুল ﷺ এর কবরে দ্বিতীয়বার নেমেছিলেন। সর্বশেষ বিদায় নিয়েছিলেন তাঁর কাছ থেকে। এই ঘটনা পড়ে কেঁদেছিলাম। . একদিন মা আয়েশা (রাঃ) রাসূল ﷺ এর সাথে ছিলেন। রাসূল ﷺ কে বেশ উৎফুল্ল দেখে হযরত আয়েশা (রাঃ) বললেন, 'ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করুন।' রাসূল ﷺ আয়েশা রা.-এর জন্য দোয়া করলেন। "হে আল্লাহ! আয়েশাকে মাফ করে দাও। তার অতীতের গুনাহ মাফ করে দাও, তার আগামীর গুনাহ মাফ করে দাও, তার গোপনে করা গুনাহ মাফ করে দাও, তার প্রকাশ্যে করা গুনাহও মাফ করে দাও।" রাসূল ﷺ এর দোয়া শুনে হযরত আয়েশা (রাঃ) হাসলেন। রাসূল ﷺ আয়েশাকে জিজ্ঞেস করলেন, 'আমার এই দোয়া কি তোমাকে আনন্দিত করেছে?' হযরত আয়েশা রা. বললেন, 'কি করে এমন দোয়া কাউকে সন্তুষ্ট করতে না পারে!' আমাদের প্রিয় নবী হযরত আয়েশা রা.কে বললেন, 'আল্লাহর কসম! আমি আমার উম্মতের জন্য আমার প্রতিটি নামাজে এই একই দোয়া করি।' যে দোয়া রাসূল ﷺ উনার প্রিয়তম স্ত্রীর জন্য করেছেন, সেই একই দোয়া প্রতি নামাজে তিনি তাঁর উম্মতের জন্য করেছেন, আপনার জন্য, আমার জন্য করেছেন। তিনি আমাদের রাসূল ﷺ। . একদিন চলার পথে রাসূল ﷺ কেঁদে উঠলেন। সাহাবারা কান্নার কারণ জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, 'আমি আমার ভাইদের জন্য কাঁদছি।' সাহাবারা জিজ্ঞেস করলেন, 'ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমরা কি আপনার ভাই নই?' রাসূল ﷺ বললেন, 'তোমরা তো আমার সাথী। আমার ভাই হল তারা, যারা আমার পরে আসবে আর আমাকে না দেখেই আমার উপর ঈমান আনবে।' রাসূল ﷺ আমার জন্য আপনার জন্য কেঁদেছেন, আমাদেরকে মিস করেছেন, আমরা এই দুনিয়াতে আসার আগেই। আমরা কতোটুকু মিস করি প্রিয় নবীজীকে? কেঁদেছি ক'ফোটা চোখের জল ফেলে? যে নবী আমাদের জন্য প্রতি ওয়াক্ত নামাজে দোয়া করতেন, সেই নবীর নামে আমরা দিনে ক'বার দরুদ পড়ি? ভালোবেসে তার সুন্নাহ নিজের জীবনে কতোটা পালন করি? . রাসূল ﷺ একটি গাছে হেলান দিয়ে খুতবাহ দিতেন, তখনও মিম্বার তৈরি হয়নি। মিম্বর তৈরি হলে পরের সপ্তাহে রাসূল ﷺ যখন মিম্বরে দাঁড়িয়ে খুৎবা দিচ্ছিলেন, সাহাবারা বলেন, গাছের ভেতর থেকে শিশুর মত অঝোরে কান্না তারা শুনতে পেয়েছেন। একটি গাছও রাসূল ﷺ কে মিস করেছে, তার জন্য চোখের পানি ফেলেছে। . রাসূল ﷺ এর মৃত্যুর পর হযরত বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু আর আযান দিতে পারেন নি। এরপর একদিন হযরত বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু মদীনা ছেড়েই চলে গিয়েছিলেন। একদিন তিনি রাসূল ﷺ কে স্বপ্নে দেখলেন। রাসূল ﷺ হযরত বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে বলছেন, "এতদিনেও কি তোমার সময় হয়নি আমার রওজায় আসার?" ছয় বছর পর কোন একদিন হযরত বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে মদীনায় সবাই আযান দিতে অনুরোধ করলেন। কিন্তু তিনি মনঃস্থির করেছেন, রাসূলের জন্য যে আযান দিতেন তা আর কোনদিন কারো জন্য দিবেন না। শেষে হযরত উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর অনুরোধে হযরত বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু আযান দেওয়া শুরু করলেন। সেই আযান, সেই মধুময় সময়, রাসূলুল্লাহর স্মৃতি সব একসাথে ভেসে আসা শুরু করল। কিছুক্ষণের জন্য মানুষ মনে করল, রাসূল ﷺ আবার ফিরে এসেছেন, মদীনার ঘর থেকে সবাই বেরিয়ে আসা শুরু করল, হযরত বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু যখন আযানে আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহর জায়গায় এসে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েছিলেন, পুরো মদীনা জুড়ে হু হু কান্নার শব্দ ছাড়া আর কিছু শোনা যায়নি। .শেষ কবে আমরা আমাদের প্রিয় নবীজীর জন্য কেঁদেছি? কবে? কবে?? কবে??? শায়খ মুখতার আহমেদ
জিলহজের নয় তারিখে করণীয় আমাল ইফতার থেকে ইফতার পর্যন্ত -------- আরবি তারিখ শুরু হয় সূর্যাস্ত থেকে। আট তারিখ ইফতারির সময় থেকে নয় তারিখের ফজিলত শুরু হয়ে যায়। ১. অত্যন্ত গুরুত্ব আর মহব্বতের সাথে ওজু করব। হাম্মাম (ওয়াশরূম)-এর দোয়া, সুন্নত, আদাব আদায় করব। ৮ তারিখে মাগরিবের আগে গুরুত্বের সাথে দোয়া করব। ইফতারির সময় দোয়া কবুল হয়। রোজাদার হলে সুন্নত মনে করে ইফতার করব। ইফতারিতে আগে বেজোড় খেজুর খাবো, তারপর তিনচুমুকে পানি-শরবত পান কর। দোয়া পড়ব। ২. দ্রুত মসজিদে গিয়ে জামাতের সাথে মাগরিব আদায় করব। মসজিদে প্রবেশ ও বের হওয়ার সুন্নত আদায় করব। দুই রাকাত সুন্নত ও নফল আদায় করব। সলাতপরবর্তী মাসনুন দোয়া-জিকির মহব্বতের সাথে আদায় করব। ৩. প্রতিটি ক্ষেত্রের দোয়া, জিকির, সুন্নত, আদাবগুলো গুরুত্ব ও মহব্বতের সাথে আদায় করব। কথাবার্তা, কাজকর্মের ফাঁকে ফাঁকে ইস্তেগফার-তাওবা, দুরুদ শরিফ, সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, লা হাওলা ওয়ালা কুউয়াতা ইল্লা বিল্লাহ, সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি সুবহানাল্লাহিল আযীম পড়ব। বেশি বেশি তাকবীরে তাশরীক বলব। ৪. জিলহজ্ব মাসের নয় তারিখ ফজর থেকে নিয়ে তের যিলহজ্ব আসর পর্যন্ত (মোট ২৩ ওয়াক্ত) প্রত্যেক ফরয নামাযের পর নারী-পুরুষ সকলের জন্য একবার তাকবীরে তাশরীক বলা ওয়াজিব। তাকবীরে তাশরীক হল- اللهُ أَكْبَرُ، اللهُ أَكْبَرُ، لَا إِلهَ إِلّا اللهُ، وَاللهُ أَكْبَرُ، اللهُ أَكْبَرُ، وَلِلهِ الْحَمْدُ. ৫. আগে আগে মসজিদে যাওয়ার চেষ্টা করব। ওজুর পর দুই রাকাত তাহিয়াতুল ওজু আদায় করব, মসজিদে প্রবেশের পর দুই রাকাত তাহিয়াতুল মসজিদ আদায় করব। ৬. ফরজ নামাজের আগে ও পরের সুন্নতগুলো গুরুত্ব আর মহব্বতের সাথে আদায় করব। ফরজ নামাদের আগের সুন্নতের নিয়তের সাথে মিলিয়ে তাহিয়াতুল ওজু ও তাহিয়াতুল মসজিদের নিয়তও করতে পারব। ৬. আজান ও ইকামতের জবাব দিব। আজান ও ইকামতের মাঝে দোয়া কবুল হয়। এই সময় বেশি বেশি দোয়া করব। পাঁচওয়াক্ত নামাজ মসজিদে জামাতের সাথে আদায় করব। ৭. ইশার পর যত দ্রুত সম্ভব ঘুমিয়ে পড়ব। শোয়ার আগে ওজু করে নিব। তাহাজ্জুদের নিয়তে কমপক্ষে দুই রাকাত নামাজ আদায় করব। শোয়ার সময় মাসনুন দোয়া-জিকির, সুন্নত-আদাবগুলো আদায় করব। ৮. বিতির নামাজ ভোররাতে তাহাজ্জুদের পর পড়ার চেষ্টা করব। গুরুত্ব আর মহব্বতের সাথে তাহাজ্জুদ আদায় করব। সম্ভব হলে ৮ রাকাত আদায় করব। তাহাজ্জুদের সুর করে দীর্ঘ কেরাত পড়ার চেষ্টা করব। মুনাজাতে চোখের পানি আনার আপ্রাণ চেষ্টা করব। তাহাজ্জুদের সুন্নত, আদাব, দোয়া-জিকিরগুলো আদায় করার চেষ্টা করব। সুন্নত মনে করে সাহরি খাবো। সাহরিতে নিত্যদিনের খাবারের সাথে খেজুর খাওয়ার চেষ্টা করব। ৯. গুরুত্বের সাথে ঘুমমুক্ত থেকে জামাতের সাথে ফজর পড়ার চেষ্টা করব। ফজরের পর ইশরাক পর্যন্ত জায়নামাজে থাকব। ইশরাক ও চাশতের নামাজ আদায় করব। উভয় নামাজ চার রাকাত করে পড়ার চেষ্টা করব। সকাল ও সন্ধ্যার মাসনুন আমলগুলো মহব্বত ও গুরুত্বের সাথে আদায় করব। ৮. সারাদিন যতবেশি সম্ভব কুরআন তিলাওয়াত করব। অন্তত কয়েকটা আয়াত অর্থ ও তাফসীরসহ পড়ার চেষ্টা করব। কয়েকটা হাদীস অর্থ ও ব্যাখ্যাসহ পড়ার চেষ্টা করব। ৯. সাধ্যমতো দান-খয়রাত করার চেষ্টা করব। আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা করার চেষ্টা করব। মা-বাবার জন্য দোয়া করব। বিপদগ্রস্তকে সাহায্য করার চেষ্টা করব। ১০. কারো সাথে সম্পর্ক খারাপ থাকলে, শুধরে নেয়ার চেষ্টা করব। কয়েকজনকে ভালো কাজের দাওয়াত দিব। ইফতারের আগে দোয়া করব। সময়মতো ইফতার করব। রোজাদারকে ইফতার করনোর চেষ্টা করব। হাজি সাহেবগণ জিলহজের ৯ তারিখে রোজা না রাখা সুন্নত। হাজি সাহেবগণ জিলহজের নয় তারিখে যতবেশি সময় দোয়া-মুনাজাতে সময় কাটানোর চেষ্টা করবেন। অন্যরা বারবার তাওবা-ইস্তেগফার করব। দুরুদ শরীফ পাঠ করব। রাব্বে কারীম আমাদেরকে আমল করার তাওফিক দান করুন। রাব্বে কারীম আমাদের কাজে ইখলাস দান করুন। রাব্বে কারীম আমাদের কাজকে রিয়ামুক্ত করে দিন। ওয়াফফাকানাল্লাহ জাযাকুমুল্লাহু খাইরান রাদিয়াল্লাহু আনহুম ওয়া রাদু আনহু সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম আতিক উল্লাহ হাফি.
আল্লাহ দুআ কবুল করলেন.... রহিমাহুল্লাহ
যিলহজ্জের প্রথম দশ দিন গুরুত্বের দিক দিয়ে অতুলনীয়—কিন্তু রমাদানের তুলনায় অবহেলিতও হয় খুব বেশি। ১. দশ দিনের শ্রেষ্ঠত্ব রাসূলুল্লাহ (সা.) এই দিনগুলোকে পৃথিবীর এমন দিন হিসেবে বর্ণনা করেছেন, যেসব দিনে নেক আমল আল্লাহর কাছে সবচেয়ে বেশি প্রিয়। যদিও রমাদানের শেষ দশ রাত বছরের শ্রেষ্ঠ রাত, যিলহজ্জের প্রথম দশ দিন বছরের শ্রেষ্ঠ দিন। যেহেতু যিলহজ্জ চারটি হারাম মাসের একটি, তাই এই সময়ে কৃত গুনাহও মাপে বেড়ে যায়, আবার নেক আমলের সওয়াবও বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। ২. আত্মসমালোচনা ও নিয়তের সময় যিলহজ্জ ইসলামি বছরের শেষ মাস, তাই এটি স্বাভাবিকভাবেই একটি “নতুন বছরের” আত্মসমালোচনার সময়—গত ১২ মাসে আপনি মানুষ হিসেবে কতটা উন্নতি করেছেন তা যাচাই করার সুযোগ। এই দশ দিনও শুরু হওয়া উচিত পরিবর্তনের দৃঢ় সংকল্প নিয়ে। যেমন : একটি খারাপ অভ্যাস ছেড়ে দেওয়া (যেমন: ধূমপান, ঝগড়া করা, বা অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম) অথবা একটি ভালো কাজ শুরু করা। ৩. হজ হলো কিয়ামতের দিনের একটি “মক পরীক্ষা” হজের বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা, বিশেষ করে আরাফাহতে অবস্থান, কিয়ামতের দিনের একটি অনুশীলন বা “মক পরীক্ষা”-র মতো। তীব্র গরমে দাঁড়িয়ে থাকা, ঘাম ঝরানো, এবং সৃষ্টিকর্তার কাছে কান্নাকাটি করে প্রার্থনা করা—সবই যেন সেই অবস্থার প্রতিচ্ছবি, যেদিন মানুষ পুনরুত্থিত হবে। আরাফাহর দিন (৯ম দিন)-এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো দোয়া। ৪. আল্লাহর নৈকট্যের দর্শন হজের আনুষ্ঠানিকতাগুলো আল্লাহর আরও নিকটবর্তী হওয়ার বিভিন্ন ধাপকে প্রকাশ করে: তাওয়াফ: এমন একটি প্রতীক, যা পুরোপুরি আল্লাহকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়। সাঈ: প্রচেষ্টা ও আল্লাহর উপর পূর্ণ নির্ভরতা (তাওয়াক্কুল)-এর প্রতীক। কুরবানি: এটি নৈকট্যের সর্বোচ্চ নিদর্শন। যেমন ইবরাহিম (আ.) তাঁর সবচেয়ে প্রিয় পুত্রকে কুরবানি করতে প্রস্তুত ছিলেন, তেমনি আমাদেরও নিজেকে প্রশ্ন করা উচিত—আমরা আল্লাহর জন্য কী ত্যাগ করতে প্রস্তুত? আমাদের সময়, অর্থ, নাকি দুনিয়াবি সুযোগ? ৫. এই দিনগুলোর জন্য ব্যবহারিক করণীয় বেশি বেশি জিকির করা: বিশেষভাবে আল্লাহু আকবার বলা। এটি দুনিয়ার অন্য সবকিছুকে “নগণ্য” করে দেয় এবং আল্লাহকে “মহান” করে তোলে। অন্তর থেকে দোয়া করা: আরাফাহর দিনে শুধু না-বোঝা শব্দ আবৃত্তি না করে, নিজের নিজস্ব ভাষায় আল্লাহর সাথে কথা বলা। অগ্রাধিকার যাচাই করা: দোয়া করার সময় ইবরাহিম (আ.)-এর তরিকা অনুসরণ করে দুনিয়াবি চাহিদা (যেমন খাবার বা পদোন্নতি)-এর আগে আধ্যাত্মিক চাহিদা (যেমন সালাত ও উম্মাহ)-কে প্রাধান্য দেওয়া। “ত্যাগ” চ্যালেঞ্জ: এই দশ দিনের জন্য আপনি যা ভালোবাসেন, তার কিছু ত্যাগ করুন—যাতে ঈমানে নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে পারেন। যেমন: ইবাদতের জন্য সময় বের করতে স্মার্টফোনের বদলে একটি সাধারণ “বাটন ফোন” ব্যবহার করা। শ্রুতিলিপি ( হিশাম আবু ইউসুফ হাফি.)
মনে আছে মৃত্যুর কথা?
যে মানুষের নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ নেই, সে আবার কেমন মানুষ! মাওলানা সাজ্জাদ নোমানী হাফি.
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
পর্নোগ্রাফি, নগ্নতা, অশ্লীলতা, পরকীয়া, বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক,।দ্বীনি লেবাসধারী নোংরা অন্তর ধারী মানুষের সংখ্যা যে চরম জায়গায় পৌঁছাচ্ছে তার ভয়াবহ রূপ অলরেডি দেশে দেখা যাচ্ছে। ইদানিং, অযাচার ( Incest )এর এত এত কাহিনি ঘটতেছে এ দেশে, কি আর বলব। ইতোপূর্বে যত জাতিকে আল্লাহ মাটির সাথে মিশায় দিছে সে সব জাতির সবধরণের গুনাহ এখন কাঁধে নিয়ে ঘুরতেছে বাঙালি জাতি। শুধু বাঙালিই না, বর্তমান দুনিয়ার এক অনন্য মহামারি যৌনতা সংক্রান্ত গুনাহ......
গত কিছুদিন যা যা হলো— আপন ভাই বোনকে ক্রমাগত রেইপ করে গর্ভবতী করেছে। যেটা আইমায়ে জাহিলিয়াহর জাহিলিয়াহকেও হার মানায়। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির ভূমিধ্বস বিজয় এবং এরপর থেকে মুসলিমদের বাড়িঘরের উপরে ক্রমাগত আক্রমণ। বাংলাভাষী মুসলিমদেরকে পুশ ইনের সম্ভাবনা। ড. ইউনুস আমলে করা আমেরিকার সাথে অসম বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে নতুনভাবে বিতর্ক, চীনের সাথে সম্ভাব্য সম্পর্ক ও পররাষ্ট্রনীতিতে নতুন মুখের আবির্ভাব। সীমান্তে বিএসএফের হাতে দুইজনের মৃত্যু। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ব্যাপক অবনতি। এক ঘরে ঢুকে ৩ শিশুসহ ৫ জনকে জব/ই করে খুন। আবার ১২ দিন ধরে কিশোরিকে আটকে রেখে গণধর্ষণের অভিযোগ। এদিকে ইসলামপন্থী মহলের (ইনফ্লুয়েন্সার কিংবা অনুসারী) গত কয়েকদিন আলোচনার বিষয় ছিল— এক জনপ্রিয় ওয়ায়েজের দুই বিয়ে করা ঠিক ছিল কিনা। আরেক জনপ্রিয় বক্তার এতগুলো তালাক কেন হচ্ছে। এক সেন্টার রাইট লাইফলেস অনলাইন এক্টিভিস্টের হুজুরদেরকে কটাক্ষ করে বলা কথার টানা প্রতিবাদ। Congratulations, ইসলামপন্থী কম্যিউনিটি। এভাবে করে একদিন জনমত আমাদের পক্ষে চলে আসবে, সামাজিক শক্তি পেয়ে যাবো, বিপ্লব এসে যাবে, শরিআহ কায়েম হয়ে যাবে। ফেসবুকে আসবো, মজার টপিক যা দেখবো তা নিয়ে আলাপ করবো, পরেরদিনও একই কাজ করবো। পরের দিনও। আর এদিকে সেক্যুলাররা কওম ও মাটির জন্য তাদের বয়ানে দরকারি আলাপগুলো করতে থাকুক মানুষের সামনে। ইরফান সাদিক
শয়তানের কুমন্ত্রণা এলে জনৈক সালাফ থেকে বর্ণিত আছে, তিনি তার ছাত্রকে জিজ্ঞেস করলেন: যখন শয়তান তোমার নিকট গুনাহকে সৌন্দর্যমন্ডিত করে দেখাবে, তখন তুমি কি করবে? সে বলল: আমি তার বিরুদ্ধে জিহাদ করবো। তিনি বললেন: এটা তো অনেক দীর্ঘ। আচ্ছা বল তো, তুমি যদি একটি বকরির পালের নিকট দিয়ে গমন কর আর তখন তার কুকুরটি তোমাকে ঘেউ ঘেউ করে, পথ অতিক্রম করতে বাঁধা দেয়, তখন তুমি কি করবে? সে বলল: আমি তার সাথে লড়াই করবো এবং সর্বসাধ্য দিয়ে তাকে ফিরাবো। তিনি বললেন: এটাও দীর্ঘ হবে। কিন্তু তুমি যদি বকরীর রাখালের সাহায্য প্রার্থনা কর, তাহলে সে ই তোমার জন্য যথেষ্ট হবে। এমনিভাবে যখন শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে পরিত্রাণ পাইতে চাইবে, তখন তার আল্লাহর নিকট সাহায্য চাইবে। তাহলে তিনিই তোমার জন্য যথেষ্ট হবেন এবং তোমাকে সাহয্য করবেন।
видео или голосовое, без подписи
ইশতিয়াক তুষার ইস্যুতে একটা কথা বলবো বলবো করে বলা হয় নাই। অনেকটা ভয়েও বলি নাই। কারণ এই ইস্যুগুলোকে অনেক বেশি ভয় পাই। নিজের জন্যও ভয় পাই, আবার অনেকে ভুল বুঝতে পারবে সে জন্যও ভয় পাই। . তুষারের ক্যালেংকারি যখন ভাইরাল হয় তখন একদল "অনলাইন বুজুর্গ" একটা স্লোগান নিয়ে আসলো। অথচ তুষারের সাথে দীর্ঘদিন অফলাইনে চলাফেরা করে তাদেরকে আপনি জিজ্ঞাসা করে দেইখেন, সে অফলাইনেও এমন বুজুর্গির চেহারা নিয়েই চলতো! তার সাথে চলা প্রত্যেক ব্যক্তিই আসমান থেকে পড়েছে! তাদের কয়েকজনের সাথে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছি! তাদের আফসোস আর পেরেশানি দেখে খারাপ লেগেছে! গোপন গুনাহ বড় ভয়ংকর জিনিষ!! . তুষার যে পরিমাণ অফলাইনে বড় বড় আলেমদের সোহবতে যাইতো, তারে অনলাইন নিয়ে মকারি করা ফেসবুকের বহু অফলাইন কর্তৃপক্ষের পুরো জীবনেও হয়তো এত এত আলেমের মজলিসে যায় নাই। আশপাশ তো আশপাশে, কওমী ঘরনার নির্ভরযোগ্য আলেমদের বয়ান শুনতে তুষার দূরদূরান্তে নিয়মিত যেতো। নানুপুর থেকে নিয়ে উজানী বহু মাহফিলে মুরব্বিদের বয়ান শূনতে তার উপস্থিতি থাকতো নিয়মিত। . কল্পনা করা যায় এমন একজন মানুষ এমন নিকৃষ্ট গুনাহে জর্জরিত! তো, ভাই নিজেকে নিয়ে চিন্তা করি, নিজে যদি নিজেকে গুনাহ থেকে বাঁচাবো এমন দৃঢ় হিম্মত না করি, তাহলে যত বড় শায়খই হোক বা গ্রহণযোগ্য পীরের কাছে যান কোনো বিশেষ লাভ হবে না। . কারো গোপন গুনাহ প্রকাশ হলে মকারি না করে নিজেকে নিয়ে মনে হয় বেশি ফিকির করা দরকার। যদি নিজেরই গোপন গুনাহ থাকে তাহলে তো উচিত ঐ সময়টাকে আরো বেশি ভয় করা, আল্লাহ যদি ঐ লোকের জায়গায় আমাকে এভাবে প্রকাশ করে দিতো তাহলে কী হতো! আর যদি আমার আলহামদুলিল্লাহ কোনো গোপন গুনাহ না থাকে তাহলে আল্লাহর শুকরিয়া করে নিজেকে নিয়ে ভয় পাওয়া উচিত, কখন কোন সুযোগে কোনো গোপন স্থায়ী গুনাহে লিপ্ত হয়ে যাই কি না।
এক ভাই এসেছিলেন কাজের খোঁজে। কাজ নেই, অভাবে আছেন। উনাকে বললাম - আলহামদুলিল্লাহ যতই দরিদ্রতা যাক, এটা একটা প্লাস পয়েন্ট যে আপনার নিজের বাড়ি আছে। নাহলে এখন বাড়ি ভাড়া অনেক। আল্লাহ আপনাকে বাসস্থানের নেয়ামত দিয়েছেন। অনেক খরচ বাঁচছে৷ তিনি বললেন - আসলে আমার বাড়ির থেকেও বড় নেয়ামত, সম্পত্তি আমার স্ত্রী সন্তান। বললেন, "আমার উপার্জন যখন ১৮০০০ ছিল (এখন ৪০০০ টাকা) আমার স্ত্রী কয়েকদিন ধরে আমার কাছে ঘুর ঘুর করত, কিছু একটা বলতে যেয়েও বলত না। একদিন অভয় দিলাম বলো। তো একটা ওড়না কিনবে, মূল্য ১৪০ টাকা আমার পকেটে টাকা আছে কিনা তাই সাহস করতে পারছেনা। আমি বললাম - ১৮০০০ উপার্জন করি ! ১৪০ টাকা পকেটে থাকবেনা !! আজ বিকেলেই কিনে দিব। আমি ব্যাংকের চাকরি ছাড়তে চেয়েছিলাম আর ২ মাস পরে, আমার স্ত্রী বলেছে - তুমি ২ মাস বাঁচবে গ্যারান্টি আছে? আজই রিজাইন দাও। দিয়েছি" কন্টিনিউ করলেন, "আমার স্যালারী পেয়ে আগে আমার বাবা মা কে ৫০০০ টাকা পাঠাতে হয়। আমার স্ত্রী বলেছে এটা। আগে ৫০০০ টাকা পাঠিয়ে যেন ১৩০০০ টাকা নিয়ে তবেই বাসায় ঢুকি। আমি বললাম আমাদের তো আর পাঁচ ভাই আছে, জরুরী না টাকা পাঠানো। আমার স্ত্রী কড়াভাবে বললেন - যতদিন আমি উনাদের (বাবা মা) পাচ্ছি আমি যেন একাই চেষ্টা করি উনাদের খরচ বেয়ার করতে" কন্টিউনিউ করলেন, "আমার ছেলে হিফয পড়ছে। সকালে কড়া রোদে দেখি ছাদে চলে গেছে। ওর মা কে বললাম, এই গরমে কোথায় গেলো। ওর মা বলল - ছাদে যেয়ে কুরআন পড়ছে। ঘরে পড়লে লাইট ফ্যান এর বিল উঠবে তাই৷ যেহেতু আমাদের অর্থনৈতিক পরীক্ষা যাচ্ছে" -Shah Mohammad Tonmoy.