সুমন আহমাদ
СтатистикаFacebook: https://www.facebook.com/profile.php?id=100074019309430 WhatsApp: https://whatsapp.com/channel/0029VaPsiQDDp2QEuaKhec1n
- Последний пост
- 11 авг.
- Последнее чтение
- 13 авг.
- Постов за неделю
- 3
- Всего постов
- 20
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- В каталоге с
- 13 авг.
- 1/24сутки в ленте
- 1 494
- 1/48двое суток
- 1 712
- 1/72трое суток
- 1 846
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর, পুরোদমে শিক্ষার মানোন্নয়নে এলাকার সাধারণ বিএনপি নেতাও নিরলস পরিশ্রম করেছেন। তারা রাত-দিন পরিশ্রম করে বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের এডহক কমিটিতে নাম লিখিয়েছেন। এদিকে লাখো শিক্ষিত বেকারের শিক্ষক হওয়ার শেষ আশা ছিলো NTRCA মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ। এজন্য লাখো তরুন রাত দিন একাকার করে পড়ালেখা চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু শুনা যাচ্ছে এবার শিক্ষক নিয়োগ NTRCA দিবে না, নিয়োগ দিনে সেই স্কুল-কলেজের ম্যানেজিং কমিটি (এডহক কমিটি)। তাই এবার উক্ত স্কুলের শিক্ষক কে হবেন তা নিয়োগ দিবেন উক্ত স্কুলের এডহক কমিটির সম্মানিত সভাপতি, মেহনতী মানুষের খেটে খাওয়া বন্ধু, ৪নং অমুক ইউনিয়নের সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা বিএনপির সাবেক প্রচার সম্পাদক, আলহাজ্ব মোহাম্মদ মিন্টু মিয়া। - সুমন আহমাদ
Late Night Post- পুরুষ মানুষের লাইফটা কাইন্ড অফ এফোর্টের উপর দাঁড়ায়া আছে। আপনার এফোর্টের রেশিওই ধীরে ধীরে আপনার সাকসেস রেট, আপনার স্ট্যান্ডার্ড, এমনকি আপনার ফ্যামিলির লাইফস্টাইল পর্যন্ত ক্যারি করে। এই যে প্রচণ্ড গরম যাচ্ছে, বিদ্যুৎ ঠিকমতো থাকতেছে না, এই সিচুয়েশনে আপনার ফ্যামিলির জন্য অন্তত একটা চার্জিং ফ্যান, সামর্থ্য থাকলে ইনভার্টার আরো ভালো হয় এসি। এগুলার ব্যাবস্থা করে দেওয়া আপনার এফোর্টে থাকা উচিত। আপনার ফ্যামিলির কোনো দ্বায় নেই আপনাকে কিছু রিটার্ন দেওয়ার। তবুও মা-বাবার কেয়ার, তাদের ট্রিটমেন্ট, প্রয়োজনে এক্সট্রা কাজের লোকের অ্যারেঞ্জমেন্ট এসব আপনারই কাধেঁ আইসা পড়ে। স্ত্রীকে দেশ বিদেশ ঘুরতে নিয়া যাওয়া, ভালো খাবার খাওয়ানো, তার লাইফটা একটু সফট করা, সন্তানকে শুধু দুধে-ভাতে না রেখে একটা অপারচুনিটি-রিচ এনভায়রনমেন্টে বড় করাটাও আপনার এফোর্টে থাকা উচিৎ। সবকিছু একদিনে হবে না, এইটা সবাই জানে। কিন্তু একজন পুরুষ হিসাবে, ছেলে, স্বামী, বাবা কিংবা ভাই- আপনার সবচেয়ে বড় কারেন্সি হইলো কনসিসটেন্ট এফোর্ট। দিনের শেষে পুরুষ মানুষের ভ্যালু তার এফোর্টে। দুনিয়ার কেউ কিছু দিবে না, মনেও রাখবে না। তবুও পুরুষ হয়ে জন্মানোর পর সব দায়িত্ব ধিরে ধিরে কাধেঁ আইসা চেপে যাইবে। - সুমন আহমাদ
জীবনে কোনো পাব্লিক পরিক্ষায় এ+ পাইনি। অন্য সবার মতো নামীদামী কোনো ভার্সিটিতেও চান্স পাইনি। খুব ভালো সাবজেক্ট নিয়াও পড়ি নাই, সো হোয়াট? আমার স্কুল ফ্রেন্ড রাজশাহীতে ত্রিপল ই নিয়া পড়ে, কেউ ডিফেন্সে। কলেজ ফ্রেন্ড দুইটা মেডিকেলে, কয়েকটা গুচ্ছে, অনেকেই জাবিতে, চবিতেও আছে। সো হোয়াট? আজকে যারা সসচ পরিক্ষার ভালো রেজাল্ট দিয়া খুব বেশি খুশি হচ্ছেন, আবার অনেকে জাস্ট এক্টুর জন্য এ+ পাননি বা ভালো রেজাল্ট হয়নি বলে নিজের লাইফটাই লস ভাবছেন। ওয়েল আল্লাহর দেওয়া এই লাইফ, এই আমানত'কে এতই তুচ্ছ মনে হচ্ছে! হোয়াই? আচ্ছা আপনি যদি বস্তুবাদী হয়ে থাকেন তাহলে জীবনের সফলতা আমি আপনাকে শুনাই। স্কুল লাইফের অনেক ক্লাসমেট পড়ালেখা বাদ দিয়া মাছ চাষ করতো, অনেকে গার্মেন্টস এ চলে যায়, অনেকে দোকানে চলে, কলেজের অনেক বন্ধুবান্ধব ব্যাবসায় নামে। কেউ বা প্রবাসী হয়ে দেশের বাহিরে। তখন আমিও ভাবতাম তারা সব কয়টায় গুল্লায় গেলো। আমিই ওদের থেকে সফল। কিন্তু বাস্তবতা কি জানেন, তাদের অনেকেই এখন বড় মাছের ব্যাবসায়ী, FZs 4V চালায় আবার হাতে আইফোন। কেউ গার্মেন্টস এর সুপারভাইজার, অনেকে বড় দোকান দিয়েছে, অনেকে ছোট ব্যাবসায়ী, অনেকে বিদেশে থেকে লাখ টাকা কামাচ্ছে। কেউবা জমি জমা আবাদ করে পুরুদোস্তর সংসারী। সবাই প্রায় বিয়ে করেছে, বাচ্চা আছে দু-একটা করে। অথচ আমি এখনো এই সে[ক্যু]লার পড়ালেখারা সিস্টেমের চিপায় আটকাইয়া যখন হাহুতাশ করছি। নিজের চোখের হেফাজত, ঈমানের হেফাজত নিয়ে টানাটানি, এখনো দু-পয়সার জন্য মা-বাবার কাছে হাত পাততে হয়। আর ওইদিকে আমার সেই গোল্লায় যাওয়া ফেন্ডস'রা উলটো মা-বাবার দেখাশুনা করছে, বউ বাচ্চা নিয়া ফুর্তি করছে,খাচ্ছে-দাচ্ছে আর আরামে ঘুমাচ্ছে। ভাই আসলে সফলতা কিসে? শুনেন আপনে লাইফে ডাক্তার হোন নাই, ইঞ্জিনিয়ার হোন নাই তো হেইডা আপনার সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা জীগাইবো না। কিন্তু আপনার যৌবন কোন রাস্তায় ব্যয় করেছেন, কোন পথে কামাই করছেন আর কোন পথে ব্যয় করছেন এই ব্যাপারে কিন্তু এক অণু পরিমাণ ছাড় দিবেন না। মাইন্ড ইট।। [বিঃদ্রঃ এটা ৩ বছর আগের লেখা, এখন আমার লেখাপড়া শেষ। আলহামদুলিল্লাহ বেসরকারি একটা জব করি, স্যালারি অনেক হ্যান্ডসাম। আর এইদিকে আমার ফ্রেন্ডগুলা ইঞ্জিনিয়ারিং,ভার্সিটি করে যারা বের হয়েছে ওদের অনেকেই এখন বেকার। আর আমার বিয়ের দু-বছর হতে চললো, সামনে আপনাদের ভাতিজা আসবে। অর্থাৎ পরিক্ষার রেজাল্ট কখনো রিজিক নির্ধারণ করে না। রিজিকের মালিক, সফলতার মালিক এক আল্লাহর হাতে] - সুমন আহমাদ
[১] ধিক্কার! শতবার ধিক্কার এই মেরুদণ্ডহীন, গোলাম মানসিকতার পরজীবী জাতিকে। যাদের নিজেদের বলতে কিচ্ছু নাই, তারা অন্যের অর্জনের উচ্ছিষ্ট কুড়িয়ে নিয়ে নিজেদের ধন্য মনে করে। [২] যে জাতির রক্তে লেখা ছিল হাজার বছরের সমৃদ্ধ ইতিহাস, যাদের ছিল শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি আর বীরত্বের নিজস্ব রাজত্ব, তারা আজ পরিণত হইছে মানসিকভাবে পঙ্গু, বুদ্ধিবৃত্তিক প্রতিবন্ধী এক খাঁচার পশুতে। বিজাতীয় শাসনের শৃঙ্খল হয়তো একসময় ভাঙছে কিন্তু মস্তিষ্কের ভেতরের দাসত্বকে এরা আপন কইরা নিছে। [৩] বিদেশি কিছু খেলোয়াড়ের জয়ে রাস্তায় কাদামাটিতে গড়াগড়ি খেয়ে কান্না, রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, এমনকি প্রাণহানি কিছুই বাদ যাইনি এই সোনার দেশে। নিজের জন্মদাতা বাবার চেয়ে বিদেশি ফুটবলারকে ‘আব্বা’ ডাইকা আত্মপ্রসাদ পাওয়ার চেয়ে বড় জিল্লতি, এর চেয়ে বড় কুৎসিত দেউলিয়াপনা আর কি হইতে পারে ভাই। এটা স্রেফ কোনো আবেগ নয়, এটা একটা জাতির আত্মপরিচয়ের চূড়ান্ত মৃত্যুঘণ্টা। এটা বিকৃত, দেউলিয়াপনা এক পারভার্টেড মানসিকতার পরিচয়। [৪] আমরা নিজেদের গৌরবান্বিত ইতিহাসকে ডাস্টবিনে ছুইড়া ফেলছি। তাই আজ অন্যের সাফল্যে বিনা বেতনের মাগনা কামলা খাটছি। নিজেদের কোনো অস্তিত্ব নেই, নিজস্ব কোনো অর্জন নেই, স্বকীয়তার মাফকাঠি শূন্য। অথচ মেকি উন্মাদনায় আমরা নাকি বিশ্বজয়ী। [৫] এই দাসত্ব, এই মেকি আবেগ আর এই আত্মপরিচয়হীন মানসিকতার মুখে থুথু দেওয়া উচিত। নিজেদের ইতিহাস ভুলে যারা অন্যের সস্তা বিনোদনের বলির পাঠা হয়, তারা কোনো জাতি নয়, তারা কেবল একদল দিকবিদিকশূন্য, পরিচয়হীন ভবঘুরে শোয়ারের পাল। - সুমন আহমাদ
শুরু] হাসিনার আমলে যখন প্রাইমারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে গোয়ালঘরে পরিণত করা হচ্ছিল, ডিম ভাজি থেকে শুরু করে সাইকেল চালানোর ‘ক্রিং ক্রিং’ শেখানো হচ্ছিল, ঠিক তখনই মানুষ ঢালাওভাবে প্রাইমারীর অলটারনেটিভ কওমির ‘নূরানী’ মাদ্রাসার দিকে ঝুঁকতে শুরু করে। . সেই সময় নূরানী শিক্ষা সত্যিই ভালো অবস্থায় ছিল। সিলেবাস ছিল অনেকটা আপডেটেড, বিভিন্ন বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিল এবং পড়াশোনার মানও ছিল উল্লেখযোগ্য। স্কুলের শরিফ-শরিফার গল্পে অভিভাবকরা বিরক্ত হয়ে পড়েছিলেন। ফলে নূরানী মাদ্রাসাগুলোতে অভিভাবকদের লাইন পড়ে যায়। [সমস্যা] তবুও নূরানী শিক্ষায় কিছু অপ্রয়োজনীয় ও পুরনো প্রথা অটুট ছিল। তার মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো মান্ধাতার আমলের ইংরেজি Copperplate script স্টাইলের লেখা শেখানো। বর্তমান যুগে এই লেখার কোনো ব্যবহারিক মূল্য নেই। শুধু সৌন্দর্যের জন্য বাচ্চাদের বছরের পর বছর সময় নষ্ট করানো হতো। . এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বিশাল একটি বাণিজ্য। বিভিন্ন বোর্ডের পরীক্ষা, সিলেবাস, ট্রেনিং সবকিছু নিয়ে চলছে ব্যবসা। সর্বশেষ ইকরা বোর্ডের পরও আরও কয়েকটি বোর্ড গজিয়ে উঠেছে। [আবাসিক বিস্ফোরণ] একই সময়ে শহরে-বন্দরে আবাসিক মহিলা মাদ্রাসা ও হিফজখানাগুলো চুলের মতো গজিয়ে উঠতে থাকে। দুই রুমের একটা ভাড়া বাসাতেও কয়েকজন হুজুর মিলে মাদ্রাসা খুলতে থাকে। মাদ্রাসা থেকে বের হয়েই অনেকেই আবার নতুন মাদ্রাসা শুরু করে দিতেন। কেউ কেউ কিস্তি তুলে, ধার-দেনা করেও মাদ্রাসা বানিয়েছেন। . বোর্ডগুলো শুধু নিজেদের আন্ডারে মাদ্রাসা নেওয়ার জন্য দৌড়ঝাঁপ করত। কিন্তু মাদ্রাসা পরিচালনার জন্য কোনো শক্ত নিয়ম-কানুন, নীতিমালা বা তদারকির ব্যবস্থা ছিল না। এখনও পর্যন্ত সে অবস্থার তেমন পরিবর্তন হয়নি। [ফলাফল] যখন মাঝে মাঝে বিভিন্ন আবাসিক মাদ্রাসা থেকে ধর্ষণ ও বলাৎকারের ঘটনা বেরিয়ে আসতে থাকে, দেশজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়। কিন্তু বোর্ডের মুরুব্বিরা তখন চুপ করে থাকেন। উম্মাহর কল্যাণ নিয়ে এতই চিন্তিত তাঁরা যে, বর্তমান উম্মাহর স্পন্দনই আর বুঝতে পারেন না। . ফলে যা হওয়ার তা-ই হয়েছে। এখন সাধারণ মানুষ হুজুরদের বিরুদ্ধে ‘পায়ুকামি’ ট্যাগ দিচ্ছে, কওমি শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঘৃণা করতে শুরু করেছে, অভিভাবকরা মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। সংসদেও মাদ্রাসাগুলোতে সরকারি হস্তক্ষেপের আলোচনা উঠেছে। [সর্বশেষ] অর্থাৎ সামনের দিনগুলোতে কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থার উপর একটা বড় ধরনের খড়্গ নেমে আসতে চলেছে। আর এই দায়ভার অনেকটাই সেইসব হেকমতওয়ালা বুজুর্গদের, যাঁরা সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রয়োজনীয় সংস্কার করতে ব্যর্থ হচ্ছেন। - সুমন আহমাদ
ইসরায়েলে ছেলে-মেয়েদের আলাদা শ্রেণিকক্ষে পড়াশোনার অনুমতি দিয়ে আইন পাস হলে মানবাধিকার, গণতন্ত্র কিংবা নারীর অধিকার নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তেমন কোনো উচ্চবাচ্য শোনা যায় না। কিন্তু একই ধরনের নীতি আফগানিস্তান গ্রহণ করলে মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের প্রশ্নে বিশ্বজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। এই দ্বৈত মানদণ্ড নিয়ে প্রশ্ন তোলা কি অযৌক্তিক? 📰 খবর ইসরায়েলে স্নাতকোত্তর পর্যায়ে নারী-পুরুষ পৃথক শিক্ষার অনুমোদন দিয়ে সংসদে আইন পাস। ইসরায়েলের পার্লামেন্ট কনেসেট মাস্টার্স ও পিএইচডি পর্যায়ে নারী-পুরুষের জন্য পৃথক শ্রেণিকক্ষে পড়াশোনার অনুমতি দিয়ে একটি আইন পাস করেছে। - Sorowar Alam
মূল ভিডিও লিংক: https://www.facebook.com/reel/1726403688565084/?app=fbl
[১] মাদ্রাসার ইকোসিস্টেমটা স্ট্রংলি সারভাইবাল। এই প্রতিকূলতার মহাসমুদ্র পাড়ি দিয়ে যারা শেষ পর্যন্ত টিকে থেকে বের হয়, তারা আসলেই সমাজের সম্পদ। এরাই আমাদের শ্রদ্ধাভাজন আলেম সমাজ। [২] কিন্তু যারা মাদ্রাসার ডিসিপ্লিন সহ্য করতে না পেরে ছিটকে যায়, স্বয়ং ইবলিশও এদের দেখে ভয় পায়। এরা চরম ভাবে জাহেলিয়াতে ডুবে যায়। [৩] টিকে থাকা ও ঝরে পরার মাঝখানে আরেকটা ক্যাটাগরি আছে যারা পুরোপুরি শয়তান, না মানুষ। এরা হলো এই দুই জগতের এক অদ্ভুত সংকরায়ন। এদের রুচির লেভেল এত নিচে যে, একটা স্ট্যান্ডার্ড বস্তির ছেলেও এদের সামনে এলে নিজেকে জেন্টলম্যান দাবি করবে। এরা হচ্ছে মাদ্রাসার ছাপড়ি। [৪] পার্কের কোণা কিংবা খোলা মাঠে গেলেই এই সংকর প্রজাতির দেখা মিলবে। এই থার্ডক্লাস ক্যাটাগরিটা যেভাবে মিউটেশন ঘটিয়ে বাজারে নেমেছে তাতে, অচিরেই এই দেশের মানুষের কাছে ইসলাম,মাদ্রাসা ও ধর্মীয় পোশাক হাসির বস্তু হবে। ব্যাকগ্রাউন্ডে মিউজিক লাগিয়ে এরা কুরআন-হাদিসের বাণী শেয়ার করছে। কেউ মডেলিং আবার কেউ মাদ্রাসার ক্লাস ও ইমামতি নিয়ে ক্রিঞ্জ রিলস বানাচ্ছে। মাদ্রাসার ক্লাসরুম, শিক্ষক কিংবা ইমামতির মতো অত্যন্ত সংবেদনশীল আর মর্যাদাপূর্ণ বিষয়গুলোকে এরা বানিয়ে ফেলেছে এদের ডেইলি ভ্লগিং কনটেন্ট। [৫] সবচেয়ে বড় ভয়ংকর ট্র্যাজেডি হচ্ছে এই সমস্ত ছাপড়িরাই আমাদের কোনো না কোনো মসজিদের মেহরাব দখল করে বসে আছে। আবার কেউ আমাদের দানের টাকায় চলা মাদ্রাসার শিক্ষক। আপনি মসজিদে জামাতে সিজদায় গিয়েছেন আত্মিক প্রশান্তির জন্য, আর সামনে দাঁড়িয়ে থাকা ইমাম সাহেবটিই টিকটকার ছাপড়ি। আপনার নামাজ হবে কিন্তু মুসল্লি হিসেবে আপনার আত্মিক ও নৈতিক পরিবর্তন কতটা আসবে!! [শেষ আলাপ] ডে বাই ডে, মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যাবস্থায় একটা অসুস্থ ছাপড়ি প্রজন্ম তৈরি হচ্ছে। এদের শুধু টাইপ ফিট জুব্বাই নয় বরং নৈতিক নৈতিকতায় ও ছোটলোক। এই বুদ্ধিবৃত্তিক প্রতিবন্ধীদেরকে দমন না করা গেলে এই ভুখন্ডে মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যাবস্থার চল্লিশা দ্রুতই হবে। - সুমন আহমাদ
Emni
видео или голосовое, без подписи
[১] নরওয়ে জেতার পর তাদের ভাইকিংস সেলিব্রেশন সবাই দেখেছেন। শুধু খেলার মাঠেই নয়, পুরো দেশজুড়ে এমনকি সামরিক বাহিনীর সদস্যরাও এই সেলিব্রেশনে নেমেছে। তারা যেন বিশ্বকে জানিয়ে দিচ্ছে তারা শক্তিশালী, তাদের শিরায় এখনো ভাইকিংদের রক্ত বইছে। [২] ওয়েল, ভাইকিংসরা ছিল লিট্রিলি ব্রুটাল, দুর্ধর্ষ ও বন্য একটি জাতি। এরা সাগর পাড়ি দিয়ে যে ভূমিতে পা ফেলত, সেই ভূমিতেই কেয়ামত নামিয়ে আনত। এমনকি ইংল্যান্ডের তদানীন্তন রাজারা ভাইকিংদের সঙ্গে না পেরে নিজেদের কন্যাদের তাদের হাতে তুলে দিয়ে শান্তিচুক্তি করত। ধীরে ধীরে তারা খ্রিস্টধর্মে দীক্ষিত হতে থাকে। ভাইকিংসরা তদানীন্তন মুসলিম ভূমি আন্দালুসিয়া বর্তমান স্পেনেও আক্রমণ করেছিল। [৩] যাইহোক, ভাইকিংদের কোনো মহান বীরত্বগাথার ইতিহাস নেই। আছে শুধু রক্তপাত, লুটপাট, আগুন আর হিংস্রতার ইতিহাস। অথচ দেখেন, আধুনিক সভ্য নরওয়েজিয়ানরাই সেই পূর্বপুরুষদের সেলিব্রেট করছে। আসলে পৃথিবীর কোনো জাতিই তাদের ইতিহাস ভুলে যায় না। বরং তারা ইতিহাসকে বুকের ভেতর ধারণ করে, পরিচয়ের অংশ বানায় এবং গর্বের সঙ্গে বহন করে। [৪] শুধু নিজেদের ইতিহাস জানে না মুসলমানের পোলারা। নিজেদের পূর্বপুরুষরা কতটা শৌর্য-বীর্যের অধিকারী ছিল, জ্ঞান-বিজ্ঞান, শিক্ষা, শিল্প-সাহিত্য, রাষ্ট্রনীতি আর অর্থবিত্তে কতটা সমৃদ্ধ ছিল, তার কিছুই জানে না। তদানীন্তন পৃথিবীর দুই পরাশক্তি রোম ও পারস্য, মুসলিমদের শক্তির সামনে ধূলিসাৎ হয়েছে সেই ইতিহাসও জানে না। আমাদের বাঙালি মুসলিমদেরও রয়েছে এক সমৃদ্ধ, শক্তিশালী ও গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস। আহা, সুবাহ বাংলা! বাংলা সালতানাত! কী ছিল না আমাদের! [৫] অথচ আজ আমরা সেই ইতিহাস ধারণ করব তো দূরের কথা, আমরা জানিই না আমরা কাদের সন্তান। আমাদের বাপ-দাদারা কারা ছিল, কী ছিল তাদের পরিচয়, কী ছিল তাদের কীর্তি কিছুই জানি না। আজ নিজেদের ইতিহাস জানি না বলেই বিজাতির পচা, দুর্গন্ধযুক্ত, নোংরা ইতিহাসকে আমরা বুকে টেনে নিই। আজ তাই জায়ো পূজারী হওয়া সত্যেও মেসি, নেইমাররা আমাদের আইডল আর নিজেদের ইতিহাসের বীরেরা পড়ে থাকে বিস্মৃতির অন্ধকারে। এই জাতির অধঃপতনের আর কোনো কারণ জিগাইতে আইসেন না। - সুমন আহমাদ
বাংলাদেশে ইসলাম কিভাবে কায়েম হবে, এ নিয়ে কিছুদিন আগে একটা পোস্ট দিয়েছিলাম। কিন্তু পোলাপান পড়াশোনা করে না। যাইহোক- বর্তমান পরিস্থিতিতে আবারো সংক্ষেপে বলি। ইসলাম কায়েমের দুটি পন্থা-, জি হা দ (সশস্ত্র বিপ্লব) এবং দাওয়াত (সামাজিক বিপ্লব)। বাংলাদেশের মতো যায়গায় আপনি সশস্ত্র বিপ্লব করতে পারবেন না। কারন বাংলাদেশের ভৌগোলিক ও ভূ-প্রকৃতিতে সশস্ত্র-পন্থা অবলম্বন মানে সুইসাইড করা। এদেশে ইসলাম কায়েম করার একমাত্র পথ হলো, ইসলামি দাওয়াতের মাধ্যমে ব্যক্তি ও পরিবার থেকে শুরু করে সমাজ সংস্কারে মনোযোগ দেওয়া। So Don't be a FOOL! এমন কোনো গ্রুপ, ব্যাক্তির সাথে সরাসরি যুক্ত হবে না, যারা আপনাকে বিভিন্ন ট্রেনিং বা পন্থার মাধ্যমে মুজ|হিদ বানিয়ে দিবে। প্লিজ এজেন্সির বটের পাল্লায় পইড়েন না। হ্যাঁ আপনি মার্শাল আর্ট শিখুন, কিন্তু বোকামি করবেন না।প্রতিটা উপজেলাতেই এখন মার্শালআর্ট স্কুল বা কোচিং আছে। আর সব কিছুতেই রক্ত গরম নাশিদ এড করে ছাড়ার দরকার নেই। দাড়ি-টুপি পড়ে নামাজে যান, কিন্তু দাড়ি-টুপি পড়ে দৌড় প্রতিযোগিতাও দিয়েন না। ইসলামপন্থীরা এইদেশে তৃতীয় শ্রেণির নাগরিক। বাস্তবতা মাইনা নেন, স্বপ্ন দেখা বাদ্দেন। - সুমন আহমাদ
আজকে সংসদে মাদ্রাসা নিয়ে আলোচনা উঠেছে। সরকারের কাছে দাবী জানানো হয়েছে মাদ্রাসার ব্যাপারে হস্তক্ষেপের জন্য.. এতে আমি সবচেয়ে বেশি খুশি হয়েছি। মাদ্রাসায় বলাৎকার, আবাসিক মাদ্রাসায় ছাত্রীর যৌন ও শারীরিক নির্যাতন যখন হয়, আর এটা নিয়ে যখন দেশব্যাপী আলোচনা উঠে, তখন অন্তত মাদ্রাসা যারা নিয়ন্ত্রণ করেন, বিভিন্ন বোর্ড যারা পরিচালনা করেন তাদের কিছুনা কিছু বলা বা করা উচিৎ। কিন্তু তারা এতটাই হেকমোলজিয়া দেখান যে টু শব্দও করেন না এবং কোনো ব্যাবস্থাও নেন না। আসলে তারা এখনো মনে হয় এগুলাকে বিচ্ছিন্ন ঘটনাই মনে করে। আশা করি খুব দ্রুতই মাদ্রাসার উপর চরম লেভেলের ঝামেলা আপতিত হোক, তখন দেখবো আমাদের তথাকথিত মহাসম্মানিত মুরুব্বিরা কোথায় থাকেন।
[১] অবিলম্বে এই ৪ ছেলেকে গ্রেফতার করে দ্রুত জেলে পাঠানো হোক। কতবড় দুঃসাহস আইন নিজের হাতে তুলে নিয়েছে। তাদের প্রত্যেকে হ ত্যার দায়ে ফাঁসি দেওয়া হোক। [২] তাদের উচিৎ ছিলো বিট্রিশদের তৈরি করে দিয়ে যাওয়া আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে পুলিশের উপর পুর্নবিশ্বাস রাখা। পুলিশ কখনো সেই ধ র্ষ কে গ্রেফতার করলে মহামান্য কোর্ট/আদালতে মামলা করা। [৩] তারপর আগামী ৫-৭ বছর কোর্টের বারান্দায় ঘুরে ঘরে জুতার তলা ক্ষয় করে মামলার রায় ঘোষণা আনা। [৪] এর মাঝে ধ র্ষ কের উকিল ধ র্ষ কে কয়েকবার জামিনে বের করে আনবে, রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবে, আবার চুড়ান্ত রায়ের পরেও রাষ্ট্রপতির কাছে মার্সি পিটিশন করবে। এগুলার জন্য আরো ৫-৬ বছর অপেক্ষা করা। [৫] ফাইনালি রায় ঘোষণার ১০ বছর পর, রায় কার্যকরের জন্য ওয়েট করা উচিৎ ছিলো। কিন্তু তা না করে আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে মহান ব্রিটিশ আইনের প্রতি এই ৪ ভাই যে ধৃষ্টতা দেখিয়েছে তার চরম শিক্ষা হওয়া উচিৎ। আমরা ধ র্ষ ক হত্যার বিচার চাই। - সুমন আহমাদ
মূল পোস্ট: Facebook/Sumon-Ahmed-post
এই ভিডিও দেখি বাঙ্গালী পুরুষদের হজম হচ্ছে না। অথচ এই আইনে কোন ভুল নেই, ইসলাম মোতাবেক তো আরো নেই। . দেনমোহর স্ত্রীর হক, এটা আদায় করা ফরজ। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা সূরা আন-নিসার চতুর্থ আয়াতে বলেন: ‘‘এবং তোমরা তোমাদের স্ত্রীদিগকে সন্তুষ্টচিত্তে মোহরানা পরিশোধ কর।’’ . কিন্তু জাতে বাঙ্গালীতো তাই চুরির স্বভাব সব যায়গায়। বাঙ্গু পুরুষদের সাদা চামড়া বা সম্পত্তি দেখলে আর হুশ থাকে না। ১০ লাখ টাকা কাবিনেও বিয়েতে রাজি হয়ে যায়। অথচ ওরে বিক্রি করলেও ১ লাখ হবে না। . এখন ১০ লাখ টাকা পরিশোধের তো মুরোদ নেই, তখন কাবিনের টাকা বাকি থাকে। আর বাসরঘরে গিয়ে ছেছড়ার মতো স্ত্রীর কাছে অনুমতি চায় তাকে স্পর্শ করার, শারীরিক সম্পর্ক করার। তখন স্ত্রী কাবিনের টাকা মাফ করে দেয়। এই হলো ৯৯% বাঙ্গালীর বিয়ের ইতিহাস। . কিন্তু আইন তো আর এটা মানবে না। আইন প্রমাণে বিশ্বাসী, মুখের কথায় নয়। যখন ডিভোর্স হয় তখন ওই যে কাবিন নামায় কাবিনের টাকা বাকি, তা সামনে আসে। আর সেটা পরিশোধ করতে স্বামী বাধ্য। . স্ত্রী একবার স্বামী'কে মোহরানা বাকি রেখে (মাফ করে) স্পর্শ করার অনুমতি দিলেই স্বামীর জন্য জায়েজ হয়ে যায়। পরে আর স্বামী পরিশোধ না করলেও স্ত্রী তার জন্য জায়েজ৷ কিন্তু আবু হানিফা রাহিমাহুল্লাহ এর মতে স্ত্রী যদি বাকি মোহরানা স্বামীর কাছে পুনরায় দাবি জানায় তবে স্বামীকে তা পরিশোধ করতে হবে। পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত স্ত্রীর অধিকার আছে স্বামীকে স্পর্শ না করতে দেওয়ার। সো বাঙ্গু আধা-মুসলিমদের কই, বিয়া করার আগে টাকা কামাই করো,সাধ্য অনুযায়ী মোহরানা আদায় করো, সাধ্য অনুযায়ী বিয়া করো। মোহর না দিয়া ফ্রি খাবা কেন! বাঙ্গু কোথাকার। - সুমন আহমাদ
Link: https://www.facebook.com/share/1BPExQfBnk/
বিচ্ছিন্ন একটি ভূখণ্ড। চারপাশের মুসলিম অধ্যুষিত দেশগুলো থেকে হাজার মাইল দূরে দাঁড়িয়ে থাকা ছোট্ট একটা দেশ। আর তার চারপাশটা ঘিরে রেখেছে D|রত নামের এক বিষাক্ত সাপ, যা যেকোনো মুহূর্তে ছোবল মারার জন্য ফণা তুলে আছে। . আক্ষরিক অর্থেই ওরা ওদের সব ব্লু-প্রিন্ট আর প্রস্তুতি অনেক আগেই সম্পূর্ণ করে রেখেছে। এখন ওরা স্রেফ ওত পেতে আছে একটি বিশেষ মুহূর্তের, একটা মোক্ষম সুযোগের। . 'বন্ধু' মুখোশধারী চিরশত্রু আর ঘরের ভেতরের মুনাফিকদের ক্রমাগত আগ্রাসন ও ষড়যন্ত্রের শিকার আমি এক বাঙালি। আপাতদৃষ্টিতে হয়তো আমার চিন্তিত হওয়া উচিত ছিল। হওয়াটা স্বাভাবিকও ছিল, কারণ প্রায় ৩০০ বছর আগেই তো মীরজাফরদের হাত ধরে আমার স্বাধীনতা সূর্য অস্তমিত হয়েছিল। . কিন্তু ওরা ভুলে গেছে আমি যে আগে মুসলিম, তারপর বাঙালি! তাই আমি আজ চিন্তিত নই, শঙ্কিত নই। বরং শত বছরের অন্যায়ের চরম প্রতিশোধের এক তীব্র নেশায় আমি আজ বুঁদ হয়ে আছি। এতটা কাল ধরে এই মাটির বুকে ওরা যে জুলুমের রাজত্ব চালিয়েছে, তার প্রতিটা হিসাব এবার কড়ায়-গণ্ডায় নেওয়া হবে। . ওরা কার সাথে টক্কর দিতে এসেছে, ওরা কি তা জানে? আমি সিন্ধু বিজয়ী মুহাম্মদ বিন কাসিমের ভাই। আমি এই পলল ভূমি কাঁপানো শাহজালালের পোলা। আমি মালিক আল-গাজী ইখতিয়ার উদ্দীন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজির সেই ১৭ অশ্বারোহী সৈন্যের উত্তরাধিকারী, যার ক্ষিপ্রতার সামনে লক্ষণ সেনের সিংহাসন ধুলোয় মিশে গিয়েছিল। . আমরা এই মাটির সন্তান, আমরা কোথা থিকা ভাইসা আসি নাই। মনে রাখিস, এবার যদি তিতুমীরের কেল্লা গড়তে হয় তবে তা বাঁশ দিয়ে নয়, তা তৈরি হবে লৌহ আর ইস্পাত দিয়ে। . তাই সাবধান! লক্ষণ সেনের চ্যালারা, তোরা সাবধান হয়ে যা! এই পলিমাটির প্রতিটা ইঞ্চি, প্রতিটা ধূলিকণা আমাদের। এই দেশ, এই আকাশ, এই নদী আমাদের। এইডা আমাদের বাপ-দাদার ভিটা। . আমরা ভুলে যাইনি ব্রিটিশদের বুট চেটে আমাদের পিঠে ছুরি মারার তোদের সেই ঘৃণ্য চামচামির ইতিহাস। আমরা ভুলিনি কাঁটাতারে ঝুলে থাকা আমাদের বোন ফেলানীর সেই নিথর দেহ। আমরা ভুলে যাইনি পিলখানার সেই নৃশংস ট্রাজেডি। আর আবরার ফাহাদ তো আমাদের বুকে জ্বলতে থাকা এক অবিনাশী অগ্নিশিখা, আমাদের অনন্ত প্রেরণা। . আমাদের সীমান্তে ঝরা প্রতিটা ফোঁটা রক্তের ঋণ তোদের শোধ করতেই হবে। ইনশাআল্লাহ, আমরা প্রস্তুত। তোদের সাম্রাজ্যের শেষের শুরুটা এবার এই আমাদের হাত ধরেই হবে। আয় তোরা!.. - সুমন আহমাদ
বাংলাদেশ একটি ধর্মীয় দাঙ্গার দাড় প্রান্তে। ইন্ডিয়া কর্তৃক একটি স্যাবোটেজের কাছাকাছি অবস্থান করছে, যদি না এখনি এদেশের দেশ প্রেমিকরা যথাযথ ব্যবস্থা না নেয়। মনে মনে মন কলা খেয়ে লাভ নেই। বাস্তবতা এটাই যে ইন্ডিয়া চাইলে সত্যিকার অর্থেই বাংলাদেশকে চতুর্দিকে ঝামেলায় ফাঁসিয়ে চরম লেভেলের বিশৃঙ্খলায় ফেলতে পারবে। কিন্তু বাংলাদেশ চাইলেও এগুলার সেরা জবাব দিতে পারবে, যদি চায় আর কি! পুচকে ইউক্রেন কিভাবে রাশিয়ার মতো এত বড় একটা শক্তশালী রাষ্ট্রকে প্রতিনিয়ত নাকানিচুাবানী খাওয়াচ্ছে! জ্বী সাম্প্রতিক সময়ের যুদ্ধগুলো আমাদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়েছে দশ টাকার ড্রোন কিভাবে হাজার টাকার মাল লিট্রিলি মুড়ির টিন বানিয়ে দিচ্ছে। অতিসত্বর আমাদের দেশে স্বতন্ত্র ড্রোন ইউনিট এবং দেশেই ড্রোন তৈরির কারখানা বানানো হোক। একজন দেশ প্রেমিক নাগরিক হিসেবে (যার ভ্যাট/ট্যাক্সের টাকায়ও এদেশ চলে) এটাই আমার দাবী।
ইসলামিক অঙ্গনের একজন পরিচিত আলেম ও দ্বাঈ— তার মেয়ে বাদ্যযন্ত্রের মাধ্যমে গানের প্র্যাক্টিস করে অথচ তিনি নাকি জানেন না। এদিকে দ্বীনি কমিউনিটির আরেকজন তরুন আলেম, লেখক ও এক্টিভিস্ট— তার শো-রুমে জার্সি বিক্রি হয় অথচ তিনি নাকি জানেন না। এই হইলো অবস্থা! তাহারা নিজেদের ঘরের খবর জানেন না অথচ এরা উম্মাহকে নিয়ে ফিকির করে। ইয়া আল্লাহ রক্ষা করো।