আলেমদের মনিমুক্তা
Статистикаবিশুদ্ধ আক্বিদা ও মানহায প্রচারের উদ্দেশ্যে সালফে সালেহীনদের মহা মূল্যবান মনিমুক্তার অনুবাদ সমূহের সম্ভার। { বি.দ্র.: এই চ্যানলের প্রতিটি পোষ্ট সংগৃহীত } https://t.me/AlemderMonimuqta ইংরেজীতেঃ https://t.me/Islamic_Pearls
- Последний пост
- 26 июн.
- Последнее чтение
- 13 авг.
- Постов за неделю
- 0
- Всего постов
- 30
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- В каталоге с
- 13 авг.
- 1/24сутки в ленте
- —
- 1/48двое суток
- —
- 1/72трое суток
- —
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
ইমাম মালিক রাহিমাহুল্লাহ বলেন, ❝ যে ব্যক্তি ইলম অর্জন করতে চায়, তার কর্তব্য হলো — নিজের মাঝে গাম্ভীর্য, ধীরস্থিরতা ও আল্লাহভীতি বজায় রাখা। আর সে যেন তার পূর্ববর্তী নেককারদের পথ এবং আদর্শের অনুসারী হয়। ❞ — খতিব আল-বাগদাদি রাহিমাহুল্লাহ [ আল-জামিয়ু লি আখলাকির রাবিঃ ১/১৫৬ ] https://t.me/AlemderMonimuqta
“ যদি আপনি কোনো পাপ করার পর আপনার অন্তরে অন্ধকার অনুভব করেন, তবে জেনে রাখুন যে আপনার অন্তরে নূর ( আলো ) আছে; কারণ সেই নূর বা আলোর উপস্থিতির কারণেই আপনি অন্ধকার অনুভব করতে পেরেছেন। ” — ইবনুল জাওযী রাহিমাহুল্লাহ [ রওজাতুল মুহিব্বীনঃ ২/১১২ ] https://t.me/AlemderMonimuqta
“ ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন! কত নীচু তাদের চরিত্র, যাদের ভাইয়েরা আজ দুশমনের কারাগারে বন্দী; অথচ তাদের হাতে রয়েছে সম্পদের খাজানা, তাদের রয়েছে শক্তি-সামর্থ্য, তারা সংখ্যায় যথেষ্ট, তাদের রয়েছে সেনাবাহিনী, রয়েছে অস্ত্র-শস্ত্র। ” — ইমাম কুরতুবি রাহিমাহুল্লাহ [ তাফসিরুল কুরতুবিঃ ৮/৫৭ ] দারুল কুতুবিল মিসরিয়্যা, কায়রো https://t.me/AlemderMonimuqta
| ভাই আমার! তুমি মুক্ত | ভাই আমার! তুমি স্বাধীন, প্রাচীরের অভ্যন্তরেও, ভাই আমার! তুমি স্বাধীন, এই শৃঙ্খলে আবদ্ধ থেকেও। যখন তুমি আঁকড়ে ধরবে এক আল্লাহকে, বান্দার শত চক্রান্ত তোমার কিইবা ক্ষতি করবে? ভাই আমার! অন্ধকারের এই বাহিনী অচিরেই নিশ্চিহ্ন হবে, নতুন ভোরের আলোতে তখন পৃথিবী হবে উদ্ভাসিত, সে আলোর অন্বেষণে খুলে দাও তোমার আত্মার বাঁধন। দেখতে পাবে, দূর থেকে আমাদেরকে উঁকি দিচ্ছে সে ফজর। ভাই আমার! আমার জন্যে যদি তোমার চক্ষু সিক্ত হয়, আর যদি এর দ্বারা আমার কবর ভিজিয়ে দাও; তবে আমার দেহাবশেষ দ্বারা প্রজ্বলিত কর শিখা, আর এর মাধ্যমেই এগিয়ে চলো সমুজ্জ্বল মর্যাদা পানে। ভাই আমার! যদি আমরা মরি, তবে সাক্ষাৎ হবে প্রিয়জনদের সাথে; আর আমাদের প্রভুর জান্নাত আমাদের জন্যে প্রস্তুত রাখা হবে। সেখানের পাখিগুলো আমাদের চারপাশে ডানা ঝাপটাবে, সেই চিরস্থায়ী আবাস আমাদের জন্যে কতইনা উত্তম হবে। ভাই আমার! আমার মনে হচ্ছে এই লড়াইয়ে তুমি ক্লান্ত হয়ে পড়েছ, কাঁধ থেকে নামিয়ে রেখেছ অস্ত্র। তবে মাজলুমের ব্যথায় সমব্যথী হয়ে আত্মোৎসর্গকারী কে হবে?! নতুন করে তাদের ঝাণ্ডা উঁচিয়ে ধরবে কে?! ভাই আমার! আমি লড়াইয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়িনি, কাঁধ থেকে অস্ত্রও নামিয়ে রাখিনি। যদি রাতের অন্ধকার বাহিনী আমাকে ঘিরে রাখে, তবু আমি জানি সকালের আলো একদিন প্রস্ফুটিত হবে। এই পথের প্রতি আমার অগাধ আস্থা রয়েছে, আস্থা রয়েছে দীপ্তি দানকারী আল্লাহর প্রতিও। দূর্গম এই পথে আমি কাঁটাবিদ্ধ হই বা না হই, আমি আমার প্রতিশ্রুতি পূরণে দৃঢ়বদ্ধ হয়ে রইবো। ( কারাগারে বসে লেখা সাইয়্যিদ কুতুব শহীদ রাহিমাহুল্লাহ এর বিখ্যাত কবিতা। ) https://t.me/AlemderMonimuqta
“ জনসাধারণ নষ্ট হয় শাসকদের নষ্ট হওয়ার কারণে, শাসকরা নষ্ট হয় আলেমদের নষ্ট হওয়ার কারণে, আর আলেমরা নষ্ট হয় ধন-সম্পদ ও পদ লিপ্সা প্রবল হওয়ার কারণে। দুনিয়ার লোভ এবং ভালোবাসা যাকে পেয়ে বসে, সে তো সাধারণ লোকদেরই অন্যায় কাজে বাধা দিতে পারে না; নেতা ও শাসকদের কি করে বাধা দিবে। আল্লাহই সহায়। ” — ইমাম গাযালী রাহিমাহুল্লাহ [ ইহইয়াউ উলূমিদ্দীনঃ ২/৩৫৭ ] https://t.me/AlemderMonimuqta
শাবান সংক্রান্ত লেখনী বিষয়ক সম্পূর্ণ একক চ্যানেল। https://t.me/Shaban_BN
রজব সংক্রান্ত লেখনী বিষয়ক সম্পূর্ণ একক চ্যানেল। https://t.me/Rajab_BN
❝ যেহেতু দুনিয়া হচ্ছে — মুমিনের কারাগার আর কাফিরের জান্নাত; সুতরাং কারাগারের বাসিন্দা যতক্ষণ না তা থেকে বের হচ্ছে, ততক্ষণ বিপদ-মুসিবত তার থেকে দূর হবে না। যখন সে এই কারাগার থেকে বের হবে, তখন সে ( মনের ) আশা-আকাঙ্ক্ষা ( পূরণ ) এবং ( জান্নাতের ) চিরকালীন নিয়ামত লাভে ধন্য হবে। ❞ – ইমাম ইবনু রজব হাম্বলি রাহিমাহুল্লাহ [ মাজমুউর রাসাইলঃ ১/২২৩ ] https://t.me/AlemderMonimuqta
❝ হৃদয়ে জমে থাকা কষ্টের অনুভূতিগুলো আমাদের সবসময় মনে করিয়ে দেয় যে - এইটা আমাদের আসল বাড়ি নয়, আমরা এই দুনিয়ার কেউ নই। আমরা কেবলই আল্লাহর। আমরা এই দুনিয়ার জন্য বাঁচি না, আমরা আখিরাতের জন্য বাঁচি। ❞ – শাইখ আবু নাওয়ার আ/ল আ/ও/লা/কি রাহিমাহুল্লাহ https://t.me/AlemderMonimuqta
❝ তুমি আমার কিইবা করতে পারো?! আমি এই দুনিয়াতে সীমাবদ্ধ নই! আমি তো বাঁচি আখিরাতের জন্য! ❞ – শাইখ আবু নাওয়ার আ/ল আ/ও/লা/কি রাহিমাহুল্লাহ https://t.me/AlemderMonimuqta
“ বাংলাদেশে ইসলামের কাজটা হলো জমির আইল ঠেলার মত। রাষ্ট্র, সাংস্কৃতিক জমিদার, বিদেশি শক্তি — সবাই মিলে জনপরিসরে ইসলামকে কোণঠাসা করে রাখে। ইসলামপ্রিয় জনতার কণ্ঠরোধ করে রাখে। যখন দরকার, তখন রাজনৈতিক দলগুলো তাওহীদি জনতার রাজপথের শক্তিকে ব্যবহার করে। বাকি সময়টা ইসলামকে বেঁধে রাখতে চায় জনপরিসরে খুব ছোট্ট একটা সীমানার ভেতর। শুরু থেকেই বাংলাদেশের রাষ্ট্র, সমাজ আর রাজনীতির এই এক চরিত্র। হাসিনার আমলে এইটা সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছে গিয়েছিল। জুলাইয়ের পর ইসলামপন্থী জনতা কথা বলার, নিজ আদর্শ তুলে ধরার একটা সুযোগ পেয়েছিল। এই সুযোগ কারো দয়ায় আসেনি। ২০১৩ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত ক্রমাগত রক্ত আর জেল-যুলুমের বিনিময়ে এই তাওহীদি জনতা আওয়ামী জাহেলিয়াতের পতনে ভূমিকা রেখেই এই সুযোগ অর্জন করেছে। রাষ্ট্র আর সমাজের বৈষম্যের কাঠামোটা অবশ্য বদলায়নি। গণঅভ্যুত্থানের ধাক্কায় রাষ্ট্রযন্ত্র কিছু সময়ের জন্য দুর্বল হয়ে গিয়েছিল। প্রতিষ্ঠিত শক্তিগুলো চাইলেও তখন গলা টিপে ধরতে পারেনি, দমন-পীড়নের সুযোগ পায়নি। কিন্তু সময় যত যাচ্ছে - রাষ্ট্রযন্ত্র, যুলুমের কাঠামো, বৈষম্যের কলকবজা আগের অবস্থায় ফিরে যাচ্ছে। মিথ্যা মামলা, উদ্দেশ্যমূলক অপপ্রচার, অপসাংবাদিকতা আর গোয়েন্দা বাহিনীর হয়রানি - তারই প্রমাণ। সময় যত যাবে, এইগুলো তত বাড়বে। জনপরিসরে ইসলামকে আবার কোণঠাসা করার চেষ্টা চলবে। চেষ্টা চলবে আমাদের কণ্ঠরোধের। সাংস্কৃতিক জমিদার, বিদেশী শক্তি আর বৈষম্যের কাঠামো আবারও ইসলামপ্রিয় মানুষের গলার চারপাশে যুলুমের ফাঁস টাইট করার পাঁয়তারা করছে। আমরা যদি এখন না দাঁড়াই, মজবুত অবস্থান না নেই; তাহলে অতীতের পুনরাবৃত্তি হবে। সমাজ, সংস্কৃতি, ইতিহাস ও জনপরিসর থেকে আমাদের মুছে দেওয়া হবে আবারো। তাই যমীনে খুঁটি গাড়তে হবে এখনই। যে যমীন তাওহীদি জনতা রক্ত দিয়ে মুক্ত করেছে, তার উপর দাবি কোনো মতেই ছাড়া যাবে না। অশুভ শক্তি যত চেষ্টা করুক, ষড়যন্ত্র করুক - ইন শা আল্লাহ জনপরিসর থেকে ইসলাম ও তাওহীদি জনতাকে আর সরানো যাবে না। আসুন, এই ভূমির তাওহীদি জনতার মহাকাব্যিক কুরবানীর সাক্ষী শাপলা চত্বরে, ৫ আগস্ট আমরা একত্রিত হই। এই যমীনের ফিরাউন হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার বর্ষপূর্তির দিনে আমরা শপথ নেই, প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হইঃ— আর কখনো এই যমীনে ইসলামকে আমরা কোণঠাসা হতে দেব না। বিইযনিল্লাহ! ইন শা আল্লাহ, ৫ ই আগস্ট দেখা হচ্ছে শাপলা চত্বরে। এই দ্বীন আমার। এই যমীন আমার। ” – মুহতারাম আসিফ আদনান হাফিজাহুল্লাহ [ ।।৫ ই আগষ্ট “ ইন্তিফাদা বাংলাদেশ ” এর সমাবেশ।। দেশ-বরেণ্য উলামায়ে কেরাম ও তাওহিদী জনতার মেলবন্ধন হতে যাচ্ছে ইন শা আল্লাহ। সেখানে আপনাদের উপস্থিতি একান্ত কাম্য। উক্ত সমাবেশে আলিম-উলামা, দাঈ, লেখক, চিন্তক ও জুলাইয়ের স্টেকহোল্ডারগণ বক্তব্য রাখবেন ইন শা আল্লাহ। আয়োজনেঃ Intifada Bangladesh স্থানঃ শাপলা চত্ত্বর, মতিঝিল, ঢাকা। সময়ঃ ৫ ই আগষ্ট, সকাল ১১টা। ] https://t.me/AlemderMonimuqta
❝ মধ্যযুগে স্পেনে ইনকুইযিশান ( Inquisition ) হয়েছিল। এই সময় চার্চ যাকে ইচ্ছা, ‘ডাইনী’ বা ‘জাদুকর’ ঘোষণা করে মেরে ফেলতে পারতো। জীবন্ত মানুষকে জনসম্মুখে পুড়িয়ে মারার মতো ভয়ংকর সব ঘটনা ঘটেছিল ইতিহাসের এই অন্ধকার অধ্যায়ে। আমরা যে ‘মধ্যযুগীয় নির্যাতন’ ( medieval torture ) বলি, এই কথাটার জন্ম কিন্তু ইনকুইজিশনের সময়ের সেসব ভয়াবহ অত্যাচার থেকেই। ইনকুইজিশনের কয়েকটা ধাপ ছিল। প্রথমে সমাজে ডাইনী আর জাদুকরদের নিয়ে খুব ভয় তৈরি করা হতো। এরপর চার্চের মতের সাথে না মিললেই কাউকে ডাইনী বা জাদুকর ঘোষণা করে, তার বিরুদ্ধে ‘দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি’ কার্যকর করা হতো। জনসমক্ষে জীবন্ত পুড়িয়ে মারা আর চরম অত্যাচারের ভয়াবহ কাজের বৈধতা দেওয়া হয়েছিল – সাধারণ মানুষের মনে ভয় ঢুকিয়ে দিয়ে, আর সমাজকে রক্ষার নামে। ডাইনী আর জাদুকরদের ভয় মানুষকে এতটাই কাবু করে ফেলেছিল যে, কেউ কোনো প্রশ্ন করার সাহসও পেত না। ঠিক একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে বাংলাদেশে ‘জং-ই বাদ দমন’ এর নামে। ডাইনী বা জাদুকরের জায়গায় এসেছে — ইসলামপন্থী, শিবির বা জং-ই। চার্চের ভূমিকা নিয়েছে — রাষ্ট্র আর মিডিয়া। যাদেরকেই ক্ষমতাসীন গোষ্ঠী বা সেক্যুলার-প্রগতিশীলরা নিজেদের জন্য ‘হুমকি’ মনে করেছে, তাদের ‘জঙ্গি’ তকমা দেওয়া হয়েছে। তাদের ওপর আগ্রাসন চালানোর একটা বৈধতা তৈরি করা হয়েছে। একই সাথে সমাজে এমন একটা মনোভাব তৈরি হয়েছে, যেখানে এই ধরনের মানুষদের মানবিক অধিকার না থাকাটাই স্বাভাবিক মনে করা হয়। এই পুরো প্রক্রিয়াটির কেন্দ্রে ছিল ‘জং-ই’ শব্দটির সামাজিক ক্ষমতা। কাউকে যখন ‘জং-ই’ বলা হয়, তখন তা তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় সহিংসতাকে বৈধতা দেয়। কাউকে ‘জং-ই’ বলার সঙ্গে সঙ্গে তার জীবন, সম্মান, অধিকার — সবকিছু মূল্যহীন হয়ে পড়ে। সে আইনের সুরক্ষা পায় না, মানবাধিকার সংগঠনের সহানুভূতি পায় না, এমনকি প্রতিবেশীর সহানুভূতিও হারিয়ে ফেলে। সমাজের চোখে সে তখন এমন একজন মানুষে পরিণত হয়, যাকে ‘নির্বিচারে দমন করা যায়।’ এর ফলাফল হয়েছে ভয়াবহ। গুম, ক্রসফায়ার — সবচেয়ে লাগামছাড়া, সবচেয়ে তীব্রভাবে হয়েছে তথাকথিত ‘জং-ই-দের’ ওপর। রাজনৈতিক কর্মীদের মানবাধিকার নিয়ে কেউ কেউ কথা বললেও, কিন্তু ‘জং-ই’ তকমা দিয়ে যাদের হত্যা, টর্চার, ও গুম করা হয়েছে — তাদের নিয়ে নীরবতা আজও ভাঙেনি। এই নামে কতজনকে মারা হয়েছে, তার সঠিক হিসেব সম্ভবত কারো কাছেই নেই। আজও বাংলাদেশে কাউকে ‘জং-ই’ বলার অর্থ – কার্যত তাকে হত্যাযোগ্য করে তোলা। ❞ – মুহতারাম আসিফ আদনান হাফিজাহুল্লাহ [ প্রকাশিতব্যঃ মুসলিমবঙ্গ ] https://t.me/AlemderMonimuqta
শেষ জামানা এবং ফিৎনা। https://t.me/ShesJamanarFitnah
।।জঙ্গিকার্ডের খেলা এবং আমাদের করণীয়।। “ দেশে আবারও শুরু হয়েছে ফ্যাসিস্ট আমলের সেই জঙ্গিকার্ডের খেলা। এইসব খেলা দেখিয়েই সাবেক রেজিম ক্ষমতার মসনদে টিকে ছিল। স্রেফ পশ্চিমাদের খুশী করতে এই নোংরা খেলা কত মায়ের বুক যে খালি করেছে এবং কত বাবার ঘুম কেড়েছে, তার কোনো ইয়ত্তা নেই। মানুষের কাছে এইসব খেলার বাস্তবতা এখন দৃশ্যমান। কোথায় কিভাবে এসব নাটকের মঞ্চায়ন হয়, সচেতন নাগরিকদের সবারই তা জানা। কিন্তু ইসলামের প্রতি বিদ্বেষ ও পশ্চিমা প্রভুদের সন্তুষ্টি অর্জনের দৌড়ে এখনো কিছু কালপ্রিট এইসব নাটক নতুন করে সাজানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। এরা শুধু ইসলামের দুশমনই নয়, বরং দেশ এবং জাতিরও শত্রু। কোনো সন্দেহ নেই যে, চব্বিশ পরবর্তী মুসলিম বঙ্গের স্বাধীন ভূমিতে আসিফ, জাকারিয়া ও আবরাররা হলো সেক্যুদের ত্রাস। ইসলামের বিজয় এবং শারঈ শাসনের অকুতোভয় প্রবক্তা। এরা আল্লাহর জমিনে আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠার কথা বলে এবং আল্লাহর আইন বাস্তবায়নের পক্ষে বয়ান করে। আর এইটাই হলো পশ্চিমাদের চোখে বড় অপরাধ। এইটাকেই তারা বানিয়েছে জঙ্গিবাদের নিদর্শন। ফলে পশ্চিমা প্রভুদের খুশী করতে দেশীয় গোলামরা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদেরকে বানিয়েছে জঙ্গি। কিন্তু ওরা ভুলে গেছে, এই খেলার মেয়াদ শেষ। এখন আর এইসব নাটকের দিন নেই। নতুন বাংলায় আর কখনো জঙ্গিকার্ড চলবে না। এই মুহূর্তে মুসলিম বঙ্গের সকল মুসলিম উম্মাহর জন্য অপরিহার্য হলো — এইসব নাটকের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান তৈরি এবং খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক প্রতিরোধ গ্রহণ। কে কোন মতাদর্শের, কে কোন দলের, কে কোন মাযহাবের; এইসব দেখার সময় নেই। আদর্শিক বা চিন্তাগত ভিন্নতা যেন আমাদের মধ্যে ফাটল তৈরি না করতে পারে, সে ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে। আজ যদি ভিন্ন মতাদর্শের লোক ভেবে আপনি এদেরকে একা ছেড়ে দেন, তাহলে মনে রাখবেন - কাল আপনিও এদের শিকার হবেন। তাই এই জুলুমের বিরুদ্ধে সর্বশক্তি নিয়ে মাঠে নামুন এবং জঙ্গিকার্ড খেলার সকল চক্রান্ত শেকড়সহ উপড়ে ফেলুন। সেক্যুদের স্মরণ রাখা উচিত যে - আল্লাহর জমিনে আল্লাহর দ্বীনকে বিজয়ী দেখতে চাওয়া যদি জঙ্গিবাদেরই নিদর্শন হয়; তাহলে সব মুসলিমই তো জঙ্গি। কোন মুসলিম এমন আছে যে, আল্লাহর জমিনে আল্লাহর দ্বীনকে বিজয়ী দেখতে চায় না?! এইটা অসম্ভব যে, কেউ আল্লাহ এবং তাঁর রাসুলের প্রতি ঈমান রাখে; অথচ পৃথিবীতে আল্লাহর দ্বীন কামনা করে না, তাঁর দ্বীনকে বিজয়ী হিসেবে দেখতে চায় না। এমনটা হলে তো সে মুসলিমই থাকতে পারে না! তাই মুসলিম হলে আপনি আল্লাহর আইন এবং আল্লাহর শাসন চাইতে বাধ্য। এইটা যদি জঙ্গিবাদ হয়, তাহলে এই অর্থে বলা যায় - সব মুসলিমই জঙ্গি। ” - মুফতি তারেকুজ্জামান তারেক হাফিজাহুল্লাহ #WeAre_AsifAdnan #WeAre_JakariaMasud #WeAre_RezaulKarimAbrar https://t.me/AlemderMonimuqta
#এবার_ইটের_বদলে_পাটকেল খুবই লেইম একটা ওয়েস্টার্ন প্রেইস্ক্রাইবড ড্রামা! এত বিচলিত হওয়ার বা আমলে নেওয়ার কিছুই নেই। একটা প্রজন্মের কাছে হক্ব এবং বাতিল দিবালোকের মতই স্পষ্ট হয়ে গেছে - তারা কাফির, তারা ফাসেক, তারা জালেম, তারা এক আল্লাহর দ্বীনের দুশমন! যে বা যারাই তাদের ভীত নড়িয়ে শেকড় উপড়ে ফেলতে চাইবে, তাদের বিরুদ্ধেই তারা - গুম খুন মিথ্যা মামলার আধুনিক ফিরআউনিজম প্রতিষ্ঠা করবে! তবে এইখানে সবক আমাদেরও আছে। আর সেইটা হলো - সমস্ত তাওহীদপন্থী আলেম, দাঈ, এক্টিভিস্টদের সাথে তাওহীদের অনুসারীদের একটা শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম! যেখানে থাকবে - ইলম, আমল, আখলাক, রুহামা, আমির, মা’মুর, সাম’উ ওয়াত ত্বয়াহ, দাওয়াহ, ইদাদ এবং জিহাদ। যদি না পারি! তবে লিখে রাখতে পারেন, প্রচুর অপচয় হবে! অপচয় হবে - জানের, মালের সময়ের ও শ্রমের। সাথে অপচয় - প্রজন্মের, আশার, প্রতিভার ও স্বপ্নের! একক সিংহ কিংবা নেকড়েও দিন শেষে দুর্বল! পক্ষান্তরে ধূর্ত শেয়ালের পালও শিকারে সফল! তবে একটা বিষয় তারা স্পষ্ট করে জেনে রাখুক! যদি এইবার সেই প্রাচীন জুলুমকে কেউ নতুন মোড়কে গেলাতে চায়, নয়া মদ পুরনো গ্লাসে উপস্থাপন করে; তবে এক এক ইটের বদলে দশ দশটা পাটকেলে জালেমের আপাদমস্তক থেতলে দেওয়া হবে! ইন শা আল্লাহ! কথা একটাই! আমরা আমাদের মধ্য থেকে আর একজন ভাইকেও মিসিং হতে দেব না। এমনকি একজন বোনকেও না, সে আমার দ্বীনের মাজহাবে কিংবা মানহাযে থাক বা না থাক! হাসবুনাল্লাহ ওয়া নি’লাম ওয়াকিল। আল্লাহ পাক আসিফ আদনান, যাকারিয়া মাসুদ ও আবরার ভাইসহ আমাদের সবাইকে হিফাজত করুন। আমিন৷ - আবু ত্বহা মুহাম্মদ আদনান হাফিজাহুল্লাহ #WeAre_AsifAdnan #WeAre_JakariaMasud #WeAre_RezaulKarimAbrar https://t.me/AlemderMonimuqta
।।নিফাকীর প্রভাব থেকে বাঁচা।। ❝ আল্লাহর রাসূল তাদের মাঝে ছিলেন, আর তিনিই ছিলেন — কথা, হেদায়াত এবং প্রথপ্রদর্শনের ক্ষেত্রে হকের পূর্নমাধ্যম। তা সত্যেও তখন নিফাকী বিদ্যমান ছিল, আর অন্তরের ব্যধিগ্রস্থরা তাদের কথাতেই প্রভাবিত হয়েছে এবং অনুসরণ করেছিল। রাসূলের এত স্পষ্ট হেদায়াত এবং প্রতিশ্রুতির অনুসরণ করেনি। এইটা মুজাহিদদের জন্যে শিক্ষা — যেন তারা বিরোধীদের কথা শ্রবন না করে। এবং তাদের কথা আর কাজে দুঃখিত না হওয়াও আবশ্যক। ❞ — শাইখ আবু কাতাদাহ আল-ফিলিস্তিনী হাফিজাহুল্লাহ https://t.me/AlemderMonimuqta
লড়াই একমাত্র তাওহীদের উপর ❝ মুসলিম ও আমেরিকার মাঝে বর্তমানে লড়াই কেবলমাত্র পেট্রোলের যুদ্ধ নয়, বা জলপথে বাঁধ ও দখলের নয়, অথবা কোন জমিন বা সমুদ্র সীমায় আধিপত্য বিস্তারের জন্যে নয় এবং শুধু ফিলিস্তিন, ইরাক অথবা আফগানিস্তানের মাঝে নয়। এটা সত্য যে এইগুলোও যুদ্ধের উদ্দেশ্যে বিদ্যমান। কিন্তু লড়াইয়ের মূল উদ্দেশ্য এবং ভিত্তি হচ্ছে — এইটা তাওহীদের উপর এক মহাযুদ্ধ! ❞ - শাইখ আ বু না ও য়া র আ ল আ ও লা কী রাহিমাহুল্লাহ https://t.me/AlemderMonimuqta
লাঞ্ছনার একমাত্র কারণ ❝ কাফেররা আমাদের ভূমি উপর আধিপত্য কায়েম করতে পেরেছে — শুধুমাত্র আমাদের দ্বীন তথা জিহাদকে ত্যাগ করা ফলেই, আর এইটাই একমাত্র কারণ। যে কোন জাতি যুদ্ধ এবং কিতাল ছেড়ে দিবে, সে অবশ্যই অপদস্থ হবে; সে মুসলিম হোক বা কাফের। আমরাও আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ ছেড়ে দেওয়ার ফলেই অপদস্থ হয়েছি। অন্যারা যত কারণই বলুক, সবই এইটার জিহাদের অনুগত। ❞ — শাইখ আবু কাতাদাহ আল-ফিলিস্তিনী হাফিজাহুল্লাহ https://t.me/AlemderMonimuqta
।।বিজয় আসার সঠিক পথ।। ❝ স্বাভাবিকভাবে বিজয় আসার মাধ্যম অনেক। তারমধ্যে কিছু আছে অপারগতার বিপরীত, কিছু আছে অলসতার বিপরীত। একটা আরেকটার মত নয়। বিজয় আসার কিছু মাধ্যমের বিরোধীগুলো আমাদের মধ্যে উপস্থিত। যেমনঃ অজ্ঞতা এবং খারাপ পরিচলনা। সুতরাং দুআর জবাব তখনই পাওয়া যাবে, যখন তার পাত্র প্রস্তুত থাকবে। কিন্তু যখন বিপরীত জিনিস পাওয়া যাবে, তখন জবাব আসা হবে সুন্নাহ বিরোধী। তাই সবাই যাতে বিজয়ের বিপরীত কারণগুলো খুঁজে বের করে এবং এইটাকে দুআ কবুল না হওয়ার সাথে মিলিয়ে না ফেলে। নিশ্চয় ‘ঈমান’ হচ্ছে — কথা এবং কাজ। ❞ — শাইখ আবু কাতাদাহ আল-ফিলিস্তিনী হাফিজাহুল্লাহ [ মা’আ সিবগাতাল্লাহিস সামাদ ] https://t.me/AlemderMonimuqta
আহ্বান.... কে সাড়া দিবে?! ❝ যে শুধু নিজেকে নিয়েই থাকে, সে অনেক আরামেই জীবনযাপন করে। কিন্তু সে বাঁচে অপদস্থ হয়ে এবং মরেও ছোট হয়ে। কিন্তু ‘বড়’ সে ই — যে মহান দ্বায়িত্ব বহন করে। সে আল্লাহ ﷻ এর এবং বড়দের দৃষ্টিতে বড় হয়েই বাঁচে এবং সম্মানের সাথেই মারা যায়। তার কর্ম এবং আলোচনা চিরকাল রয়ে যায়। মৃত্যুর আগেই যার পক্ষে একটা হকের চারা রোপণ সম্ভব, সে যেন তা করে ফেলে। যে কৃপণতা করবে, সে নিজের উপরেই কৃপণতা করল। যখন জুলুমের আধাঁর কেটে ভোর উদিত হবে, উম্মাহ তখন সেই গাছের নির্মল বায়ুর প্রশংসা করবে। ❞ — শাইখ আবুল হাসান আল-বালিইদী তাকাব্বালাহুল্লাহ https://t.me/AlemderMonimuqta