Umma
Статистикаমিথ্যার আঁধারে নিমজ্জিত দুনিয়ায় সত্যের আলো ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্য নিয়েই Umma এর পথচলা। সত্য খবরের প্রত্যাশা নিয়ে আপনারা Umma এর সাথে থাকবেন আশা করি ইনশাআল্লাহ।
- Последний пост
- 14 авг.
- Последнее чтение
- 14 авг.
- Постов за неделю
- 12
- Всего постов
- 35
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- Категория
- Новости и СМИ (по похожим)
- В каталоге с
- 13 авг.
- 1/24сутки в ленте
- 42
- 1/48двое суток
- 48
- 1/72трое суток
- 51
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
দুনিয়া বিমুখতার পরিচয় ﴿لِكَيْلَا تَأْسَوْا عَلَىٰ مَا فَاتَكُمْ وَلَا تَفْرَحُوا بِمَا آتَاكُمْ﴾ যাতে তোমরা যা হারিয়েছ, তার জন্য অতিরিক্ত দুঃখিত না হও এবং তিনি তোমাদেরকে যা দিয়েছেন, তার জন্য অহংকারভরে উল্লসিত না হও।—সূরা হাদীদ, ৫৭ : ২৩ «الزَّاهِدُ الَّذِي إِنْ فَاتَتْهُ الدُّنْيَا لَمْ يَحْزَنْ، وَإِنْ أَصَابَتْهُ لَمْ يَفْرَحْ، يَضْحَكُ فِي الْمَلَإِ، وَيَبْكِي فِي الْخَلَاءِ» প্রকৃত যাহেদ বা দুনিয়াবিমুখ সে-ই, যে দুনিয়ার কিছু হারালে ভেঙে পড়ে না, আবার দুনিয়ার কিছু পেলেও আত্মহারা হয়ে উঠে না। মানুষের মাঝে হাসিমুখে থাকে, তবে নির্জনে (আল্লাহর ভয়ে) কাঁদে।—ইবনুস সাম্মাক রহ.; কিতাবুল ইকদিল ফারীদ; ইবনে আবদি রাব্বিহ আন্দালুসী রহ.: ৩/১১৯ মুহাসাবা আসুন একটু ভাবি, যুহদের এ গুণটি কি আমার মধ্যে আছে? দুনিয়া হারালে কি আমি ভেঙে পড়ি, আর পেলে আত্মহারা হয়ে যাই? নির্জনে আমি শেষ কবে আল্লাহর ভয়ে কেঁদেছি?
আমাদের পার্শ্ববর্তী পশ্চিমবঙ্গে ভাল নেই মুসলিমরা, প্রতিনিয়ত তাদেরকে কোনঠাসা করার জন্য গেরুয়া সন্ত্রাসী বাহিনী নতুন নতুন ষ/ড়য'ন্ত্র নিয়ে মাঠে নামছে। তাদের মুসলিম পরিচয় মুছে ফেলার জন্য নানান ধরণের ষ/ড়য'ন্ত্র করছে। কয়দিন আগে প্রকাশ্যে ঈদের নামাজ ও গরু কোরবানী নিষিদ্ধ করার পর এবার আজানের উপর বিধি নিষেধ আরোপ করেছে। শব্দ দূষণের অজুহাতে মসজিদ থেকে মাইক খুলে নেওয়া হচ্ছে, রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় অসংখ্য মসজিদ থেকে মাইক খুলে নেওয়ার দৃশ্য প্রকাশ্যে এসেছে। এই নিয়ে মুসলিম সমাজে ব্যাপক ক্ষোভ ও ঘৃণার সৃষ্টি হয়েছে, কিন্তু কেউ ভয়ে মুখ খোলার এবং প্রতিবাদ করার সাহস করছেন না। কারণ মুখ খুললেই কথিত 'গুণ্ডা দমন' আইনে তাদেরকে হয়রানি করা হচ্ছে। এই তো কয়দিন আগে রাজ্যের মূখ্যমন্ত্রী মুসলিম প্রতিবাদীদের উদ্দেশ্য করে বলেছেঃ 'গুণ্ডা দমন আইনে আমি এমন ব্যবস্থা নেব, যাতে একদিন নয় এই গুণ্ডাদের তিন পুরুষ মনে রাখে' এই বক্তব্য শুনে এটি কি একজন মূখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য নাকি বখাটে গুণ্ডার বক্তব্য সেটি আপনি পার্থক্য করতে পারবেন না। মনে হবে এটি কোন গুণ্ডার প্রতিপক্ষকে দেওয়া হুমকিসূচক বক্তব্য। আর বাস্তবেও তাই, ভা/র'তে গুণ্ডা রাজই চলছে। সেখানে মুসলিমদের তৃতীয় শ্রেণির নাগরিক বানিয়ে রাখা হয়েছে, তাদের সাথে পশুর ন্যায় আচরণ করা হয়। কোন কারণ ছাড়া তাদেরকে পিটিয়ে মেরে ফেলা হয়, তথ্য প্রমাণ ছাড়া শুধুমাত্র হিন্দুদের নালিশের ভিত্তিতে মুসলিমদের ঘর-বাড়ি বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। মসজিদ মাদ্রাসা বন্ধ করে দেওয়া হয়, অবৈধ বলে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এই তো কিছুদিন আগে মিডিয়ায় রিপোর্ট হয়েছে, ভা/র'তে ৪৫ দিনে ২৩ টির বেশি মসজিদ মাদ্রাসা গুঁড়িয়ে দিয়েছে সেখানকার হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসী সরকার। মোট কথা এমন কোন জুলুম নেই যেটি ভা/র'তের মুসলিমদের উপর করা হচ্ছেনা। সেখানকার মুসলিমরা দাঁতে দাঁত চেপে জুলুম সহ্য করে যাচ্ছেন আর একজন মুক্তির ঝাণ্ডাবাহী বীর মুজাহিদের অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন। - আমরা কি পারিনা ভা/র'তের ভাইদের মুক্ত করার জন্য বজ্রকঠিন শপথ নিতে, পার্শ্ববর্তী আরাকানের মজলুম ভাই বোনদের হারানো জমিন ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য এক পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ হতে? আমাদের সবাইকে এক হতে হবে, মজলুমদের মুক্ত করার জন্য এবং দ্বীন কায়েমের জন্য সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিতে হবে। কিন্তু যদি অলসতা আর অবহেলা করি তাহলে আমাদেরকেই ভুগতে হবে। ✍️শায়েখ তামিম আল আদনান
видео или голосовое, без подписи
বাস্তবে প্রতিটি সংকটেই রাষ্ট্রের একমাত্র প্রতিক্রিয়া হয় সামরিক মোতায়েন, প্যারামিলিটারি রেঞ্জার্স, ফ্রন্টিয়ার কনস্ট্যাবুলারি। রাওয়ালাকোটের ঘটনা কোনো ব্যতিক্রম নয়, এটা একটা দীর্ঘদিনের প্যাটার্নের সর্বশেষ প্রকাশ, যেখানে রাজনৈতিক আলাপ আলোচনার জায়গা বারবার দখল করে নেয় বন্দুক, আর গভর্ন্যান্সের ব্যর্থতা ঢাকা পড়ে যায় নিরাপত্তার আড়ালে। পাকিস্তান রাষ্ট্র যেভাবে মিলিটারিকে ফ্রাঙ্কেন্সটাইনের মত গড়ে তুলেছে সেই দানবই বারবার তার নাগরিকদের উপরে আঘাত করেছে! . তুমি ভুল, তাই আমি ঠিকঃ পাকিস্তান আন্তর্জাতিক ফোরামে ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর (IOK)এর মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে সোচ্চার হয় - অথচ নিজের নিয়ন্ত্রণাধীন কাশ্মীরে একই স্ক্রিপ্ট: ব্ল্যাকআউট, নির্বিচার গুলি, সংগঠন নিষিদ্ধকরণ। কাশ্মীর ইস্যু পাকিস্তানের কূটনৈতিক পুঁজি, কিন্তু কাশ্মীরিদের প্রকৃত অধিকার তার আগ্রহের বিষয় নয়, বরং ঐতিহাসিক ভাবেই পাকিস্তান কাশ্মিরকে ভারতের বিরুদ্ধে তার ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেছে। কাশ্মিরের ব্যাপারে যেহেতু বিশ্ব দরবারে ইন্ডিয়া খারাপ, তাহলে নিশ্চয়ই পাকিস্তান ভালো! কিন্তু প্রকৃত অর্থে - পাকিস্তান এবং ইন্ডিয়া উভয়েই কাশ্মিরকে ব্যবহার করেছে, শোষণ করেছে নিজের স্বার্থে! . "মুসলিম" পরিচয়ের ব্যবহার ও অপব্যবহারঃ পাকিস্তানের আদর্শগত সবচেয়ে বড় অন্যায়টি সম্ভবত এটি, আদর্শিক গাদ্দারি! পাকিস্তান নিজেকে উম্মাহর প্রতিনিধি হিসেবে জাহির করে, যা তাকে মুসলিম বিশ্বে নৈতিক লেভারেজ দেয়। কিন্তু নিজের মুসলিম নাগরিকদের প্রতি আচরণের ক্ষেত্রে - বেলুচিস্তান, PTM, এবং এখন আজাদ কাশ্মীরে, সম্পূর্ণ ভিন পাকিস্তান দেখা যায়! পাকিস্তান "মুসলিম ব্রাদারহুড" এর ভাষা বাহ্যিক কূটনীতির জন্য সংরক্ষিত রাখে, আর নিজ ভূখণ্ডে কেবল জুলুম এবং গোত্র ভিত্তিক অহংকার! আজাদ কাশ্মীরের এই সংকট তাই কেবল স্থানীয় নির্বাচনী সহিংসতা নয় বরং পাকিস্তান রাষ্ট্রের কাঠামোগত মিথ্যার একটা আবশ্যিক ফলাফল। যে রাষ্ট্র বাইরে উম্মাহ’র সৈনিক পরিচয় দিয়ে নিজের নাগরিকদের সাথে বুলেটের ভাষায় কথা বলে তাকে মুসলিম উম্মাহ’র রাহবার নয়, গাদ্দার বলা হবে! --- #AzadKashmir #PakistanPolitics #StateOppression #HumanRightsViolations #JAAC
~ পাকিস্তানের প্রকৃত দুর্বলতা যেভাবে কাশ্মীরের রক্তে উন্মোচিত হলো ~ - গত জুলাই ২০২৬ এ আজাদ কাশ্মীরে যা ঘটে গেল, সেটা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, এটা ছিল একটা আয়নার মত। পাকিস্তান রাষ্ট্র সেই আয়নায় নিজের আসল চেহারা দেখতে বাধ্য হয়েছে। ঘটনাটা উপলক্ষ মাত্র; আসল বিষয় হলো - এই রাষ্ট্রকাঠামোর মধ্যে জমে থাকা কাঠামোগত মিথ্যাচার, জুলুম এবং অহংকারের প্রতিচ্ছবি! . Global War On Terror এর মূল্য - যা পাকিস্তান নিজেই শোধ করছে: দুই দশক ধরে পাকিস্তান নিজেকে "war on terror"এর ফ্রন্টলাইন ‘মিত্র’ হিসেবে বিশ্বমঞ্চে বিক্রি করেছে. বিনিময়ে মার্কিন অস্ত্র, ঋণ মওকুফ, কূটনৈতিক আশ্রয় এবং IMF-এর কাছে বারবার নতুন বেলআউটের সুযোগ পেয়েছে। এই লেনদেনের একটা লুকানো মূল্য ছিল, যা এখন প্রকাশ্যে আসছে। জাতীয় নিরাপত্তার নামে যে বিশাল আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো তৈরি হয়েছিল - সন্ত্রাসবিরোধী আইন, গোয়েন্দা নজরদারি, সামরিক আদালত, দাবি করা হত - তার লক্ষ্য ছিল বহিঃশত্রু ঠেকানো। বাস্তবে এই অবকাঠামো ধীরে ধীরে অভ্যন্তরমুখী হয়ে উঠেছিল। সেই আইন এখন প্রয়োগ হচ্ছে বিদ্যুৎ ভর্তুকির দাবিতে রাস্তায় নামা সাধারণ কাশ্মীরি নাগরিকদের বিরুদ্ধে। ৫ জুন ২০২৬-এ JAAC-কে "proscribed organization" ঘোষণা এই মিলিটারাইজড স্টেট মডেলের এর সরাসরি ফসল।[১] বৈদেশিক নিরাপত্তা-অংশীদারিত্ব যে দমনমূলক রাষ্ট্রযন্ত্র তৈরি করেছিল, তা আজ পাকিস্তান নিজের নাগরিকদের মৌলিক অধিকার, সুরক্ষা এবং রক্তের বিনিময়ে শোধ করছে। সিস্টেমটিই এমন এই দানব তৈরি করলে তাকে খেতে দিতেই হবে। যখন বাইরে কিছু কররা নেই তখন দেশের ভিত্রেই সেই দানব আছড়ে পড়ে! . যত গর্জে তত বর্ষে নাঃ পাকিস্তান আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজেকে পারমাণবিক শক্তিধর, আঞ্চলিক ভারসাম্যের রক্ষক, "Muslim world"এর প্রতিরক্ষা প্রাচীর হিসেবে উপস্থাপন করে। এই ভাবমূর্তি এতটাই সযত্নে নির্মিত যে বিশ্ব রাজনীতিতে পাকিস্তানকে প্রায়ই একটা সুসংহত, আত্মবিশ্বাসী রাষ্ট্র মনে হয়। কিন্তু এই ভাবমূর্তির ভেতরের বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। নিজেরই প্রশাসনাধীন আজাদ কাশ্মীরে যখন জনগণ বিদ্যুৎ ভর্তুকি আর গমের আটার মতো মৌলিক দাবি নিয়ে রাস্তায় নামে, রাষ্ট্রের হাতে তখন সংলাপের কোনো ভাষা থাকে না, জবাব আসে গুলি আর যোগাযোগ ব্ল্যাকআউট দিয়ে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের হিসাবে নির্বাচন পূর্ব সহিংসতায় অন্তত ৪০ জনের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে, যার সিংহভাগই বেসামরিক বিক্ষোভকারী।[২] একটা রাষ্ট্র যখন নিজের নাগরিকদের ন্যূনতম অর্থনৈতিক দাবির মুখে এতটা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে তখন আর বলার অপেক্ষা রাখেনা যে - তার ভিতরের স্থিতিশীলতা আসলে কতটা নাজুক! . Labelling - রাষ্ট্রের সবচেয়ে পুরনো অস্ত্রঃ যখনই কোনো রাষ্ট্র তার নিজের নাগরিকদের ন্যায্য দাবির মুখোমুখি হয়, তখন প্রথম প্রতিক্রিয়া হয় সংলাপ নয়, লেবেলিং। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ কাশ্মীরি বিক্ষোভকারীদের "ভারতের মতো শত্রু" বলে আখ্যায়িত করেছে।[৩] এই একই প্যাটার্ন সীমানার ওপারেও দেখা যায়: ভারতে কৃষক ও নাগরিকত্ব আইনবিরোধী আন্দোলনকারী এবং সাম্প্রতিক সময়ে ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভে রাষ্ট্রীয় শীর্ষ নেতৃত্ব সাধারণ নাগরিকদের "টুকড়ে টুকড়ে গ্যাং" ও "অ্যান্টি ন্যাশনাল" বলে ট্যাগিং দিয়েছিল, যদিও তাদের দাবি এবং বিক্ষোভের ভিত্তি ছিল সম্পূর্ণ অভ্যন্তরীণ![৪] বাংলাদেশেও ২০২৪ সালের জুলাইয়ে কোটা সংস্কার আন্দোলনের ছাত্রদের শেখ হাসিনা "রাজাকার"এর সাথে তুলনা করেছিল - একটি শব্দ যার ঐতিহাসিক ভার রাষ্ট্রদ্রোহের সমান, এবং যা আন্দোলনকে নতুন মাত্রা দিয়েছিল।[৫] তিনটি ভিন্ন রাষ্ট্র, তিনটি ভিন্ন প্রেক্ষাপট - অথচ স্ক্রিপ্ট হুবহু এক: নিজের নাগরিকের ন্যায্য প্রতিবাদকে রাষ্ট্র প্রথমে "বিদেশি এজেন্ডা" বা "বিশ্বাসঘাতক" নাম দেয়, তারপর সেই লেবেলকে বলপ্রয়োগের বৈধতা হিসেবে ব্যবহার করে। এই ডি-লেজিটাইজেশন এর ভাষাই প্রমাণ করে দেয়, রাষ্ট্র নিজেই জানে তার নাগরিকের দাবি ন্যায্য - নইলে সত্যি কথা দিয়েই জবাব দেওয়া যেত, অপবাদ দিয়ে নয়। লক্ষণীয় বিষয় হলো, এই তিনটি ক্ষেত্রেই লেবেলিং এর পরপরই আসে বলপ্রয়োগ। কথার আঘাত আগে, তারপর শারীরিক আঘাত। প্রথমে প্রতিবাদীকে জাতির শত্রু বানানো হয়, তারপর তার বিরুদ্ধে বল প্রয়োগকে জনগণের কাছে ন্যায্যতা দেওয়া হয়। এই দুই ধাপের কৌশল দক্ষিণ এশিয়ার রাষ্ট্রগুলোর একটা সাধারণ চরিত্র হয়ে উঠেছে - গণতান্ত্রিক হোক বা কর্তৃত্ববাদী, প্রতিটি রাষ্ট্রই সংকটের মুহূর্তে একই স্ক্রিপ্ট ব্যবহার করে। . মিলিটারি গভার্নেন্স - দ্য ফ্রাঙ্কেনস্টাইনঃ পাকিস্তানের প্রকৃত সমস্যা মূলত প্রশাসনিক - দুর্বল কর ব্যবস্থা, তীব্র প্রাদেশিক বৈষম্য, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং সামরিক-বেসামরিক আমলাতান্ত্রিক এলিট শ্রেণীর সম্পদ ও ক্ষমতা কুক্ষিগত করা। এই কাঠামোগত সমস্যাগুলোর সমাধান দরকার দীর্ঘমেয়াদি প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, স্বচ্ছ আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও রাজনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে। কিন্তু
видео или голосовое, без подписи
প্রথম পর্বে এ ভূখণ্ডের শাসক ছিল মুসলমান, দেশ নামেমাত্র মুসলমানদের হাতে ছিল। কিন্তু সরকারী সকল প্রতিষ্ঠানের উপর অমুসলিমদের আধিপত্য ছিল। দ্বিতীয় পর্বে শাসক অমুসলিম ছিল। আদালত ও আইনের প্রতিষ্ঠানগুলো তাদেরই হাতে ছিল। আর তৃতীয় পর্বে কিছু অংশের শাসকরা নিজেদেরকে অমুসলিম মনে করে, আর কিছু অংশের শাসকরা নিজেদেরকে মুসলমান মনে করে। তবে সবার আদালত এবং আইনের প্রতিষ্ঠানগুলো অমুসলিমদের তত্ত্বাবধানে অনৈসলামিক আইনের অধীনে চলে। প্রত্যেক অংশের শাসকবর্গ, চাই তারা নিজেদেরকে মুসলিম মনে করুক বা অমুসলিম মনে করুক, প্রত্যেকে এ আকীদা বিশ্বাস লালন করে যে, আদালত ও আইনের প্রতিষ্ঠানগুলোতে কুরআন, হাদীস ও ইসলামী শরীয়াতের প্রবেশ এবং শরয়ী আইন তথা কুরআন সুন্নাহর আইনের প্রভাব বা প্রভাব বিস্তারের প্রচেষ্টা চলমান সময়ের সবচাইতে বড় অপরাধ। প্রথম ও দ্বিতীয় পর্বে অধিকাংশ মুসলমান এবং উম্মতের রাহবারগণ অমুসলিমদের আধিপত্য এবং অনৈসলামিক আইনের অধীনস্থতার উপর অসন্তুষ্ট ছিল। কিন্তু তৃতীয় পর্বে অধিকাংশ মুসলমান অমুসলিমদের আধিপত্য এবং অনৈসলামিক আইনের অধীনতাকে সন্তুষ্টচিত্তে মেনে নিয়েছে, অথবা তার বিষয়ে নির্লিপ্তভাবে চুপচাপ আছে। প্রথম ও দ্বিতীয় পর্বে অধিকাংশ মুসলমান এসকল পরিস্থিতি থেকে বের হওয়া এবং নিজেদেরকে মুক্ত করার বিষয়টিকে একটি শরয়ী যিম্মাদারী মনে করত। এখন অধিকাংশ মুসলমান মনে করে, অনৈসলামিক শাসন এবং অনৈসলামিক আইন আদালতের অধীনে জীবন যাপন করাও জীবন যাপনের একটি পদ্ধতি হতে পারে। তবে এদের মধ্য থেকে কেউ মনে করে, এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের কোন পথ নেই। আর কেউ মনে করে, এ পরিস্থিতি থেকে মুক্তির কোন প্রয়োজন নেই। প্রথম ও দ্বিতীয় পর্বে অমুসলিমদের প্রতিনিধিদেরকে গভর্নর ও ভাইসরয় বলা হত, এখন তাদের প্রতিনিধিদেরকে এম্বেসেডার, দূত ও জাতিসংঘের প্রতিনিধি বলা হয়। প্রথম পর্বে অমুসলিমদের আধিপত্যের কোন আইনি স্বীকৃতি ছিল না, তবে তাদের বাহুবল চলত। দ্বিতীয় পর্বে সব কিছু তাদেরই হাতে ছিল। তৃতীয় পর্বে তাদের আইনি স্বীকৃতি হয়ে গেছে এবং তাদের বাহুবল চলমান থাকা সত্ত্বেও তাদের আধিপত্যকে গোপন করার জন্য অনেক কৌশল ব্যবহার করা হয়ে থাকে। যে বিষয়গুলো সবাই জানেও, আবার সবাই লুকাতেও থাকে। যাকে আপনি ওপেন সিক্রেটও বলতে পারেন। প্রথম ও দ্বিতীয় পর্বে মনে করা হত, মুসলমানদের জন্য অনৈসলামিক আইনের অধীনে জীবন যাপন করা জায়েয নেই। তৃতীয় পর্বে ব্যাপকভাবে এবং প্রকাশ্যে এ কথা মনে করা হচ্ছে যে, মুসলমানদের জন্য অনৈসলামিক আইনের অধীনে জীবন যাপন করতে কোন সমস্যা নেই। এ পৃথিবীর কোন একটি ভূখণ্ড দারুল হারব হিসাবে সাব্যস্ত হওয়ার জন্য যে বিষয়গুলো সেখানে পাওয়া যাওয়া জরুরী, সে বিষয়গুলো উনবিংশ শতাব্দীর শুরুতে (ভারত উপমহাদেশে) ছিল, ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দের পরেও সে বিষয়গুলো (ভারত উপমহাদেশে) উপস্থিত ছিল এবং ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দ থেকে এখনো পর্যন্ত সে বিষয়গুলো বহাল আছে। এরই সাথে সাথে, উনবিংশ শতাব্দীর শুরুতে উপমহাদেশ (হিন্দুস্তান) দারুল হারব হিসাবে ঘোষিত হওয়ার পর মুসলমানদের উপর যে সকল ফরয দায়িত্ব এসেছিল, এমনিভাবে যেসকল ফরয দায়িত্ব ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দের পর মুসলমানদের উপর ছিল, সেসকল ফরয ওয়াজিব দায়িত্ব ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দ থেকে এখনো পর্যন্ত মুসলমানদের যিম্মাদারিতে রয়েছে গেছে। চাই সে ভূখণ্ডের নাম ভারত হোক, চাই সে ভূখণ্ডের নাম পাকিস্তান হোক, চাই সে ভূখণ্ডের নাম বাংলাদেশ হোক। এ সকল ভূখণ্ডের সকল মুসলমানের উপর সেসব ফরয ওয়াজিব দায়িত্ব হুবহু সেভাবেই বহাল আছে যেভাবে তা দুইশত বছর আগে ফরয ওয়াজিব ছিল। কেননা সেসব ফরয ওয়াজিব দায়িত্ব তাদের যিম্মাদারিতে না থাকার এবং সে দায়িত্ব থেকে মুক্ত হওয়ার মত কোন পর্ব বিগত দুইশত বছরে কখনো অতিক্রম করেনি। [ লেখাটি শাইখ ফজলুর রহমান কাসেমী হাফিজাহুল্লাহর একটি রিসালাহ্ থেকে কপি করা। ]
হিন্দুস্তানের এ হালাতগুলো এমন ছিল যার বাস্তবতাকে শত্রু-মিত্র কেউ অস্বীকার করতে পারত না, আর না এগুলোকে অস্বীকার করার কথা তাদের কারো মনে কখনো উঁকি দিয়েছে। কেননা এ হালাতগুলো এমন সূক্ষ্ম তার ও চিকন পাইপ লাইনের মাধ্যমে এ সমাজকে ঘিরে নিয়েছিল যে, অধিকাংশ মুসলমানের খবরও ছিল না, কোথাকার পানি কোথায় গড়িয়ে যাচ্ছে। কিন্তু দ্বীনের সচেতন দায়িত্বশীলগণের চোখ এমনভাবে খোলা থাকে যে, তাদের সামনে দিয়ে শরীয়ত বিরোধী কোন পরিস্থিতি এবং শরীয়ত পরিপন্থী কোন পর্ব তাঁদের চোখকে ফাঁকি দিয়ে যেতে পারে না। পরিস্থিতির শরয়ী বিচার বিশ্লেষণ শাহ আব্দুল আযীয মুহাদ্দিস দেহলভী রহিমাহুল্লাহ এ ভারত উপমহাদেশকে দারুল হারব বলে ফাতওয়া দিলেন এবং আল্লাহর বান্দাদের এমন একটি কাফেলা দাঁড়িয়ে গেল যারা এ ফাতওয়ার আলোকে যা যা করার ছিল তা তা করার জন্য প্রস্তুত ছিল। এ ফাতওয়ার প্রেক্ষাপট এবং যেসকল পরিস্থিতির ভিত্তিতে এ ফাতওয়া দেয়া হয়েছিল সেসব কারণ এখনো হুবহু সেভাবেই বহাল রয়েছে যা এ ফাতওয়া দেয়ার সময় ছিল। এ ফাতওয়ার প্রায় সোয়া দুইশত বছর পরের সময় আমরা এখন পার করছি। এ সময় পার করতে গিয়ে আমরা এখন দেখব, যেসব প্রেক্ষাপট এবং যেসব কারণকে সামনে রেখে দুইশত সোয়া দুইশত বছর আগে ভারত উপমহাদেশকে দারুল হারব ঘোষণা করা হয়েছিল, সেসব কারণ ও সেসকল পরিস্থিতি ধারাবাহিকভাবে আজো পর্যন্ত বিরাজ করে আসছে? না কি নয়? এ বিষয়টি কেউ অস্বীকার করতে পারবে না যে, বিগত দুই শত বছর যাবত পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটতে থেকেছে। আর এটি একটি অসম্ভব বিষয় যে, এত দীর্ঘ কাল যাবত কোন প্রকার পটপরিবর্তন ছাড়াই দুনিয়া চলবে। এটা হতে পারে না। শরীয়তের মাপকাঠিতে যদি বিচার করা হয়, তাহলে যেকোন জ্ঞানী ব্যক্তি এ কথা স্বীকার করতে বাধ্য হবে যে, দুইশত বছর আগের অবস্থা এবং দুইশত বছর পরের অবস্থার মাঝে কোন প্রকার পার্থক্য হয়নি, কোন ব্যবধান আসেনি। একটু চিন্তা করে দেখুন— ১. ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের আইনপ্রণয়ন এসেম্বেলী, আদালতসমূহ এমনিভাবে কোন আইনী প্রতিষ্ঠানের উপর কুরআন, হাদীস ও ইসলামী শরীয়তের কোন প্রকার নিয়ন্ত্রণ নেই, কোন প্রকার প্রধান্য নেই, কোন হাত নেই। ২. উপমহাদেশের এ তিনটি দেশেই প্রতিটি আইন ও প্রতিটি কানুন সেসব দেশের শাসকবর্গের মতামত ও সিদ্ধান্তের উপর ভিত্তি করে হয়, সে শাসক মুসলিম হোক বা অমুসলিম হোক। ৩. বরং বৃটিশ এ দেশকে যে আইনের উপর পরিচালিত করে একটি দারুল ইসলামকে দারুল হারব বানিয়ে ছেড়েছিল, সেই বৃটিশ আইন কানুন আজও এ উপমহাদেশের দেশগুলোতে আইন প্রণয়নকারী হিসাবে পূর্ণ শক্তি ও সামর্থ্য এবং পরিপূর্ণ সতেজতার সাথে কার্যকরী ও বহাল রয়েছে। ৪. এ দেশগুলোর উপর এমনসব শাসকদের আধিপত্য রয়েছে, যারা পরকালে মুক্তির জন্য শুধুমাত্র একটি ধর্ম অর্থাৎ ইসলামের অনুসরণকে জরুরী মনে করে না। ৫. উপমহাদেশের এ দেশগুলোতে যেসব শাসক রয়েছে তাদের আকীদা বিশ্বাস হচ্ছে, মুসলমানরা তাদের ইসলামী আইন কানুন অনুযায়ী চলতে হলে, শাসকদের বানানো আইন কানুনের কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে। অমুসলিমদের বানানো আইন থেকে অনুমতি নিতে হবে। আল্লাহ ও আল্লাহর রাসূলের দুশমনদের বানানো আইন কানুন থেকে অনুমতি নিতে হবে। ৬. এ শাসকদের আকীদা বিশ্বাস হচ্ছে, ইসলামের উদ্ধৃতি দিয়ে, কুরআন ও হাদীসের উদ্ধৃতি দিয়ে কোন আইন কানূন বানানো এবং তা প্রয়োগ করা অপরাধ এবং তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এসব বিষয়ে ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ অর্থাৎ সাবেক হিন্দুস্তান (উপমহাদেশ) এর তিনটি দেশেরই অবস্থা বরাবর। শাহ আব্দুল আযীয মুহাদ্দিস দেহলভী রহিমাহুল্লাহ যে সময়ে এ উপমহাদেশকে দারুল হারব হিসাবে ঘোষণা দিয়েছেন সে সময়ের অবস্থা এবং বর্তমানের অবস্থাও বরাবর। এ পর্যায়ে এসে একটি কথা মনে রাখা দরকার যে, দারুল হারব হিসাবে হিন্দুস্তান তিনটি পর্ব অতিক্রম করেছে। একটি পর্বতো হচ্ছে, যখন ফাতওয়াটি দেয়া হয়েছে। তখন শাসক ছিল মুসলমান, কিন্তু আধিপত্য ছিল অমুসলিমদের। আদালত ও আইনের প্রতিষ্ঠানগুলো অমুসলিমদের নিয়ন্ত্রণে এবং অনৈসলামিক আইনের অধীনে চলত। এ পর্বটি হচ্ছে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত। দ্বিতীয় পর্ব হচ্ছে, যখন শাসক অমুসলিম ছিল। এ পর্বটি ছিল ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সময়কাল। তৃতীয় পর্ব হচ্ছে, যখন কিছু অংশের শাসক মুসলিম আর কিছু অংশের শাসক অমুসলিম, কিন্তু প্রত্যেক অংশের উপরই আধিপত্য অমুসলিমদের। আদালত ও আইনের প্রতিষ্ঠানগুলো অমুসলিম ও অনৈসলামিক আইনের অধীনে আছে। এ পর্বটি ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দ থেকে এখনো পর্যন্ত চলছে। এ তিনটি পর্বের পরস্পরে যে পার্থক্যগুলো রয়েছে তার কিঞ্চিত বিশ্লেষণ নিম্নরূপ— প্রথম ও দ্বিতীয় পর্বে এ ভূখণ্ডের নাম ছিল হিন্দুস্তান। এখন এ ভূখণ্ড আলাদা আলাদা তিনটি নামে পরিচিত: ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ।
ভারত উপমহাদেশের ইতিহাসে যেসকল মুসলিম শাসক ইসলামী আইন ও শরয়ী বিধান অনুযায়ী দেশ শাসন করার চেষ্টা করেছেন এবং কুরআন ও সুন্নাহের বিধান বাস্তবায়ন করার ক্ষেত্রে কিছুটা অংশ নিয়েছেন তাঁদের নাম এই- - নাসিরুদ্দীন মাহমূদ (৬৬৪ হিজরী) - গিয়াস উদ্দীন বলবান (৬৮৬ হিজরী) - আলাউদ্দীন খিলজী (৭১৬ হিজরী) - শামসুদ্দীন আলতামাশ (৭৩৩ হিজরী) - মুহাম্মাদ তুগলুক (৭৫২ হিজরী) - ফিরোজ শাহ (৭৯৯ হিজরী) - সেকান্দার ইবনে বাহলুল লূধী (৯২৩ হিজরী) - শের শাহ সূরী (৯৫২ হিজরী) - শাহজাহান তৈমুরী (১০৬৮ হিজরী) - আওরঙ্গজেব আলমগীর (১১১৮ হিজরী) উল্লেখিত শাসকবর্গ ছাড়া আরো কিছু শাসক ও আমীর উমারা এমন অতীত হয়ে গেছেন, যারা হিন্দুস্তানের বিভিন্ন অংশে ইসলামী হুকুমত প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করেছেন এবং একটা পর্যায় পর্যন্ত তারা সফলও হয়েছেন। এ ধারাবাহিকতার সর্বশেষ ব্যক্তি যিনি ছিলেন তিনি হচ্ছেন মুগল সাম্রাজ্যের শেষ বাদশা বাহাদুর শাহ যাফর, যার পরে ইসলামী হুকুমত নামেমাত্র যতটুকু ছিল তাও বিলুপ্ত হয়ে গেছে। এ পর্যায়ে এসে হিন্দুস্তানকে দারুল হারব ঘোষণা দেয়ার ক্ষেত্রে শাহ আব্দুল আযীয মুহাদ্দিস দেহলভী রহিমাহুল্লাহ এর ঐতিহাসিক ফাতওয়া রয়েছে। হিন্দুস্তানে (উপমহাদেশ) যত দিন পর্যন্ত মুসলিম শাসকদের অধীনে ইসলামী শরীয়তের প্রয়োগ ও বাস্তবায়ন ছিল, তত দিন পর্যন্ত এ ভূখণ্ডকে দারুল হারব ঘোষণা দেয়ার কোন প্রয়োজন ছিল না; বরং তখন এ ভূখণ্ডকে দারুল হারব বলা জায়েযও ছিল না। কিন্তু যখন অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে এবং রাজত্ব ও শাসন মুসলিম শাসকদের হাত থেকে অমুসলিমদের হাতে চলে গেছে, তখন এ উপমহাদেশের আসল অবস্থা অর্থাৎ এ ভূখণ্ডের শরয়ী অবস্থান স্পষ্ট করে দেয়া জরুরী ছিল। বিশেষত যখন ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে নবাব সিরাজ উদদৌলা এবং ১৭৯৯ খ্রিস্টাব্দে ফতেহ আলি টিপু ইংরেজদের হাতে শহীদ হয়ে গেছেন এবং মুসলিম বাহিনী পরাজিত হয়ে গেছে। তখন মুসলমানদের কাছে এমন কোন প্রতিরোধ শক্তি অবশিষ্ট থাকেনি, যে শক্তি দিয়ে ইংরেজদের মোকাবেলা করা যায়, অথবা এমন কোন শক্তি ছিল না, যে শক্তি দিয়ে নিজেদের শাসিত ভূখণ্ডের মধ্যে ইসলামী আইন ও শরয়ী বিধান প্রয়োগ করা যায়। দিল্লিতে মুগল সাম্রাজ্যের নিভু নিভু বাতিটি তখনো একেবারে নিভে যায়নি। মুগল সাম্রাজ্য তখন শাহ আলম সানীর হাতে ছিল। বাস্তব কথা হচ্ছে, শাহ আলমের হাতে তখন দিল্লি লালকেল্লার শুধুমাত্র দালানগুলো ছিল এবং শাহী আরাম আয়েশ ও সাজসজ্জার উপকরণগুলো ছিল। মুসলমানদের শাসক হিসাবে তার হাতে কিছুই ছিল না। হিন্দুস্তানের উপর না কেন্দ্রীয় হুকুমতের কোন নিয়ন্ত্রণ ছিল, আর না আঞ্চলিক শাসকদের কোন নিয়ন্ত্রণ ছিল। ইংরেজ ও অন্যান্য অমুসলিম শক্তিগুলো এসকল হালাতকে যথাযথভাবে আঁচ করে নিয়েছিল এবং শতভাগ স্বাধীনতার সাথে রাজ্যের কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের হাতে নিয়ে ফেলেছে। আইন প্রণয়ন প্রতিষ্ঠান ও আইন প্রয়োগ প্রতিষ্ঠানগুলোর উপর নিজেদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত করে ফেলেছে। আর সামরিক শক্তিগুলোতো আগে থেকেই তাদের হাতে ছিল। মোটকথা হিন্দুস্তানের এমন অবস্থা ছিল, যে অবস্থায় কোন যিম্মাদার আলেম এবং উম্মতের কোন রাহবার স্বস্তির সাথে বেঁচে থাকতে পারেন না। নিজের উপর অর্পিত শরয়ী যিম্মাদারী আদায় না করে এবং নিজের ফরয দায়িত্ব আদায় না করে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলতে পারেন না। সিরাজুল হিন্দ শাহ আব্দুল আযীয মুহাদ্দিস দেহলভী রহিমাহুল্লাহ হিন্দুস্তান দারুল হারব হওয়ার ফাতওয়া দিলেন এবং একজন রাহবার হিসাবে উম্মতকে এ বার্তা পৌঁছে দিলেন যে, এখন থেকে তোমাদের যিম্মাদারিতে এমন কিছু ফরয দায়িত্ব অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, যেসব যিম্মাদারি একটি দারুল ইসলামের অধিবাসী হিসাবে তোমাদের উপর আগে ছিল না। যেসকল প্রেক্ষাপটের ভিত্তিতে এবং যেসকল কারণে এ ফাতওয়া সময়ের অনিবার্য ফরয দায়িত্ব ছিল সে কারণগুলো হচ্ছে এই— ১. হিন্দুস্তানে ইসলামী শরীয়তের আইনি অবস্থান বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছিল। ২. হিন্দুস্তানের প্রধান শাসক মুসলমান হওয়া সত্ত্বেও ইসলামী আইন প্রয়োগ করতে সক্ষম ছিলেন না। ৩. আইনের প্রতিষ্ঠানগুলো, আদালত ও আইন প্রণয়ন এসেম্বেলীর উপর কুরআন, হাদীস ও ইসলামী শরীয়তের নিয়ন্ত্রণ চলত না। ৪. আইনের সকল প্রতিষ্ঠান, আদালতসমূহ ও আইন প্রণয়ন এসেম্বেলীগুলো অমুসলিম শক্তির মতামত ও সিদ্ধান্তের অধীনে এবং তাদের মর্জির অধীনে ছিল। ৫. মুসলিমরা তাদের ইবাদাত, লেনদেন ও ইসলামী চালচলনের ততটুকুই করতে পারত, যতটুকু তারা অনৈসলামিক আইন ও অমুসলিম শাসকদের পক্ষ থেকে করার অনুমতি পেত। ৬. সেই শাসন ব্যবস্থা তাদের খরচে মাদরাসা চালাত। কিন্তু মাদরাসায় যেসব মাসআলা পড়ানো হত সেসব মাসআলা সমাজে বাস্তবায়ন করতে দিত না। ৭. সে শাসন ব্যবস্থার কর্ণধাররা মাদরাসার প্রধান হিসাবেও দায়িত্ব পালন করত, কিন্তু কুরআন ও হাদীসের বিধি বিধানকে তারা অন্তর থেকে ঘৃণা করত।
видео или голосовое, без подписи
খ|রে'জী কোন নির্দিষ্ট দল নয়, চিন্তাধারার নাম, আধুনিক খ|রে'জী মতাদর্শীদের চেনার উপায় কিছু মানুষ মনে করে- নির্দিষ্ট দল ও ঘরানার সাথে সাথে যারা সম্পর্ক রাখে তারাই শুধু খ|রে'জী, এরা ছাড়া আর কেউ খ|রে'জী নয়, খ|রে'জী হতে পারেনা। কিন্তু বাস্তবতা হল খ|রে'জীয়্যত শুধু নির্দিষ্ট একটি দল ও ঘরানার বৈশিষ্ট্য নয়, বরং এটি এক ধরনের আত্মিক ও চিন্তাগত ব্যাধি, যা কিছু চিন্তাধারা, দৃষ্টিভঙ্গি ও বৈশিষ্ট্যের সমন্বিত রূপ। যেমন- ১। ক|ফে'রদের চেয়ে মুসলিমদের সাথে বেশি দুশমনি রাখা, নিজ দল বা মতের না হলে হ/ত্যা করা, হ/ত্যার বয়ান তৈরি করা। আর ক|ফে'রদেরকে ছেড়ে দেওয়া, তাদেরকে বড় শত্রু মনে না করা। ২। কবীরা গুনাহের জন্য ক|ফে'র মনে করা, তবে সব গুনাহের ক্ষেত্রে তাকফীরের দৃষ্টিভঙ্গি আমাদের জানামতে কোন খ|রে'জীই রাখেনা। তারা বরং নির্দিষ্ট কিছু কবীরা গুনাহকে কু/ফ'রী মনে করে, সেসব গুনাহের জন্য অন্যকে তাকফীর করে। ৩। হাদীসের আলোকে তাদের আরো দুটি বৈশিষ্ট্য হল- ক, কুরআনুল কারীমের প্রকৃত উদেশ্য ও মর্ম অনুধাবন না করা, অর্থাৎ সালাফদের বুঝের আলোকে বুঝ গ্রহণ না করা, বরং নিজের বুঝ বা পছন্দের আলেম/স্কলারের বুঝকে যথেষ্ট মনে করা। খ, বয়সে তরুণ ও চিন্তা-বুদ্ধিতে অপরিণত। ৪। আধুনিক খ|রে'জীদের একটি বৈশিষ্ট্য হল, তারা কথায় কথায় ভিন্নমতের মুসলিমদের খ|রে'জী আখ্যা দেয়। তাদের পছন্দের সে'ক্যু'লার শাসকদের হারাম ও অন্যায় কর্মকাণ্ডের বিরোধীতা করলেই খ|রে'জী আখ্যা দেয়, এভাবে তারা নিরপরাধ মুসলিমদের খ|রে'জী আখ্যা দিয়ে হ/ত্যাকে জায়েজ করে তোলে। - খ|রে'জীদের প্রথম ও প্রধান যে বৈশিষ্ট্য সেটি বর্তমানে অনেক ব্যক্তি ও দলের মাঝে বিদ্যমান। গণতান্ত্রিক, অগণতান্ত্রিক, সামাজিক, রাজনৈতিক, জিহাদী কিংবা দাওয়াতি কাজ করা অনেক ব্যক্তির মাঝেই এই বৈশিষ্ট্য দেখা যায়। তারা আ/মে'রিকা, ইসরায়েল এবং ভারতের কুফফারদের সাথেও অতটা দুশমনি রাখেনা যতটা ভিন্ন মতের মুসলিমদের সাথে রাখে। এই লোকগুলোর আলাপ আলোচনা, কথা ও কাজে কাজে ভিন্ন মতের মুসলিমদের সাথে দুশমনির বিষয়ে যত পরিমাণ কর্মতৎপরতা দেখা যায় ক|ফে'রদের বিষয়ে তার সিকিভাগও দেখা যায়না। ক|ফে'ররা যে আমাদের শত্রু এটি তাদের কথা ও কাজ থেকে বোঝার উপায় নেই। এই ভাইদের মধ্যে খ|রে'জীদের আরো একটি বৈশিষ্ট্য পাওয়া যায়, সেটি হল- তারা কুরআন হাদীসকে সালাফদের ব্যখ্যা ও বুঝের আলোকে বুঝতে চায়না, বরং নিজের বিকৃত বুঝ ও পছন্দের আলেমদের অপব্যখ্যাকেই কুরআন হাদীস বোঝার জন্য যথেষ্ট মনে করে। এসবের মাধ্যমে ইসলামের বিভিন্ন বিধানের ভুল ব্যাখ্যা দাঁড় করানো বা আংশিক অস্বীকার করা এবং নিজেদের অন্যায় ও ভুল কাজকে ইসলামের লেবেল লাগিয়ে ইসলামী বানানোর চেষ্টা করা তাদের নিত্যদিনকার কাজ। - খ|রে'জীরা কখনো নিজেদের খ|রে'জী মনে করেনা, তারা মনে করে তারাই সবচেয়ে বেশি বোঝে, তাদের কর্মপদ্ধতিই উম্মাহর জন্য বেশি কল্যাণকর। তাদের কাজের মাধ্যমেই ইসলামের বেশি উপকার হবে। কিন্তু বাস্তবতা হল তাদের কাজের কারনে ইসলাম সব সময় ক্ষতিগ্রস্ত হয়, ইসলামের বিজয়ধারা বাধাগ্রস্ত হয়। তাই যারা সচেতন মুসলিম তাদের উচিত নিজ দল ও মতের কর্মপদ্ধতিকে সাহাবায়ে কেরাম ও সালাফদের কষ্টিপাথরে যাচাই করে নেওয়া। আমাদের কর্মপদ্ধতি, বুঝ ও সিদ্ধান্ত কি সালাফদের কাজ ও বুঝের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নাকি বিচ্ছিন্ন। আমাদের কাজ কর্মে কি উম্মাহর প্রতি দরদ বোঝা যায় নাকি শুধু নিজ দলের প্রতিই দরদ দেখা যায়, আমরা কি উম্মাহর সবাইকে সাথে নিয়ে ইসলামের জন্য কাজ করতে আগ্রহী নাকি শুধু নিজ দলকেই হকের পতাকাবাহী মনে করি আর বাকি সবাইকে গোমরাহ মনে করি এবং সুযোগ পেলে দমনের মানসিকতা লালন করি। আমার দল কি নিরপরাধ মুসলিমদেরকে খ|রে'জী আখ্যা দিয়ে হ/ত্যাযোগ্য করে তুলে? সে'ক্যু'লারিজম ও লিবারেলিজমের ভিত্তিতে রচিত কু/ফ'রী সংবিধানের বৈধতায় বিশ্বাস করে? এই সংবিধানের অধীনস্থ সরকারের উপর উলুল আমরের হুকুম প্রয়োগ করে? ওয়ার অন টেররের প্রজেক্টে গর্বের সাথে অংশগ্রহণ করে? উপরের বৈশিষ্টগুলো নিশ্চিতভাবেই খ|রে'জীদের বৈশিষ্ট-যারা মুমিনদের হ/ত্যা করে আর ক|ফে'রদেরকে ছেড়ে দেয়। যদি আমার দলের চিন্তা চেতনায় এই ধরণের বিষ থাকে তাহলে দ্রুত সেই দল থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া আমার কর্তব্য। এরপর যারা উম্মাহকেন্দ্রিক কাজ করে, ছোট-খাট মতপার্থক্য ভুলে উম্মাহর স্বার্থে সবার সাথে মিলে কাজ করতে চায়, নিজ দলের স্বার্থের চেয়ে উম্মাহর স্বার্থকে প্রাধান্য দেয় তাদের সাথে যুক্ত হওয়ার চেষ্টা করা উচিত। আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে মুমিনদে প্রতি কোমল এবং ক|ফে'রদের প্রতি কঠোর হওয়ার সাহাবাওয়ালা সিফাত অর্জনের তাওফিক দান করুন, আমীন। ✍️শায়েখ তামিম আল আদনান
видео или голосовое, без подписи
কোনো ভূমি ফি'লহ|ল কি^ত|লের উপযোগী না হওয়া আর সেই ভূমির অধিবাসীদের জি/হ|দে সক্ষম না হওয়া এক কথা নয়। হতে পারে কোনো ভূমি কি^ত|লের উপযুক্ত নয়, কিন্তু সেই ভূমির অনেকেই অন্য ভূমিতে গিয়ে কি/ত|ল করতে সক্ষম। একইভাবে যারা কি^ত|লে সক্ষম নন, তারাও কি^ত|লের সহযোগিতামূলক বিভিন্ন জি/হ|দি কাজ আঞ্জাম দিতে সক্ষম। জি/হ|দ শুধু কি/ত|লেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং জি/হ|দের কাজ কি/ত|ল থেকে অনেক অনেক ব্যাপক ও বিস্তৃত। বিষয়টি খুবই স্পষ্ট। তবুও নুসরতের ভূমিগুলো ফিলহাল গে/রি'লা যু/দ্ধের অনুপযোগী হওয়ায় এবং সেখানে যু/দ্ধ শুরু করার মতো সামর্থ্য না থাকায় জনগণের মাঝে এবং সামরিক জীবন থেকে দূরে থাকা উলামাদের মাঝে সহজেই কিছু ভুল ধারণা কাজ করে। যেমন ‘এ ভূমির অধিবাসীদের উপর জি/হ|দ ফরয নয়’, ‘জি/হ|দ জায়েয নয়’ কিংবা দোয়া ছাড়া আর কিছু করার সক্ষমতা নেই ইত্যাদি। একটু চিন্তা করলেই আমরা বুঝতে পারবো, যু/দ্ধের জন্য ভূমির উপযোগিতা এক বিষয়, আর জি/হ|দ ফী সাবীলিল্লাহর কাজে শরীক হওয়ার অসংখ্য সুরতের মধ্য থেকে যেকোনো এক বা একাধিক সুরতের উপর ব্যক্তি সক্ষম হওয়া ভিন্ন বিষয়। কি^ত|লের জন্য ভূমি অনুপযোগী হলেই সকল মুসলিম অক্ষম হয়ে যায় না। আখের শরীয়তের হুকুমের মুকাল্লাফ তো ব্যক্তি মুসলিম; ভূমি নয়। কি^ত|লের ভূমিতে থাকা একজন ব্যক্তিও জি/হ|দ থেকে অক্ষম হতে পারে, যদি সে মাজুর তথা পাগল কিংবা শিশু হয়। আবার নুসরতের ভূমিতে থাকা একজন মুসলিমও অসংখ্য সুরতেই জি/হ|দে শরীক হওয়ার উপর সক্ষম হতে পারে। নুসরতের ভূমিতে জন্মগ্রহণকারী সকল মুসলিম অন্ধ কিংবা পঙ্গু নন। সুতরাং আমাদের কর্তব্য হলো, দিনের পর দিন অক্ষমতার অজুহাত দিয়ে বসে না থেকে সক্ষমতার জায়গাগুলো খুঁজে খুঁজে কাজে লাগানো এবং ধারাবাহিক মেহনত ও প্রস্তুতির মাধ্যমে ক্রমাগত সক্ষমতা বাড়ানো। সক্ষমতার ক্ষেত্রে দুনিয়ার স্বভাবজাত সুন্নাহ সক্ষমতার ক্ষেত্রে দুনিয়ার স্বভাবজাত সুন্নাহ ও নেজামই হচ্ছে, অক্ষমতার দোহাই দিয়ে বসে থাকলে, অক্ষমতা বাড়তেই থাকে। আর আল্লাহ যতটুকু দিয়েছেন ততটুকু ফরয আদায় করলে এবং সক্ষমতা বাড়ানোর চেষ্টা করলে দিন দিন দুর্বলতা কমতে থাকে এবং সক্ষমতা বাড়তে থাকে। এবিষয়ে ইতিহাস এবং বাস্তবতা থেকে হাজারো নজির পেশ করা যাবে, তবে কলেবর বৃদ্ধির আশঙ্কায় এখানে আমরা সে আলোচনায় যাচ্ছি না। কি^ত|লের সক্ষমতা ও জি/হ|দের সক্ষমতা আলাদা বিষয় শত্রুর সঙ্গে সরাসরি সশস্ত্র লড়াই হচ্ছে কি/ত|ল। পক্ষান্তরে জি/হ|দের অর্থ আরও ব্যাপক ও বিস্তৃত। কি/ত|ল এবং কি/ত|লের উদ্দেশ্যে সম্পাদিত সংশ্লিষ্ট অন্যান্য জরুরি কাজগুলো হচ্ছে জি/হ|দ । শরীয়াহ সম্মত কি/ত|ল তথা সশস্ত্র যু/দ্ধের জন্য দাওয়াত থেকে শুরু করে অর্থায়ন, সমরাস্ত্র আবিষ্কার, তৈরি, সরবরাহ, শত্রুর তথ্য সংগ্রহের জন্য গো'য়ে'ন্দাগিরি, জি/হ|দের জন্য সৈনিক সংগ্রহসহ যা কিছু জরুরি, কি/ত|লের নিয়ত ও পরিকল্পনার অধীনে সম্পাদিত এরকম সবগুলো কাজই জি/হ|দের সংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত। উলামায়ে কেরাম এ বিষয়গুলোকে জি/হ|দের সংজ্ঞায় অন্তর্ভুক্ত হিসেবেই উল্লেখ করেছেন। ✍️শায়েখ তামিম আল আদনান
видео или голосовое, без подписи
এনসিপি মূলত সেক্যু ব্রাহ্মণ্যবাদীদের গর্ভে জন্ম নেওয়া লালনবাদী ও বহুত্ববাদী আইডিওলজি, যার ইন্টারনাল ডিএনএ-তেই আল্লাহ-দ্রোহী সেন্টিমেন্ট মিশে আছে..! এই দল কিছুদিন আগে প্রকাশ্যে নাস্তিক্যবাদী বাউলের পক্ষে পলিটিক্যাল পজিশন নিয়েছে, যেখানে বাউলরা প্রকাশ্যে আল্লাহ'র সাথে বিদ্রোহ ও গালি দিয়েছিলো। যাদের কাছে আল্লাহ'র সম্মানের চেয়ে বাউলদের সম্মান বেশি! তাদের জন্য মায়াকান্না করা বোকাচণ্ডীতা। আর নাছির উদ্দীন পাটোয়ারী কিছুদিন আগে নারীর পোশাকে স্বাধীনতার পক্ষে ফেসবুকে স্টেটমেন্ট দিয়েছে। সান্ডা মাহফুজ তো কট্টর সেক্যু ও লালবাদী মব মাহফুজ। হাসনাত আব্দুল্লাহ হচ্ছে লিবারে সেক্যু, অর্থাৎ ইন্টারফেইথ ধর্মের চর্চা করে, কিছুদিন আগে মাজার ভাঙ্গা নিয়ে কমেন্ট করছে, যে কারো অধিকার নেই মাজার ভাঙ্গার বা সিনেমা হল বন্ধ করার। অথচ ইসলাম বলে যেখানে মাদক, ভণ্ডামি ও অশ্লীলতা হয় সেখানে বাধাপ্রধান করা এবং বন্ধ করা মুমিনের কর্তব্য। এনসিপির হিজাবিগুলো এক-একটা বেগম রোকেয়ার আইডিওলজিক্যাল উইং। প্রগতি চিন্তার নেডিবাদী। সর্বশেষ এনসিপি হচ্ছে জুলাই বিক্রি করা প্রথম ভিলেন বা গাদ্দার, উপদেষ্টায় গিয়ে বিতর্কিত হয়ছে, অবৈধ টাকার পাহাড় করছে। এঁদের যখন খারাপ সময় আসে, তখন কুরআনের আয়াত বর্ণনা করে, পাব্লিকদের বুঝায় আমরা আল্লাহকে ঔন করি আর যখন ভালো সময় আসে তখন কুরআন ও আল্লাহ'র বিধানের ভুল ব্যাখ্যা করে। সাধারণ ইসলামপন্থীদের বিরুদ্ধে গিয়ে ন্যারেটিভ ফ্রেমিং করে সেক্যুলার সাজে, এবং মুসলিমদের ক্রিমিনালাইজড করে। তাদের উচিৎ প্রকাশ্যে নিজেদের আইডেন্টিটি— ও আইডিওলজিক্যাল পজিশনিং ক্লিয়ারিফাই করা..! ইন্টারফেইথ মার্কা পলিটিক্স দিয়ে বাংলাদেশে বেশিদিন সাস্টেইন করতে পারবে না, যদিও তারা এখন মাইর খাচ্ছে। এই অবস্থার পিছনে তারাই সবচেয়ে বেশি দায়ী।
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи