tgindex
DEANY TALKS

Let's talk about our Dean

Последний пост
14 авг.
Последнее чтение
15 авг.
Постов за неделю
4
Всего постов
23
Тип
открытый
Язык
bn
Категория
Новости и СМИ (по похожим)
В каталоге с
13 авг.
Подписчики
1 504
−3 за 4 дн.
Сутки
−1
−0,07%
Неделя
 
Месяц
 
Просмотров на пост
92
23 постов
Вовлечённость
6,1%
к подписчикам
Постов в день
0,6
всего 23
Упоминаний
0
каналов
Охват размещения
оценка
1/24сутки в ленте
44
1/48двое суток
50
1/72трое суток
54

Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.

Посты

  • 💎 জুমার দিন যে সময় দুআ কবুল হয় 💎 আবু হুরায়রা রা. বলেন- ❝রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন জুমার দিনের আলোচনা করলেন। তিনি বললেন, এইদিন একটা সময় আছে তখন কোনো মুসলিম নামাযরত অবস্থায় আল্লাহর নিকট যা চাইবে আল্লাহ তাকে অবশ্যই তা দেবেন।❞ (আবু হুরায়রা রা. বলেন,) এরপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাত দিয়ে ইশারা করেছেন, ঐ মুহূর্তটা অতি অল্প সময়। 📚 সহীহ বুখারী, হাদীস ৯৩৫; সহীহ মুসলিম, হাদীস ৮৫২ মুসলিম শরীফের এক বর্ণনায় স্পষ্ট এসেছে- ❝সে মুহূর্তটি খুব সামান্য সময়।❞ 📚 সহীহ মুসলিম, হাদীস ৮৫২ জাবের ইবনে আবদুল্লাহ রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- ❝জুমার দিন বারো ভাগ। (এর মধ্যে একটি সময় আছে, যাতে) কোনো মুসলিম বান্দা আল্লাহ তাআলার কাছে যা প্রার্থনা করবে আল্লাহ তাআলা নিশ্চয় তা দান করবেন। সে সময়টি তোমরা অনুসন্ধান কর আসরের পর দিনের শেষ অংশটিতে।❞ 📚 মুস্তাদরাকে হাকেম, হাদীস ১০৩২; সুনানে আবু দাউদ, হাদীস ১০৪৮; সুনানে নাসায়ী, হাদীস ১৩৮৯১ হাফেয ইবনে হাজার রাহ. লেখেন- ❝এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, এসব মতের মধ্যে সবচেয়ে অগ্রগণ্য মত হল- আবু মূসা আশআরী রা. ও আবদুল্লাহ ইবনে সালাম রা.-এর হাদীসে উল্লেখিত দুটি মত।❞ 📚ফাতহুল বারী ২/৪৮৮ এক. খতীব খুতবা দেওয়ার জন্য মিম্বরে উঠার পর থেকে নামায শেষ করা পর্যন্ত। আবু মূসা আশআরী রা., আবদুল্লাহ ইবনে উমর রা., আবু বুরদা রাহ. প্রমুখ এই মতের প্রবক্তা। 📚 মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বা, বর্ণনা ৫৫০৬, ৫৫০৭; আততামহীদ, ইবনে আবদুল বার ১৯/২২ দুই. জুমার দিনের শেষ সময় তথা আসরের নামাযের পর থেকে সূর্য অস্ত যাওয়া পর্যন্ত। আবদুল্লাহ ইবনে সালাম রা., আবু হুরায়রা রা., আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা., কা‘ব আহবার রাহ., সাঈদ ইবনে জুবায়ের রাহ., মুজাহিদ রাহ. ও তাউস রাহ. প্রমুখ এই মত গ্রহণ করেছেন। 📚 মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বা, বর্ণনা ৫৫০৩-৫৫০৫, ৫৫১৪; আততামহীদ ১৯/২০, ২৩-২৪; আলইস্তিযকার ৫/৮২, ৮৬, ৯৭) সুতরাং আমরা জুমার দিন এই দুই সময় দুআর এহতেমাম করব। তাহলে ইনশাআল্লাহ আমাদের ঐ বিশেষ সময়ের ফযীলত লাভ হবে এবং আমাদের দুআ আল্লাহ কবুল করবেন। ইমাম আবু উমর ইবনে আবদুল বার রাহ. বলেছেন- ❝প্রত্যেক মুসলিমের উচিত, কবুলের আশা নিয়ে তার দ্বীন-দুনিয়ার যাবতীয় বিষয়ের জন্য এই দুই সময়ে গুরুত্বের সাথে দুআ করা। তাহলে ইনশাআল্লাহ, তার দুআ বৃথা যাবে না।❞ 📚 আততামহীদ ১৯/২৪

  • без подписи

  • без подписи

  • без подписи

  • без подписи

  • без подписи

  • без подписи

  • без подписи

  • без подписи

  • без подписи

  • 💎 জুমার দিন যে সময় দুআ কবুল হয় 💎 আবু হুরায়রা রা. বলেন- ❝রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন জুমার দিনের আলোচনা করলেন। তিনি বললেন, এইদিন একটা সময় আছে তখন কোনো মুসলিম নামাযরত অবস্থায় আল্লাহর নিকট যা চাইবে আল্লাহ তাকে অবশ্যই তা দেবেন।❞ (আবু হুরায়রা রা. বলেন,) এরপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাত দিয়ে ইশারা করেছেন, ঐ মুহূর্তটা অতি অল্প সময়। 📚 সহীহ বুখারী, হাদীস ৯৩৫; সহীহ মুসলিম, হাদীস ৮৫২ মুসলিম শরীফের এক বর্ণনায় স্পষ্ট এসেছে- ❝সে মুহূর্তটি খুব সামান্য সময়।❞ 📚 সহীহ মুসলিম, হাদীস ৮৫২ জাবের ইবনে আবদুল্লাহ রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- ❝জুমার দিন বারো ভাগ। (এর মধ্যে একটি সময় আছে, যাতে) কোনো মুসলিম বান্দা আল্লাহ তাআলার কাছে যা প্রার্থনা করবে আল্লাহ তাআলা নিশ্চয় তা দান করবেন। সে সময়টি তোমরা অনুসন্ধান কর আসরের পর দিনের শেষ অংশটিতে।❞ 📚 মুস্তাদরাকে হাকেম, হাদীস ১০৩২; সুনানে আবু দাউদ, হাদীস ১০৪৮; সুনানে নাসায়ী, হাদীস ১৩৮৯১ হাফেয ইবনে হাজার রাহ. লেখেন- ❝এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, এসব মতের মধ্যে সবচেয়ে অগ্রগণ্য মত হল- আবু মূসা আশআরী রা. ও আবদুল্লাহ ইবনে সালাম রা.-এর হাদীসে উল্লেখিত দুটি মত।❞ 📚ফাতহুল বারী ২/৪৮৮ এক. খতীব খুতবা দেওয়ার জন্য মিম্বরে উঠার পর থেকে নামায শেষ করা পর্যন্ত। আবু মূসা আশআরী রা., আবদুল্লাহ ইবনে উমর রা., আবু বুরদা রাহ. প্রমুখ এই মতের প্রবক্তা। 📚 মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বা, বর্ণনা ৫৫০৬, ৫৫০৭; আততামহীদ, ইবনে আবদুল বার ১৯/২২ দুই. জুমার দিনের শেষ সময় তথা আসরের নামাযের পর থেকে সূর্য অস্ত যাওয়া পর্যন্ত। আবদুল্লাহ ইবনে সালাম রা., আবু হুরায়রা রা., আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা., কা‘ব আহবার রাহ., সাঈদ ইবনে জুবায়ের রাহ., মুজাহিদ রাহ. ও তাউস রাহ. প্রমুখ এই মত গ্রহণ করেছেন। 📚 মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বা, বর্ণনা ৫৫০৩-৫৫০৫, ৫৫১৪; আততামহীদ ১৯/২০, ২৩-২৪; আলইস্তিযকার ৫/৮২, ৮৬, ৯৭) সুতরাং আমরা জুমার দিন এই দুই সময় দুআর এহতেমাম করব। তাহলে ইনশাআল্লাহ আমাদের ঐ বিশেষ সময়ের ফযীলত লাভ হবে এবং আমাদের দুআ আল্লাহ কবুল করবেন। ইমাম আবু উমর ইবনে আবদুল বার রাহ. বলেছেন- ❝প্রত্যেক মুসলিমের উচিত, কবুলের আশা নিয়ে তার দ্বীন-দুনিয়ার যাবতীয় বিষয়ের জন্য এই দুই সময়ে গুরুত্বের সাথে দুআ করা। তাহলে ইনশাআল্লাহ, তার দুআ বৃথা যাবে না।❞ 📚 আততামহীদ ১৯/২৪

  • без подписи

  • 6 авг.911из hidayat027

    ছয় দিন। একটা মা ডলফিন তার মরা বাচ্চাটাকে পিঠে নিয়ে ঘুরছিল ছয়টা দিন। ছেড়ে দিচ্ছিল না। মাঝে মাঝে বাচ্চাটা পানিতে পড়ে যাচ্ছিল। মা আবার ডুব দিয়ে তুলে আনছিল। বুকে চেপে ধরছিল। যেন ঘুমিয়ে আছে, যেন এক্ষুনি জেগে উঠবে। বাচ্চাটার বয়স হয়েছিল মাত্র দুই সপ্তাহ। আর এই মা এর আগেও বারবার সন্তান হারিয়েছে। পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার শান্ত এক মোহনায় ড্রোনে ধরা পড়া এই দৃশ্যটা সারা পৃথিবী দেখেছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন — এটা নিছক অভ্যাস নয়। এটা শোক। মায়ের মমতা মৃত্যুর পরও থামে না। একটা কথা জানেন কি? গবেষণা বলছে, ডলফিন কুড়ি বছর পরও একজন পুরোনো সঙ্গীর ডাক চিনে ফেলতে পারে। তার মানে এই মা তার হারানো বাচ্চাটার কথা কোনোদিন ভুলবে না। বছরের পর বছর মনে রাখবে। ভাবতে পারেন? একটা প্রাণী, যার কোনো ভাষা নেই, কোনো নামাজ নেই, কোনো আখিরাতের হিসাব নেই — তার বুকেও আল্লাহ এত গভীর মমতা রেখে দিয়েছেন। এই মমতাটা কোত্থেকে এলো? মা ডলফিন নিজে বানায়নি। নিজে শেখেনি। এটা তার ভেতরে বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। যিনি বসিয়েছেন, তিনি আর-রাহমান — পরম দয়াময়। সাগরের একটা প্রাণীর বুকে যিনি এত মায়া দিতে পারেন, তাঁর নিজের মায়াটা তাহলে কত গভীর? এবার একটা হাদিস শুনুন। বুকে গেঁথে যাওয়ার মতো। একবার কিছু যুদ্ধবন্দিকে রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর কাছে আনা হলো। তাদের মধ্যে এক মা ছিলেন, যিনি নিজের হারানো সন্তানকে খুঁজছিলেন। বুক দুধে ভরে উঠছিল। তিনি বন্দিদের ভেতর যে শিশুকেই পাচ্ছিলেন, বুকে চেপে ধরে দুধ খাওয়াচ্ছিলেন। তারপর তিনি নিজের হারানো সন্তানকে খুঁজে পেলেন। জড়িয়ে ধরলেন বুকের সাথে। রাসূলুল্লাহ ﷺ সাহাবিদের জিজ্ঞেস করলেন — "তোমরা কি মনে করো, এই মা তার সন্তানকে আগুনে ছুঁড়ে ফেলতে পারবে?" সাহাবিরা বললেন — "না, কখনোই না। যদি ঠেকানোর সামান্যতম ক্ষমতাও তার থাকে।" তখন রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন — "আল্লাহ তাঁর বান্দাদের প্রতি এই মায়ের চেয়েও বেশি দয়ালু।" (সহিহ বুখারি) যে মা সন্তানকে আগুন থেকে বাঁচাতে নিজের জীবন দিয়ে দেবে — আল্লাহ আপনার প্রতি তার চেয়েও বেশি দয়ালু। ডলফিন মা ছয় দিন মরা বাচ্চাকে ছাড়েনি। মানুষ মা সন্তানকে আগুনে ফেলতে পারে না। এগুলো তো আল্লাহর দয়ার একটা ছোট্ট প্রতিফলন মাত্র। মূল উৎসটা তাহলে কত বিশাল? আমরা ভাবি আল্লাহ বুঝি রাগ করে বসে আছেন। ভুল করলেই বুঝি শাস্তি। অথচ তিনি নিজেই লিখে রেখেছেন "নিশ্চয়ই আমার রহমত আমার ক্রোধের ওপর জয়ী হয়েছে"। (সহিহ বুখারি) আপনি যতবার ফিরে আসবেন, আর-রহমান ততবার বুকে টেনে নেবেন। একটা মা যেমন হারানো সন্তানকে খুঁজে পেয়ে আর ছাড়ে না — ঠিক তেমনি, তার চেয়েও গভীরভাবে। গুনাহের বোঝা নিয়ে যে ভাবছেন "আমাকে দিয়ে আর হবে না" — একবার শুধু ফিরে দেখুন। যিনি ডলফিনের বুকে এত মমতা রেখেছেন, তিনি আপনার জন্য অপেক্ষা করে আছেন। আল্লাহ সূরা আয-যুমারের ৫৩ নাম্বার আয়াতে বলেন, "যারা নিজেদের ওপর জুলুম করেছ, আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয় আল্লাহ সমস্ত গোনাহ ক্ষমা করেন। নিশ্চয়ই তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।" আল্লাহ আমাদের তাঁর সেই অসীম দয়ার ছায়ায় জায়গা দিন। আর তাঁর রহমত থেকে কখনো নিরাশ না হওয়ার তাওফিক দিন। আমীন। 🤍 লেখাঃ Abu MuHammad Rafiuzzaman

  • 6 авг.70из hidayat027

    без подписи

  • без подписи

  • без подписи

  • без подписи

  • প্রশ্ন: মাননীয় শায়খ, একজন নারীর জন্য কোনটি বেশি উত্তম: জিকির ও দ্বীনি আলোচনা শোনার জন্য মসজিদে বা দ্বীনি মজলিসে যাওয়া, নাকি নিজের ঘরে বসে ক্যাসেট/অডিও বা রেডিওর মাধ্যমে তা শোনা,? উওর:আমি মনে করি নারীর জন্য তার ঘরে অবস্থান করাই সর্বোত্তম। বিশেষ করে এই যুগে, যেখানে ফিতনা (বিপর্যয় ও প্রলোভন) অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। আর বর্তমান সময়ে আলহামদুলিল্লাহ অডিও ক্যাসেট ও রেডিওর মাধ্যমে ঘরে বসেই ওয়াজ-মাহফিল ও দ্বীনি আলোচনা শোনা খুবই সহজ হয়ে গেছে। ফলে একজন নারী তার ঘরের একদম ভেতরে বসেই বিভিন্ন লেকচার, খুতবা ও দরস শুনতে পারেন। এর মধ্যে তার নিজের জন্য যেমন ফিতনা থেকে নিরাপত্তা রয়েছে, তেমনি অন্যান্য মানুষও তার কারণে ফিতনা থেকে নিরাপদ থাকে। সুতরাং, কোনো সন্দেহ ছাড়াই নারীর জন্য নিজ ঘরে অবস্থান করা এবং দেয়ালের আড়াল থেকে অডিও ক্যাসেট বা রেডিওর মাধ্যমে সত্য বাণী (দ্বীনি জ্ঞান) শ্রবণ করা উত্তম।" [বইয়ের নাম: ফাতাওয়া নূরুন আলাদ দারব (فتاوى نور على الدرب)খণ্ড ও পৃষ্ঠা: খণ্ড: ২২, পৃষ্ঠা: ২ (নারীদের ঘরের বাইরে গিয়ে ওয়াজ/লেকচার শোনার বিধান সংক্রান্ত অধ্যায়)।] #COLLECTED@deanytalks

  • 💎 জুমার দিন যে সময় দুআ কবুল হয় 💎 আবু হুরায়রা রা. বলেন- ❝রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন জুমার দিনের আলোচনা করলেন। তিনি বললেন, এইদিন একটা সময় আছে তখন কোনো মুসলিম নামাযরত অবস্থায় আল্লাহর নিকট যা চাইবে আল্লাহ তাকে অবশ্যই তা দেবেন।❞ (আবু হুরায়রা রা. বলেন,) এরপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাত দিয়ে ইশারা করেছেন, ঐ মুহূর্তটা অতি অল্প সময়। 📚 সহীহ বুখারী, হাদীস ৯৩৫; সহীহ মুসলিম, হাদীস ৮৫২ মুসলিম শরীফের এক বর্ণনায় স্পষ্ট এসেছে- ❝সে মুহূর্তটি খুব সামান্য সময়।❞ 📚 সহীহ মুসলিম, হাদীস ৮৫২ জাবের ইবনে আবদুল্লাহ রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- ❝জুমার দিন বারো ভাগ। (এর মধ্যে একটি সময় আছে, যাতে) কোনো মুসলিম বান্দা আল্লাহ তাআলার কাছে যা প্রার্থনা করবে আল্লাহ তাআলা নিশ্চয় তা দান করবেন। সে সময়টি তোমরা অনুসন্ধান কর আসরের পর দিনের শেষ অংশটিতে।❞ 📚 মুস্তাদরাকে হাকেম, হাদীস ১০৩২; সুনানে আবু দাউদ, হাদীস ১০৪৮; সুনানে নাসায়ী, হাদীস ১৩৮৯১ হাফেয ইবনে হাজার রাহ. লেখেন- ❝এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, এসব মতের মধ্যে সবচেয়ে অগ্রগণ্য মত হল- আবু মূসা আশআরী রা. ও আবদুল্লাহ ইবনে সালাম রা.-এর হাদীসে উল্লেখিত দুটি মত।❞ 📚ফাতহুল বারী ২/৪৮৮ এক. খতীব খুতবা দেওয়ার জন্য মিম্বরে উঠার পর থেকে নামায শেষ করা পর্যন্ত। আবু মূসা আশআরী রা., আবদুল্লাহ ইবনে উমর রা., আবু বুরদা রাহ. প্রমুখ এই মতের প্রবক্তা। 📚 মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বা, বর্ণনা ৫৫০৬, ৫৫০৭; আততামহীদ, ইবনে আবদুল বার ১৯/২২ দুই. জুমার দিনের শেষ সময় তথা আসরের নামাযের পর থেকে সূর্য অস্ত যাওয়া পর্যন্ত। আবদুল্লাহ ইবনে সালাম রা., আবু হুরায়রা রা., আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা., কা‘ব আহবার রাহ., সাঈদ ইবনে জুবায়ের রাহ., মুজাহিদ রাহ. ও তাউস রাহ. প্রমুখ এই মত গ্রহণ করেছেন। 📚 মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বা, বর্ণনা ৫৫০৩-৫৫০৫, ৫৫১৪; আততামহীদ ১৯/২০, ২৩-২৪; আলইস্তিযকার ৫/৮২, ৮৬, ৯৭) সুতরাং আমরা জুমার দিন এই দুই সময় দুআর এহতেমাম করব। তাহলে ইনশাআল্লাহ আমাদের ঐ বিশেষ সময়ের ফযীলত লাভ হবে এবং আমাদের দুআ আল্লাহ কবুল করবেন। ইমাম আবু উমর ইবনে আবদুল বার রাহ. বলেছেন- ❝প্রত্যেক মুসলিমের উচিত, কবুলের আশা নিয়ে তার দ্বীন-দুনিয়ার যাবতীয় বিষয়ের জন্য এই দুই সময়ে গুরুত্বের সাথে দুআ করা। তাহলে ইনশাআল্লাহ, তার দুআ বৃথা যাবে না।❞ 📚 আততামহীদ ১৯/২৪

  • без подписи