Times Of Era
Статистикаদেশ, জাতি, মুসলিম উম্মাহ, ফিলিস্তিন ইস্যু সহ বিশ্বের সকল গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে খবরাখবর এবং বিশ্লেষণ ধর্মী পর্যালোচনা পেতে চোখ রাখুন আমাদের চ্যানেলে [Times Of Era]
- Последний пост
- 13 авг.
- Последнее чтение
- 15 авг.
- Постов за неделю
- 7
- Всего постов
- 27
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- Категория
- Новости и СМИ (по похожим)
- В каталоге с
- 13 авг.
- 1/24сутки в ленте
- 506
- 1/48двое суток
- 579
- 1/72трое суток
- 625
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
আজকে আরব আমিরাত ইরানে 1.5 টন স্বর্ণ পাঠিয়েছে যার মুল্য ২০০ মিলিয়ন ডলার। আরব আমিরাত দিয়েই শুরু হলো ইরানকে গুরু মানা। আজকে থেকে শুরু হলো ইরাক থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার। ৩০শে সেপ্টেম্বরের মধ্যে সম্পূর্ণ সেনা প্রত্যাহার করে নিবে আমেরিকা। ইরাকের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন - আমাদের ভূখণ্ডে থেকে আমাদের প্রতিবেশিকে হামলা করবে এটা হতে দেওয়া হবে না। ইরানের সুপ্রিম লিডারের উপদেষ্টা আকবার সাহেব বলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের কোন রকম দাদাগিরি আর এই অঞ্চলে মেনে নেওয়া হবে না। যদিও তারা চোরা পথ বেছে নিয়ে বর্তমানে হামলা করতেছে, এটার ফায়সালাও আমরা করবো। আমেরিকার সিনেটর বলেছেন যুক্তরাষ্ট্র পরাজিত হয়েছে এটাই সত্য। ট্রাম্প যে মিথ্যার ফুলঝুরি ছড়াচ্ছে তাতে আমেরিকার মান বাড়ছে নাকি কমছে এটা যেন ট্রাম্প ভেবে দেখেন। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রী আব্বাস আরাগচী বলেছেন গুজব ছড়ানোর চেয়েও সবচেয়ে বড় ট্রাজেডি হচ্ছে আমেরিকার গোয়েন্দা সংস্থার ভুল তথ্য প্রচার। আমেরিকার গোয়েন্দা সংস্থা ইরান সম্পর্কে যা জেনেছে এবং জানায়েছে সবই ভুল তথ্য। বারাকাল্লাহ ফি ইরান।
আমিও মনে করছি ইরানের উচিত হবে সম্পূর্ণ প্রস্তুত থাকা। ভূ-রাজনীতির শিক্ষক হিসেবে অন্তত ইতিহাস থেকে যা জেনেছি; সেটা হচ্ছে- সাম্রাজ্যবাদী রাষ্ট্রগুলো যখন পরাজিত হয়। শত্রুকে ভয়ংকর রকম আঘাত করেই বিদায় নেয়। এমনকি সভ্য(!!!!) সাম্রাজ্যবাদী বলতে যাদেরকে বলা হয়। সেই ব্রিটিশরাও কিন্তু ভারতীয় উপমহাদেশ থেকে বিদায় নেবার আগে অনেক ক্ষতি করে গেছে। এটাই সাম্রাজ্যবাদীদের স্বভাব। অতীতের সকল সাম্রাজ্যগুলো একই কাজ করেছে। তবে অ্যামেরিকান অধ্যাপক রবার্ট পেপ আজকেও বলেছেন - IRAN WILL HAVE NUCLEAR WEAPONS VERY SOON ( ইরান খুব শিগগিরই পারমাণবিক অস্ত্র পেতে যাচ্ছে) আমি ইচ্ছা করেই এই বাক্যটা ক্যাপিটাল লেটারে লিখেছি। অধ্যাপক পেইপ উনার যুক্তি দিয়েই যাচ্ছেন। তিনি আজকেও বলেছেন - ইরান আগামী দেড় থেকে দুই বছরের মাঝে পৃথিবীর সুপার পাওয়ারগুলোর একটা হবে। তিনি তাঁর যুক্তি দিচ্ছেন। প্রায় প্রতিদিনই বলছেন। তবে আমি অধ্যাপক পেইপের যুক্তি পুরোপুরি মানছি না। মাত্র দেড় বছরে একটা রাষ্ট্র আসলে সুপার পাওয়ার হতে পারে না। যদিও ইরান খুবই ধনী দেশ। মানে প্রাকৃতিক সম্পদের দিক থেকে পৃথিবীতে ৫ নাম্বার ধনী দেশ ইরান। ওদের সব কিছু আছে। কিন্তু পুরো পৃথিবীতে সুপার পাওয়ার হতে আমার ধারণা আরও সময় লাগবে। তবে এটা নিশ্চিত করেই বলা যায়- ইরান মধ্যপ্রাচ্যের কেন্দ্র বিন্দুতে পরিণত হবে কিংবা হয়েই গেছে এবং পৃথিবীর সুপার পাওয়ারও হবে। কিন্তু সময় লাগবে। আজকের এই লেখাটা শেষ করছি অ্যামেরিকান কর্নেল ম্যাক গ্রেগরের উক্তি দিয়ে। তিনি আজ বলেছেন - Trump was good at the art of the deal. Now he needs to master the art of defeat. ( ট্রাম্প ডিল (ব্যবসা) মেকিং-এ ভালো ছিল। এখন তাকে ‘পরাজয়ের শিল্প’ও রপ্ত করতে হবে।) ইরান এসে সাম্রাজ্যবাদী অ্যামেরিকার পরাজয় হয়েছে। ভুলে যাবেন না সোভিয়েত ইউনিয়ন আফগানিস্তানে এসে আঁটকে পড়েছিল। তখন সোভিয়েত ইউনিয়ন ছিল পৃথিবীর সব চাইতে শক্তিশালী দেশ। অ্যামেরিকা তখন আফগানিস্তানকে সাহায্য করেছিল। ওরা চেয়েছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন দুর্বল হোক। ১৯৮৯ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন আফগানিস্তান থেকে সরে পড়ে। আর এর ঠিক দেড় বছরের মাথায় সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন হয়। সেই সাথে শুরু হয় অ্যামেরিকান একক সাম্রাজ্য। ২০২৬ সালে ইরানে এসে অ্যামেরিকা আঁটকে পড়েছে। আর ইরানকে সাহায্য করছে কারা? রাশিয়া এবং চীন। বিশেষ করে চীন। এটা সবারই জানা। মধ্যপ্রাচ্য থেকে অ্যামেরিকাকেও সরে যেতে হবে। এরপরই দেখবেন অ্যামেরিকায় কী Chaos (বিশৃঙ্খলা) শুরু হয়। লিখে রাখেন- ইরান যুদ্ধে হারার পর অ্যামেরিকায় নানান সব বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হবে। আর এভাবেই খুব দ্রুতই অ্যামেরিকার সাম্রাজ্যেরও পতন ঘটবে। আমরা এরপর হয়ত Unipolar ( এক কেন্দ্রিক) বিশ্ব থেকে Multipolar (বহু কেন্দ্রিক) পৃথিবীতে প্রবেশ করবো। Aminul Islam
ইরান যুদ্ধ এই মুহূর্তে ঠিক কোন অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে? এই প্রশ্ন নিশ্চয় সবার মনেই ঘুর পাক খাচ্ছে। ট্রাম্প গত দুই দিনে যা যা বলেছে। এ থেকেই আপনি কিছুটা উত্তর পেয়ে যাবেন। সে বলেছে - We will keep the Strait of Hormuz blocked and gradually weaken Iran economically. (আমরা হরমুজ বন্ধ রেখে ইরানকে আস্তে আস্তে অর্থনৈতিক ভাবে দুর্বল করে দেব।) আপনাদের নিশ্চয় মনে থাকার কথা। ফেব্রুয়ারিতে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করার পর কিছুতেই পেরে না উঠে এপ্রিলের ১৩ তারিখ ট্রাম্প হরমুজ ব্লকেড শুরু করে ঘোষণা দিয়েছিল - Their whole oil infrastructure is going to explode (তাদের পুরো তেল অবকাঠামো বিস্ফোরিত হয়ে যাবে।) এরপর বলেছিল - They have a matter of days before that event takes place ( এটা ঘটতে ইরানের হাতে আর মাত্র কয়েক দিন সময় আছে) এপ্রিল পার হয়ে মে গেল। মে মাস পার হয়ে জুন, জুলাইও চলে গেল। এখন আগস্ট মাস। কয়েক দিনের কথা বলেছিল। এখন কয়েক মাস পার হয়ে গেছে। ইরানের অবকাঠামোও ভেঙে পড়ে নাই। কোন বিস্ফোরণও ঘটে নাই। আর এখন এসে বলেছে - আমরা হরমুজ বন্ধ রেখে আস্তে আস্তে ইরানকে অর্থনৈতিক ভাবে দুর্বল করবো। তো, ট্রাম্পের এই মন্তব্য শুনে অ্যামেরিকান সামরিক বিশ্লেষক কর্নেল ম্যাক-গ্রেগর বলেছেন - Doesn’t foolish Trump realize that before weakening Iran’s economy, the American economy itself could collapse? ( বোকা ট্রাম্প কি বুঝতে পারছে না, ইরানের অর্থনীতি দুর্বল করার আগে অ্যামেরিকার অর্থনীতিই ভেঙে পড়তে পারে?) তবে আমার মজা লেগেছে জার্মান সংবাদ মাধ্যম ডয়েচে ওয়েলের (DW) একটা রিপোর্টে। ওই রিপোর্টে প্রশ্ন করা হয়েছে - Wasn’t it just last week that Trump wanted to destroy Iran if it didn’t reopen the Strait of Hormuz? (গত সপ্তাহেই না ট্রাম্প ইরানকে ধ্বংস করে দিতে চেয়েছিল হরমুজ না খুললে?) এরপর ওরা বলেছে - তাহলে কেন খুলতে চেয়েছে? এর উত্তর অবশ্য দিয়েছেন ভূ-রাজনীতি বিশ্লেষক এবং ট্রাম্প প্রশাসন থেকে ইরান যুদ্ধের কারনে পদত্যাগ করা জো কেন্ট। তিনি বলেছেন - হরমুজ না খুললে শুধু অ্যামেরিকান নয়, অ্যামেরিকার মিত্র আরব দেশগুলোর অর্থনীতিও ধ্বসে পড়বে। তো, গতকাল এসে ট্রাম্প বলেছে - Hormuz is open ( হরমুজ খোলা আছে!) এই হচ্ছে ম্যানিয়াক ট্রাম্পের অবস্থা। বেলজিয়ান সাংবাদিক অ্যালাইজা ম্যাগনেইর (আমাদের সাংবাদিকদের উচিত ওর কাছে থেকে শেখা) বলেছেন - Iranians can endure a great deal of hardship, but Americans may not be able to ( ইরানিরা অনেক কঠিন পরিস্থিতি সহ্য করতে পারবে। কিন্তু আমেরিকানরা হয়তো সেটা পারবে না।) এটাই বাস্তবতা। ইরানের তো ক্ষতি হয়েছে। তাই বলে কি ইরানিরা কেউ ভেনেজুয়েলার মত হাল ছেড়ে দিয়েছে? বরং আরও ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। আমার মাঝে মাঝে জগতের দেশগুলোর রাজনীতিবিদদের দেখলে অবাক লাগে। এরা আমাদের মত অ্যাকাডেমিকদেড়র কথা শুনেই না। শত শত বছর আগের লেখা সান জু 'র (Sun Tzu) "আর্ট অব ওয়ার" বইটা তো সকল রাজনীতিবিদদের পড়ার কথা। এরা কি এইসব পড়ে না? সেখানে তো সে বলেছে - If you push an enemy into a desperate, existential situation, you can actually make them more united. (আপনি যদি আপনার শত্রুকে চরম অস্তিত্বের সংকটের মধ্যে ঠেলে দেন, তাহলে উল্টো তারা আরও ঐক্যবদ্ধ হয়ে উঠতে পারে।) ইরানে ঠিক সেটাই হয়েছে। ট্রাম্প যেদিন বলেছে - ইরানকে প্রস্তর যুগে নিয়ে যাওয়া হবে। পাঁচ ঘণ্টায় পাঁচ হাজার বছর আগের সভ্যতা ধ্বংস করে দেয়া হবে। সে দিনই ট্রাম্পের পরাজয় লেখা হয়ে গিয়েছিল। কারন একজন ইরানিও এটা মেনে নেবে না। তাহলে যুদ্ধের অবস্থা এখন কোন জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে? আপনি প্যাটার্নটা বুঝার চেষ্টা করেন। তাহলেই বুঝে যাবেন। আগের চুক্তিতে (MOU) ইরান দাবি করেছিল অ্যামেরিকা ওদের যেই টাকা জব্দ করে রেখেছে, সেটা কয়েক কিস্তিতে ফেরত দিতে হবে। এটাও বলেছিল সব ফ্রন্টে যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে। আর এখন কী বলছে? এখন বলছে- সব টাকা আগে দিতে হবে। নইলে কোন আলোচনা নয়। এমনকি ইরান এবার দাবি করেছে- শুধু লেবানন, ইয়েমেন নয়। প্যা*লেস্টাইনেও সকল রকম আগ্রাসন বন্ধ করতে হবে। চিন্তা করে দেখেন- যেখানে আরব রাষ্ট্রগুলো অ্যামেরিকার গোলামী করছে। সেখানে ইরান নিজেদের এত ক্ষতি সহ্য করেও প্যা*লেস্টাইনের স্বাধীনতার দাবি এখনও জানিয়ে যাচ্ছে। যা হোক, ওদের দাবিগুলো দেখেই আপনি বুঝতে পারবেন- যুদ্ধে কে এগিয়ে আছে। ব্রাজিলিয়ান সাংবাদিক পেপ এস্কোবার বলেছেন - এই দাবি অ্যামেরিকা যদি মেনে নেয়। এর মানে দাঁড়াবে, অ্যামেরিকার শোচনীয় পরাজয় হয়েছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে সাম্রাজ্যবাদী অ্যামেরিকা কি আদৌ ইরানের এইসব মেক্সিমালিস্ট দাবিগুলো মেনে নেবে? তাহলে তো প্রকাশ্যে পরাজয় মেনে নিতে হবে। তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মারান্ডী বলেছেন - Iran is fully prepared for another full-scale war. ( ইরান আরেকটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত।)
আজকে একদিকে এসএসসির রেজাল্ট পেয়ে স্টুডেন্টরা যখন আনন্দ করছে অন্যদিকে শিক্ষামন্ত্রী তখন স্টুডেন্টদেরকে ধ্বংস করার একটা ফন্দি বের করেছে। শিক্ষামন্ত্রী মিলন ঘোষণা দিয়েছে এখন থেকে স্কুলের শিক্ষক নিয়োগ দিবে ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা। আগে এই নিয়োগটা এনটিআরসিএ কর্তৃপক্ষ দিতো। স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান বিধায় তাদের উপর সরকারের তেমন একটা হস্তক্ষেপ ছিল না। তাই পরীক্ষা নিয়ে, বহু বাছবিচার করে তারপর যোগ্য শিক্ষককে নিয়োগ দিতে তারা। কিন্তু শিক্ষামন্ত্রী মিলন এবং বিএনপি সরকারের লোকেরা ঘুটু করে এই নিয়োগের দায়িত্বটা এখন থেকে স্কুলের ম্যানেজিং কমিটিকে দিয়ে দিয়েছে। শুধু মুখে মুখেই দেয়নি কাগজে কলমেও দিয়েছে যাতে সবসময় এটা বহাল থাকে। এমনকি এই আইনটাকে সংশোধন করে পরিপত্রও জারি করতে যাচ্ছে। শিক্ষামন্ত্রী মিলন এই কাজটা করেছে যাতে দলের লোকদেরকে, ম্যানেজিং কমিটির পাতি নেতাদেরকে ঘুষ খাওয়ার সুযোগটা করে দেয়া যায়। আগে এই শিক্ষক নিয়োগে ঘুষের সুযোগটা কম ছিল। কিন্তু এখন থেকে প্রতিবছরই ৯৮৪২ জন শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। এই নিয়োগটা ম্যানেজিং কমিটির পাতি নেতারাই দিবে। বিনিময়ে শিক্ষকদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা ঘুষ নিবে, স্বজনপ্রীতি করবে। যে শিক্ষকরা স্কুলে পড়াবে তাদের যোগ্যতা অনার্স-মাস্টার্স পাশ হতে হবে অথচ তাদেরকে যেই কমিটির সদস্যরা নিয়োগ দিবে তাদের কোন যোগ্যতাই থাকা লাগবে না। এসব টু পাশ করা ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের যোগ্যতা একটাই- তারা সরকারি দলের রাজনীতি করে, বিএনপি সাপোর্ট করে। এভাবেই লাখ লাখ টাকার ঘুষের বিনিময়ে শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে, রিডিং পড়তে না পারা লোকদেরকে মাস্টার বানানো হবে আর দেশের শিক্ষাব্যবস্থাটাকে ধ্বংস করে ফেলা হবে। চায়নার স্টুডেন্টরা জটিল জটিল রোবট বানায়, ইরানের বাচ্চা বাচ্চা ছেলেমেয়েরা আধুনিক ড্রোন বানায় অথচ আমাদের দেশের ছাত্রছাত্রীরা নেতাদের মিছিলে গিয়ে শোডাউন দেয়। আমাদের নেতারাও চায় ছাত্রছাত্রীরা সারাদিন তাদের মিছিলেই পড়ে থাকুক। কারণ স্টুডেন্টরা শিক্ষিত হয়ে গেলে প্রশ্ন করা শিখে ফেলবে, দেশের রিজার্ভের জবাবদিহিতা চাইবে। এজন্যে কোন সরকারই চায় না এদেশের স্টুডেন্টরা শিক্ষিত হোক, উন্নত হোক। শিক্ষিত হয়ে গেলে তাদের মিছিল-মিটিংয়ে লোক কমে যাবে। এজন্যেই শিক্ষামন্ত্রী মিলন আর বিএনপি সরকার মিলে আজকে এই ফন্দিটা বের করেছে। তারা একঝাঁক স্বপ্ন দেখা স্টুডেন্টদের ভাগ্যটা মাত্র টু পাশ করা ম্যানেজিং কমিটির পাতি নেতাদের হাতে ছেড়ে দিয়েছে। অথচ যেই জুলাই আন্দোলনের মাধ্যমে এই সরকার ক্ষমতায় বসেছে সেই জুলাই আন্দোলনই হয়েছিল কোটার বিরুদ্ধে, চাকরির সুপারিশের বিরুদ্ধে। কিন্তু বিএনপি সরকার এটাই আজকে চালু করেছে। এনটিআরসিএ এখন পর্যন্ত ১ লাখ ৭৭ হাজার শিক্ষককে ঘুষ বাদে চাকরির সুযোগ করে দিয়েছিল। আই রিপিট ১ লাখ ৭৭ হাজার! কিন্তু এখন থেকে সেই একই চাকরি নিতে হলে ঘুষ দিতে হবে, নেতাদের পায়ে ধরতে হবে। যতই যোগ্যতা থাকুক কাজে দিবে না। অথচ জুলাইয়ে সবাই স্বপ্ন দেখেছিল দেশটা একটু পরিবর্তন হবে, শিক্ষাব্যবস্থাটা পরিবর্তন হবে। কিন্তু সেসব আর হবে না। একঝাঁক আশা নিয়ে আপনিও হয়তো একদিন স্বপ্ন দেখেছিলেন শিক্ষক হবেন, চাকরি করবেন। ঘরে অসুস্থ বাবা-মায়ের স্বপ্নটা পূরণ করবেন। কিন্তু অনার্স শেষ করে চাকরি নিতে গিয়ে দেখবেন মেধা থাকা থাকা সত্ত্বেও চাকরিটা হচ্ছে না। ফাইল ভর্তি সার্টিফিকেট আর মাথাভর্তি মেধা নিয়ে আপনি হন্য হয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরবেন কিন্তু কোন কাজ হবে না। কারণ নেতাকে লাখ টাকা ঘুষ দিয়ে আরেকজন আপনার চাকরিটা নিয়ে নিয়েছে। তখন মলিন মুখ দেখে আপনার অসুস্থ বাবা-মাও চাকরি হয়েছে কিনা জিজ্ঞেস করবে, খোটা দিয়ে দুটো কথা শুনাবে। এসব ট্রমা আর ডিপ্রেশনে পড়ে শত শত চাকরি পরীক্ষার্থীরা আত্মহ*ত্যার পথটাও বেছে নিবে। এ মৃত্যুতেও তাকেই দোষারোপ করা হবে। অথচ কেউ জানবে না এ দেশের সরকার লাখ টাকা ঘুষের বিনিময়ে স্টুডেন্টদের স্বপ্নটা পাতি নেতাদের কাছে বিক্রি করে দিয়েছে - Ibrahim Khalil Shawon
বেসরকারি স্কুল-কলেজে প্রবেশ পর্যায়ে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির হাতেই দিচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এর ফলে এখন থেকে আর শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করতে পারবে না বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রণালয়। এবার রাজনৈতিক শাখাপ্রশাখা সৃষ্টি হবে স্কুল-কলেজ গুলোতে। বিশেষ করে বিএনপি নিয়ন্ত্রিত স্কুল গুলোতে তাদের লোকজন নিয়োগ হবে আবার জামায়াতে ইসলামী নিয়ন্ত্রিত স্কুল গুলোতে তাদের লোক নিয়োগ হবে। এটির পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ এনটিআরসিএ হাতে থাকা উচিৎ ছিলো। যাতে রাজনীতির বাহিরের যথাযথ যোগ্যতা রাখা মানুষ গুলোই সুযোগ পেতো এই পেশায় আসার... সরকারের উচিৎ এই বিষয়টি নিয়ে আবারও বিবেচনা করা।
রাসুল (স:) বলেছেন শেষ জামানার মাওলানা আসমানের নীচে সর্বনিকৃষ্ট প্রানী বায়হাকি ২৭৬ মিশকাত। বর্তমান সময়ে দেখুন আমাদের মাওলানারা মালহামা আসন্ন পরমানু বিশ্বযুদ্ধের হাদিস নিয়ে ওয়াজ করেনা, ২০০০ বছর পরে ইস্রাইলে ইহুদিরা প্রবেশ করে জেরুজালেমকে ইস্রাইলের রাজধানী বানিয়েছে সেকথা যে কোরআন হাদিসে শেষ জামানার আলামত হিসেবে উল্লেখ রয়েছে সে বিষয় নিয়ে আমাদের মাওলানারা আমাদের শিক্ষা প্রদান করেনা।সুরা আম্বিয়ার ৯৫ তম আয়াত অনুসারে ইয়াজুজ মাজুজ যে ছাড়া পেয়েছে সে বিষয়ে আমাদের মাওলানারা আমাদের শিক্ষা প্রদান করেনা।ইলেকট্রনিক মুদ্রা যে হারাম সে বিষয়ে তারা ফতোয়া দ্যায়না, ইসলামের মুদ্রা যে দিনার দিরহাম সে বিষয়ে তারা শিক্ষা প্রদান করেনা,কোরআনে সুরা রুম নামে আল্লাহপাক একটি সুরা নাজিল করেছেন হাদিসে বলা আছে শেষ জামানায় মুসলমানদের রুমের সাথে সন্ধি হবে সেই রুম যে রাশিয়া সে বিষয়ে আমাদের মাওলানারা শিক্ষা প্রদান করেনা।এইরকম অসংখ্য বিষয় নিয়ে আমাদের মাওলানারা একেবারে চুপ হয়ে গিয়েছে তারা দাজ্জালের বর্তমান ফিতনা নিয়ে আলোচনা করেনা। আমাদের মাওলানারা এইভাবে কোরআন হাদিসের সাথে বেঈমানি করেছে এই কারনে কিয়ামত দিবসে তাদের আল্লাহর কাছে হিসাব দিতে হবে।আর আমি কোরআন হাদিস গবেষনা করে যে সত্য প্রচার করিতেছি তা প্রচার হবে।কারন আমি যদি সঠিক শিক্ষা দেই সেই সত্য আল্লাহপাক প্রচার করবেন। বিশ্ববরেন্য শায়খ ইমরান নজর হোসেন।
আজকে ইরান বলেছে আমাদের সাথে সমঝোতা করলে আমাদের কিছু শর্ত আছে তা মানতে হবে। মানলে সমঝোতার আলাপ হবে, অন্যথায় এই আলাপও আর হবে না। শর্তগুলি কি কি ছিল চলুন দেখে নিই -- ১) ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মুজতবা খামেনির বিরুদ্ধে কোন হুমকি ধামকি দেওয়া যাবে না। ২) ইরান এবং তার আঞ্চলিক মিত্রদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে হবে। ৩) ইরানের বিরুদ্ধে সকল প্রকার নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে হবে। ৪) ইরানের উপর যে নৌ অবরোধ আছে তা সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাহার করতে হবে। ৫) সাম্প্রতিক সংঘাতে ইরানের যা যা ক্ষতি হয়েছে সেই ক্ষতিপূরণ সম্পূর্ণ যুক্তরাষ্ট্রকে বহন করতে হবে। ৬) বিদেশে আটকে থাকা সকল অর্থ ইরানকে ফেরত দিতে হবে। আমেরিকা শুধু হার মেনে চলে যাবে তা হবে না। ইরান এবার আমেরিকাকে সেই রকম ভাবেই ধরেছে। ইয়েমেনের হুতিরা সৌদি আরবের আরামকোতে হামলার জবাবে এখনো পাকিস্তান বা তুরস্ক থেকে কোন রিয়েকশন পাওয়া যায় নাই। এই ফাঁকে হুতিরা সৌদির আল জুবাইল এলাকায় আরও দুইটা মিশাইল মেরেছে। আল মুখা এলাকায় আরো একটা মিশাইল মেরেছে। মানে হুতিরা খুব ভাল ভাবেই ধরে বসেছে সৌদিকে। একটি গুরুত্বপূর্ণ নিউজ হচ্ছে ইসরায়েলের টিভি চ্যানেল ১৩ থেকে বলা হয়েছে ইসরায়েল একাই ইরানের সাথে যুদ্ধ করতে প্রস্তুতি নিতেছে। এদিকে ইরান ইসরায়েলের সবচেয়ে দামী একটা ড্রোন গোয়েন্দাগিরি চালানোর সময় ইরান শ্যুড ডাউন করেছে। বারাকাল্লাহ ফি ইরান।
বাবরি মসজিদ ঢাকা ও জামিয়াতুত তারবিয়াহ আলইসলামিয়ার নির্মাণ কাজে অনুদান দিয়ে সাদকায়ে জারিয়ায় অংশ নিন আপনিও! 🔹 মসজিদের ১ স্কয়ার ফিট নির্মাণ ব্যয় ৩,০০০ টাকা। 🔹 একটি জায়নামাজের সমপরিমাণ (৮ স্কয়ার ফিট) জায়গা নির্মাণে খরচ ২৪,০০০ টাকা। 🔹 অথবা যে কোনো পরিমাণ অর্থ দিয়েও সহযোগিতা করতে পারেন। দেশ-বিদেশের যেকোনো পেমেন্ট মেথড থেকে সহজে অনুদান পাঠাতে ভিজিট করুন- https://tagleebedin.com/babri-masjid/ বিকাশ ও নগদে অনুদান পাঠাতে- 01737241621 ব্যাংকে অনুদান পাঠাতে- Bank Name: Islami Bank Bangladesh Limited Branch: Kalatia Bazar Sub-Branch, Dhaka Account Name: Babri Masjid Dhaka Account Number: 20506640200295607 বার্ষিক ১০ হাজার টাকা পরিশোধ করে আজীবনদাতা সদস্য হতে যোগাযোগ করুন: 01339-491061 (WhatsApp)
১। বসুন্ধরাকে সারাদেশে জ্বালানি আমদানি ও সরবরাহের অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে। এমনকি বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) এর চেয়ারম্যান এটাতে আপত্তি জানালে তাকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ঠিক কত পার্সেন্টে ডিল হয়েছে এইটা জনগণ জানতে চায়। টেন পার্সেন্টের কমে তো ডিল হওয়ার কথা না। বিপিসি আটচল্লিশ হাজার কোটি টাকা লাভ পাওয়া প্রতিষ্ঠান। সেখানে বসুন্ধরাকে ঢোকানোর জন্যে যে ডিল হয় তা হাজার কোটি টাকার নিচে হওয়ার কথা না। ২৷ ইন্টেরিমের সময় ২৯৫ টা ঔষধের দাম নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছিলো। যেগুলোর দাম কোম্পানিগুলো চাইলেই বাড়াতে পারতো না। ইন্টেরিমের সময় স্বাস্থ্য খাতে এই সংস্কার নিয়ে বিএনপিরও কোন আপত্তি ছিলো না। এখন ঔষধ কোম্পানির থেকে কত পার্সেন্ট খেয়ে সালাউদ্দিন তারেকের সরকার কোম্পানিগুলোকে দাম নির্ধারণের সুযোগ দিচ্ছে তা জানা নাই। তবে এখানেও টেন পার্সেন্টের বেশি কমিশন খাচ্ছে এতটুকু নিশ্চিত। ৩। একশো বাস নামানো হচ্ছে কোন টেন্ডার ছাড়া। সম্পুর্ন গোপনে এইটা করা হচ্ছে বাংলাদেশের প্রকিউরমেন্ট নীতিমালার বাইরে এসে। এখানেও টেন পার্সেন্টের কম নেওয়ার কথা। ৪। সালাউদ্দিন আহমেদের ছেলেকে পার্টনার বানিয়ে জাপানি প্রজেক্ট আসছে যেখানে সালাউদ্দিন আহমেদের ছেলে দুই হাজার কোটি টাকার বেশি পাবে। সালাউদ্দিন আহমেদের সংবিধান রক্ষার আড়ালে ঠিকই পার্সেন্টেজ পাচ্ছে। আর সালাউদ্দিন আহমেদকে যারা সাপোর্ট দিচ্ছে আমাদের ছাত্রদল যুবদলের ভাই বেরাদারদের টেম্পু স্ট্যান্ডে চান্দা তোলা ছাড়া আর কোন আয়ের উৎস নাই। আমরা সম্ভবত টেন পার্সেন্টের যুগ পার হয়ে এসেছি। এখন আর টেন পার্সেন্টে হচ্ছে না। কত পার্সেন্টে হচ্ছে এইটাই জনগণ আসলে জানতে চায়।
১১৭ থেকে বাড়িয়ে ২৯৫ টি ঔষদের দাম নিয়ন্ত্রণে নিয়েছিল ইউনুস সরকার। সহজ করে বললে ২৯৫ টি ঔষদের দাম কম্পানিগুলো চাইলেও বাড়াতে পারতো না সেই নীতি করে গিয়েছিলেন ইউনুস। অথচ সেই নীতি বাতিল করে আবারো আগের জায়গায় ফিয়ে যাওয়া হয়েছে যেখানে ১৭৮ টি ঔষদের মধ্যে উচ্চরক্তচাপ, ডায়বেটিস ও ক্যান্সার সহ নানা জটিল রোগের ঔষধ রয়েছে। আচ্ছা এই যে পরিবর্তন টা করতেছেন তা কার স্বার্থে? ছাত্রদলের স্বার্থে? যুবলের? তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের স্বার্থে? সাধারণ মানুষের স্বার্থে? মানে কার স্বার্থে আবারো ১৭৮ টি ঔষদের দাম নির্ধারণের ক্ষমতা কম্পানিগুলোর হাতে দিয়ে দিচ্ছেন? কত টাকার বিনিময়ে এরা রিকশা চালক বি এন পির সমর্থকটার ঔষধের দাম বাড়িয়ে দিলো? ২/১ জন এমপি মন্ত্রীর এত ক্ষমতা যারা পুরো দেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলে!!! আমরা এতটাই কপালপোড়া জাতি যে, আমাদের বিষমুক্ত কোনো খাবার নেই এমনকি শিশু খাদ্যতেও বিষ রয়েছে। অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে যাবেন সেখানেও নিস্তার নেই, আপনার পকেট কাটার জন্য ঔষধ কম্পানিগুলো সরকারের ক্ষমতাধর ২/১ জনের পকেট ভরে দিয়েছে। আমি রাজনীতি করি না, তাই আমি চুপ। আমি বিএনপির কর্মী/সমর্থক আমি কথা বললে নেতা শাসাবেন। আমি বিএনপির পাতি নেতা, লিডারের কাছে কিছুদিন ঘুরলেই ঔষধের দাম ম্যানেজ হয়ে যাবে। আমি মাঝারি নেতা, আমার এসবে কথা বলা মানায় না, বড় নেতারা না খাইলে আমরা চলমু কেম্নে! আমি বিরোধী দল, সংসদে আমাদের বেশ সুনাম আছে, সরকারি দলের সাথে বোঝাপড়া বেশ, লোকে যাকে কুসুম কুসুম বিরোধিতা বলে, যা বলবো সংসদেই বলবো। বাইরে যা গরম! চাইলেই কি রাজপথে নামা যায়! PUSAB
ঢাকেশ্বরী মন্দিরে সমকামী বিয়ের ঘটনায় শাস্তির দাবি ১২৩০ নাগরিকের https://www.dailyamardesh.com/national/amdfv236bh4ej
ঘটনা তো আরেকটা ট্রাম্প যে মধ্য প্রাচ্যের সব রাজাদের উপর চাপালেন যে তাদের অনুরোধে ইরানের প্রাচীন সভ্যতার দিকে চেয়ে বড় হামলা স্থগিত করা হলো। আসল ঘটনা এটা না। এইটা পুরাটাই ফেইক নিউজ ছিল। আসল ঘটনা হলো ট্রাম্পের দূর্বলতা। ১) অন্যান্য সরকারের চেয়ে ট্রাম্প সবচেয়ে বেশি খরচ করে ফেলেছেন যেটা এখন জবাবদিহিতার আয়তায় রয়েছে। ট্রাম্প গদি থেকে নামলেই এরেস্ট হতে পারেন। ২) এই আধুনিক বিশ্বে পারমাণবিক বোমা ব্যবহার নিষিদ্ধ আছে। তারপরও যদি আমেরিকা একান্ত প্রয়োজন মনে করে সেটা ব্যবহার করতে পারে কিন্তু ইরান কি এমন করেছে যে ইরানের উপর একান্ত প্রয়োজন হলো বোমা মারার। ইরানের কোন দোষ আছে কি? ইরান কি আগে কাউকে উস্কানি দিয়েছে? ইরান কি কারো ক্ষতি করেছে? ইরান কি কাউকে দখল করে নিতে চেয়েছে? কিংবা দখল করে নিয়েছে কি? এতগুলি প্রশ্নের সব উত্তর হইলো -- ' না '। এখানেও ট্রাম্প জবাবদিহিতার আয়তায় আসবে এবং সাজা নিশ্চিত করবে এই অপরাধ। তাই ট্রাম্প বেকায়দায় পড়ে পিছু হটেছেন। ইরানের সাথে কথা হয়েছে আমেরিকার। একটা বিষয়ে অস্পষ্ট ছিল হরমুজ প্রণালী ব্যাপারে। এবার ইরান এই সুযোগ হাতছাড়া করেনি। ইরান প্রথমেই যে প্রস্তাব দিয়েছে সেটা হলো হরমুজ নিয়ে কোন কথা হবে না। হরমুজ ইরানের অধীনে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণাধীন থাকবে।। আমেরিকা একেবারে চুপ হয়ে গেছে। আবার হয়তো কাল কথা হবে। তবে কথা চলছে। ইসরায়েলের চ্যানেল ১৪ টেলিভিশনের রিপোর্ট ",Trump is a madman that no one believes anymore ". ( ট্রাম্প পাগলকে আর কেউ কোনদিন বিশ্বাস করবে না)। আজ সিরিয়ার প্রত্যন্ত অঞ্চলে ইসরায়েল গ্রাউন্ড এটাক করে ফের কিছু জায়গা দখল করে নিয়েছে। আজকেও ইরান আরেকটা MQ9 ড্রোন শ্যুট ডাউন করেছে হরমুজে। গতকাল যে কুর্দিস্তানে গ্রাউন্ড এটাকের কথা বলেছিলাম সেখানে ২৩ জন ব্রিগেড কমান্ডোকে হত্যা করেছে ইরান। "এরবিল এবং সোলায়মানিয়াহ" নামক দুই জায়গায় এই অপারেশান চালায় তারা। আজকেও ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রী আব্বাস আরাগচী পাকিস্তান এবং সৌদি আরবে টেলিফোন করেছেন। এই টেলিফোনের পরই বেরিয়ে আসে আসল তথ্য। সৌদি থেকে কেউ ইমেইল বা ফোন করেনি ট্রাম্পের কাছে। Benzen
আমাদের নীরবতায় সমকামিতা বা সমকামী বিবাহ যদি রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পেয়ে যায়, সেই দায় আমরা কেউ এড়াতে পারবো না। ২ মিনিট ব্যয় করে আপনার প্রতিবাদ জানিয়ে দিন। https://forms.gle/S5tGQBc5CQcEUMeV7
১. ২০১৯ সালে চিলির সান্তিয়াগো সারিলোস শহরে গুগল ২০০ মিলিয়ন ডলারের ডেটা সেন্টার তৈরির পরিকল্পনা করে। বাংলাদেশে যে রকম ডেটা সেন্টার তৈরির আলোচনা চলছে চিলির ডেটা সেন্টারও একই রকম হওয়ার কথা ছিলো। সেখানেও দৈনিক প্রচুর পরিমাণ ভূগর্ভস্থ পানির প্রয়োজন ছিলো। আয়তনে বাংলাদেশের ৬ গুণ বড় এবং প্রায় পুরো দেশই সমুদ্র উপকূলবর্তী হওয়া সত্ত্বেও চিলির সরকার তাদের ভূগর্ভস্থ পানির অপ্রয়োজনীয় অপচয় করতে চায় নি। যার কারণে ২০২৪ সালে চিলির পরিবেশ সংক্রান্ত আদালত প্রকল্পটির অনুমোদন স্থগিত করে দেয় এবং কুলিং সিস্টেমে পানির ব্যবহার বন্ধের নির্দেশ দেয়। ২. ২০১৯ সালে উরুগুয়ের কানেনোনেস শহরে গুগল একটি ডেটা সেন্টার তৈরির পরিকল্পনা করে। এটাও বাংলাদেশে নির্মিতব্য ডেটা সেন্টারের মতোই ওয়াটার কুলিং সিস্টেমে চলার কথা ছিলো। এই ডেটা সেন্টার পরিচালনার জন্য দৈনিক ৭৬ লক্ষ লিটার সুপেয় পানির প্রয়োজন ছিলো। উরুগুয়ের পরিবেশবাদী ও সাধারণ জনগণ এটা জানার পর একযোগে রাস্তায় নেমে আসে এবং এই ডেটা সেন্টার তৈরির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানায়। জনগণের প্রতিবাদের মুখে গুগল এই পরিকল্পনা ছোট করতে এবং পানির বদলে এয়ার-কুলিং সিস্টেম ব্যবহার করতে বাধ্য হয়। ৩. ২০২০ সালে নেদারল্যান্ডসের জিওল্ড শহরে মেটা ২০০ মেগাওয়াটের হাইপারস্কেল ডেটা সেন্টার তৈরি করতে চেয়েছিলো। এই খবর শোনার পর স্থানীয় জনগণ তাদের কৃষি জমি নষ্ট হওয়া এবং জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুৎ ডেটা সেন্টারে অপচয়ের প্রতিবাদে আন্দোলন শুরু করে। স্থানীয় জনগণের অনড় অবস্থানের কারণে দেশটির সিনেট সরকারি জমি মেটার কাছে বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়। বাধ্য হয়ে মেটা ২০২২ সালে প্রজেক্টটি বাতিল করে। উল্লেখ্য যে, যুক্তরাজ্যভিত্তিক এআই কোম্পানি এডিক বাংলাদেশে যেই ডেটা সেন্টার তৈরি করতে চাচ্ছে সেটাও ২০০ মেগাওয়াটের। সেখানেও একই পরিমাণ বিদ্যুতের প্রয়োজন হবে। ৪. আয়ারল্যান্ডের ডাবলিন শহরকে বলা হতো ডেটা সেন্টারের রাজধানী। গুগল, ফেসবুক, মাইক্রোসফটসহ প্রায় সকল টেক জায়ান্টেরই ডেটা সেন্টার আছে এই শহরে। এক হিসেবে দেখা গেছে, আয়ারল্যান্ডের মোট বিদ্যুতের ২৫% এরও বেশি গ্রাস করে ফেলছিলো ডেটা সেন্টারগুলো। যে কারণে বিগত কয়েক বছরে দেশটির সরকার ডাবলিন শহরে নতুন করে ডেটা সেন্টার চালুর অনুমোদন বন্ধ করে দিয়েছে। ৫. অতি সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার মন্টেরি পার্ক শহরের নাগরিকরা ভোটের মাধ্যমে তাদের শহরে ডেটা সেন্টার তৈরি স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করেছে। একইভাবে নিউ ইয়র্ক অঙ্গরাজ্য পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়নের জন্য ৫০ মেগাওয়াটের বড় ডেটা সেন্টারের অনুমোদন ১ বছরের জন্য স্থগিত করেছে। ৬. পৃথিবীর সব দেশের সরকার ও জনগণ যখন পরিবেশ, পানি ও বিদ্যুৎ রক্ষা করতে তাদের দেশে ডেটা সেন্টার তৈরি বন্ধ করে দিচ্ছে, টেক জায়ান্টরা তখন নজর দিচ্ছে বাংলাদেশের মতো তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে। বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের লোভ দেখিয়ে ডেটা সেন্টার তৈরির পথ খুঁজছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো, এদেশের কিছু দালাল ও চাটুকার সন্তান বাংলাদেশে ডেটা সেন্টার নির্মাণের পক্ষে যুক্তি তৈরি করছে। একবার চিন্তাও করছে না, যুক্তরাষ্ট্র বা নেদারল্যান্ডসের মতো দেশ যেখানে ডেটা সেন্টার তৈরির বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে সেখানে নিশ্চয় কোনো কারণ আছে। সাময়িক সুবিধার জন্য এরা দেশের চিরস্থায়ী ক্ষতি করতেও দ্বিধা করছে না।
видео или голосовое, без подписи
একে একে সব মামলায় জামিন হয়ে যাচ্ছে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার উস্কানিদাতা ও আলিফের খুনির। বিএনপি ইসকনকে থামাবে তো দূরের কথা; মির্জা ফখরুল উলটো ইসকন মন্দিরে শুভেচ্ছা জানাতে যায়। এর পেছনে অবশ্য কারণ আছে। ইসকন মন্দিরে যেতে দেখে যদি ভারতীয় আব্বুরা খুশি হয়ে রাষ্ট্রপতির পদের জন্য একটু তদবির-টদবির করে আর কি।
ইরান যুদ্ধ নিয়ে আমেরিকার অস্পষ্ট কৌশলে উপসাগরীয় দেশগুলোর ক্ষোভ বাড়ছে! ইরানের বারবার হামলার মুখে নিজেদের অরক্ষিত মনে করছে তারা! আমেরিকার কাছে আরও আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র চেয়েছে উপসাগরীয় মিত্ররা! নতুন করে নিরাপত্তার নিশ্চয়তাও চেয়েছে তারা! "প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের রাজনৈতিক দুর্বলতাগুলো সম্পর্কে তেহরান সচেতন! কূটনীতি ব্যর্থ হলে নতুন মার্কিন হামলার অপেক্ষা করা হবে না! বিপ্লবী গার্ড আগাম হামলার বিষয়টি বিবেচনা করছে!" : একজন ইরানি কূটনীতিক - দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল
আল জাজিরার এই মুহুর্তের ব্রেকিং নিউজ হচ্ছে - Trump cancels attacks on Iran, calls for a ‘rapid deal’ on Strait of Hormuz (ইরানের ওপর হামলা স্থগিত করলো ট্রাম্প, হরমুজ প্রণালি নিয়ে ‘দ্রুত চুক্তি’র আহ্বান) ইরানকে প্রস্তর যুগে নিয়ে যাবে। একটা আস্ত সভ্যতা পাঁচ ঘন্টায় ধ্বংস করে দেবে। এইসব তো আগেই বলেছে। আজ রাতেও ইরানের তেল-গ্যাস ক্ষেত্র, বিদ্যুৎ, পানি শোধানাগার এইসব ধ্বংস করে দেবার হুমকি দেয়া হয়েছিল। পেরেছে? এখন এসে বলছে - দ্রুত হরমুজ চুক্তি চাই। এখন প্রশ্ন হচ্ছে - Why didn't Trump attack? (ট্রাম্প কেন হামলা করলো না?) কারন এই হামলা করলে আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্প নিজেই আর টিকে থাকতে পারবে না। সে নিজের মুখেই স্বীকার করেছে - আমাদের তেলের রিজার্ভ আর চার সপ্তাহ আছে। এর মাঝে দুই সপ্তাহ পার হয়ে গেছে। হরমুজ না খুলতে পারলে পৃথিবীর অর্থনীতিই ধ্বংসে পড়বে। ভুলে যাবেন না, লোহিত সাগরে সৌদি আরবের জন্য বাব আল মান্দেব প্রনালীও বন্ধ হয়ে আছে। গতকাল রাতেই তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মারান্ডি হাসতে হাসতে এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন - আমেরিকা হামলা করলে ইরান আর হুতিরা মিলে ইসরাইল আর সাম্রাজ্যবাদী আমেরিকার দাস আরব দেশগুলোর সকল তেল -গ্যাস ক্ষেত্র ধ্বংস করে দেবে। আমেরিকান ভূ-রাজনীতি বিশ্লেষক অধ্যাপক মেইর শেইমার বলেছেন - আরব ফ্যামিলি ডিকটেটরগুলো এক সপ্তাহও টিকে থাকতে পারবে না; ইরান যদি সত্যিই হামলা করে। এদিকে আমেরিকান সামরিক বিশেষজ্ঞ কর্নেল ম্যাক গ্রেগর বলেছেন - আমেরিকার যদি সামর্থ্য থাকতো, তাহলে এতদিনে ঠিকই ট্রাম্প হরমুজ খুলে ফেলতো। মূল বিষয় হচ্ছে, আমেরিকার সেই সামর্থ্য নেই। ট্রাম্প আজ নিজ মুখে বলেছে - আরব দেশগুলো আমাকে হামলা না করে চুক্তি করার কথা বলেছে। কারন অসভ্য, ব*র্বর আরব শেখরা জানে - ইরান যদি হামলা করে। এদের রাজতন্ত্র আর টিকে থাকবে না। সবাইকে দেশ ছেড়ে আমেরিকা পালাতে হবে। ইরানকে এখন আর কিছু করতে হচ্ছে না। আরব শেখরাই ওদের মনিব ট্রাম্পের কাছে নিজেদের রাজতন্ত্র টিকিয়ে রাখার স্বার্থে ইরানে হামলা না করার জন্য ভিক্ষা চাইছে। ইরানে এসে ট্রাম্প শুধু আঁটকেই যায় নাই। পুরো পৃথিবীর কাছে সাম্রাজ্যবাদী আমেরিকার সামরিক শক্তির Limit (সীমাবদ্ধতা) প্রকাশ পেয়ে গেছে। যারা এক হরমুজ প্রনালী খুলতে পারছে না। তারা নাকি ইরানকে প্রস্তর যুগে নিয়ে যাবে! আমি এর আগেই লিখেছিলাম (বইতেও লিখেছি) - হরমুজে আমেরিকা দ্বিতীয়বার পরাজিত হবে। সেটাই হচ্ছে এখন। আজ আরেকটা কথা বলি - ভিয়েতনাম যুদ্ধেও আমেরিকা হেরেছিল। কিন্তু ওদের সাম্রাজ্যের কোন ক্ষতি হয় নাই। বরং সাম্রাজ্য বিস্তার লাভ করেছে। কিন্তু ইরান যুদ্ধে আমেরিকা শুধু হেরে যাচ্ছে ব্যাপারটা এমন নয়। পুরো পৃথিবী জুড়ে ওদের সাম্রাজ্যও ধ্বসে পড়ছে। এই যুদ্ধ যখনই শেষ হবে। পৃথিবী জুড়ে আমেরিকার সফট পাওয়ার আর থাকবে না। Aminul Islam
বিএনপি সরকারের অবস্থা সুবিধার না.... গ্যাস বিদ্যুৎ আর তেলের দাম অস্বাভাবিক বাড়িয়েও ম্যানেজ করতে পারছে না। শিল্পকারখানায় গ্যাস নেই। সিএনজি স্টেশনে গ্যাস নেই, বাসাবাড়িতেও অনেক অঞ্চলে গ্যাস নেই। প্রতিদিন কয়েক ঘন্টা করে লোডশেডিং... বিদ্যুতের ঘাটতি থাকায় অনেক এলাকায় পানি সরবরাহেও ঘাটতি আছে.... মাছ-মাংস, তরিতরকারির দাম ইতিমধ্যে ৫০% বেড়েছে.... ১০০ টাকার নিচে তেমন সবজি নেই... প্রতিদিন নায়ক, পার্শ্ব নায়কদের সিনেমা রিলিজ হচ্ছে৷ বিএনপি কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না৷ ফলে সবাই বিন্দাস সিনেমা বানাচ্ছে। আজকের নায়ক এমপি নাসের ভাই। ওয়াসা দেখলাম প্রায় ১৭ কোটি টাকা লস করেছে গত এক বছরে। যার ৫ মাস এই সরকারে। তবুও আড়াই লাখ টাকা ব্যয় করে সভা আয়োজন করেছে ওয়াসা। ঢাকা দক্ষিণ এশিয়ার সবচাইতে অনিরাপদ আর অপরাধপ্রবণ শহর হিসেবে শীর্ষ স্থান দখল করেছে। ঢাকা বায়ুদূষণেও ১ম হয়েছিল। সম্ভবত যানজটের শহর হিসেবেও ১ম। এরপর ঘনবসতিপূর্ণ শহর হিসেবেও ১ম হবে। বাংলাদেশ সবসময় নেগেটিভ কাজকর্মে ১ম হয়। রাস্তাঘাটে ছিনতাই, ধরে ঘরে চুরি ডাকাতি আর ধর্ষণ। একের পর এক চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ড হচ্ছে প্রতিনিয়ত। আলিফের চোখ নষ্ট করা দুর্বৃত্ত নাজমুল হাসান অনিকে ৩ দিনেও এরেস্ট করা হয়নি। অথচ আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ব্যস্ত সংবিধান সংশোধনে। আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উনার কোন মাথাব্যথা নেই। মনোনয়ন আর নিয়োগগুলো কিসের ভিত্তিতে হয়, আল্লাহ মালুম। ৬ মাস ধরে বিদেশে চিকিৎসাধীন থাকা মির্জা আব্বাসকে করা হয়েছে ঢাকা মেডিকেলের ব্যবস্থাপনা কমিটির প্রধান। মাত্র সাড়ে ৪ মাসে সরকার, ব্যাংক হতে ঋণ নিয়েছে রেকর্ড ১ লাখ ৫ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে গত ১৮ দিনে ৩টা জলদস্যুতার ঘটনা ঘটেছে। লুটপাট হয়েছে ১০ কোটি টাকার মালামাল। এভাবে চললে চট্টগ্রাম বন্দর কালো তালিকাভুক্ত হয়ে আমদানি রপ্তানি লাটে উঠবে৷ ইতিমধ্যে সব আমদানিকারক আর আন্তর্জাতিক এজেন্সিগুলো ভয়াবহ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। মধ্যপ্রাচ্য হতে চাকুরি হারিয়ে দেশে ফিরছে হাজার হাজার মানুষ। এস আলমের সব কারখানা বন্ধ হওয়াতে চাকুরি হারিয়েছে ১৩ হাজার কর্মী। কিন্তু এদের জন্য বিকল্প কোন কর্মসংস্থান এর ব্যবস্থা করা হয়নি। দক্ষিণ চট্টগ্রামের ভয়াবহ বন্যায়ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আর ত্রাণ বিতরণ নিয়ে ছিল দুর্নীতি, অনিয়ম আর চরম অব্যবস্থাপনা। রাজনৈতিক স্থানীয় নেতারা অধিকাংশ ত্রাণ বিতরণে ভুক্তভোগীদের চাইতে নিজেদের দলীয় কর্মীদেরকে প্রাধান্য দিয়েছেন। এতসব বিরূপ পরিস্থিতিতেও বিএনপি দেশের রাজনীতিতে যে ঐক্য ছিল, সেটাও ভেঙ্গে দেয়ার পথে। হামলা মামলা করে ইতিমধ্যেই এনসিপির সাথে দূরত্ব সৃস্টি করেছে। জামায়াতে ইসলামী তো তাদের জাতশত্রু। এভাবে চললে এই সরকার বেশীদিন টিকবে না। মারপিট, চোখ উপড়ানোর রাজনীতি বাদ দিয়ে বিএনপির দেশ গড়ার রাজনীতিতে মনোনিবেশ করা উচিত। আর আল্লাহর ওয়াস্তে এসব সিনেমা রিলিজ করা বন্ধ করেন। বমি আসে এসব দেখলে। Atique UA Khan
ইরানের সুপ্রিম লিডার মুজতবা খামেনি বলেছেন আমাদের জিহাদ ছাড়া আর কোন পথ খোলা নেই। সুতরাং ফায়সালা হবে জিহাদেই। গতকাল রাতে আমেরিকা এবং সৌদি আরব যৌথভাবে ইরাকে হামলা চালিয়েছে। এই ধ্বংসাত্মক হামলায় প্রায় ২৪ জন সেনা নিহত হয়েছে। অন্যান্য সহ মোট ৩৪ জন নিহত হয়। এই হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ইরান জর্ডানে আমেরিকান বেইজে মিশাইল এবং ড্রোন হামলা করেছে। ইরানের এটাও ছিল ধ্বংসাত্মক হামলা। নো সাইরেন নো এলার্ট হঠাৎ করেই হামলে পড়ে মিশাইল এবং ড্রোন। অস্ত্রাগার মোটামুটি পুরোটাই ধ্বংস হয়ে গেছে। আমেরিকা পালটা হামলার প্রস্তুতি নিতেছে। গতকাল ওমান যে প্রস্তাব দিয়েছিল হরমুজ প্রণালী ব্যাপারে, আজ ইরান তাহা প্রত্যাখ্যান করেছে। এখন সম্ভবত ইরান একলাই হরমুজ প্রণালী কন্ট্রোল করতে যাচ্ছে। চীন রাশিয়া পাকিস্তান ইরান সহ প্রায় ২৬ দেশ মিলে একটা জোট করতে যাচ্ছে। আমেরিকার আধিপত্যবাদ খুব শীঘ্রই বিলীন হচ্ছে। বারাকাল্লাহ ফি ইরান।