Hasan
Статистика- Последний пост
- 14 авг.
- Последнее чтение
- 13 авг.
- Постов за неделю
- 9
- Всего постов
- 21
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- В каталоге с
- 13 авг.
- 1/24сутки в ленте
- 337
- 1/48двое суток
- 386
- 1/72трое суток
- 416
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
পোস্ট আর প্রোফাইল দেখেন। কত ছোটলোক আর কতটা নিম্ন ও জঘন্য মানসিকতার আর বলতে হবে বলে মনে হয় না।
আল হামদুলিল্লাহ হেফাজত এই সব গাধাদের বুদ্ধিতে চলে না।
কিছু মাতাল পোলাপানের অবস্থা হলো, আলেমরা যদি রাজনৈতিক ব্যাক্তিদের সম্পর্কও রাখে, তাও তাদেরকে দরবারি বলে। মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী তো কম, উপমহাদেশে বহু রাজাবাদশাহরাই আলেমদের কাছে আসতো সুফিদের কাছে আসতো। এটাতে যেমন রাজনৈতিক ব্যাক্তিদের স্বার্থ থাকতো, তেমনি আলেম উলামা এবং সাধারণ মুসলমানদেরও স্বার্থ থাকতো। কিন্তু কিছু জাহেল পোলাপানরা এগুলো নিয়ে অতিরিক্ত কথাবার্তা বলছে, এদের মুখে আর আচরণে কোনো লাগাম নাই।
খারেজি চিন্তাভাবনার প্রথম আলামত হলো সে সমাজের কোথাও তাওহীদ দেখে না, মসজিদ মাদরাসা, আলেম-উলামা সবখানেই সে শুধু গোমরাহী দেখে। শুধুমাত্র নিজে আর নিজের আশপাশের কিছু মানুষের মধ্যে তাওহীদ দেখে সে।
видео или голосовое, без подписи
https://open.substack.com/pub/hasan89/p/islamism-marxism-and-the-trap-of?utm_source=share&utm_medium=android&r=39tejb
https://open.substack.com/pub/hasan89/p/islamism-marxism-and-the-trap-of?utm_source=share&utm_medium=android&r=39tejb
নিশ্চয়ই সকল মূর্তি নাজাস। কিন্তু যখন আশিকে রাসুলকে শিরকের বাহন বানানো হয় তখন এর চেয়ে নিন্দনীয় কিছুই হতে পারে না।
প্লেটোর মেটাফিজিক্সের সাথে আসলে পশ্চিমাদের কোনো কানেকশন নেই। প্লেটোর মেটাফিজিক্স সবসময়ই একত্ববাদের দিকে নির্দেশ করে, আর পশ্চিমাদের ফাউন্ডেশনাল কোনো মেটাফিজিক্স নাই, বরং তারা সবসময়ই Nominalist এপ্রোচ গ্রহণ করে বস্তুবাদে আক্রান্ত হইছে। গত কয়েকদিন ধরে প্লেটোর সংক্ষিপ্ত মেটাফিজিক্স বুঝার চেষ্টা করলাম। আমার কাছে তাই মনে হলো। যেখানে প্লেটো স্রষ্টার একত্বের কথা বলতেছে, existence কে এক বলতেছে, সেখানে পশ্চিমাদের মধ্যে স্রষ্টাই তো নাই, একত্ব তো পরের কথা, বরং তারা নিজেদের স্রষ্টার স্থানে বসাইছে। অনেকে সেইন্ট থমাস আর অগাস্টিনের কথা বলতে পারেন, কিন্তু সেইন্ট থমাস আর অগাস্টিনরাই সম্ভবত শেষ খৃষ্টান ধর্মতত্ত্বিক গ্রুপ, যারা স্রষ্টার সাথে কানেক্টেড ছিলো।
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
আজকের আবহাওয়াটা সুন্দর। মেঘলা আকাশের চেয়ে এই আকাশটা সুন্দর বেশি। আমি বুঝি না মানুষ বৃষ্টির আবহাওয়াকে এতো বেশি পছন্দ করে কি জন্য!
https://open.substack.com/pub/hasan89/p/realism-and-the-metaphysical-foundation?utm_source=share&utm_medium=android&r=39tejb
সম্ভবত মোটামুটি দুই বছর আগে ওয়াহদাতুল উজুদ নিয়ে পড়াশোনা শুরু করেছিলাম, তখন অবশ্য শুহুদের পক্ষে আর উজুদের বিপক্ষে ছিলাম। কিন্তু আমি শুহুদকে বুঝতে গিয়ে উজুদকেই আবিষ্কার করলাম, সাথে পাইলাম শাহ ওয়ালিউল্লাহই মুহাদ্দিস দেহলভীকে, ইমাম গাজালী এবং আশরাফ আলী থানভী সহ আরো বহু আলেমকে যারা একই উপসংহারে উপনীত হয়েছেন। এটা বুঝতে গিয়েই ইলমুল কালামের গুরুত্ব বুঝলাম, ইলমুল কালাম পড়তে দেখলাম মানুষ আধুনিকতার রোগে আক্রান্ত হয় মূলত কালাম ও লজিক না বুঝার কারণে। আশরাফ আলী থানভী তো একবার বলেছিলেন, আধুনিকতা সেই পুরনো মদ, যেটার বিরুদ্ধে মুসলমানরা আগেই লড়াই করে পর্যাপ্ত পরিমাণে রসদ রেখে গেছে। মানুষ যুক্তি দেয়, ঠিকই, কিন্তু ওই যুক্তির সঠিক প্রয়োগ বুঝে না। এজন্য বেশিরভাগ উলামা এবং ত্বলাবারাও এই রোগে আক্রান্ত। আমলে স্বাদ নেই, ইবাদতে নূর নাই, কারণ সেই উপলব্ধিটাই নাই যে সে কেন এগুলো করছে। ইলমুল কালাম কেন গুরুত্বপূর্ণ এটা দুই শ্রেণীর মানুষ বুঝবে, এক যারা ফিকহ ও আকিদা বুঝে, দুই যারা আধুনিকতার বিরুদ্ধে আসলেই ইসলামী ঐতিহ্যকেই পুনরুজ্জীবিত করতে চায়।
ইবনে তাইমিয়া রহ এভাবেই বলছিলো যে এটা গ্রীকদের বিদ্যা, এই কারণে তিনি রিয়েলিজমের বিপরীতে বড় বড় যুক্তি দাড় করাইছে। তাঁর লেখা দারতাআ'রুদ, যারা পড়ছেন, তারা জানেন দারতাআ'রুদ সম্পূর্ণভাবে দাঁড়িয়ে আছে, Conceptualism আর emprirsim এর উপর। আর Conceptualism এবং Emprirsim ধারাবাহিকভাবে Nominalism এর মানসিকতা এবং প্রবণতা তুলে ধরে (আর আশ্চর্যের ব্যাপার হলো তিনি এসব ধারনাকে লজিক্যালি ডিফেন্ড করছে!!!)। আর এটাই কারণ যে, ইবনে তাইমিয়ার দ্বারতাআ'রুদ মুসলমানদের বেশি প্রভাব তৈরি করতে পারে নাই, আর না গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করতে পারছে। কারণ সেখানে কোনো অবজেক্টিভ রিয়েলিটিকে ডিফাইন করতে পারে নাই, বরং তিনি থিওলজিকে মেটাফিজিক্সের সাথে মিক্স করে ফেলেছেন। এখন এতটুকু যারা বুঝতে পারছেন, তাদেরকে বলি পশ্চিমা সভ্যতা দাঁড়িয়ে আছে, তিনটি ফিলোসফির উপর Conceptualism, emprirsim যেটা আসলে Normalism দিকে নিয়ে যায়, আর nominalism এর প্রভাব থেকেই মানুষের অবজেক্টিভ সত্য থেকে দূরে সরে সাবজেক্টিভ রিয়েলিটিকেই একমাত্র সত্য ধরে নেয়, (অর্থাৎ স্রষ্টার অস্তিত্ব নাই, তিনি কনসেপ্ট হয়ে পড়ছেন নিছকই, conceptulism আর Emprirsist ও nominalism এর প্রবণতা একই প্রায়, তবে একটা কমন প্রবণতা হলো অক্ষরবাদ) বর্তমান পশ্চিমা সভ্যতার সাবজেক্টিভ, হওয়ার কারণে এটাই। সাবজেক্টিভ মানে স্রষ্টার স্থানে মানুষের নিজকে বসানো বা অন্যভাবেও বলতে পারেন যে, স্রষ্টাকে ভুলে গিয়ে দুনিয়ার মোহে আক্রান্ত হয়ে যাওয়া। যদি পশ্চিমা সভ্যতা আসলেই প্লেটো এরিস্টটলের চিন্তাধারার অবজেক্টিভ রিয়েলিটিকে খুঁজতো তাহলে আজকে লিবারেলজিমের উত্থান হতো না, এটা হয়েছে কারণ তাদের কাছে অবজেক্টিভ রিয়েলিটিকে মুছে ফেলা হয়েছে সাবজেক্টেভিজম দিয়ে। অবজেক্টিভ রিয়েলিটি একটা Reality কেই ডিফাইন করে (অর্থাৎ একজন স্রষ্টা) তা হলো তাওহীদ বা স্রষ্টার একত্ব, আর সাবজেক্টেভিজম সবসময়ই multiplicity কে সুপ্রিম হিসেবে তুলে ধরে। এজন্য যারা ফিলোসফিতে ভালোভাবে প্রশিক্ষিত, তারা সবসময়ই প্লেটো এরিস্টটলের ফ্রেমওয়ার্কেই গ্রহণ করে এখন সেটা ইবনে সিনা, গাজালী এবং সর্বশেষ শাহ ওয়ালিউল্লাহই হোক না কেন। কারণ এটা এই দুইজনের ব্যাক্তিগত আবিষ্কার না, বরং এটা আগ থেকেই ইউনিভার্সাল ছিলো। ইমাম গাজালী আগেই বলেছেন, যে গ্রীকদের এসব ফিলোসফি তাদের নিজেদের না, বরং এটা কোনো না কোনো নবীর কাছে থেকেই তারা ধারাবাহিকভাবে পাইছেন। যেমন ইদ্রিস আলাইহিস সালাম কলমের শিক্ষা নিয়ে এসেছিলেন, দাউদ আলাইহিস সালাম শিখিয়েছিলেন কিভাবে লোহা দিয়ে বর্ম বানাতে হয়। এভাবে প্রতিপটা গুরুত্বপূর্ণ জিনিসই কোন না কোন নবীর বা রাসুলের মাধ্যমে মানবজাতি পেয়েছে, যেগুলো ইউনিভার্সালি মানব জাতিকে শেখানো হয়েছে। আবার পশ্চিমা enlightenment এর আগে জ্ঞানার্জন করেছে মুসলমানদের কাছে থেকেই। এগুলো ইউনিভার্সাল ট্রুথ, এখন দেখার বিষয় হলো, কারো মধ্যে এগুলো জানা ও বুঝার দক্ষতা ও যোগ্যতা আছে কি না। কারণ আল্লাহ ইলম তাকেই দেন, যার মধ্যে তা ধারন করার পিপাসা আছে, সক্ষমতা আছে। এখন কারো যদি লজিক্যাল ফাউন্ডেশনই না থাকে, তাহলে তো আর কালাম চর্চা করানো যাবে না, তার কাছে এটা গ্রীকদের জ্ঞান আরো কত কি হবে!
ইলমুল কালামের বিরোধীতা যারা করে, তাদের একটা কমন অবজেকশন হলো এটা গ্রীকদের জ্ঞান! কিন্তু সত্য হলো ইউভার্সাল রিলিজিয়ন আর ইউনিভার্সাল জ্ঞানকে আপনি কখনো স্বার্থবাদী বানাতে পারবেন না। ইলমুল কালাম গ্রীকদের জ্ঞান তাই বলে অস্পৃশ্য, এমন যারা বলে তাদেরকে আপনি লজিকের একেবারে বেসিক প্রশ্নও যদি করেন, তাহলে তাদের ২ নাম্বারে যেতে হবে। আসল কথা হলো প্লেটো এরিস্টটলের এমন কিছু প্রশ্ন সামনে আনছে, যেগুলো মানব সভ্যতার জন্য ইউনিভার্সাল ট্রুথ। অর্থাৎ সূর্য যেমন সকল ধর্ম ও মানুষের তেমনিভাবে এই প্রশ্নগুলোও। (এগুলো সরাসরি তাওহীদের সাথে কানেক্টেড, একটু পরে বলতেছি।) উদাহরণস্বরূপ, ইসলাম কিন্তু শুধুমাত্র মুসলমানদের ধর্ম না, বরং এটা আল্লাহ সমগ্র মানবজাতির জন্য অবতীর্ণ করেছেন, এজন্য দাওয়াত হচ্ছে ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ, আবার কুরআন শুধুমাত্র মুসলমানদের জন্যই অবতীর্ণ করা হয়নি, বরং মুসলমান ছাড়াও এই গ্রন্থ অমুসলিমদের কাছেও নিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে, যাতে করে মানুষ তাওহীদের পথে আসে। এখন বলি, প্লেটো এবং এরিস্টটলের ওয়ান অফ ফান্ডামেন্টাল প্রশ্ন হচ্ছে Realism। অর্থাৎ পার্টিকুলারিটির একটা ইউভার্সাল এক্সিক্সটেন্স আছে। উদাহরণস্বরূপ, পৃথিবীর সকল প্রাণীর মধ্যে প্রাণ আছে। এখন যদি এটাকে আমরা ডিভাইড করি, তাহলে স্পেসিফিকভাবে মানুষ একটা প্রাণী, মানুষের একটা কমন গুণ হলো যুক্তি বা rationality, এটা অন্য সকল প্রাণী থেকে মানুষকে আলাদা করে, এখন সকল মানুষ মিলে একটা ইউভার্সাল রিয়েলিটি। মনুষ্যত্ববোধ মানুষকে যেহেতু আলাদা করে, তাই সকল মানুষ মিলে একটা ইউভার্সাল রিয়েলিটি হয়। এভাবে প্রত্যেকটা প্রাণীর কমন বৈশিষ্ট্য মিলে ভিন্ন ভিন্ন রিয়েলিটি তৈরি করে। এখন যখন সবাই-ই প্রাণী, তখন সকল প্রাণী মিলে আলাদা একটা রিয়েলিটি তৈরি করে যেটা বস্তুর রিয়েলিটি থেকে আলাদা করে। এটা হচ্ছে মোটামুটি প্লেটোনিক আর এরিস্টটলয়ান রিয়েলিটির ওয়ান অফ সেন্ট্রাল থট। এখন যারা অভিযোগ করে যে মুসলমানরা গ্রীকদের জ্ঞান চর্চা করে, এরা এটাই বুঝে না যে জ্ঞান কী। কারণ, ইসলাম যেমন ইউনিভার্সাল, কুরআন যেমন ইউনিভার্সাল, তেমনি এই প্রশ্নগুলো সকল জাতির মধ্যে সমান, কারণ কেউ যদি এই Realism কে বাদ দেয় গ্রীকদের জ্ঞান বলে, তাহলে তার কাছে তাওহীদকে ডিফাইন করার আর কোন পথই থাকবে না, বা সে আর কোনভাবেই স্রষ্টার একত্বে পৌঁছাতে পারবে না। কারণ, একত্ববাদের ধারনা মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসার আগেও ছিলো। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন সেই primordial সত্যের সর্বশেষ কড়া, যিনি নবুওয়াত ও রিসালাত যেটা আদম আলাইহিস সালাম থেকে শুরু হয়েছিল, সেটার পূর্ণতা দিয়েছেন। তাই প্রশ্নগুলো ইউনিভার্সালি এক্সিস্ট করে, যা মানুষকে সবসময়ই স্রষ্টার একত্বের দিকে নিয়ে যায়, অর্থাৎ Realism. কারণ, Realism ধারাবাহিকভাবে সবাইকে এক করে, ঐক্যবদ্ধ করে, আর এক হওয়া, ঐক্যবদ্ধ হওয়াই তাওহীদ। তাওহীদ মানে একত্ব, আচ্ছা কেন একত্ব? স্রষ্টা তো একজনই কিন্তু এটা নিছকই থিওলজিক্যাল এরিয়াতেই সীমাবদ্ধ থাকে না (existentially-ও), স্রষ্টার অস্তিত্বের সামনে আসলে কোনো অস্তিত্বই নেই, এজন্য existentially-ও তিনি এক, এজন্যও তাওহীদ। কারণ সৃষ্টি সবসময়ই তাঁর উপর নির্ভরশীল, তাহলে সৃষ্টির অস্তিত্ব স্রষ্টার সামনে কি মূল্য রাখে? এখন কেউ যদি এই Realism বাদ দিয়ে চিন্তা করে এটাকে এটাকে গ্রীক বলে কটাক্ষ করে অন্য কিছু করতে চায়, তাহলে থাকে Conceptualism আর Emprirsim, এই দুইটা চিন্তাই মূলত রিয়েলিজমের বিপরীতে দাড়াইতে চাইছে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে conceptualism আর emprirsim কোনটাই একত্ববাদে পৌঁছাতে পারে নাই। উদাহরণস্বরূপ, Conceptualist-রা ইউনিভার্সাল রিয়েলিটিকে নিছকই একটা মানসিক চিন্তা হিসেবে ট্রিট করছে, যেটার বাস্তবতা নাই, আবার Emprirsist-রা sensible জগতকেই শুধুমাত্র বাস্তব হিসেবে ডিফাইন করতে চেষ্টা করছে, ফলে যেহেতু এই দুই গ্রুপের কারো কাছেই concept আর sensible জগতের বাইরে আর কিছু নাই যেটা অবজেক্টিভ, তখন তারা বহুত্ববাদের (multiplicity) মধ্যে আটকে থাকলো, অর্থ্যাৎ ইহজগতের মধ্যে। যখন ইহজগতের মধ্যে এরা আটকে গেলো, তখনই মূলত সাবজেক্টিভ হয়ে পড়ছে, অর্থাৎ দুনিয়াই তাদের কাছে জান্নাত হয়ে গেছে। এখন বুঝতে পারলেন, কেন ইবনে সিনা থেকে শুরু করে শাহ ওয়ালিউল্লাহ মুহাদ্দিস দেহলভী পর্যন্ত সবাই গ্রীক ফিলোসফিকে নতুন করে সাজাইছিলো? কারণ রিয়েলিজমের বাইরে গেলে আপনি তাওহীদ বা unity পাবেন না, পাবেন হচ্ছে বহুত্ববাদ বা multiplicity, যেটা তাওহীদের ধারনার বিপরীত। আর পশ্চিমারা এইখানেই দাঁড়িয়ে আছে।
видео или голосовое, без подписи