tgindex
Youth Spring

আমরা চাই আমাদের চ্যানেলের মাধ্যমে অন্ধকারাচ্ছন্ন আত্মাগুলো আলোকে ফিরে আসুক।ইবাদতে অনাগ্রহী আত্মাগুলোতে আগ্রহ সঞ্চার হোক।মৃতপ্রায় আত্মাগুলোতে ছড়িয়ে পড়ুক প্রাণশক্তি।

Последний пост
14 авг.
Последнее чтение
13 авг.
Постов за неделю
3
Всего постов
23
Тип
открытый
Язык
bn
В каталоге с
13 авг.
Подписчики
2 248
+1 за 2 дн.
Сутки
+1
+0,04%
Неделя
 
Месяц
 
Просмотров на пост
494
23 постов
Вовлечённость
22,0%
к подписчикам
Постов в день
0,4
всего 23
Упоминаний
0
каналов
Охват размещения
оценка
1/24сутки в ленте
137
1/48двое суток
157
1/72трое суток
169

Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.

Посты

  • без подписи

  • 'র' এর প্রধান রেডিসন ব্লুতে অবস্থান করেছেন ৯ আগষ্ট! তিনি সেখানে একের পর এক মিটিং করেছেন! ১০ আগষ্ট বিকাল সাড়ে ৩টায় তিনি তারেক রহমানের প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকও করেছেন! রেডিসন হোটেল কাদের? রেডিসন সেনা হোটেল ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড নির্মাণ ও পরিচালনা করে! এই কোম্পানি বাংলাদেশ আর্মি ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট-এর অধীন!

  • ম্যানেজিং কমিটির হাতে ক্ষমতা দেওয়ার ঘটনা সত্য গত ৩ আগস্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এনটিআরসিএর সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে আয়োজিত সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) আলি. শুধু তাই নয়, ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হয়েও নিয়োগ সুপারিশ না পাওয়া প্রায় ১০ হাজার নিবন্ধনধারীর নিয়োগও স্কুল-কলেজের ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে হবে।

  • «“যে ব্যক্তি তার দুই চোয়ালের মধ্যবর্তী বস্তু (জিহ্বা) এবং দুই পায়ের মধ্যবর্তী বস্তু (লজ্জাস্থান/গোপনাঙ্গ) হেফাজতের নিশ্চয়তা দেবে, আমি তার জন্য জান্নাতের নিশ্চয়তা দিচ্ছি।” — সহিহ বুখারী, হাদীস: ৬৪৭৪» এই হাদীসের গভীরতা ও ব্যাপকতা সত্যিই অসাধারণ। মাত্র দুটি জিনিস—জিহ্বা ও গোপনাঙ্গ। এ দুটির যথাযথ হেফাজত, নিয়ন্ত্রণ ও সঠিক ব্যবহার একজন মানুষের সম্মান, মর্যাদা ও ব্যক্তিত্বকে আকাশচুম্বী উচ্চতায় পৌঁছে দিতে পারে। আর এ দুটির অপব্যবহার মানুষকে এমনভাবে অপদস্থ করতে পারে যে, ইহকালে সে মানুষের কাছে সম্মান হারায়, আর পরকালে আল্লাহর কাছে জবাবদিহিতার সম্মুখীন হয়। জিহ্বা মানুষকে জান্নাতের কাছেও নিয়ে যায়, আবার জাহান্নামের দিকেও ঠেলে দেয়। একইভাবে, গোপনাঙ্গের হেফাজত মানুষকে পবিত্রতা ও মর্যাদার শিখরে পৌঁছে দেয়; আর এর অবাধ ব্যবহার মানুষকে লাঞ্ছনা ও ধ্বংসের দিকে নিয়ে যায়। ইহকাল ও পরকাল—উভয় জগতেই এ হাদীসের শিক্ষা অত্যন্ত ব্যাপক। তাই আসুন, আমরা আমাদের জিহ্বাকে গীবত, অপবাদ, মিথ্যা ও কটু বাক্য থেকে এবং আমাদের গোপনাঙ্গকে সকল হারাম থেকে হেফাজত করি। এ দুটির হেফাজতই হতে পারে ইহকালীন মর্যাদা আর পরকালীন জান্নাতের পথে আমাদের সবচেয়ে বড় পাথেয়..! ©

  • без подписи

  • রিজিক বাড়াতে একটা হিডেন পাওয়ারের কথা বলি আপনাদের। হাসান বাসরি (রহি.) নামে এক বিরাট আলিম থাকতেন মাদিনায়। একবার এক লোক এসে তাঁকে বললেন, এলাকায় খরা চলে। হাসান বাসরি (রহি.) বললেন, "ক্ষমা চান আল্লাহর কাছে।" কিছুক্ষণ পর আরেকজন এসে জানাল, তার ছেলেমেয়ে হচ্ছে না। হাসান বাসরি (রহি.) বললেন, "ক্ষমা চান আল্লাহর কাছে।" আরেকজন এলেন। তার বাগানে ফল ধরে না। হাসান বাসরি (রহি.) বললেন, "ক্ষমা চান আল্লাহর কাছে।" সবাইকে একই সুরাহা দিতে দেখে তাঁর এক ছাত্রের আক্কেল গুড়ুম : "আজিব তো! ৩ জন এলেন ৩ সমস্যা নিয়ে। আপনি সবাইকেই একই ওষুধ দিলেন!" উস্তাজ হাসান বাসরি (রহি.) বললেন, "আমি নিজের থেকে কিছু বলিনি। সূরা নূহে আল্লাহ নিজেই দিয়েছেন এই টোটটকা।" টোটকাটা কী? নূহ (আ.) বলেছেন, "তোমাদের প্রভুর কাছে ক্ষমা চাও— তিঁনি যে বারে বারে ক্ষমা করেন। তিঁনি তাহলে আকাশ ভেঙে বৃষ্টি দেবেন মুষলধারে। তোমাদের আয়-রোজগার বাড়াবেন। বংশধর বাড়াবেন। বাগান দেবেন। নদ-নদীর ফোয়ারা প্রবাহিত।" [সূরা নূহ, আয়াত : ১০-১২] লেখা : মাসুদ শরীফ (পরিমার্জিত) ©

  • ইসরায়েলে ছেলে-মেয়েদের আলাদা শ্রেণিকক্ষে পড়াশোনার অনুমতি দিয়ে আইন পাস হলে মানবাধিকার, গণতন্ত্র কিংবা নারীর অধিকার নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তেমন কোনো উচ্চবাচ্য শোনা যায় না। কিন্তু একই ধরনের নীতি আফগানিস্তান গ্রহণ করলে মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের প্রশ্নে বিশ্বজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। এই দ্বৈত মানদণ্ড নিয়ে প্রশ্ন তোলা কি অযৌক্তিক? 📰 খবর ইসরায়েলে স্নাতকোত্তর পর্যায়ে নারী-পুরুষ পৃথক শিক্ষার অনুমোদন দিয়ে সংসদে আইন পাস। ইসরায়েলের পার্লামেন্ট কনেসেট মাস্টার্স ও পিএইচডি পর্যায়ে নারী-পুরুষের জন্য পৃথক শ্রেণিকক্ষে পড়াশোনার অনুমতি দিয়ে একটি আইন পাস করেছে। ©

  • তিনটি ভাল কাজের জন্য তিনটি পুরস্কার: ১। মৌন্যতার জন্য শান্তি, ২। সেবার জন্য নেতৃত্ব, ৩। খোদাভীরুতার জন্য মর্যাদা, — হযরত আলী রা.

  • *তাওয়াক্কুল: অর্থাৎ আল্লাহর উপর আস্থা, ভরসা ও নির্ভর করা।* উমার ইবনুল খাত্তাব (রা.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: *“তোমরা যদি সঠিকভাবে আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করতে, তবে তিনি তোমাদেরকে রিযিক দান করতেন—যেমন তিনি পাখিকে রিযিক দান করে থাকেন। তারা খালি পেটে সকালে বের হয় এবং পেট ভরে সন্ধ্যায় ফিরে আসে।”* — [আহমাদ, তিরমিযি, নাসাঈ ও ইবনু মাজাহ]

  • জুলাই ম্যাসাকারের দিনলিপি ©July Massacre Archive #JulyMassacre

  • লক্ষ্মীপুরে মা-মেয়েসহ চারজনকে হ [ত্যা] কারী অন্তর মজুমদারকে নিয়ে এক চাঞ্চল্য তথ্য বের হয়েছে একাত্তর টেলিভিশনের একটা প্রতিবেদনে। অন্তর মজুমদার নিজেকে অন্তর মিয়াজী (মুসলিম) পরিচয় দিয়ে একটা মেয়ের (স্ত্রী দাবীকৃত) সাথে দীর্ঘদিন যাবৎ বাসা ভাড়া থাকতো। ঘটনার বেশ কয়েকমাস আগে একই বিল্ডিংয়ের আরেক ইউনিটের একজন মহিলার অন্তরের ধর্ম-পরিচয়ের বিষয়ে সন্দেহ হলে বাড়িওয়ালাকে তার সন্দেহের বিষয়টা জানায়। ফলে বাড়িওয়ালা খোঁজ-খবর নিয়ে সত্যতা পেয়ে অন্তর মজুমদারকে বাসা থেকে বের করে দেয়। মূলত এই ক্ষোভ থেকেই অন্তর পরবর্তীতে সেই মহিলা এবং তাঁর তিন মেয়েকে হ [ত্যা] করে। নিজেকে মুসলিম পরিচয় দেয়ার কারণ যে মেয়েকে স্ত্রী হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলো, সেই মেয়েটাও মুসলিম ছিলো। অর্থাৎ এই অন্তর মজুমদার একজন ভাগওয়া সন্ত্র|সী এই বিষয়টা দিনের আলোর মতো স্পষ্ট। মেয়েটাকে খুঁজে বের করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে দেখা যাবে মেয়েটার সাথেও হয়তো সে মুসলিম পরিচয়েই সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলো। এতবড় ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর অন্তত "ভাগওয়া লাভ ট্র্যাপ" অর্থাৎ মুসলিম মেয়েদের সম্ভ্রম কেড়ে নেয়ার উদ্দেশ্যে চলমান এই ষড়য'ন্ত্রে'র বিষয়টা সর্বমহল থেকে একনলেজ করা জরুরি। এই সংকট মোকাবিলায় সরকার এবং দায়িত্বশীলদের ভূমিকার পাশাপাশি প্রত্যেক অভিভাবকের সচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি, প্রতিরোধে প্রত্যেকের ভূমিকা থাকা আবশ্যক। এই সংকট আরো আগে দেখা দিলেও বর্তমানে তা ভয়াবহ পর্যায়ে পৌঁছেছে। আমাদের মেয়েদের সম্ভ্রম রক্ষার্থে এই ব্যাপারে ব্যাপক সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে কাজ করা প্রত্যেকের ফরজ হয়ে গেছে। -Mayaz Hossain

  • আজ মাগরিব থেকে হিজরী নববর্ষ শুরু হতে পারে : ১ মুহাররম ১৪৪৮ হিজরী “সাহাবায়ে কেরাম নতুন মাস বা নতুন বছর শুরুর এ দুআটি তেমন গুরুত্ব দিয়ে শিখতেন, যেভাবে কুরআনুল কারিম শিখতেন।" اَللّٰهُمَّ أَدْخِلْهُ عَلَيْنَا بِالْأَمْنِ وَالْإِيْمَانِ وَالسَّلَامَةِ وَالإِسْلَامِ وَجِوَارٍ مِنَ الشَّيْطَانِ وَرِضْوَانٍ مِنَ الرَّحْمٰن হে আল্লাহ! আপনি আমাদের মাঝে এ মাস/বছরের আগমন ঘটান- শান্তি ও নিরাপত্তা এবং ইমান ও ইসলামের (উপর অবিচলতার) সাথে; শয়তান থেকে সুরক্ষা ও দয়াময় আল্লাহর সন্তুষ্টির সাথে।

  • মেটা সার্ভার ডাউন হয়েছে।

  • মাত্র তিনটি অভ্যাস মানুষের কল্যাণ ডেকে আনে- (১) আল্লাহর ইচ্ছার প্রতি সন্তুষ্ট থাকা, (২) বিপদের সময় দু’হাত তুলে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়া যে কোনো সমস্যা বা সংকটে ধৈর্য ধারণ করা। (৩) ‘মন এবং জবান’কে নিয়ন্ত্রণ করে মানব জীবনের কৃতিত্ব লাভ করা।

  • সরকারের দুই মন্ত্রী পরোক্ষভাবে হুমকি দিয়েছেন। মামলার কথাও স্মরন করে দিয়েছেন। ব্যাংকের ভেতরে যারা কর্মসূচী বাস্তবায়নের জন্য গিয়েছেন তাদের ভিডিও থাকার কথাও বলেছেন। সম্ভবত ধরপাকড় শুরু করতে পারে। তবে ইসলামী ব্যাংক নিয়ে আওয়ামীলীগ যে কাজটি করেনি সেই কাজটি বিএনপি করবে, কয়েক দিনের মধ্যে মিডিয়ায় ইসলামী ব্যাংকের দুরবস্থার জন্য জামাতকে দায়ী করা হবে। তবে শেষ কথা হলো বাংলাদেশে ইসলামী ব্যাংকিংয়ের যে সম্ভবনা তৈরি হয়েছিলো তার মৃত্যু ঘটতে যাচ্ছে। এটি ছিলো একটি সুদুর প্রসারী পরিকল্পনা যা এখন বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে। আর জামাতকে কোনঠাসা করতে বিএনপির এই উদ্যেগ থেকে কতটা লাভবান হবে তা সামনের দিনগুলোতে স্পষ্ঠ হবে। -আলফাজ আনাম সাংবাদিক, আমার দেশ

  • সংসদে এস আলমের সূর ও ইসলামী ব্যাংকিং এর মৃত্যু আজকে জাতীয় সংসদে ইসলামী ব্যাংক নিয়ে যে আলোচনা হলো তাতে এই ব্যাংক নিয়ে সরকারের অবস্থান সুস্পষ্ট হয়েছে। একই সাথে এই ব্যাংকের ভবিষ্যত মোটামুটি নির্ধারিত হয়ে গেছে। গতকাল আমি বলেছিলাম বিএনপি ইসলামী ব্যাংককে আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসাবে না দেখে জামাতের রাজনীতির অংশ হিসাবে দেখছে। আওয়ামীলীগের মতো তারা ইসলামী ব্যাংককে জামাত মুক্ত করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। আজকে সংসদে বিরোধী দলের নেতা শফিকুর রহমানের আনা জরুরি জনগুরুত্বপূর্ন বিষয়ে এই আলোচনায় সরকার পক্ষে দু জন মাত্র অংশ নিয়েছেন স্বারাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ এবং অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সাংবাদিক গ্যালারি ছিলো অনেকটা ফাঁকা। কিন্তু আজকে বাংলাদেশে একটি বড় ঘটনা ঘটে গেলো। যার সূদুর প্রসারী প্রভাব আমরা দেশের অর্থনীতি ও রাজনীতিতে দেখতে পাবো। আজকে থেকে শুধু ইসলামী ব্যাংক না দেশে ইসলামী ব্যাংকিংয়ের পতনের নতুন যাত্রা শুরু হলো। সংসদে সালাহ উদ্দিন আহমদ যে বক্তব্য দিয়েছেন তারা বিটুইন দ্য লাইন ব্যাখা করলে এর চিত্র পাওয়া যাবে। এরমধ্যে দুটি বিষয় এসেছে। প্রথমত তিনি বলেছেন, শেয়ার হোল্ডাররা কিভাবে মালিক হয়েছেন তা ভিন্ন বিষয়। অর্থাৎ এস আলম যেভাবে ইসলামী ব্যাংকের মালিক হয়েছে সেটি তারা বিবেচনায় নিতে নারাজ। অর্থমন্ত্রীও বলেছেন যারা প্রকৃত মালিক তাদের কাছে ব্যাংকটি ফেরত দেয়ার প্রক্রিয়া চলছে। তাহলে আইনগত ভাবে এস আলমের দখলটিকে যদি স্বীকার করা না হয় তাহলে বলতেই হবে এস আলম এই ব্যাংকের প্রকৃত মালিক। দ্বিতীয়ত এস আলমের সময় নিয়োগ দেয়া পটিয়ার হাজার হাজার লোকের কোনো প্রকার যোগ্যতা ও পরীক্ষা ছাড়া নিয়োগের পক্ষে সরাসরি অবস্থান নিয়েছেন। তাদের নিয়োগ শুধু বৈধ নয় আজকের এই বক্তব্যর পর এদের চাকরি ফেরত দেয়ার নৈতিক বৈধতা তিনি আজ দিয়েছেন। সত্যি কথা হলো আজকে যদি এস আলম বিএনপির টিকেটে নির্বাচিত হয়ে সংসদে আসতেন তাহলে ব্যাংক দখল নিয়ে যে সাফাই গাইতেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তার কথা গুলো বলেছেন। তার বক্তব্য শুনে মনে হচ্ছিলো তিনি এস আলমের প্রতিনিধি হিসাবে কথা বলছেন। জামাত আজকে পার্লামেন্টে ভালো কোনো যুক্ত উপস্থাপন করতে পারেনি। তাদের শুধু বুক ভরা আবেগ। তবে একথা বলতেই হবে, নতুন নারী সংসদ সদস্য মারদিয়া মমতাজ ভালো বলেছেন। এছাড়া বিরোধী দলের উপনেতার অবসর নেয়ার সময় হয়েছে। জামাতের আমির যথারীতি জাতির অভিভাবকের দায়িত্ব নিয়েছেন। এটি জামাতের জাতীয় রোগ। তারা প্রায়ই দেশের ড্যাডি ও মাম্মি বনে যান। তবে এস আলমের সাথে বিএনপির বা সালাহউদ্দিন আহমদের যে গভীর সংযোগের গুঞ্জন আছে আজকে যেনো তা সত্যি হিসাবে প্রমান করলেন। এস আলমের গাড়ি কেলেংকারির কারনে তার বিরুদ্ধে যে দল শাস্তিমুলক ব্যবস্থা নিয়েছিলো সে কথা পর্যন্ত জামাত তুলে ধরতে পারেনি। মাগরিবের নামাজের সময় বিএনপির একজন তরুন এমপির সাথে আলাপের সময় সালাহ উদ্দিন আহমদের বক্তব্যর সূত্র ধরে বললেন, জামাত আজকে ভদ্রতা দেখিয়ে অনেক কিছু বলেনি। আসলে বলতে পারার ক্যাপাসিটি তাদের নেই। ইসলামী ব্যাংকের সাথে জামাতের যোগসূত্রের দুটি উদহারন দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এনেছেন, একটি নাবিল গ্রুপের ঋন এবং আরডিএসে অর্থ বিতরনে অনিয়ম। নাবিল গ্রুপ ঋন পেয়েছে এস আলমের সময় । সে ব্যাপারে সরকার ব্যবস্থা নিতে পারে। কিন্তু তারা কেন নিচ্ছে না সেটি এক রহস্য। জামাত দল হিসাবে কিংবা প্রথম সারির কোনো নেতা জড়িত কিনা তা তদন্ত করে প্রমান করতে পারে কিন্তু তাও করা হচ্ছে না। আরডিএসের টাকা অনিয়মের মাধ্যমে বিতরন হয়েছে এর কোনো প্রমান দেয়া হয়নি। জামাত আমির অবশ্য এই বিষয়ে আবুল বারাকাতের উদহারন এনেছে। গতকাল আমি বলেছি বিএনপির ভেতরে থাকা বামপন্থী কৌশলবিদরা আবুল বারাকাতের তত্ব ভিন্নভাবে হলেও বিশ^াস করে। আজকে সংসদে দুই মন্ত্রীর বক্তব্য শুনে আমার বিশ^াস এস আলমের সাথে বিএনপির বোঝাপড়া আছে। ভিন্ন নামে হলেও ব্যাংকে এস আলমের মালিকানা থাকবে। হয়তা এস আলম কিছু টাকা ফেরতও দিতে পারে। এখন দেখা যাক আজকের পর ইসলামী ব্যাংকের অবস্থা কি হয় ? সম্ভবত আমানত উঠে নেয়ার প্রবনতা আরো বাড়বে। জামাত আমির তার বক্তব্য রেমিটেন্সের বিষয়টি এনেছেন। ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিটেন্স প্রবাহ কমবে। তবে তা যদি হুন্ডিতে রুপান্তর হয় তাহলে তা দেশের জন্য বিপর্যয়কর হতে পারে। এই ঘটনার রাজনৈতিক প্রভাব পড়বে। জামায়াতের সাথে বিএনপির সর্ম্পক সামনের দিনগুলোতে আরো খারাপ হবে। জামাত দল হিসাবে ইস্যুভিত্তিক অবস্থান নিতে পারে না। অর্থাৎ কোনো ইস্যুতে তারা সরকারকে সমর্থন দেবে আবার কোনো ইস্যুতে দেবে না। এমন অবস্থান নিতে পারে না। এমনকি বার্গেনিং করার ক্যাপাসিটও দলটির কম। অতীতে আওয়ামীলীগ ও বিএনপির সাথে সর্ম্পকের ক্ষেত্রে তা দেখা গেছে। এর ফলে জামাতের মাঠ পর্যায়ের নেতা কর্মীরা বিএনপির ওপর ক্ষুদ্ধ হবে। এর প্রভাব আমরা আগামি দিনে দেখবো।

  • হাদিসের নির্ভরযোগ্য গ্রন্থ সুনানে আবু দাউদ এবং সুনানে ইবনে মাজাহ-তে ধর্ষণের ঘটনা ও বিচারের বিধান স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। হযরত ওয়ায়েল ইবনে হুজর (রা.)-এর হাদিস:সুনানে আবু দাউদ (হাদিস নং-৪৩৭৯) এবং সুনানে ইবনে মাজাহ (হাদিস নং-২৫৯৮)-এ এই বিখ্যাত ঘটনাটি বর্ণিত হয়েছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে জনৈকা মহিলা সালাত আদায়ের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে এক ব্যক্তি তাকে নাগালে পেয়ে তার উপর চেপে বসে তাকে ধর্ষণ করে। সে চিৎকার দিলে লোকটি সরে পড়ে। এ সময় অপর এক ব্যক্তি তার পাশ দিয়ে যাচ্ছিল। সে (ভুলবশত) বললো, এ লোকটি আমার সঙ্গে এরূপ এরূপ করেছে। এ সময় মুহাজিরদের একটি দল এ পথ দিয়ে যাচ্ছিলেন। স্ত্রীলোকটি বললো, এ লোকটি অমার সঙ্গে এরূপ করেছে। অতএব যার সম্পর্কে মহিলাটি অভিযোগ করেছে তারা দ্রুত এগিয়ে লোকটিকে ধরলো। অতঃপর তারা তাকে তার নিকট নিয়ে আসলে সে বললো, হ্যাঁ, এ সেই ব্যক্তি। তারা তাকে নিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপস্থিত হলেন। তিনি তার সম্পর্কে ফায়সালা করতেই আসল অপরাধী দাঁড়িয়ে বললো, হে আল্লাহ রাসূল! আমিই অপরাধী। তিনি ধর্ষিতা মহিলাটিকে বললেনঃ তুমি চলে যাও, আল্লাহ তোমাকে ক্ষমা করেছেন আর নির্দোষ ব্যক্তি সম্পর্কে উত্তম কথা বললেন। যে ধর্ষনের অপরাধী তার ব্যাপারে তিনি বললেনঃ তোমরা একে পাথর মারো (মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়) । তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ সে এমন তওবা করেছে যে, মদীনাবাসী যদি এরূপ তওবা করে, তবে তাদের পক্ষ থেকে তা অবশ্যই কবুল হবে।

  • 31 мая640173

    কোনো মেয়েকে পছন্দ হলে বিয়ের প্রস্তাব দেয়া প্রসঙ্গে কোনো মেয়েকে পছন্দ হলে তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়া ইসলামে বৈধ। বরং এটি স্বাভাবিক ও সুন্নতসম্মত একটি পথ। তবে তা শালীনতা, শরীয়তের সীমা এবং অভিভাবকের মাধ্যমে হওয়া জরুরি। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যখন তোমাদের কারো কাছে এমন কেউ প্রস্তাব নিয়ে আসে যার দ্বীন ও চরিত্র তোমরা পছন্দ করো, তবে তাকে বিয়ে দাও।” (সুনান আত-তিরমিযি, হা/১০৮৪) আরেক হাদিসে এসেছে, “নারীকে চারটি বিষয় দেখে বিয়ে করা হয়: তার সম্পদ, বংশ, সৌন্দর্য ও দ্বীন। তুমি দ্বীনদার নারীকে বেছে নাও, তাতে তুমি সফল হবে।” (সহিহুল বুখারি, হা/৫০৯০; সহিহ মুসলিম, হা/১৪৬৬) “যদি কোনো পুরুষ কোনো নারীকে পছন্দ করে এবং তার দ্বীন ও চরিত্রে সন্তুষ্ট হয়, তবে তার জন্য বৈধ উপায়ে (অভিভাবকের মাধ্যমে) বিয়ের প্রস্তাব দেওয়া বৈধ; এতে কোনো দোষ নেই।” (মাজমূ ফাতওয়া, ইবনু বায, ২০/৪২১) “বিয়ের ক্ষেত্রে আসল বিবেচ্য বিষয় হলো দ্বীন ও চরিত্র। সৌন্দর্য বা সম্পদ সাময়িক, কিন্তু দ্বীন মানুষের জীবন ও পরিবারকে স্থিতিশীল করে।” (লিকাউল বাবিল মাফতূহ, সাক্ষাৎকার নং ৫২) আল্লাহ তাআলা বলেন, “সৎ নারীরা অনুগত এবং স্বামীর অনুপস্থিতিতে আল্লাহর হেফাজতে নিজেদের রক্ষা করে।” (সূরা নিসা: ৩৪) এই আয়াত ও হাদিসসমূহ থেকে আলেমগণ যে বৈশিষ্ট্যগুলো উল্লেখ করেছেন, তা হলো: দ্বীনদার মেয়ের প্রধান বৈশিষ্ট্য নিয়মিত সালাত আদায় করে। পর্দা ও লজ্জাশীলতা বজায় রাখে। চরিত্র ও আমানত এর ব্যপারে রক্ষণশীল। স্বামীর প্রতি অনুগত (শরীয়তসম্মত বিষয়ে)। হারাম থেকে বেঁচে থাকে এবং হালালের প্রতি যত্নশীল উত্তম আচরণ ও নরম স্বভাবের অধিকারী। সৌদিআরবের বর্তমান গ্রান্ড মুফতি আল্লামা সালেহ ফাউযান (হাফি.) বলেন: “দ্বীনদার নারী সেই, যে আল্লাহর অধিকার ও বান্দার অধিকার যথাযথভাবে আদায় করে এবং নিজের চরিত্রকে সংরক্ষণ করে।” (আল-মুনতাকা, ৩/১২০) . ওমর ফারুক বিন মুসলিমুদ্দীন রিয়াদ, সৌদিআরব।

  • আরাফার দিনের সবচেয়ে ফজিলতপূর্ণ দোয়া— لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ অর্থ— আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। তিনি এক, তাঁর কোনো শরিক নেই। রাজত্ব ও সকল প্রশংসা তাঁরই, এবং তিনি সবকিছুর ওপর ক্ষমতাবান।

  • без подписи