- Последний пост
- 12 авг.
- Последнее чтение
- 13 авг.
- Постов за неделю
- 1
- Всего постов
- 20
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- В каталоге с
- 13 авг.
- 1/24сутки в ленте
- 18
- 1/48двое суток
- 20
- 1/72трое суток
- 22
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
আমার ব্যাক্তিগত মত হলো আপনি যদি চান আপনার সন্তান ভালো আলেম হোক তবে কোন ভালো কওমি মাদ্রাসায় পড়ান। তবে অবশ্যই নজরদারিসহ যেনো কোন abuse এর শিকার না হয় বা পুষ্টির চাহিদা ঠিক মতো পূরণ হয়। ফ্রি খেলে মাদ্রাসাকে দোষ দিয়ে লাভ নাই। সাধ্য মতো সন্তানের পেছনে খরচ করতে হবে। অন্যদিকে যদি চাই দ্বীন দুনিয়া দুটোই থাক তবে আলেম হওয়ার দরকার নাই তবে নুরানি মাদ্রাসায় পড়িয়ে স্কুল কলেজে পড়ান। পাশাপাশি বাড়িতে ইসলামি শিক্ষার উদ্যোগ নিন। হাতে গোনা কিছু মাদ্রাসা বাদ দিকে আলিয়ায় পড়ানোর আমি কোন অর্থ দেখি না।
আগের পোস্টে একটু ভুল করেছিলাম। ঐসব হাসপাতালে মূলত MATS (Medical Assistant Training School) এর ডিগ্রীধারীদের ডিউটি ডাক্তার হিসেবে রাখা হয়। নার্সদেরকে না। দুইটা কিছুটা ভিন্ন। কিন্তু MATS এর DMF ডিগ্রীধারীরাও ডাক্তার নন। তাদের জন্য কিছুক্ষেত্রে ওষুধ লিখার অনুমতি আছে। তবে ওনারা ফুলস্কেল ডাক্তার নন।
এলোপ্যাথিক মেডিসিন ফিল্ডে দেহের একেকটা পার্টের জন্য স্পেশালাইজড ডিগ্ৰী নেয়ার পর তাকে ঐ বিষয়ের ডাক্তার ধরা হয়। কিন্তু এসব দৈনিক/সাপ্তাহিক ডাক্তার ভিজিট দিয়ে যেসব হাসপাতালগুলা চলে - এরা ঐ একজন ডাক্তার দিয়েই সব রোগের রোগীদের ট্রিটমেন্ট করার ট্রাই করে। আর এদের মেইন ব্যবসাটা হয় মূলত ওয়ার্ড / কেবিন ভাড়া, ভর্তি রোগীর ওষুধ ও টেস্ট কেন্দ্রীক। তাই তার কাছে ডাক্তার না থাকা সত্ত্বেও সে ভর্তি করিয়ে ফেলে।
জরুরী একটা সতর্কবার্তা: দেশে অনেক জায়গায় দেখবেন একেবারে ব্যাঙের ছাতার মত ভুরি ভুরি হাসপাতাল। বিশেষ করে মফস্বল এরিয়ায় আমার অভিজ্ঞতা আছে - ছোটবড় প্রচুর হাসপাতাল এখানে। অনেক সময় বড় হাসপাতাল দেখলে মনে প্রশ্নই আসে না যে, এরাও স্ক্যাম করতে পারে। এসব হাসপাতালের বেশিরভাগেই সম্ভবত সার্বক্ষণিক সেবাদাতা ডাক্তার থাকে না। এগুলাতে মেইনলি MATS থেকে পড়াশোনা করা কিছু মানুষকে ডিউটি ডাক্তার হিসেবে নিয়োগ করে রাখে। এরাই সেবা দেয়, ওষুধ লিখে। মূল ডাক্তার হয়তো দিনে বা সপ্তাহে একবার এসে সব রোগীকে একবার চেক দিয়ে যায়। আর ঐ ডাক্তারকে দেখিয়েই হাসপাতাল চলে।
এগুলো বানিয়েছে কারা?
নিশ্চয়ই সকল মূর্তি নাজাস। কিন্তু যখন আশিকে রাসুলকে শিরকের বাহন বানানো হয় তখন এর চেয়ে নিন্দনীয় কিছুই হতে পারে না।
এগুলা কি উগ্রবাদ না? এগুলা কি দেশকে অস্থিতিশীল করার পাঁয়তারা না?
AB Zubair ভাইয়ের পাশে থাকুন
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
বিএনপির উপর চাপ বাড়ছে কেন ??? সার্জিও গরের ঢাকায় আগমন যত নিকটে আসবে, বিএনপি'র উপর চাপ তত বাড়বে। রাষ্ট্রপতি মনোনয়ন, বাণিজ্য চুক্তি বাস্তবায়ন ও বাংলাদেশ- মায়ানমার- চীন করিডোর - গুরুত্বপূর্ণ এই ৩টি ইস্যু নিয়ে সার্জিও গর বিএনপির সাথে আলোচনা করতে পারে। কিন্তু তার ঢাকায় পৌঁছানোর আগে থেকেই বিএনপিকে চাপে রাখা না গেলে বিএনপি যদি বেঁকে বসে! এজন্যই বিএনপির উপর নানান ইস্যুতে চাপ বাড়ছে। এই চাপ টানা কয়েকদিন থাকতে পারে। মানুষ শুধু রাজনৈতিক দল ও রাজনীতিবিদদের আর্টিফিশিয়াল ফেইসটা দেখে। রিয়েল ফেইস দেখে না। ভেতরে ভেতরে দরকষাকষি চলছে উপরোক্ত তিনটি বিষয় নিয়ে কিন্তু উপরে দেখানো হয় গণভোটের রায় বাস্তবায়ন নিয়ে আন্দোলন। ইত্যাদি ইত্যাদি। Md Ziaul Haque
গাজীপুরে আবাসিক হোটেল থেকে পাচজন জেনারেল শিক্ষিত গ্রেফতার। দুইজন হুজুর লেবাসধারীও আছেন। তারা সেখানে জেনারেল শিক্ষিত নারীর সাথে অকাম করছিল। জানা গেছে হোটেলর মালিক হতে শুরু করে সকলেই জেনারেল শিক্ষিত। - ঘটনা কতটা বাস্তব জানি না, তবে সিমিলার ঘটনাই ঘটে। যত হোটেল রেইড হয়, বেশিরভাগেই জেনারেল শিক্ষিতরা ধরা পড়ে। মদের বারে ইংলিশ মিডিয়ামের পশ কিডস ধরা খায়। কিন্তু এগুলোকে কেন্দ্র করে কখনো এভাবে স্কুল-কলেজ-ভার্সিটিকে দোষ দিয়ে ক্যাম্পেইন হতে দেখেছেন? কিন্তু এখন আবাসিক প্রতিষ্ঠানগুলোয় সবসময়ই যে অপরাধটা চলে আসছে, সেটার জন্য শুধুমাত্র আবাসিক কওমী মাদ্রাসাকে টার্গেট করে প্রচারণা চালাচ্ছে প্রধাণত লিবারেল মুশরিকরা, তার সাথেই আছে জামায়াতিরা। আর তারপরে হুজুর বিদ্বেষী জেনারেল কিছু পাবলিক।
আমাদের হুযুররা যতই সাধু সাজুক সমকামিতা নিয়ে মাদ্রাসায় যে দুই ধরনের নোংরামি হয় সেই দুইটাই করে প্রধানত হুযুররাই৷ ১) সমকামিতা ২) প্রতিদ্বন্দ্বী বা অপছন্দের হুযুরকে সমকামিতার মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসানো। হুযুররা সারাদিন নিজেরা একজন আরেকজনের লুঙ্গি টেনে খোলার কসরতে কোন ছাড় দেয় না। তারপর যখন হুযুর কমিউনিটির বাহিরে লোকজন দেখে ফেলে যে হুযুররা ল্যাংটা তখন তারা ইহুদি-নাসারা, রাম-বামদের উপর দোশ চাপায়। এই যে গিল্ট শিফটিং এটা বাস্তবে কোন সমাধান না৷ বরং এগুলো হলো ফ্যাটি লিভারকে অবজ্ঞা করে লিভার সিরোসিস বানানোর প্রক্রিয়া। আমাদের হুযুররা সবচেয়ে সহীহ ইলমের ধারক এবং সবচেয়ে ছোটলোক। দুইটাই যুগপৎভাবে সত্য। মূলত এটা দার্শনিক সমস্যা না, সমস্যা পারিবারিক ব্যাকগ্রাউন্ডের। এদেশে হুযুররা অধিকাংশই গরিব এবং ছোটলোক পরিবার থেকে আসে। তারপর ছোটলোকি ছাড়তে পারে না। আমাদের ভাষায় এক সম্মানিতা ভদ্রমহিলা কাজ করেন। ব্যাক্তি হিসেবে তাঁকে আমি অত্যন্ত শ্রদ্ধা করি। তিনি যথাসম্ভব শালীনতা বজায়ে রেখে চলাচল করেন। নিয়মিত সালাত আদায় করেন। কাজকর্মেও মোটামুটি সিনসিয়ার। তাঁর বাবার পরিবার তাদের স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী ভালো। কিন্তু তার বরের পরিবার একটা ক্লাসলেস পরিবার। ভদ্রমহিলার সম্ভবত মা মারা গিয়েছিলেন। বিয়ে দিয়েছেন মামার বাড়ির লোকেরা। সেই বরের সাথে বিচ্ছন্নতার পরে এই লোককে তার বিয়ে করতে হয়েছে। লোকটা তাকে ছেড়ে গিয়েছে সাত বছর হলো। বড় ছেলে বখাটে। ছোট দুইটাকে মাদ্রাসায় পড়ান। আমি বুঝি না এরা বড় হলে মনমানসিকতায় আর কতটুকুই উন্নত হতে পারবে? এই গল্প একদুই জনের না। উপমহাদেশে হাজারো লাখো কওমি মাদ্রাসা ছাত্রের এই অবস্থা। কোন সন্দেহ নাই উপমহাদেশে যে গরিব মুসলমানরা ছিলো তাদের সবচেয়ে বড় আশ্রয় হয়ে দাঁড়িয়েছে কওমি মাদ্রাসাগুলো। কিন্তু এতে বাইপ্রোডাক্ট হিসেবে সমস্যা যেটা হয়েছে সেটা হলো নিম্নমানের কাঁচামালে পরিপূর্ণ। তারপর তাবলীগ বা অন্য কোন কারণে উন্নত যে কাঁচামালগুলো কিছু ঢোকে তাদেরও অনেক ক্ষেত্রেই সঙ্গদোষে লোহা ভাসে। নিজেদের দায় উপলব্ধি করে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে ষড়যন্ত্র তত্ত্ব কপচানোর মতো ফাতরামো জগতে আর নাই। শত্রুরাতো ষড়যন্ত্র করবেই। তারা কি বলদ? কিন্তু পাইক্যাদের মতো নিজেরা উল্টো পাল্টা কাজ করে ভারতের উপর দায় শিফট করে বেড়ানো কেবল একটা চূড়ান্ত মাত্রায় ফাত্রামিই না বরং আত্মঘাতিও বটে। চাইলেই হাইয়া বা বেফাক ও অন্যান্য মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে শিক্ষকদের ট্র্যাক রেকর্ড সংরক্ষণ করা যায়। শিক্ষকদের একটা আচরণবিধি তৈরি করে গুরুতর ভায়োলেশন পেলে তাকে শিক্ষক হিসেবে নিষিদ্ধ করা যায়। তাছাড়াও বিভিন্ন অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী বিভিন্ন মাত্রায় শাস্তি দেওয়া যায়। কিন্তু এসব নিয়ে তাদের মনোযোগ খুবই কম। কোন সন্দেহ নাই রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ছাড়া এসব ক্ষেত্রে পূর্ণাঙ্গ শৃঙ্খলা আনা খুবই কঠিন। বিশেষত কওমি মাদ্রাসার মতো স্বল্প আয়ের প্রতিষ্ঠানে। কিন্তু যেটুকু করা যায় সেটাও যে করা হচ্ছে সেটুকু অন্তত স্বীকার করা উচিৎ। কেন সেই চেষ্টা করা হচ্ছে সেটা বললে আবার অনেকে নিন্দা করা শুরু করবে যে আলেমদের সমালোচনা করছে।
জাময়াতে ইসলামী এবং ছাত্রশিবিরের আন্তরিক সদস্য ও সমর্থক, যারা এখনো দলকে দ্বীনের ওপর স্থান দেননি, বা দুটোকে সমার্থক বানিয়ে ফেলেননি, তাদের ভাবা উচিত—যে লক্ষ্য ও আদর্শ নিয়ে এ সংগঠনগুলো শুরু হয়েছিল, তার সাথে এধরনের আচরণের কী সম্পর্ক? মাওলানা মওদুদীর (রহ.) চিন্তা, লেখনী এবং ব্যক্তিত্বের সাথেও এগুলো কতোটুকু খাপ খায়। আর এভাবে তারা কিভাবে আল্লাহর নুসরত আশা করতে পারেন। ~ Asif Adnan
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
১ম ছবিটা কিশোরগঞ্জের আলবদর কমান্ডার আমিনুল ইসলামের (দালাল আইনে ১০ বছর জেলখাটা) 'আমি আলবদর বলছি'-এর। আর পরের ছবিদুটো রাবি-ঢাবির ভিসি ড. সাজ্জাদ হোসায়েন (দালাল আইনে ২ বছর জেলখাটা) এর 'একাত্তরের স্মৃতি' বই থেকে। দু'জনই বলছে : ১. আওয়ামী লীগ ও ভারত মিলে পাকআর্মিকে গণহত্যায় টেনে আনতে চেয়েছে। তার মানে পাক আর্মি এই ফাঁদে পা দিয়ে একটা জিওপলিটিক্যাল ভুল করেছে। তাহলে আপনারা সেই ভুলের সহযোগী কেন হলেন? ২. দুজনই বলছে, ২৫ মার্চের আগেই দুষ্কৃতিকারী আওয়ামী লীগের শয়তানরা সব পালিয়ে গেছে। সাধারণ জনগণই পাক আর্মির নৃশংসতার শিকার হয়েছে। তাহলে সাধারণ মুসলমানের উপর এই জুলুমের এই হত্যাযজ্ঞের পরও পাকবাহিনীকে সমর্থন দেয়া কীভাবে নৈতিক? শরয়ীভাবে কীভাবে জায়েজ? ৩. পাক আর্মির এই অহেতুক নৃশংসতার ফলে একসময় পাকিস্তানপন্থী লোকগুলোও পাকিস্তানের বিরোধী হয়ে গেছে। তাহলে এদেশে যারা মুক্তিযুদ্ধ করেছে, তাদের গণহারে ভারতের দালাল কেন বলেন? ভারতের দালালগুলো তো সব পালিয়েছে। এখন যারা যুদ্ধ করবে তারা প্রতিক্রিয়া হিসেবেই করছে। প্রশ্ন আরও বহু আছে।
কিশোরগঞ্জের আলবদর কমান্ডার জামাতি আদর্শের ত্যাগী নেতা আমিনুল ইসলাম তাঁর বইয়ে বলছেন, কেন ১৯৭১ ও তার পরবর্তী সময়ে জামাতের করুণ পরিণতি সেটা। কারাগারে থাকাকালে এক জামাত নেতা ইউনিটের খাবারের দায়িত্ব পান। কিন্তু যে খাবার সকল কয়েদীর হক, সেখান থেকে ভাল খাবারগুলো তিনি জামাতি আদর্শের কয়েদীদের সাপ্লাই দিত। অন্যান্য কয়েদীদের মাঝে জামাতের নাম খারাপ হত। এজন্য জামাতের আজ এই অপদস্থতা। শিবিরের তরুণ কর্মীদের বলব, তোমরা বইটা পর। তোমাদের মুরুব্বিরা সেই ১৯৮১ সাল থেকে করাপ্ট। বিএনপি করাপ্ট হলে ক্ষমতা হারাবে না। আল্লাহর সাথে তাদের সেই কমিটমেন্ট নেই। কিন্তু ইসলামী দল নৈতিক-অর্থনৈতিকভাবে করাপ্ট হলে আল্লাহ সহ্য করবেন না। সিনিয়রদের ফেরেশতা আর দলকে কনফার্ম জান্নাতি ভাবা বাদ দিয়ে নেতাদের প্রশ্নের উপর রাখো। যার কথায় জান দিবা, তার অবস্থান আদর্শকে সবসময় ক্রিটিকের উপর রাখতে শেখো।