Shamsul Arefin Shakti Official
СтатистикаPhysician | Author | Dreamer
- Последний пост
- 14 авг.
- Последнее чтение
- 15 авг.
- Постов за неделю
- 2
- Всего постов
- 22
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- Категория
- Новости и СМИ (по похожим)
- В каталоге с
- 13 авг.
- 1/24сутки в ленте
- 784
- 1/48двое суток
- 898
- 1/72трое суток
- 969
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
https://youtu.be/0NnGw9TmA8I?si=NbgL9Cznzb3d5F-W
https://youtu.be/l2p4I_8fGdQ?si=phKALUNjj2hfnOYl
https://youtu.be/3uWW2jsdXrk?si=piS-6u_h_1G0odWm
https://youtu.be/UgWpxRdp-pw?si=AKS29NMqVK1zXGtY
https://youtube.com/shorts/ZNC2rNpwD1g?si=hT42oYbCM4Tvsb6s
https://youtube.com/shorts/9VpSSlMRh7o?si=5MjOieM_PpvV2M9f
https://youtube.com/shorts/w7Gw3GAgwtw?si=QyVEwVx9yKkL4YIl
без подписи
без подписи
দ্য টুইস্ট বই: পৃথিবীর গোলাবের বুকে চৌধুরী মুঈনুদ্দিন (ছাত্রসংঘের নেতা ও ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত)
https://youtu.be/MU7PJNPz4mk?si=upYXB3WBrYR64iPM
без подписи
এটাই হত জামায়াতে ইসলামীর জন্য শ্রেষ্ঠ সিদ্ধান্ত। ১৯৭১ এ কোন পক্ষ না নিয়ে চুপ থাকা। ফলাফলের ভিত্তিতে নতুন পরিস্থিতিতে ইকামতে দীন নিয়ে কাজ করা। পাক আর্মির ভুল নিজের ঘাড়ে নিয়ে ইতিহাসের ভুল পক্ষ নেবার মাশুল এত বছর দিতে হত না। রাষ্ট্র এটা ভাঙতোই। এই রাষ্ট্রের চেয়ে দীনকে মূল ফোকাস রাখলে এই ব্লান্ডারটা এড়ানো যেত। বই: পৃথিবীর গোলাবের বুকে লেখক: ছাত্রসংঘ নেতা চৌধুরী মুঈনউদ্দিন (ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত)
জুলাইয়ে বামপন্থীদের বড় অংশের অবস্থান ও ভূমিকা থেকে শিক্ষার বিষয় হলো—Don't fight the inevitable. ইবনু তাইমিয়ার একটা কথা আছে—দুনিয়ার একটা নিয়ম হলো জালিম শাসকের শাসন ক্ষণস্থায়ী, যদিও বা ইসলামী শাসক হয়। ইনসাফের শাসন দীর্ঘস্থায়ী, যদিও তা কুফরি হয়। এটা সুনানে কাওনিয়াহ। দুনিয়ার নিয়ম। অবধারিত। বামপন্থীদের সেই অংশটা ভেবেছে, হাসিনার পতন হলে উগ্রবাদীদের উত্থান ঘটবে। তাই তারা হাসিনাকে টিকিয়ে রাখার জন্যই কাজ করতে চেয়েছে। করেছেও তাদের অনেকে। কিন্তু তারা যেটা বোঝে নাই, তা হলো, হাসিনার পতন হতোই। জালিমের শাসন দীর্ঘস্থায়ী হয় না। সেটাকে মেনে নিলে তারা রাইট সাইড অফ দ্য হিস্ট্রিতে থাকতে পারতো। এমন ডিলেমায় ইসলামপন্থীরাও পড়েছিল। তাদের অনেকেই এ বিষয়টা নিয়ে কনসার্নড ছিল যে, ভারতপন্থীরা বিদায় হলে এদেশে মার্কিনপন্থীরা শক্তিশালী হবে। ভারত রেজিওনাল শত্রু হলেও, মার্কিনিরাও উম্মাহর শত্রু। কিন্তু ইসলামিস্টরা বুঝতে পেরেছে, জালিমের পতন হবেই। আর এ সময় যখন কওমের উপরে এমন জুলুম চলছে, তখন চুপ করে থাকলে হাশরে আমরা জবাব দিতে পারবো না। ফলে আলহামদুলিল্লাহ, তারা ইতিহাসের সঠিক দিকে থাকতে পেরেছে। বামপন্থীদের কাছে উগ্রবাদের সংজ্ঞা এতো বড় যে তারেক জিয়াও সে সংজ্ঞায় উগ্রবাদি হয়ে যায়। এসব করতে গিয়ে তারা বরাবরই গণবিরোধী অবস্থান নিয়ে এসেছে। এভাবেই জুলাইয়ে বামপন্থীদের একচ্ছত্র কালচারাল হেজেমনি বিরাট ধাক্কা খেলো। আর এদিকে আল্লাহ ইসলামপন্থীদের জন্য কাজের দরজা খুলে দিলেন। ইনশাআল্লাহ ইসলামের বিজয়ের মধ্য দিয়ে জুলাই পূর্ণতা পাবে। ৫০ বছর পরে হলেও।
https://youtu.be/YCZ90U-64Bg?si=KIPLlsIpcp52ff_1
এলজিবিটি নিয়ে ব্র্যাকের নতুন ফাঁদ সম্পর্কে জানা জরুরী https://mullobodh.com/brac-lego-play-lab-sharif-sharifa-story/
হোটেলে রেইড দিয়ে দেহব্যবসায়ীদের সাথে সাথে এক আলেম দম্পতিকেও ধরেছে। চিকিৎসার জন্য শহরে এসে হোটেলে রাতযাপন করছিলেন। এই লেবাসের লোক ধরা পড়েছে, কাটতিদার খবর বৈকি। মানহানির মামলা না করতে করতে মিডিয়া আর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে ইসলামপ্রিয় জনতার সম্মান যেন সস্তা পণ্য। চাইলেই হাটে উঠিয়ে দেয়া যায়। শক্ত মানহানির কিছু মামলা করা গেলে এই ট্রেন্ড দূর করা সম্ভব। আমি অন্য একটা কথা পাড়তে চাই। আপনি জানেন আপনি দোষী নন, তাহলে মুখ লুকাচ্ছেন কেন? আপনার এই মুখ লুকানো, চেহারা ঢাকা, মাথা নোয়ানোই আপনাকে দোষী বানিয়ে ফেলে অটোমেটিক। হুজুরদের প্রায়ই বলাৎকারের মিথ্যা অপবাদে ভিডিও করা হয়। তারাও ভয়ে আতঙ্কে অপমানে লজ্জিত থাকেন, অথচ আপনি জানেন আপনি দোষী নন। আবার জামাতের এমপি গাজী নজরুলকেও যখন ভিডিও করছে, সে বলছে: বাবা মাফ করে দাও। আজকেই প্রথম। এগুলো কি ভাই? আপনার বিয়ে করা বউ, আপনি ঘাড় উঁচু করে সেটা বলবেন। তা না করে কাঁচুমাচু এগুলা কি? আপনি যখন জানেন আপনি দোষী না, আপনার ওপর জুলুম হচ্ছে বা আপনাকে ভুল করে ধরা হয়েছে। তখন যদিও টেনশনে আছেন: ১. ঘাড় সোজা রাখবেন। ২. মুখে জোর করে মৃদু হাসি/তাচ্ছিল্য রাখবেন। ৩. বডি ল্যাঙ্গুয়েজে আত্মবিশ্বাস রাখবেন। ৪. ড্যাম কেয়ার ভাব রাখবেন। ৫. যতক্ষণ ভিডিও চলবে, চুপ থাকবেন না। লাগাতার বলতে থাকবেন আমি দোষী না। আমাকে ফাঁসানো হয়েছে। আত্মপক্ষ সমর্থন করতে থাকবেন। অনেক সময় দাঈ ভাইদের বা দাওয়াতী সংগঠনগুলো ভয় পেয়ে যায় এনএসআই বা ডিবির লোকেরা খোঁজখবর করলে। ভাই, আপনি দেশের কোন ফৌজদারি অপরাধে যুক্ত নন। আমরা দাওয়াতী কাজ করি, সামাজিক শক্তি অর্জনের কাজ করি। দেশের আইনের সাথে বিন্দুমাত্র সাংঘর্ষিক কোন কাজের সাথে আমরা জড়িত নই। সুতরাং ভয় কেন পাবেন। তাদের সাথে দেখা করুন, নিজেদের কর্মকাণ্ড জানান। চায়ের দাওয়াত দিন, প্রোগ্রাম থাকলে দাওয়াত দিন। তারা চাইলে কয়েকজন নেতৃস্থানীয় ও প্রভাবশালী দাঈ ভায়ের নম্বর দিন তাদের কাছে। ভয়ের কোন কারণই নেই। মাতা উঁচু রাখুন, কণ্ঠ নম্র রাখুন। এরাও আমাদের দাওয়াতী অডিয়েন্স। এরাও কালেমার কাস্টমার।
https://youtube.com/shorts/d6Mb8R5a_ZE?si=QT9EfyhUu69c1frs
সাইয়্যেদ আবুল হাসান আলী নদভী রহ. আরবদের উদ্দেশ্যে এক লেকচারে সালাহউদ্দীন আইয়ুবী রহ. সম্পর্কে কিছু কথা বলেন। খোলাসা হল: আল্লাহর পরিকল্পনা মানুষের কল্পনায়ও ধরে না। হঠাৎ করে আল্লাহ উম্মাহর নেতাকে মঞ্চে নিয়ে আসেন। সালাহউদ্দীন আইয়ুবী একরাতে তওবা করেন। সকল গুনাহের কাজ থোকে ফেরত আসেন। সেদিন থেকে তাঁর ধ্যানজ্ঞানে আল-কুদস পুনরুদ্ধার ছাড়া আর কিছু ছিল না। যুদ্ধ, ঘোড়া, বাহিনীর প্রশিক্ষণ এসব ছাড়া আর কোন কিছুতে আনন্দ পেতেন না। কল্পনা করুন: বোনের ঘরে ঢোকার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত উমর রা. শিরকে নিমজ্জিত। নবিজিকে হত্যা করার মত স্পর্ধায় উদ্বুদ্ধ। উমর ইবনে আবদুল আযীয রহ. খিলাফতের দায়িত্ব পাবার আগ পর্যন্ত বিলাসিতায় মগ্ন। জমিদারের লাঠিয়াল সর্দার তিতুমীর হিদায়াত পেয়ে হয়ে গেলেন মীর নিসার আলী রহ.। তাঁর সাথীদের বলা হত হেদায়েতী। কী করুণ অবস্থা আজ উম্মাহর। একজন নেতার অভাব উম্মাহকে কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে। বহু আলিম আছেন, দাঈ আছে, তাত্ত্বিক আছে, লেখক আছে। কারও কথায় জান কোরবান করা যায়, এমন একজন নেতা নেই। যার ভিতর সকল যোগ্যতা আছে বলে বাইরে মনে হয়, কাছে গেলে দেখা যায় অন্য কোন অযোগ্যতা তাঁকে নেতা হতে দিচ্ছে না। কাজ থেমে থাকলে চলবে না। সম্মানিত তরুণ আলিমগণের উদ্দেশ্যে আরজ থাকবে: স্থানীয় যুবকদের মাঝে (ত্বালেব হোক বা জেনারেল) যে আপনার চোখে পড়বে। যার মাঝে দীনী আগ্রহ, নেতৃত্ব, বিনয়, নানামুখী যোগ্যতা, ত্যাগের মনোভাব চোখে পড়বে, তার/তাদের সাথে নিজেকে ছায়া বানিয়ে ফেলবেন। তার সংশোধন, তার ইলম, তার দক্ষতা-যোগ্যতা বাড়াতে বড়ভাই-বন্ধুর মতো তাকে সর্বক্ষণ পরামর্শের উপরে রাখবেন। শিষ্যত্বে গ্রহণ করবেন। আপনার ইলম, দৃঢ়তা, চেতনা দিয়ে তার মনমগজকে আচ্ছন্ন করে রাখবেন। আপনার অধীনে তাকে ভবিষ্যত নেতৃত্বের জন্য তৈরি করতে থাকবেন। মানে একটা খুসুসি মেহনতের কথা বলছি। এটা আমরা পারব না। এই ইমাম তৈরি হতে হবে আলিমদের তত্ত্বাবধানেই। আজ সকালটা খুব কষ্টে কাটল। কে জানে জাতির তিতুমীর হয়ত এখনও জমিদারের লেঠেলসর্দার (কোনো অন্ধ বট বা দলান্ধ ছাত্রদলের কর্মী), যে এখনও নিজের মূল্য/দায়িত্ব বোঝে না। এখনও কারও অন্ধ অনুসরণে লিপ্ত। কে জানে জাতির উমরে সানী হয়ত এখনও ব্র্যান্ডের কাপড়চোপড়, আইফোন, দামী বাড়ি-গাড়ির চিন্তায় মগ্ন। কে জানে জাতির সালাহউদ্দীন হয়ত এখনও টিকটক, বিশ্বকাপ বা বন্ধুদের সাথে ফুজুল আড্ডাবাজিতে সময় কাটাচ্ছে। কে জানে জাতির উমর হয়ত এখনও কাফের বা নবিজি ও ইসলামের সত্যতা সম্পর্কে সন্দিহান। হয়ত আমাদের চেনাজানা সকল মেহনতের বাইরে সে এখন গাফলতিতে নিমজ্জিত। ভাবতে ভাবতে চোখ ঝাপসা হয়ে আসে। মাঝসমুদ্রে নাবিকবিহীন জাহাজের যাত্রী আমরা। ঝড়ে উত্তাল তরঙ্গে দিশেহারা, ভীত, কম্পিত। কত জল্পনা-কল্পনার বছর শেষে হয়ত সে আসবে। তার অতীত ঝেড়ে মুছে, তওবার আগুনে পুড়ে সে আসবে। জানিনা বেঁচে থাকব কিনা। নাকি এভাবে তার অপেক্ষায় অপেক্ষায় অশ্রুপাত করেই শেষ নিঃশ্বাসে পৌঁছে যাব। হে যুবক! কত দায়িত্ব তোমার। আর তুমি কিনা... [দাঈ ভায়েরা, আম দাওয়াহ বাড়ান, গণ-দাওয়াহ। আর উলামায়ে কেরামকে খুসুসি মেহনতের দরখাস্ত]
https://youtu.be/BfdWZAmalWg?si=ySONAnlmyVb7ogeP