Hope
Статистикаআল্লাহ আপনার দুনিয়ার কষ্ট দূর করে দিক, আখিরাত সহজ করে দিক, আমীন। প্রয়োজনে: @HopeDM আমাদের সব চ্যানেলঃ https://t.me/Hope24hours/1215 এনোনিমাস মেসেজ পাঠাতে: https://chithi.me/Hope24hours উত্তর: https://t.me/a_teardrop
- Последний пост
- 15 авг.
- Последнее чтение
- 14 авг.
- Постов за неделю
- 14
- Всего постов
- 24
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- Категория
- Новости и СМИ (по похожим)
- В каталоге с
- 13 авг.
- 1/24сутки в ленте
- 418
- 1/48двое суток
- 479
- 1/72трое суток
- 516
Медиана по постам, которые мы застали свежими и померили через сутки.
Посты
без подписи
মানুষ কি তাকদিরের পারিবর্তণ করতে পারে? @islamicvideo24hours 🌸আজ আসর থেকে মাগরিব পর্যন্ত দুআ কবুলের উত্তম সময়ে এ কথা গুলো মাথায় রেখে দুআ করতে পারি...
আল্লাহ তা'আলার উক্তিঃ “নিশ্চয়ই জাহান্নাম ওঁৎ পেতে রয়েছে; (ওটা হবে) সীমালংঘনকারীদের প্রত্যাবর্তন স্থল।” যারা হলো উদ্ধত, নাফরমান ও রাসূল (সঃ)-এর বিরুদ্ধাচরণকারী। জাহান্নামই তাদের প্রত্যাবর্তন ও অবস্থান স্থল। হযরত হাসান (রঃ) ও হযরত কাতাদাহ (রঃ)-এর অর্থ এও করেছেন যে, কোন ব্যক্তিই জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না যে পর্যন্ত না জাহান্নামের উপর দিয়ে গমন করবে। যদি আমল ভাল হয় তবে মুক্তি পেয়ে যাবে, আর যদি আমল খারাপ হয় তবে জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হয়ে যাবে।
দুরুদ...
রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর অনেক মসিবত এসেছে।আল্লাহ তাআলা তাকে নাজাত দিয়েছেন। তায়েফ ও ওহুদে আহত হয়েছেন, আল্লাহ তাআলা তাঁকে সুস্থ করেছেন। একবার ঘোড়া থেকে পড়ে পায়ে ব্যথা পেয়েছেন, যার কারণে মসজিদে যেতে পারেননি, আল্লাহ তাআলা তাঁকে সুস্থ করেছেন। তাঁর সুস্থতা লাভের এই সব আনন্দের স্মৃতিগুলোতে দিবস উদযাপনের কোনো নিয়ম আছে কি? তাহলে আখেরি চাহারশোম্বাহ, যার কোনো ভিত্তিই নেই, তা কীভাবে উদযাপনের বিষয় হতে পারে? ৪. কোনো দিনকে বিশেষ ফযীলতের দিবস মনে করা কিংবা বিশেষ কোনো আমল তাতে বিধিবদ্ধ রয়েছে এমন কথা বলা কিংবা তাকে ধর্মীয় দিবস হিসেবে উদযাপন করা-এই সবগুলো হচ্ছে মুসলমানদের জন্য শরীয়তের বিধানের অন্তর্ভু&ক্ত। অতএব এগুলো শরয়ী দলিল ছাড়া শুধু মনগড়া যুক্তির ভিত্তিতে সাব্যস্ত করা যায় না। এটা শরীয়তের একটি অবিসংবাদিত মূলনীতি। এজন্য উপরোক্ত তথ্য ইতিহাসের দৃষ্টিকোণ থেকে বিশুদ্ধ হলেও এ দিবসকে ঘিরে ওইসব রসম-রেওয়াজ জারি করার কোনো বৈধতা হয় না। ৫. মকসুদুল মোমেনীন পুস্তিকায় যা বলা হয়েছে তা-ও সঠিক নয়। রাসূলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওফাত হয়েছে সোমবারে। এর চার পাঁচ দিন আগে তাঁর সুস্থতার জন্য যে সাত কুঁয়া থেকে সাত মশক পানি আনা হয়েছিল এবং সুস্থতার জন্য তার দেহ মোবারককে ধৌত করা হয়েছিল তা কি বুধবারের ঘটনা না বৃহস্পতিবারের? ইবনে হাজার ও ইবনে কাছীর একে বৃহস্পতিবারের ঘটনা বলেছেন। -ফাতহুল বারী ৭/৭৪৮, কিতাবুল মাগাযী ৪৪৪২; আলবিদায়া ওয়ান্নিহায়া ৪/১৯৩; সীরাতুন নবী, শিবলী নুমানী ২/১১৩ যদি বুধবারের ঘটনা হয়ে থাকে তবে সফর মাসের শেষ বুধবার কীভাবে হচ্ছে? রসমের পৃষ্ঠপোষকতাকারীগণ সকলে ইন্তেকালের তারিখ বারো রবীউল আওয়াল বলে থাকেন। সোমবার যদি বারো রবীউল আওয়াল হয়ে থাকে তাহলে এর আগের বুধবার তো সফর নয়, রবীউল আওয়ালেই হচ্ছে। তাছাড়া এ তথ্যও সঠিক নয় যে, বুধবারের পর রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গোসল করেননি। কেননা, এরপর একরাত ইশার নামাযের আগে গোসল করার কথা সহীহ হাদীসে স্পষ্টভাবে উল্লেখিত হয়েছে। -সহীহ মুসলিম হাদীস ৪১৮ [সহীহ বুখারী হাদীস নং ৬৮১-এর সাথে মিলিয়ে পড়ুন- আররাহীকুল মাখতূম, সফীউদ্দীন মোবারকপূরী পৃ. ৫২৫]। আর একথাও ঠিক নয় যে, বুধবারের পর অসুস্থতায় কোনোরূপ উন্নতি হয়নি। বরং এরপর আরেকদিন সুস্থবোধ করেছিলেন এবং যোহরের নামাযে শরীক হয়েছিলেন-একথা সহীহ হাদীসে রয়েছে।-সহীহ বুখারী, হাদীস ৬৬৪, ৬৮০ ও ৬৮১; সহীহ মুসলিম, হাদীস ৪১৮, আররাহীকুল মাখতূম পৃ. ৫২৬; রাহমাতুল্লিল আলামীন, মানসূরপূরী সোমবার সকালেও সুস্থবোধ করেছিলেন, যার কারণে হযরত আবু বকর সিদ্দীক [রা.] অনুমতি নিয়ে নিজ ঘরে চলে গিয়েছিলেন। -সীরাতে ইবনে ইসহাক পৃ. ৭১১-৭১২; আররাওযুল উনুফ ৭/৫৪৭-৫৪৮ ৬. সারকথা এই যে, রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মহববত, তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা ও আনুগত্য এবং তাঁর পবিত্র সীরাত ও সুন্নতের অনুসরণ, তাঁর জীবনাদর্শে আপন জীবন গঠন, তাঁর শরীয়তের প্রচার-প্রসার ইত্যাদি হকসমূহ, যা উম্মতের জন্য অবশ্যপালনীয়-এগুলো থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়া এবং গাফলতির এই প্রকৃত ব্যাধি সম্পর্কে অসচেতন রাখার জন্য এসব ভিত্তিহীন রসম-রেওয়াজের উৎপত্তি। আল্লাহ তাআলা উম্মতকে সঠিক বুঝ দান করুন এবং রসম ও মুনকারাত থেকে তাদেরকে রক্ষা করুন। আমীন। ৭. ইসলামী শরীয়তে ছুটির যে নীতিমালা রয়েছে সে আলোকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে এ তারিখের ছুটি থাকা ঠিক নয়। . [ মাসিক আলকাউসার | রবিউল আউয়াল ১৪২৯ || মার্চ ২০০৮ ]
একটি ভিত্তিহীন রসম : আখেরি চাহার শোম্বা কি উদযাপনের দিবস? . সর্বপ্রথম একটি দৈনিক পত্রিকার মাধ্যমে জানতে পেরেছি যে, বহু মানুষ সফর মাসের শেষ বুধবারকে একটি বিশেষ দিবস গণ্য করে এবং এতে বিশেষ আমল রয়েছে বলে মনে করে। পরে মনে হল, এ ধরনের ভিত্তিহীন রসম-রেওয়াজের উল্লেখ ‘মকসুদুল মোমেনীন’ জাতীয় পুস্তক-পুস্তিকায় থাকতে পারে। দেখলাম, ‘মকসুদুল মোমেনীন’ ও বার চাঁদের ফযীলতবিষয়ক যেসব অনির্ভরযোগ্য পুস্তক-পুস্তিকা এক শ্রেণীর মানুষের মধ্যে প্রচলিত তাতে এই বিষয়টি রয়েছে। যদি ওই দৈনিকে দিবসটি সম্পর্কে এভাবে মাহাত্ম্য ও করণীয়ের বয়ান না থাকত তবে সম্ভবত প্রচলিত ভুল শিরোনামেও তা উল্লেখ করার উপযুক্ত মনে করতাম না। খাইরুল কুরূনের হাজার বছরেরও বহু পরে উদ্ভাবিত এই রসমের পৃষ্ঠপোষকতা প্রদানকারীদের মতামতও এ ভিত্তিহীন বিষয়ের ভিত্তি অন্বেষণে বিভিন্নমুখী। উপরোক্ত দৈনিকটির ২৩ সফর ১৪২৮ হিজরি বুধবারের সংখ্যায় লেখা হয়েছে- ‘‘আজ চান্দ্রমাস সফরের শেষ বুধবার। অর্থাৎ আখেরি চাহার শোম্বা। এদিন দু’জাহানের সর্দার মহানবী সাল্লল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রোগমুক্তির দিন। আর এ কারণেই এদিন মুসলমানদের জন্য আনন্দময় ও পবিত্র দিন। হাদীসে বর্ণিত আছে, এক ইহুদি কবিরাজ রাসূল [সা.]-এর চুল মোবারক নিয়ে জাদুটোনা করেছিল। ফলে মহানবী [সা.] অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। অসুস্থতার কারণে তিনি কিছুদিন মসজিদে নববীতে যেতে পারেননি। সফর মাসের শেষ বুধবার তিনি সুস্থতা বোধ করে গোছল করেন এবং দুজন সাহাবীর কাঁধে ভর করে মসজিদে নববীতে গিয়ে জামাআতে নামায আদায় করেন। আলহামদু লিল্লাহ। রাসূল [সা.]-এর রোগমুক্তির সংবাদে খুশি হয়েছিল মুসলিম জাহান। খুশি হয়ে হযরত ওসমান [রা.] তাঁর নিজ খামারের ৭০টি উট জবাই করে গরিব-দুঃখীদের মাঝে বিলিয়ে দিয়েছিলেন। খুশিতে আত্মহারা সাহাবীগণ আনন্দ প্রকাশ ও শুকরিয়া আদায় করেছিলেন রোযা রেখে, নফল নামায পড়ে এবং হামদ-নাত গেয়ে। পবিত্র আখেরি চাহার শোম্বার দিনে আজিমপুর দায়রা শরীফে ঐতিহ্যগতভাবে রোগমুক্তি ও মছিবত দূরের জন্য এক বিশেষ আংটি তৈরি করে থাকে। এছাড়াও এদিনে বিভিন্ন খানকা দরবারে রোগমুক্তির জন্য বিশেষ দুআ ও মোনাজাত করা হয়। অনেকে এদিনে রোগমুক্তির জন্য মান্নত করে গোছল করে থাকেন। অনেকে এদিনে গরিব-দুঃখীদের মাঝে তৈরি খাদ্য বিতরণ করে থাকেন। এ বিশেষ দিনটি সরকারি ঐচ্ছিক ছুটির দিন।এদিনে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি থাকে।’’ অন্যদিকে মকসুদুল মোমেনীনে বলা হয়েছে- ‘‘এই মাসের শেষ বুধবারকে আখেরি চাহার শোম্বাহ বলা হয়। [আখেরি শব্দের অর্থ শেষ এবং চাহার শোম্বাহ শব্দের অর্থ বুধবার]। হিজরি একাদশ সনের সফর মাসের শেষভাগে নবী করীম [দা.] অত্যন্ত অসুস্থ এবং পীড়িত হয়ে পড়েন। তারপর এই মাসের শেষ বুধবার দিন তিনি শরীর একটু সুস্থ বোধ করায় গোছলাদি করে কিছুটা শান্তি লাভ করেন। এই গোছলই হুজুরের জীবনের শেষ গোছল ছিল। এর পর তাঁর জীবনে আর গোছল করার ভাগ্য হয় নাই। অতএব এই দিন মুসলমানদের বিশেষভাবে গোছলাদি করে নফল নামায এবং রোযা ইত্যাদি আদায় করে নবী করীম [দা.]-এর রূহের উপর সওয়াব বখশেষ করা উচিত।’’ এরপর এ দিন সম্পর্কে বিভিন্ন করণীয় উল্লেখ করা হয়েছে, যেগুলো একেবারেই ভিত্তিহীন। যেমনটি ভিত্তিহীন উপরোক্ত উভয় বিবরণ। ১. রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর এক ইহুদি জাদু করেছিল। এটা ছিল হোদায়বিয়ার সন্ধির পরে মহররম মাসের প্রথম দিকের ঘটনা। এ জাদুর প্রভাব কতদিন ছিল সে সম্পর্কে দুটি বর্ণনা রয়েছে। এক বর্ণনায় ছয় মাসের কথা এসেছে, অন্য বর্ণনায় এসেছে চল্লিশ দিনের কথা। কিন্তু এ দুই বিবরণে কোনো সংঘর্ষ নেই। এক বর্ণনায় পুরো সময়ের কথা এসেছে আর অপর বর্ণনায় এসেছে শুধু ওই সময়টুকুর কথা যাতে জাদুর প্রতিক্রিয়া বেশি ছিল। তবে যাইহোক সুস্থতার তারিখ কোনো হিসাব অনুযায়ীই সফরের আখেরি চাহারশোম্বাহ হতে পারে না। -ফাতহুল বারী ১০/২৩৭ : আলমাওয়াহিবুল লাদুন্নিয়া ২/১৫৪; শরহুয যুরকানী ৯/৪৪৬-৪৪৭ ২. জাদুর ঘটনা হাদীস ও সীরাত গ্রন্থসমূহে বিস্তারিতভাবে এসেছে। কিন্তু সেখানে না একথা আছে যে, সে সময় নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে জামাআতে শরীক হতে পারেননি; আর না আছে মুআওয়াযাতাইন [সূরা ফালাক ও নাস] দ্বারা জাদুর প্রভাব থেকে মুক্ত হওয়ার পর তার গোসলের বয়ান। ৩. রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুস্থতার কারণে খুশি হওয়া কিংবা তার সুস্থতার সংবাদ পড়ে আনন্দিত হওয়া প্রত্যেক মুমিনের স্বভাবগত বৈশিষ্ট্য, কিন্তু একথা দাবি করা যে, সাহাবায়ে কেরাম কিংবা পরবর্তী যুগের মনীষীগণ সে খুশি প্রকাশের জন্য উপরোক্ত পদ্ধতি অবলম্বন করেছেন কিংবা একে উদযাপনের দিবস ঘোষণা করেছেন, জাহালাত ছাড়া আর কিছু নয়। কেননা, এ দাবির সপক্ষে দুর্বলতম কোনো দলিলও বিদ্যমান নেই।
আল্লাহ আপনার পরিস্থিতি সহজ করুক। আপনি কম বেশি এই এডিকশনের ভয়াবহতা জানেন। আকাশের ওপারে আকাশ বইটায় বিস্তারিত পাবেন ইন শা আল্লাহ, অনুমোদিত পিডিএফ দিয়ে দিচ্ছি এ বিষয়টা লম্বা আলোচনা করা দরকার, প্রতিটা মানুষের এডিকশনের ধরণ একই রকম না আর পরিস্থিতি সাপেক্ষে সমাধান ভিন্ন হয়। কিন্তু আমাদের চারপাশে এমন কোনো প্রতিষ্ঠান জানা নেই যারা আল্লাহর জন্য এমন সেবা দিয়ে থাকে, কাউন্সেলিং করে। পেইড কিছু হয়ত থাকতে পারে। আপনি যতটুক বলেছেন সেটার সাপেক্ষে কিছু নাসিহা করছি আপাতত- ১. দেখুন, প্রথমে আপনার ভেতর থেকে একটা বিষয় অনুধাবন করুন, এ গুনাহটা কত ভয়াবহ। এ গুনাহের কারণে আপনি আল্লাহর কাছ থেকে কত রহমত বরকত হারাচ্ছেন, আপনার আমলের গুণগত মান নষ্ট হচ্ছে। একটু মন দিয়ে ভাবুন। ২. যেকোনো এডকিশন না কমালে এটা বাড়বেই। এটা সম্ভব না যে এডিকশন একই ধারায় চলবে। আপনার জীবনসঙ্গীর কথা ভাবুন। আপনার এই অভ্যাস আপনাকে শারীরিক মানসিক ভাবে যে কতটা ক্ষতি করছে তা আপনি যেমন ফেস করতে হবে তেমনি আপনার জীবনসঙ্গী ও। আর এ অবস্থায় যদি মৃত্যু হয় তবে? আজ যেটা সল্পমাত্রায় আছে সেটা একদিন আপনার দুনিয়া ও আখিরাত সব শেষ করে দিবে। ৩. এই ধরনের গুনাহের অন্যতম ভয়ানক দিক, যেটা অনেক ভাইবোন সামলাতে পারেন না সেটা হলো হুট করে মনের মধ্যে গুনাহের ইচ্ছে চলে আসে এবং এই ইচ্ছে দমানো অসম্ভব হয়ে পরে৷ কেউ কেউ দেখা গিয়েছে সাপ্তাহ মাস নিজেকে কন্ট্রোল করলো কিন্তু হঠাৎ কয়েক সেকেন্ডের জন্য এই গুনাহের কিছু সামনে চলে আসলো তখনই যে গুনাহের উদ্রেক হয় তা থেকে আর বের হতেই পারেন না৷ অন্তরে গুনাহর কল্পনা চলতেই থাকে। গুনাহ হয়েই যায়। সপ্তাহ, মাস ধরে যে সবর করা হয়েছে তা মূর্হুতে শেষ হয়ে যায়। এতে করে করে মানুষটা ভেতর থেকে দূঃখ কষ্ট হতাশায় শেষ হয়ে যায়। এ গোলকধাঁধা আপনাকে মানসিক ভাবে শেষ করে দিবে। আল্লাহ চাইলে কখনো বিস্তারিত লিখব, ইন শা আল্লাহ। নিচে দুটো বই সহ বিস্তারিত বেশ কিছু রিসোর্স দিলাম, সময় করে পড়বেন, শুনবেন৷ টপিক: পর্ণ, অশ্লীলতা থেকে বেঁচে থাকার উপায় অনুমোদিত পিডিএফ: আকাশের ওপারে আকাশ: https://t.me/Hope24hoursbook/215 মুক্ত বাতাসের খোজে: https://t.me/Hope24hoursbook/144 প্রয়োজনীয় কিছু অডিও: https://t.me/islamicpodcastBN/2955 প্রয়োজনীয় কিছু ভিডিও: (আর দেখব না পর্ণ সিরিজ) https://t.me/RijalatTaqwa/56 মৃত্যু ও আখিরাত নিয়ে: (মৃত্যুর ভয় ও ইমান বৃদ্ধির জন্য) https://t.me/BaseeraUnofficial/7 @a_teardrop aka @HopeDM
без подписи
এমনটা চিন্তা করেছি অনেক আগেই। ছোট পরিসরে অল্প কিছু মানুষকে গাইড করা হয়েছে। বড় পরিসরে এরকম পরিকল্পনা করেও আগানো হয়নি। কারণ এমন কোনো এপ আপাতত নেই যেখানে ইউজাররা একজন আরেকজন থেকে আলাদা করে রাখা যাবে। টেলিগ্রাম, ফেসবুক যে গ্রুপেই রাখা হোক পরে ইউজারদের নিয়ন্ত্রণ করা কষ্টকর হয়ে যাবে। একজন আরেকজনের সাথে যোগাযোগ করা, মন্তব্য করা এসব বিষয় হাতের বাইরে চলে যাবে। এ ধরনের কোনো কিছু শুরু করলে মূল লক্ষ্য এটাই হবে যে একজন ব্যাক্তি তার সমস্যাটা গোপন রেখে পরামর্শ নিতে পারছে এবং সমস্যাটা একজন বা অল্প কয়েকজনই জানতে পারছে। কারণ গুনাহ প্রকাশ অত্যন্ত ভয়াবহ রকমের গুনাহ। অত্যন্ত। ধাপে ধাপে একটা মানুষকে গাইড করা, তার সমস্যা বুঝে তাকে মোটিভেট করে গাইড করা। বেশ বড় প্রসেস। সব ভেবে এ বিষয়ে আগানো হয়নি। ভবিষ্যতে আল্লাহ সার্মথ্য দিক, আপাতত এই দুআ করে দিন। @a_teardrop aka @HopeDM
ফেসবুকের তরুন এক্টিভিস্ট ছোট ভাইয়েরা, তোমরা যারা আমার মত নিন্ম মধ্যবিত্ত অথবা মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান তাদের জন্যই আমার এই লেখাটি..... আমার এখন বয়স ৩৮ বছর। তোমাদের মত বয়সে ২০১৩ সালে কোর্ট শেষ করে কাশেমপুর কারাগারে যাবার পথে প্রিজনভ্যানে থেকে আমরাও নারায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবার শ্লোগান ধরতাম শাহবাগ কিংবা কোর্ট প্রাংগনে। মাওলানা মামুনুল হক, শিবিরের দেলোয়ার সহ ডাক সাইটের অনেক নেতারাও আমাদের প্রিজন ভানে থাকতো। ২০০৫ সালে কওমী শিক্ষার স্বীকৃতির জন্য পল্টনে সমাবেশে যোগ দেয়া থেকে আমীনি সাহেবের হরতাল সহ বিপ্লব আন্দোলন জেল জুলুম কোনো দিক থেকেই কমতি ছিলোনা। আজকে তোমাদের এক্টিভিটি দেখে আমি অবাক হইনা কারন এগুলো বয়সের উন্মাদনা। এই বয়সটাই হলো এগুলো করার। তবে একটি কথা বলি শুনো.... জীবনের ২য় ভাগ হলো যৌবনকাল। এই সময়ে এসে টাকা এবং ইবাদত উভয়টা ব্যালেন্স করে প্রচুর পরিমান অর্জন করতে হয়। এটাই বাস্তবতা। নতুবা একটা সময়ে এসে দেখবে শরীরের সেই শক্তি আর পাচ্ছোনা। কাজের প্রতি সেই মনযোগ আর দেয়া যাচ্ছেনা।। তো যাই হোক ২০১৩ সালেই পড়াশোনার পাশাপাশি আমি যেই চাকরি করতাম সেখানে আমার বেতন ছিলো ১৫ হাজার। জেলে গেলাম। জেল থেকে বের হবার পরের দিন থেকে আবার সেই একই প্রতিষ্ঠানে জয়েন করে আগের মত চাকরি করা শুরু করি। এখানে কেন আমাকে তারা নিলো? আমার সেই স্কিল ছিলো। এমনকি সর্বশেষ ২০১৫ সালে যখন আমি এরেস্ট হই তখনও আমার বেতন ছিল ২০ হাজার টাকা। প্রিয় ছোট ভাইয়েরা, আমার গল্প বলার একটা উদ্দেশ্য আছে। তা হলো, এই যে তোমাদের বড় ভাইয়েরা যাদের কথায় তোমরা চলো তারা হয়ত বাবার দিক থেকে প্রতিষ্ঠিত নতুবা পড়া শুনা করে প্রতিষ্ঠিত। তাদের ইনকাম কিংবা দান অনুদান আসা চলমান। তারা যদি কাজ নাও করে অথবা কোনো কারনে জেলে যায় তাদের ফ্যামিলিতে কোনো কস্ট হবেনা। সাহায্য সহযোগিতা সহ অন্যন্য উপকরন সব এমনিতেই হাজির হবে। এটাই নিয়ম। শাপলা চত্তর থেকে জেলে যাবার পরে হেফাজত নেতাদের সাথে পরিচয় থাকার সুবাদে আমার পিসিতে এক নেতা ১০ হাজার টাকা দিয়ে যায় কিন্ত আমার সাথে থাকা অন্যদেরকে এক টাকাও দেয়া হয় নাই। যদিও আমি টাকা গুলো সবাইকে ভাগ করে দিয়ে দিয়েছিলাম। ছোট ভাইয়েরা, তোমরা এখনো তরুন মাত্র। কারো পড়াশুনা শেষ হয়েছে কারোটা চলমান। তোমাদের অনেকের ই পরিবারের অর্থনৈতিক অবস্থা খুব একটা ভালো নয়। মা বাবা অনেক আশা নিয়ে পড়িয়েছেন। ছেলে আলেম হবে উপার্জন করবে। বৃদ্ধকালে মা বাবাকে দেখবে। এরপরে ভাই বোন আত্মীয় স্বজন কিংবা বিবাহ করলে স্ত্রী তো আছেই। তোমরা যাদেরকে আদর্শ ভেবে এক্টিভিটি চালাও। শুধু ফেসবুকে সময় কাটাও ঘণ্টার পর ঘন্টা। তারা কিন্ত কখনো তোমার অথবা তোমার পরিবারের দায়িত্ব নিবেনা। তোমার বিপদে ( যদি একান্ত অনুগত না হও) তাহলে পাশেও দাড়াতে চাইবেনা। তোমার মা বাবাকে গিয়ে শান্তনাও দিবেনা। তারা অন লাইনে হয়ত তোমাকে বাহ বাহ দিবে অথবা কখনো দেখা হলে অফ লাইনে। এই পর্যন্তই। উলটা তুমি আরো তাদের সচ্ছলতার কারন। যাই হোক, ফেসবুক কিংবা অন্যন্য এক্টিভিটি থেকে যদি দু চার পয়সা হালাল ইনকাম হয় তাহলে সেটা মন্দ নয়। তবে যারা শুধু শুধু ফেসবুকে পাঠক কিংবা পোস্ট দাতা হিসেবে ঘন্টার পর ঘন্টা সময় কাটাও তাদেরকে বলবো "জীবন এরকম যাবেনা"। সামনের জীবন আরো কঠিন। টাকা পয়সা পর্যাপ্ত না থাকলে মা বাবা পর্যন্ত সন্তানকে ভালো জানেনা অনেক সময়। এছাড়া নিজের ভেতরে হীনমন্যতায় ভোগা তো আছেই। সুতরাং অনলাইনে ফাউ কামলা খাটা বা একটিভিটি বাদ দিয়ে এই ২০-২৫ বছর থেকেই ব্যবসা চাকরি কিংবা খামার শুরু করে দেও। ১০ বছর পরে তোমাদের এসব বড় ভাইয়েরা ডোনার হিসেবেই তোমাকে আলাদা মর্যাদা দিবে। মা বাবা আত্মীয় স্বজন প্রতিবেশি সবার উপর তোমার কর্তৃত্ব বজায় থাকবে। যা তাওহীদের দাওয়ার ক্ষেত্রে খুবই জরুরি। আজকের এই লেখা লিখতাম না। লিখলাম নিজের কিছু ভুল ভাবনার কথা সবাইকে জানাতে। আমার ফুপু আমাকে বলতেন ২০ বছর থেকে টাকা কামানোর বয়স। কিন্ত আমি এগুলোকে দুনিয়াদারি ভেবে এড়িয়ে গেছি পাত্তা দেয় নাই। আমার সেইম বয়সের অনেকেই এখন কোটিপতি। তাদের অধীনের ৫০-১০০ জন লোক কাজ করে। অন্যদিকে আমার কাছে সপ্তাহে অনেকেই বলে ভাই কাজের ব্যবস্থা করে দেন। ব্যবসা ধরিয়ে দেন। চাকরি ধরিয়ে দেন। তাদের অনেকেই তোমাদের বয়স্টা পের হয়েছে মাত্র আবার অনেকেই আমাদের মত সেইম।বয়সী। যাই হোক, লেখাটা আরো ছোট করার দরকার ছিলো। হয়তো একটু বড় হয়ে গেলো। তবে কথা গুলো মানলে ৩৫ বছরে এসে তুমি নিজেকে ভালো অবস্থানে দেখতে পাবে ইনশাআল্লাহ।- আলতাফ হোসেন @RijalatTaqwa
"এবং তারা যতক্ষণ ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকবে, আল্লাহ কখনও তাদের উপর আযাব দেবেন না।" (সূরা আল-আনফাল, আয়াত: ৩৩)
কিছুক্ষণ আগে আমি সূরা আল-কাসাসের ৭ নম্বর আয়াত পড়তে গিয়ে নিজেকে প্রশ্ন করলাম, আল্লাহর প্রিয় বান্দা হওয়া আসলেই কি সহজ? প্রশ্নটা কেন করলাম, সেটা বুঝতে হলে আপনাকে এই আয়াতটি পড়তে হবে। সূরা আল-কাসাসে আল্লাহ বলেন: “আমি মূসার মায়ের প্রতি ইলহাম করলাম, তুমি তাকে দুধ পান করাতে থাক। যখন তার ব্যাপারে কোন আশঙ্কা বোধ করবে তখন তাকে নদীতে ফেলে দিও। আর ভয় পেও না ও দুঃখ করো না। বিশ্বাস রেখ, আমি অবশ্যই তাকে তোমার কাছে ফিরিয়ে দেব এবং তাকে রাসূলগণের মধ্য হতে একজন রাসূল বানিয়ে দেব।” (২৮ঃ৭) একজন নবীর মা হওয়া যতটা সম্মানের, তার চেয়েও বেশি কষ্টের। এখানে মূসা (আ.)-এর মায়ের কথা একবার ভাবুন। দুধের শিশু মূসা (আ.)। আল্লাহ তাঁর মাকে সম্মানিত করবেন ঠিকই, কিন্তু তার আগে পরীক্ষার Level-টা একবার ভাবুন। ঠিক একইভাবে আমরা ঈসা (আ.)-এর মা মরিয়ম (আ.)-কে দেখেছি শিশু ঈসা (আ.)-কে নিয়ে কঠিন পরীক্ষার সম্মুখীন হতে। আর ইসমাঈল (আ.)-এর মা শুধু একবার নয়, কয়েকবার ভয়াবহ পরীক্ষার সম্মুখীন হয়েছেন। সবার ক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয়ে আপনি মিল পাবেন: - তাঁরা সবাই কঠিন মুহূর্তে ধৈর্য ধারণ করেছেন। - তাঁরা আল্লাহর ওপর ভরসা করে কাজ করেছেন। - তাঁরা প্রত্যেকেই আল্লাহর পক্ষ থেকে মোজেজা পেয়েছেন। এখন প্রশ্ন হলো, মোজেজা আগে, নাকি পরীক্ষা আগে? আপনি Formula-টা খেয়াল করেছেন? আল্লাহর আদেশ মানা → কঠিন পরীক্ষার সম্মুখীন হওয়া → ধৈর্য ধারণ করা → আল্লাহর মোজেজা পাওয়া। এখানে একটা বিষয় পরিষ্কার, আপনার জন্য আল্লাহর আদেশ মানা সব সময় সহজ হবে না। তবে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইলে আল্লাহ সহজ করে দেবেন। আপনি ধৈর্য ধরে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য কাজ চালিয়ে যাবেন। ইনশাআল্লাহ, আল্লাহর সাহায্য আপনিও পাবেন। - সংগৃহীত
11 সূরা হুদ বাংলা অনুবাদসহ Surah Hud Bangla Mishary Rashid Alafasyz @islamicvideo24hours
না দুনিয়ার প্রেমে পড়ো, না দুনিয়ার কোনো কিছুর প্রেমকে অন্তরে জায়গা দাও। কারণ, দুনিয়ার প্রতি অতিরিক্ত আসক্তি মানুষকে অশান্ত করে। দুনিয়া ক্ষণস্থায়ী—আজ যা তোমার, কাল তা অন্যের। তাই দুনিয়াকে হাতে রাখো, অন্তরে নয়। অন্তরকে দুনিয়ার মোহ থেকে মুক্ত রাখো; কারণ দুনিয়ার ভালোবাসা যত গভীর হবে, হারানোর ভয় ও কষ্টও তত গভীর হবে... ঘুমোও আমার প্রিয় ভাইবোন, ঘুমোও। নিঃসন্দেহে শেষ রাতই রবকে খুঁজে পাওয়ার সবচেয়ে সুন্দর সময়। যখন পুরো দুনিয়া ঘুমিয়ে থাকে, তখন নীরব রাতে সিজদায় পড়ে রবের কাছে নিজের না বলা কথাগুলো বলে নিও। দিনের ব্যস্ততায় যে হৃদয়টা ক্লান্ত হয়ে যায়, শেষ রাতের অশ্রুতে সেই হৃদয়ই আবার প্রশান্তি খুঁজে পায়। তাই রাত যত গভীর হবে, রবের দিকে ফিরে আসার পথটাও তত আপন হয়ে উঠবে... ঘুমোও আমার ভাইবোন, ঘুমোও...
দ্বীনি অঙ্গনে ফি'তনা গুলো দিনদিন সতেজ হচ্ছে৷ চারা থেকে দানব গাছে পরিণত হচ্ছে৷ কিন্তু কেউ সেই ফি'তনা উপলব্ধি করতে পারছে না। নিকাবী অনেক অনলাইন বিজনেস চোখে পড়াত মতো৷ কেউ হাত মোজা পড়ে প্রোডাক্ট প্রদর্শন করছে। কেউ বা নিকাব পরেই পুরো অবয়বে নানা পণ্য প্রদর্শন করে যাচ্ছে। পর্দার অন্যতম শর্ত তার হায়া ও ফিতরাত রক্ষা করা। কিন্তু আজ নিকাব পড়ে হায়া ও ফিতরাত কে বাজারজাত করা হচ্ছে পণ্যের সাথে৷ যারা বিজনেস সংশ্লিষ্ট আছেন। তাদের এগুলো মেনে নিতে অনেক কঠিন হবে। বাট একটু উপলব্ধি করুন আপনি নিজেই ফি'তনা কে নরমালাইজেশন করে যাচ্ছেন। আগামীর প্রজন্মের জন্য একটা ভয়াবহ অনুকরণ রেখে যাচ্ছেন। একটা সময় বিবর্তিত হতে হতে এটা বড় আকার ধারণ করবে৷ নিসাদের তো উচিত ছিলো সব কিছু থেকে আড়াল করা। তাকে প্রকৃত মুওয়াহিদা হওয়া। কিন্তু পুঁজিবাদী স্রোতে আজ সবাই ভেসে যাচ্ছে। @FatayatalHuda
“হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহর কাছে তাওবা কর---বিশুদ্ধ তাওবা; সম্ভবত তোমাদের রব তোমাদের পাপসমূহ মোচন করে দেবেন।”[সূরা আত-তাহরীম আয়াত: ৮] “গুনাহ্ থেকে তাওবাকারী ব্যক্তি ঐ ব্যক্তির মত, যার কোনো গুনাহ্ নেই।”[ইবনু মাজাহ, হাদিস নং- ৪২৫০ ] "কিন্তু যারা তাওবা করবে এবং ঈমান আনবে আর নেক কাজ করতে থাকবে আল্লাহ তাদের পাপসমূহকে পুণ্যে পরিবর্তন করে দিবেন। আর আল্লাহ বড়ই করুণাময়।" (সূরা আল ফুরকান) ----- গুনাহ হয়ে যাবার পর বান্দা যখন তওবার দিকে আগায় তখন শয়তান তাকে প্রথম যে ফাদে ফেলে তা হলো আরেহ এত বড় গুনাহ করেছো, হক নষ্ট করেছো, তোমার ত কষ্টে মরে যাওয়াই ভালো, তুমি সবচেয়ে নিচ, তুমি ভালো কিছুর যোগ্য না... অথচ স্বয়ং আল্লাহ কুরআন ও হাদীসে বহুবার বান্দাকে বলেছেন আল্লাহ তওবাকে কত ভালোবাসেন। এমনকি এটাও বলেছেন যে তওবা করলে অতীতের গুনাহ মুছে দিয়ে নেক আমল দিয়ে পরিবর্তন করে দিবেন। হে আমার বোন, শয়তান কি চাইবে আপনি আবার পবিত্র আত্নার অধিকারী হোন? সে ত আপনার গুনাহের বোঝা ভারী করতে চায়। অথচ আল্লাহ চান আপনার বোঝা হালকা হোক। নিশ্চয়ই, মা শা আল্লাহ বারাকাল্লাহু ফী আপনাকে আল্লাহ ভালোবাসেন। ভালোবাসেন বলেই গুনাহতে লিপ্ত রাখেননি। দেখুন চারপাশে কোটি কোটি তরুণ তরুণী আল্লাহর নাফরমানি করছে, আল্লাহ ত আপনাকে ভালোবাসেন বলেই তাদের অন্তর্ভুক্ত করেননি। আজ যখন আল্লাহর পথে আসছেন তখন এমন সব ভাবছেন যা আপনাকে আল্লাহ ভাবতে বললেনি। তিনি গুনাহের পরিণতি মুছে দিবেন, তিনিই ত বলেছেন তওবার পর নেক আমল দিয়ে সেই অতীত পরিপূর্ণ করে দিবেন...বলেননি? নির্ভার হোন বোন, আল্লাহর কাছে ফিরে আসুন নিশ্চিন্ত চিত্তে... ---- ঘুমিয়ে পড়ুন, তাহাজ্জুদ এর বান্দা হোন, এই পথের শেষ যেন জান্নাত হয়... @a_teardrop aka @HopeDM
без подписи
আল্লাহ যাকে ভালোবাসেন, তার রাত কেমন হয়? এর উত্তর আল্লাহ নিজেই কুরআনে দিয়েছেন। আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রিয় বান্দাদের পরিচয় দিতে গিয়ে বলেন كَانُوا قَلِيلًا مِنَ اللَّيْلِ مَا يَهْجَعُونَ. وَبِالْأَسْحَارِ هُمْ يَسْتَغْفِرُونَ তারা রাতের অল্প অংশই নিদ্রায় কাটাত এবং শেষ রাতে তারা ক্ষমা প্রার্থনা করত। [সূরা আয-যারিয়াত : ১৭-১৮] লক্ষ্য করুন, আল্লাহ বলেননি—তারা সারারাত জেগে থাকত। বরং বলেছেন, রাতের অল্প অংশই তারা ঘুমাত। অর্থাৎ তাদের জীবন ছিল ভারসাম্যপূর্ণ। তারা বিশ্রামও নিতেন, কিন্তু সেই বিশ্রাম তাদের রবের ইবাদত থেকে বিরত রাখতে পারত না। তারা জানতেন, দেহের যেমন বিশ্রাম দরকার, তেমনি আত্মারও খাদ্য দরকার। আর আত্মার সবচেয়ে বড় খাদ্য হলো—রাতের নির্জনে আল্লাহর সঙ্গে কিছু সময় কাটানো। আরেক স্থানে আল্লাহ তাআলা বলেন تَتَجَافَى جُنُوبُهُمْ عَنِ الْمَضَاجِعِ يَدْعُونَ رَبَّهُمْ خَوْفًا وَطَمَعًا তাদের পার্শ্ব শয্যা থেকে পৃথক থাকে; তারা ভয় ও আশা নিয়ে তাদের রবকে ডাকে। [সূরা সাজদাহ : ১৬] কী অপূর্ব এক দৃশ্য! চারদিকে গভীর নীরবতা। সবাই ঘুমিয়ে আছে। পৃথিবী যেন নিশ্চুপ। কেউ দেখছে না, কেউ প্রশংসা করছে না, কোনো ক্যামেরা নেই, কোনো মানুষ নেই—শুধু আল্লাহর প্রিয় বান্দা নিঃশব্দে বিছানা ছেড়ে উঠে দাঁড়িয়েছে। কেন? কোনো মানুষের প্রশংসা পাওয়ার জন্য নয়। কোনো সম্মান বা পরিচিতি লাভের জন্য নয়। শুধু একজনের সন্তুষ্টির জন্য—আল্লাহর জন্য। এই ইবাদতের নামই ইখলাস। দিনের ইবাদতে অনেক সময় মানুষ দেখে, প্রশংসা করে। কিন্তু রাতের ইবাদতের সাক্ষী থাকে কেবল আল্লাহ। তাই রাতের তাহাজ্জুদ একজন বান্দার আন্তরিকতার সবচেয়ে বড় প্রমাণগুলোর একটি। এ কারণেই হাসান বসরী রহ.-কে এক ব্যক্তি যখন জিজ্ঞেস করেছিল مَا بَالُ المُتَهَجِّدِينَ بِاللَّيْلِ أَحْسَنَ النَّاسِ وُجُوهًا؟ ‘তাহাজ্জুদ নামায আদায়কারীরা কেন নুরানী চেহারার অধিকারী হয়?’ উত্তরে তিনি বলেছিলেন إِنَّهُمْ خَلَوْا بِالرَّحْمَنِ تَبَارَكَ وَتَعَالَى، فَأَلْبَسَهُمُ اللهُ عَزَّ وَجَلَّ نُوراً مِنْ نُورِهِ তাঁরা আল্লাহর সাথে নিভৃতে অবস্থান করেন, ফলে আল্লাহ তাআলা তাদেরকে বিশেষ জ্যোতির্ময় পোশাক পরিধান করান। [আদদীনওয়ারী, আলমুজালাসা : ১/৪৪৫] কবির ভাষায় رات کی تنہائی میں جب ہاتھ اٹھتے ہیں دعا کو عرش بھی کانپ اٹھتا ہے سن کر بندے کی صدا کو ‘রাতের নিঝুম অন্ধকারে যখন আল্লাহর দরবারে দোয়ার হাত উম্মোচিত হয়, তখন বান্দার সেই ব্যাকুল ডাক শুনে আল্লাহর আরশও যেন কেঁপে ওঠে।’ -খুতুবাত
"সালাফের নারীগণ" সিরিজের সকল পর্বের লিংক: • পর্ব-১ (মারইয়াম আ.) • পর্ব-২ (উম্মে সুলাইম রা.) • পর্ব-৩ (ইলমের পথে সন্তানকে পেশ করা) • পর্ব-৪ (আমল, আদাব ও আখলাকের প্রতি সজাগ দৃষ্টি) • পর্ব-৫ (আল্লাহওয়ালাদের সোহবত গ্রহণ ও আদর্শ অনুসরণের তাগিদ) • পর্ব-৬ (জিহাদ ও শাহাদাতের পথে সন্তানকে কুরবান করা) • শেষ পর্ব (সততা ও আমানতদারির দীক্ষা) @FatayatalHuda
কোনো কিছুতে খুব কষ্ট পাচ্ছেন? নিচের এই দুটি হাদিস পড়ুন, অন্তরে শান্তি পাবেন! ১. আম্মাজান আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত: রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "যদি কোনো বান্দার গুনাহ বা পাপ অনেক বেশি হয়ে যায় এবং তা মুছে ফেলার মতো পর্যাপ্ত নেক আমল তার না থাকে, তবে আল্লাহ তাআলা তাকে 'হতাশা বা চিন্তায়' (মনোকষ্টে) مبتلا (আক্রান্ত) করেন, যাতে তা তার গুনাহের কাফফারা (পাপমোচন) হয়ে যায়।" সূত্র: মুসনাদে আহমাদ (হাদিস নম্বর: ২৫২৩৬) ২. আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) ও আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত: নবী কারীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "কোনো মুসলিম যখনই কোনো ক্লান্তি, অসুস্থতা, দুশ্চিন্তা, দুঃখ-কষ্ট, মানসিক যন্ত্রণা বা উদ্বেগের সম্মুখীন হয়—এমনকি যদি তার পায়ে একটি কাঁটাও ফোটে—আল্লাহ তাআলা এর বিনিময়ে তার কিছু গুনাহ ক্ষমা করে দেন। সূত্র: সহীহ আল-বুখারী (হাদিস নম্বর: ৫৬৪১, ৫৬৪২)