tgindex
Our Al Aqsa

গাজায় চলছে ঈমান নিয়ে টিকে থাকার লড়াই...

Последний пост
14 авг.
Последнее чтение
15 авг.
Постов за неделю
5
Всего постов
21
Тип
открытый
Язык
bn
Категория
Новости и СМИ (по похожим)
В каталоге с
14 авг.
Подписчики
30 912
−73 за 3 дн.
Сутки
−41
−0,13%
Неделя
 
Месяц
 
Просмотров на пост
2 532
21 постов
Вовлечённость
8,2%
к подписчикам
Постов в день
0,7
всего 21
Упоминаний
3
каналов
Охват размещения
оценка
1/24сутки в ленте
1 127
1/48двое суток
1 291
1/72трое суток
1 392

Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.

Посты

  • নেতানিয়াহু চিন্তা করে দেখেছে: আমি তো সারাক্ষণ দৌড়ের উপর থাকি!! একবার বড় ভাইকেও সেই অনুভূতি ফিল করিয়ে দেখি!!

  • 12 авг.1 176924

    প্রায় ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা গাজার বাস্তুচ্যুত মানুষের তাঁবুগুলোকে যেন জ্বলন্ত চুল্লিতে পরিণত করেছে। শীতলীকরণের কোনো ব্যবস্থা না থাকায়, নাগরিকরা ও তাদের শিশুরা এমন তাঁবুর ভেতর অসহনীয় দাবদাহের মুখোমুখি হচ্ছেন, যা সূর্যের প্রচণ্ড তাপ থেকেও তাদের রক্ষা করতে পারছে না।

  • 11 авг.1 27116из seratemuhammadsw

    ইনশাআল্লাহ ৯ সেপ্টেম্বর বাইতুল্লাহর মুসাফির হচ্ছি... কেউ সফর সঙ্গী হতে চাইলে যোগাযোগ করতে পারেন। ডিরেক্ট ফ্লাইটে ফুল প্যাকেজ ১ লাখ ৪৫ হাজার টাকা।

  • без подписи

  • 11 авг.1 40435

    কাকা 😂

  • 9 авг.2 2051043

    ফিলিপাইনের একটি বিমানবন্দরে এক ইসরায়েলির সঙ্গে একজন মার্কিন নাগরিকের হাতাহাতি!! মার্কিন নাগরিক তখন ইসরাইলিকে বলছিল "তুমি শিশু হত্যাকারী"

  • 4 авг.3 3361119

    গাজা 🩸🩸

  • 2 авг.3 5831555

    গাজা 🩸🩸

  • 2 авг.3 534462

    গাজায় আজ সকাল থেকে ২৪ জন শহীদ 🩸

  • 31 июл.3 817288из seratemuhammadsw

    . এটাই ছিল সেই প্রজন্ম, যারা মৃত্যুর দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়েও নিজের তৃষ্ণার চেয়ে ভাইয়ের তৃষ্ণাকে বড় মনে করত। কুরআনের সেই আয়াত যেন তাদের জীবনেই বাস্তব রূপ নিয়েছিল— "তারা নিজেদের অভাব থাকা সত্ত্বেও অন্যদেরকে নিজেদের ওপর অগ্রাধিকার দেয়।" (সূরা আল-হাশর, ৫৯:৯) . ইকরিমা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) একদিন ইসলামের বিরুদ্ধে তলোয়ার তুলেছিলেন। কিন্তু জীবনের শেষ প্রহরে তিনি এমন এক উত্তরাধিকার রেখে গেলেন, যা প্রমাণ করে—আল্লাহর পথে ফিরে আসা একজন মানুষ তাঁর অতীত দিয়ে নয়, তাঁর শেষ পরিণতি দিয়েই ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকেন। . . 📚 ঐতিহাসিক সূত্রঃ • ইবন কাসীর, আল-বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ, ইয়ারমুক যুদ্ধের বিবরণ। • ইবনুল আসীর, আল-কামিল ফিত-তারীখ, খণ্ড ২, ইয়ারমুক যুদ্ধ। • আয-যাহাবী, সিয়ার আ'লাম আন-নুবালা, ইকরিমা ইবন আবি জাহল (রা.)-এর জীবনী। • Futūḥ al-Shām (আল-ওয়াকিদীর নামে প্রচলিত বর্ণনা), ইয়ারমুক যুদ্ধের ঘটনাপ্রবাহ।

  • 31 июл.2 654267из seratemuhammadsw

    কে আছে, আমার হাতে মৃত্যুর শপথ নেবে? . ৬৩৬ সালের ইয়ারমুক উপত্যকা। মাত্র ৪০হাজার মুসলিম বাহিনীর সামনে রোমান সাম্রাজ্যের ২লাখের বিশাল বাহিনী। যুদ্ধ ততক্ষণে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। ধুলোয় ঢেকে গেছে আকাশ। তলোয়ারের ঝনঝনানি, আহতদের আর্তনাদ আর তাকবীরের ধ্বনিতে কেঁপে উঠছে পুরো উপত্যকা। . মুসলিম বাহিনীর একটি অংশ প্রচণ্ড চাপের মুখে পড়েছে। শত্রুর অবিরাম আক্রমণে কিছুটা নড়বড়ে হয়ে গেছে মুসলিম বাহিনী। ঠিক তখনই এক যোদ্ধা তার ঘোড়া থেকে নেমে এলেন। হাতে তলোয়ার। চোখে অদম্য দৃঢ়তা। . তিনি উচ্চস্বরে ডাক দিলেন— "কে আছে, আমার হাতে মৃত্যুর শপথ নেবে?" এই ঘোষণা কোনো আবেগতাড়িত স্লোগান ছিল না। এটি ছিল বাইআতুল মাওত—মৃত্যু পর্যন্ত অবিচল থেকে যুদ্ধ করার অঙ্গীকার। যারা তার ডাকে সাড়া দেবেন, তাদের অধিকাংশই হয়তো আর জীবিত ফিরে আসবেন না—এ কথা সবাই জানতেন। কিন্তু তবুও একে একে এগিয়ে এলেন সাহসী মুমিনরা। . . কে ছিলেন সেই মহান ঘোষক... . তিনি কোনো সাধারণ যোদ্ধা ছিলেন না। তিনি ছিলেন সেই ব্যক্তির সন্তান, যার নাম ইসলামের ইতিহাসে অহংকার, অবিশ্বাস ও শত্রুতার প্রতীক হয়ে আছে। তিনি ছিলেন আবু জাহলের পুত্র—ইকরিমা ইবন আবি জাহল (রাদিয়াল্লাহু আনহু)। . একসময় তিনি বদর, উহুদ, খন্দক—একের পর এক যুদ্ধে ইসলামের বিরুদ্ধে তলোয়ার তুলেছিলেন। রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন। মুসলিমদের ধ্বংস করাই ছিল তার জীবনের লক্ষ্য। কিন্তু আল্লাহ যখন কোনো হৃদয়কে হিদায়াতের আলোয় আলোকিত করেন, তখন সেই হৃদয়কে আর কেউ অন্ধকারে ফিরিয়ে নিতে পারে না। . মক্কা বিজয়ের পর ইকরিমা (রা.) ইসলাম গ্রহণ করেন। সেই দিন থেকেই তাঁর জীবনের দিক বদলে যায়। অতীতের প্রতিটি ভুলকে তিনি তাওবা, ঈমান ও আত্মত্যাগ দিয়ে মুছে দিতে চেয়েছিলেন। ইসলামের জন্য তিনি এমনভাবে নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন যে, একসময় রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর বিরুদ্ধে যে তলোয়ার উঠেছিল, আজ সেই তলোয়ারই ইসলামের পতাকা রক্ষায় ঝলসে উঠছে। . ইয়ারমুকের সেই রক্তাক্ত প্রান্তরে দাঁড়িয়ে তাঁর কণ্ঠে উচ্চারিত "কে আছে, আমার হাতে মৃত্যুর শপথ নেবে?"—এই আহ্বান ছিল শুধু যুদ্ধের ডাক নয়; এটি ছিল একজন তাওবাকারী মুমিনের ঘোষণা, যিনি নিজের জীবন দিয়ে প্রমাণ করতে চেয়েছিলেন যে, আল্লাহর পথে ফিরে আসা মানুষ অতীতের অন্ধকারকে পেছনে ফেলে ইতিহাসের উজ্জ্বলতম নক্ষত্রে পরিণত হতে পারে। . . কি ঘটেছিল বাইআতুল মাওতের পর? . ইতিহাসের বিভিন্ন বর্ণনায় উল্লেখ আছে, প্রায় চার শতাধিক যোদ্ধা ইকরিমা (রা.)-এর হাতে এই অঙ্গীকার করেন। তারা প্রতিজ্ঞা করেন, “আজ হয় বিজয়, নয় শাহাদাত—ফিরে আসার জন্য আমরা অঙ্গীকার করিনি।” এ সময় ইকরিমা (রা.) তার সঙ্গীদের উদ্দেশে বলেছিলেন— "আমি বহু যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছি। আজ কি রোমানদের সামনে থেকে পালিয়ে যাব? আল্লাহর কসম! তা কখনো হবে না।" . এরপর তিনি ও তার সঙ্গীরা শত্রুর সবচেয়ে কঠিন অংশের দিকে ঝাঁপিয়ে পড়েন। তাদের এই আত্মোৎসর্গী আক্রমণ রোমানদের অগ্রযাত্রা মুহূর্তের জন্য থামিয়ে দেয়। সেই ক্ষণিক বিরতিই মুসলিম বাহিনীকে পুনরায় সারিবদ্ধ হওয়ার অমূল্য সুযোগ এনে দেয়। বদলে যায় যুদ্ধের গতি। শেষ পর্যন্ত আল্লাহ মুসলিমদের এমন এক বিজয় দান করেন, যা শামের ইতিহাসই বদলে দেয়। . . মৃত্যুর মুখেও অটুট ভ্রাতৃত্ব... . শত্রুর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ার পর ইকরিমা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) অসংখ্য আঘাতে রক্তাক্ত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন চাচা আল-হারিস ইবন হিশাম (রা.) এবং আরেক বীর সাহাবি আইয়াশ ইবন আবি রাবীআহ (রা.)। তিনজনই মৃত্যুর দ্বারপ্রান্তে। প্রচণ্ড তৃষ্ণায় তাদের ঠোঁট শুকিয়ে গিয়েছিল। . এমন কঠিন মুহূর্তে একজন সৈনিক সামান্য পানি নিয়ে এগিয়ে এল। প্রথমে পানি দেওয়া হলো ইকরিমা (রা.)-কে। ঠিক তখনই তিনি মারাত্মক আহত হারিস (রা.)-এর কাতর শব্দ শুনতে পেলেন। তিনি ইশারায় বললেন—"আগে তাকে দাও।" . পানি নিয়ে যাওয়া হলো হারিস (রা.)-এর কাছে। কিন্তু তিনিও দেখলেন, আইয়াশ (রা.) আরও বেশি কষ্টে আছেন। তিনিও বললেন—"আগে তাকে দাও।" . পানি পৌঁছাল আইয়াশ (রা.)-এর কাছে। তিনি পানি পান করার আগেই দেখলেন, অন্য দুজনের অবস্থা আরও সংকটাপন্ন। তিনি আবার ইশারা করলেন—"আগে তাদের কাছে ফিরে যাও।" . এসময় সৈনিক দ্রুত ইকরিমা (রা.)-এর কাছে ফিরে এলেন। কিন্তু...ততক্ষণে তিনি আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়েছেন। এরপর উক্ত সৈনিক দ্রুত হারিস (রা.)-এর কাছে ছুটে এলেন। দেখলেন তিনিও শাহাদাত বরণ করেছেন। শেষে তিনি আইয়াশ (রা.)-এর কাছে পৌঁছালেন। দেখলেন তিনিও আর দুনিয়ায় নেই। এক ফোঁটা পানিও কেউ পান করেননি। তিনজনই নিজের প্রয়োজনের আগে ভাইয়ের প্রয়োজনকে স্থান দিতে গিয়ে আল্লাহর কাছে ফিরে গেলেন।

  • 31 июл.2 523382

    দুনিয়ার সব মনস্তত্ত্ব টাকা কিংবা প্রচার দিয়ে কিনে নেওয়া যায় না। সব সময়ের জন্য বা দীর্ঘ সময়ের জন্য কোনো একটি বিষয়কে উল্টা করে দেখানো একটু কঠিন। তেনানিয়েহু এবং তার দেশ এখন পশ্চিমা দুনিয়াতেই সেই সংকটে আছে। সেখানেই ঘৃ|ণা এবং অপছন্দের শিকার হয়ে উঠেছে। মুসলিম দেশগুলো তো আছেই, ওদের চোখে পশ্চিমা অনুকূল রাষ্ট্রের নাগরিকেরাও ক্ষেপে আছে। অনেক বাজেট, খরচ, বিজ্ঞাপন, প্রচার, প্রমোশনাল আলোচনা, বিশ্লেষণ মানুষের মনোভাব ও সত্যকে পুরোপুরি ঢেকে দিতে পারে না। নিকট ভবিষ্যতের দুনিয়ায় এই প্রচার ও প্রচার- ব্যর্থতা দাপট ও নি:সতা খুব কাছাকাছি পরিস্থিতির মধ্যে দেখা যাবে বলে মনে হয়। আল্লাহ তাআলা প্রবল জালিম শক্তিকে দুর্বল করে দিন, পদানত করে দিন। দুর্বল ক্ষতবিক্ষত ঈমানদীপ্ত মানুষদেরকে অগ্রসর করে দিন। .

  • 31 июл.2 395381

    কাকা এবার ভাবতে শিখেছে...

  • 31 июл.2 687311

    ভা|রত এখন অনেক লায়েক! গ|ণহ|ত্যা-পরিচালনাকারি রাষ্ট্রে হাজারে হাজারে অ*স্ত্রের চালান পাঠায়! নিউজে দেখা যাচ্ছে ২৫ ৯৬ টা চালান পাঠিয়েছে। এক একটা চালান মানে এক একটা অ*স্ত্র না, একটা চালানে শয়ে শয়ে হাজারে হাজারে অ*স্ত্র থাকে! এরকম চালান আড়াই হাজারের উপরে। মুসলিম বি•দ্বেষে হি*ন্দু|ত্ববাদ ও যা|য়ন|বাদ সব এক জায়গায় জমা হয়েছে! এজন্যই দূর থেকে মহব্বত পাঠিয়েছে। ক্ষিপ্রগতির সাম্প্রতিক দুনিয়ায় এগুলোর হিসাব-নিকাশ, জমা-খরচ হয়তো থেকে যাবে কোনো না কোনো জায়গায়। এবং হিসাবের সঙ্গে তাহাদের দেখা হবে।• .

  • 30 июл.1 9707из seratemuhammadsw

    আগামী ২ সেপ্টেম্বর ফ্লাইনাস এয়ারে ১ লাখ ৪৫ হাজার টাকায় ডিরেক্ট ফ্লাইটে স্টান্ডার্ড মানের প্যাকেজ রেডি আছে। কেউ আগ্রহী হলে, অথবা পরিচিত কেউ থাকলে 01855640147 হোয়াটসঅ্যাপে নক দিন... B2B available.

  • 28 июл.3 255333

    - At every fork in the road on Iran, Trump’s choices get worse (ইরানকে ঘিরে প্রতিটি মোড়ে ট্রাম্পের বিকল্পগুলো আরও খারাপ হচ্ছে) ইরান যুদ্ধের পাঁচ মাস হচ্ছে আজ। প্রায় প্রতিদিন রাতে ইরান যুদ্ধ সিরিজ লিখেছি। একদম প্রথম দিনই বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এস্তোনিয়ান; মানে এই আমি (ড আমিনুল ইসলাম) যখন বলেছিলাম - ইরানে এসে সাম্রাজ্যবাদী অ্যামেরিকা আঁটকে যাবে। তখন অনেকেই বিশ্বাস করেন নাই। ভূ-রাজনীতি পড়াই তো। তাছাড়া এশিয়ান স্টাডিজেই তো পড়াশুনা করেছি। তাই এই অঞ্চল সম্পর্কে আমার একটা ধারণা আগে থেকেই ছিল। এখন শুধু আমি না, পৃথিবীর বেশিরভাগ ভূ-রাজনীতি বিশ্লেষকই এই কথা বলছে। এমনকি সিনএনএন-এর কলামিস্টরাও এখন লিখছে! এই লেখাটা শেষ করছি ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাগাই-এর আজকের উক্তি দিয়ে। তিনি বলেছেন - Iran, not the United States will decide when this conflict ends. (এই সংঘাত কখন শেষ হবে, তা অ্যামেরিকা নয় ইরানই নির্ধারণ করবে।) আমি তাঁর সাথে পুরোপুরি একমত। ইরানই এখন এই যুদ্ধের গতি প্রকৃতি নির্ধারন করছে। আর ইরান থেকেই শুরু হচ্ছে অ্যামেরিকান সাম্রাজ্যের পতন।

  • 28 июл.2 963142

    ইরান যুদ্ধের পাঁচ মাস হয়েছে আজ রাতে। গত তিন দিন অ্যামেরিকা ইরানে কোন হামলা করে নাই। এখন প্রশ্ন হচ্ছে - Why is everything so quiet? (সবকিছু এত নীরব কেন?) অ্যামেরিকা ১৩ দিন এক নাগাড়ে হামলা করার পর কেন গত তিন দিন হামলা বন্ধ রেখেছে? কিংবা প্রশ্ন হতে পারে - Why isn't Iran attacking? (ইরান কেন হামলা করছে না?) এর উত্তর অবশ্য তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মারান্ডি আজ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন - Iran wants to show that the real problem is the U.S., not Iran ( ইরান দেখাতে চায় যে, প্রকৃত সমস্যা ইরান নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্র।) মানে তিনি বুঝাতে চেয়েছেন- ইরান কখনো আগে থেকে হামলা করেনি। এই বিষয়টা পৃথিবীর অন্যান্য দেশগুলো নিশ্চয় দেখছে। আর এই জন্যই হয়ত এই যুদ্ধে অ্যামেরিকার সাথে অন্য কোন দেশ এখন পর্যন্ত যোগ দেয়া নাই। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে - What happens next? (এরপর কী হবে?) আসলে কেউই নিশ্চিত করে বলতে পারছে না, কী হতে যাচ্ছে। তবে অ্যামেরিকা কেন পর পর তিন দিন ইরানে হামলা করে নাই। এটি অবশ্য বুঝা যাচ্ছে। যেমন ধরুন এই মুহূর্তের নিউইয়র্ক টাইমসের শিরোনাম বলছে - U.S. Pauses Iran Strikes Amid Growing Risks ( ঝুঁকি বাড়ায় অ্যামেরিকা ইরানে হামলা স্থগিত করেছে।) তাহলে ঠিক কোন ধরণের ঝুঁকি বাড়ায় অ্যামেরিকা ইরানে হামলা স্থগিত করেছে? অ্যামেরিকান ওয়াল স্ট্রীট জার্নাল নিউজ করেছে - U.S. munitions stockpiles are under strain ( অ্যামেরিকার গোলাবারুদের মজুদের ওপর চাপ বাড়ছে।) আর ব্রিটিশ গার্ডিয়ান পত্রিকা তো একদম হাঁটে হাঁড়ি ভেঙে দিয়েছে। তাঁরা রিপোর্ট করেছে - U.S. strikes were paused after military officials warned about dwindling munitions and exhausted target lists (সামরিক কর্মকর্তারা গোলাবারুদের মজুদ কমে আসা এবং সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর তালিকা প্রায় শেষ হয়ে যাওয়ার সতর্কবার্তা দেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র তাদের হামলা স্থগিত করেছে।) অর্থাৎ পরিষ্কার বুঝা যাচ্ছে- অ্যামেরিকা এবং ট্রাম্প এই মুহূর্তে দিশাহারা। কী করবে কিছুই বুঝতে পারছে না। এর সাথে যুক্ত হয়েছে ইয়েমেনের হুতিদের বাব আল মান্দেব প্রণালী সৌদির জন্য বন্ধ করে দেয়া। তাছাড়া সৌদি আরবের তেল ও গ্যাস কোম্পানি আরামকোতে সরাসরি হামলা করেছে হুতিরা। হামলার ৪৮ ঘণ্টা পার হবার পরও আরামকো থেকে আগুন ও ধোঁয়া উড়তে দেখা গেছে। তাছলে বুঝেন কী ধরণের হামলাটা করেছে! নিউইয়র্ক টাইমসের এই মুহূর্তের একটা রিপোর্টের শিরোনাম হচ্ছে - How the Houthis Cornered Saudi Arabia Into a New Battle (কীভাবে হুথিরা সৌদি আরবকে নতুন যুদ্ধে ঠেলে দিল) এই লেখা যখন লিখছি, ঠিক তখন আল জাজিরা ব্রেকিং নিউজ করেছে - An Iran-backed Iraqi resistance group launched a drone attack on Saudi Arabia. (ইরান-সমর্থিত একটি ইরাকি প্রতিরোধ গোষ্ঠী সৌদি আরবে ড্রোন হামলা চালিয়েছে।) অর্থাৎ সাম্রাজ্যবাদী অ্যামেরিকার মিত্র সৌদি আরবের অবস্থাও সুবিধার না। এদিকে কুয়েত ভয় পেয়ে গিয়ে আজ বলেছে - আমরা অ্যামেরিকাকে ইরানের বিরুদ্ধে আমাদের ভূমি ব্যাবহার করতে দেব না। এই অবস্থায় অ্যামেরিকা কি করবে কিংবা কী হতে যাচ্ছে? অ্যামেরিকান অধ্যাপক মেইর শেইমার বলেছেন - তিনটা অপশন আছে অ্যামেরিকা হাতে। ইরানে আরও বড় হামলা করা, কিংবা যুদ্ধ শেষ করে এই অঞ্চল থেকে ফিরে যাওয়া অথবা ইরানের কিছু জায়গা বা অঞ্চল দখল করে স্থল যুদ্ধ শুরু করা। এখন প্রশ্ন হচ্ছে- এই তিনটা অপশনের যেটাই ট্রাম্প এবং অ্যামেরিকা বেছে নিক। এর উত্তরে ইরান কী করবে? অ্যামেরিকান সাবেক কর্নেল ড্যানিয়েল ডেভিস বলেছেন - হামলা আরও বাড়ালে ইরান আরব দেশগুলোতে থাকা অ্যামেরিকার কোন স্থাপনা আর আস্ত রাখবে না। এটা নিশ্চিত করেই বলা যায়। আর যদি ইরানের কোন জায়গা বা দ্বীপ দখলে নেয়? ব্রিটিশ ভূ-রাজনীতি বিশ্লেষণ অধ্যাপক মাইকেল ক্লার্ক বলেছেন - Most American soldiers will return home in body bags (বেশিরভাগ অ্যামেরিকান সৈন্য বডি ব্যাগ হয়ে ফেরত আসবে।) আর এইসবের কোন কিছু না করে যদি অ্যামেরিকা ইরানের সাথে একটা চুক্তি করে এই অঞ্চল থেকে বিদায় নেয়। তাহলে কী হবে? অধ্যাপক মারান্ডি আজ বলেছেন - এরপর ইরান আরও বড় শর্ত দেবে। আগের চুক্তির (MOU) সাথে আরও অনেক শর্ত জুড়ে দেয়া হবে। ইজরাইলকে গা*জা ছাড়তে হবে। সৌদি আরব, ইয়েমেনের উপর যে অবরোধ দিয়ে রেখেছে। সেটাও তুলে নিতে হবে। অর্থাৎ ট্রাম্প এবং অ্যামেরিকা এখন যে পথেই যাবে; সেই পথ ট্রাম্পকে শোচনীয় পরাজয়ের দিকেই নিয়ে যাবে। আপনাদের জানিয়ে রাখি গত দুই দিন ধরে সিএনএন রিপোর্ট করছে- পেন্টাগন ইরান যুদ্ধে অ্যামেরিকান সৈন্য হতাহতের সংখ্যা নীরবে বাড়িয়েছে। এই নিয়ে এখন অ্যামেরিকার রাজনীতি উত্তপ্ত অবস্থায় আছে। অ্যামেরিকার সংবাদ মাধ্যম সিনএনএনের কলামিস্ট স্টিফেন কলিং আজ একটা কলাম লিখেছে। যার শিরোনাম হচ্ছে

  • 27 июл.3 094828

    ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে গাজার খান ইউনিস থেকে ফিলিস্তিনি মা আয়েশা আল-আক্কাদ ও তাঁর মেয়ে হুদা আল-আক্কাদকে তুলে নিয়ে যায় দখলদাররা। ২০২৪ সালে এক ইসরায়েলি সেনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁদের চোখ বাঁধা অবস্থায় সামরিক গাড়ির পেছনে বসে থাকা একটি ছবি পোস্ট করে। পরবর্তীতে পরিবারের সদস্যরা তাদের শনাক্ত করেন। নিখোঁজ হওয়ার আড়াই বছর পরও তাঁদের কোনো খোঁজ মেলেনি। আয়েশা ও হুদা কি এখনো জীবিত, নাকি শহিদ হয়েছেন—সেই প্রশ্নের উত্তর এখনো অজানা।

  • 25 июл.3 627892

    নিজেরা নিজেরাই। (হেরা হেরাই) এটা খারাপ না, চলতে থাকুক। বিএসএফ সদস্যদের মধ্যে এজাতীয় উদ্যম এবং লড়াকু মেজাজ আমরা আরো দেখতে চাই। প্রতিবেশী দেশের জন্য এই লড়াই অত্যন্ত উপকারী। .

  • 25 июл.3 616872

    😟😟😟