- Последний пост
- 14 авг.
- Последнее чтение
- 13 авг.
- Постов за неделю
- 1
- Всего постов
- 24
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- Категория
- Книги
- В каталоге с
- 13 авг.
- 1/24сутки в ленте
- 6
- 1/48двое суток
- 6
- 1/72трое суток
- 7
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
без подписи
আমরা বোনদের পর্দা, সালাত কিংবা বাহ্যিক আমল নিয়ে কতই না চিন্তা করি! কিন্তু ঘরের চারদেয়ালের ভেতরে, একদম ব্যক্তিগত জায়গায় একটা ছোট্ট অসাবধানতা যে আমাদের কত বড় বিপদে ফেলতে পারে—তা আমরা অনেকেই জানি না। আজকাল শহর কিংবা গ্রাম—সব জায়গাতেই বাথরুম ও টয়লেট একসাথে অ্যাটাচড করে বানানো হয়। আমাদের ঘরের বোনেরা যখন গোসল করতে যান, অনেকেই বাথরুমে চুল আঁচড়ান। শ্যাম্পু করা বা আঁচড়ানোর পর চিরুনিতে যেসব ছেঁড়া চুল চলে আসে, অলসতা করে বা না বুঝে সেগুলো কমোডে ফ্লাশ করে দেন, নয়তো বাথরুমের ড্রেনের ছাঁকনিতে ওভাবেই রেখে চলে আসেন। আপাতদৃষ্টিতে এটা সাধারণ একটা ড্রেন জ্যামের বিষয় মনে হলেও, এর পেছনের বাস্তবতা কিন্তু খুব ভয়ংকর। হাদিসে স্পষ্ট এসেছে, মলমূত্র ত্যাগের স্থান এবং নোংরা-নাপাক জায়গাগুলো হলো খারাপ বা দুষ্ট জিনদের প্রধান আখড়া। এজন্যই তো নবীজী (সা.) টয়লেটে ঢোকার আগে আল্লাহর কাছে পানাহ চাওয়ার দোয়া শিখিয়েছেন, ফকিহগণ মাথা ঢেকে টয়লেটে ঢুকতে বলেছেন। এখন একটু ভেবে দেখুন—একজন নারীর চুল তার রূপের ও শরীরের একটা সংবেদনশীল অংশ। এই চুল যখন আপনি কমোড বা ড্রেনের নাপাক পানিতে ফেলে আসছেন, তখন সেই নোংরা জায়গায় থাকা খারাপ জিনেরা ওই চুলের মাধ্যমে আপনার প্রতি আকৃষ্ট হতে পারে। এটাকে আধ্যাত্মিক পরিভাষায় জিনের আসক্তি বা আছড় বলা হয়। অনেক বোন বুঝে উঠতে পারেন না—কেন হঠাৎ করে অহেতুক মন খারাপ লাগে, কারণে-অকারণে মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়, সবসময় একটা বিষণ্ণতা বা ভয় কাজ করে কিংবা রাতে ঠিকমতো ঘুম হয় না। অনেক সময় এর মূল কারণ লুকিয়ে থাকে বাথরুমের ওই ফেলে আসা নাপাক চুলগুলোর মাঝে! এমনকি কুফরি বা কালো জাদু করার ক্ষেত্রেও জাদুকরদের প্রথম পছন্দ থাকে মানুষের মাথার চুল। পর্দা আর নিজের হেফাজত কেবল বাইরের মানুষের সামনে নয়, নিজের সুরক্ষার জন্যও প্রয়োজন। তাহলে সমাধান কী? খুব সহজ কিছু নিয়ম মেনে চললেই এই অদৃশ্য বিপদ থেকে বেঁচে থাকা সম্ভব: ১. বাথরুমে চুল না আঁচড়ে, সবসময় নিজের ঘরে এসে শুকনো জায়গায় চুল আঁচড়ান। ২. গোসল বা আঁচড়ানোর সময় উঠে আসা চুলগুলো কখনো ড্রেন বা কমোডে ফেলবেন না। ৩. উঠে আসা চুলগুলো হাতের কাছে রাখা কোনো কাগজ বা টিস্যুতে মুড়িয়ে সোজা ডাস্টবিনে ফেলে দিন বা মাটিতে পুতে ফেলুন ৪. আর টয়লেটে ঢোকার ও বের হওয়ার দোয়াগুলো নিয়মিত পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। আল্লাহ তাআলা আমাদের বোনদের মন ও শরীরকে সবসময় সুস্থ রাখুন, এবং অপশক্তির সব ধরনের ক্ষতি থেকে নিজের হেফাজতে রাখুন। পোস্টটি আপনার চেনা বোন ও পরিবারের সদস্যদের সাথে শেয়ার করে তাদের সচেতন হতে সাহায্য করুন! ~ IRC - IOM Ruqyah Consultancy
Share Transgender final.pdf
একটি সতর্কবার্তা: ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষায় সচেতন হোন সম্প্রতি সিলেটের শ্রীমঙ্গলের একটি রিসোর্টকে কেন্দ্র করে এমন একটি ঘটনার অভিযোগ সামনে এসেছে, যা সত্যিই উদ্বেগজনক। অভিযোগ অনুযায়ী, একটি দম্পতি সেখানে অবস্থান শেষে অজ্ঞাত নম্বর থেকে তাদের একান্ত ব্যক্তিগত মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও পাঠিয়ে ব্ল্যাকমেইলের হুমকি পান। যদি অভিযোগটি সত্য হয়ে থাকে, তবে এটি শুধু একটি ফৌজদারি অপরাধ নয়; মানুষের ইজ্জত, সম্মান ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তার ওপর জঘন্য আঘাত। এই ঘটনা আমাদের জন্য একটি বড় সতর্কবার্তা। আজ শুধু অনলাইনে নয়, অফলাইনেও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা হুমকির মুখে পড়তে পারে। তাই হোটেল, রিসোর্ট বা যেকোনো আবাসিক স্থানে অবস্থানের আগে যথাসম্ভব সতর্ক থাকুন। কক্ষ, বিশেষ করে বেডরুম ও ওয়াশরুমে কোনো অস্বাভাবিক বা সন্দেহজনক ডিভাইস আছে কি না, সেদিকে খেয়াল রাখুন। শতভাগ নিশ্চিত হওয়া সব সময় সম্ভব না হলেও প্রাথমিক সতর্কতা অনেক ঝুঁকি কমিয়ে দিতে পারে। ইসলাম মানুষের ইজ্জত ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তাকে অত্যন্ত মর্যাদা দিয়েছে। অন্যের গোপন বিষয় অনুসন্ধান, গোপনে নজরদারি করা বা তা প্রকাশ করা শরীয়তে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। আর যদি কেউ এমন ব্ল্যাকমেইল বা গোপন ক্যামেরার শিকার হন, তাহলে ভয় বা লজ্জায় নীরব থাকবেন না। দ্রুত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে অভিযোগ করুন। অপরাধীদের আড়াল করা নয়; আইনের আওতায় আনা-ই সমাজকে নিরাপদ রাখার সঠিক পথ। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবার ইজ্জত, গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা হেফাজত করুন। আমীন।
কুষ্টিয়ার লাবণ্য ইসলাম নামের একটা মেয়েকে 'ইসকন' এর দুই নেতা শুভ দীপ তিলক এবং শ্রী নেহাল হালদার ভাগওয়া লাভ ট্র্যাপে ফেলে অবশেষে মেয়েটাকে হিন্দু বানিয়েছে শুধু তাইনা, এখন তার পুরো পরিবারকে হিন্দু হওয়ার জন্য হুমকি ধামকি দিচ্ছে, হিন্দু না হলে তার বাকি দুই বোনকেও তুলে নিয়ে যাবে! ভাগওয়া সন্ত্রাসীরা শুধু স্বাভাবিকভাবে লাভ ট্র্যাপে ফেলে মুসলিম মেয়েদের চরিত্র নষ্ট করে না এরা যদি কোনো মুসলিম মেয়েকে লাভ ট্র্যাপে ফেলতে না পারে, তখন ব্ল্যাক ম্যাজিকের আশ্রয় নেয় ব্ল্যাক ম্যাজিকের মাধ্যমে মাদরাসার মেয়েদেরকেও তারা ফাঁদে ফেলে ধর্ষণ করে যাচ্ছে এরকম কয়েকটা ঘটনা দেশে ভাইরাল হইছে এর মধ্যে একটা ছিলো আমাদের পাশের উপজেলা চুনারুঘাটে আরো ভয়াবহ বিষয় হচ্ছে, এসব ভাগওয়া সন্ত্রাসীরা মুসলিম মেয়েদের চরিত্র নষ্ট করে শারীরিক সম্পর্কের ভিডিওগুলা তাদের সংগঠনের গ্রুপে আপলোড দিয়ে উল্লাস করতেছে এতোকিছু ঘটার পরেও অনেক মুসলিম মেয়েরা সতর্ক হচ্ছেনা দুইদিন আগে যে হিন্দুদের 'রথযাত্রা' হইছে সেই 'রথযাত্রা'য় অসংখ্য বোরখা পড়া মুসলিম মেয়েদের দেখা গেছে বিশেষ করে, আমাদের সিলেটের 'ইসকন' আয়োজিত রথ মেলায় অসংখ্য মুসলিম মেয়েদের উপস্থিতি দেখা গেছে বিষয়টা ভয়াবহ উদ্বেগের এবং ভয়ের কারণ, ভালোভাবে খুঁজ নিলে দেখা যাবে 'রথ মেলায়' উপস্থিত হওয়া বেশিরভাগ মুসলিম মেয়েরা এই ভাগওয়া লাভ ট্র্যাপে আটকে আছে বাংলাদেশের মুসলমানদের এই বিষয়ে কঠোরভাবে সতর্ক হতে হবে, সচেতনতা বাড়াতে হবে সবাই সবার মা বোন কিংবা উপযুক্ত মেয়ের দিকে বিশেষ নজর রাখুন, তাদেরকে এই ব্যাপারে সতর্ক করুন আশপাশে মুসলিম কোনো মেয়েকে হিন্দু কোনো ছেলের সাথে দেখতে পেলে তাদেরকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করুন, মুসলিম মেয়ের পরিবারকে জানান হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসীদের 'ভাগওয়া লাভ ট্র্যাপ'কে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দিন ✍️সাদমান জহির ইংল্যান্ড, ১৯ জুলাই
আমার যতটুকু মনে আছে ২০২২ অথবা ২০২৩ সালের ঘটনা তখনো আমি ভারতের হিন্দুত্ববাদীদের 'ভাগওয়া লাভ ট্র্যাপ (Bhagwa Love Trap) সম্পর্কে কিছুই জানতাম না মাধবপুর উপজেলা কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশনের একটা দায়িত্বে ছিলাম, সেই সুবাদে তখন সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সাথে আমার বিভিন্ন স্কুল পরিদর্শনে যেতে হতো যেকারণে বেশিরভাগ স্কুলের শিক্ষক এবং মেমরা আমাকে চিনতো, সবার সাথেই আমার ভালো সম্পর্ক ছিলো হঠাৎ একদিন একটা স্কুলের পরিচিত শিক্ষিকা কল দিয়ে একটা জটিল সমস্যার কথা জানালো এবং পরামর্শ চাইলো এমন হাসিখুশি শিক্ষিকার মুখে এমন ভয়ানক ঘটনা শুনে আমি এতোটা ভয় পাইছিলাম যে, অনেকদিন পর্যন্ত মাথার ভিতর থেকে এটা মুছতে পারিনি ঘটনাটা খুব সংক্ষেপে বলি, প্রাইভেসির কারণে তার নাম পরিচয়টা বলতে পারবো না সে ছিলো মুসলিম এবং অবিবাহিতা। বৃন্দাবন কলেজে অনার্স ফাইনাল ইয়ারে পড়তো বয়সে তার থেকে দুই/তিন বছর বড় একটা হিন্দু ছেলে তার কাছে ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে জানার আগ্রহ প্রকাশ করতো ছেলেটাও একই কলেজে পড়তো বেশ কিছুদিন কথাবার্তার পর হিন্দু ছেলেটা মুসলিম হতে রাজি হলো তবে শর্ত একটাই ছিলো, যার কাছ থেকে ইসলাম সম্পর্কে বিস্তারিত জানার কারণে সে মুসলিম হওয়ার সৌভাগ্য পাচ্ছে, সেই মেয়েটাকেই বিয়ে করতে চায় তাকে সে হারাতে চায়না মেয়েটা, মানে শিক্ষিকা এক পর্যায়ে রাজি হয়ে যায় তারা লুকিয়ে এক হুযুরের মাধ্যমে বিয়ে করে ফেলে এর পর স্বাভাবিক নিয়মে তাদের মধ্যে শারিরীক সম্পর্ক চলতে থাকে ঘটনা এখান পর্যন্ত শেষ হলেই ভালো হতো এর পরের অংশটাই ছিলো ভয়াবহ হিন্দু ছেলেটা তাদের শারিরীক সম্পর্কের সকল কিছু তার মোবাইলে রেকর্ড করে রাখে এরপর ছেলেটা নিজেই স্বীকার করে যে, সে আসলে কখনোই ইসলাম ধর্ম বিশ্বাস করেনা মুসলিম মেয়েদের চরিত্র নষ্ট করাই তার উদ্দেশ্য এবং সে ছিলো ৬ নাম্বার মুসলিম মেয়ে, যাদেরকে একই ফাঁদে ফেলে চরিত্র নষ্ট করেছে এখানেও ঘটনা শেষ হলে একটা সমাধান হয়ে যেতো কিন্তু না, এর পরের অংশ আরো মারাত্মক ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে তাকে ভারতীয় পাসপোর্ট করিয়েছে ছেলের সাথে ভারতে না গেলে তার সকল ভিডিও ছড়িয়ে দিবে শুধু তাইনা, মেয়েটার হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার এবং ফেসবুক আইডির লগইন সেই ছেলেটার মোবাইলে সেইভ করা ছিলো এই ফাঁদ থেকে বের হওয়ার পরামর্শ আমি কী দিবো কিছুই বুঝতে পারছিলাম না প্রথমে ভাবছিলাম থানায় যাবো, মামলা করবো কিন্তু মেয়েটা তাতে রাজি হয়নি, কারণ বিষয়টা প্রকাশ হয়ে গেলে সে বাঁচতে পারবে না অবশেষে বুঝে না বুঝে আমি তাকে তার এক আত্নীয়ের কাছে ঢাকায় চলে যেতে পরামর্শ দেই ফেসবুক এবং হোয়াটসঅ্যাপ ডিএক্টিভ করে সিম কার্ড ভেঙে ফেলতে বলি যদিও তাদের ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার রিস্ক ছিলো, তবুও এটাই করতে হইছে বিষয়টা নিয়ে অন্য কিছু করার সাহস ছিলোনা তখন আমার মেয়েটা ঢাকায় চলে যাওয়ার পর থেকে আর কিছু ঘটেনি, হিন্দু ছেলের ব্যাপারেও আর কিছু জানতে পারিনি এর কিছুদিন পরেই, মানে ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে ফেসবুকে একটা লিখা পড়ে জানতে পারি ভারতের হিন্দুত্ববাদী উগ্র সংগঠনের সদস্যরা পরিকল্পিতভাবে মুসলিম মেয়েদের চরিত্র নষ্ট করার জন্য 'ভাগওয়া লাভ ট্র্যাপ' (Bhagwa Love Trap) কার্যক্রম শুরু করে উগ্রবাদী হিন্দুদের এই কার্যক্রম আর ভারতের সীমানায় সীমাবদ্ধ নাই উগ্রবাদী 'ইসকন', বিশ্ব হিন্দু পরিষদ' এবং 'হিন্দু মহাজোট' সংগঠনের মাধ্যমে এটা বাংলাদেশের সকল জেলা উপজেলায় ছড়িয়ে পড়েছে যে ভিডিওটা আপলোড দিলাম, গাউছিয়া রয়েল হোটেলে রাত সাড়ে এগারোটার দিকে দুইটা মুসলিম মেয়েকে নিয়ে একটা 'ইসকন' সদস্য আটক হওয়ার একটা 'ইসকন' সদস্যের সাথে দুইটা মুসলিম মেয়েকে এক সাথে এক রুমে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করেছে কতটা ভয়াবহ অবস্থায় চলে গেছে হিন্দুদের 'ভাগওয়া লাভ ট্র্যাপ' বুঝতে পারছেন? এটা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা না এমন ঘটনা এখন প্রতিদিন ঘটতেছে কয়দিন আগে সিলেট জিন্দাবাজারে আরেকটা 'ইসকন' সদস্য অভিজিৎ তালুকদার একটা মুসলিম মেয়ের সাথে আটক হইছে মেয়েটার নাম মিতা আক্তার। বাড়ি সুনামগঞ্জ জাওয়া 'ইসকন' সদস্যের নাম অভিজিৎ তালুকদার। গ্রাম- নতুনবাজার ধর্মপাশা, সুনামগঞ্জ তার কাছে ভারতের পাসপোর্টও পাওয়া গেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জেও সাগর নামে আরেকটা 'ইসকন' সদস্য ভাগওয়া লাভ ট্র্যাপে ফেলে ৪টা মুসলিম মেয়ের চরিত্র নষ্ট করেছে তাকেও আটক করা হইছে কুড়িগ্রাম থেকে ইসকনের সদস্য প্রশান্ত চন্দ্র শীল একটা মুসলিম মেয়েকে ঢাকায় শামীবাগ 'ইসকন' মন্দিরে নিয়ে হিন্দু বানাইছে মেয়েটাকে ভারতে পাচার করার আগ মূহুর্তে 'Protect Our Sisters BD' টিম তাদেরকে আটক করেছে মেয়েটাকে তার পরিবারের কাছে তুলে দিছে ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া আরেক ঘটনা ঘটেছে রাজশাহীতে রাজশাহী কলেজের সাবেক অধ্যাপকের মেয়েকে সুহাদ্র সরকার যুবরাজ নামে এক ভাগওয়া সন্ত্রাসী 'ইসকন' সদস্য এই ট্র্যাপে ফেলে ব্ল্যাকমেইল করেছে এরকম অসংখ্য ঘটনা ঘটতেছে প্রতিনিয়ত গতকাল 'দৈনিক আজাদি বার্তা' নিউজে দেখলাম
সবচেয়ে বড় একটা স্কিলের কথা বলব? সেটা হচ্ছে বেশি বেশি দোয়া করার স্কিল। উঠতে-বসতে আল্লাহর কাছে দোয়া করেন। হেদায়েত চান, আমলের তৌফিক চান, ভালো বন্ধু চান। পাশাপাশি বড় বড় জিনিস চান : গাড়ি চান, বাড়ি চান, বাগানবাড়ি চান, ব্যবসা চান, জমি চান, সন্তান চান, টাকা চান, চাকরি চান, পাওয়ার চান, শান্তি চান, ইজ্জত চান, স্থিরতা চান, কাজে দক্ষতা চান, সুখ চান, সুস্থতা চান, নেক স্ত্রী চান—এককথায় যা যা আপনার দরকার, সেসকল কিছু আল্লাহর নিকট চাইতে থাকেন। . আপনি যত চাইবেন, আল্লাহ ততবেশি খুশি হবেন। এই স্কিলে আপনি যত দ্রুত আসবেন, আল্লাহর মেহেরবানিতে তত দ্রুত আপনার মানসিক হালত উন্নতি হবে ইনশাআল্লাহ। রাশেদ মুহাম্মাদ আবু জাইনাব
একটা পবিত্র উদ্দেশ্য সামনে রেখে একই দিনে এই আমলগুলো করুন, ইনশাআল্লাহ খুব শীঘ্রই উত্তম ফলাফল পাবেন। ১. দরুদ ১০০ বার পাঠ করুন ২. ইসতিগফার ১০০ বার ৩. সদকাহ (সামর্থ অনুযায়ী) ৪. সালাতুল হাজত (২ রাকাত) ৫. রাতে তাহাজ্জুদ (যত রাকাত পারেন) ৬. তাহাজ্জুদের পর দোয়া পরীক্ষিত এবং বড় বড় আল্লাহওয়ালা বুজুর্গানে দ্বীন এই আমলগুলো করতেন এবং এই আমলগুলো করার প্রতি অন্যদের উৎসাহিতও করতেন।
খুব বেশি কঠিন কিছু বলবোনা। একদম সহজ কিছু কাজ বলি, যেগুলো মেইনটেইন করলে লাইফ স্মুথ লাগবে ইনশাআল্লাহ। ১। ঘুম হলো শরীরের আসল ঔষধ। ঘুমের মধ্যে স্বয়ং আল্লাহ তায়ালা শরীরটাকে হিল করে দেন। এজন্য প্রতিদিন আগে আগে এবং পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমাতে চেষ্টা করবেন। ২। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আউয়াল ওয়াক্তে তো পড়বেনই, ফজর বাদ দেয়া যাবে না কোনভাবেই। দিনের শুরুটা যদি আল্লাহর স্মরণ দিয়ে হয়, পুরো দিনের এনার্জিটাই অন্যরকম থাকবে। ৩। প্রতিদিন কমপক্ষে ২লিটার পানি খাবেন। ৫ বেলা ওযূর পর পানি খাওয়ার একটা অভ্যাস করতে পারেন এতে টার্গেট পূরণে সহজ হবে। ৪। সপ্তাহে ২ দিন রোজা রাখবেন। সোমবার ও বৃহস্পতিবারে রাখলে সুন্নতও আদায় হয়ে যাবে। রোজাতে অনেক ফায়দা। শরীর ও মনের উপর কন্ট্রোল পাওয়া সহজ হয়। ৫। প্রতিদিন কমপক্ষে ১০০ বার দুরুদ ও ১০০ বার ইস্তেগফার পড়বেন। এত না পারলে অন্তত ৫০ বার, তাও না পারলে অন্তত ৫ বার করে হলেও পড়বেন। জীবনে, মনে, রিজিকে সবকিছুতে বরকত ও আল্লাহর রহমত টানার আমল হলো দুরুদ ও ইস্তেগফার। ৬। খাবার একেবারে পেটভরে খাবেন না। শরীর ভারী লাগে তখন কাজে-কর্মে, নামাজ ও অন্যান্য ইবাদতে অলসতা আসে। ৭। নিজের প্রিয় মানুষগুলোর কোনো ১জনের সাথে দিনে অন্তত ১০ মিনিট কথা বলবেন, সন্তানকে অন্তত কয়েকবার জড়িয়ে ধরবেন। এগুলোতে পজিটিভ এনার্জি পাবেন। ৮। কোনো দুশ্চিন্তা হলে একা একা ভাবতে থাকবেন না বারবার ওযূ করবেন, মনে না চাইলেও দুই রাকাত নামাজ পড়বেন তারপর আল্লাহর কাছে মন খুলে দুআ করবেন। ৯। প্রতিদিন কোনো একটা ভালো কাজ করবেন। ১টাকা হলেও সদকা করবেন, রাস্তা থেকে ইট-পাথর সরিয়ে দিবেন, কারো উপকার করবেন। এইসমস্ত কাজ অন্তরকে প্রশান্ত রাখে। ১০। মাঝেমধ্যে বদনজরের রুকইয়ার গোসল করবেন। দীর্ঘদিনের অসুস্থতা, অকারণেই সংসারে অশান্তি, বাচ্চাদের অস্বাভাবিক কান্নাকাটি এমন হলে অবশ্যই রুকইয়া করবেন। সবকথার শেষ কথা, শান্তির মালিক হলেন আল্লাহ তায়ালা।এজন্য প্রতিদিন কিছু সময় তাঁর স্মরণে কাটাবেন। ১ পৃষ্ঠা হলেও কুরআন তিলাওয়াত করবেন, যিকির করবেন। নয়তো বেশিদিন ভালো থাকতে পারবেন না। লাইফ এলোমেলো লাগবে আর মনে হবে কিছু একটা মিসিং এবং অল্পতেই অস্থির হয়ে যাবেন।
без подписи
আলু-ডিম-কফি মেয়ের বিয়ে হয়েছে। মা মরা মেয়েটা বড়ই আদরের। কখনো মায়ের অভাব বুঝতে দেননি। কিন্তু শ্বশুর বাড়িতে মেয়েটা সুখে নেই। সকালে চা বাপ-বেটিতে চা খেতে বসল। মেয়ে বাবার কাছে তাঁর দু:খের কথা বলে কেঁদে ফেলল। মেয়ে বলল, ও বাড়িতে সমস্যা শুধু একটা নয়, অনেকগুলো। একটা সমাধান করতে না করতেই আরেকটা এসে হাজির হয়। জীবনটা দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। বাবা শহরের নামকরা শেফ (বাবুর্চি)। টাকা পয়সার অভাব নেই। কিন্তু হায়, টাকা দিয়ে যদি মেয়েটাকে সুখ কিনে দিতে পারতেন! এখন মেয়েকে কিভাবে সান্তনা দিবেন? কান্না থামলে বাবা মেয়ের হাত ধরে রান্না ঘরে নিয়ে গেলেন। তিনটা চুলায় একসাথে আগুন জালিয়ে তিনটা ছোট পানিভর্তি পাতিল তুলে দিলেন। পানি টগবগ করে ফোটা শুরু করলে, একটাতে আলু দিলেন, একটাতে ডিম দিলেন তৃতীয়টাতে কফির দানা ছেড়ে দিলেন। সেগুলোকে সেদ্ধ হতে সময় দিলেন। মেয়ে অবাক দৃষ্টিতে চুপচাপ দেখে যাচ্ছে। বাবাও মুখে কিছু বলছেন না। মিনিট বিশেক পর বাবা চুলা বন্ধ করে দিলেন। আলু আর ডিম আলাদা আলাদা প্লেটে রাখলেন। একটা কাপে কফি ঢেলে নিলেন। এবার মেয়েকে জিজ্ঞাসা করলেন: মা, কী দেখতে পাচ্ছ? আলু, ডিম আর কফি। বাবা বললেন: কাছে এসে আলুগুলোকে ধরে দেখ। মেয়ে দেখল আলুগুলো নরম। এবার একটা ডিম নিয়ে খোসা ছাড়িয়ে দেখ। মেয়ে খোসা ছাড়িয়ে ভেতরে দেখল শক্ত সিদ্ধ ডিম। এবার কফির কাপটাতে চুমুক দাও। কফির সুগন্ধে মেয়ের মুখে হাসি ফুটল। মেয়ে বাবাকে বলল: বাবা এ কাজগুলো কেন করেছ? আস, আমরা এতক্ষণ যা করলাম তা বিশ্লেষণ করে দেখি। আলু, ডিম আর কফির দানা তিনটাকেই একই পরিবেশে রেখেছি, সমান তাপমাত্রার গরম পানিতে রেখেছি। কিন্তু প্রত্যেকটার পরিবর্তন (প্রতিক্রিয়া) হয়েছে ভিন্ন ভিন্ন। আলু ছিল শক্ত, পুরু আর অগলনযোগ্য কিন্তু ফুটন্ত পানিতে পড়ে নরম আর দুর্বল হয়ে গেছে। ডিমটা ছিল ভঙ্গুর। উপরের পাতলা আবরণ ভেতরের তরল পদার্থকে সুরক্ষা দিচ্ছিল। কিন্তু গরম পানিতে দেয়ার পর দেখা গেল ভেতরের তরল শক্ত হয়ে গেছে। কফির দানাগুলো ছিল গুঁড়োগুঁড়ো। সেগুলোকে গরম পানিতে সেগুলোর কোন রদবদল হলো না, বরং পানিকেই বদলে দিল, এবং নতুন একটা বস্তু (কফি) তৈরি করল। মা, তুমি কোনটা? যখন বিপদ-দু:খ-দুর্দশা তোমার দরজায় করাঘাত করে তুমি কিভাবে সাড়া দিবে? গরম পানির প্রভাবে আলুর মতো গলে যাবে? না ডিমের মতো ভেতরে শক্ত হয়ে যাবে নাকি কফির মতো নিজেকে না বদলে আশপাশকে বদলে নতুন পরিবেশ তৈরী করবে? বিশ্লেষণ এক: আমাদের জীবনে অনেক কিছুই ঘটে। অনেক কিছুই আমাদেরকে নিয়ে ঘটে। এসব কিছুই গুরুত্বপূর্ণ নয়, গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আমাদের ভেতরে কী ঘটে সেটা। বিশ্লেষণ দুই: বাইরের প্রভাবে নিজে না বদলে গিয়ে, ভেতরের প্রভাবে বাহিরকে বদলানোই আসল কাজ। ইয়া আল্লাহ! আশপাশের কলুষতায় বদলে না গিয়ে, আমাদেরকে জন্মগত ফিতরাত ইসলামের উপরই জীবন কাটানোর তাওফীক দান করুন। আমীন ✍️ উস্তায আতীক উল্লাহ হাফিযাহুল্লাহ
প্রথমত: নিজেদের সন্তানদের নিরাপদ রাখায় দায় অভিভাবকদেরই। এজন্য সচেতনতা খুব জরুরি। বিশেষ করে বর্তমান কালে কাউকে বিশেষ ট্রাস্ট করার কোনো প্রয়োজন নেই, তা সেটা কোনো আত্মীয় হোক, এলাকার পিচ্চি হোক বা মুরুব্বী কিংবা কোনো শিক্ষক বা হুজুর। কাউকে ট্রাস্ট করার দরকার নাই। দ্বিতীয়ত, নিজের সন্তানের ছবি অনলাইনে শেয়ার করা থেকে বিরত থাকুন, নয়তো পরে কই যে চলে যাবে একমাত্র আল্লাহ জানেন। তৃতীয়ত, আত্মীয়স্বজন বা অন্যান্য কাউকেও যথাসম্ভব মেয়েদের ছবি তুলতে দেবেন না। আত্মীয়দের মাঝে তো ঝগড়া করা যায় না, তবে চেষ্টা করতে হবে যেন নিতে না পারে। নিজেরাও ফ্যামিলি ওয়াটস এপ গ্রুপ বা অন্যত্র শেয়ার দেবেন না। . পশ্চিমে যা নষ্টামি আপনারা দেখেন নিশ্চিত থাকেন তা এদেশেও আছে, ব্যাপকভাবেই আছে। আমি আপনি দেখি না, বা আমাদের সামনে পরে না বলে নেই-এমন না। বড় সমস্যা হচ্ছে পশ্চিমে আইন ও তার বহুলাংশে প্রয়োগ থাকলেও এদেশে নেই। এজন্য অপরাধ কমানোর সুযোগ সেভাবে নেই। তার ওপর আমাদের আছে বদ হজমের ব্যাপক সমস্যা, কি ইসলামি বিষয় কি সেক্যুলার বিষয়, আমরা জাতিগত ভাবে যা পাই বদহজমে আক্রান্ত হই। . কাজেই prevention থেকে ভালো কোনো সমাধান আমাদের হাতে আপাতত নেই।
без подписи
без подписи
без подписи
без подписи
без подписи
без подписи
без подписи
без подписи