☘️গল্প কথা - Golpo Kotha🌼
Статистикаতুমি মানুষকে যা দিয়েছো প্রতিদানে অনুরূপ আশা করো না, কারণ সবার কাছে তোমার মতো হৃদয় নাও থাকতে পারে! ☺️❤️ আপনার লেখা পাঠান: @GolpoKothaBot 📮 Community > @LINK_TREES ☘️ Admin > @FLYNN_LOYAL 🤍 Ads > t.me/LoyalAds 🫧
- Последний пост
- 15 авг.
- Последнее чтение
- 15 авг.
- Постов за неделю
- 6
- Всего постов
- 24
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- Категория
- Развлечения (по похожим)
- В каталоге с
- 13 авг.
- 1/24сутки в ленте
- 391
- 1/48двое суток
- 448
- 1/72трое суток
- 483
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
মানুষ বদলে যায় নাকি আমরা চিনতে শিখি? 🖤 সময় মানুষকে বদলে দেয় কখনো ধীরে, কখনো নিঃশব্দে। একদিন যে মানুষটা আমাদের খুব আপন ছিল, একদিন তাকেই অচেনা মনে হয়। কথাগুলো ছোট হয়ে যায়, অপেক্ষাগুলো ফুরিয়ে যায়, যত্নের জায়গায় আসে ব্যস্ততা, আর একসময় বুঝতে পারি মানুষটা হয়তো বদলায়নি, আমাদের প্রতি তার প্রয়োজনটাই বদলে গেছে। জীবন বড় অদ্ভুত। কেউ আসে ভালোবাসা শেখাতে, কেউ আসে হারিয়ে যাওয়ার কষ্ট শেখাতে, আর কেউ কেউ এসে শিখিয়ে যায় নিজেকে ছাড়া কাউকে আঁকড়ে ধরে বেঁচে থাকা যায় না। আমরা অনেক সময় মানুষ হারানোর ভয়ে নিজেকেই হারিয়ে ফেলি। অথচ যে সত্যিই থাকার, তাকে ধরে রাখতে এত চেষ্টা করতে হয় না। তাই এখন আর কারও বদলে যাওয়ায় অবাক হই না। যে দূরে যেতে চায়, তাকে দূরত্ব দিই। যে ভুলে যেতে চায়, তাকে স্মৃতি থেকে মুক্তি দিই। আর যে থাকার, তাকে কোনো শর্ত ছাড়াই পাশে রাখি। কারণ Some people change, some people reveal their true selves, and some people simply outgrow us. সবকিছুর পরও জীবন থেমে থাকে না। কিছু মানুষ চলে যায়, কিছু স্বপ্ন ভেঙে যায়, কিছু সম্পর্ক অসমাপ্ত থেকে যায় তবুও সকাল হয়। আর সেই সকালেই আমরা একটু একটু করে বুঝতে শিখি সব হারানোই ক্ষতি নয়। কিছু হারানো আসলে নিজের কাছে ফিরে আসা। তাই মানুষ বদলালে কষ্ট পেয়ো, কিন্তু নিজেকে বদলে ফেলো না। কারও অবহেলায় নিজের মূল্য কমিয়ে দিও না। কারও চলে যাওয়ায় নিজের পৃথিবীটা অন্ধকার করে রেখো না। Let them go. Let yourself grow. 🌿 শেষ পর্যন্ত মানুষ নয়, সময়ই আমাদের শিখিয়ে দেয় কে ছিল সত্যি, কে ছিল প্রয়োজন, আর কে ছিল শুধু একটি সুন্দর অধ্যায়। And sometimes, the best version of you is born after you stop chasing the people who changed. 🖤🍂 আপনার লেখা পাঠান: 📮 @GolpoKothaBot
অতঃপর যিনি আমাকে বিষাদ উপহার দিয়েছিলেন, একসময় তিনিই অলিতে-গলিতে ঘুরে আমার জন্য ফুল খুঁজতেন। সময় সত্যিই অদ্ভুত— যে একদিন চোখে জল এনে দিয়েছিল, সে-ই একদিন হাসির কারণ হতে চেয়েছিল। :) ❤️🩹😅 আপনার লেখা পাঠান: 📮 @GolpoKothaBot
জান্নাত, 🥺❤️ হ্যাঁ… আমিও তোমাকে ভালোবাসি। ভালোবাসি, ভালোবাসি, ভালোবাসি…! 😭❤️ তুমি কি শুনতে পাচ্ছো না? আজ সত্যি বলছি—কোনো অভিমান নেই, কোনো লুকোচুরি নেই, কোনো মিথ্যে নেই… আমি তোমাকে ভালোবাসি। হয়তো অনেক দেরিতে বলছি, হয়তো এমন এক সময়ে বলছি যখন আমার কথাগুলো তোমার কাছে পৌঁছানোর কোনো পথ নেই। তবুও আজ মনটা আর চুপ থাকতে পারছে না। 😭🥀 I miss you, Jannat… ভীষণ মিস করি তোমাকে। আজ শুধু একবার তোমার সঙ্গে কথা বলতে ইচ্ছে করছে… একবার শুধু তোমার কণ্ঠটা শুনতে ইচ্ছে করছে। 💔 জানি না আমার এই কথাগুলো কোনোদিন তোমার কাছে পৌঁছাবে কি না… তবুও যদি কোনোভাবে পৌঁছে যায়, শুধু এটুকু মনে রেখো— কাবীর আজ সত্যি বলেছিল, সে তোমাকে ভালোবাসে। ❤️🩹 ইতি, তোমার অপ্রিয় অসভ্য কাবীর 🥀✍️ আপনার লেখা পাঠান: 📮 @GolpoKothaBot
আগে আমার কোনো ইগো ছিল না। কাউকে হারানোর ভয় ছিল, তাই সম্পর্কগুলোকে খুব গুরুত্ব দিয়ে দেখতাম। কিন্তু এক রাতে তার কিছু কথার আঘাত আমাকে ভীষণভাবে ভেঙে দিয়েছিল। সেদিন অনেক কেঁদেছিলাম। তারপর থেকেই নিজের আত্মসম্মান আর অনুভূতিগুলোকে গুরুত্ব দিতে শিখেছি। তার কাছ থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, কারণ বুঝতে পেরেছিলাম—আমার জীবনে সে থাকলেও, তার জীবনে আমার আগেই অন্য কেউ জায়গা করে নিয়েছিল। সেই ঘটনার পর থেকে কে আমার জীবনে এলো আর কে চলে গেল, সেটা নিয়ে আর আগের মতো আফসোস করি না। আর একটা জিনিস বদলে গেছে—যার জন্য একবার আমার আত্মসম্মান জেগে ওঠে, তার কাছে আমি আর কখনো ফিরে যাই না। পুরো পৃথিবী উল্টে গেলেও না। কারণ কিছু দূরত্ব ফিরে গিয়ে নয়, বজায় রেখেই নিজের মূল্য ধরে রাখতে হয়। 🖤🥀 — Shawon আপনার লেখা পাঠান: 📮 @GolpoKothaBot
অমীমাংসিত তুমি... তুমি জানো না, কতবার তোমাকে ভুলতে গিয়ে তোমাকেই আরও গভীর করে মনে রেখেছি। কত রাত নিজের বুককে বুঝিয়েছি— “সে তো আর আমার নয়,” অথচ বুকের ভেতর কেউ একজন তখনও তোমার নাম ধরে কাঁদছিল। প্রেম বড় অদ্ভুত— যাকে ছুঁতে পারি না, তাকেই সবচেয়ে বেশি অনুভব করি। যার সঙ্গে ভবিষ্যৎ নেই, তার সঙ্গেই মনের ভেতর হাজারটা ভবিষ্যৎ বানিয়ে ফেলি। তুমি হয়তো একদিন আমাকে সম্পূর্ণ ভুলে যাবে। আমিও হয়তো হাসতে শিখব, অন্য কারও হাত ধরব, স্বাভাবিক হয়ে যাব মানুষের ভিড়ে। শুধু একটা জায়গায় আমি কোনোদিন স্বাভাবিক হব না— আমার ভেতরের সেই ঘরটায়। যেখানে তোমাকে বসিয়ে ছিলাম। তখনও কান পেতে দেখো ভেতরখান যেনো চিৎকার করে বলছে, আজও এ পরাণ প্রচন্ড রকম ভালোবাসে তোমায়....❤️🩹 - সিনহা সুইটি...🌼 আপনার লেখা পাঠান: 📮 @GolpoKothaBot
অতঃপর যে কিনা ভুলে যায় বাজারের লিস্ট, রাতের মেডিসিন, মেসোপটেমিয়ার অবস্থান কিংবা শহরের বড়সড় কিংবদন্তীদের নাম, তার মনেও তুমি। -নীলা🌼 আপনার লেখা পাঠান: 📮 @GolpoKothaBot
কেউ অভিমান সাজায় মনের আদলে, কেউ আবার আস্ত একটা পাহাড় জমায়, এক মুঠো হাসির আড়ালে। একদিন সব ছেড়ে চলে যেতে চাই, দূর কোন এক দেশে! যেইখানে এসে বলবে না কেউ এই জীবন মানে মন ভাঙা এক ঢেউ। যেখানে সান্ত্বনা থাকবে না,যেখানে হবে না কোন স্বপ্ন দেখা,, শুধু ঘিরে রবে একরাশ নিরবতা,, থাকবে না কোন শুন্যতা,,। আপনার লেখা পাঠান: 📮 @GolpoKothaBot
মানুষের সাথে সম্পর্ক রাখুন একেবারে সীমিত পরিসরে - কেমন আছো, কী অবস্থা, সময় কেমন কাটছে? এইটুকুই যথেষ্ট। কথোপকথন অকারণে বাড়াবেন না। ঘণ্টার পর ঘণ্টা ফোনে কথা বলা বা স্টোরি দেওয়ারও কোনো প্রয়োজন নেই। কাউকে একেবারে নিজের ভাবার দরকার নেই! কারণ, দিনশেষে আপনি একাই থাকেন। বাস্তবতা হলো, যাদের সাথে সম্পর্ক খুব ভালো হয়ে ওঠে, সেখানেই সম্পর্ক নষ্ট হওয়ার ঝুঁকিও বেশি থাকে। তাই মানসিক শান্তির জন্য সীমিত পরিসরে সম্পর্ক রাখাটাই সবসময় সবচেয়ে জরুরি।
পরিবর্তনটা খুব সুন্দর হবে...!!-🫠❤️🩹"* আর কিছু মানুষের আফসোস টাও মারাত্মক হবে...!!- আপনার লেখা পাঠান: 📮 @GolpoKothaBot
জীবনে যখনই যা চেয়েছি, কেন যেন ভাগ্য ঠিক সেই জিনিসটাই দিয়ে আমাকে আঘাত করেছে। প্রতিবার শুধু মেনে নিতে হয়েছে, মানিয়ে নিতে হয়েছে। আজ এতটা মানতে মানতে আমি একেবারে ক্লান্ত। এতটাই ক্লান্ত যে, আর কিছু চাইতে ইচ্ছে করে না, কিছু পাওয়ারও ইচ্ছে হয় না… এই অল্প বয়সেই জীবন যে এতটা বিষাদময় আর কঠিন হয়ে উঠবে, সেটা তো ছোটবেলায় কখনো ভাবিনি। অথচ ছোটবেলায় সবসময় ভাবতাম—কবে আমি বড় হবো! এখন বড় হয়ে বুঝতে পারি, আমার বুকের ভেতর যে পাখিটা একসময় অনবরত ডানা ঝাপটাতো, স্বপ্ন দেখতো, বাঁচতে চাইতো—সে পাখিটা যেন ধীরে ধীরে মরে গেছে… — সিনহা সুইটি আপনার লেখা পাঠান: 📮 @GolpoKothaBot
যেদিন পৃথিবীর সমস্ত নদী শুকিয়ে যাবে; শুকিয়ে যাবে সমস্ত সমুদ্র, যেদিন থাকবে না আর কোনো বৃক্ষ, থাকবেনা কোনো বিদ্যুৎ। পৃথিবী হয়ে উঠবে মহাকাশের মত শূন্য; সেদিন ধরে নিও আমি তোমাকে ভুলে গেছি.. তোমাকে ভোলার সম্ভাবনা ততটুকুই সুস্পষ্ট, যতটুকু সম্ভাবনা দেখলে ধারণা করা যাবে অচিরেই পৃথিবীর আয়ুর অবসান ঘটবে। ক্ষীণ এই ছোট্ট আয়ুতে কিভাবে তোমাকে ভোলা সম্ভব? বেদনার নিরানব্বই পৃষ্ঠা ভুলে যাওয়া মূখ্য কোনো বিষয় না; শততম পৃষ্ঠার বেদনায় যদি তুমি থাকো তবে এই একটি পৃষ্ঠা ভোলা, মহাবিশ্বের সকল আলো নিভে যাওয়ার মত অসম্ভব... ভালোবাসি তোমায়.. -নীলা🌼 আপনার লেখা পাঠান: 📮 @GolpoKothaBot
জীবনের সবকিছু আপনার নিয়ন্ত্রণে থাকবে না। হুট করে চোখের সামনে এমন কিছু আসবে, আপনি ফ্যালফ্যাল করে চেয়ে থাকবেন। আপনার ভেতরে ভেতরে কষ্ট হবে অনেক! কিন্তু কিচ্ছু করার নাই। মন খারাপ কোনো যুক্তি মানে না, কোনোদিন মানে নাই। মাঝে মাঝে এমন কিছুর জন্য আপনার মন খারাপ হবে, যার জন্য মন খারাপ হওয়ার কোনো যুক্তিই নাই। কিন্তু দিনশেষে এটাই সত্য যে আপনার মন খারাপ। বাকি সব যুক্তিতর্ক ওখানে অসহায়। মাঝে মাঝে তাই হাত গুটিয়ে চুপচাপ বসে থাকতে হয়। নিজেকে বলতে হয়, জীবনটা আসলে এমনই। কেমন যেন, আনফেয়ার, কিংবা অদ্ভুত রকমের অসহায়! আপনার লেখা পাঠান: 📮 @GolpoKothaBot
ভালোবাসাকে যারা "ক্ষণস্থায়ী অনুভূতি" বলে দাগিয়ে দেন, তারা আসলে জোয়ারকে সাগর বলে ভুল করেন। জোয়ার আসে, গর্জন করে, তারপর সরে যায়—কিন্তু সাগর থেকে যায় নিজের জায়গায়, অটল, অসীম, অপরাজেয়। ভালোবাসাও ঠিক তাই। যেটুকু মোহ, তা জোয়ারের ফেনার মতোই ক্ষণস্থায়ী; কিন্তু যেটুকু সত্যিকারের ভালোবাসা, তা সমুদ্রের তলদেশের মতোই অনড়, অপরিমেয়, চিরকালীন। মনোবিজ্ঞান বলে, প্রথম প্রেমের সেই উন্মাদ উত্তেজনা আসলে ডোপামিনের নেশা—মস্তিষ্কের এক ঝড়ো মাদকতা। কিন্তু সময় তাকে পুড়িয়ে খাঁটি করে তোলে অক্সিটোসিন আর ভাসোপ্রেসিনের অবিনশ্বর বন্ধনে—যা চোখে দেখা যায় না, কিন্তু রক্তে-মজ্জায় স্থায়ী হয়ে যায়। জন বোল্বির অ্যাটাচমেন্ট থিওরি স্পষ্ট করে দেয়—ভালোবাসা কোনো ক্ষণিকের ঝিলিক নয়, এটা মানুষের অস্তিত্বের মূল স্তম্ভ, বেঁচে থাকারই এক আদিম নিয়তি। ভাবুন বজ্রপাত-বিধ্বস্ত এক বটগাছের কথা। উপরের ডালপালা পুড়ে যায়, পাতা ঝরে যায়—কিন্তু মাটির নিচে ছড়িয়ে থাকা শিকড় একবিন্দুও নড়ে না। কারণ সেই শিকড় বছরের পর বছর নিঃশব্দে, একরোখাভাবে গেঁথে গেছে মাটির গভীরে। প্রকৃত ভালোবাসাও তেমনি এক জেদি শিকড়—ঝড় তাকে দুলিয়ে দিতে পারে, কিন্তু উপড়ে ফেলতে পারে না। শুরুতে যতটা আগুন জ্বলে, পরে ততটা চোখে না পড়লেও, ভেতরে সে হয়ে ওঠে লোহার চেয়েও কঠিন, পাথরের চেয়েও ধৈর্যশীল। fMRI গবেষণা যা প্রমাণ করেছে, তা প্রায় বিদ্রোহের মতো এক সত্য—কয়েক দশক একসাথে কাটানো দম্পতির মস্তিষ্কেও ঠিক সেই একই রিওয়ার্ড সেন্টার জ্বলে ওঠে, যা প্রথম চোখাচোখির দিনে জ্বলেছিল। সময় ভালোবাসাকে গ্রাস করতে পারেনি—বরং ভালোবাসাই সময়কে জয় করেছে। আর কেউ যদি ছেড়ে চলে যায়? তাতেও ভালোবাসা পরাজিত হয় না। প্রলয়ংকরী বান নদীর পাড় ভেঙে তছনছ করে দেয় ঠিকই, কিন্তু সেই বানই রেখে যায় এমন উর্বর পলি, যা বছরের পর বছর ফসল ফলায়। তেমনি প্রতিটি ভালোবাসা, এমনকি ভেঙে যাওয়া ভালোবাসাও, আমাদের ভেতরে গেঁথে দেয় এক অবিনাশী শক্তি। এই ক্ষত মুছে ফেলার কিছু নয়—এই ক্ষতই যুদ্ধজয়ের প্রমাণ, বহন করে এগিয়ে চলার অস্ত্র। রবীন্দ্রনাথ যা লিখে গেছেন, জীবনানন্দ যা এঁকে গেছেন বনলতা সেনের নিঃশব্দ চোখে—তা যদি নিছক এক ক্ষণস্থায়ী মায়া হতো, তবে শতাব্দীর পর শতাব্দী পেরিয়েও মানুষের হৃদয়ে এমন অমোঘ দাগ কাটতে পারত না। কবিতা মরে না, কারণ যে ভালোবাসা থেকে তার জন্ম, সেই ভালোবাসাও মরে না। তাই "মাঝামাঝি থেকো, বাড়াবাড়ি কোরো না"—এই পরামর্শ আসলে ভীরুতার এক মিষ্টি নাম। সাঁতার না শিখে নদীর পাড়ে দাঁড়িয়ে থাকা কোনো প্রজ্ঞা নয়, এটা এক নিরাপদ আত্মসমর্পণ। কষ্টের ভয়ে যে হৃদয় বন্ধ করে রাখে, সে ব্যথা থেকে বাঁচে বটে, কিন্তু বেঁচে থাকার সবচেয়ে বড় সত্যটুকু থেকেই নিজেকে চিরদিনের জন্য বঞ্চিত করে। ভালোবাসা মানুষকে দুর্বল করে না—ভালোবাসাই মানুষকে যুদ্ধ করতে শেখায়। শেখায় কীভাবে ভাঙনের মধ্যেও মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে হয়, কীভাবে হারানোর ভেতর থেকেও কিছু একটা চিরদিনের জন্য নিজের করে জিতে নিতে হয়। কারণ ভালোবাসা কোনো দুর্বলতা নয়—এটাই মানুষের সবচেয়ে বড়, সবচেয়ে নিঃশব্দ বিপ্লব। . Unknown আপনার লেখা পাঠান: 📮 @GolpoKothaBot
তো তোমাকে কেউ একজন পেয়েছে মানে আরেকজন কি বীভৎস ভাবেই না তোমাকে হারিয়েছে। লেখাটা খুব ছোট তাই না।কিন্তু পৃথিবীর সমান কথাটার গভীরতা। কেউ একজন দিনের পর দিন মাসের পর মাস বছরের পর বছর কাউকে নিজের করে পাওয়ার স্বপ্ন দেখে যাচ্ছে অপেক্ষা করে যাচ্ছে। অথচ অন্য কেউ কোনো অপেক্ষা ছাড়া সাধনা ছাড়াই তাকে নিজের করে পেয়ে গেল। সে জানেও না সে যাকে নিজের করে পেলো তাকে পেতে একজন জন কতশত দিন ধরে ক্ষুধার্ত ভিক্ষুকের মতো তার অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে ছিল। - Fatema আপনার লেখা পাঠান: 📮 @GolpoKothaBot
MOOD OFF? 😔 জয়েন করো নিচের চ্যানেলগুলোতে। মুড অন না হলে এমবি ফেরত! 1️⃣ t.me/Bangla_Memes 2️⃣ t.me/Mood_Posting 3️⃣ t.me/MoodxBoost 4️⃣ t.me/Prank_King 5️⃣ t.me/TG_sarcasm ❇️ Check out - Click here
মানুষ চলে গেলে কি মানুষের দুঃখ বাড়ে? ~মানুষ ছেড়ে চলে গেলে দুঃখ বাড়ে না। প্রস্থানের পর তারই ফেলে রাখা স্মৃতিরা দুঃখ বাড়ায়। ❤️🩹 আপনার লেখা পাঠান: 📮 @GolpoKothaBot
ভালবাসা একটি ক্ষণস্থায়ী অনুভূতি ছাড়া কিছুই নয়। মানুষের মেজাজ আর সময়ের সাথে সাথে এই অনুভূতি বিবর্ণ হবে। যদি তোমার তথাকথিত কাছের মানুষ তোমাকে ছেড়ে চলে যায়, ধৈর্য ধরো, সময় তোমার সব ব্যথা-বিষন্নতা কে ধুয়ে-মুছে দেবে। কখনো প্রেম-ভালবাসার মিষ্টতা এবং সৌন্দর্যকে নিয়ে বাড়াবাড়ি করবেনা, আবার ভালবাসা হারিয়ে বিষণ্ণতায়ও অতিরঞ্জিত হবে না।🌸 লেখক :- নাফিজ মাহমুদ হিশাম আপনার লেখা পাঠান: 📮 @GolpoKothaBot
[পরবর্তী অংশ] কোভিডের টাইম থেকে এই টাইম অবধি সময় কত বদলে গেছে! আমি নিজে বদলে গেছি। পরের পাঁচ ছয় বছর পরেও আরও বদল ঘটবে আমার। সেটাই স্বাভাবিক। এই যে এখন যেমন পুরনো দিনের কথা ভাবছি। তখন যা স্বপ্ন দেখতাম, উইশ করতাম, তা যেমন রিয়েলিটিতে বদলে গেছে, এখন যা মনে মনে উইশ করছি, আগামী পাঁচ বছর পরেও কি তা রিয়েলিটিতে বদলে যাবে? স্বপ্ন সত্যি হয়ে সেই স্বপ্নতেই বাঁচতে পারব? জানি না। নিজের ওপর মাঝেমাঝে রাগ হয়, এটা ভাবলেই যে, ঢাবিতে চান্স পাওয়া আসলেই আমার স্বপ্ন ছিল? আমি কীভাবে এত নিচে নামতে পেরেছিলাম? ঘাবড়াবেন না কেউ। আমি এমন ভীষণ সুপিরিয়রিটি কমপ্লেক্সে ভুগেই থাকে সময়ে সময়ে। পরে রিয়েলিটি হিট করলে স্বজ্ঞানে ফিরে আসি। Max Rab
আমাদের হাই স্কুলের এক সিনিয়রের ব্যাপারে টিচাররা সবসময় বলাবলি করতো। বলতো সে পড়াশোনায় খুব ভালো। সবসময় ফার্স্ট হয়। খুব বেশি সিনিয়র না। মাত্র এক বছরের। কিন্তু আমাদের ব্যাচের ফার্স্ট বয়কে নিয়ে কেউ কিছু কখনও বলতো না। ও আমার চেয়েও লো প্রোফাইল রাখতো। কিন্তু সিনিয়র ঐ ছেলেটা ভীষণ চঞ্চল, কর্মঠ ছিল। পড়াশোনায় যেমন ভালো, কো কারিকুলাম এক্টিভিটিসেও দুর্দান্ত ছিল। এডমিশনের সময় সে বুয়েট, ঢাবি, মেডিকেল, সাস্ট সবকিছুতেই চান্স পেয়ে যায়। পরে গিয়ে ভর্তি হয় বুয়েটে। আমার নিজের কোথাও পার্টিকুলারলি পড়ার আকাঙ্খা ছিল না। তবুও, এডমিশন পিরিয়ড যখন চলে এল, তখন সবার মতো আমাকেও বিভিন্ন জায়গায় পরীক্ষা দিতে হলো। ব্যাচেলর তো করতে হবে। পড়াশোনা তো আর উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত স্থায়ী রাখা যায় না। ঐ ছেলেটাকে দেখে আমারও ইচ্ছে হতো মনে মনে, ঢাবি না হয় সাস্ট যেকোনো একটাতে আমারও যদি চান্স হয়ে যায়, তাহলে তো খুব ভালো হয়। নিজের নামের সাথে সারাজীবনের জন্য ঐ ইউনিভার্সিটির তকমা লেগে যাবে। নিজের একটা পরিচয় তৈরি হবে। ঢাবি বা সাস্ট কেন, কেন বুয়েট বা চুকুরুয়েট নয় তার কারণ আমি ইঞ্জিনিয়ারিং এর জন্য কোনো প্রিপারেশনই নিইনি। আর ইঞ্জিনিয়ারিং এ পরীক্ষা দিয়ে পাশ করা ইজ নট এ জোক। নিজের লেভেল জানতাম ভালো করে। ঢাবিতে বা সাস্টে চান্স পাওয়ার জন্যও যে আমি খুব পড়াশোনা করেছিলাম তাও না। সেই তুলনায় পড়াশোনা করিইনি বলা চলে। বাবার ইচ্ছায় মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষা দিয়েছিলাম। কিন্তু যথারীতি চান্স হয়নি। না হওয়ারই কথা ছিল। পরে ঢাবিতে এক্সাম দিলাম দুটো ইউনিটে। এ আর ডি। সাইন্সের স্টুডেন্ট হওয়ায় এ তে তো দিতেই হতো। ডি'তে শুরুতে দেওয়ার ইচ্ছা ছিল না। কিন্তু এক বন্ধুর কথায় এপ্লাই করে ফেললাম। ভাবনা ছিল, যদি বাই এনি চান্স, ঢাবিতে চান্স হয়ে যায়? মাঝে গুচ্ছেও এক্সাম দিয়েছিলাম। মার্কস কম এসেছিল। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে এপ্লাই করেও পরীক্ষা দিতে যাইনি। ঢাবি ডি'তে প্রিপারেশন ছাড়াই এক্সাম দিতে গিয়েছিলাম। আর চান্সও হয়ে গেল। কোনো কষ্ট ছাড়া, রাতের ঘুম হারাম করা ছাড়া। লেখালেখির শখ থাকায় যা'ই দক্ষতা ছিল, তা দিয়েই রিটেনে অনেক মার্কস চলে এসেছিল। এমসিকিউতে কোনোমতে উৎরেছি। মনে মনে ভাবি, যাক, লেখালেখি করে আর কিছু না হোক, অন্তত ঢাবিতে চান্সটা হয়ে গেছে। দিনেশেষে, আমিও ঢাবিয়ান। ঐ সিনিয়রের মতো। ও বুয়েটিয়ান, আমি ঢাবিয়ান। ভালো লাগা কাজ করে। এটা খুব বড় অর্জন নয়। সত্যি বলতে, এটা কোনো অর্জনই নয়। এটা শুধু ব্যক্তিগত গর্বের বিষয়। আমি তাই বুক ঠুকে বলে বেড়াই না কাউকে। নিজেকে ঢাবিয়ান বলে পরিচয় দেওয়াটা হয় আমার লাস্ট অপশন। কিন্তু একটা ইনস্টিটিউশনাল প্রাইড কাজ করেই সবসময়। এটা যারা পড়ে শুধু তারাই অনুভব করতে পারে। হাজার হোক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। আসলে এটা সম্ভবই হয়েছে, ঐ ভাইকে দেখে মনের মধ্যে তৈরি হওয়া মেনিফেস্টেশন থেকে। শুধু ঐ ভাই'ই না। শুধু ওনাকে ক্রেডিট দেবো না। আরও অনেককে দেখেই। তবে ঐ ভাইয়েরটা চোখের সামনে থেকে দেখতে পেতাম তাই ওর ইনফ্লিয়েন্সটা বেশি ছিল। আমি দুয়া করতে থাকতাম, ঢাবি অথবা সাস্ট, যেকোনো একটা কপালে দিয়ে দাও, আল্লাহ। অথচ পড়তাম না, পরিশ্রম করতাম না। টার্নস আউট, কোনো কাজ না করেও দুয়ায় কাজ হয়। না, না। আমি কাউকে কাজ করতে বারণ করছি না। কাজ করুন, পরিশ্রম করুন। আমার ব্যাপারটা লজিক্যালি দেখলে, একেবারে ফরচুন বা লাক বা কাকতালীয়ভাবে চান্স পেয়ে যাওয়া ইত্যাদি বিভিন্নভাবে উপস্থাপন করা যায়। মিরাকল বলার প্রয়োজনীয়তা নেই। কিন্তু আমি নিজের কাছে এটাকে মিরাকলই বলি। এই কথাগুলো বলছি এই কারণে, ঐ সিনিয়র ভাই ফেসবুকে পোস্ট দিল সম্প্রতি, উনি আমেরিকা চলে গেছে। পিএইচডি করতে। উইথ ফুল ফান্ডেড স্কলারশিপ। এখন কি আমিও কি চাই ওর মতো ফুল ফান্ডেড স্কলারশিপ নিয়ে আমেরিকা যেতে? আমি বলবো, আমি জানিনা। আমি চাইনা কিছুই। গত পাঁচ-ছয় বছর আগে আমার মানসিকতা যেমন ছিল, এখন তেমন নেই। এখন আমার মধ্যে বেশকিছু বদল ঘটেছে। এখন আমি প্রবাবলিটি চিন্তা করে এগোবো। হিসেব নিকেশ করে যেদিকে যাওয়াটা ঠিক মনে হবে, সেদিকে যাবো৷ র্যান্ডমলি আবেগের বশবর্তী হয়ে কিছু চেয়ে বসবো না। তবুও মনের এক গহীনে, কিছু ইচ্ছা আকাঙ্খা থেকে যায়। মনে হয়, ওদিকে গেলেই সুখ আসবে। সমৃদ্ধি আসবে। হয়তো শান্তি আসবে। হয়তো ভালো কিছু হবে। পরে আবার অন্যান্য অনেক সম্ভাবনার কথা ভাবলে নিজের মনের মধ্যে দ্বন্দ্ব লেগে যায়। এতো সম্ভাবনার কথা ভাবি কেন আমি? একটা মেয়েকে একবার একটা সম্ভাবনার কথা বলেছিলাম। তার কথায় মনে হয়েছে, আমার বলা সম্ভাবনাকে সে সিরিয়াসলি ধরে নিয়েছিল। সম্ভাবনার কথা ভাবা, আর মন থেকে কোনো কিছু চাওয়ার মাঝে যে ফারাক থাকে অনেক। [ বাকিটুকু নিচে] Max Rab
জীবনকে উপভোগ করো কারণ আমরা আর কোনোদিন এই বয়সে, এই সময়ে ফিরে আসব না। তাই হয়তো কিছুদিন সবার আড়ালে থাকাই ভালো। কোলাহল থেকে একটু দূরে, মানুষের প্রত্যাশা থেকে একটু বাইরে, নিজের নীরবতার কাছে ফিরে যাওয়া। নীরবতা মানে অভিমান নয়, মানুষের কাছ থেকে পালিয়ে যাওয়াও নয়। কখনো কখনো নীরবতা মানে নিজেকে একটু সময় দেওয়া, নিজের ভেতরের অগোছালো কথাগুলো শোনা, আর বুঝে নেওয়া আসলে আমি কী চাই। একদিন হয়তো আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে দেখব, আজকের এই তরুণ মুখটাও সময় ধীরে ধীরে বদলে দিয়েছে। তখন হয়তো মনে পড়বে কত কিছু ছিল উপভোগ করার, কত মানুষ ছিল ভালোবাসার, কত মুহূর্ত ছিল বেঁচে থাকার; অথচ আমরা ব্যস্ত ছিলাম অপ্রয়োজনীয় কোলাহলে। তাই এখন একটু নীরব থাকি, সবার চোখের আড়ালে থাকি, নিজেকে নিয়ে থাকি। সব প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে না, সব সম্পর্ক আঁকড়ে ধরে রাখতে হবে না, সবাইকে নিজের গল্প বলতেও হবে না। কিছুদিন শুধু নিজের সঙ্গেই আড্ডা হোক নীরব কোনো বিকেলে, জানালার পাশে বসে, নিজের মনটাকে জিজ্ঞেস করি “এতদিন সবাইকে ভালো রাখতে গিয়ে আমি কি নিজেকেই কোথাও হারিয়ে ফেলিনি?” জীবন ছোট, সময় তার চেয়েও ছোট। তাই অতীতের জন্য আফসোস নয়, ভবিষ্যতের জন্য অতিরিক্ত ভয়ও নয় আজকের এই ছোট্ট জীবনটুকু নীরবে, নিজের মতো করে একটু সুন্দর করে বাঁচি। 🦋🤍 আপনার লেখা পাঠান: 📮 @GolpoKothaBot