গল্পের শহর
Статистикаতোমার অব্যক্ত কথা এবং লিখাগুলোর ভিতরে লুকিয়ে থাকা সুপ্তপ্রতিভা গুলো শেয়ার করতে পারো আমাদের সাথে । 🌼 ✅লিখা পাঠানোর ঠিকানাঃ 1. @SadianurTithi☘️ 2. @Maxrab☘️ 3. @Imranul_islam_imran🍀
- Последний пост
- 8 авг.
- Последнее чтение
- 13 авг.
- Постов за неделю
- 0
- Всего постов
- 22
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- В каталоге с
- 13 авг.
- 1/24сутки в ленте
- 235
- 1/48двое суток
- 269
- 1/72трое суток
- 290
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
[পরবর্তী অংশ] কোভিডের টাইম থেকে এই টাইম অবধি সময় কত বদলে গেছে! আমি নিজে বদলে গেছি। পরের পাঁচ ছয় বছর পরেও আরও বদল ঘটবে আমার। সেটাই স্বাভাবিক। এই যে এখন যেমন পুরনো দিনের কথা ভাবছি। তখন যা স্বপ্ন দেখতাম, উইশ করতাম, তা যেমন রিয়েলিটিতে বদলে গেছে, এখন যা মনে মনে উইশ করছি, আগামী পাঁচ বছর পরেও কি তা রিয়েলিটিতে বদলে যাবে? স্বপ্ন সত্যি হয়ে সেই স্বপ্নতেই বাঁচতে পারব? জানি না। নিজের ওপর মাঝেমাঝে রাগ হয়, এটা ভাবলেই যে, ঢাবিতে চান্স পাওয়া আসলেই আমার স্বপ্ন ছিল? আমি কীভাবে এত নিচে নামতে পেরেছিলাম? ঘাবড়াবেন না কেউ। আমি এমন ভীষণ সুপিরিয়রিটি কমপ্লেক্সে ভুগেই থাকে সময়ে সময়ে। পরে রিয়েলিটি হিট করলে স্বজ্ঞানে ফিরে আসি। Max Rab
আমাদের হাই স্কুলের এক সিনিয়রের ব্যাপারে টিচাররা সবসময় বলাবলি করতো। বলতো সে পড়াশোনায় খুব ভালো। সবসময় ফার্স্ট হয়। খুব বেশি সিনিয়র না। মাত্র এক বছরের। কিন্তু আমাদের ব্যাচের ফার্স্ট বয়কে নিয়ে কেউ কিছু কখনও বলতো না। ও আমার চেয়েও লো প্রোফাইল রাখতো। কিন্তু সিনিয়র ঐ ছেলেটা ভীষণ চঞ্চল, কর্মঠ ছিল। পড়াশোনায় যেমন ভালো, কো কারিকুলাম এক্টিভিটিসেও দুর্দান্ত ছিল। এডমিশনের সময় সে বুয়েট, ঢাবি, মেডিকেল, সাস্ট সবকিছুতেই চান্স পেয়ে যায়। পরে গিয়ে ভর্তি হয় বুয়েটে। আমার নিজের কোথাও পার্টিকুলারলি পড়ার আকাঙ্খা ছিল না। তবুও, এডমিশন পিরিয়ড যখন চলে এল, তখন সবার মতো আমাকেও বিভিন্ন জায়গায় পরীক্ষা দিতে হলো। ব্যাচেলর তো করতে হবে। পড়াশোনা তো আর উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত স্থায়ী রাখা যায় না। ঐ ছেলেটাকে দেখে আমারও ইচ্ছে হতো মনে মনে, ঢাবি না হয় সাস্ট যেকোনো একটাতে আমারও যদি চান্স হয়ে যায়, তাহলে তো খুব ভালো হয়। নিজের নামের সাথে সারাজীবনের জন্য ঐ ইউনিভার্সিটির তকমা লেগে যাবে। নিজের একটা পরিচয় তৈরি হবে। ঢাবি বা সাস্ট কেন, কেন বুয়েট বা চুকুরুয়েট নয় তার কারণ আমি ইঞ্জিনিয়ারিং এর জন্য কোনো প্রিপারেশনই নিইনি। আর ইঞ্জিনিয়ারিং এ পরীক্ষা দিয়ে পাশ করা ইজ নট এ জোক। নিজের লেভেল জানতাম ভালো করে। ঢাবিতে বা সাস্টে চান্স পাওয়ার জন্যও যে আমি খুব পড়াশোনা করেছিলাম তাও না। সেই তুলনায় পড়াশোনা করিইনি বলা চলে। বাবার ইচ্ছায় মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষা দিয়েছিলাম। কিন্তু যথারীতি চান্স হয়নি। না হওয়ারই কথা ছিল। পরে ঢাবিতে এক্সাম দিলাম দুটো ইউনিটে। এ আর ডি। সাইন্সের স্টুডেন্ট হওয়ায় এ তে তো দিতেই হতো। ডি'তে শুরুতে দেওয়ার ইচ্ছা ছিল না। কিন্তু এক বন্ধুর কথায় এপ্লাই করে ফেললাম। ভাবনা ছিল, যদি বাই এনি চান্স, ঢাবিতে চান্স হয়ে যায়? মাঝে গুচ্ছেও এক্সাম দিয়েছিলাম। মার্কস কম এসেছিল। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে এপ্লাই করেও পরীক্ষা দিতে যাইনি। ঢাবি ডি'তে প্রিপারেশন ছাড়াই এক্সাম দিতে গিয়েছিলাম। আর চান্সও হয়ে গেল। কোনো কষ্ট ছাড়া, রাতের ঘুম হারাম করা ছাড়া। লেখালেখির শখ থাকায় যা'ই দক্ষতা ছিল, তা দিয়েই রিটেনে অনেক মার্কস চলে এসেছিল। এমসিকিউতে কোনোমতে উৎরেছি। মনে মনে ভাবি, যাক, লেখালেখি করে আর কিছু না হোক, অন্তত ঢাবিতে চান্সটা হয়ে গেছে। দিনেশেষে, আমিও ঢাবিয়ান। ঐ সিনিয়রের মতো। ও বুয়েটিয়ান, আমি ঢাবিয়ান। ভালো লাগা কাজ করে। এটা খুব বড় অর্জন নয়। সত্যি বলতে, এটা কোনো অর্জনই নয়। এটা শুধু ব্যক্তিগত গর্বের বিষয়। আমি তাই বুক ঠুকে বলে বেড়াই না কাউকে। নিজেকে ঢাবিয়ান বলে পরিচয় দেওয়াটা হয় আমার লাস্ট অপশন। কিন্তু একটা ইনস্টিটিউশনাল প্রাইড কাজ করেই সবসময়। এটা যারা পড়ে শুধু তারাই অনুভব করতে পারে। হাজার হোক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। আসলে এটা সম্ভবই হয়েছে, ঐ ভাইকে দেখে মনের মধ্যে তৈরি হওয়া মেনিফেস্টেশন থেকে। শুধু ঐ ভাই'ই না। শুধু ওনাকে ক্রেডিট দেবো না। আরও অনেককে দেখেই। তবে ঐ ভাইয়েরটা চোখের সামনে থেকে দেখতে পেতাম তাই ওর ইনফ্লিয়েন্সটা বেশি ছিল। আমি দুয়া করতে থাকতাম, ঢাবি অথবা সাস্ট, যেকোনো একটা কপালে দিয়ে দাও, আল্লাহ। অথচ পড়তাম না, পরিশ্রম করতাম না। টার্নস আউট, কোনো কাজ না করেও দুয়ায় কাজ হয়। না, না। আমি কাউকে কাজ করতে বারণ করছি না। কাজ করুন, পরিশ্রম করুন। আমার ব্যাপারটা লজিক্যালি দেখলে, একেবারে ফরচুন বা লাক বা কাকতালীয়ভাবে চান্স পেয়ে যাওয়া ইত্যাদি বিভিন্নভাবে উপস্থাপন করা যায়। মিরাকল বলার প্রয়োজনীয়তা নেই। কিন্তু আমি নিজের কাছে এটাকে মিরাকলই বলি। এই কথাগুলো বলছি এই কারণে, ঐ সিনিয়র ভাই ফেসবুকে পোস্ট দিল সম্প্রতি, উনি আমেরিকা চলে গেছে। পিএইচডি করতে। উইথ ফুল ফান্ডেড স্কলারশিপ। এখন কি আমিও কি চাই ওর মতো ফুল ফান্ডেড স্কলারশিপ নিয়ে আমেরিকা যেতে? আমি বলবো, আমি জানিনা। আমি চাইনা কিছুই। গত পাঁচ-ছয় বছর আগে আমার মানসিকতা যেমন ছিল, এখন তেমন নেই। এখন আমার মধ্যে বেশকিছু বদল ঘটেছে। এখন আমি প্রবাবলিটি চিন্তা করে এগোবো। হিসেব নিকেশ করে যেদিকে যাওয়াটা ঠিক মনে হবে, সেদিকে যাবো৷ র্যান্ডমলি আবেগের বশবর্তী হয়ে কিছু চেয়ে বসবো না। তবুও মনের এক গহীনে, কিছু ইচ্ছা আকাঙ্খা থেকে যায়। মনে হয়, ওদিকে গেলেই সুখ আসবে। সমৃদ্ধি আসবে। হয়তো শান্তি আসবে। হয়তো ভালো কিছু হবে। পরে আবার অন্যান্য অনেক সম্ভাবনার কথা ভাবলে নিজের মনের মধ্যে দ্বন্দ্ব লেগে যায়। এতো সম্ভাবনার কথা ভাবি কেন আমি? একটা মেয়েকে একবার একটা সম্ভাবনার কথা বলেছিলাম। তার কথায় মনে হয়েছে, আমার বলা সম্ভাবনাকে সে সিরিয়াসলি ধরে নিয়েছিল। সম্ভাবনার কথা ভাবা, আর মন থেকে কোনো কিছু চাওয়ার মাঝে যে ফারাক থাকে অনেক। [ বাকিটুকু নিচে] Max Rab
ক্রিস্টোফার নোলান ওডিসি সিনেমা বানালেও কোন মুসলমান মহাভারত নিয়ে সিনেমা বানানো দূরের কথা সে এটা পড়তেই চায় না! বিষয়টা উত্তরাধিকারীত্বের। বিষয়টা সংস্কৃতির। পুরো ইউরোপ তো বটেই পশ্চিমের গর্ব হচ্ছে হোমার। তার রচিত ইলিয়াড ও ওডিসি। নোলান খ্রিস্টান। খ্রিস্টান ঐতিহ্য…
ক্রিস্টোফার নোলান ওডিসি সিনেমা বানালেও কোন মুসলমান মহাভারত নিয়ে সিনেমা বানানো দূরের কথা সে এটা পড়তেই চায় না! বিষয়টা উত্তরাধিকারীত্বের। বিষয়টা সংস্কৃতির। পুরো ইউরোপ তো বটেই পশ্চিমের গর্ব হচ্ছে হোমার। তার রচিত ইলিয়াড ও ওডিসি। নোলান খ্রিস্টান। খ্রিস্টান ঐতিহ্য হচ্ছে পৌত্তলিকতা বিরোধী। পুরো ইউরোপ কিভাবে খ্রিস্টান ধর্ম প্রচার হলো কিভাবে আইন করে গ্রীক মন্দিরগুলো বন্ধ করা হয়েছিল, জিউস এ্যাপলোর পূজা বন্ধ করা হয়েছিল সে ইতিহাস মাথায় রেখে আমরা দেখি ইউরোপের কাছে হোমার ও তার সাহিত্যই তাদের পূর্ব পুরুষদের কীর্তি। আর এই পুরো ভারতবর্ষ, ভারতীয় উপমহাদেশের মহান সাহিত্য হচ্ছে মহাভারত, রামায়ন। এটাকে নিয়ে গর্ব করা ও উত্তরাধিকার হিসেবে নিজেকে দায়িত্ব দিতে হলে আগে নিজের অরিজিন হিসেবে এই ভূখন্ডকে মানতে হবে। রবীন্দ্রনাথরা হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে ব্রাহ্ম নামের এক নতুন ধর্ম অনুসরণ করতেন। এটি ছিল খ্রিস্টান ধর্ম প্রভাবিত ভারতীয় কালচারে মোড়ানো একটি ধর্ম। রবীন্দ্রনাথ কালী দেবীকে বলি দেয়ার বিরুদ্ধে তাঁর ঘোর বিরোধীতা ও ক্ষোভ তাঁর নাটকে স্থান দিয়েছিলেন। তিনিই মহাভারত থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে তাঁর কাব্যে কচ ও দেবযানীকে নিজের ন্যারেটিভে লিখেছিলেন। চিত্রাঙ্গদাকেও মহাভারত থেকে নিয়েছিলেন। তীব্র হিন্দু ধর্ম বিদ্বেষ থেকেই মাইকেল মধুসূদন দত্ত খ্রিস্টান হয়েছিলেন। তিনিও রামায়ন থেকেই নিয়েছিলেন তার কাব্যের রসদ। তিনিও ন্যারেটিভ তাঁর মত করে নিয়েছিলেন। মধুসূদন মহাভারত থেকেও চরিত্র নিয়ে মহাকাব্য নাটক লিখেছেন। কিন্তু মীর মোশাররফ হোসেন তার কাব্য রচনা করতে কারবালার নবী দৌহিত্রকে বেছে নিলেন। এতে দোষের কিছু নেই। কিন্তু প্রশ্ন জাগতেই পারে আরবের মরুভূমিকে বেছে নেয়ার কারণটি ছিল এ জন্য যে তিনি মুসলমান এবং এটা ভালো বুঝবেন। বাকীরা হিন্দু ব্যাকগ্রাউন্ডের তাই মহাভারত রামায়ন ভালো বুঝবেন? এটা মেনে নিলে কিন্তু ভারতীয় মহাদেশের মুসলমানদের নিজ জাতি সংস্কৃতির উত্তরাধিকার মানা যাচ্ছে না। তাহলে কি ভূমিপুত্র তাদেরই ধরতে হচ্ছে যারা এই ভূখন্ডের অমুসলিম তারাই? প্রশ্নটা মুসলমানদের কাছে। ইরানীদের কাছে পারস্য সাহিত্য তাদের পূর্ব পুরুষদের কীর্তি হিসেবে তারা লালন করে। পুরো ইউরোপ-পশ্চিমা বিশ্ব গ্রীক রোমান সাহিত্য ও পুরানকে তাদের পরিচয় মনে করে। মিশরদের ইতিহাস হচ্ছে ফারাওদের ইতিহাস- আরবদের নয়। তাহলে এই অঞ্চলের মুসলমানদের ইতিহাস কি? সোহরাব রুস্তম তো পারস্যদের। কারবালা আরবদের। এই অঞ্চলের মুসলমানদের পরিচয় তাহলে কি হবে? যারা খুব আর্য বিরোধী, খুব একটা প্রলেতারিয়েত প্রেমি, সাবঅল্টার্ন কচলায় তারা কি বেহুলা লখিন্দরকে তাদের পরিচয় বলবে? কোনদিন বলেছে? মহাভারত রামায়নকে সাহিত্য হিসেবে এটাকে হিন্দু বর্ণবাদ ও কুসংস্কার হিসেবে হেয় করতে প্ররোচিত করেছিল এদেশের বামপন্থীরা। কারণ তাদের নবী রসূলদের বাসও চীন রাশিয়াতে! -সুষুপ্ত পাঠক ৩১ জুলাই, ২০২৬
আর্জেন্তিনা হারায় আমার খুশি হওয়ার কোনো কারণ নেই। কিন্তু একটা বিষয়ে খুশি যে, ঐ টীমের টক্সিক ফ্যানবেজের মুখ বন্ধ করা গেছে। কাল ফেসবুকে স্প্যামিং করেছি ঐ টক্সিক লোকগুলোর জন্য। আর খেলায় হারলে স্ল্যাজিং, ট্রোলিং এইসব থাকবেই। যে জিতবে সে প্রশংসা পাবে আর যে হারবে সে তিরস্কৃত হবে। পরাজয় কেউ সেলিব্রেট করে না। করতে পারে না। পর্তুগাল হারায় আর্জেন্তিনার ফ্যানরা যা করছিল তা যেমন আমাদের বুকে তিরের মতো এসে বিঁধছিল, কালকের হারের পরও আমরা তির ছুঁড়েছি আর জায়গা মতোই লেগেছিল। শেষমেশ এই কথাই বলবো, Justice has been delivered and football won...
গল্পের শহর pinned «দিয়ে দিলাম... ১. সূরা আলাক (৯৬:১) আরবি: > اقْرَأْ بِاسْمِ رَبِّكَ الَّذِي خَلَقَ উচ্চারণ: > ইকরা বিসমি রাব্বিকাল্লাযী খালাক। অর্থ: > "পড়ুন আপনার সেই প্রতিপালকের নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন।" --- ২. সূরা ত্বহা (২০:১১৪) আরবি: > فَتَعَالَى اللَّهُ الْمَلِكُ…»
দিয়ে দিলাম... ১. সূরা আলাক (৯৬:১) আরবি: > اقْرَأْ بِاسْمِ رَبِّكَ الَّذِي خَلَقَ উচ্চারণ: > ইকরা বিসমি রাব্বিকাল্লাযী খালাক। অর্থ: > "পড়ুন আপনার সেই প্রতিপালকের নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন।" --- ২. সূরা ত্বহা (২০:১১৪) আরবি: > فَتَعَالَى اللَّهُ الْمَلِكُ الْحَقُّ ۗ وَلَا تَعْجَلْ بِالْقُرْآنِ مِن قَبْلِ أَن يُقْضَىٰ إِلَيْكَ وَحْيُهُ ۖ وَقُل رَّبِّ زِدْنِي عِلْمًا উচ্চারণ: > ফাতা'আলাল্লাহুল মালিকুল হাক্কু; ওয়ালা তা'জাল বিল কুরআনি মিন কাবলি আই-ইউকদা ইলাইকা ওয়াহইউহু; ওয়া কুর রাব্বি জিদনী ইলমা। অর্থ: > "অতএব মহান আল্লাহ, প্রকৃত অধিপতি। আপনার প্রতি ওহি সম্পূর্ণ হওয়ার আগে কুরআন পাঠে তাড়াহুড়া করবেন না। আর বলুন, 'হে আমার রব! আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করে দিন।'" --- ৩. সূরা ত্বহা (২০:২৫–২৮) আরবি: > رَبِّ اشْرَحْ لِي صَدْرِي وَيَسِّرْ لِي أَمْرِي وَاحْلُلْ عُقْدَةً مِّن لِّسَانِي يَفْقَهُوا قَوْلِي উচ্চারণ: > রাব্বিশরাহ্ লি সদরি। ওয়া ইয়াসসির লি আমরি। ওয়াহলুল উকদাতাম মিন লিসানি। ইয়াফকাহু কাওলি। অর্থ: > "হে আমার রব! আমার বক্ষ প্রশস্ত করে দিন। আমার কাজ সহজ করে দিন। আমার জিহ্বার জড়তা দূর করে দিন। যাতে তারা আমার কথা বুঝতে পারে।" --- ৪. সূরা আল-বাকারা (২:৩২) আরবি: > قَالُوا سُبْحَانَكَ لَا عِلْمَ لَنَا إِلَّا مَا عَلَّمْتَنَا ۖ إِنَّكَ أَنتَ الْعَلِيمُ الْحَكِيمُ উচ্চারণ: > কালু সুবহানাকা লা ইলমা লানা ইল্লা মা আল্লামতানা; ইন্নাকা আনতাল আলীমুল হাকীম। অর্থ: > "তারা বলল, 'আপনি পবিত্র। আপনি আমাদের যা শিক্ষা দিয়েছেন তা ছাড়া আমাদের কোনো জ্ঞান নেই। নিশ্চয়ই আপনিই সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।'"
ইনস্টাগ্রামে রস ডাফারের পোস্ট থেকে জানতে পারলাম গতকাল স্ট্র্যাঞ্জার থিংস রীলিজের বছর দশেক পেরিয়ে গেছে। একটা দীর্ঘ সময় ধরে স্ট্র্যাঞ্জার থিংস আমার সামনে ঘোরাফরা করছিল। কোনো মুভি বা সিরিজ খুঁজতে যে কোনো ওয়েবসাইটে ঢুকলে সামনে সাজেশন চলে আসতো। কিন্তু আমি ইগনোর করে যাচ্ছিলাম। ট্রেলার দেখে ভালো লাগেনি প্রথমটায়, সত্যি বলতে। কয়েকটা বাচ্চা মিলে এদিক ওদিক ছুটোছুটি করবে আর রহস্য সমাধান করে বেড়াবে, এসব জিনিসপাতি দেখার ইচ্ছা হয়নি তখন। অন্তত ট্রেলার দেখে তো আমার এমনটাই মনে হয়েছিল। একবার আমার লাইফে ভীষণ ট্র্যাজেডি চলছিলো। তখন ভালো সিনেমা বা সিরিজ দেখতে চাইছিলাম। কিন্তু মানসিক অবস্থা এমন ছিল যে, তখন আমার কোনো গুরুগম্ভীর বা হাইলি ইন্টেলেকচুয়াল নোলান টাইপ স্টাফ দেখতে মোটেও ইচ্ছে হচ্ছিল না। তাই ভেবে ভেবে শেষমেশ স্ট্র্যাঞ্জার থিংস দেখবো বলে সিদ্ধান্ত নিলাম। আর সেই সিদ্ধান্ত আমার ওপর টনিকের মতো কাজ করেছিলো। তখনও সিজন ফোর বেরোয়নি। আমি সিজন ওয়ান দেখতে শুরু করলাম। আমার চরিত্রগুলোকে ভালো লাগতে শুরু করলো। তারপর সিজন টু শুরু করলাম। দেখে নিলাম একটানা। তারপর সিজন থ্রি। সেটাও একটানা দেখে নিলাম। দুদিনে তিনটে সিজনই দেখে নিয়েছিলাম। সিরিজটার প্রত্যেকটা ক্যারেক্টারকে ভালোবেসে ফেললাম। মনে হতে থাকলো, এরা আমার নিজেরই লোক। ডাফার ব্রাদার্স এতো সুন্দর করে ক্যারেক্টারগুলো লিখেছে আর পুরো গল্পের প্রেজেন্টেশন এতো আকর্ষণীয় ছিল যে শেষ না করে স্ক্রিন থেকে চোখ সরানো দায় হয়ে গিয়েছিল। আমি কোনো যুক্তি তর্ক ছাড়াই এতকাল যাবৎ এই সিরিজকে আমার দেখা মোস্ট এন্টারটেইনিং সিরিজ হিসেবে মেনে নিয়েছিলাম। ঐ যে কিছু লোক জিজ্ঞেস করে না যে, তোমার যদি আগের সব স্মৃতি হারিয়ে যায় তাহলে তুমি কোন সিরিজ আবার দেখতে চাইবে? আমি নির্দ্বিধায় স্ট্র্যাঞ্জার থিংসের কথাই বলবো। তবে একটু ভাবতে বসলাম যে, এক্সাক্টলি কী কী আছে ঐ সিরিজটায় যার জন্য এটা আমার এতো প্রিয় হয়ে উঠলো? প্রথম কথা হচ্ছে, প্রত্যেকটা ক্যারেক্টার নিজেদের ভয়েস পেয়েছে। মাইক, ডাস্টিন, লুকাস, উইল, ইলেভেন থেকে শুরু করে ন্যান্সি, স্টিভ, জোনাথন, জয়েস সবাই। জিম হপারের ভয়েসও বাদ যায়নি। মানে সবাই। প্রত্যেকের মনস্তত্ত্ব ও ভাবনা থেকে একেকজনের ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্ট খুব প্রিসাইজলি ডাফার ব্রাদার্স দেখানোর চেষ্টা করেছেন এবং সফলও হয়েছেন৷ একেবারে পারফেক্ট কামিং অফ এইজ জঁরের ক্যাটাগরিতে পড়ে। প্রসঙ্গতঃ ইউটিউবে কদিন আগেই এই জঁরের নামটা জানলাম। সবারই লাইফ স্টোরি, বন্ধু্ত্ব, প্রেম, ট্রমা, বিচ্ছেদ, মৃত্যুর মুখোমুখি চলে যাওয়া তাদের চরিত্রের আলাদা আলাদা একেকটা দিক উন্মোচন করে দেয়। বিশেষ করে, সিজন ওয়ানের সবচেয়ে হেটেড ক্যারেক্টার থেকে স্টিভের একেবারে ফ্যান ফেভারিট হয়ে ওঠার ব্যাপারটা। আর গল্পটা আদ্যোপান্ত হররও নয়, সাইন্স ফিকশনও নয়। অনেক কিছুর মিশেল আছে এখানে। মিস্ট্রি আছে, কমেডি আছে, এডভেঞ্চার আছে, রোমান্টিক এঙ্গেল, ট্র্যাজেডি আছে। এগুলো ছাড়াও পুরো হকিন্স টাউনের এটমোস্ফিয়ারটা আমার দারুণ লেগেছে। ছোট টাউন। তার মধ্যে ছোট ছোট বাসা। মাইকদের বাইক রাইডিং, স্কুলে যাওয়া, ডাঞ্জন্স এন্ড ড্রাগন্স খেলা, মর্স কোডের ব্যবহার, এডির হেলফায়ার ক্লাব, এসব থেকে শুরু করে তাদের মধ্যে যে একটা ইন্টেন্স ফ্রেন্ডশিপ দেখিয়েছে, যে ফ্রেন্ডশিপের জন্য যারা নিজের জীবনের তোয়াক্কা পর্যন্ত কেউ করেনি, তারপর আপসাইড ডাউনের যে জগৎ, ডেমোগর্গ থেকে ডেমোডগ আর শেষে তো সিজন ফোরে হেনরির আবির্ভাব। আহা! সিজন ফোর গোটা সিরিজের বেস্ট সিজন ছিল আমার মতে। সিরিজের আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর। এই সিরিজে বিভিন্ন মিউজিক এডপ্ট করা হয়েছে সিচুয়েশনের সাথে আর মৌলিক সঙ্গীত তো আছেই। এখনও হুট করে কোনো রীলস বা অন্য কোথাও শুনলে ভাবুক হয়ে যাই। পুরনো দিনগুলো মনে পড়ে আর সিরিজটা আবারও দেখার ইচ্ছে হয়৷ যদিও বেশ কয়েকবার দেখে নেওয়া হয়েছে এর মধ্যে। আবারও দেখতে ইচ্ছে হয়। আমি সবগুলো ক্যারেক্টারই ভীষণ পছন্দের। কিন্তু আমি সবার উপরে রাখবো ডাস্টিন আর ন্যান্সিকে। ডাস্টিন এমন একটা ক্যারেক্টার যা আমি বাস্তবে হতে চেয়েও হতে পারিনি। আর ন্যান্সির অমন সাহসী, এলিগেন্ট, এমবিশিয়াস, লিডিং ব্যক্তিত্ব আমাকে ভীষণরকম মুগ্ধ করেছে। বিশেষ করে যখন ও স্টিভকে ছেড়ে দিয়ে জোনাথনকে চুজ করেছিল তখন। আর আমি ডাফার ব্রাদার্সের প্রতি ভীষণরকম ইমপ্রেসড হয়ে গিয়েছিলাম তখন। ইউটিউবে খুঁজে খুঁজে ওদের সব ইন্টারভিউগুলো দেখতে শুরু করে দিয়েছিলাম। আই ওয়াজ লাইক, তোমরা ভাই কীভাবে এমন কিছু লিখতে পেরেছো? তোমাদের তো ভায়া কাল্টিভেট করতেই হচ্ছে। এতো ডিটেইল কীভাবে এরা মাথায় রাখলো ভেবেই অবাক লাগে। একেকটা সিজনের সাথে বাকিগুলো অদ্ভুত নিপুণতার সাথে জুড়ে দিয়েছিল যে কোনো খুঁত ক্বদাচিৎই চোখে পড়ে। Max Rab
সুরা মুলকের দ্বিতীয় আয়াত, যেখানে আল্লাহ বলছেন তিনি মৃত্যু আর জীবনকে সৃষ্টি করেছেন মানুষকে পরীক্ষা করার জন্য যে—আমলের দিক থেকে কে কার চেয়ে উত্তম’। এই অংশটার সাথে নিজের দুটো গুণবাচক নাম ‘আল আযীয’ এবং ‘আল গফুর’ জুড়ে দেওয়ার রহস্যটা কী তাহলে? এই আয়াতটা মূলত আখিরাতের জীবনকে চিত্রিত করে আমাদের সামনে। কারণ ‘উত্তম আমলের পরীক্ষার’ যে ফলাফল, সেই ফলাফল আমরা দুনিয়াতে পাব না। সেই ফলাফল দেখতে পাব আখিরাতে। এই পরীক্ষায় কে জিতল, কে হারল, কে ফার্স্ট ক্লাস পাবে আর কে পাবে থার্ড গ্রেড—এইসব খোলাসা করা হবে কিয়ামতের মাঠে। যেহেতু আয়াতটা আখিরাত-কেন্দ্রিক, আরও বিশেষভাবে বললে কিয়ামত দিবস-কেন্দ্রিক, সেহেতু আয়াতের সাথে জুড়ে থাকা আল্লাহর ‘আল আযীয’ এবং ‘আল গফুর’ নাম দুটোকেও আমাদেরকে সেভাবে মিলিয়ে পড়তে হবে। চলুন তাহলে, নাম দুটোকে আয়াতের সাথে আমরা একবার মিলিয়ে পড়ি। পড়তে যাওয়ার আগে, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার ‘আল আযীয’ এবং ‘আল গফুর’ নামের অর্থ দুটো আরও একবার পরখ করে নিই। আল আযীয—যিনি মহাপরাক্রমশালী। যা ইচ্ছা তা-ই করতে পারেন। আল গফুর—যিনি অতিশয় দয়ালু। বিস্ময়করভাবে তিনি বান্দাকে ক্ষমা করে দেন। এবার আয়াতটাকে মিলিয়ে পড়ি— ‘তিনি সৃষ্টি করেছেন মৃত্যু ও জীবন—যাতে তোমাদের পরীক্ষা করতে পারেন আমলের দিক থেকে কে তোমাদের মধ্যে উত্তম। তিনি এতো পরাক্রমশালী যে—তিনি ইচ্ছা করলে তোমাদের প্রত্যেককে সেদিন আটকাতে পারবেন। সেই ক্ষমতা তিনি রাখেন। যদি তিনি তা করতে চান, তাহলে কেউ নেই তাকে আটকাতে পারবে। কেউ নেই তাকে প্রশ্ন করতে পারবে। তবে, এটাও জেনে রাখো—তিনি শুধু মহাপরাক্রমশালীই নন, একইসাথে তিনি অতিশয় দয়ালুও’। কিয়ামত দিবস-কেন্দ্রিক একটা আয়াতের শেষে ‘আল আযীয’ নামটা নেহায়েত ছন্দগত মিল থেকে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা ব্যবহার করেননি। সেই দিনের সত্যিকার রাজত্ব হবে কেবলই আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার। মুলক শব্দের অর্থই হলো—রাজত্ব। আল্লাহ যদি ইচ্ছা করেন, সেদিন তিনি আমাকে, আপনাকে, আমাদের সকলকে আটকে দিতে পারবেন। এমন ভাববেন না যে, তিনি অন্যায়ভাবে, স্বেচ্ছাচারিতা করে আমাদের আটকাবেন। এটা আল্লাহর শান আর শওকতের পরিপন্থী। আটকানোর জন্য আমাদের জীবন থেকে অসংখ্য ভুল, অসংখ্য গুনাহ, অসংখ্য অবাধ্যতা তিনি বের করে আনতে পারবেন। নবি আর রাসুলগণ ছাড়া, আমাদের আর কার জীবন ফুলের মতো স্বচ্ছ, কোমল আর পবিত্র? আমাদের কার জীবনে পাপ নেই, গুনাহ নেই, সীমালঙ্গন নেই? একটা আস্ত দিন তো বহুদূর, কেবল একটা ঘণ্টার খতিয়ান যদি আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিচার করতে যান, ভাবুন তো আমরা ক’জন সেদিন উতরে যেতে পারব? এটাই আল্লাহর ক্ষমতা। তিনি তো কোনোকিছুই ভুলে যান না। তিনি ইচ্ছা করলে কিয়ামতের ময়দানে আমাদের প্রত্যেককে দোষী সাব্যস্ত করে, জাহান্নামে ছুঁড়ে ফেলতে পারবেন। আয়াতটার সাথে ‘আল আযীয’ নামটা রেখে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা আমাদের বলছেন যে—‘ভুলে যে-ও না আল্লাহ অসীম ক্ষমতাধর। তিনি যদি আটকাতে চান তাহলে তোমাকে আটকানো তাঁর জন্য নিতান্তই সোজা। তোমার পাপের ব্যাপারে উদাসীন হয়ো না। খেয়াল রেখো—আল্লাহ কিন্তু কোনোকিছুই ভুলে যান না। তোমার আমল নিয়ে উল্লসিত হয়ো না, অহংকার করো না। সেসবকে ধুলোধূসরিত করে দেওয়া তাঁর জন্য খুবই সহজ। এই সতর্কবার্তা প্রদানের পর ‘আল গফুর’ নামটা উল্লেখ করে আল্লাহ বলছেন—‘এটাও খেয়ালে রেখো—তোমার রব অতিশয় দয়ালু। তুমি যদি ক্বলবুন সালীম তথা একটা পরিশুদ্ধ অন্তর নিয়ে তাঁর সামনে হাজির হতে পারো, হতে পারে তোমার গুনাহ সমুদ্রের জলরাশি পরিমাণ, হতে পারে তোমার পাপ আকাশ ছুঁয়েছে, হতে পারে তোমার আমল এতো নগন্য যে আঙুল দিয়ে গোনা যায়—তবু তিনি চাইলে তোমাকে ক্ষমা করে দিতে পারেন। নবিজি সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাদিস থেকেও আমরা জানতে পারি, তিনি বলেছেন— ‘আল্লাহর ক্ষমা তাঁর ক্রোধের উপর বিজয়ী হয়’। এই আয়াতে ‘আল আযীয’ নামটা ব্যবহার করে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা তাঁর শক্তিমত্তার বিষয়টাই উল্লেখ করেছেন। তারপর ‘আল গফুর’ নামটা দিয়ে জানান দিয়েছেন তাঁর চিরাচরিত ক্ষমাশীলতার। সুরা মুলকের এই আয়াত থেকে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার ‘আল আযীয’ নামটা আমাদের হৃদয়ে কাঁপন ধরাক। যেন আমরা গুনাহের ব্যাপারে, আল্লাহর অবাধ্যতার ব্যাপারে, সীমালঙ্গনের ব্যাপারে উন্মত্ত না হয়ে পড়ি। একইসাথে, আল্লাহর ‘আল গফুর’ নামটা আমাদেরকে সেই হতাশা থেকে টেনে তুলুক—যে হতাশা আমাদেরকে তাওবার দরোজার দিকে দৌঁড়ে যেতে বাঁধা দেয়। অনুতপ্ত হৃদয়, অশ্রুসিক্ত চোখ আর প্রকম্পিত অন্তর নিয়ে তাঁর কাছে ছুটে যাওয়ার জন্য যে ধাক্কাটা দরকার, তার সবটাই যেন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা খোদাই করে রেখেছেন এই ‘আল গফুর’ নামের মাঝে।
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
Thanks to God that he made such beautiful women. Keira Knightley is one of them. She is absolutely beautiful. I always admire such effortless beauty. Despite every pain and suffering, I am glad that I love such women. That I have such great taste in women. Loving women is not a crime of course. God made women to love them, to worship them.
Some women are so incredibly beautiful that I feel happy just knowing I'm drawn to them. Penelope is one of them.... You know, these kinda girls, I find myself loving them with all my heart, and that love alone fills me with joy. It makes me feel alive, light, and content. In those moments, I think to myself, this is what life is all about. What more could I possibly ask for? 🧘♂️
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
I’ve found the secret Of loving you Always for the first time.... Penelope Cruz ❤️
People often say that the ones who stand by you at your lowest are your true friends. I can finally tell who my real friends are and who aren't. If I actually count them, the number is surprisingly small. Well, I'm grateful for those who have stayed by my side. But honestly, I'm not upset about it at all. That's just reality. It's not even something I've had to force myself to accept. I look at my father. He doesn't really have any friends either. He has us, his family, and a few people he knows through business. Yet he's living a perfectly fulfilling life. As we go through life, we'll continue to meet new people. Some of them will become acquaintances, some may even grow close to us. Life goes on just fine that way. In fact, I often find people's company more exhausting than enjoyable. I'd much rather spend my time reading books, watching films, or listening to music than hanging out all the time. Being surrounded by art nourishes the mind and keeps the soul at peace. A lot of people who feel lonely or have no one around become desperate to get into a romantic relationship. I think that's a very unhealthy mindset. Not everyone needs romance to live a meaningful life. There's no point in getting into a relationship simply because everyone else is doing it. It's much better to develop a hobby or cultivate a passion and devote your time to that. That's what I do... I watch movies, for example. Max Rab
সূরা আরাফে নতুন একটা ব্যাপার নিয়ে জানলাম। ছোট বেলা থেকে শুনে এসেছি যে, আখিরাতের পরিণাম হবে বাইনারি, হয় জান্নাত নয় জা*হান্নাম। অথচ এই সূরার মাধ্যমে আমাদেরকে আল্লাহ জানিয়ে দিলেন— না, জান্নাত আর জা*হান্নামের মাঝামাঝিও আরেকটা জায়গা আছে। জায়গাটার নাম আরাফ! এই জায়গার নাম অনুসারেই এই সূরার নামকরণ। "আরাফ" হবে তাদের জন্য, যারা এতটাও ভালো কাজ করেনি যে জান্নাতের টিকেট পেয়ে যাবে! আবার এতটাও খারাপ কাজ করেনি যে জা*হান্নামে যেতে হবে। এ যেন মিডেল ক্লাসদের চরণ ভূমি! এই আরাফবাসি সবসময়ই আশায় থাকবে যে, তাদেরকে যেন কোন না কোন সময় জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়। এই আরাফ ছাড়াও হাশরের (The Day Of Judgement) আরেকটা ইম্পর্টেন্ট ফেক্ট আমাদের অনেকেরই অজানা। আর সেটা হলো কান্তারা! আমরা মনে করি, কোনো রকমে পুলসিরাত পার হইতে পারলেই বাঁচি। ভুল! পুলসিরাত পার হতে পারলেই জান্নাত নয়। পার হতে পারলে অপেক্ষা করবে মুমিনদের জন্য ফাইনাল পরীক্ষা। হাশরের দিনে বিশ্বাসীদের বিচার হবে দু-বার। এক বার হবে সিরাত পার হওয়ার পূর্বে। আরেক বার হবে সিরাত পার হওয়ার পরে। জি ঠিকই শুনেছেন। পূর্বের বিচার হবে- "স্রষ্টার হক নষ্ট করার বিচার।" আর পরের বিচার হবে- "বান্দার হক নষ্ট করার বিচার।" আর যে জায়গাটায় বিচারটি হবে, সেই জায়গাটির নামই হলো— "কান্তারা।" আল-কান্তারাহ হলো- সিরাতের পর আরেকটি ছোট সিরাত। বিশ্বাসীগণ যখন জান্নাতে প্রবেশ করবে, তারা এই কান্তারার উপর দিয়েই প্রবেশ করবে। এবং স্রষ্টা এই কান্তারার উপরেই মুমিনদের মধ্যকার আন সেটেলড ইস্যুস গুলো রিসোলভ করবেন। কল্পনা করুন! একজন ব্যক্তি আল-কান্তারাহ তে, জান্নাতের দরজার অলমোস্ট দ্বারপ্রান্তে, অথচ সে সেথায় ঢুকতে পারছে না! কারণ তার সব সৎকর্মগুলো যা নিয়ে নিয়ে সে বড়াই করতো সব শেষ। উল্টো তাকে জা*হান্নামে টেনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সেই হতোভাগাকে আপনি তখন কী বলবেন? প্রিয় রাসূল (ﷺ) অবশ্য সেই হতভাগা কে ডিফাইন করেছেন "মুফলিস" হিসেবে। "মুফলিস" অর্থ হলো দেউলিয়া। রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “তোমরা কি জানো, কে আসল দেউলিয়া?” সাহাবারা (রা.) উত্তর দেন, “যার কাছে অর্থ বা সম্পদ কিছুই নেই সে ইয়া রাসূলুল্লাহ?” রাসূল (ﷺ) বললেন, “না! আমার উম্মতের মধ্যে প্রকৃত দেউলিয়া হচ্ছে সেই ব্যক্তি– যেই ব্যক্তি কি*য়ামতের দিনে অনেক নামাজ, অনেক রোজা ও অনেক সদকা নিয়ে উপস্থিত হবে। অথচ সে দেখতে পাবে যে, সে ঐ দিনে দেউলিয়া হয়ে গিয়েছে! কারণ জীবদ্দশায় সে অন্যদের গা*লি দিয়ে বেড়াতো। অন্যদের অপবাদ দিয়ে বেড়াতো। অন্যায়ভাবে অন্যের সম্পদ আত্মসাৎ করে বেড়াতো। অন্যের র*ক্তপাত ঘটিয়ে বেড়াতো এবং অন্যকে প্রহার করে বেড়াতো। আজ তার সব সৎকর্মগুলো ভুক্তভোগীদেরকে দিয়ে দিতে হচ্ছে! শুধু তাই না! যদি তার ভালো কাজগুলো ক্ষতিপূরণ গুলোকে কভার করতে না পারে, তাহলে তাদের পাপ গুলোও তাঁর ওপর চাপিয়ে দেওয়া হবে এবং তাকে জা*হান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।” তাই বলছি, আপনার যারা নামাজ রোজা সাদাকার পাশাপাশি আপনার মুখের ভাষার মাধ্যমে অন্যদের কষ্ট দিয়ে বেড়াচ্ছেন কিংবা আমল দিয়ে অন্যের সম্পদ আত্মসাৎ করে বেড়াচ্ছেন, তাদের জন্য একটাই কথা— দেখা হবে বন্ধু! দেখা হবে কান্তারায়! ▪️রেফারেন্স : ১. (সূরা আল-আরাফ : ৪৬) ২. (সহীহ্ বুখারী : ২৪৪০) ৩. (সহীহ্ মুসলিম : ২৫৮১) লেখা : সামিউল হক #Sirah
নাম দেয়া ভাগ - দুই আবার যাদের ভালো লাগে না তাদেরও আমরা নাম দিই। একটু বাজে নাম। একটু তিক্ত নাম। কিছু কিছু গালিও মাঝে মাঝে নামে পরিণত হয়। যেমন ধরো - একটা লোক রোজ তোমাকে চড় মেরে চলে যায়। কেনো চড় মারে সে প্রসঙ্গে ভাবার কোনো দরকার নেই। জাস্ট ভাবো, তোমাকে…
নাম দেয়া ভাগ - দুই আবার যাদের ভালো লাগে না তাদেরও আমরা নাম দিই। একটু বাজে নাম। একটু তিক্ত নাম। কিছু কিছু গালিও মাঝে মাঝে নামে পরিণত হয়। যেমন ধরো - একটা লোক রোজ তোমাকে চড় মেরে চলে যায়। কেনো চড় মারে সে প্রসঙ্গে ভাবার কোনো দরকার নেই। জাস্ট ভাবো, তোমাকে চড় মেরে চলে যায়। তখন তুমি তাকে একটা নাম দিলে। মানে সেটা একটা গালি। সে গালিটা হতে পারে "বোতল"। আমরা ধরে নিচ্ছি বোতল একটা সাংঘাতিক রকমের গালি। অর্থাৎ তুমি তাকে বোতল বলে ডাকছোও আবার গালিও দিচ্ছো। এই যে নাম দেয়ার ব্যাপারটা, এটা ইমোশন থেকে আসে। ভালোবাসা, স্নেহ, আদর, শ্রদ্ধা, রাগ, ভয় এরকম বিভিন্ন ইমোশনগুলো থেকে একেকজনের প্রতি একেকটা নাম বেরিয়ে আসে। আমরা আমাদের কুকুর বেড়ালেরও একেকটা নাম রাখি। বেড়ালের দিকে তাকাতে তাকাতেই হয়তো তার আচরণ দেখে তোমার মাথায় নাম চলে এলো, " টম ক্রুজ "। আমি আজকে যত্তোসব weird উদাহরণ দিচ্ছি। মেনে নাও। সব সময় সব কিছু ছন্দবদ্ধভাবে চলে না। চলবেও না। আমি নিজের নাম ছাড়াও অনেক কিছুর অনেক রকম নাম দিই। অভিনেতা সজলের নাম দিয়েছিলাম "বৃহস্পতিবার"। নাটকে অভিনয় করে যে ছেলেটা। সেই ছোটোবেলায় দিয়েছিলাম। তার নাম জানতাম না তখন। মা প্রতি বৃহস্পতিবার টিভিতে তার নাটক দেখতো। আমি মাকে নায়কের নাম জিজ্ঞেস না করেই নাম দিয়েছিলাম "বৃহস্পতিবার"। আমার ফোনের নাম দিয়েছি " ঊনত্রিশ "। এরকম আরও অনেক কিছুর নাম দিই। সবকিছু বলা যাবে না ; সেগুলোও সিক্রেট থাকুক। শেষে বলি। নাম ধরে ডেকো। ডাক নামে ডেকো। যাদের নাম ধরে ডাকা যায় তাদের নাম ধরেই ডেকো বা তাদের নাম দিও ভালো ভালো। গুগল ঘাঁটলে দেখবে এসবের বিশেষ বিশেষ কারণ ও গুরুত্ব আছে। প্রেম ডট কমের "ডাক নামে ডেকো"- র এপিসোডটা শুনে অব্দি নাম দেয়া নিয়ে একটা কিছু লিখতে ইচ্ছে করছিলো। তাই ভাবলাম লিখেই ফেলি। বিশ-তিরিশ বছর পর বা আরও বেঁচে থাকলে তখন দেখবো এসব লেখা - কী কী লিখতাম এক সময়। ©® Max Rab